সর্বশেষ সংবাদ-
কলারোয়ায় আমেরিকা প্রবাসী দম্পতির সহযোগিতা বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পইরানের ভয়ে মার্কিন ঘাঁটি ইসরাইলে সরিয়ে নিতে বললেন সাবেক সেন্টকম প্রধানসাতক্ষীরায় যানজট নিরসনকল্পে সভা : একগুচ্ছ পদক্ষেপে যানজট নিয়ন্ত্রণে আনার আশাবাদশ্যামনগরে বিজিবি সদস্যের বাড়িতে চুরি: র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার আসামির জন্য রাজনৈতিক তদবির!এনসিপির সমাবেশে হামলা নিয়ে নাহিদের বক্তব্য রাজনৈতিক: ডা. জাহেদতালায় নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশগাবুরায় ভেড়িবাঁধের ওপর অবৈধ ভাবে বসানো নাইনটি পাইপ অপসারণমজনু সরদারের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার ও শ্রমিক ইউনিয়নে অবৈধ হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে বিক্ষোভসাতক্ষীরায় ৫৪২ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬দেবহাটার পারুলিয়ায় মৎস্য ঘেরে ডাকাতিতে বাধা : মৎস্য চাষীকে কুপিয়ে জখম

খুলনায় বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু

খুলনা ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে মেয়র পদপ্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। খুলনা সিটি করপোরেশনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। গাজীপুর সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে মনোনয়ন পেয়েছেন দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান উদ্দিন সরকার। তাঁরা দুজনই এক সময় সংসদ সদস্য ছিলেন।

সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দুই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এর আগে রোববার বিকেল ৫টা ২৫ মিনিট থেকে গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা। সাক্ষাৎকার চলে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত। ৪০ মিনিট বিরতি দিয়ে পরে সন্ধ্যা ৭ টা ১০ মিনিট থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত চলে গাজীপুর সিটির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার।

সাক্ষাৎকার শেষে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছিলেন, আমি এবারের নির্বাচনে মনোনয়ন তুলতে চাইনি। কিন্তু সমর্থকরা তুলেছেন। কারণ আমি সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনে আগ্রহী। তাই মেয়র পদে নির্বাচন করতে চাই না। এ কারণে আমি মনোনয়ন বোর্ডে বর্তমান মেয়র মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনিকে সমর্থন দিয়ে এসেছি।

জানতে চাইলে খুলনা সিটি করপোরেশনের বর্তমান মেয়র মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি বলেন, আমাদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ শেষ হয়েছে। তবে কাউকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে বলা হয়নি। সাক্ষাৎকার শেষে পরে সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলা হয়েছে দলের পক্ষ থেকে। তারপরও আমাদের মনোনয়ন বোর্ড যাকেই মনোনয়ন দেবে আমরা অতীতের মতো তাঁকে নিয়েই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব। অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমরা আবার এই সিটিতে বিজয়ী হবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘প্লিজ ডোন্ট ডিকটেক্ট মি’

প্রেস ব্রিফিংয়ের একাধিক বিষয়ে বারবার মনে করিয়ে দেওয়ায়  কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতি ও পালি বিভাগের ছাত্রী কানিজ ফাতিমার প্রতি কিছুটা উষ্মা প্রকাশ করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। কানিজ ফাতেমার উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘প্লিজ ডোন্ট ডিকটেক্ট মি’। সোমবার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ২০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এই কথা বলেন।

এর আগে সোমবার বিকাল সাড়ে চারটার পর সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতির সংস্কার নিয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেন ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে সরকারের প্রতিনিধিরা। সরকারের  প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন, এনামুল হক শামীম, আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজল হোসেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, উপ-দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এসএম কামাল হোসেন।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিশ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন। এই প্রতিনিধি দলের সঙ্গে যোগ দিয়ে কানিজ ফাতিমাও এসেছিলেন ওই বৈঠকে। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানিয়ে শুরুতেই বক্তব্য দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সংগঠন—‘বাংলাদেশ সাধারন ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’-এর আহ্বায়ক হাসান আল মামুন। তার বক্তব্যের সময় সেতুমন্ত্রী ও আহ্বায়কের পেছনে দাঁড়িয়ে ছিলেন কানিজ ফাতিমা। মন্ত্রী যখন সমাপনী বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তখন কিছু কিছু শব্দ যুক্ত করার জন্য পেছন থেকে মন্ত্রীর উদ্দেশে কথা বলে যাচ্ছিলেন তিনি।

মন্ত্রীর বক্তব্য চলার সময় কানিজ ফাতিমা বলেন, ‘আন্দোলন প্রত্যাহার নয়, স্থগিত বলুন।’ এ সময় মন্ত্রী বলেন, ‘আমি স্বীকার করছি, প্রত্যাহার নয়, স্থগিত। স্থগিতই তো বলেছি।’ কানিজ ফাতেমা আবারও মন্ত্রীকে মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘শুধু আহত নয়, পুলিশের হামলায় আহত’, আরেকবার বলেন, ‘আন্দোলন ৯ মে পর্যন্ত নয়, ৭ মে পর্যন্ত স্থগিত’  ইত্যাদি।

প্রথমে কানিজ ফাতিমার এই সংশোধনীমূলক বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নিলেও কিছুক্ষণ পর কিছুটা ক্ষুব্ধ হন সেতুমন্ত্রী। এ সময় তিনি কানিজ ফাতেমার উদ্দেশে বলেন, ‘প্লিজ ডোন্ট ডিকটেক্ট মি। তোমরা সবাই যখন বক্তব্য দিয়েছ, আমরা মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনেছি। বিশেষ করে, তুমি অনেক বেশি সময় নিয়ে বক্তব্য দিয়েছো। আমরা তো কেউ কিছু বলিনি। শুধু শুনেছি। এ ছাড়া তোমার কনভেনর তো বলেছে, যা বলার। তারপর তুমি কেন বলছো? সভার তো একটা শৃঙ্খলা আছে। তোমরা যখন কথা বলেছো, আমার এতজন কলিগ, এখানে এমপি আছেন, দলের সিনিয়র নেতারা আছেন, একজন মানুষও তো কথা বলেননি। তোমাকে সুযোগ দিয়েছি সবার চেয়ে বেশি। তুমি সুযোগ পেয়েছো বেশি। এখন আমাদের পালা। আমাদের কেউ তো বলছে না। আমি একা বলছি। সো, তুমি আমাকে ডিকটেক্ট করো না।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে স্কুল বাস খাদে, ২৭ শিশুর মৃত্যু

ভারতের হিমাচল প্রদেশের কাংরা উপত্যকায় একটি স্কুলবাস ২০০ ফুট গভীর খাদে পড়ে কমপক্ষে ২৭ শিশু মারা গেছে। নিহতদের বেশিরভাগেরই বয়স ১০ বছরের কম। দুর্ঘটনায় স্কুলের দুজন শিক্ষক ও বাস চালকেরও মৃত্যু হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হিমাচল প্রদেশের রাজধানী সিমলা থেকে ৩২৫ কিলোমিটার দূরে সরু পাহাড়ি রাস্তায় খুব জোরে বাসটি চালাচ্ছিলেন চালক। এক জায়গায় গাড়িটি মোড় নিতে চাইলে চাকা ফঁসকে বাসটি ২০০ ফুট গভীর খাদে পড়ে যায়। বাসটি একটি বেসরকারি স্কুলের। যার নাম ‘ওয়াজির রাম সিংহ পাঠানিয়া মেমোরিয়াল পাবলিক স্কুল’।দুর্ঘটনার পর সেখানে ছুটে যান জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। তাঁরা বাসে আটকে পড়া কয়েক শিশুকে উদ্ধার করেন। আহত শিশুদের ৯০ কিলোমিটার দূরে পঠানকোট হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইট করে এই ঘটনায় গভীর দুঃখপ্রকাশ করেছেন। হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর বলেছেন, ‘এই ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’ মৃত ও জখম শিশুদের প্রত্যেককে ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে হিমাচল রাজ্য সরকার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩ মাস আগেই ইমরান এইচ সরকারের বিবাহ বিচ্ছেদ !

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের কন্যা নাদিয়া নন্দিতা ইসলামের সঙ্গে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে।

সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে মন্ত্রীদের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক আলোচনাকালে শিক্ষামন্ত্রী নিজেই এমন তথ্য জানান।

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবির পেছনে ইমরান এইচ সরকারের ইন্ধন আছে বলে মন্ত্রিসভায় আলোচনা হয়। তখন ইমরান এইচ সরকার শিক্ষামন্ত্রীর মেয়ের জামাই বলে বিষয়টি নিয়ে কথা ওঠে।

এসময় শিক্ষামন্ত্রী অন্যান্য মন্ত্রীদের উদ্দেশে বলেন, ইমরান এইচ সরকারের সঙ্গে আমার পরিবারের বর্তমানে কোনো সম্পর্ক নাই। আমার মেয়ের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল। গত তিনমাস আগে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে।-খবর বাংলা নিউজের

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘জাতীয় চার নেতা বহুমাত্রিক মূল্যায়ন’ গ্রন্থ ডা. রুহুল হক এমপিকে উপহার দিলেন জবি শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিনিধি : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক জি এম তারিকুল ইসলাম সম্পাদিত গ্রন্থ ‘জাতীয় চার নেতা বহুমাত্রিক মূল্যায়ন’ গ্রন্থটি সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডা: আ ফ ম রুহুল হক এমপি’র হাতে আজ সোমবার সন্ধ্যায় সংসদ সচিবালয় অফিসে গ্রন্থটি তুলে দেন সম্পাদক জি এম তারিকুল ইসলাম।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুজিবর রহমান, সাংসদ প্রতিনিধি শম্ভুজিত মন্ডল, আশাশুনি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জি এম মনজুরুল ইসলাম, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক রনজিত হালদার, ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদ পারভেজ, সাংবাদিক তোষিকে কাইফু, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ মাহাদী সেকেন্দার, ক্রিকেটার গিয়াসউদ্দীন টুটুলসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীবৃন্দ।

এসময় ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি বলেন, জাতীয় চার নেতার উপর এমন একটি গ্রন্থ বর্তমান সময়ে গুরুত্ববহন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
গ্রন্থটির সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক জি এম তারিকুল ইসলাম বলেন, জাতির সামনে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে জাতীয় চার নেতার গুরুত্ব তুলে ধরতে আমার এই ক্ষুদ্রপ্রয়াস।

উল্লেখ্য গত বছর বই মেলাতে তাঁর সম্পাদিত “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বহুমাত্রিক মূল্যায়ন” গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।

তিনি সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের জামালনগর গ্রামের সন্তান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে পল্লী চিকিৎসকের স্ত্রী আর নেই

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি বাজারের বিশিষ্ট পল্লী চিকিৎসক ও কুল্যা ইউনিয়নের কচুয়া (হামকুড়া) গ্রামের মৃতঃ ডাঃ জাফর আলী সরদারের পুত্র ডাঃ আনিছুর রহমানের স্ত্রী মাহমুদা বেগম সোমবার রাত ৩.৪০ টায় নিজস্ব বাসবভনে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি…..রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তিনি দীর্ঘদিন যাবত দূরারোগ্য ব্যাধী ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি স্বামী, এক পুত্র ও তিন কন্যাসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। সোমবার দুপুর ২ টায় কচুয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নামাজে জানাজা শেষে মরহুমাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। নামাজে জানাজায় ইমামতি করেন আহলে হাদীস আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা সাংগঠনিক জেলা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব মাওঃ জাহাঙ্গীর আলম। এসময় কুল্যা ইউপি চেয়ারম্যান এস এম রফিকুল ইসলাম, কাদাকাটি ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান মফিজুল হক মোড়ল, কুল্যা ইউনিয়ন আ’লীগ সম্পাদক আবু সাঈদ ঢালী, সাবেক মেম্বর আঃ হান্নান সরদার, আশাশুনি সরকারী কলেজের অধ্যাপক আলহাজ্ব মাওঃ হাবিবুল্লাহ বাহার, কাদাকাটি আইডিয়াল বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইকলাছুর রহমান, কাদাকাটি আরার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ফজলুল হক, কচুয়া আহলে হাদীস জামে মসজিদের খতিব মাওঃ আহসানউল্লাহ, মেম্বার রফিকুল ইসলাম পান্না, তরুনলীগ নেতা ওমর ছাকী পলাশ সহ শিক্ষকবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ও মুসল্লীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্লাড ক্যান্সার আক্রান্ত শিশু শাকিলকে বাঁচাতে অসহায় পিতা-মাতার আকুতি

তালা প্রতিনিধি : পৃথিবী সম্পর্কে বোঝার আগেই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করার পথে তালার হরিশ্চন্দ্রকাঠি গ্রামের ছোট্ট শিশু শাকিল মোল্যা (৬)। হতদরিদ্র ও ভূমিহীন পরিবারের সন্তান শাকিল মোল্যা দূরারোগ্য ব্যাধি ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে দিন দিন মৃত্যুর পথে এগিয়ে যাচ্ছে! কিন্তু অসহায় পিতা-মাতা একমাত্র পুত্র সন্তানের মৃত্যু যাত্রা চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করতে পারছেনা!
শিশু শাকিল মোল্যার হতভাগ্য পিতা দিনমজুর কৃষক সাহিদ মোল্যা জানান, তার একমাত্র পুত্র সন্তান শাকিল মোল্যা বিগত ২মাস আগ থেকে অধিক অসুস্থ্য হতে থাকে। সেসময় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সহ একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা করানোকালে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করলে ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে। এঘটনার পর শাকিলকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও মহাখালী ক্যান্সার হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা করানো হয়। কিন্তু ব্যায় বহুল এই চিকিৎসা করাতে যেয়ে ইতোমধ্যে শাকিল’র পিতা সাহিদ মোল্যাকে ব্যপক ঋনগ্রস্থ হওয়া সহ ভিটে-বাড়ির সামান্য জমি টুকুও বিক্রি করতে হয়েছে। বর্তমানে শাকিল’র পিতা-মাতা সহ বোনেরা গ্রামের মধ্যে অন্যের বাড়িতে কুড়েঘর বেঁধে সেখানে বসবাস করে মানবেতর জীবন যাপন করছে।
শাকিল এর পিতা জানান, শাকিল বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছে। তার পরিপূর্ন সুস্থ্য হতে এখনও প্রায় ৬ লক্ষ টাকা দরকার বলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। কিন্তু দরিদ্র পিতা-মাতার পক্ষে এতো টাকা যোগাড় করা সম্ভব না হওয়ার ফলে বিনা চিকিৎসায় দিন দিন মৃত্যুর দিকে ঝুকে যাচ্ছে ফুটফুটে সন্তানটি! কিন্তু কলিজার টুকরো শাকিল মোল্যার মৃত্যু দেখতে চাইনা হতভাগ্য পিতা, মাতা সহ পরম ভালবাসার ৩টি বোন। এজন্য তারা সমাজের হৃদয়বান ও দানশীল ব্যক্তিদের নিকট সাহায্য এবং সহযোগীতা কামনা করেছেন। সকলের সাহায্য ও সহযোগীতা পেলে নিষ্পাপ শিশু শাকিল মোল্যা সুস্থ্য হয়ে পিতা-মাতার কোলে ফিরে আসবে বলে সকলের বিশ্বাস। শাকিল মোল্যাকে সাহায্য করতে তার পিতা সাহিদ মোল্যার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নং : ০১৯৮৮ ৭৭৭৫৭১ (মোবাইল ব্যাংক বিকাশ একাউন্ট সহ) এ’ যোগাযোগ করার জন্য সকলের নিকট করজোড়ে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনি ইউ.এন’র দরগাহপুরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন

দরগাহপুর প্রতিনিধি : আশাশুনি উপজেলার নির্বাহী অফিসার মাফ্ফারা তাসনীন সোমবার দুপুরে দরগাহপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়, ডিজিটাল সেন্টার, ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও কালাবাগী বাজার পরিদর্শন করেন। তিনি উল্লেখিত অফিসের কাগজ পত্র পরিক্ষা নিরিক্ষা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ মিরাজ আলী, সি.এ আঃ রহিম, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, শ্যামল কুমার অধীকারী, ইউ.পি সচিব আঃ জলিল, ইউনিয়ন ভূমি উপ সহকারী কর্মকর্তা সিদ্দিক উল্লাহ, দরগাহপুর প্রেসক্লাব’র সভাপতি শেখ হিজবুল্লাহ, ইউ.পি সদস্য মনিরুল ইসলাম ও জাহাঙ্গীর আলম মিতু, ডিজিটাল সেন্টার’র উগ্যোক্তা আমিনুর রহমান, মীর ইকবাল হোসেন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest