সর্বশেষ সংবাদ-
৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাতালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছায় উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা এলপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সভাসাতক্ষীরায় লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়৯০ দশক ছাত্রদল প্লাটফর্ম এর সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক কমিটি গঠনসাতক্ষীরা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান চেয়ারম্যান আলিমেরএসএসসি ২০০০ সালের ব্যাচের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সাতক্ষীরায় সিলভার জুবিলি “মেঘা মিটআপ-২০২৫” অনুষ্ঠিততালার সুভাষিনী গ্রামে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ চুরি : নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুটসাতক্ষীরা জেলা আইনজীবি সমিতির ১১ সদস্য বিশিষ্ট্য আহবায়ক কমিটি গঠন

পিলখানা ট্র্যাজেডি দিবস আজ

২৫ ফেব্রুয়ারি, আজ পিলখানায় বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি- বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) হত্যা দিবস। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর-এর বিপথগামী সদস্যরা কতিপয় দাবি-দাওয়ার নামে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও নির্মম হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে পিলখানায় নারকীয় তাণ্ডব চালায়। ওই দু’দিনে তারা বাহিনীর তখনকার মহাপরিচালকসহ (ডিজি)৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা ছাড়াও নারী ও শিশুসহ আরও ১৭ জনকে নৃশংসভাবে হত্যা করে।

পিলখানা হত্যাযজ্ঞের পর বাহিনীর নিজস্ব আইনে  বিচার করে অনেককেই বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। হত্যা মামলায় নিম্ন আদালতে ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া ছাড়াও আরও  ৪২৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। পরে গত বছরের (২০১৭) ২৭ নভেম্বর হাইকোর্টে আপিলের রায়ে ১৫২ জনের মধ্যে ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখা হয়। ৮ জনের মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন ও চার জনকে খালাস দেওয়া হয়। নিম্ন আদালতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ পাওয়া ১৬০ জনের মধ্যে ১৪৬ জনের সাজা বহাল রাখা হয়। হাইকোর্টে আপিল চলার সময়ে কারাগারে থাকা অবস্থায় দু’জনের মৃত্যু হয়। খালাস পান ১২ জন আসামি। নিম্ন আদালতে খালাস পাওয়া ৬৯ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ যে আপিল করেছিল, তাদের মধ্যে ৩১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট। এছাড়া সাত বছর করে চারজনকে কারাদণ্ড এবং ৩৪ জনের খালাসের রায় বহাল রাখা হয়। এ মামলার সাড়ে ৮০০ আসামির মধ্যে আরও ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছিলেন জজ আদালত। তাদের মধ্যে ১৮২ জনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড, আট জনকে সাত বছরের কারাদণ্ড, চার জনকে তিন বছরের কারাদণ্ড এবং ২৯ জনকে খালাস দেন হাইকোর্ট।
বিভাগীয় মামলায় চাকরিচ্যুতসহ সাজা দেওয়া হয় আরও  অনেককে। ২০০৯ সালের নির্মম এ হত্যাযজ্ঞের পর পুরো বাহিনী বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। তবে বাহিনীর পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কলঙ্কিত সেই ইতিহাস ও ক্ষত ভুলে ঘুরে দাঁড়ানোর নিরন্তর প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে এখনও। বিদ্রোহীদের হাতে নিহতদের স্মরণে প্রতি বছর ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিজিবি ও সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচি পালন করা হয়।
কর্মসূচি
পিলখানায় সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে শহীদ ব্যক্তিদের স্মরণে রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) শাহাদাত বার্ষিকী পালন করবে বিজিবি। দিনের কর্মসূচিতে রয়েছে, পিলখানাসহ বিজিবি’র সব রিজিয়ন, সেক্টর, প্রতিষ্ঠান ও ইউনিটের ব্যবস্থাপনায় বাদ ফজর খতমে কোরান, বিজিবির সব মসজিদে এবং বিওপি পর্যায়ে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় সকাল ৯টায় বনানীর সামরিক কবর স্থানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তিন বাহিনীর প্রধান (সম্মিলিতভাবে), স্বরাষ্ট্র সচিব এবং বিজিবি মহাপরিচালক (একত্রে) শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে  পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।
পরদিন সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বাদ আসর পিলখানার বীর উত্তম ফজলুর রহমান খন্দকার মিলনায়তনে শহীদ ব্যক্তিদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। এছাড়া, স্বরাষ্ট্র সচিব, বিজিবি মহাপরিচালক, শহীদ ব্যক্তিবর্গের নিকটাত্মীয়, পিলখানায় কর্মরত সব অফিসার, জুনিয়র কর্মকর্তা, অন্যান্য পদবীর সৈনিক এবং বেসামরিক কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাখাইনে রয়েছে মাত্র ৭৯ হাজার রোহিঙ্গা, বাংলাদেশে দশ লাখ
 মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলের সহিংসতায় বিধ্বস্ত রাখাইন প্রদেশে দেশটির সেনাবাহিনীর ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশনে’ প্রায় ৯০ শতাংশ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। গত আগস্টে রাখাইন সঙ্কট শুরুর আগেও সেখানে ৭ লাখ ৬৭ হাজার ৩৮ জন রোহিঙ্গা অবস্থান করেছিল। তবে রাখাইনে বর্তমানে মাত্র ১০ শতাংশ; অর্থাৎ ৭৯ হাজার ৩৮ জন রোহিঙ্গা অবস্থান করছে।

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সমন্বয়কারী সংস্থা ও রাখাইনের স্থানীয় প্রশাসনের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মিয়ানমারের স্থানীয় দৈনিক দ্য ইরাবতি বিশেষ এক প্রতিবেদনে শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে।

দ্য ইরাবতি বলছে, গত বছরের ২৫ আগস্ট নিরাপত্তাবাহিনীর ওপর হামলার পর রাখাইনের উত্তরাঞ্চলের মুসলিম অধ্যুষিত মংডু, বুথিডং শহরের পাশাপাশি রাথেডং শহর থেকে রোহিঙ্গাদের ঢল প্রতিবেশী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। বাংলাদেশে শরণার্থী শিবিরে অাশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা রাখাইনে নিরাপত্তাবাহিনীর ধর্ষণ, হত্যা, অগ্নিসংযোগের অভিযোগ করছেন।

রাখাইনের মংডু, বুথিডং ও রাথেডং শহরের সাধারণ প্রশাসনিক বিভাগ (জিএডি) ও জাতিসংঘের শরণার্থী কল্যাণবিষয়ক সমন্বয়কারী সংস্থা ইউএনওসিএইচএ’র সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণে রাখাইনে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের পরিসংখ্যান তৈরি করেছে ইরাবতি। মিয়ানমারের সেনা নিয়ন্ত্রিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে জিএডি। স্থানীয় প্রশাসনের তৈরিকৃত রাখাইনের রোহিঙ্গা পরিসংখ্যানে ২০১৭ সালের অক্টোবর পর্যন্ত হিসেব রাখা হয়েছে।

ইউএনওসিএইচএ বলছে, গত বছরের ২৫ আগস্ট থেকে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে নতুন করে ৬ লাখ ৮৮ হাজার রোহিঙ্গার নিবন্ধন করা হয়েছে। এছাড়া মিয়ানমারে সহিংসতার হাত থেকে বাঁচতে গত তিন দশকে প্রায় ৩ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়েছে। এ রোহিঙ্গারা কক্সবাজারের বিভিন্ন আশ্রয় শিবিরে বসবাস করছে।

রাখাইনে রয়েছে মাত্র ৭৯ হাজার রোহিঙ্গা

মংডু, বুথিডং ও রাথেডং শহরের সাধারণ প্রশাসনিক বিভাগ (জিএডি) বলছে, সর্বশেষ সঙ্কট শুরুর আগে রাখাইনে রোহিঙ্গা ছিল ৭ লাখ ৬৭ হাজার ৩৮ জন। মংডু জেলার জিএডি’র জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা বলেছেন, রোহিঙ্গা ব্যাপারে এ পরিসংখ্যান ২০১৬ সালে সংগ্রহ করা হয়েছিল। গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার অনুমতি না থাকায় মংডুর এই কর্মকর্তা নাম প্রকাশে রাজি হননি।

জিএডি ও ইউএনওসিএইচএ’র রোহিঙ্গা পরিসংখ্যানে দেখা যায়, রাখাইনের প্রায় ৯০ শতাংশ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়েছে। এছাড়া পশ্চিম মিয়ানমারের তিনটি শহরে বর্তমানে রয়েছে মাত্র ১০ শতাংশ (৭৯ হাজার ৩৮ জন) রোহিঙ্গা।

তবে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা যে ৯০ শতাংশ রোহিঙ্গার পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে; তার মধ্যে নিহত, নিখোঁজ অথবা গ্রেতারকৃতদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এছাড়া দেশটির সেনা অথবা নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযানে অভ্যন্তরীণ বাস্ত্যুচুত, নিহত রোহিঙ্গা, আহত হিন্দু অথবা রাখাইন জাতিগোষ্ঠীর মানুষকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি এ পরিসংখ্যানে।

গত বছরের ৩১ আগস্ট মিয়ানমার সেনাবাহিনী ঘোষণা দেয়, তারা বিদ্রোহীগোষ্ঠী আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সন্দেহভাজন ৩৭০ সদস্যকে হত্যা করেছে।

রাখাইনের সাধারণ প্রশাসনিক বিভাগের (জিএডি) পরিসংখ্যান বলছে, ‘মডু ও বুথিডংয়ের মোট জনগোষ্ঠীর যথাক্রমে ৯৩ ও ৮৪ শতাংশ রোহিঙ্গা। তবে রাথেডং শহরে মাত্র ৬ শতাংশ রোহিঙ্গার বাস।

রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের হামলায় মংডু জেলার উপজাতি গোষ্ঠী ম্রো, থেট, হিন্দুসহ দেইঙ্গিত আরাকানিদের প্রায় ৩০ হাজার সদস্য গৃহহীন হয়েছে। তবে বৌদ্ধসহ বাস্ত্যুচুত অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর সদস্যরা ইতোমধ্যে মংডু শহরে ফিরে গেছে। অন্যদিকে, বাস্ত্যুচুত হিন্দুরা এখনো সরকারি পুনর্বাসনের অপেক্ষায় রয়েছে।

পরিচয়হীন রোহিঙ্গারা

জিএডি’র প্রতিবেদনে বাঙালি অথবা রোহিঙ্গা শব্দ দুটির কোনোটিই ব্যবহার করা হয়নি। এমনকি প্রতিবেদনে রোহিঙ্গাদের রাখাইনের সংখ্যালঘু মুসলিম জনগোষ্ঠী হিসেবেও উল্লেখ করেনি রাখাইনের এ স্থানীয় প্রশাসন। ২০১৬ সালে দেশটির নেত্রী অং সান সু চি রোহিঙ্গা শব্দটি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের প্রতি আহ্বান জানান।

সু চির আহ্বানের পর জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান নেতৃত্বাধীন রাখাইনের অ্যাডভাইসরি কমিশনের প্রতিবেদনেও রোহিঙ্গা শব্দটি কৌশলে এড়িয়ে যাওয়া হয়।

জিএডি’র প্রতিবেদনে রাখাইনের রোহিঙ্গাদের ‘বিদেশি’ এবং ‘বাংলাদেশি’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়। এছাড়া তাদের বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে পাড়ি জমানো অবৈধ অভিবাসী বলে চিহ্নিত করা হয়। মংডু এবং বুথিডংয়ের জিএডির কর্মকর্তারা ‘বাংলাদেশি’ বলে ‘রোহিঙ্গা’ জনগোষ্ঠীকে নির্দেশ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন।

গুঁড়িয়ে দেয়া হচ্ছে মসজিদ
মংডু শহরে প্রায় ৮৩৬টি মুসলিম ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাদরাসা এবং মসজিদ রয়েছে কি-না তা পরিষ্কার করেনি জিএডি। অন্যদিকে সেখানে বৌদ্ধদের ৮৪টি আশ্রম, ৬১টি প্যাগোডা এবং মন্দির রয়েছে।

এছাড়া বুথিডংয়ে মুসলমানদের ৪৪২টি, রাথেডংয়ে ৮৭টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তবে এ দুই শহরে বৌদ্ধদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৫ শতাধিক। মংডু জেলায় হিন্দুদের ১৭টি মন্দির ও খ্রিষ্টানদের একটি চার্চ রয়েছে।

বিশ্বাস নেই কারো ওপর

গত সপ্তাহে বাংলাদেশ সফর করেছেন মিয়ানমারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী লে. জেনারেল কিয়াও সোয়ে। বাংলাদেশ সরকার প্রাথমিকভাবে তার হাতে ৮ হাজার ৩২ জন রোহিঙ্গার তালিকা তুলে দিয়েছে; যাদেরকে ফেরত নেয়া হতে পারে। তবে এ তালিকায় আরসার কোনো সদস্য আছে কি-না তা শনাক্ত করতে চিরুনি চালাচ্ছে মিয়ানমার সরকার।

বিপরীতে রাথেডং এবং বুথিডংয়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনো লড়াই চলছে। মিয়ানমারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারির শুরুর দিকে থেকে গত ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মংডুর দক্ষিণাঞ্চলে নতুন করে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় ৩ হাজার ২০৬ জন। এছাড়া সমুদ্রের পাশে অপেক্ষা করছে আরো ৮০৪ জন।

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশমুখী ঢল অব্যাহত রয়েছে; তারপরও রাখাইনের কিছু কিছু রোহিঙ্গা সেখানে অবস্থান করছেন। আব্দুল ওয়াহিদ তাদেরই একজন। রাখাইনের দুস্কৃতিকারীদের আগুনে তার বাড়ি-ঘর পুড়ে যাওয়ার পর বুথিডংয়ের দু ওও থ্যা মা গ্রামে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। সরকারের তৈরি নতুন প্রকল্পে পুনর্বাসন মিলবে এমন আশায় এখনো সেখানে রয়েছেন এ রোহিঙ্গা।

তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাসঘাতক নই এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে রাথেডংয়ে বসবাস করছি। আমরা নিজেদের গ্রামে ফিরে যেতে চাই।’

তার মতো আরো ১৬০ রোহিঙ্গা দু ওও থ্যা মা গ্রামে বাঁচার লড়াই করছেন। গ্রামটিতে ৭০০ বাড়ি-ঘর রয়েছে। গত কয়েকমাসে সেখানে নতুন করে আরো প্রায় ৪০০ রোহিঙ্গা পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। আব্দুল ওয়াহিদ বলছেন, তারা ছয়মাসে মাত্র দু’বার খাদ্য সহায়তা পান। এর মধ্যে একবার পান আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থা রেডক্রস ও অন্যবার স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে। 

বাঁচার আকুতি জানিয়ে রাখাইনের বাস্ত্যুচুত আব্দুল ওয়াহিদ নামের এ রোহিঙ্গা বলেন, ‘অামরা এখানে খুবই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি। আপনি কি দয়া করে কর্তৃপক্ষকে একটু জানাবেন?

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনি প্রতাপনগরের গৃহবধু শরিফার মৃত্যু নিয়ে গুঞ্জন

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনিতে ধর্মান্তরিত ওয়ালিউর রহমানের স্ত্রী শরিফা খাতুন (৩২) মৃত্যুবরণ করেছেন। শরিফা খাতুন আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের প্রতাপনগর গ্রামের আতিয়ার রহমানের কন্য।
নিহতের পিত্রালয় সূত্রে জানা গেছে, স্ট্রোক জনিত কারণে শনিবার বিকাল ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়। ৫ বছর পূর্বে শরিফার দ্বিতীয় বিয়ে হয় ধর্মান্তরিত মুসলিম ওয়ালিউর রহমানের সাথে। বিয়ের পর থেকে স্বামী ও প্রথম স্বামীর সংসারের ১২ বছরের প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে পিত্রালয়ে বসবাস করে আসছিলেন।
জানা গেছে, শরিফার মৃত্যুর আগে সকালের দিকে তার চাচা ওয়াজিহার গাজী, (ওয়াজিহার গাজীর পুত্র) চাচাতো ভাই ও (ওয়াজিহার গাজীর স্ত্রী) চাচীর সাথে তার ঝগড়া হয়। তাদের ঝগড়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যে শরিফার মৃত্যু হওয়ায় এলাকায় বিভিন্ন মহলে গুনজন শুরু হয়েছে। মৃত্যু স্বাভাবিক না অস্বাভাবিক এটা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে দেখা গেছে।
আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিদুল ইসলাম শাহীন বলেন, এ ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত আমার কাছে কোন অভিযোগ আসে নাই।
নিহত শরিফার মামা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবু দাউদ ঢালী জানান, “স্ট্রোক জনিত কারনে শনিবার বিকাল ৪টার দিকে তার ভাগনি শরিফার মৃত্যু হয়। শরিফার ভাই তার ভাগনা মাদ্রাসা সুপার ওবায়দুল্লাহকে কয়েক বছন পূর্বে তার চাচা ওজিয়ার গাজী দা নিয়ে মারার জন্য তাড়িয়ে নিয়ে যান। ঘটনার ২/ত বছর পরে স্ট্রোক জনিত কারনে শরিফার ভাইয়ের মৃত্যু হয়। এর পর থেকেই তাদের পরিবারের মধ্যে বিরোধ ছিল। সে কারনে হয়তো এ মৃত্যু নিয়ে এলাকায় গুনজন হচ্ছে।”
বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য শরিফার স্বামী নব মুসলিম ওয়ালিউর রহমানের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বার ০১৯৮৭-০৩৭৩৮২ তে একাধিক বার কল দিলেও ফোন রিসিভ হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়া বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজের প্রয়াত অধ্যক্ষের মৃত্যুবার্ষিকী পালন

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়া বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজের প্রয়াত অধ্যক্ষ নজিবুল ইসলামের দ্বিতীয় মৃত্যু বার্ষিকী পালন করা হয়েছে। শনিবার এ উপলক্ষে কলেজের আয়োজনে কলেজ চত্ত্বরে এক আলোচণা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। কলেজ প্রতিষ্ঠাতা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এমএ ফারুকের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রয়াত অধ্যক্ষের বড় ভাই আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা আ.লীগের সদস্য আ.হ.ম. তারেক উদ্দীন, জেলা পরিষদের সদস্য আলহাজ্ব আমজাদ হোসেন, কলারোয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আরাফাত হোসেন। এছাড়া বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন জেলা বাকশিসের সভাপতি তালা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান, কাজীরহাট কলেজের সহকারী অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাহবুবর রহমান, অধ্যাপক শাহিনুর রহমান,অসীম কুমার, প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সহকারী অধ্যাপক রামাকান্ত সরকার।
আলোচনা শেষে দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কলেজের সহকারী অধ্যাপক নাছির উদ্দীন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোটার ২৮৫ ভোট পড়েছে ৩০৩, গোয়ালডাঙ্গা বাজার কমিটির নির্বাচন!

আশাশুনি ব্যুরো/বড়দল প্রতিনিধি: আশাশুনির গোয়ালডাঙ্গা বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন ব্যপক অনিয়মের মধ্য দিয়ে সম্পর্ণ হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২ট পর্যন্ত ভোট গ্রহণের কথা থাকলেও ভোট গ্রহণ করা হয়েছে বিকাল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত। ভোটার তালিকায় ২৮৫ জনের তালিকা থাকলেও ভোট পোল হয়েছে ৩০৩। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হওয়ার পরে নতুন ট্রেড লাইসেন্স করে ভোট দিয়েছে অনেকেই। সর্বশেষ দেখানো হয়েছে ৩০৩ জন ভোটারের সবাই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। নির্বাচনে পদাধিকার বলে বড়দল ইউপি চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান আঃ আলিম মোল্যা সভাপতি ও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বি¦তায় মহিউদ্দীন ফকির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। সহ-সভাপতি পদে মজিদ মোড়ল চেয়ার প্রতীকে ১৫২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আব্দুল হান্নান ছাতা প্রতীকে পেয়েছেন ১৪৯ ভোট । অর্থ সম্পাদক পদে রফিকুল ইসলাম ফল্টু আনারস প্রতিক নিয়ে ২১১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী আব্দুল কুদ্দুস গাজী হরিণ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯২ ভোট। সদস্য পদে মুকুল হোসেন জাম্বু ভ্যান প্রতীকে ২৬২ ভোট, শামিম রেজা ফুটবল প্রতীকে ২৬০ ভোট, হোসেন আলী খোকন আম প্রতীকে ২১৯ ভোট, শরিফুল ইসলাম ফুল মাছ প্রতীকে ১২৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ইদ্রিস সানা টিউবওয়েল ১১১ ভোট ও রুহুল আমিন মোরক প্রতীকে ৯৫ ভোট পেয়েছেন। নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন প্রভাষক শান্তিলাল বিশ্বান ও প্রবীর বৈরাগী। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করেন আশাশুনি থানার এসআই শাহ আব্দুল আজিজ ও এএসআই জহুরুল ইসলাম। এসময় বড়দল ইউপি সদস্য আব্দুল কাদের, হাফেজ রুহুল আমিন, জিএম মোফিজুল ইসলাম, সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম, বি এম আলাউদ্দীন, মুকুল শিকারী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা আশাশুনি থানার এসআই শাহ আব্দুল আজিজ জানান, প্রার্থীদের পক্ষ থেকে নির্ধারিত সময়ের পরে ভোট গ্রহণ এবং নির্বাচন চলাকালে ভোটার তালিকায় নতুন নাম সংযুক্তির প্রস্তাব আসলে আমি সকল প্রার্থীদেরকে একত্রে ডেকে বিষয়টি নিয়ে সবাইকে সিদ্ধান্ত নিতে বলেছিলাম। পরবর্তীতে সকল প্রার্থীর সিদ্ধান্ত মোতাবেক নির্ধারিত সময়ের পরে ভোট গ্রহণ এবং নির্বাচন চলাকালে ভোটার তালিকায় নতুন নাম সংযুক্তির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় ইয়ামাহার গ্রাহক দিবসের দিন ব্যাপি অনুষ্ঠান মাতালেন মিস ওয়াল্ড বাংলাদেশ(প্রত্যাহারকৃত) তারকা জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল। গত কাল শনিবার সাতক্ষীরা তুফান কনভেনশন সেন্টার (লেক ভিউ) মিলনায়তনে দিন ব্যাপী নাচ, গান, আর তারকাদের মিলন মেলার মধ্যে দিয়ে জমকালো অনুষ্ঠানে কেক কেটে পালিত হলো ইয়ামাহার গ্রাহক দিবস।
ইয়ামাহার সাতক্ষীরা ডিলার প্রতিনিধি বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী দৈনিক যুগের বার্তা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক আবু নাসের মোঃ আবু সাঈদের সভাপতিত্বে ও ব্যাসায়ী মাহবুবুর রহমানের পরিচালনায় দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের গ্রাহক ও ব্যাবসায়ীদের মিলনমেলায় উপস্থিত ছিলেন মিস বাংলাদেশ জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল। প্রাণবন্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের টেরিটরি ম্যানেজার এ কে এম নাজিম উদ্দিন, সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা, সাধারন সম্পাদক সাদেকুর রহমান সাদেক, বিশিষ্ট শিল্পী জ্যামি। অনুষ্ঠানের বিভিন্ন জেলার শিল্পী, গ্রাহকসহ ব্যাবসায়ীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ইয়ামাহার গ্রাহক দিবসের অনুষ্ঠানে তারকা মিস বাংলাদেশ জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল ইয়ামাহা মোটর বাইক সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য রাখেন পাশাপাশি তিনি গ্রাহকদের সুবিধা অসুবিধার কথা শোনেন। তিনি পরিশেষে সাতক্ষীরা ও সাতক্ষীরার মানুষ অনেক ভাল বলে ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে ইয়ামাহা রাইডারস্ ক্লাবের সদস্যদের নিয়ে বিভিন্ন প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পলাশ দেবনাথ, নুরনগর : শনিবার শ্যামনগর উপজেলার নুরনগরের রামজীবনপুর গ্রামে অসহায় গরীব পরিবারের মাঝে মাংশ ও মিষ্টি বিতরণ করলেন এম পি জগলুল হায়দার। শ্যামনগরের জন মানুষের বন্ধু এম পি জগলুল হায়দার হঠাৎ রামজীবনপুর গ্রামের জরাজির্ন কুটিরে বাজার সদয় নিয়ে হাজির হলেন। রাত্র ৮টার দিকে অতি সাধারন মানুষের বেশে এম পি জগলুল হায়দারকে পেয়ে গরীব অসহায় মানুষ গুলো আনন্দ উল্লাশিত হতে দেখা যায়। তিনি একাধিক পরিবারের মাঝে উক্ত সামগ্রী বিতরন করেন। এসময় তার সাথে ছিলেন নুরনগর ইউনিয়ন আ”লীগের সাধারন সম্পাদক এস এম সোহেল রানা বাবু, প্রভাষক মোশারফ হোসেন,নুরনগর যুবলীগের সভাপতি সাইফুল্যাহ আল মামুন, ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারন সম্পাদক আঃ রশিদ সহ এলাকাবাসী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘ভাইরাল’ প্রিয়াকে জার্সি উপহার দিল শচীন
ছোট্ট একটা ক্লিপিংসে চোখের ইশারা, আর তাতেই বহু পুরুষ হৃদয়ে উঠল তুফান। রাতারাতি ভারতের ‘ন্যাশানাল ক্রাশ’ হয়ে ওঠা প্রিয়া প্রকাশ ভারিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ হল স্বয়ং ক্রিকেট ঈশ্বর শচীন টেন্ডুলকারের। সেই মুহূর্ত টুইটারে নিজেই শেয়ার করলেন ‘ভাইরাল’ প্রিয়া।
শুক্রবার কোচির জহওরলাল স্টেডিয়ামে আইএসএল-এ কেরলা ব্লাস্টার্স ও চেন্নায়িন এফসি ম্যাচে ভিভিআইপি গ্যালারীতে শচীন টেন্ডুলকরের সঙ্গে বিশেষ সাক্ষাত হয় ইন্টারনেট সেনসেশন প্রিয়া ভারিয়ার। সঙ্গে ছিলেন মালায়ালম ফিল্ম ‘আরু আদার লাভ’-এর নায়ক রোশন রাহুল। ৷ক্রিকেট ঈশ্বরের পাশে বসে ফুটবল ম্যাচ দেখলেন এবারের ভালোবাস দিবসে পুরুষ হৃদয় তোলপাড় করে দেয়া প্রিয়া।
শচীনের পাশে বসে হলুদ জার্সি পড়ে কেরালা ব্লাস্টার্সকে সমর্থন করেন ‘ভাইরাল’ প্রিয়া। পরে শচীনের সঙ্গে কেরালা ব্লাস্টার্সের জার্সি তুলে ধরার ছবিও সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করেন অষ্টাদশী। শচীন ও বলিউড তারকা অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে সাক্ষাতের ভিডিও আপলোড করে নিজের মুগ্ধতার কথা লিখেছেন প্রিয়া। দর্শকরা ম্যাচে কোনও গোলের দর্শন না- পেলেও শচীন-প্রিয়ার দর্শনে মুগ্ধ হয়ে বাড়ি ফেরেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest