সর্বশেষ সংবাদ-
কলারোয়ায় আমেরিকা প্রবাসী দম্পতির সহযোগিতা বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পইরানের ভয়ে মার্কিন ঘাঁটি ইসরাইলে সরিয়ে নিতে বললেন সাবেক সেন্টকম প্রধানসাতক্ষীরায় যানজট নিরসনকল্পে সভা : একগুচ্ছ পদক্ষেপে যানজট নিয়ন্ত্রণে আনার আশাবাদশ্যামনগরে বিজিবি সদস্যের বাড়িতে চুরি: র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার আসামির জন্য রাজনৈতিক তদবির!এনসিপির সমাবেশে হামলা নিয়ে নাহিদের বক্তব্য রাজনৈতিক: ডা. জাহেদতালায় নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশগাবুরায় ভেড়িবাঁধের ওপর অবৈধ ভাবে বসানো নাইনটি পাইপ অপসারণমজনু সরদারের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার ও শ্রমিক ইউনিয়নে অবৈধ হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে বিক্ষোভসাতক্ষীরায় ৫৪২ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬দেবহাটার পারুলিয়ায় মৎস্য ঘেরে ডাকাতিতে বাধা : মৎস্য চাষীকে কুপিয়ে জখম

কোটা সংস্কারের দাবি; ফের সড়ক অবরোধ আন্দোলনকারীদের

চাকরিতে কোটা সংস্কার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ফের অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের একাংশ। মঙ্গলবার (১০ এপ্রিল) দুপুরের পর রাজু ভাস্কর্যের সামনের সড়কে অবস্থান নেন তারা। তাদের অবরোধের মুখে ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

এই অবস্থান কর্মসূচির নেতৃত্ব দিচ্ছেন লোক প্রশাসন বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আল ফজলে রাব্বী। দুপুর একটার দিকে অবস্থান বিক্ষোভ থেকে কোটা সংস্কারে শিক্ষার্থীদের ৫ দফা দাবি আদায়ে সরকারকে তিন দিনের আল্টিমেটাম দেয়া হয়। এই সময়ের মধ্যে দাবি মানা না হলে প্রত্যেক দিন সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত ক্যাম্পাসে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে শিক্ষার্থীরা।

‘ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন’ করে এই কর্মসূচি পালন করা হবে জানিয়ে আন্দোলনের সমন্বয়ক আল ফজলে রাব্বী বলেন, ‘সরকারের আশ্বাসে কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা আমরা মানি না। এখানে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটেনি।’

এর আগে মঙ্গলবার সকালে কোটা সংস্কার দাবিতে আন্দোলনের মূল উদ্যোক্তা সংগঠন ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ আন্দোলনে বিভক্তির ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিল।সংগঠনটির নেতারা শিক্ষার্থীদের কোনো ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পা না দিয়ে আগামী ৭ মে পর্যন্ত ধৈর্য ধরতে বলেছেন। এর মধ্যে দাবি মানা না হলে দুর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে সারা দেশ অচল করে দেয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।

তবে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত একাংশের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন স্থগিতের দাবি না মেনেই রাজু ভাস্কর্যের সামনে গিয়ে সড়ক অবরোধ করেন।

প্রসঙ্গত, কোটা সংস্কারে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে পাঁচ দফা দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবিগুলো হলো- কোটা সংস্কার করে ৫৬ থেকে ১০ শতাংশে কমিয়ে আনা, কোটা প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্যপদগুলোতে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া, চাকরি নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহার না করা, কোটায় কোনো ধরনের বিশেষ নিয়োগ পরীক্ষা না নেয়া এবং চাকরি ক্ষেত্রে সবার জন্য অভিন্ন কাট মার্ক ও বয়সসীমা নির্ধারণ করা।

এ আন্দোলনের অংশ হিসেবে গত রোববার দুপুরে কোটা সংস্কার দাবিতে শাহবাগে জড়ো হয়ে পদযাত্রা কর্মসূচি করে শিক্ষার্থীরা। পরে তাদের অবস্থানে রাত আটটার দিকে পুলিশ চড়াও হলে সংঘর্ষ হয়। এক পর্যায়ে এই সংঘর্ষ পুরো ক্যাম্পাস এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এতে পুলিশসহ দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন। অনেককে আটক করে পুলিশ।

এরপর গতকাল সোমবারও দিনভর বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে বিকেলে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জাসান খাঁন কামালের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ২০ সদস্যের প্রতিনিধি বৈঠক করেন।

বৈঠক থেকে বেরিয়ে তারা সরকারের আশ্বাসে আগামী ৭ মে পর্যন্ত কর্মসূচি স্থগিত রাখার ঘোষণা দেন। তবে তাদের এ ঘোষণা একাংশ মেনে নেননি। তারা ক্যাম্পাসে বিচ্ছিন্নভাবে বিক্ষোভ করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় বিশ্ব খাদ্য দিবস ও খাদ্য অধিকার প্রচারাভিযান উপলক্ষ্যে আলোচনা

আসাদুজ্জামান: “সবার জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা চাই, খাদ্য অধিকার আইন চাই” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় বিশ্ব খাদ্য দিবস ও খাদ্য অধিকার প্রচারাভিযান উপলক্ষ্যে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খাদ্য অধিকার বাংলাদেশ সাতক্ষীরা জেলা কমিটির আয়োজনে মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে উক্ত আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনটির সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সভাপতি মরিয়ম মান্নানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম। খাদ্য অধিকার বাংলাদেশ সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক মাধব দত্তের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, প্রেসক্লাব সভাপতি আবু আহমেদ, প্রফেসর আব্দুল হামিদ, প্রফেসর সুভাষ চন্দ্র সরকার, জেলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক আনিসুর রহিম, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক সুধাংশ শেখর সরকার, সিনিয়র সাংবাদিক সুভাষ চৌধুরী, সাবেক কাউন্সিলর ফরিদা আক্তার বিউটি প্রমুখ।
বক্তারা এ সময়, পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা এবং খাদ্য অধিকার আইন প্রনয়নের দাবীতে প্রধান প্রধান দারিদ্র প্রবন এলাকা ও জনগোষ্ঠির মধ্যে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তাসহ দারিদ্র বিমোচনে বহুমুখী কর্মসূচি গ্রহন, নারী ও শিশুদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করনসহ ৭ দফা দাবী পেশ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কুশখালীতে দুস্থ ও হতদরিদ্রদের মাঝে ভিজিডি’র চাল বিতরণ

জি.এম আবুল হোসাইন : সদর উপজেলার ২নং কুশখালী ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে দুস্থ ও হতদরিদ্রদের মাঝে ভিজিডি’র চাল বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিনিধিবৃন্দ ৯টি ওয়ার্ডের মোট ১৫৬ জন দুস্থ ও হতদরিদ্র প্রত্যেকের মাঝে ৩০কেজি হারে চাল বিতরণ করেন ইউপি চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম (শ্যামল)। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ইউপি সচিব মো. মতিউর রহমান, ১নং ওয়ার্ড কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সহ-সভাপতি মো. আব্দুল কাদের, সালমা ফাউন্ডেশন’র মাঠ প্রশিক্ষক মো. মনিরুল ইসলাম মনি, ইউপি সদস্য মো. মনিরুল ইসলাম, সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্যা মনজুরা খানম ইতি, মনজুয়ারা খাতুন, তথ্য উদ্যোক্তা সাইফুজ্জামান শাহিন, শিবনাথ দাশ সহ সকল গ্রাম পুলিশ সদস্যবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদা জিয়ার ঘাড় ও কোমরের হাড়ে সমস্যা

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ঘাড় ও কোমরের হাড়ে সমস্যা আছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। আজ মঙ্গলবার সকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের প্রধান ডা. শামসুজ্জামান এ কথা বলেন।

সকালেই খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতিবেদন চার সদস্যের চিকিৎসক বোর্ডের হাতে পৌঁছায়।

ডা. শামসুজ্জামান বলেন, ‘প্রতিবেদনগুলো পর্যালোচনা করে দেখা যায়, তাঁর রক্তের পরীক্ষাগুলো সব স্বাভাবিকই আছে। তবে উনার এক্স-রে রিপোর্টে দেখা যায়, উনার ঘাড়ে ও কোমরের হাড়ে কিছুটা সমস্যা আছে। তবে আমরা আগে যে চিকিৎসা দিয়েছি, সেই চিকিৎসাই চলবে। বোর্ডের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে মতামতটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের কাছে দেবো। আজই দেবো। পরিচালক তা কারা কর্তৃপক্ষের কাছে দেবেন।’

খালেদা জিয়ার জন্য গঠিত চিকিৎসক দলের বাকি তিন সদস্য হলেন ড. ওয়াহিদুজ্জামান, ড. এস এম সিদ্দিকী ও তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক মামুন রহমান।

এর আগে কারাবন্দি খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটলে গত ৭ এপ্রিল রাজধানীর শাহবাগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে নেওয়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর তাঁকে আবারও পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হয়। এরপর পুরান ঢাকার পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারকে বিশেষ কারাগার ঘোষণা দিয়ে খালেদা জিয়াকে সেখানে রাখা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে জাবিতে অবাঞ্ছিত হবেন মতিয়া চৌধুরী’

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নিয়ে জাতীয় সংসদে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর দেওয়া বক্তব্য আগামী তিন দিনের মধ্যে প্রত্যাহার করে ক্ষমা না চাইলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) তাঁকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

আজ মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এক সমাবেশে এ ঘোষণা দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

এ সময় আন্দোলনরত সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের জাবির আহ্বায়ক খান মুনতাসির আরমান বলেন, ‘বর্তমান প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে বেড়ে উঠেছে। এ চেতনাকে সমুন্নত রেখেই আমাদের আন্দোলন। কিন্তু মতিয়া চৌধুরী জাতীয় সংসদে আমাদের নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা অত্যন্ত হতাশাজনক ও জাতির জন্য অপমানকর। আগামী তিন দিনের মধ্যে তিনি এ বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে তাঁকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হবে।’

গতকাল জাতীয় সংসদে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে দেওয়া এক বক্তব্যে ‘এই রাজাকারের বাচ্চাদের অবশ্যই আমরা দেখে নেব’ বলে মন্তব্য করেন মতিয়া চৌধুরী।

এদিকে কোটা সংস্কারের দাবিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর গতকাল সোমবার পুলিশি হামলার প্রতিবাদে তিন দিনের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি চলছে। আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় সব বিভাগে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে।

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার নিয়ে আন্দোলন এবং রোববার দিবাগত রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ভাঙচুর প্রসঙ্গে সোমবার রাতে জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘রাতের অন্ধকারে বাসভবনে হামলা চালিয়ে উপাচার্যের গায়ে হাত দেওয়া, ভাঙচুর ও তাণ্ডব চালানো, এটা কোনো দুর্ঘটনা নয়, এটি জঘন্য অপরাধ। এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়।’

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের নামে সাধারণ ছাত্রদের ব্যবহার করে পরিকল্পিতভাবে এই নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। এরা ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরের বুদ্ধিজীবী হত্যাকারীদের উত্তরসূরি।’

মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘মূল গাত্রদাহ মুক্তিযোদ্ধা কোটা। পৃথিবীর দেশে দেশে যারা স্বাধীনতার জন্য জীবনবাজি রাখে, তাদের সন্তানদের জন্য বিশেষ সুযোগ থাকে। এদের দাবি রাজাকারের সন্তানদের জন্য মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের কোটা সংকুচিত করা। পরিষ্কার বলতে চাই, মুক্তিযুদ্ধ করেছি, মুক্তিযুদ্ধ চলছে—মুক্তিযুদ্ধ চলবে এবং রাজাকারের বংশধরদের অবশ্যই আমরা দেখে নেব। তবে ছাত্রদের বিরুদ্ধে আমাদের কোনো রাগ নেই। কারণ ফেসবুকে যারা স্ট্যাটাস দিয়েছে এরা তো ছাত্র না, এরা মতলববাজ, স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত-শিবিরের এজেন্ট। এদের সম্পর্কে সামান্যতম শৈথিল্য আমরা দেখতে চাই না।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্বাধীণতা বিরোধী দুর্নীতিবাজদের নিয়ে গঠিত সাতক্ষীরা জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বাধীনতা বিরোধী, যুদ্ধাপরাধী পরিবারের সদস্য ও চিহ্নিত দুর্নীতিবাজদের নিয়ে গঠিত সাতক্ষীরা জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় মুক্তিযোদ্ধা-জনতার ব্যানারে শহীদ স.ম আলাউদ্দিন চত্বরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বীরমুক্তিযোদ্ধা সাবেক অধ্যক্ষ সুভাষ সরকার। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের আহবায়ক এড. ফাহিমুল হক কিসলু, সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জী, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সাবেক সভাপতি এড.আবুল কালাম আজাদ, ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ওবায়েদুস সুলতান বাবলু,মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড সাতক্ষীরা জেলা শাখার সদস্য সচিব লায়লা পারভীন সেজুতি, লাবসা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া বাবু, জেলা পরিষদের সদস্য এড. শাহনেওয়াজ পারভীন মিলি, পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশি, জে এস ডি’র সাধারণ সম্পাদক সুধাংশু শেখর সরকার, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সদস্য স্বপন কুমার শীল, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অহিদুজ্জামান টিটু, সিটি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মহিদুল ইসলাম, রওনক বাসার, লোদী ইকবাল প্রমুখ। বক্তারা বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। সেই প্রতিষ্ঠানে যুদ্ধাপরাধী পরিবারের সদস্য ও সাতক্ষীরার চিহ্নিত দুর্নীতিবাজদের নিয়ে যে কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি গঠিত হওয়ায় মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ জনতার মধ্যে ব্যপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অবিলম্বে এই কমিটি বাতিল ঘোষণা করে সাতক্ষীরার মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের মানুষদের নিয়ে কমিটি গঠন করার জন্য জোর দাবি জানান। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের সদস্য সচিব আলীনুর খান বাবুল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে পুলিশি হেফাজতে সেই কিশোরীর বাবার মৃত্যু

ভারতের উত্তর প্রদেশে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে আত্মহত্যার চেষ্টাকারী কিশোরীর (১৬) বাবা পুলিশ হেফাজতে মারা গেছেন। বিধায়ক কুলদীপ সিং সেনগার ও তাঁর ভাই বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ রোববার ওই কিশোরী (১৬) মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের বাসভবনের সামনে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, কিশোরীর বাবা রোববার পেটে ব্যথা অনুভব করলে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার তিনি মারা যান। অভিযোগ রয়েছে, গত সপ্তাহে বিধায়ক কুলদীপ সিং ও তাঁর লোকজন ওই কিশোরীর বাবাকে পিটিয়ে গুরুতর জখম জখম করে। পরে তাঁর বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ এনে পুলিশে দেওয়া হয়।

এদিকে এই মৃত্যুর ঘটনায় দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ ছয় পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্ত চার পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা গ্রেপ্তারের পর ওই ব্যক্তিকে পিটিয়েছেন।

এর আগে রোববার এনটিভির খবরে বলা হয়, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে ওই কিশোরী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। ওই কিশোরীর অভিযোগ, রাজ্য ক্ষমতাসীন বিজেপির বিধায়ক ও তাঁর সঙ্গীরা মিলে তাঁকে গণধর্ষণ করেছেন। এর বিরুদ্ধে পুলিশ কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় ওই নারী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন। তবে ওই বিধায়ক অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

নির্যাতিত কিশোরী ও তাঁর পরিবারের অভিযোগ, বিজেপির বিধায়ক কুলদীপ সিং সেনগার ও তাঁর ভাই গত বছরের জুনে তাঁকে ধর্ষণ করেন। এরপর তাঁরা থানায় অভিযোগ দিলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। থানায় অভিযোগ দেওয়ায় পর তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। বিচারের আশায় তিনি এক বছর ধরে ঘুরছেন। তাই মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্য নাথের বাড়ির সামনে তাঁরা আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁরা অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

বার্তা সংস্থা এএনআইকে ওই কিশোরী বলেন, ‘আমি ধর্ষণের শিকারের পর এক বছর ধরে অনেকের কাছে গেছি। কিন্তু কেউ আমার কথা আমলে নেননি। সবাই গ্রেপ্তার না হলে আমি আত্মহত্যার পথ বেছে নেব। আমি মুখ্যমন্ত্রী আদিত্য নাথের কাছেও গিয়েছি। কিন্তু কোনো ফল পাইনি। আমরা থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর হুমকি দেওয়া হয়েছে।’

কুলদীপ সিং সেনগার তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমার প্রতি তাঁদের কোনো অভিযোগ নেই। তাঁরা নিম্নস্তরের মানুষ। আমাকে মিথ্যে অভিযোগ দিয়ে সম্মানহানি করতে চেষ্টা করেছে।’

পুলিশ কর্মকর্তা রাজীব কৃষ্ণ বলেন, কুলদীপ সিং সেনগারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন ওই কিশোরী। তদন্তের পরে জানা গেছে, ১০-১২ বছর ধরে ওই পরিবারর সঙ্গে কুলদীপের বিবাদ চলছিল। মামলাটি লক্ষ্ণৌ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩২ ধারা রেখেই সংসদে ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল

বহুল আলোচিত ৩২ ধারা রেখেই জাতীয় সংসদে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল-২০১৮’ উত্থাপন করা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাতে বিলটি উত্থাপন করেন ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। বিলটি উত্থাপনের আগে জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব করেন বিরোধীদলীয় একজন সদস্য। তাঁর প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। এরপর অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিলটি সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। কমিটিকে চার সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

বিলের বিধানে রয়েছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বা জাতির পিতার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার প্রোপাগান্ডা ও প্রচারণা চালান বা মদদ দেন তাহলে ওই ব্যক্তি অনধিক ১৪ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। আবার যদি কোনো ব্যক্তি একই অপরাধ দ্বিতীয়বার বা পুনঃ পুনঃ সংগঠিত করেন তাহলে তিনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অনধিক তিন কোটি টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

উল্লেখ্য, গত ২৯ জানুয়ারি খসড়া আইনটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। ব্যাপক সমালোচিত ৫৭ ধারাসহ কয়েকটি ধারা তথ্য-প্রযুক্তি আইন থেকে সরিয়ে সেগুলো আরো বিশদ আকারে যুক্ত করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়েছে। বিলে আলোচিত ৩২ ধারা সম্পর্কে বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি বেআইনি প্রবেশের মাধ্যমে কোনো সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা সংবিধিবদ্ধ কোনো সংস্থার কোনো ধরনের অতি গোপনীয় বা গোপনীয় তথ্য-উপাত্ত কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ডিজিটাল নেটওয়ার্ক বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ধারণ, প্রেরণ বা সংরক্ষণ করেন বা করতে সহায়তা করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে কম্পিউটার বা ডিজিটাল গুপ্তচরবৃত্তির অপরাধ।’ এ ধরনের অপরাধের শাস্তির বিধানে বলা হয়েছে, ‘এ ধরনের অপরাধে অনধিক ১৪ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক ২৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।’ আরো বলা হয়েছে, ‘উল্লিখিত অপরাধ দ্বিতীয়বার বা পুনঃ পুনঃ সংঘটন করলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।’

এই ধারা নিয়ে বিলটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম চলছে। সংসদে উত্থাপনকালেও বিলের ওই ধারার বিরোধিতা করেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মো. ফখরুল ইমাম। তিনি বলেন, ২০০৬ সালের আইসিটি আইনের ৫৭ ধারার অপপ্রয়োগ হয়েছে। সেটা বাতিলের প্রতিশ্রুতিও ছিল। কিন্তু ৫৭ ধারা বাতিল করে যে ৩২ ধারা করা হয়েছে, সেটা সংবিধানবিরোধী। এটা জনগণের মৌলিক অধিকার হরণ করবে। বিলের ৩৯/খ ধারাও সংবিধানবিরোধী। আর কয়েকটি অপরাধে জামিন অযোগ্য বিধান বিচার বিভাগের ওপর হস্তক্ষেপ বলে তিনি দাবি করেন।

বিলটি উত্থাপনের আগে জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব করেন বিরোধীদলীয় এই সদস্য। তবে তাঁর প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। এরপর বিলটি উপস্থাপন করা হয়।

বিলটিতে জাতীয় ডিজিটাল নিরাপত্তা কাউন্সিল গঠনের কথা বলা হয়েছে। ১১ সদস্যবিশিষ্ট ওই কমিটিতে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সদস্য হিসেবে থাকবেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইজিপি, বিটিআরসি চেয়ারম্যান ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) মহাপরিচালক। আর সদস্য সচিব থাকবেন জাতীয় ডিজিটাল নিরাপত্তা কাউন্সিলের মহাপরিচালক।

এ ছাড়া বিলে ডিজিটাল নিরাপত্তা এজেন্সি গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালনের জন্য এজেন্সির অধীনে একটি জাতীয় কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম গঠনের কথা বলা হয়েছে। বিলে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব স্থানেরও বিধান রাখা হয়েছে।

বিলে পরোয়ানা ছাড়া তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। আর সাইবার সন্ত্রাস কাজের জন্য ১৪ বছর কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে। একই অপরাধ যদি দ্বিতীয়বার করা হয় তাহলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া যাবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আর মানহানিকর তথ্য প্রকাশ, সম্প্রচার ইত্যাদির জন্য তিন বছর কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন এমন বিধান রাখা হয়েছে। একই অপরাধ দ্বিতীয়বার করলে পাঁচ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হবে। হ্যাকিং অপরাধের জন্য ১৪ বছর কারাদণ্ড বা এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। একই অপরাধ দ্বিতীয়বার করা হলে যাবজ্জীবন বা পাঁচ কোটি টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া যাবে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত রূপকল্প ২০২১ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ও নিরাপদ ব্যবহার আবশ্যক। বর্তমান বিশ্বে তথ্য-প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহারের মাধ্যমে এর সুফল ভোগের পাশাপাশি অপপ্রয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সাইবার অপরাধের মাত্রাও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। জাতীয় ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও ডিজিটাল অপরাধসমূহের প্রতিকার, প্রতিরোধ, দমন, শনাক্তকরণ, তদন্ত এবং বিচারের উদ্দেশ্যে এ আইন প্রণয়ন অপরিহার্য। সাইবার তথা ডিজিটাল অপরাধের কবল থেকে রাষ্ট্র এবং জনগণের জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তা বিধান এ আইনের অন্যতম লক্ষ্য।

বিলে আরো বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নকে প্রকারান্তরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলার পুনর্জাগরণ বলা যেতে পারে। এই মহান স্বপ্নদ্রষ্টার সোনার বাংলার স্বপ্ন বাস্তবায়নে তাঁরই যোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রূপকল্প ২০২১ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ অন্যতম সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest