সর্বশেষ সংবাদ-
জেলা রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশনিং ওনার এসোসিয়েশনের সিনিয়র ডাইরেক্টর ডলপিন আর নেইআশাশুনিতে এক ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে হয়রানির অভিযোগশ্যামনগরে মৎস্যঘের পানি উত্তোলনের সময় বিদ্যুস্পৃস্টে এক ব্যক্তির মৃত্যুA Cozy Night In: A Guided Tour of Online Casino Entertainment and Helpful Supportপাটকেলঘাটায় মব সন্ত্রাস করে পুলিশে সোপর্দ করা দু’সাংবাদিকের বিরদ্ধে পাঁচদিনের রিমান্ডের আবেদনঝাউডাঙ্গায় পেরীফেরীভুক্ত জমিতে অবৈধভাবে ভবন নির্মানের অভিযোগশহরের গড়েরকান্দায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পসাতক্ষীরায় ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর খবরে বড় ভাইয়ের মৃ*ত্যুসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের বিপি দিবস পালনজাতীয় সুন্দরবন দিবস ঘোষনা ও পালনের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি

এগুলো স্মৃতিশক্তির খাবার

আঙুরের রস

এর ‘কেভারেটল’ উপাদান স্মৃতিশক্তি উর্বর রাখতে দারুণ সহায়তা করে। তাই একটু বেশি মাত্রায় এই ফলের রস খাওয়া শুরু করলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা অনেক কমে যায়। সেই সঙ্গে মস্তিষ্কের অন্য অনেক ধরনের রোগ হওয়া থেকেও পরিত্রাণ মেলে।

জাম
নিয়মিত মাত্র এক কাপ করে জাম খেলেই চলবে। এতে শরীরের ভেতর বেশ কিছু পুষ্টি উপাদানের মাত্রা বাড়তে শুরু করবে, যা নার্ভ সেলের ক্ষত সারানোর মধ্য দিয়ে সার্বিকভাবে মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

দারচিনি ও মধু
এক চামচ মধুর সঙ্গে এক চিমটি দারচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খাওয়া শুরু করুন। এতে মস্তিষ্কের ক্ষমতা তো বাড়বেই, অনিদ্রাও দূর হবে।

বাদাম
বাদামে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড। এ দুটি উপাদান স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি সার্বিকভাবে মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

হলুদ
গবেষণায় দেখা গেছে, হলুদে আছে কারকিউমিন নামক উপাদান, যা স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি অনেক রোগবালাই দূরে রাখে।

আমলকী
২০০৭ সালে ‘জার্নাল অব ফিজিওলজি অ্যান্ড বিহেভিয়ার’-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আমলকীর ভিটামিন ‘সি’ আলঝেইমারস রোগ দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিকালে শ্রীদেবীর শেষকৃত্য

চাঁদনি’-কে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ইতিমধ্যেই অনুরাগীরা ভিড় জমাচ্ছেন লোখান্ডওালার সেলিব্রেশন স্পোটর্স কমপ্লেক্সে। বুধবার বিকালে এখানেই হবে শ্রীদেবীর শেষকৃত্য।

মঙ্গলবার রাতে মৃত্যুর বাহাত্তর ঘণ্টা পরে মুম্বাইয়ে ফিরেছে শ্রীদেবীর লাশ। বিমানবন্দর থেকে লাশ নিয়ে ‌যাওয়া হয় লেখান্ডওয়ালায় তাঁর বাংলোয়। সেখানেও বলিউডের বহু তারকার ভিড়। কাপুর পরিবারের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, বুধবার সকাল সাড়ে নটা থেকে সাড়ে বারোটা অভিনেত্রীর মরদেহ রাখা হবে সেলিব্রেশন স্পোর্টস কমপ্লেক্সে।

সেখানেই তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন ভক্তরা। তবে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে ক্যামেরা নিয়ে ঢোকা ‌যাবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। সকাল নটা নাগাদ শ্রীদেবীর বাংলো থেকে মরদেহ নিয়ে ‌যাওয়া হয় সেলিব্রেশন ক্লাবে। মরদেহের সঙ্গে ছিলে বনি কাপুরের ভাই সঞ্জয় কাপুর।

মহারাষ্ট্র ছাড়াও অন্ধ্র ও তামিলনাড়ু থেকে অনুরাগীরা শ্রদ্ধা জানাতে আসতে পারেন। একথা মাথায় রেখে সেলিব্রেশন ক্লাবে এলাহি পুলিসি ব্যবস্থা করা হয়েছে। বনি কাপুরের পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, বিকাল সাড়ে তিনটে নাগাদ শ্রীদেবীর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে ভিলে পার্লের সেবা সমাজ ক্রিমেটোরিয়ামে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে ৫ শতাধিক গরু-ছাগলকে অনুমতি ছাড়া এনজিওর ইনজেকশন; ক্ষতির মুখে অসংখ্য মালিক

মোস্তাফিজুর রহমান: আশাশুনিতে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়ই একটি এনজিও ৫ শতাধিক গরু-ছাগলের ভিটামিন ইনজে´ান প্রয়োগ করায় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে প্রায় ২শতাধিক মালিক। কালিগঞ্জ উপজেলার বে-সরকারি এনজিও প্রতিষ্ঠান নব যাত্রা কতৃক এ বিড়াম্বনার স্বীকার উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের নৈকাটি গ্রামের প্রায় ২শাধীক পরিবার। সরেজমিন ঘুরে ক্ষতিগ্রস্ত ও বিড়ম্বনার স্বীকার একাধিক মালিকের সাথে কথাবলে জানাগেছে, গত ২১ ফেব্রুয়ারি বুধবার কালিগঞ্জ উপজেলার এনজিও নব যাত্রা’র ২ জন কর্মী নৈকাটি গ্রামে প্রবেশ করে মসজিদের মাইকে ঘোষনা দিতে বলেন, আশাশুনি উপজেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের অনুমতি স্বাপেক্ষে আগামিকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার দিন ব্যাপী এলাকার সকল ছাগল ও গরুর ডি-ক্যাম ও বি-কমপ্লেক্স ইনজেক্সান দেওয়া হবে। ঘোষনা মোতাবেক পরের দিন ২২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার কালিগঞ্জ উপজেলার এনজিও নব যাত্রা’র স্বাস্থ্য কর্মী পরিচয়ে হাসানুজ্জামান ও সাগর নামে ২জন ব্যক্তি ১০ ও ২০ টাকার বিনিময়ে প্রায় ৪শতাধিক ছাগল ও শতাধিক গরুর শরীরে ইনজেক্সান প্রয়েগ করেন। ইনজেক্সান প্রয়েগের ১দিন পর থেকে বহু ছাগল এবং গরু ফুঁলে অসুস্থ্য হয়ে পড়তে শুরু করে। ৩দিনের মধ্যে ৪টি ছাগল মারা যায়। ২৬ ফব্রুয়ারি সোমবার এনজিও কর্মী হাসানুজ্জামানের দিয়ে যাওয়া মোবাইল নাম্বার ০১৯৮১-২৮০৯৭৬ এ বহুবার ফোন দিলে, আসছি আসছি বলে অবশেষে ফোনের সুইস অপ করে রাখেন। অবস্থা বেগতিক দেখে ভুক্তভোগিরা উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মিজানুর রহমানের সাথে বিস্তারিত খুলে বলেন। বিষয়টি নিয়ে কথা বললে এনজিও নব যাত্রা’র স্বাস্থ্য কর্মী হাসানুজ্জামান বলেন, নব যাত্রা’র কালিগঞ্জ অফিসের ম্যানেজার কামাল উদ্দীন আমাদেরকে সেখানে ছাগল ও গরুর ডি-ক্যাম ও বি-কমপ্লেক্স ইনজেক্সান দেওয়ার জন্য পাঠিয়েছিলেন। আমরা বসের নির্দেশ অনুসারে দায়িত্ব পালন করেছি। নব যাত্রা’র কালিগঞ্জ অফিসের ম্যানেজার কামাল উদ্দীনের সাথে মুঠো ফোনে (০১৯০৬-১৮৯৭৬৫ নাম্বার এ) কথা বললে তিনি প্রথমে বলেন ভালো কাজ করতে অনুমতি লাগে নাকি? ৪টি ছাগল মরে যওয়ার কথা বললে তিনি বলেন, ওই ২জন আমাদের এনজিও’র কেহ না। আশাশুনি উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মিজানুর রহমানের সাথে কথা বললে তিনি প্রতিবেদককে জানান, ঘটনা জানার পরপরই আমি সেখানে গিয়ে আক্রান্ত ছাগল গরুগুলোর চিকিৎসা দিচ্ছি। অধিকাংশ ছাগল ও গরুর শরীরে প্রচুর তাপের পাশাপাশি ফুঁলতেও দেখাগেছে। ইতমধ্যেই কয়েকটি ছাগল মারা গেছে আরও কিছু ছাগল গরুর অবস্থা আশঙ্খা জনক। আমাদের দপ্তর থেকে নব যাত্রা কোন অনুমতি নেননি। আমি ক্ষতিগ্রস্থদেরকে আশাশুনি থানায় মামলা করার কথা বলেছি। আশাশুনি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিদুর ইসলাম শাহীন জানান, আমি এবিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে আশাশুনি থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আবারও হারল রিয়াল

আবারও হারল রিয়াল

কর্তৃক Daily Satkhira

মৌসুমের শুরু থেকে বারবার তাল হারানো রিয়াল মাদ্রিদ শেষ দিকে এসে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিল। তবে ছন্দ ধরে রাখতে পারল না দলটি। স্প্যানিশ লা লিগায় টেবিলের তলানির দল এস্প্যানিওলের কাছে ১-০ গোলে হেরে গেছে লস ব্লাঙ্কোজরা।

মঙ্গলবার ঘরের মাঠে রিয়ালকে আতিথ্য দেয় এস্প্যানিওল। চোটের কারণে এ ম্যাচে ছিলেন না মাঝমাঠের কর্ণধার লুকা মদ্রিচ ও টনি ক্রুস। একই কারণে দলের বাইরে ছিলেন রক্ষণভাগের অতন্দ্র প্রহরী মার্সেলো। বিশ্রামে রাখা হয় ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে। বসে থেকে শুরুতে বেঞ্চ গরম করেন আক্রমণভাগের অন্যতম সদস্য করিম বেনজেমা।

তারকাবিহীন রিয়াল প্রথমার্ধে এলোমেলো ফুটবল খেলে। এ অর্ধে দলটির পারফরম্যান্স ছিল একেবারে হতাশাজনক। বিরতির পরও তাদের চিত্র পাল্টেনি। বরং আরও দৃষ্টিকটু ফুটবল উপহার দেয় তারা।

এ ম্যাচে রিয়াল একাদশে একমাত্র তারকা ফুটবলার ছিলেন গ্যারেথ বেল। তবে ফের নিজেকে মেলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। বাজে খেলার খেসারত হিসেবে প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়কে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন ওয়েলস ফরোয়ার্ড।

আক্রমণের ধার বাড়াতে ৬৯ মিনিটে ইসকোকে বসিয়ে করিম বেনজেমাকে নামান জিনেদিন জিদান। তিন দিন আগে দেপোর্তিভো আলাভেসের বিপক্ষে দুর্দান্ত খেলা ফরাসি ফরোয়ার্ডও কোচের আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি। বাকি সময়েও কোনো সুযোগই তৈরি করতে পারেনি তারা।

উল্টো একের পর এক আক্রমণে রিয়ালের রক্ষণে ত্রাস ছড়ায় এস্প্যানিওল। তবে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য মিলছিল না। অবশেষে যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে গোল পায় স্বাগতিকরা। এতে রিয়াল সমর্থকদের স্তব্ধ করে ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ছোট দলটি। জয়সূচক গোলটি করেন মোরেনো।

এ নিয়ে ২০০৭ সালের পর রিয়ালের বিপক্ষে জয় পেল এস্প্যানিওল। আর লিগে টানা চার জয়ের পর ফের হারের তেতো স্বাদ পেলেন জিনেদিন জিদানের শিষ্যরা।

আগামী ৬ মার্চ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দ্বিতীয় রাউন্ডের ফিরতি লেগে পিএসজির মাঠে খেলতে যাবে রিয়াল। গুরুত্বপূর্ণ এ ম্যাচের আগে এস্প্যানিওলের বিপক্ষে এমন হতশ্রী পারফরম্যান্স নিশ্চিতভাবেই রিয়াল কর্তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলবে।

লা লিগায় এ নিয়ে পঞ্চম হারের স্বাদ পেল রিয়াল। সব মিলিয়ে ২৬ ম্যাচ খেলে ৫১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তৃতীয় স্থানে আছে দলটি। এখন পর্যন্ত অপরাজেয় যাত্রা অব্যাহত আছে বার্সেলোনার। ২৫ ম্যাচে ৬৫ পয়েন্ট নিয়ে লিগ লিডার কাতালানরা। ৭ পয়েন্ট কম নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হোটেলে ডেকে নিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ করল ভাই, ভিডিও করল বোন!

হোটেলে ডেকে নিয়ে ১৬ বছরের এক তরুণীকে ধর্ষণ করল এক যুবক। বিস্ময়ের বিষয় হলো সেই ঘটনার দৃশ্য ভিডিও করেছে ধর্ষকেরই এক বোন।

শুধু তাই নয়, হোটেলে ডেকে আনার ক্ষেত্রেও যথেষ্ট ভূমিকা ছিল তার। সম্প্রতি এ ঘটনাটি ঘটেছে ভারতে উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের মুজফফরনগরে।

নির্যাতিতার দাবি, তাকে একটি বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিল ধর্ষণকারীর সেই বোন। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয়। এমনকি ঘটনাটি কাউকে জানালে পরিণতি খারাপ হবে বলেও যুবকটি তাকে হুঁশিয়ারি দেয় বলে পুলিশকে জানিয়েছে ওই তরুণী।

এবিপি আনন্দের খবর, মেহতাব নামের এক যুবক বিয়ের জন্য বেশ কিছুদিন ধরেই মেয়েটিকে চাপ দিচ্ছিল। গত ৭ ফেব্রুয়ারি মেহতাব ও তার বোনসহ আরও দুইজন তাকে এলাকার একটি হোটেলে ডেকে নেয়। সেখানে যাওয়ার পর মেয়েটিকে ঘুমের ওষুধ মেশানো ঠাণ্ডা পানীয় খেতে দেওয়া হয়। মেয়েটি জ্ঞান হারিয়ে ফেলার পর তাকে মেহতাব ধর্ষণ করে, আর বাকিরা ছবি তুলে রাখে।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা মেয়েটিকে ধর্ম বদলে মেহতাবের জন্য বিয়েতে রাজি হওয়ার কথা বলেছে। অন্যথায় তার ধর্ষণের ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়া হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয় মেয়েটিকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
২০১৯ এর মার্চে ডাকসু নির্বাচন, প্রস্তুতি নিচ্ছে ঢাবি

আগামী বছরের মার্চ মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন দেয়ার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। নির্বাচনের পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে ইতোমধ্যে হলগুলোতে শিক্ষার্থীদের নতুন করে ডাটা হালনাগাদ করতে স্ব স্ব হল প্রাধ্যক্ষদের নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। নির্দেশনা মোতাবেক কাজও শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘ডাকসু নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এ নির্বাচন নিয়ে আমরা বিভিন্ন ফোরামে আলোচনা করছি। ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীদের তালিকা হালনাগাদ করার জন্য প্রাধ্যক্ষদের বলা হয়েছে। এ বিষয়টি প্রভোস্ট কমিটিকে বলা হয়েছে, সিন্ডিকেটকেও আজকে বলা হয়েছে। ২০১৯ সালের মার্চ মাসে সব ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনকে নিয়ে নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হবে। হল ছাত্র সংসদ ও কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ করবো আমরা। এগুলো কতগুলো নিয়মনীতির মাধ্যমে হবে। সেগুলো সুশৃঙ্খলভাবে করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। সিন্ডিকেটও সম্মতি দিয়েছে। আমরাও এ বিষয়টি নিয়ে ভালোভাবে কাজ করছি।’

এদিকে অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পরপরই হল ছাত্র সংসদ নির্বাচন দেয়ার লক্ষ্যে কাজ শুরু হবে।

উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি ডাকসু নির্বাচন। বছর বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী সমিতির নির্বাচন হলেও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন নেই দীর্ঘ ২৭ বছরের বেশি সময়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বৃটিশ আমল, পাকিস্তান আমল ও এরশাদের আমলেও ডাকসু নির্বাচন হয়েছে। তবে গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে অচল রাখা হয়েছে জাতীয় নেতৃত্ব তৈরির কারখানা হিসেবে পরিচিত ডাকসু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মা হলো ধর্ষণের শিকার ঢাকার ১১ বছরের শিশুটি

অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীতে ধর্ষণের শিকার এক শিশুর (১১) ছেলেসন্তান হয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকার একটি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে শিশুটি একটি সন্তান প্রসব করে।
এদিকে ধর্ষণের অভিযোগে ৩০ বছরের ওই যুবককে গত ৮ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি এখন কারাগারে আছেন।

তদন্ত–সংশ্লিষ্ট ও পরিবারের সদস্যরা বলেছেন, ওই যুবককে শিশুটি মামা বলে ডাকত। শিশুটির পরিবার আর গ্রেপ্তার যুবক পাশাপাশি ফ্ল্যাটে বসবাস করত। শিশুটির মায়ের সঙ্গে পরিচয়ের সুবাদে যুবক তাদের বাসায় যাতায়াত করতেন। শিশুটির মা চাকরিজীবী। মায়ের অনুপস্থিতিতে তখন ওই যুবক শিশুটির বাসায় আসত।

শিশুটি ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার আদালতকে ২২ ধারায় জবানবন্দি দেয়। আদালতকে শিশুটি বলেছে, তার মা যখন বাসায় থাকতেন না, তখন ওই যুবক তাদের বাসায় আসতেন। একাধিকবার যুবক তাকে ধর্ষণ করেছে। কিন্তু ভয়ে সে তার মাকে কিছুই জানায়নি।

শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অনেক পরে তার মা ঘটনা জানতে পারে। শিশুটির কাছ থেকে ঘটনা জানার পর তিনি বাদী হয়ে ৭ ফেব্রুয়ারি ওই যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেন। এর পরদিন পুলিশ ওই যুবককে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়।

শিশুটির বাবা বিদেশে থাকেন। মায়ের সঙ্গে থাকত শিশুটি। মায়ের সঙ্গে পরিচয়ের সুবাদে শিশুটি তাকে মামা বলে ডাকত। নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিশুটির একজন আত্মীয় বলেন, যুবকের সঙ্গে অন্তত দশ বছর আগে থেকে তাদের পরিচয়। তাদের বাসায় আসত, খাওয়াদাওয়া করত। কিন্তু ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারেননি যে এগারো বছরের এক ছোট্ট শিশুর সঙ্গে এমন অমানবিক নিষ্ঠুর আচরণ করবে।

শিশুটির আত্মীয় আরও বলেন, এ বছর শিশুটি পিএসসি পরীক্ষা দেয়। শিশুটি তখন চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিল। তখনো বুঝতে পারেননি শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা। মেয়েটির মা এজাহারে বলেছেন, গত বছরের মে প্রথম ওই যুবক তাদের বাসায় এসে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রথম ধর্ষণ করেন। এরপর থেকে তিনি যখন বাসায় থাকতেন না, তখন একাধিকবার শিশুটিকে ধর্ষণ করেছে ওই যুবক। পরে ৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর একটি হাসপাতালে শিশুটির আলট্রাসনোগ্রাফি করানো হয়। শিশুটির কিছু পরিবর্তন হলেও ঘুণাক্ষরে তাঁর মাথায় আসেনি মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা। পেটে টিউমার হয়েছে এমনটা ভেবেই তিনি ডাক্তারের কাছে যান, এরপর আল্ট্রাসনোগ্রাম করান।

এরপর শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করানো হয়। ওসিসির সমন্বয়ক চিকিৎসক বিলকিস বেগম বলেন, ধর্ষণের শিকার অন্তঃসত্ত্বা শিশুটি তাঁদের তত্ত্বাবধানে ছিল। আর শিশুটিকে আইনি সহায়তা দিচ্ছেন ওসিসির আইনজীবী ফাহমিদা আক্তার। ১২ ফেব্রুয়ারি শিশুটিকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে সে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দেয়। এরপর সেদিকে শিশুটিকে তার মায়ের জিম্মায় দেন ঢাকার শিশু আদালত।

তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সালাউদ্দিন বলেন, আজ একটি ছেলেসন্তান জন্ম দিয়েছে শিশুটি। দুজনই ভালো আছে।

আর সবুজবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল কুদ্দুস ফকির বলেন, শিশুটিকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবকের বিরুদ্ধে শিগগিরই তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আইএস জঙ্গিদের বিয়ে করায় ইরাকে ১৬ তরুণীর মৃত্যুদণ্ড

আইএস জঙ্গিদের স্বেচ্ছায় বিয়ে করেছিল ১৬ জন তুর্কি তরুণী। এই অপরাধে ১৬ জনকেই ফাঁসির সাজা শোনাল ইরাকের আদালত। ইরাকে আইএস জঙ্গিদের বিয়ে করা দণ্ডনীয় অপরাধ। সাধারণত কোনো নারী যদি আইএস জঙ্গিদের বিয়ে করে, তাহলে সেই নারীর আজীবন কারাবাস অথবা ফাঁসির শাস্তি হবে। এমনটাই বলছে ইরাকি আইন।

ওই ১৬জন তরুণীকে কয়েকদিন আগেই গ্রেপ্তার করে ইরাকি সেনা। তখনই জানা যায়, ১৬ জনই আইএস জঙ্গি। তারা আইএস এর চরমপন্থী ভাবধারায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ইসলামিক স্টেট জঙ্গি সংগঠনে নাম লেখায়। পাশাপাশি আইএস জঙ্গিদের বিয়েও করে। ধৃত ১৬ জনের কি সাজা হতে পারে, তা নিয়ে টানাপোড়েন চলছিল কয়েকদিন ধরে। শেষ পর্যন্ত রবিবার ইরাকের কেন্দ্রীয় ফৌজদারী আদালত ওই মহিলা জঙ্গিদের মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনায়।

সাজা শুনানির সময় ১৬ জনই স্বীকার করে নিজেদের অপরাধ। জানিয়ে দেয়, কোনোরকম জোরাজুরি নয়। স্বেচ্ছায় আইসিস জঙ্গিদের বিয়ে করেছে তারা। জঙ্গি প্রশিক্ষণও হয়েছে তাদের। সুযোগ পেলে আত্মঘাতী হামলা চালাতেও বদ্ধ পরিকর। কিন্তু কোনও রকম নাশকতার ছক কষার আগেই তাদের গ্রেপ্তার করে সেনা। এরপরেই ফাঁসির সাজা শোনায় আদালত।

উল্লেখ্য, ২০১৭-র ডিসেম্বরে সেনা ও সরকারের তরফে ইরাককে আইএস জঙ্গি মুক্ত ঘোষণা করা হয়। বলে হয়, ইরাকের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে থাকা আইএস জঙ্গিদের পুরোপুরি খতম করা হয়েছে। আইএস এর দখলে আর কোনো এলাকা নেই।

যুদ্ধের পর নানা দেশের নানা বর্ণের কয়েকশো মুসলিম মহিলা ইরাকি সেনাদের কাছে আত্মসমর্পণ করে। এদের বেশিরভাগেরই বিচার চলছে। অনেককেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে। এই প্রথম একসঙ্গে এতজনকে ফাঁসির সাজা দিল ইরাকি আদালত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest