সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটার ১০ ফুটের খাল কাটার উদ্বোধনসাতক্ষীরায় মাটি বহনকারী ট্রলির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যুইছামতি নদীতে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা রেজাউলের জীবন যুদ্ধগণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের মিছিল ও সমাবেশসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা : গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণশ্যামনগরে নদীর চরে গাছ হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধনকালিগঞ্জে চেয়ারম্যান ফেরদৌস মোড়লের বাড়ি থেকে ১২শ লিটার ডিজেল উদ্ধারকলারোয়ায় সাপের কামড়ে তরুণীর মৃত্যুজেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাআঙ্গুল : গার্লস স্কুলে ভর্তি নিচ্ছে না প্রধান শিক্ষকজাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা ইউনিটের সদস্য সচিব এবং সদস্য -এর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে বিবৃতি

রেকর্ড গড়ে সিরিজ জয় পাকিস্তানের

প্রথম ম্যাচেই নিজেদের ইতিহাসে আগের সর্বোচ্চ দলীয় রান ছুঁয়েছিল পাকিস্তান। এবার রেকর্ডটাকে নতুন করে লিখল সরফরাজ বাহিনী। গত ম্যাচের চেয়ে ব্যাটিং ভালো করলওয়েস্ট ইন্ডিজও। তবে টার্গেটের ধারেকাছে ভিড়তে পারেননি ক্যারিবীয়রা।

প্রথমে বাবর আজম ও হুসাইন তালাতের অনবদ্য ব্যাটিংয়ে ৩ উইকেটে ২০৫ রানের পাহাড় গড়ে পাকিস্তান। জবাবে ১৩২ রানে গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৮২ রানে জিতে তিন ম্যাচ সিরিজে ২-০তে লিড নিয়েছে স্বাগতিকরা।

এ নিয়ে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে টানা সাতটি সিরিজ জিতল পাকিস্তান। সরফরাজের নেতৃত্বে এখন পর্যন্ত কোনো সিরিজ হারেনি ‘আনপ্রেডিক্টেবল’ দলটি।

সোমবার করাচিতে টস জিতে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তানের সূচনাটা মোটেও শুভ হয়নি। দ্বিতীয় ওভারে রায়াদ এমরিতের শিকার হয়ে ফেরেন হার্ডহিটার ফখর জামান। তবে দ্বিতীয় উইকেটে বাবর ও তালাতের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে মজবুত ভিত পায় স্বাগতিকরা। অভিষিক্ত ওডিন স্মিথের শিকার হয়ে ফেরার আগে এ ওপেনারের সঙ্গে ১১৯ রানের বিস্ফোরক জুটি গড়েন তালাত (৬৩)।

সঙ্গী হারালেও একপ্রান্ত আগলে রাখেন বাবর। ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোলারদের ওপর চালান স্টিমরোলার। তার বদৌলতে ৩ উইকেটে ২০৫ রানের সংগ্রহ পায় পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে এটি তাদের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। আগেরটি ২০৩, যৌথভাবেএ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বাংলাদেশের বিপক্ষে।

দলীয় রেকর্ড হলেও আক্ষেপটা থেকে যাচ্ছে বাবরের। মাত্র ৩ রানের জন্য সেঞ্চুরি পাননি এ মাস্টার পিস। ৫৮ বলে ১৩ চার ও ১ ছক্কায় ৯৭ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেন তিনি।

জবাবে শুরুতে আন্দ্রে ফ্লেচারকে হারিয়ে হোঁচট খায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেই বৃত্ত থেকে আর বের হতে পারেননি অতিথিরা। পাল্লা দিয়ে থেকেছেন যাওয়া-আসার মধ্যে। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ৪ বল বাকি থাকতেই গুটিয়ে যান তারা। সর্বোচ্চ ৪০ রান আসে চ্যাডউইক ওয়ালটনের ব্যাট থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১ রান করেন দিনেশ রামদিন। শেষ ৩২ রান তুলতে ৭ উইকেট খুইয়েছে ক্যারিরিয়ান দ্বীপপুঞ্জের দলটি।

এদিন পাকিস্তানের সেরা বোলার মোহাম্মদ আমির। সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন এ বাঁহাতি। ২টি করে উইকেট নেন শাদাব খান ও হুসাইন তালাত।

৯৭ রানের নান্দনিক ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হয়েছেন বাবর আজম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাল্টে গেল ৫ জেলার ইংরেজি বানান

পাঁচ জেলার ইংরেজি বানান পরিবর্তন করা হয়েছে। সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তাঁর তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) সভায় বানান পরিবর্তনের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ইংরেজি বানান পরিবর্তন হওয়া এই পাঁচ জেলা হলো চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, বরিশাল, যশোর ও বগুড়া। এর মধ্যে নতুন নিয়মে চট্টগ্রামের নাম হবে Chattogram, কুমিল্লার হবে Cumilla, বরিশাল হবে Barishal, যশোর Jashore ও বগুড়া হবে Bogura.

পূর্বে যথাক্রমে এসব জেলার নামের ইংরেজি বানান ছিল Chittagong, Comilla, Barisal, Jessore ও Bogra.নিকারের বৈঠক শেষে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার ) এন এম জিয়াউল আলম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ছাত্রলীগ নেতার কাণ্ড!

ভোলার মনপুরায় উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এনাম হাওলাদারের বিরুদ্ধে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষিকাকে লাইব্রেরিতে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নে একটি বিদ্যালয়ে ঘটনা ঘটে।

এছাড়াও ছাত্রলীগ নেতা এনাম হাওলাদার ওই স্কুলের চিলেকোঠা দখল করে গত দেড় বছর অবস্থান করছে বলে জানান স্কুলের শিক্ষক ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার। বর্তমানে ছাত্রলীগ নেতার ভয়ে শিক্ষিকা স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন।

সোমবার অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতার বিচারের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, থানা প্রশাসন, উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতারা।

এর আগে রোববার এই ঘটনায় ওই শিক্ষিকা অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে উপজেলা চেয়ারম্যান, নির্বাহী অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ও ইউপি চেয়ারম্যান কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগকারী শিক্ষিকা জানান, শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার সময় স্কুলের লাইব্রেরিতে অবস্থান করছিলেন। এই সময় ছাত্রলীগ নেতা এনাম হাওলাদার বিস্কুট নেয়ার কথা বলে লাইব্রেরিতে ঢুকে কুপ্রস্তাব দেয়। পরে লাইব্রেরি থেকে চলে যেতে বললে ছাত্রলীগ নেতা ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।

পরে ছাত্রলীগ নেতাকে ঝাপটা দিয়ে ফেলে দিয়ে বের হয়ে নিচে এসে দেখি গেটে তালা মারা। পরে কান্নাকাটির শব্দ শুনে এলাকার একজন বৃদ্ধ এসে উদ্ধার করে। তখন ওই ছাত্রলীগ নেতা এই ঘটনার কথা বলতে নিষেধ করেন। এমনকি মেরে ফেলার হুমকি দেন।

এই ব্যাপারে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা এনাম হাওলাদারের মোবাইলফোন গত দুই দিন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। তবে ছাত্রলীগ নেতার বাবা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর মেম্বার জানান, কথা কাটাকাটি হয়েছে অন্য কিছুই না। আমি বিষয়টি সুরাহা করে দিবো বলে শিক্ষিকাকে বলেছি। তবে তিনি স্কুল দখল করে অবস্থান নেয়ার ব্যাপারটি এড়িয়ে যান।

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শামসুদ্দিন সাগর জানান, ঘটনার প্রমাণ পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ব্যাপারে অভিযোগকারী শিক্ষিকার স্বামী জানান, ছাত্রলীগ নেতার হুমকিতে তার স্ত্রীর স্কুলে যাওয়া বন্ধ রয়েছে। তিনি এই ঘটনার বিচারের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানা অফিসারসহ সকল দফতরে লিখিতভাবে জানিয়েছেন।

উপজেলা সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মনোয়ারা বেগম জানান, এই ঘটনা শিক্ষক সমাজ মর্মাহত। আমরা এই ঘটনায় বিচারের দাবিতে উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, থানার ওসি, শিক্ষা অফিসে স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে।

এব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মিজানুর রহমান জানান, অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। ছাত্রলীগ নেতার কাছ থেকে স্কুল দখলমুক্ত করতে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল আজিজ ভূঁঞা যুগান্তরকে জানান, শিক্ষিকার লিখিত অভিযোগ ও শিক্ষক নেতাদের স্মারকলিপি পাওয়ার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য লিখিতভাবে মনপুরা থানাকে জানানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে মনপুরা থানার ওসি শাহীন খান জানান, ঘটনাটি শিক্ষিকার কাছ থেকে মৌখিক শুনেছি। এছাড়াও ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিখিতভাবে জানিয়েছেন। শিক্ষিকার লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধুলিহর আদর্শ বিদ্যালয়ে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণ

ধুলিহর প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদরের ধুলিহর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সোমবার সন্ধ্যায় বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণ করা হয়েছে। বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে অভিভাবক, ছাত্র-ছাত্রী, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকার বিপুল সংখ্যক লোকজনের উপস্থিতিতে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সদর থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শেখ আব্দুর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু, সদর উপজেলা আ’লীগের সভাপতি আলহাজ্ব এস,এম শওকাত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহাজাহান আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক গণেশ চন্দ্র মন্ডল ও ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান (বাবু সানা)।

এছাড়া অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা আ’লীগের ত্রান ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক স,ম জালাল উদ্দীন, ধুলিহর ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি আজহারুল ইসলাম, মেম্বার মোঃ আনিছুর রহমান, মোঃ গোলাম মোস্তফা, মোঃ আরশাদ আলী, দুলাল চন্দ্র সাহা প্রমূখ। অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ বক্তব্য প্রদান শেষে ধুলিহর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ী ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফিলিস্তিনি হত্যা নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লিগ

গাজায় ফিলিস্তিনিদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে ইসরাইলি সেনাদের নির্বিচার গুলি ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লিগ। শুক্রবার গাজায় ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ১৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার প্রেক্ষিতে এ উদ্যোগ নেয়া হলো। খবর মিডলইস্ট মনিটরের।

রোববার আরব লিগকে এই বৈঠকে বসার জন্য আহ্বান জানিয়েছিল ফিলিস্তিন। কায়রোতে নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত দিয়াব আল লুহ বলেছিলেন, ‘পদযাত্রার বিরুদ্ধে ইসরাইলি অপরাধের’ বিরুদ্ধে বৈঠকে বসা জরুরি।

সোমবার আরব লিগের ফিলিস্তিন ও দখলকৃত আরব এলাকাবিষয়ক সহকারী মহাসচিব সাইদ আবু আলী এই তথ্য নিশ্চিত করেন। বৈঠকে সৌদি আরব সভাপতিত্ব করবে।

দিয়াব আল লুহ বলেন, আরব লিগকে বৈঠকে বসার জন্য তার দেশ প্রস্তাব দিয়েছেন। আরব লিগের পক্ষ থেকে জানানো হয় গাজা উপত্যকায় চলমান ঘটনাপ্রবাহ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপির ৯ নেতার বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু

সন্দেহজনক লেনদেন, অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বিএনপির শীর্ষ ৯ নেতাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে একযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দলটির যেসব নেতার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে তারা হলেন- ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলামখান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, ও তার ছেলে তাবিথ আউয়াল, এম মোর্শেদ খান ও তার ছেলে ফয়সাল মোর্শেদ খান, হাবিবুন্নবী খান সোহেল।

অনুসন্ধানের এই তালিকায় ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমানের নামও রয়েছে। বিএনপির এই নেতাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে কমিশন থেকে সোমবার দুদকের উপপরিচালক মো. সামসুল আলমকে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়।

দায়িত্ব পাওয়া কর্মকর্তা আজকালের মধ্যেই দুদকের ওই কর্মকর্তা বিএনপি নেতাদের ব্যাংক হিসাবে গত এক বছরের লেনদেনের তথ্য চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি দেবেন বলে দুদকের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ছাড়া ও সবকটি তফসিলি ব্যাংকেও চিঠি দেবেন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা। ব্যাংকের কাছ থেকে তথ্য আসার পর অভিযোগের বিষয়ে বিএনপির ওই নেতাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুদক।

সূত্র জানায়, বিএনপির ওই নেতাদের বিরুদ্ধে সন্দেহভাজন লেনদেন, অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগটি একটি গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে পাওয়ার পর তা আমলে নিয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুদক সচিব ড. শামসুল আরেফিন রোববার বলেন, কার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে তাদের নাম আমি বলতে পারব না। তবে এটুকু বলতে পারি অন্যদের বিষয়ে অনুসন্ধান তদন্ত যেভাবে হয় তাদের (বিএনপি নেতা) বিষয়েও একইভাবে অনুসন্ধান কাজ চলবে। এতে অতিরিক্ত কোনো গুরুত্ব দেয়া বা কেউ নেতা কিনা সেটা বিবেচ্য বিষয় নয়। মানুষের প্রত্যাশা হচ্ছে দুদক সরকারের বাইরে থেকে স্বাধীনভাবে কাজ করবে। আমরা সেটাই করছি।

অভিযোগে বলা হয়েছে, বিএনপির এই কয়েক নেতাসহ আরও কিছু উচ্চপর্যায়ের নেতা এইচএসবিসি ব্যাংক, আরব বাংলাদেশ ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ও ঢাকা ব্যাংকসহ বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে বিগত দশকে বিদেশে টাকা পাচার করেছেন। বিভিন্ন নাশকতার কাজে অর্থলেনদেন করেছেন।

এতে বলা হয়, বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতার ব্যাংক হিসাব থেকে গত ৩০ দিনে প্রায় ১২৫ কোটি টাকা উত্তোলন করেছেন। নাশকতা সৃষ্টির জন্যই এই টাকা উত্তোলন করা হয়েছে বলে ওই রিপোর্টে বলা হয়।

দুদকের কাছে রক্ষিত গোয়েন্দা অভিযোগ থেকে আরও জানা যায়, আবদুল আউয়াল মিন্টুর এইচএসবিসি ব্যাংকের হিসাব থেকে গত ১১ ফেব্রুয়ারি তিনটি চেকের মাধ্যমে ১১ কোটি টাকা উত্তোলন করা হয়। তিনটিই ক্যাশ চেক। এর মধ্যে ৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং ৫ কোটি ২৫ লাখ টাকার দুটি চেক ঢাকায় নগদায়ন করা হলেও তৃতীয় চেকের অর্থ উত্তোলন কর হয় চট্টগ্রাম থেকে।

১৫ ফেব্রুয়ারি আবদুল আউয়াল মিন্টুর স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের হিসাব থেকে দুটি চেকের মাধ্যমে নগদে উত্তোলন করা হয় ৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এর একটি চেক নগদায়ন করা হয় কুমিল্লা থেকে। ২০ ফেব্রুয়ারি আবদুল আউয়াল মিন্টু ফাস্ট সিকিউরিটি ব্যাংকের হিসাব থেকে ৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা উত্তোলন করেন। এর মধ্যে ৭ কোটি ১৫ লাখ টাকার একটি চেক নগদায়ন করা হয় খুলনা থেকে।

আবদুল আউয়াল মিন্টুর ২৫ ফেব্রুয়ারি এইচএসবিসি ব্যাংকের হিসাব থেকে আরও দুটি চেকের মাধ্যমে ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করেন।

অভিযোগে বলা হয়, ১২ ফেব্রুয়ারি আবদুল আউয়াল মিন্টুর ছেলে তাবিথ আউয়ালের স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের হিসাব থেকে ১৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকা নগদ উত্তোলন করা হয়। ১৮ ফেব্রুয়ারি তার ন্যাশনাল ব্যাংকের হিসাব থেকে ৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, ২২ ফেব্রুয়ারি ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা উত্তোলন করেন। এর মধ্যে ৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয় ব্যাংকটির নারায়ণগঞ্জ শাখা থেকে।

অন্যদিকে বিএনপি নেতা মোর্শেদ খান আরব বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি চারটি চেকের মাধ্যমে ১৮ কোটি টাকা উত্তোলন করেন। এর মধ্যে চারটি চেকের মাধ্যমে ২৫ কোটি টাকা উত্তোলন করা হয় নারায়ণগঞ্জ থেকে। মোর্শেদ খানের ছেলে ফয়সাল মোর্শেদ খানের স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংকের হিসাব থেকে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি চারটি চেকের মাধ্যমে তোলা হয় ৯ কোটি টাকা।প্রতিবেদনে বলা হয়, ফয়সাল মোর্শেদ খান বর্তমানে দেশের বাইরে থাকার পরও কীভাবে এত বিপুল টাকা নগদায়ন করা হলো সেটি একটি বড় প্রশ্ন। এছাড়া ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ডাচ বাংলা ব্যাংকের হিসাব থেকে গত ৩ মার্চ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে ১২টি চেকের মাধ্যমে ২১ কোটি টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬টি চেকের অর্থ উত্তোলন করা হয় ঢাকার বাইরে থেকে। মির্জা আব্বাসের ঢাকা ব্যাংকের একটি হিসাব থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি ১১ কোটি ৫০ লাখ টাকা, ৪ মার্চ আরও ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা নগদায়ন করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, মির্জা আব্বাসের সঙ্গে ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুবর রহমানের আঁতাত রয়েছে। বিভিন্ন অবৈধ লেনদেন ও মানি লন্ডারিংয়ের অপরাধে সৈয়দ মাহবুবুর রহমান মির্জা আব্বাসের সহযোগী হিসেবে কাজ করেন। সৈয়দ মাহবুবুর রহমান নিজেও শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। অন্যদিকে নজরুল ইসলাম খান ও হাবিবুন্নবী খান সোহেলের বিষয়ে এতে বলা হয়, তারা তাদের ব্যাংক হিসাব থেকে গত ২ সপ্তাহে ৭ কোটি টাকা উত্তোলন করেছেন। তবে কোন ব্যাংক থেকে এই দুই নেতা অর্থ উত্তোলন করেন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে তার উল্লেখ নেই বলে দুদক সূত্র জানায়।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০১৪-১৫ সালে দেশে নাশকতা ও অরাজকতা সৃষ্টির আগে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে অস্বাভাবিক ও নগদ লেনদেনের ঠিক একই রকম তথ্য পাওয়া যায়। পরবর্তীতে ঠিকই বিএনপি নেতারা দেশে জ্বালাও পোড়াওয়ের মাধ্যমে দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন। এতে বলা হয়, বিএনপি নেতাদের এসব অবৈধ লেনদেনে ও টাকা পাচারে সহায়তা করছে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি ব্যাংক।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিএনপি নেতারা অবৈধভাবে টাকা পাচার করে মালয়েশিয়ায় সেকেন্ডহোমসহ বিদেশে অনেক ব্যাংকে হাজার হাজার কোটি টাকা ডিপোজিট করেছেন। সরকারি ব্যাংকে লেনদেন করলে ধরা পড়ে যাবেন এই ভয়ে তারা অবৈধ লেনদেনের জন্য বেসরকারি ওই ব্যাংকগুলোকে বেছে নিয়েছেন। ব্যাংকগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নামেও দেশে বিদেশে একাধিক বাড়ি গাড়ি ও বিভিন্ন ব্যবসায় শেয়ার রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে ৪ শিক্ষক বহিস্কার

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্বে থাকা ৪ জন শিক্ষককে বহিস্কার করা হয়েছে।
সোমবার (২এপ্রিল) বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজ কেন্দ্রে কক্ষ পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত এসব শিক্ষকদের বহিস্কার করেন ওই কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট সজল মোল্যা।
বহিস্কৃত শিক্ষকরা হলেন- বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজের জীব বিজ্ঞানের প্রভাষক সুফিয়া খাতুন, বেগম খালেদা জিয়া কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক আমিনুজ্জামান, বোয়ালিয়া মুক্তিযোদ্ধা ডিগ্রি কলেজের শরীর চর্চা শিক্ষক হাবিবুর রহমান ও হাবিবুল ইসলাম হাবিব কলেজের প্রভাষক সাইদুর রহমান।
কেন্দ্র সচিব ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান তাদের বহিস্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান- ‘ওই চার জন শিক্ষক আগামি পরীক্ষাগুলোতে কক্ষ পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।’
কী কারণে তাদেরকে বহিস্কার করা হয়েছে সেই বিষয়ে তিনি স্পষ্টভাবে কিছ বলেন নি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মনিরা পারভীন জানান- ‘পরীক্ষার হলে ওই ৪ জন শিক্ষকের সামান্য ত্রুটি বিচ্যুতির কারণে তাদেরকে কেবলমাত্র কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্ব থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৩ বছর পর তালার বিএনপি নেতা আলতাফ হত্যা মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার তালা উপজেলা বিএনিপির সভাপতি আলতাফ হোসেন হত্যা মামলায় প্রায় ১৩ বছর পর আদালতে বাদীর সাক্ষ্য গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার বিকালে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক অরোনভ চক্রবর্তী উক্ত মামলার বাদী শেখ আব্দুর রহমানের কাছ থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।
মামলার আসামীরা হলেন, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও সাবেক সাংসদ হাবিবুল ইসলাম হাবিব, কৃষক দলের তালা উপজেলা শাখার সভাপতি গোলাম মোস্তফা, তালা উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠণিক সম্পাদক বদরুজ্জামান মোড়ল, উপজেলা যুবদল সভাপতি হাফিজুর রহমান, বিএনপি নেতা রাশিদুল হক রাজু, যুবদল নেতা আশরাফুল হক, বিএনপি কর্মী শহীদুল ইসলাম, তালা উপজেলার দোহার গ্রামের দাদা তুষার ওরফে তুষার পাল, মাদ্রা গ্রামের প্রকাশ সরকার, তেঁতুলিয়া গ্রামের দেবেন বিশ্বাস, গাছা গ্রামের শিবপদ সরকার, টিকেরামপুরের আহম্মদ আলী ওরফে নূর আহম্মদ, কাশীপুর গ্রামের ছাত্রদল নেতা মন্টু ইসলাম, আলম হোসেন ও ওয়ার্কার্স পার্টির বহিস্কৃত নেতা প্রণব ঘোষ বাবলু।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৪ সালের ৪ মে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তালা উপজেলার বাণিজ্যিক শহর পাটকেলঘাটা পাঁচ রাস্তা মোড়ে তৎকালিন উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আলতাফ হোসেনকে বোমা মেরে হত্যা করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে মারা যান পথচারি কাঠ মিস্ত্রী হাবিবুর রহমান মোড়ল। এ ঘটনায় পুলিশ রক্তমাখা জামা কাপড় পরিহিত অবস্থায় মাদ্রা গ্রামের প্রকাশ সরকারকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার করা হয় পারকুমিরা গ্রামের দেবেন বিশ্বাসকে তার সেলুন থেকে। এ সময় তার সেলুনের মধ্যে রাখা বালতি থেকে কয়েকটি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বিএনপি কর্মী আলতাফ হোসেনের ঘনিষ্ট সেনপুর গ্রামের আব্দুর রহমান বাদি হয়ে দেবেন বিশ্বাস ও প্রকাশ সরকারের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে তালা থানায় একটি হত্যা মামলা(৩নং) দায়ের করেন। তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ মশিউর রহমান পিপিএম এর নির্দেশে উপপরিদর্শক মনির হোসেন মামলার তদন্ত শুরু করেন। পরবর্তীতে এ মামলার তদন্তভার সিআইডিতে ন্যস্ত হয়। সাতক্ষীরা সিআইডি’র পরিদর্শক দুর্গাপদ ঘোষ, পরিদর্শক শামীম মুছা, সহকারি পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, পরিদর্শক হরিপদ সরকার, পরিদর্শক আবু মোস্তফা কামাল পর্যায়ক্রমে তদন্ত শেষে ২০০৮ সালের ১১ জানুয়ারি আদালতে পৃথক দু’টি অভিযোগপত্র দাখিল করেন। হত্যার অভিযোগে দায়েরকৃত অভিযোগে জেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ প্রথমাক্ত ১৪জনকে আসামী করা হয়। বিষ্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়েরকৃত অভিযোগপত্রে প্রণব ঘোষ বাবলুকে অতিরিক্ত আসামী করা হয়। গ্রেফতারের কিছুদিন পর দেবেন বিশ্বাস ও প্রকাশ সরকারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকাস্ত জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে নিয়ে যাওয়ার পথে বিশেষ তদবিরে আরিচা ফেরিঘাট থেকে সাতক্ষীরায় ফিরিয়ে আনা হয়। মামলার বাদিকে বার বার জীবননাশের চেষ্টা করায় নিহতের স্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষিকা রেহেনা খানম তার ভার্সার বাড়িতে এক সংবাদ সম্মেলন করে সম্ভাব্য আসামীদের নাম প্রকাশ করেন। ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তালা উপজেলার বিএনপি’র সাংগঠণিক সম্পাদক বদরুজ্জমান মোড়ল নিজেকে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করে সভাপতি হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ অন্যান্য নেতা কর্মীদের নাম বিচারকের কাছে ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন। এরপর থেকে আসামী গোলাম মোস্তাফা, হাফিজুর রহমান, রাশেদুল হক রাজু ও সাংসদ হাবিবুল ইসলাম হাবিব মামলাটির কার্যক্রম হাইকোর্টে স্থগিত করার চেষ্টা করেন। ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে বাদি নিজের নিরাপত্তার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেন। এ ঘটনায় তৎকালিন সদর সহকারি পুলিশ সুপার ঘটনার তদন্ত করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন, সাতক্ষীরা জজকোর্টের পিপি এড. ওসমান গণি এবং সহযোগিতায় ছিলেন, অতিরিক্ত পিপি এড. ফাহিমুল হক কিসলু, অতিরিক্ত পিপি এড. তপন কুমার দাস ও অতিরিক্ত পিপি সৈয়দ জিয়াউর রহমান বাচ্চু।
মামলা পরিচালনাকারী এড. ওসমান গণি(পিপি) বলেন, দীর্ঘদিন পর মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ায় অনেকটা ভালো লাগছে। মামলা বাদী তার সাক্ষ্য সুনিপুনভাবে উপস্থাপন করেছেন। উক্ত মামলায় জেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি হাবিবুল ইসলাম হাবিব, হোলাম মোস্তফা, দাদা তুষার ও প্রকাশ সরকার পলাতক রয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest