সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন শ্যামনগরে বজ্রপাতে ইয়াকুব আলী নামের এক ঘের মালিকের মৃত্যুসাতক্ষীরার সুন্দরবনে বনদস্যুদের গুলিতে কাঁকড়া শিকারি আহতকালিগঞ্জে তথ্য গোপনের অপরাধে প্যানেল চেয়ারম্যানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানাসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সভাসাংবাদিকের ওপর হামলা: চাপ এড়াতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গনভালোবাসার একযুগ এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশনসাংবাদিক জিন্নাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনজংধরা ও ভাঙা ফ্লোরে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার : সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে

সাতক্ষীরার তালায় পানের বরজে আগুন

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ আগুন লেগে একটি বরজের দু’ লক্ষাধিক টাকার পান পুড়ে ছাঁই হয়ে গেছে। সোমবার বিকেল ৫ টার দিকে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়নের ভাগবাহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
বরজ মালিক বৃন্দাবন দে জানান, পানের বরজে আগুন লেগে ধোঁয়া উঠতে দেখে পরিবারের লোকজনকে সাথে নিয়ে সোমবার বিকেল পাঁচটার দিকে ঘটনাস্থলে যান তিনি। এ সময় পাড়া প্রতিবেশিরা ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করার আগেই বাগানটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে কি ভাবে আগুন লেগেছে তা তিনি বলতে পারেননি। এতে তার দু ’ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।
তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান হাফিজুর রহমান জানান, তিনি মোবাইলে ঘটনাটি শুনেছেন। তবে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত এ নিয়ে কেউ থানায় অভিযোগ করেনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তামার গ্লাসে পানি পান করার উপকারিতা দেখুন!

পানিতে থাকা লক্ষাধিক মাইক্রোঅর্গেনিজম, মোল্ড, ফাঙ্গাস এবং ব্য়াকটেরিয়াদের মেরে ফেলতে তামার কোনও বিকল্প হয় না। ফলে সংক্রমণের আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। সেই সঙ্গে তামার একাধিক গুণাগুণ পানির মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করার ফলে কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

তামায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-কার্সিনোজেনিক এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা একদিকে যেমন ক্যান্সার বিরোধী, তেমনি অন্যদিকে শরীর থেকে টক্সিক উপাদান বের করে দিতেও সাহায্য করে। তাই তো প্রতিদিন কম করে ২-৩ গ্লাস পানি তামার গ্লাসে রেখে পান করলে নানাবিধ শারীরিক উপকার পাওয়া যায়।

অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমে : বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে তামার পাত্রে পানি খাওয়া শুরু করলে শরীরের তামার মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে একদিকে যেমন কোষেদের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, তেমনি আয়রনের শোষণ হারও বেড়ে যেতে শুরু করে। ফলে লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন এত মাত্রায় বেড়ে যায় যে অ্যানিমিয়ার মতো রোগের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না।

ক্যান্সার রোগ দূরে থাকে : অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হল ক্যান্সার বিরোধী। তাই শরীরে যত অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের পরিমাণ বাড়তে থাকবে, তত দূরে পালাবে কর্কট রোগ। কিন্তু শরীরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের মাত্রা বাড়বে কীভাবে? এক্ষেত্রে প্রতিদিন তামার গ্লাসে পানি খেলেই কেল্লাফতে! কারণ তামায় রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা পানির সঙ্গে মিশে আমাদের শরীরে প্রবেশ করে কোষেদের বিভাজন যাতে ঠিক ঠিক নিয়ম মেনে হয়, সেদিকে খেয়াল রাখে। ফলে দেহে কোষের অস্বাভাবিক বিভাজন হয়ে ক্যান্সার সেলের জন্ম নেওয়ার সম্ভাবনা একেবারে কমে যায়।

হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : তামার এমন কিছু গুণ রয়েছে যা চোখের পলকে পাকস্থলীতে উপস্থিত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলে। ফলে আলসার, বদহজম এবং স্টমাক ইনফেকশনের মতো রোগ হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। এখানেই শেষ নয়, স্টমাকে জমে থাকা ক্ষতিকর টক্সিনদের বের করে দেওয়ার পাশাপাশি লিভার এবং কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়াতেও দারুন কাজে আসে তামা। তাই তো প্রতিদিন তামার গ্লাস খাওয়ার পরামর্শ দেন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকেরা।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে : আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির করা এক গবেষণা অনুসারে কপার বা তামা হার্ট অ্যাটাক, কোলেস্টরল এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো মারণ রোগকে একেবারে ধারে কাছে ঘেঁষতে দেয় না। ফলে আয়ু তো বাড়েই, সেই সঙ্গে দৈনন্দিন জীবনযাত্রাও সুন্দর হয়ে ওঠে।

ওজন হ্রাস পায় : তামার গ্লাসে পানি খাওয়ার অভ্যাস করলে একদিকে যেমন হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে, তেমনি শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত চর্বিও ঝড়তে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই মেদ কমতে থাকে।

সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে : পানিতে লুকিয়ে থাকা ক্ষতিকারক জীবাণুদের দ্রুত মেরে ফেলে কপার। তাই তো তামার পাত্রে পানি খাওয়া শুরু করলে ছোট-বড় নানা ধরনের সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

ক্ষত সারে দ্রুত : অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজে পরিপূর্ণ থাকার কারণে শরীরে তামার পরিমাণ যত বাড়তে থাকে, তত দ্রত ক্ষতও সারতে শুরু করে। সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও এতটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে একাধিক সংক্রমণের প্রকোপ একেবারে কমে যায়।

আর্থ্রাইটিসের কষ্ট কমে : এই রোগে আক্রান্ত হওয়া মানেই জয়েন্ট পেন হয়ে উঠবে রোজের সঙ্গী। ফলে স্বাভাবিক হাঁটা-চলার উপর একেবারে ফুল স্টপ পরে যাবে। কিন্তু তামাকে সঙ্গে রাখলে দেখবেন আর এমন কষ্ট পেতে হবে না। তামায় রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ, যা আর্থ্রাইটিসের যন্ত্রণা শুধু নয়, শরীরের যে কোনও প্রদাহ কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ব্রেনের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় : বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত তামার পাত্রে পানি পান করলে দেহে তামার ঘাটতি দূর হয়। যার প্রভাবে মস্তিষ্কে থাকা নিউরনদের ক্ষমতা এতটা বেড়ে যায় যে ব্রেন পাওয়ার বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে মস্তিষ্ক এত দ্রুত কাজ করা শুরু করে দেয় যে বুদ্ধি এবং স্মৃতিশক্তি বাড়তেও সময় লাগে না।

ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ে : তামা, ত্বকের মেলানিনের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্কিন টোনের উন্নতি ঘটার পাশাপাশি ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে মুখ মণ্ডল বেশ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় চেক জালিয়াতি মামলায় আব্দুল কাদেরের কারাদন্ড ও জরিমানা

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরায় চেকজালিয়াতির মামলায় আসামী আব্দুল কাদের সরদারকে এক বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও চেকের সমপরিমান ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরার যুগ্ন জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মোঃ পারভেজ শাহারিয়ার এ সাজা প্রদান করেন।
সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি হলেন, আশাশুনি উপজেলার কাপসান্ডা গ্রামের মোঃ আব্দুল খালেক সরদারের ছেলে মোঃ আব্দুল কাদের সরদার।
বাদী পক্ষের আইনজীবী এড. এস.এম আলমগীর হোসেন বাপ্পী জানান, আশাশুনি উপজেলার কাপসান্ডা গ্রামের আব্দুল কাদের ব্যবসায়িক সম্পর্কের সুবাদে ২০১৬ সালের ১৪ই মে ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা গ্রহন করেন এই মামলার বাদী ফেরদাউস গাজীর কাছ থেকে। এই টাকা ফেরত দেয়ার নামে বিভিন্ন টালবাহানা করতে থাকেন আসামী আব্দুল কাদের। এক পর্যায়ে টাকা নেয়ার দুই মাস পরে ২০১৬ সালের ১৪ই জুলাই আসামী আব্দুল কাদের এ মামলার বাদী ফেরদাউস গাজীকে তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বসে ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকার সোনালী ব্যাংক, আশাশুনি শাখার একটি চেক প্রদান করেন। চেকটি ওই দিনই ফেরদাউস গাজী ব্যাংকে প্রদান করলে টাকা না থাকায় ব্যাংক কর্মকর্তরা চেকটি ডিজ-অনার করেন। এরপর ২০ জুলাই তিনি তার নিযুক্ত আইনজীবির মাধ্যমে সমুদয় টাকা নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে পরিশোধের জন্য রেজিস্ট্রি ডাকযোগে আসামী আব্দুল কাদেরের কাছে একটি লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করেন। নির্দিষ্ট সময়ে তিনি তার পাওনা টাকা পরিশোধে ব্যার্থ হওয়ায় একই বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা যুগ্ন জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতে এন,আই এ্যাক্টের ১৩৮ ধারা মোতাবেক আসামী আব্দুল কাদেরের বিরুদ্ধে তিনি একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর-৪৬৬/১৭। এই মামলাটি দীর্ঘ এক বছর পর সোমবার স্বাক্ষ্য প্রমানের ভিত্তিতে আসামী আব্দুল কাদের সরদারকে এক বছরের সাজা ও ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন সাতক্ষীরা যুগ্ন জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মোঃ পারভেজ শাহারিয়ার। বাদী পক্ষের আইনজীবি এড. এস.এম আলমগীর হোসেন বাপ্পী আরো জানান, এ মামলার রায়ের সময় আসামী আব্দুল কাদের সরদার আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জ্যাকুলিনের ‘এক দো তিন’ ভাইরাল (ভিডিও)

‘এক দো তিন’… শুনলেই বলিউডের মনে পড়ে মাধুরী দীক্ষিতকে। ১৯৮৮-এ মুক্তিপ্রাপ্ত ‘তেজাব’-এ এই গানের সাথে মাধুরীর নাচ ঢুকে পড়েছে সিনে ইতিহাসে। এবার সেই গানের সাথে নেচে মাধুরীকে ট্রিবিউট জানালেন জ্যাকুলিন ফার্নান্ডেজ।

টাইগার শ্রফ এবং দিশা পাটানির ছবি ‘বাঘি ২’-এ দেখা যাবে জ্যাকুলিনের এই নাচ। সদ্য মুক্তি পেয়েছে সেই ভিডিও। যা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

সন্দীপ শিরোদকরের কম্পোজিশনে নতুন এই গানটি গেয়েছেন শ্রেয়া ঘোষাল। লক্ষ্মীকান্ত পেয়ারেলালের কম্পোজিশনে আসল গানটি গেয়েছিলেন অলকা যাজ্ঞিক।

এ প্রসঙ্গে জ্যাকুলিন বলেন, ওই গানটায় মাধুরী ম্যামের পারফরম্যান্স দেখার জন্য অপেক্ষা করে থাকতাম। এটা ওর প্রতি আমার ট্রিবিউট। আমি তো কোন ছাড়, কেউই ওর অরিজিনাল পারফরমন্যান্সের ধারে কাছে আসতে পারবে না।

অরিজিনাল ভার্সনের কোরিওগ্রাফ করেছিলেন সরোজ খান। জ্যাকুলিনের কোরিওগ্রাফিও সরোজ করেছেন। তাকে সাহায্য করেছেন গণেশ আচার্য এবং আহমদ খান। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ৩০ মার্চ মুক্তি পাবে এই ছবি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শাকিব-অপু কাছাকাছি

শাকিব-অপু কাছাকাছি

কর্তৃক Daily Satkhira

কলকাতায় ‘ভাইজান এলোরে’ ছবির শুটিং চলছে। সেই ছবির সেটেই হাজির হলেন ঢাকার পর্দার চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। ঢাকাই ছবির শীর্ষ অভিনেতা শাকিব ও খান ও টালিগঞ্জের অভিনেত্রী শ্রাবন্তী এখন ছবিটির শুটিংয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

গত ২ মার্চ গান দিয়েই এই ছবির শুটিং শুরু হয়েছে। শাকিব একা নন, এই ছবির গানে অংশ নিয়েছেন কলকাতার নায়িকা প্রিয়াঙ্কা সরকার। ছবিটির শুটিংয়ে বাংলাদেশি অভিনেত্রী দীপা খন্দকারও অংশ নিয়েছেন। আগামী ঈদুল ফিতরে ‘ভাইজান এলোরে’ ছবিটি সাফটা চুক্তিতে মুক্তি দেয়া হবে। ছবিটি পরিচালনা করছেন কলকাতার পরিচালক জয়দীপ মুখার্জি।

গতকাল রবিবার এই ছবির সেটে ভিন্ন স্থির চিত্রে শাকিব ও অপুকে দেখা গেল হাসিমুখে। পুত্র জয়কে নিয়ে তিনি কলকাতায় যান। সেখানে গিয়ে যে শাকিবের মুখোমুখি হবেন এটা জানা ছিল না গণমাধ্যমকর্মীদের। তবে অপু বিশ্বাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজ ও ভারতের এসকে মুভিজের প্রকাশিত দুই ভিন্ন চিত্রে শাকিব, অপু, শ্রাবন্তী ও জয়কে পাওয়া গেছে একই ফ্লোরে।

এই দুটি স্থিরচিত্রই নিশ্চিত করে দেয় শাকিব ও অপুর মুখোমুখি হওয়ার কথা। শাকিব ও অপুর হাসিমুখ বলে দেয় তারা সাময়িক সময়ের জন্য হলেও সকল মনোমালিন্য ভুলে গিয়েছিলেন। যদিও তারা আনুষ্ঠানিক ডিভোর্সের মাধ্যমে এখন ভিন্ন মেরুর বাসিন্দা তবে সেই স্থির চিত্র বলে দেয় তাদের সাময়িক সুখ সময়ের কথা।

ভাইজান এলো রে ছবির সেটে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেহেতু সেহেতু বলা যায় শাকিব-অপুর সম্পর্ক বিচ্ছেদ হয়ে যে কঠিন বরফ হয়েছিল তা কিছুটা গলতে শুরু করেছে। আর এর নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে তাঁদের পুত্র আব্রাহাম খান জয়।

তবে এই শীতল সম্পর্ক কতটা শীতল হবে কিংবা আদৌ হবে কি না তা সময় বলে দেবে। অন্তত অল্প সময়ের জন্য হলেও ভক্তদের এই ছবি দুটো কিঞ্চিৎ আনন্দ দেবে বলার অপেক্ষা রাখে না। যদিও জানা যায়নি শাকিব অপুর মধ্যে কী কথা হয়েছে কিংবা হয়েছে কি না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আর্মি স্টেডিয়ামে ২৩ মরদেহ; স্বজনদের কান্না

নেপালে ইউএস-বাংলার বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত ২৩ জনের লাশ ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। নেপালের স্থানীয় সময় সোমবার বেলা ২টার সময় বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি কার্গো বিমান ঢাকার উদ্দেশে ২৩ জনের মরদেহের কফিন নিয়ে ত্রিভুবন বিমানবন্দর ত্যাগ করেছে। হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর সরাসরি লাশের কফিনগুলো আর্মি স্টেডিয়ামে নেওয়া হবে। বিকাল (সোমাবার) চারটায় সেখানে নিহতদের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজায় অংশগ্রহণ নেওয়া এবং মরদেহ গ্রহণের জন্য ইতোমধ্যেই আমি স্টেডিয়ামে আসা শুরু করেছেন নিহত ২৩ জনের স্বজনেরা।

ইউএস-বাংলার কোপাইলট পৃথুলা রশীদের বাবা কাজল, মা  মাহফুজা, খালা ফিরোজা এবং মামা সাইফুর রহমান  এসেছেন। পৃথুলার মামা সাইফুর রহমান  জানান,  তার ভাগ্নির লাশ শ্যামলীতে আশা টাওয়ারে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে বাদ মাগরিব জানাজা শেষে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

নিহত যাত্রী নজরুল ইসলাম এবং আক্তারা বেগমের স্বজনরাও এসেছেন। তারা জানান, আক্তারা বেগমের লাশ এখান থেকেই রাজশাহীতে নিয়ে যাবেন।

আর্মি স্টেডিয়ামে এসেছেন নিহত এস এম মাহমুদুর রহমানের স্ত্রী সানজিদা আফরিন এবং তার শাশুড়ি। তারা জানিয়েছেন, মাহমুদুর রহমানের লাশ ফরিদপুর নিয়ে যাওয়া হবে।

স্টেডিয়ামে আরও এসেছেন ইউএস-বাংলার ২২১ ফ্লাইটের কেবিন ক্রু খাজা হোসেন মোহাম্মদ শাফির তিন খালা শাশুড়ি। নিহত শাফির  স্ত্রী সাদিয়া রহমান নেপাল গিয়েছিলেন লাশ শনাক্ত করতে। স্বজনরা জানান, রাজধানীর বেগমবাজারের পারিবারিক কবরস্থানে শাফির মরদেহ দাফন করা হতে পারে।

নিহত যাত্রী মতিউর রহমানের বড় ভাই মোকছুদুর রহমান লাশ নিতে এসেছেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি ফেনীতে নিয়ে যাওয়া হবে লাশ। এটুকু বলার পর তিনি আর কোনও কথা বলতে পারছিলেন না।

প্রিয়কের লাশ নিতে এসেছেন তার মামা তোফাজ্জল হোসেন। আর তামারার লাশ গ্রহণ করবেন প্রিয়কের দুলাভাই আকরাম হোসেন কাজল। তাদের দাফন করা হবে গাজীপুরের শ্রীপুর ‍উপজেলার নগরহাওলার জৈনাবাজার গ্রামে। প্রিয়কের স্ত্রী অ্যানিকে আজই জানানো হবে যে, তার স্বামী ও মেয়ে বেঁচে নেই, বললেন স্বজনরা।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে আহত মেহেদিও এসেছেন আর্মি স্টেডিয়ামে। তার স্ত্রী স্বর্ণা ও নিহত প্রিয়কের স্ত্রী অ্যানিকে তিনি বাঁচাতে সক্ষম হয়েছিলেন। কিন্তু বাঁচাতে পারেননি প্রিয়ক ও তার মেয়ে তামারাকে।
মেহেদি বলেন, ‘আমি এখন ঢাকা মেডিক্যালে আছি। ২ ঘণ্টার জন্য এসেছি জানাজায় অংশ নিতে। আর কথা বলতে পারছি না।’

উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলার একটি বিমান বিধ্বস্ত হলে ২৬ বাংলাদেশিসহ ৪৯ জন নিহত হন। বাংলাদেশিদের মধ্যে ২৩ জনের মরদেহ শনাক্ত করে তা আজ দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। বাকি ৩ জনের মরদেহ শনাক্ত করতে ডিএনএ টেস্টের প্রয়োজন হবে। এক্ষেত্রে ১০ থেকে ২১ দিন পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাশফি বিনতে শামস। রবিবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যায় কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশ দূতাবাসে এক সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বিমান বিধ্বস্তে নিহত ২৬ বাংলাদেশির মধ্যে আলিফউজ্জামান, পিয়াস রায় ও মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের লাশ এখনও শনাক্ত হয়নি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটার ইউএনও বন্ধ করলেন ৮ম শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ে

কে.এম রেজাউল করিম : দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদের হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো ৮ম শ্রেণিতে পড়–য়া শিক্ষার্থীর বিয়ে। রক্ষা পেলো তার ভবিষ্যৎ জীবন। জানা গেছে, উপজেলা সদরের দেবহাটা গ্রামের সোলেমান হোসেনের মেয়ে দেবহাটা বিবিএমপি ইনষ্টিটিউশান পাইলট হাইস্কুলের ৮ম শ্রেণিতে পড়–য়া শিক্ষার্থী শারমিন আক্তারের সাথে তার অভিভাবকেরা পাশর্^বর্তী কোড়া গ্রামের জনৈক এক ছেলের সাথে বিবাহ দেয়ার চেষ্টা করে। রবিবার গভীর রাতে এই বিবাহ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এই বাল্য বিয়ের কথা জানতে পারেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ। তিনি রাত ১০ টার দিকে তাৎক্ষনিক দেবহাটা থানার এসআই আব্দুল কাদের সহ পুলিশ ফোর্স নিয়ে হাজির হন মেয়ের বাড়িতে। সেখানে বিয়ের প্রস্তুতি দেখে তিনি ঐ শিক্ষার্থী (পাত্রী) ও তার অভিভাবকদের সাথে কথা বলেন। এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার আগমনের খবর পৌছে যায় পাত্রের বাড়িতে। তারা বিয়ের কথা ভুলে গিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। আর মেয়ে ও মেয়ের অভিভাবকদের সাথে কথা বলে তাদেরকে বাল্য কুফল সম্পর্কে জানান। এসময় তারা তাদের ভুল বুঝতে পেরে বিয়ে বন্ধ করে দেন। আর ভবিষ্যৎ খারাপের কথা জেনে ঐ মেয়েটি বাল্য বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়। এতে তার ভবিষ্যৎ জীবন রক্ষা পেলো। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ জানান, বাল্য বিয়ে হচ্ছে অভিশাপ। আমাদের সমাজ থেকে এই অভিশাপ দুর করতে আরো সচেতন হওয়ার জন্য তিনি সকলকে অনুরোধ জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুন্দরবনে অভয়ারন্য এলাকা থেকে ১৬ জেলে আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক :
পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে অভয়ারন্য এলাকায় মাছ ধরার সময় ১৬ জেলেকে আটক করা হয়েছে। সোমবার গভীর রাতে সাতক্ষীরা সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) রফিক আহম্মেদ এর নেতৃত্বে বন অফিসের সদস্যরা সুন্দরবনের পুষ্পকাটি ও লতা বেকী অভয়ারন্য এলাকায় অভিযান চালিয়ে আনুসাংগিক জিনিষপত্র সহ জেলেদের আটক করে। আটককৃত জেলেরা হলেন- কয়রা উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের মৃত ওসমান সানার ছেলে আবুল হোসেন সানা (৬৫), রকিব মোল্যার ছেলে ওমর আলী মোল্যা (৪৭), রফিকুল সানার ছেলে সেলিম হোসেন (২৬), মৃত ইয়ারব গাজীর ছেলে বায়েজিদ গাজী (৪৭), আয়জদ্দীন সানার ছেলে গফুর সানা (৬৪), হাকিম সানার ছেলে মফিজুল সানা (৫০), ইছাক খানের ছেলে আমান খান (২২), মুজিবর সানার ছেলে লিটন সানা (২৬), পরিমল কুমারের ছেলে দেবব্রত কুমার (৫০), বাবর আলী সানার ছেলে আকবর সানা (৪৭), বারিক মোল্যার ছেলে জুব্বার মোল্যা (৬১) এবং বাগেরহাট জেলার রাম পাল থানার শ্রীফলতলা গ্রামের মৃত হাবিব শিকদারের ছেলে ফারুক শিকদার (৪২), অলিল শিকদারের ছেলে ওমর আলী শিকদার (৩৬), মৃত ইসমাইল শেখের ছেলে বাবুল শেখ (৩২), শহীদ শেখের ছেলে রবিউল শেখ (২৭) ও দুলাল গাজীর ছেলে আরিফ গাজী (২২)।
সাতক্ষীরা সহকারী বন সংরক্ষক রফিক আহম্মেদ জানান, সুন্দরবন নিরাপত্তা টহল দেওয়ার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুন্দরবনে অভয়ারন্য এলাকায় প্রবেশ করে মাছ ধরার সময় জেলেদের আটক করা হয়। এসময়ে তাদের ব্যবহৃত ৮টি নৌকা, ২টি ট্রলার, জাল ও দা, কুড়াল সহ আহরণকৃত মাছ জব্দ করা হয়। বন আইনে মামলা দিয়ে জেলেদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest