রাজস্থানকে উড়িয়ে দিয়ে সাকিবদের যাত্রা শুরু

রাজস্থান রয়্যালসকে অল্প রানেই বেঁধে ফেলেছিল সানরাইজার্স হায়দারাবাদ বোলাররা। ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শিখর ধাওয়ানের ব্যাটে ভর করে ঘরের মাঠে সহজ জয় পেয়েছে সাকিব আল হাসানের দল। নয় উইকেটের বড় জয় দিয়েই আইপিএলে শুরুটা করেছে হায়দরাবাদ।

প্রথমে ব্যাট করা রাজস্থান সাকিব-কাউলদের তোপে পড়ে নয় উইকেট হারিয়ে স্কোরকার্ডে জমা করে ১২৫ রানের সাদামাটা সংগ্রহ। জবাবে নয় উইকেট আর ২৫ বল হাতে রেখেই ম্যাচ জিতে নেয় স্বাগতিকরা।

শুরুর ম্যাচেই অর্ধশতক হাঁকিয়ে ব্যাট হাতে দলকে জেতানোর মূল ভূমিকাটা পালন করেন উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান শিখর ধাওয়ান। দলীয় মাত্র ছয় রানেই ঋদ্ধিমান সাহা ফিরলেও অধিনায়ক কেইন উইলিয়ামসনকে সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নেন ধাওয়ান। ম্যাচে ওই একটি উইকেটই হারিয়েছিল হায়দরাবাদ।

ধাওয়ান-উইলিয়ামসন দুজন মিলে দ্বিতীয় উইকেটের অবিচ্ছেদ্য জুটিতে তোলেন ১২১ রান। ১৩ চার আর এক ছক্কায় ৫৭ বলে ধাওয়ান অপরাজিত ছিলেন ৭৭ রানে। অন্যদিকে উইলিয়ামসনের সংগ্রহ ছিল হার-না-মানা ৩৬ রান। ম্যাচসেরার পুরস্কারটা গিয়েছে ধাওয়ানের হাতেই।

এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস জিতে বোলিং বেছে নিয়েছিল হায়দরাবাদ। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই বল হাতে দেখা গিয়েছিল সাকিবকে। তবে প্রথম তিন ওভারে কোনো উইকেটের দেখা পাননি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

সানরাইজার্সের জার্সিতে নিজের প্রথম উইকেটটা পেতে সাকিবকে অপেক্ষা করতে হয়েছিল কোটার শেষ ওভার পর্যন্ত। অবশ্য নিজের করা চতুর্থ ওভারে প্রথম উইকেট তুলে নেওয়ার এক বল পরেই সাকিব তুলেছিলেন আরো একটি উইকেট। রাহুল ত্রিপাঠির সাথে দারুণ ব্যাট করা সানজু স্যামসনকেও বাঁহাতি এই স্পিনার ফিরিয়েছেন অর্ধশতক বঞ্চিত হওয়ার স্বাদ দিয়ে।

সবমিলিয়ে চার ওভারে বল করে ২৩ রান খরচায় বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দলপতি নিয়েছেন দুই উইকেট। ওভারপ্রতি রান দেয়ার হারটা আরও দারুণ, মাত্র ৫.৭৫!

আগামী বৃহস্পতিবার নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে হায়দরাবাদ মাঠে নামবে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের বিপক্ষে। এ ম্যাচটায় অবশ্য বাংলাদেশি দর্শকদের চোখটা থাকছে আইপিএলেই। কেননা, সানরাইজার্সের সাকিব যে নিজের জাতীয় দলের সতীর্থ মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের মুস্তাফিজুর রহমানের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন! ঘরের মাঠে কাটার মাস্টার দলকে আতিথ্য দেবে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের দল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোটা সংস্কার আন্দোলন: ছাত্রলীগের ৩ নেতার পদত্যাগ

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে সাংগঠনিক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ছাত্রলীগের তিন নেতা। এছাড়া কোটার দাবির পক্ষে একাত্মতা প্রকাশ করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন অনেক ছাত্রলীগ নেতা।

সোমবার পদত্যাগের ঘোষণা দেন তারা। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।

পদত্যাগের ঘোষণা দেয়া নেতারা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস অনুষদের ট্যুরিজম বিভাগ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল্লাহ সাইফ, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক ছাত্রলীগের উপ-অ্যাপায়নবিষয়ক সম্পাদক আছিবুর রহমান এবং ফলিত পরিসংখ্যান বিভাগ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শরীফ হাসান সুজন।

পদত্যাগের ঘোষণা দেয়া নেতারা জানিয়েছেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে তারা এ সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান। শুরু থেকে ছাত্রলীগের নেতারা কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমর্থন জানিয়ে আসছেন বলেও জানান তারা।

ট্যুরিজম বিভাগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল্লাহ সাইফ বলেন, ‘ছাত্রলীগ জাতির পিতার নিজ হাতে গড়া সংগঠন। ছাত্রলীগ ডাকসুর ভূমিকা পালন করে। ছাত্রলীগ ছাত্রদের অধিকারে কাজ করে। ছাত্রলীগ সাধারণ শিক্ষার্থীদের বন্ধু। ছাত্রলীগের ভূমিকা কী দেখা গেল। এই ছাত্রলীগ কোন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ করে, জানি না। আমার বঙ্গবন্ধু আলাদা। তাই সজ্ঞানে আমি ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করছি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উপগণযোগাযোগ উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, ‘বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন করতে গিয়ে নিজের ছাত্রত্ব হারিয়েছেন। তবু অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেননি। আর এখনকার নেতারা পদ হারানোর ভয়ে লাখ লাখ শিক্ষার্থীর পক্ষে কথা বলতে পারেন না। ছিঃ, আমরা না তারই আদর্শ বুকে ধারণ করি!’

তিনি লেখেন, ‘অহিংস আন্দোলন সহিংস হয়ে উঠেছে। যারা হসপিটালে আছে তারা আমাদেরই ভাই, বন্ধু। ক্ষমতা আজীবন থাকে না। এই আন্দোলন কোনও দলের নয়, এটা সব সাধারণ শিক্ষার্থীর আন্দোলন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোটা সংস্কারের দাবি; আন্দোলন মঙ্গলবার পর্যন্ত স্থগিত

চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের অবস্থান সোমবার রাতে স্থগিত করা হয়েছে। সরকারের আশ্বাস না মেনে অবস্থান চালিয়ে যাওয়ার পর মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে আবার অবস্থান শুরু করবে আন্দোলনকারীরা।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, তাদের অবস্থানের আশপাশে ছাত্রলীগের নেতারা ঘোরাঘুরি করায় তারা নিরাপদ মনে করছে না। তাই আন্দোলন আজকের মতো স্থগিত।

সরকারের আশ্বাসে পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলন স্থগিতের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয় আন্দোলনকারীদের একটি অংশ। সোমবার রাত শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হল ও বাংলা একাডেমি এলাকায় অবস্থান নিয়ে তারা স্লোগান দিতে থাকেন। এ তিন স্থানে হাজারো আন্দোলনকারী ছিলেন। কিন্তু রাত বাড়তে থাকার সঙ্গে সঙ্গে আন্দোলনকারীদের এ অংশের শিক্ষার্থীরা চলে যতে থাকেন। কমতে কমতে একপর্যায়ে সংখ্যা প্রায় ১০০-তে নেমে আসে। এ সময় আন্দোলনকারীদের এ অংশের মুখপাত্র দাবি করে বিপাশা চৌধুরী নামের এক শিক্ষার্থী সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, ‘আমাদের আশপাশে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ঘোরাঘুরি করছেন। নিরাপদ মনে না করে আজকের মতো আন্দোলন স্থগিত করা হলো।’

বিপাশা চৌধুরী আরও বলেন, তাঁরা ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। পরদিন ১৬ এপ্রিল ‘চল চল ঢাকা চল’ শিরোনামে কর্মসূচি পালন করবেন।

বিদ্যমান কোটার বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে, সরকারে এমন আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলন আগামী ৭ মে পর্যন্ত স্থগিত করেন আন্দোলনকারীরা। সোমবার বিকেলে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে সরকারের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সচিবালয়ে আন্দোলনকারীদের প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকের পর বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, তাঁরা সরকারের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ৭ মে পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত করছেন। তিনি বলেন, সরকারের সঙ্গে বৈঠকে আজকের মধ্যে আন্দোলনের সময় গ্রেপ্তার হওয়া সবাইকে মুক্তি দেওয়া বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

পরে সন্ধ্যায় আন্দোলনকারীদের একটি অংশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাসে ফিরে ওই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে। শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হল ও বাংলা একাডেমি এলাকায় পৃথকভাবে অবস্থান নিয়ে আন্দোলনকারীরা এ সিদ্ধান্তকে ‘ভুয়া’ ‘ভুয়া’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। তাঁরা বলেন, এ সিদ্ধান্ত তাঁরা মানতে রাজি নন। কোটা সংস্কারে সুস্পষ্ট আশ্বাস না দিলে তাঁদের পক্ষে এ দাবি মানা সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কোনো আশ্বাস না থাকায় তাঁরা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।

আন্দোলনকারীদের এ অংশটি বলছে, অন্য ইস্যু সামনে চলে এলে এ ইস্যু হারিয়ে যাবে। তবে পরে তাঁরা আন্দোলন মঙ্গলবার পর্যন্ত স্থগিত করেন।

বিদ্যমান কোটার সংস্কার চেয়ে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ এ দফায় গত ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে আন্দোলন করে আসছে। গত রোববার তাঁদের পদযাত্রা ও অবস্থা কর্মসূচি চলাকালে ঢাকায় পুলিশ বাধা দিলে সহিংস পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খুলনায় বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু

খুলনা ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে মেয়র পদপ্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। খুলনা সিটি করপোরেশনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। গাজীপুর সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে মনোনয়ন পেয়েছেন দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান উদ্দিন সরকার। তাঁরা দুজনই এক সময় সংসদ সদস্য ছিলেন।

সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দুই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এর আগে রোববার বিকেল ৫টা ২৫ মিনিট থেকে গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা। সাক্ষাৎকার চলে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত। ৪০ মিনিট বিরতি দিয়ে পরে সন্ধ্যা ৭ টা ১০ মিনিট থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত চলে গাজীপুর সিটির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার।

সাক্ষাৎকার শেষে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছিলেন, আমি এবারের নির্বাচনে মনোনয়ন তুলতে চাইনি। কিন্তু সমর্থকরা তুলেছেন। কারণ আমি সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনে আগ্রহী। তাই মেয়র পদে নির্বাচন করতে চাই না। এ কারণে আমি মনোনয়ন বোর্ডে বর্তমান মেয়র মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনিকে সমর্থন দিয়ে এসেছি।

জানতে চাইলে খুলনা সিটি করপোরেশনের বর্তমান মেয়র মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি বলেন, আমাদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ শেষ হয়েছে। তবে কাউকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে বলা হয়নি। সাক্ষাৎকার শেষে পরে সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলা হয়েছে দলের পক্ষ থেকে। তারপরও আমাদের মনোনয়ন বোর্ড যাকেই মনোনয়ন দেবে আমরা অতীতের মতো তাঁকে নিয়েই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব। অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমরা আবার এই সিটিতে বিজয়ী হবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘প্লিজ ডোন্ট ডিকটেক্ট মি’

প্রেস ব্রিফিংয়ের একাধিক বিষয়ে বারবার মনে করিয়ে দেওয়ায়  কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতি ও পালি বিভাগের ছাত্রী কানিজ ফাতিমার প্রতি কিছুটা উষ্মা প্রকাশ করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। কানিজ ফাতেমার উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘প্লিজ ডোন্ট ডিকটেক্ট মি’। সোমবার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ২০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এই কথা বলেন।

এর আগে সোমবার বিকাল সাড়ে চারটার পর সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতির সংস্কার নিয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেন ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে সরকারের প্রতিনিধিরা। সরকারের  প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন, এনামুল হক শামীম, আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজল হোসেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, উপ-দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এসএম কামাল হোসেন।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিশ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন। এই প্রতিনিধি দলের সঙ্গে যোগ দিয়ে কানিজ ফাতিমাও এসেছিলেন ওই বৈঠকে। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানিয়ে শুরুতেই বক্তব্য দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সংগঠন—‘বাংলাদেশ সাধারন ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’-এর আহ্বায়ক হাসান আল মামুন। তার বক্তব্যের সময় সেতুমন্ত্রী ও আহ্বায়কের পেছনে দাঁড়িয়ে ছিলেন কানিজ ফাতিমা। মন্ত্রী যখন সমাপনী বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তখন কিছু কিছু শব্দ যুক্ত করার জন্য পেছন থেকে মন্ত্রীর উদ্দেশে কথা বলে যাচ্ছিলেন তিনি।

মন্ত্রীর বক্তব্য চলার সময় কানিজ ফাতিমা বলেন, ‘আন্দোলন প্রত্যাহার নয়, স্থগিত বলুন।’ এ সময় মন্ত্রী বলেন, ‘আমি স্বীকার করছি, প্রত্যাহার নয়, স্থগিত। স্থগিতই তো বলেছি।’ কানিজ ফাতেমা আবারও মন্ত্রীকে মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘শুধু আহত নয়, পুলিশের হামলায় আহত’, আরেকবার বলেন, ‘আন্দোলন ৯ মে পর্যন্ত নয়, ৭ মে পর্যন্ত স্থগিত’  ইত্যাদি।

প্রথমে কানিজ ফাতিমার এই সংশোধনীমূলক বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নিলেও কিছুক্ষণ পর কিছুটা ক্ষুব্ধ হন সেতুমন্ত্রী। এ সময় তিনি কানিজ ফাতেমার উদ্দেশে বলেন, ‘প্লিজ ডোন্ট ডিকটেক্ট মি। তোমরা সবাই যখন বক্তব্য দিয়েছ, আমরা মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনেছি। বিশেষ করে, তুমি অনেক বেশি সময় নিয়ে বক্তব্য দিয়েছো। আমরা তো কেউ কিছু বলিনি। শুধু শুনেছি। এ ছাড়া তোমার কনভেনর তো বলেছে, যা বলার। তারপর তুমি কেন বলছো? সভার তো একটা শৃঙ্খলা আছে। তোমরা যখন কথা বলেছো, আমার এতজন কলিগ, এখানে এমপি আছেন, দলের সিনিয়র নেতারা আছেন, একজন মানুষও তো কথা বলেননি। তোমাকে সুযোগ দিয়েছি সবার চেয়ে বেশি। তুমি সুযোগ পেয়েছো বেশি। এখন আমাদের পালা। আমাদের কেউ তো বলছে না। আমি একা বলছি। সো, তুমি আমাকে ডিকটেক্ট করো না।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে স্কুল বাস খাদে, ২৭ শিশুর মৃত্যু

ভারতের হিমাচল প্রদেশের কাংরা উপত্যকায় একটি স্কুলবাস ২০০ ফুট গভীর খাদে পড়ে কমপক্ষে ২৭ শিশু মারা গেছে। নিহতদের বেশিরভাগেরই বয়স ১০ বছরের কম। দুর্ঘটনায় স্কুলের দুজন শিক্ষক ও বাস চালকেরও মৃত্যু হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হিমাচল প্রদেশের রাজধানী সিমলা থেকে ৩২৫ কিলোমিটার দূরে সরু পাহাড়ি রাস্তায় খুব জোরে বাসটি চালাচ্ছিলেন চালক। এক জায়গায় গাড়িটি মোড় নিতে চাইলে চাকা ফঁসকে বাসটি ২০০ ফুট গভীর খাদে পড়ে যায়। বাসটি একটি বেসরকারি স্কুলের। যার নাম ‘ওয়াজির রাম সিংহ পাঠানিয়া মেমোরিয়াল পাবলিক স্কুল’।দুর্ঘটনার পর সেখানে ছুটে যান জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। তাঁরা বাসে আটকে পড়া কয়েক শিশুকে উদ্ধার করেন। আহত শিশুদের ৯০ কিলোমিটার দূরে পঠানকোট হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইট করে এই ঘটনায় গভীর দুঃখপ্রকাশ করেছেন। হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর বলেছেন, ‘এই ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’ মৃত ও জখম শিশুদের প্রত্যেককে ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে হিমাচল রাজ্য সরকার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩ মাস আগেই ইমরান এইচ সরকারের বিবাহ বিচ্ছেদ !

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের কন্যা নাদিয়া নন্দিতা ইসলামের সঙ্গে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে।

সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে মন্ত্রীদের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক আলোচনাকালে শিক্ষামন্ত্রী নিজেই এমন তথ্য জানান।

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবির পেছনে ইমরান এইচ সরকারের ইন্ধন আছে বলে মন্ত্রিসভায় আলোচনা হয়। তখন ইমরান এইচ সরকার শিক্ষামন্ত্রীর মেয়ের জামাই বলে বিষয়টি নিয়ে কথা ওঠে।

এসময় শিক্ষামন্ত্রী অন্যান্য মন্ত্রীদের উদ্দেশে বলেন, ইমরান এইচ সরকারের সঙ্গে আমার পরিবারের বর্তমানে কোনো সম্পর্ক নাই। আমার মেয়ের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল। গত তিনমাস আগে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে।-খবর বাংলা নিউজের

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘জাতীয় চার নেতা বহুমাত্রিক মূল্যায়ন’ গ্রন্থ ডা. রুহুল হক এমপিকে উপহার দিলেন জবি শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিনিধি : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক জি এম তারিকুল ইসলাম সম্পাদিত গ্রন্থ ‘জাতীয় চার নেতা বহুমাত্রিক মূল্যায়ন’ গ্রন্থটি সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডা: আ ফ ম রুহুল হক এমপি’র হাতে আজ সোমবার সন্ধ্যায় সংসদ সচিবালয় অফিসে গ্রন্থটি তুলে দেন সম্পাদক জি এম তারিকুল ইসলাম।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুজিবর রহমান, সাংসদ প্রতিনিধি শম্ভুজিত মন্ডল, আশাশুনি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জি এম মনজুরুল ইসলাম, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক রনজিত হালদার, ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদ পারভেজ, সাংবাদিক তোষিকে কাইফু, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ মাহাদী সেকেন্দার, ক্রিকেটার গিয়াসউদ্দীন টুটুলসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীবৃন্দ।

এসময় ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি বলেন, জাতীয় চার নেতার উপর এমন একটি গ্রন্থ বর্তমান সময়ে গুরুত্ববহন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
গ্রন্থটির সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক জি এম তারিকুল ইসলাম বলেন, জাতির সামনে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে জাতীয় চার নেতার গুরুত্ব তুলে ধরতে আমার এই ক্ষুদ্রপ্রয়াস।

উল্লেখ্য গত বছর বই মেলাতে তাঁর সম্পাদিত “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বহুমাত্রিক মূল্যায়ন” গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।

তিনি সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের জামালনগর গ্রামের সন্তান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest