সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনΜια βραδιά φωτός και ήχου στα ψηφιακά σαλόνια

ডিসেম্বর অথবা জানুয়ারির প্রথম দিকে নির্বাচন: সিইসি

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ডিসেম্বর অথবা জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা।

শুক্রবার সকালে নাসিরনগর আশুতোষ পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ে এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে উপনির্বাচন উপলক্ষে পোলিং অফিসারদের জন্য দিনব্যাপী এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

পোলিং অফিসারদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে আপনাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। এটি একটি মহড়ার মতো। আপনারা এর আগে অনেকেই এ দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ভবিষ্যতেও আরও দায়িত্ব পালন করবেন। এটি আপনাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব এবং এটি সংবিধানের একটা অংশ।

ভোট গণনা নিয়ে সবসময় অভিযোগ আসে উল্লেখ করে নুরুল হুদা বলেন, নির্বাচনে যারা পরাজিত হয় তারা প্রায়ই বলেন- তাদের এজেন্ট ছিল না। ভোট গণনা ঠিকমতো হয়নি। ভোটার আসবে ভোটার যাবে। যাকে খুশি তাকে ভোট দেবে। আপনাদের দায়িত্ব হল ব্যালট পেপার হাতে নিয়ে সঠিকভাবে ভোটটি দেয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত করা। ভোটটি বাক্সের মধ্যে ঠিকমতো পড়ল কিনা তা নিশ্চিত করা। অনেকক্ষণ সময় নষ্ট করল কিনা তা দেখা।

‘আপনারা ভালোভাবে নির্বাচন পরিচালনা করবেন। ভালোভাবে নির্বাচন পরিচালনা করলে আমারও সুনাম। আপনারা ব্যর্থ হলে আমিও ব্যর্থ’, যোগ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ছাত্রলীগের সম্মেলন নিয়ে নাটকীয়তা

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলন নিয়ে ব্যাপক নাটকীয়তা সৃষ্টি হয়েছে। ৩১ মার্চ অনুষ্ঠেয় সম্মেলন সম্পর্কে ভিন্ন বক্তব্য আসায় এ নাটকীয়তা সৃষ্টি হয়। বৃহস্পতিবার সকালে ছাত্রলীগ নেতাদের সম্মেলনের প্রস্তুতি নিতে বলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তিনি এ নির্দেশনা দিলেও ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতের পর বিকালে ঢাবি ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতারা জানান, ৩১ মার্চ ছাত্রলীগের সম্মেলন হচ্ছে না। সম্মেলন ঘিরে এ নাটকীয়তায় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এমন অনিশ্চয়তার মাঝেও পদপ্রত্যাশীদের দৌড়ঝাঁপ থেমে নেই। ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের জনসভা শেষে শেখ হাসিনা ছাত্রলীগকে সম্মেলনের প্রস্তুতি নিতে বলেছেন এমন খবর ছড়িয়ে পড়ে। এ অবস্থার মধ্যে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আসেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ৩১ মার্চই সম্মেলন। প্রস্তুতি নাও। তবে এ সময় ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মধুর ক্যান্টিনে উপস্থিত ছিলেন না। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ছাত্রলীগের একাধিক নেতাকর্মী।

বেলা সোয়া ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার মধ্যে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইন। এরপর সেখান থেকে বের হয়ে তারা বিকাল ৪টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে উপস্থিত হন। এ সময় তাদের উচ্ছ্বসিত ও উৎফুল্ল দেখা যায়। সেখানে তারা জানান, ৩১ মার্চ ছাত্রলীগের সম্মেলন হচ্ছে না। এ ঘোষণার পর ছাত্রলীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা পরস্পরের সঙ্গে আলিঙ্গন করেন। সোহাগ-জাকিরের অনুসারী অন্য নেতাকর্মীরাও একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন। অবশ্য অনেকে ফেসবুকে এটিকে ‘সোহাগ-জাকিরের জয়’ হিসেবেও উল্লেখ করেছেন। বেশ কিছুক্ষণ সেখানে থাকার পর সোহাগ ও জাকির ধানমণ্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে যান। সেখানে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে দেখা করে তারা প্রধানমন্ত্রীর বিষয়টি অবহিত করেন। ছাত্রলীগ সভাপতি সোহাগ বলেন, ৩১ মার্চ ছাত্রলীগের সম্মেলন হচ্ছে না। সময়মতো সম্মেলন হবে। তবে সময়মতো কবে হবে সেই বিষয়ে তিনি পরিষ্কার কিছু বলেননি। ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক জাকির যুগান্তরকে বলেন, সম্মেলন নিয়ে আমাদের অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেছি। পুরো বিষয়টি তাকে অবহিত করেছি। ‘সময়মতো সম্মেলন হবে’ এ বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার বলে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নির্ভরযোগ্য কয়েকটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

এর আগে ছাত্রলীগের সম্মেলন করার নির্দেশনা দিয়েছিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তবে সে অনুযায়ী সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে ছাত্রলীগকে দেখা যায়নি। ৬ জানুয়ারি ছাত্রলীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‌্যালিপূর্ব সমাবেশে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়েদুল কাদের মার্চের মধ্যে ছাত্রলীগের সম্মেলন হবে বলে জানান। তিনি বলেছিলেন এটি আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ইচ্ছা। ছাত্রলীগের নির্বাহী কমিটির সভা ডেকে সম্মেলনের তারিখ ঘোষণারও নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। ৮ জানুয়ারি গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। সাক্ষাৎ শেষে ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী ৩১ মার্চ ছাত্রলীগের সম্মেলন করতে বলেছেন। ১২ জানুয়ারি সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সভা ডেকে সম্মেলনের তারিখ চূড়ান্ত হয়। কিন্তু ২ মাস অতিবাহিত হলেও সম্মেলন আয়োজনে দৃশ্যমান প্রস্তুতি দেখাতে পারেনি ছাত্রলীগ। রেওয়াজ অনুযায়ী জাতীয় সম্মেলনের আগে সংবাদ সম্মেলনের কথা থাকলেও তা করা হয়নি। ফলে ২ মাস পেরিয়ে গেলে ৩১ মার্চ সম্মেলন হবে কিনা তা নিয়ে নেতাকর্র্মীদের মধ্যে এক ধরনের শঙ্কা তৈরি হয়।

এদিকে, সম্মেলন নিয়ে এমন নাটকীয়তার মধ্যেও চাঙ্গা হয়ে উঠেছে ছাত্রলীগের রাজনীতি। পদ পেতে নেতাকর্মীদের দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে। নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া এবং বয়স নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-পর্যালোচনা।

এছাড়া নতুন নেতৃত্ব গঠনে কোনো এলাকা প্রাধান্য পাচ্ছে তাও রয়েছে আলোচনার শীর্ষে। ইতিমধ্যে কেন্দ্রের সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজেদের মাঠ গোছাতে শুরু করেছেন। জুনিয়র পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে দিয়েছেন। ফলে নতুন করে জমে উঠেছে রাজনীতি। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মধুর ক্যান্টিনে দেখা যাচ্ছে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের।

অন্যদিকে, সম্মেলনের ঘোষণাকে ঘিরে প্রায় এক যুগে ধরে ছাত্রলীগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা ‘সিন্ডিকেট’ এবং বিরোধী অংশের বিভক্তি এখন অনেকটা প্রকাশ্যে এসেছে। ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত শিকদারের নেতৃত্বাধীন সিন্ডিকেট ভাঙতে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের একটি অংশ। সিন্ডিকেট বিরোধী এ অংশের নেতৃত্বে আছেন আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি দেলোয়ার হোসেন। তার সঙ্গে রয়েছে ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের একটি অংশ এবং আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের কয়েকজন নেতা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ৮ কিলোমিটার ‘ক্রাইম ফ্রি জোন’

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের প্রথমবারের মতো ৮ দশমিক ৩ কিলোমিটার এলাকা ‘ক্রাইম ফ্রি জোন’ বা ‘অপরাধমুক্ত এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করেছে দুই দেশের সীমান্তরক্ষা বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফ।

শুক্রবার দুপুর ১টায় যশোরের শার্শা সীমান্তের বিপরীতে ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগণা জেলার বনগাঁও সীমান্তে ৬৪ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের কালিয়ানি বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা ‘ক্রাইম ফ্রি জোন’ ঘোষণা করা হয়। বিজিবি সদর দফতরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ মোহসিন রেজা এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যশোর-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল হোসেন, বিএসএফ মহাপরিচালক শ্রী কে কে শর্মা, বিজিবি ও বিএসএফ-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, উভয় দেশের স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, একুশে টেলিভিশনের সিইও মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক ও নিউজ২৪ এর সিইও নঈম নিজামসহ উভয় দেশের প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

২০১৭ সালের অক্টোবরে ভারতের নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল হোসেন সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধের কৌশল হিসেবে অপরাধ প্রবণ এলাকায় ‘ক্রাইম ফ্রি জোন’ ঘোষণার প্রস্তাব করেন। পরে বিএসএফ মহাপরিচালক শ্রী কে কে শর্মা এ প্রস্তাবের প্রশংসা করেন এবং ‘ক্রাইম ফ্রি জোন’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বৈঠকে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

তারই ধারাবাহিকতায় উভয় দেশের সম্মতিতে বাংলাদেশের যশোর সীমান্তের পুটখালী ও দৌলতপুর বিওপি এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এবং বিপরীত দিকে ভারতের কাল্যানি ও গুনারমঠ বিওপি এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার (বর্ডার পিলার নম্বর ১৭/১৪৩-আর থেকে ১৭/১৮১-আর পর্যন্ত) মোট ৮ দশমিক ৩ কিলোমিটার সীমান্ত পরীক্ষামূলকভাবে ‘ক্রাইম ফ্রি জোন’ ঘোষণার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়।

জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ মোহসিন রেজা জানান, বিজিবি ও বিএসএফ এর সর্বাত্মক প্রচেষ্টা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও উদ্যোগের ফলে উক্ত সীমান্ত এলাকা ‘ক্রাইম ফ্রি জোন’ হিসেবে ঘোষণা করা সম্ভব হয়েছে।

‘ক্রাইম ফ্রি জোন’ ঘোষিত সীমান্তের বাংলাদেশ অংশে কার্যকরভাবে অপরাধ প্রতিরোধের লক্ষ্যে বিজিবির উদ্যোগে ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রকার বর্ডার সার্ভেইল্যান্স ডিভাইস (যেমন- ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা, সার্চ লাইট, থার্মাল ইমেজার ইত্যাদি) স্থাপন করা হয়েছে। একই মঙ্গে বিজিবির উদ্যোগে সীমান্তে অপরাধ প্রতিরোধে স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করা হচ্ছে।

‘ক্রাইম ফ্রি জোন’ এর মধ্যে আন্তঃসীমান্ত অপরাধ (যেমন- চোরাচালান, নারী ও শিশুপাচার, মানবপাচার, মাদক, অস্ত্র ও বিস্ফোরক পাচার এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড) যাতে সংঘটিত না হয় সে লক্ষ্যে বিজিবি ও বিএসএফ পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি বলবৎ রাখবে এবং অপরাধ দমনে ফোর্স মাল্টিপ্লায়ার (Force Multiplier) অর্থাৎ একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে।

এছাড়া নিজ নিজ দেশের স্থানীয় প্রশাসন এবং সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী জনসাধারণের সহযোগিতায় সীমান্ত অপরাধে জড়িতদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে ফিরিয়ে এনে কর্মসংস্থানের যথাসাধ্য ব্যবস্থা করা হবে। পর্যায়ক্রমে সীমান্তের অন্যান্য এলাকায় ‘ক্রাইম ফ্রি জোন’ ঘোষণার লক্ষ্যে বিজিবি ও বিএসএফ সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চা-কফির দাগ দূর করার উপায়

চা-কফি পান করতে গিয়ে মাঝে মাঝে বিরক্তিকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। চা বা কফির কাপে চুমুক দিতে গিয়ে হঠাৎ নিজের পরিধেয় কাপড়ে কয়েক ফোটা পড়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা আমাদের কমবেশি হয়তো সবারই আছে। এতে করে সুন্দর পেন্ট বা শার্টটি একটু দেখতে বিশ্রীই লাগে। দাগ কীভাবে দূর করা যায় তা নিয়ে আমরা একটু টেনশনেই পড়ে যাই। তাই নিচে চা বা কফির দাগ দূর করার উপায় নিয়ে আলোচনা করা হলো :

১. লবণ বা কৃত্রিম সুইটনার : মোটামুটি নামীদামি ক্যাফেটরিয়া বা চা, কফির দোকানে এই দুটি উপাদান রাখতে দেখা যায়। দ্রুত দাগ দূর করতে এর যেকোনোটি ব্যবহার করলেই চলে। চা বা কফির দাগ দূর করতে এ দুটি উপাদান যেভাবে ব্যবহার করতে হয়- কয়েক মিনিট ধরে এগুলো দাগের ওপর রাখুন। তারপর তা মুছে ফেলুন।

২. বেবি ট্যালকম পাউডার : এর বহু ব্যবহারিক দিক রয়েছে। চুল থেকে অতিরিক্ত তেল দূর করতে শুষ্ক শ্যাম্পু হিসেবেও এটি ব্যবহার করা যায়। এছাড়া চা বা কফির দাগ দূর করতেও এটি দারুণ কার্যকর। এজন্য আপনাকে দাগের ওপর তা দিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। তারপর তা ব্রাশ করলেই উঠে যাবে।

৩. স্টেইন পেন : যদি আপনি খুবই কফি বা চাপ্রেমী হন তাহলে অবশ্যই তা আপনাকে সবসময় সঙ্গে রাখতে হবে। আর পোশাকে চা বা কফির দাগ পড়ে গেলে এই পেনের পেছনে লেখা নির্দেশনা অনুযায়ী তা ব্যবহার করুন। এতে একগুঁয়ে দাগ উঠে যেতে বাধ্য।

৪. বেবি উইপস : এটি মুখ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি দাগ দূর করতেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। চা বা কফির দাগ দূর করতে এটি সর্বোত্তম পদ্ধতিও বটে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাইকগাছায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে একই পরিবারের ৩ জন দগ্ধ

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: পাইকগাছায় বসতবাড়ীতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে একই পরিবারে ঘুমন্ত ৩জন অগ্নিদগ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছে। আহতদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পৌরসভার গোপালপুর গ্রামে ভয়াবহ এ অগ্নিকান্ড ঘটে। আহতদের সকলের অবস্থা আশংকা জনক। পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আলাউদ্দীন গাজী জানান, ঘটনার দিন রাতে গোপালপুর গ্রামের ইবাদুল গাজীর স্ত্রী সুকজান বিবি (৪৫) দুই ছেলে নূর ইসলাম গাজী (২৭) ও রাসেল গাজী (১৫) কে নিয়ে প্রতিদিনের ন্যায় বসতঘরের ঘুমিয়ে ছিল। হঠাৎ রাত ২টার দিকে তাদের বসত ঘরে আগুন লাগে। আগুনের লেলিহান শিখা তাদের শরীরে স্পর্শ করলে সবাই ঘর থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করে। কিন্তু দরজার বাইরে থেকে শিকল দেওয়া থাকায় সবাই ঘরের মধ্যে আটকা পড়ে। অনেক চেষ্টারপর দরজা ভেঙ্গে বাইরে আসার আগেই আগুনে তাদের শরীরের বেশিরভাগ অংশ পুড়ে যায়। পরে তাদের আত্মচিৎকারে এলাকার লোকজন ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। অগ্নিকান্ডে অসহায় পরিবারের দুটি বসতঘর ও ঘরের ভিতরে থাকা সমস্ত মালামাল সম্পূর্ণ পুড়ে ভূষ্মিভূত হয়। ওই রাতেই এলাকার লোকজন অগ্নিদগ্ধ ৩ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। তাদের অবস্থা আশংকা জনক বলে স্থানীয় এ জনপ্রতিনিধি জানিয়েছেন। স্বামী ইবাদুল গাজীর পারিবারিক বিরোধ থাকায় বিরোধকে কেন্দ্র করে বসতবাড়ীতে অগ্নিকান্ডের এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করছেন অগ্নিদগ্ধ স্ত্রী সুকজান বিবি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিজের বাড়ি নেই তাই দলীয় কার্যালয়ে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক

অনলাইন ডেস্ক: ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারভারতের ত্রিপুরার রাজ্যের সদ্যবিদায় নেওয়া মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার সরকারি বাসভবন ছেড়ে দিয়ে নতুন ঠিকানায় উঠেছেন। বাড়ি নেই বলে তাঁর নতুন ঠিকানা এখন দলীয় কার্যালয়ের অতিথি ভবন। গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি এই ঠিকানা বদল করেন।

টানা ২০ বছর মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন মানিক সরকার। একই সঙ্গে রাজ্যের অন্যতম রাজনৈতিক সংগঠন সিপিএমের সভাপতি তিনি। ৩ মার্চ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজেপির কাছে পরাজিত হয়েছে সিপিএম। নতুন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব আজ শুক্রবার শপথ নেবেন। তার আগে গতকালই মার্কস অ্যাঙ্গেলস সরণিতে সরকারি বাড়ি ছেড়ে দিলেন মানিক সরকার। উঠেছেন দলীয় কার্যালয়ের অতিথি ভবনে। কারণ, ২০ বছর ক্ষমতায় থাকলেও নিজের কোনো বাড়ি নেই মানিক সরকারের।

সিপিএমের স্টেট পার্টি সেক্রেটারি বিজন ধর এনডিটিভিকে জানান, দলের গেস্ট হাউসের একটি কক্ষে স্ত্রী পাঞ্চালি ভট্টাচার্যকে নিয়ে থাকবেন মানিক সরকার।

সিপিএমের অফিস সেক্রেটারি হরিপদ দাস জানিয়েছেন, দলীয় কার্যালয়ের রান্নাঘরে তৈরি খাবারই খাবেন মানিক সরকার। তিনি বলেন, এর মধ্যে কিছু বই-কাপড় ও প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস ওই কার্যালয়ে পাঠিয়েছেন মানিক সরকার। তবে সরকার থেকে বরাদ্দ পেলে নতুন বাড়িতে স্থানান্তরিত হতে পারেন তাঁরা।

এর আগে পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মানিক সরকারের স্ত্রী জানান, মার্ক্স রচনাবলিসহ বেশ কিছু বই রাজ্য সরকারের বীরচন্দ্র স্টেট সেন্ট্রাল লাইব্রেরি ও সিপিএমের দলীয় লাইব্রেরিতে দিয়েছেন তাঁরা।

মানিক সরকার ও পাঞ্চালি ভট্টাচার্য দম্পতির কোনো সন্তান নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পুলিশের অভিযানে বিএনপি-জামায়াতের ২ নেতা-কর্মীসহ আটক ৩৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিএনপি-জামায়াতের ২নেতা-কর্মীসহ ৩৯ জনকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ৮ জন, কলারোয়া থানা ৫ জন, তালা থানা ৩ জন, কালিগঞ্জ থানা ২ জন, শ্যামনগর থানা ৬ জন, আশাশুনি থানা ৪ জন, দেবহাটা থানা ৭ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ৮ জনকে আটক করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান পুলিশের সন্ত্রাস, নাশকতা ও মাদক বিরোধী অভিযানে তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহযোগিতা চাইলেন ত্রিপুরার নতুন মুখ্যমন্ত্রী

ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন দিয়েছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিজেপি নেতা বিপ্লব কুমার দেব। শুক্রবার (৯ মার্চ) সকালে তিনি ফোন করে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সহযোগিতা কামনা করেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন এ তথ্য ন‌িশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আজ (শুক্রবার) সকালে বিপ্লব কুমার দেব ফোন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রীকে। তিনি সহযোগিতা চেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীও তাকে সব ধরনের সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, আজ শুক্রবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টার দিকে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিপ্লব কুমার দেব। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিপ্লব দেবই প্রথম বিজেপি নেতা, যিনি ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রিত্বের ভার নিয়েছেন। আগরতলায় আসাম রাইফেলসের মাঠে শপথ অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়।
ত্রিপুরার ভূমিপুত্র বিপ্লব কুমার দেবের পরিবারের আদি নিবাস বাংলাদেশের চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায়। মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বাবা হিরুধন দেব এবং মা মিনা রানি দেব ত্রিপুরায় চলে যান। বিপ্লবের শৈশব ও স্নাতক পর্যন্ত শিক্ষাজীবন কেটেছে ত্রিপুরায়। পরে দিল্লিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন তিনি।
কৈশোর থেকেই আরএসএস-এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল তার। পরে তিনি ধীরে ধীরে বিজেপি নেতা হয়ে ওঠেন। সর্বশেষ ত্রিপুরার বিধানসভা নির্বাচনে বিপ্লব কুমার দেবের নেতৃত্বে বিজেপি বিশাল জয় পেয়েছে। নির্বাচনে বিপ্লব কুমার দেবের নেতৃত্বে বিজেপি ৬০টি আসনের মধ্যে ৪৩টি আসন পেয়েছে। বিপ্লব নিজেও একটি আসনে বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন। রাজ্য বিজেপির সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে মাত্র দুই বছরের মধ্যেই দলটিকে ঐতিহাসিক বিজয় এনে দিয়েছেন বিপ্লব।

এদিকে, বিপ্লবের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার খবরে চাঁদপুরের কচুয়ায় বইছে আনন্দের বন্যা। শনিবার থেকেই কচুয়া উপজেলার সহদেবপুর পূর্ব ইউনিয়নের মেঘদাইর গ্রামের দেব বাড়িতে (মাস্টার বাড়ি) ভিড় বাড়তে থাকে উৎসুক জনতার। আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যেও চলে মিষ্টি বিতরণ। সব মিলিয়ে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে কচুয়ায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest