সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় জাকির স্মৃতি স্কুল কাবাডি প্রতিযোগিতার ফাইনালসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন শ্যামনগরে বজ্রপাতে ইয়াকুব আলী নামের এক ঘের মালিকের মৃত্যুসাতক্ষীরার সুন্দরবনে বনদস্যুদের গুলিতে কাঁকড়া শিকারি আহতকালিগঞ্জে তথ্য গোপনের অপরাধে প্যানেল চেয়ারম্যানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানাসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সভাসাংবাদিকের ওপর হামলা: চাপ এড়াতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গনভালোবাসার একযুগ এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশনসাংবাদিক জিন্নাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

সব জেলা-উপজেলায় হবে স্মৃতিসৌধ

মহান স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করবে সরকার। এজন্য ‘জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ প্রকল্প’ হাতে নিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবসের সময় আমরা কেন্দ্রীয়ভাবে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। একুশে ফেব্রুয়ারিতে জেলায় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করি। স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবসে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য আমরা জেলা-উপজেলায় আলাদা একটি স্মৃতিস্তম্ভ করব। যাতে সেখানে সবাই শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারে’।

জেলা-উপজেলায় স্মৃতিসৌধ নির্মাণের জন্য উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে স্থাপত্য নকশা প্রণয়নের কাজ চলমান আছে বলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে একগুচ্ছ প্রকল্প : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, মহান মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্থান সংরক্ষণ ও স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণে একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। ১৭৮ কোটি ৯৮ লাখ টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পের আওতায় একই নকশায় সারাদেশে ৩৬০টি স্থানে স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে, প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় দরপত্র কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।

এ ছাড়া ১৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্পের আওতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে মিত্রবাহিনীর শহীদ সদস্যদের স্মরণে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হবে। এই প্রকল্পের আওতায় দরপত্র আহ্বান কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ৪১ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে আরেকটি প্রকল্পের মাধ্যমে সারাদেশে ৩৪২টি স্থানে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ মেরামত ও পুনর্নিমাণ করা হবে।

নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে ৪৯ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প নেয়া হয়েছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানে ভাষণের স্থান এবং ইন্দিরা মঞ্চ চিহ্নিত করে ম্যুরালসহ সীমানা দেয়াল নির্মাণ এবং শিশু পার্কে নতুন রাইডস স্থাপনে ২৬৫ কোটি ৪৪ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প নেয়া হয়েছে।

‘ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ-৩য় পর্যায়’ প্রকল্পটি গত ৯ জানুয়ারি একনেক সভায় অনুমোদিত হয়েছে। শিগগিরই প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেয়া হবে।

এ ছাড়া ৪৫৩ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধকালে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী কর্তৃক সৃষ্ট বধ্যভূমিসমূহ সংরক্ষণ ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ (দ্বিতীয় পর্যায়) প্রকল্পটিও অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। এর মাধ্যমে ২৮১টি বধ্যভূমি সংরক্ষণ করা হবে।

‘মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্প’, স্বাধীনতা ও ‘বিভাগীয় পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণ প্রকল্প’ অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলেও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

‘মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্যানোরমা নির্মাণ প্রকল্প’, মুক্তিযোদ্ধাদের যুদ্ধের স্মৃতি রেকর্ড করে রাখতে ‘বীরের কণ্ঠে বীরগাঁথা কর্মসূচি’ ও ‘ঢাকায় একটি ঘৃণাস্তম্ভ ও টর্চারসেল নির্মাণ কর্মসূচি’ হাতে নেয়া হচ্ছে।

মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে কিছু প্রকল্প : দুই হাজার ২৭৩ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রতি জেলা/উপজেলায় অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে। এই প্রকল্পের আওতায় অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ৯৮২ বর্গফুটের ৮ হাজার ফ্ল্যাট হবে।

এ ছাড়া ‘মুক্তিযুদ্ধকালে শহীদ ও অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধিস্থল সংরক্ষণ ও উন্নয়ন (প্রথম পর্যায়) প্রকল্প’ হাতে নেয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৮৫ কোটি ৮১ লাখ টাকা। প্রথম পর্যায়ে ২০ হাজার শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধিস্থল একই নকশায় সংরক্ষণ করা হবে। প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

একই সঙ্গে সারাদেশে হাট-বাজারের ইজারা থেকে পাওয়া ৪ শতাংশ অর্থ দিয়ে অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দেয়ার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী এপ্রিল মাস থেকে সব মুক্তিযোদ্ধা এই সেবা পাবেন।

মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা মোবাইলে পরিশোধের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী জুলাই থেকে সব মুক্তিযোদ্ধা মোবাইলের মাধ্যমে ভাতা পাবেন। তাদের আর উপজেলায় ব্যাংকে গিয়ে ভাতা নিতে হবে না বলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোহলির ব্যাটে ইংল্যান্ডের কাছে হারল ভারত!

ভারতের চলমান ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচেও ইংল্যান্ডের কাছে হেরেছে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল। তবে হার নিয়ে যতটা না উত্তাপ ছড়াচ্ছে তার চেয়ে বেশি আলোচনায় ম্যাচে ড্যানিয়েল ওয়েটের সেঞ্চুরি। কারণ তিনি যে ব্যাট দিয়ে এদিন ভারতীয় বোলারদের চড়াও হন, সেই ব্যাটটি ইংলিশ ক্রিকেটারকে উপহার হিসেবে দিয়েছিলেন টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়ক বিরাট কোহলি।

২০১৪ সালের টি-২০ বিশ্বকাপের কথা। ভারতীয় ব্যাটিং সেনসেশন বিরাট কোহলির দুরন্ত ব্যাটিং দেখে তার এতটাই অনুরাগী হয়ে ওঠেন যে, তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন ড্যানিয়েল ওয়েটে। ওই বছরেরই শেষের দিকে ড্যানিয়েলকে একটি ব্যাট উপহার দিয়েছিলেন কোহলি।

ভারতের আসার আগে এক সাক্ষাৎকারে ড্যানিয়েল জানিয়েছিলেন, ত্রিদেশীয় সিরিজে তিনি কোহলির দেওয়া সেই ব্যাট নিয়েই নামবেন। তিনি বলেন, যে ব্যাটে তিনি সেঞ্চুরি করেছিলেন, তা ভেঙে গেছে কিছুদিন আগে। তাই এখন তিনি কোহলির দেওয়া ব্যাটে খেলবেন।

রবিবার মুম্বাইয়ে টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠান ইংল্যান্ড অধিনায়ক হিদার নাইট। দুই ওপেনার মিতালি রাজ এবং স্মৃতি মান্ধানার দাপটে ভাল শুরু করে ভারত। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২৫ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন স্মৃতি। ভারতীয় হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম অর্ধ শতরানের রেকর্ডও গড়েন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৪০ বলে ৭৬ রান করেন স্মৃতি মান্ধানা। এছাড়া মিতালি রাজের ৫৩ এবং হরমনপ্রীতের ৩০ রানের ওপর ভর করে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৯৮ রান তোলে ভারত।

১৯৯ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে বড় কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি ইংলিশদের। আর তার কারণ ওই কোহলির ব্যাট। ওপেনার ড্যানিয়েল ওয়েট কোহলির ব্যাট দিয়ে ভারতীয় বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে ৬৪ বলে তুলে নেন ১২৪ রান। ফলে ১০ বল বাকি থাকতেই ম্যাচটি জিতে নেয় ইংল্যান্ড।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বুধহাটা এবিসি কেজি স্কুলে স্বাধীনতা দিবস পালন

মইনুল ইসলাম : আশাশুনি উপজেলা বুধহাটা এবিসি কেজি স্কুলে মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে সোমবার সকালে স্কুল চত্ত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অধ্যক্ষ আলমিন হোসেন ছট্টুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এ্যাড. শহিদুর ইসলাম বাচ্চু। শিক্ষক আছাফুর রহমানের পরিচালনায় অন্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শিক্ষক পাপিয়া সরকার, রাফিজা খাতুন, তাহেরা খাতুন, তাছলিমা খাতুন, শামীমা সুলতানা, ইয়াসিন আলী, আমিনুর রহমান প্রমূখ। এসময় ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবকসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরা শিক্ষকদের জাতীয় দায়িত্ব- ডা. রুহুল হক এমপি

নলতা প্রতিনিধি: শিক্ষার্থীদের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি।
সারাদেশের ন্যায় সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা আহ্ছানিয়া মিশন রেসিডেন্সিয়াল কলেজ মাঠে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সকাল ৮টা হতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালা সম্পন্ন হয়েছে। নলতা ইউনিয়ন অওয়ামীলীগ ও এর সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মসূচীর মধ্যে ছিল- প্রধান অতিথির উপস্থিতিতে কে বি আহ্ছানউল্লা জুনিয়র হাইস্কুলের শিক্ষার্থীদের দলীয় জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন। বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ। অতিথিদের আসন গ্রহণ। নলতা আহ্ছানিয়া মিশন রেসিডেন্সিয়াল কলেজ, নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নলতার কে বি আহ্ছানউল্লা জুনিয়র হাইস্কুল, নলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কে বি মোবারক আলী প্রি-ক্যাডেট স্কুল, আহ্ছানিয়া দরবেশ আলী ক্যাডেট স্কুল এর স্ব স্ব শিক্ষকদের সহযোগিতায় শিক্ষার্থীবৃন্দ দিবসের উপর প্রতিষ্ঠানভেদে পারফরমেন্সের তারতম্য হলেও সর্বপোরি বিভিন্ন ধরনের মনোমুগ্ধকর ডিসপ্লে প্রদর্শনী হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী আলহাজ্জ অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক। তিনি বলেন-পাকিস্তানের সাথে আমাদের সাথে শুধু ধর্মের মিল থাকলেও আর সবদিক থেকে পাকিস্তানের সাথে আমাদের ছিল মতের পার্থক্য। ৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ সকল পর্যায়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে এদেশ স্বাধীন হত না। ১৯৭০ সালের জাতীয় নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জিত হলেও পাকিস্তানিরা বঙ্গবন্ধুর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে নানা নাটকীয়তা শুরু করে। তখন বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে পূর্ব বাংলায় আন্দোলন দিনে দিনে তীব্র আকার ধারণ করতে থাকে। বঙ্গবন্ধুর ঢাকা রেসকোর্স ময়দানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে মূলত এদেশ স্বাধীনতার চূড়ান্ত লক্ষে এগিয়ে যায়। আমার সৌভাগ্য হয়েছিলো তৎকালিন মেডিকেল কলেজের ভিপি হিসেবে স্ব শরীরে রেসকোর্স ময়দানে উপস্থিত থেকে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ শ্রবণ করার। তাই ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালো রাতে পাকিস্তানি দোশররা এদেশের মানুষের উপর নির্মম গণহত্যা চালিয়ে বঙ্গবন্ধুকে তার ধানমন্ডীর ৩২ নম্বর বাসা থেকে গ্রেফতার করে। কিন্তু বাঙালী দামাল ছেলেদের ঐক্যবদ্ধ মুক্তিযুদ্ধের বেগবান আন্দোলনের কারণে পাকিস্তানিরা বঙ্গবন্ধুকে শেষ পর্যন্ত মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। আর সেই মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান আমাদেরকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করতে হবে। তাদেরকে যথাযত মর্যাদা দিতে হবে। শিক্ষকদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, স্বাধীনতার বিরোধীতাকারীরা বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণসহ ৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস ধামাচামা দিয়ে রাখছিলো। তারা এখনো ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। তাই নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরতে হবে। আমি মনে করি এটা আপনাদের জাতীয় দায়িত্ব। সর্বপোরি লেখাপড়ার পাশাপাশি মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের মাধ্যমে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে উন্নীত করতে শিক্ষার্থীসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতি উদাত্ব আহ্বান জানান প্রধান অতিথি। সবশেষে অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি বলেন, সাতক্ষীরা-৩ ও সাতক্ষীরা-৪ আসনের একাদশ জাতীয় সংসদের সীমানা নিয়ে নানা ধরনের জটিলতার কথা আপনাদের মুখ থেকে শুনতে পাচ্ছি। তবে আমি জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতিনিধি হিসেবে আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পূর্বের সীমানা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।
নলতা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তোফায়েল আহমেদ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ সদস্য এড. এস এম আসাদুর রহমান সেলিম, ভাড়াশিমলা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্জ নূরমোহাম্মদ বিশ্বাস, নলতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্জ আবুল হোসেন পাড়, নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ ইসহাক, নলতার কে বি আহছানউল্লা জুনিয়র হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্রীকুমার বসাক, নলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আনোয়ারুল হকসহ অন্যান্য শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থীবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রন্ক্সি মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ তথা নানা শ্রেণি-পেশার হাজার হাজার নারী-পুরুষ ও শিশু উপস্থিত ছিলেন। অত্র অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী উপরোক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো ছাড়াও অংশগ্রহণ করে- নলতা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, নলতা আহ্ছানিয়া দারুল উলুম- ফাজিল মাদ্রাসা, ইন্দ্রনগর হুসাইনাবাদ ফাজিল মাদ্রাসা, আল-হেরা প্রি-ক্যাডেট মাদরাসা ও ইডা আদর্শ প্রি-ক্যাডেট স্কুল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পুলিশের অভিযানে আটক ৪৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪৫জনকে আটক করা করা হয়েছে।
রবিবার সন্ধ্যা থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১২ জন, কলারোয়া থানা ৯জন, তালা থানা ৪জন, কালিগঞ্জ থানা ৫ জন, শ্যামনগর থানা ৪জন, আশাশুনি থানা ৫ জন, দেবহাটা থানা ৩ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ৩জনকে আটক করা হয়েছে। এসময় ৫৭ পিচ ইয়াবা ও ৫০০ গ্রাম গাজা উদ্ধার করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান। আটককৃত অন্যান্যদের বিরুদ্ধে নাশকতা, মাদকসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্রহ্মরাজপুর গার্লস স্কুলে স্বাধীনতা র়্যালি ও আলোচনা

মহান স্বাধীনতা দিবস স্বাধীনতা দিবস-অমর হোক অমর হোক।। তোমার দেশ আমার দেশ-বাংলাদেশ বাংলাদেশ।। তুমি কে আমি কে- বাঙালি বাঙালি।। তোমার আমার ঠিকানা-পদ্মা মেঘনা যমুনা।। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা- হারিয়ে যেতে দেবো না।। একাত্তরের চেতনা-হারিয়ে যেতে দেবো না।। সন্ত্রাসীর আস্তানা-এই বাংলায় থাকবে না।। জঙ্গিবাদের আস্তানা-এই বাংলায় থাকবে না।
মাদকসেবিদের আস্তানা-এই বাংলায় থাকবে না।।
মনে আমার ঝলসে ওঠে একাত্তরের কথা-পাখির ডানায় লিখেছিলাম প্রিয় স্বাধীনতা।।
জয় বাংলা-জয় বাংলা।-এমনই ভাবে স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে গ্রাম গ্রামান্তর ঘুরে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদমুক্ত সোনার বাংলা গড়ার অদম্য প্রত্যয়ে বর্ণাঢ্য র়্যালি বের করে সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ডি. বি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়। ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সোমবার সকাল ৮টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় কর্মসূচি। এরপর প্রত্যয়োদ্দীপ্ত নানা স্লোগানে মুখরিত করে বের হয় বর্ণাঢ্য র়্যালি। র়্যালিটি এলাকার কয়েকটি গ্রাম ঘুরে ফিরে আসে স্কুল ক্যাম্পাসে। এরপর শুরু হয় আলোচনা সভা। স্কুলের প্রধান শিক্ষক এমাদুল ইসলাম দুলুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন স্কুলের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছোবহান, অভিভাবক সদস্য আব্দুল হামিদ বাবু, নজর উদ্দিন সরদার, সহকারি প্রধান শিক্ষক অনুজিৎ কুমার মন্ডল, সহকারি শিক্ষক দুবব্রত ঘোষ, নজিবুল ইসলাম, হাফিজুল ইসলাম প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সহকারি শিক্ষক এসএম শহীদুল ইসলাম। আলোচনা শেষে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা করা হয়। এসময় সকল শিক্ষক কর্মচারি ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাশিয়ায় শপিং মলে আগুনে পুড়ে ৩৭ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক: রাশিয়ার সাইবেরীয় শহর কেমেরোভোয় একটি বিপণি বিতানে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
রুশ সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, রোববার ছুটির দিনের বিকালে এ ঘটনায় আরও অন্তত ৬৪ জন নিখোঁজ রয়েছে, যাদের মধ্যে ৪১ জনের বয়স ১৭ বছরের কম।
উইন্টার চেরি কমপ্লেক্স নামের ওই শপিং মলের উপরের ফ্লোরে যখন আগুনের সূত্রপাত হয়, অনেকেই তখন সিনেমা দেখায় মগ্ন ছিলেন।
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে আসা ভিডিওতে দেখা যায়, ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন পুরো এলাকা থেকে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা লোকজনকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। আর আগুন থেকে বাঁচার মরিয়া চেষ্টায় জানালা দিয়ে লাফিয়ে নামার চেষ্টা করছে মানুষ।
ঠিক কীভাবে ওই বিপণি বিতানে আগুন লাগে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।
রাজধানী মস্কো থেকে তিন হাজার ৬০০ কিলোমিটার দূরে রাশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কয়লা উৎপাদন কেন্দ্র কেমেরোভো।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, মুভি থিয়েটার, রেস্তোরাঁ, সাউনা, বোওলিং অ্যালি ও একটি চিলড্রেন জু নিয়ে ২০১৩ সালে উইন্টার চেরি কমপ্লেক্স যাত্রা শুরু করে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বিকাল ৫টার দিকে শপিং মলের বিনোদন কেন্দ্রের অংশে কোথাও আগুনের সূত্রপাত হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কেমেরোভোর জরুরি বিভাগের উপ প্রধান ইয়েভগেনি দেদিউখিন বলছেন, প্রাথমিক যে তথ্য তাদের কাছে রয়েছে, তাতে আগুন ওই শপিং মলের প্রায় ১৫০০ বর্গমিটার এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। ধসে পড়ে দুটো সিনেমা হলের ছাদ।
৬২টি ফায়ার ইউনিট নিয়ে অগ্নি নির্বাপক বাহিনীর ২৮৮ জন কর্মীর পাশাপাশি আকাশ থেকে হেলিকপ্টার ব্যবহার করে সেখানে আগুন নেভানোর কাজ চলছে বলে জানান তিনি।
কেমেরোভো অঞ্চলের ডেপুটি গভর্নর ভ্লাদিমির চেরনভ জানান, শপিং মলের একটি মুভি থিয়েটার থেকেই পাওয়া গেছে ১৩ জনের লাশ।
ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা প্রায় একশ মানুষকে শপিং মল থেকে বের করে আনে এবং আরও ২০ জনকে বিভিন্ন ফ্লোর থেকে উদ্ধার করে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইতার-তাস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: যথাযথ মর্যাদা, বিন¤্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে সোমবার সকালে ৩১বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের শুভ সুচনা করা হয়। সকাল ৮ টায় সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন ও জেলা পুলিশ সুপার মো. সাজ্জাদুর রহমান সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে বেলুন ও ফেস্টুন ও শান্তির প্রতিক কবুতর অবমুক্ত করে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।
সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে সারা দেশ ব্যাপি একযোগে জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসরবিশ^াস সুদেব কুমার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. জাকির হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোতাকাব্বির আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আব্দুল হান্নান, সিভিল সার্জন ডা. তওহীদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে.এম আরিফুল হক, পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, জেলা প্রশাসক পত্মী মিসেস সাদিয়া নুসরাত, জেলা পুলিশ সুপার পত্মী মিসেস আকিদা রহমান রিলা, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তহমিনা খাতুন, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আব্দুল খালেক, সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী জি.এম আজিজুর রহমান, সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মো.জিয়াউল হক, জেলা শিক্ষা অফিসার এস.এম আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এ.কে.এম আনিছুর রহমান, এন.এস.আই সাতক্ষীরার উপ-পরিচালক মোজাম্মেল হক, সহকারী পরিচালক আনিসুজ্জামান, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মীর মাহমুদ হাসান লাকী, ডেপুটি কমান্ডার আবু বক্কার ছিদ্দিক, সদর উপজেলা কমান্ডার মো. হাসানুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক, জেলা তথ্য অফিসার মোজাম্মেল হকসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মকতাবৃন্দ। পরে পুলিশ, বিএনসিসিসহ ৫৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের সমম্বয়ে দৃষ্টি নন্দন মার্চপাস্ট, শরীরচর্চা প্রদর্শনী ও ডিসপ্লে প্রদর্শন ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এছাড়া সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসুচী পালন করা হয়। শহিদ আব্দুর রাজ্জাকের মাজার জিয়ারতসহ অন্যান্য শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের মাজার জিয়ারত করা হয়, জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ২’শ ৫০ জন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পৌরসভা দিঘীতে ছোট বড় সকলের জন্য সাতাঁর প্রতিযোগীতা, হাঁসধরা প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এছাড়া বিকালে সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে ভলিবল প্রতিযোগিতা ও কাবাডি প্রতিযোগিতা, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মহিলাদের আলোচনা সভা ও ক্রীড়া অনুষ্ঠান, সৌখিন ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় এবং সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার চত্বরে পুরস্কার বিতরণী, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest