সর্বশেষ সংবাদ-
খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক ওয়ার্কশপে অংশ নিলেন ৫ স্কাউটারজ্বালানি সংকট, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণসহ গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় গণমিছিলসাতক্ষীরায় প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত হচ্ছে দুই দিন ব্যাপি আর্ন্তজাতিক দাবা প্রতিযোগিতামে দিবস উপলক্ষে সদর উপজেলা ইমারত নির্মাণ টাইলস ও মোজাইক শ্রমিক ইউনিয়নের র‌্যালিশ্যামনগরে কালবৈশাখীর ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে গাজী শাহ আলমসাতক্ষীরায় মে দিবসে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‌্যালি  অধিকার বঞ্চিত বাংলাদেশের চা শ্রমিকরাসাতক্ষীরার উপকূলে এখনো বৈষম্যের শিকার নারী শ্রমিকরাBonus offline nei giochi mobile: guida etica e tecnica per giocare senza reteVerde Casino App Verde Casino: Perché Sceglierla per il Gioco Mobile

ক্যানসার প্রতিরোধী চালের সন্ধান মিলল ভারতে

ক্যানসার প্রতিরোধী তিনটি প্রজাতির চালের সন্ধান মিলল ভারতে। বিজ্ঞানীদের দাবি, গাওয়ান, মহারাজি ও লাইচা প্রজাতি চালের ক্যানসার প্রতিরোধ করার ক্ষমতা আছে।

এই তিন প্রজাতির চালই উৎপন্ন হয় ছত্তিশগড়ে।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের প্রভূত উন্নতি হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে এখন ক্যানসার রোগীকেও সারিয়ে তোলা সম্ভব। বহু বছর সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে পারেন ক্যানসার আক্রান্তরা। কিন্তু যে পর্যায়ের ধরা পড়লে সুস্থ থাকা যায়, সেই পর্যায়ে খুব কম রোগীরই ক্যানসার ধরা পড়ে। অধিকাংশই যখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন, ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়। উপসর্গভিত্তিক চিকিৎসা ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না। অনেক সময় আবার পুরোপুরি সুস্থ হয়ে যাওয়ার পরও ফের শরীরের বাসা বাঁধে এই মারণরোগ।

আর সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হল, অতিরিক্ত ধূমপান, মদ্যপান ও পরিবেশগত কারণে, সারা বিশ্ব জুড়ে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ক্যানসার আক্রান্তের সংখ্যা।

পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে, ২০২১ সালে মধ্যে সারা বিশ্বেই ক্যানসার মহামারি আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা।

ক্যানসার নির্মূল করতে গবেষণা চালাচ্ছেন বিশ্বের তাবড় তাবড় চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা। ভারতের ছত্তিশগড়ে উৎপাদিত ৩টি প্রজাতির চালে ক্যানসার প্রতিরোধকারী উপাদানের সন্ধান পেয়েছেন রায়পুরের ইন্দিরা গান্ধী কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও মুম্বাইয়ের ভাবা অ্যাটমিক রিসার্চ সেন্টারের বিজ্ঞানীরা।

গবেষক দলের সদস্য দীপক শর্মা জানিয়েছেন, গাওয়ান, মহারাজি ও লাইচা প্রজাতির চালে ফুসফুস ও স্তন ক্যানসার নিরাময় করার উপাদান রয়েছে। এতে সুস্থ কোষগুলির কোনও ক্ষতি হয় না। লাইচা প্রজাতির চাল ক্যানসার কোষগুলি ধ্বংস করাই শুধু নয়, তাদের সংখ্যাবৃদ্ধি ঠেকাতেও বিশেষভাবে সহায়ক।

তিনি জানিয়েছেন, ছত্তিশগড়ের বস্তারের প্রত্যন্ত এলাকায় ঘরোয়া পদ্ধতিতে চিকিৎসায় এই প্রজাতির চাল ব্যবহারও করা হয়। প্রতিদিন কেউ যদি ২০০ গ্রাম করে গাওয়ান, মহারাজি ও লাইচা প্রজাতির চাল খান, তাহলে ক্যানসারের মতো মারণরোগকেও প্রতিরোধ করা সম্ভব।

বিজ্ঞানীরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, ওই তিন প্রজাতির চালের ক্যানসার প্রতিরোধকারী উপাদানগুলি ইঁদুরের উপর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হবে। সুষম খাদ্যের তালিকাতেও তা অন্তর্ভূত করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেড় লাখ নতুন মুক্তিযোদ্ধার আবেদন

মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য সারা বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় দেড় লাখ আবেদনপত্র পাওয়া গেছে। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য অনলাইনে ও সরাসরি আবেদনের সংখ্যা এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৪২ হাজার ৯৫০টি। এসব আবেদন যাচাই বাছাইয়ের জন্য ৪৭০টি কমিটিও গঠন করেছে মুক্তিযোদ্ধ মন্ত্রণালয়। সংসদ ভবনে আজ অনুষ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি এ বি তাজুল ইসলাম। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক, ইকবালুর রহীম, কামরুল লায়লা জলি বৈঠকে অংশ নেন।

বৈঠকে মন্ত্রণালয় আরো জানায়, বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের ষষ্ঠ তালিকার কাজ শুরু করেছে। এ মুহূর্তে গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ২ লাখ ৩১ হাজার ৩৮৫। ৩৭৩টি যাচাই বাছাই কমিটি এরমধ্যে বছাই প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। ৯৭টি কমিটির প্রতিবেদন এখনো পাওয়া যায়নি। এছাড়া যাচাই বাছাই কমিটির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২৯ হাজার ৩৭২ জন আপিল আবেদন করেছেন। ফলে যথাযথভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষা হলে কোন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা অর্ন্তভুক্তির সম্ভাবনা থাকবে না বা কোন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা বাদ পড়বে না বলে বৈঠকে জানানো হয়।

সংসদ সচিবালয় জানায়, বৈঠকে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অবস্থিত মুক্তযোদ্ধা সংসদকে লিজ প্রদানকৃত সম্পত্তির লিজের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু এসময়ে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ উক্ত জমির সদ্ব্যবহার করতে ব্যর্থ হওয়ায় উক্ত সম্পত্তি মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টকে পুনরায় দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে দেয়ার সুপারিশ করা হয়। এছাড়া বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি রক্ষার্থে রাশিয়ার আদলে দেশীয় প্রযুক্তি দিয়ে দ্রুত প্যনোরমা ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করার সুপারিশ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার; কালিগঞ্জের পুলিশ সদস্য আলিম আটক

এম বেলাল হোসাইন: সাতক্ষীরার দেবহাটায় অজ্ঞাত পরিচয় এক নারী ও এক শিশুর লাশ উদ্ধারের পর জানা গেছে তারা পরস্পর মা-মেয়ে। মা মেয়ে হত্যার মূল আসামী পুলিশ কনস্টেবল আলিমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গত বৃহস্পতিবার বিকেলে সাতক্ষীরার একদল পুলিশ সদস্য ঝিনাইদহে গিয়ে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় আবদুল আলিমকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেন। আলিম ছুটি নিয়ে বাড়িতে গিয়েছিলো।
মহেশপুর থানার ওসি লস্কর জায়াদুল হক বলেন, আবদুল আলিম সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ থানা-পুলিশে কমর্রত ছিলেন। ইতিমধ্যে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে। মামলাটি সাতক্ষীরার পুলিশই তদন্ত করবে।
এদিকে আবদুল আলিমকে রোববার সাতক্ষীরা আদালতে তোলার কথা থাকলেও সেটি সম্ভব হয়নি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই সুধাংশু কুমার হালদার বলেন, যেহেতু বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ একটি ডাবল মার্ডারেরর মামলা। আমরা অভিযুক্ত আলিম কে নিয়ে অভিযান অব্যাহত রেখেছি। সে কোথায় কিভাবে ছিলো। সে নিজে করেছে। নাকি কাউকে দিয়ে করিয়েছে। এসব জানার চেষ্টা করছি। আর অভিযানের থাকার কারণে তাকে হাজির করতে পারিনি।
অন্যদিকে কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবীর দত্ত বলেন, আমার থানার কর্মকর্তারা অভিযানে রয়েছে। যেহেতু কনস্টেবল আলিমকে এখনো আমার থানায় হাজির করা হয়নি। সেকারণে অফিসিয়ালী তাকে গ্রেফতার বলা যাচ্ছে না। তাকে প্রাথমিক তদন্তে আলিম ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করলেও তার মোবাইলের কললিষ্ট, ওই মহিলার সাতক্ষীরায় আসা এসব প্রশ্নে যে কোন জবাব দিতে পারছে না। যাইহোক অভিযান চলছে। অভিযান শেষ হলে বিস্তারিত জানাতে পারবো।
উল্লেখ্য, সাতক্ষীরার ইছামতী নদীতে এক দিনের ব্যবধানে দুটি মৃতদেহ পাওয়া যায়। পরিচয় না মেলায় অজ্ঞাতনামা হিসেবে লাশ দাফন করা হয় একই কবরস্থানে। পরে তাদের পরিচয় জানা যায়। জানা গেছে তারা আসলে মা-মেয়ে। তাদের বাড়ি ঝিনাইদহের মহেশপুরে।
নিহত নারীর নাম রিপ্না খাতুন (২২)। তিনি মহেশপুর উপজেলার যাদবপুর গ্রামের মুসা মিয়ার স্ত্রী। তাঁর সঙ্গে জীবন দিতে হয়েছে নিষ্পাপ শিশু মুন্নি আক্তারকে (৪)।
মুসা মিয়া বলেন, রিপ্নার বাবার বাড়িও যাদবপুরে। সাড়ে পাঁচ বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়। এক বছর পর জন্ম নেয় মুন্নি। বিয়ের আগে রিপ্নার সঙ্গে একই গ্রামের আবদুল আলিমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি তিনি জানতেন। তবে নিকটাত্মীয় হওয়ায় তিনি বিয়েতে রাজি হন। রিপ্না পুরোনো প্রেমিক আলিমকে ভুলে গেছেন বলে জানিয়েছিলেন।
মুসা মিয়ার ভাষ্য, প্রথম দিকে তাঁদের সংসারজীবন বেশ ভালো ছিল। কিন্তু রিপ্না মুঠোফোনে আলিমের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। আলিম পুলিশের চাকরি করেন। তাঁর কর্মস্থল সাতক্ষীরায়। সেখানে আলিম বিয়ে করেছেন। একটি সন্তান রয়েছে।
রিপ্না খাতুন মেয়ে মুন্নিকে সঙ্গে নিয়ে ১০ ফেব্রুয়ারি সকালে বাড়ি থেকে বের হন। বলে যান, মহেশপুর হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে যাচ্ছেন। এরপর থেকে কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। এ ঘটনায় মুসা মিয়া মহেশপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। এই নিখোঁজের পেছনে পুলিশের কনস্টেবল আবদুল আলিমের হাত থাকতে পারে বলে তিনি থানা-পুলিশকে জানিয়েছিলেন।
সাতক্ষীরার দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী কামাল বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি সীমান্তের নদী ইছামতীর ছুটিপুর এলাকা থেকে এক শিশুর লাশ উদ্ধার হয়। তবে লাশের কোনো পরিচয় মেলেনি। ফলে স্থানীয় চৌকিদার ফজর আলী থানায় একটি জিডি করেন। সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুর কবরস্থানে বেওয়ারিশ হিসেবে লাশটি দাফন করা হয়।
সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুধাংশু কুমার হালদার বলেন, ১৪ ফেব্রুয়ারি ইছামতীর নদীর বসন্তপুর এলাকা থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। তাঁর শরীরের একাধিক স্থানে জখমের চিহ্ন ছিল। ফলে থানার এসআই ইসরাফিল হোসেন একটি হত্যা মামলা করেন। তবে এ লাশেরও পরিচয় মেলেনি। ফলে একই কবরস্থানে বেওয়ারিশ হিসেবে লাশটি দাফন করা হয়।
পুলিশ বলছে, এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সুধাংশু কুমার হালদার। তিনি নিহত নারীর ছবি দেশের বিভিন্ন থানায় পাঠান। ছবি দেখে ঝিনাইদহের মুসা মিয়া লাশটি তাঁর স্ত্রীর বলে শনাক্ত করেন। গত শুক্রবার তিনি সাতক্ষীরায় পৌঁছান। সঙ্গে মহেশপুর থানার একদল পুলিশও ছিল। পরে দেবহাটা থানায় গিয়ে মুসা ওই শিশুর লাশের ছবি দেখেন। সেটি তাঁর মেয়ে মুন্নি বলে শনাক্ত করেন।
মুসা মিয়া বলেন, তিনি স্ত্রী-সন্তানের লাশ পেতে চান। আদালতে রোববার আবেদন করবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: রবিবার বিকাল ৪ ঘটিকায় বাঁকাল দারুল হাদিছ আহমাদীয়া সালাফিইয়া এতিমখানা বালিকা শাখা উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা ২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। বিশেষ অতিথি ছিলেন আহলে হাদীছ আন্দোলনের কেন্দ্রিয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক ও জেলা সেক্রেটারী মাওঃ আলতাফ হোসেন, জেলা সভাপতি মাওঃ আব্দুল মান্নান, জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ। মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠা সদস্য ও আহলে হাদীছ আন্দোলনের কেন্দ্রিয় শুরা সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আব্দুর রহমান সরদারের সভাপতিত্বে ও উপাধ্যক্ষ মাওঃ মোঃ মহিদুল ইসলামের পরিচালনায় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা আহলে হাদীছ আন্দোলনের সহ-সভাপতি মাওঃ মোঃ ফজুলর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক শাহীদুজ্জামান ফারুক, অর্থ সম্পাদক মোঃ কেরামত আলি, প্রচার সম্পাদক মোঃ শাহিনুর রহমান, যুব বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল খালেক, কেন্দ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আব্দুস সামাদ, আহলে হাদীছ যুব সংঘের জেলা সভাপতি মাওঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহ-সভাপতি মাওঃ আসাদুল্লাহ, সেক্রেটারী মাওঃ মুজাহিদুর রহমান, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মাওঃ দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।
দারুল হাদীছ আহমাদীয়া সালাফিইয়ার বালিকা শাখার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, আল্লাহর রহমত অনুগ্রহ ছাড়া কোন কাজ করা সম্ভব নয়। ভবিষ্যতের সাতক্ষীরাকে গড়ার লক্ষ্যে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। আহলে হাদীছ আন্দোলনের নেতা কর্মীরা অত্যন্ত সুশৃঙ্খল। তারা আল্লাহর পথে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে ড. আসাদুল্লাহ আল গালীবের নেতৃত্বে সংগঠনটি শক্তিশালী সংগঠনে রুপান্তরিত হয়েছে। আল্লাহর অনুগ্রহ প্রাপ্তির জন্য তিনি সর্বদা এতিমদের সাথে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেন এবং আহলে হাদীছ আন্দোলনকে আরো গতিশীল করতে তিনি সার্বিক সহযোগিতা করারও আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি আরো বলেণ, আমৃত্যু সাতক্ষীরা বাসীর জন্য কাজ করে যাবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মোঃ আরাফাত আলী: কালিগঞ্জ উপজেলার ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের বাঁশঝাড়িয়া বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন গেল্লের খাল প্রশাসনের ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সহযোগিতায় কতিপয় ব্যাক্তি করছে খাল দখলের মহা উৎসব। গত ৪ ফ্রেরুয়ারি ডেইলি সাতক্ষীরা অনলাইন পত্রিকায় কালিগঞ্জে ৮০ হাজার টাকা করে সরকারি খালের পজিশন বিক্রি করছেন কাদের শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর নড়েচরে বসে প্রশাসন। দুই চার দিন দখলকারীরা কাজ বন্ধ রেখে বর্তমানে আবারও তৎপর দখলবাজরা।
তৎকালীন বিষয়টি সর্ম্পকে জানতে চাইলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুর আহম্মেদ মাছুম বলেন, খাল দখলকারীদের স্থাপনা সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে এছাড়া নতুন করে স্থাপনা বন্ধ রাখার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে পরবর্তীতে আইননুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কিন্তু দখলদাররা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমির কথা অমান্য করে সেখানে বসতবাড়ি নির্মাণসহ ১ একর জমি দখল করে অবৈধ স্থপনা গড়ে তুলছে ধলবাড়ীয়া ইউনিয়নের বাজুয়াগড় গ্রামের মৃত মোনতেজ গাজীর ছেলে গোলাম গাজী, শুকচান গাজীর ছেলে গোলাম গাজী ও একই এলাকার উচ্ছেপাড়া গ্রামের মৃত সেফাত উল্ল্যাহ গাজীর ছেলে কাশেম গাজী। অবধৈভাবে খাল দখলকারী গোলাম গাজী, কাশেম গাজী ও গোলাম গাজী জানান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাদেরকে নোটিশ করে যেতে বলেন গত ৭ ফ্রেরুয়ারি তারা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমির অফিসে হাজির হলে তিনি তাদেরকে খালে পানি সরবরাহের পথ রেখে কাজ চালিয়ে যেতে বলেছেন বলে জানান দখলকারীরা। এছাড়া যদি কোন ব্যাক্তি দখল সর্ম্পকে কোন তথ্য নিতে আসে তাহলে ধলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তথ্য গ্রাহীতাদের তার সাথে কথা বলার জন্য বলেছেন এমনটাই জানান তারা । উল্লেখ্য যে গত ১ মাস যাবৎ ড্রেজার দিয়ে খাল খনন করে মাটি তুলে দখল নিয়ে ৮০ হাজার টাকা করে পজিশন বিক্রি করেছেন কাটুনিয়া রাজবাড়ী ডিগ্রি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত প্রভাষক আব্দুল কাদের। সরেজমিনে যেয়ে দেখা যায় উপজেলার ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের বাঁশঝাড়িয়া বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন গেল্লের খাল বাজুয়াগড় গ্রামের মৃত পঁচলা শেখের ছেলে আব্দুল কাদের তার বসত বাড়ীর সামনে অবস্থিত ড্রেজার দিয়ে খাল থেকে মাটি খনন করে ১ একর জমি দখল করে ৩ পরিবারের নিকট থেকে মোট ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন বলে জানা যায়। বর্তমানে গেল্লের খালের উপর বসত বাড়ী গড়ে তুলেছে ধলবাড়ীয়া ইউনিয়নের বাজুয়াগড় গ্রামের গোলাম গাজী, গোলাম গাজী (২) ও একই এলাকার উচ্ছেপাড়া গ্রামের কাশেম গাজী।
স্থানীয় অনেকেই বলেন এই খাল দিয়ে বাঁশঝাড়ীয়া, নৈহাটী, হরিখালী, বাহাদুরপুর, বাজুয়াগড়, পিরোজপুর, মহেশ্বরপুর, গান্ধুলিয়া, উচ্ছেপাড়া ও বদরকাটী গ্রামের পানি সরবরাহের এক মাত্র মাধ্যম। তাছাড়া পানি সেচসহ এলাকার কৃষি মৎস্যচাষের জন্য প্রায় ১ হাজার চাষী এই খালের উপর নির্ভরশীল। খাল দখল করে বিক্রি করার কারণ জানার জন্য মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদেরের বাড়িতে না থাকায় তার দেখা মেলেনি তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য ধলবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গাজী শওকত হোসেনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন (০১৭৪৩৯১৬৫০৮) নাম্বারে একাধীক বার চেষ্টা করলেও নাম্বার বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। বিষয়টি সর্ম্পকে জানতে চাইলে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি নুর আহম্মেদ মাছুম বলেন দখলকারীদের কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলাম এবং তাদেরকে বলে হয়েছে খালের জায়গা ছেড়ে দিয়ে কাজ করার জন্য বলা হয়েছে তারা না শুনলে পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে রেগুলার মামলা করা হবে। উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করার পরও সরকারি খাল ভেকু দিয়ে মাটি ভরাট করে অবৈধ স্থপনা গড়ে ওঠায় দখল হতবাক হয়েছে এলাকাবাসী অতি দ্রুত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদসহ দখলকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য জেলা প্রশাসকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছে উপজেলার সর্বসাধারণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মোস্তাফিজুর রহমান: আশাশুনিতে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃাতিক কেন্দ্রের স্থান পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম-সচিব মো. আব্দুর রউফ। রোববার সকালে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃাতিক কেন্দ্রের স্থান ও জমির অবস্থা পরিদর্শন কালে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এম. বাকী বিল্লাহ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফাতেমা জোহরা, পিআইও সেলিম খান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এসএম আজিজুল হক এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ। উল্লেখ্য, বর্তমান সরকার দেশের সকল উপজেলায় একটি করে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহন করেছে। এরই আওতায় আশাশুনি উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদ ও মসজিদ সংলগ্ন জমিতে ১৭০/১১০ ফুট জমির উপর এই মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন করা হবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রভাষক শওকত আলী বাবু : সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মো. খলিলুর রহমান উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য মালয়েশিয়া গমন করেছেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি অব নটিংহাম এর আমন্ত্রণে ফিউচার লিডারর্স এন্ড ম্যানেজার্স এম.এ এডুকেশনাল লিডারশীপ এন্ড ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম এর আওতায় প্রিন্সিপাল ট্রেনিং মাস্টার্স অব আর্টস ইন এডুকেশন লিডারশীপ এন্ড ম্যানেজমেন্ট কোর্সে অংশগ্রহণ করতে শনিবার রাত সাড়ে ১১টায় দেশ ত্যাগ করেন। উল্লেখ্য রবিবার সকালে কলেজ প্রাঙ্গণে তাঁর বিদেশ সফর উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভায় মঙ্গল কামনা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

উঁহু! এই প্রথমবার এমন ঘটল না! প্রথমবার শুধু ঘটনাটা নিয়ে মুখ খুললেন তিনি! সাফ জানিয়েছেন রানী মুখার্জি তার পরিবারে নির্যাতন এবং মন্দ কথার স্রোত বয়ে যাওয়া প্রায় নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা!

তবে, এই নির্যাতনের বৃত্তান্ত কিন্তু পুলিশের কাছে জানাননি রানি। জানিয়েছেন নেহা ধুপিয়ার কাছে। আসলে, ‘ভোগ বিএফএফ’, অর্থাৎ বিশ্বখ্যাত ‘ভোগ’ পত্রিকা প্রযোজিত ‘বেস্ট ফ্রেন্ড ফরএভার’ টক শো-তে পুরনো বন্ধু এবং দেশের ডাকসাইটে ফ্যাশন ডিজাইনার সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়ের সাথে হাজির হয়েছিলেন রানি।

নেহা ধুপিয়ার আতিথ্যে এই শো-তে এসে বলিউডের অনেক তারকাই নানা রকম বিস্ফোরক শিরোনাম উপহার দিয়েছেন সংবাদ মাধ্যমকে। সেখানেই মন খুলে জানিয়েছেন নায়িকা পারিবারিক নির্যাতনের কথা।

তবে আগ বাড়িয়ে নয়। জানতে চেয়েছিলেন নেহা- রানি কি তার বরকে গালাগালি দেন? না কি মানুষটি আদিত্য চোপড়া এবং বলিউডের গডফাদারদের একজন বলে রেয়াত করে চলেন?

‘ও সবের প্রশ্নই উঠছে না! যখন আমার মাথা গরম হয়, তেড়ে গালাগালি করি আদিকে। শারীরিকভাবে হেনস্তাও করি, গায়ে হাত তুলি। তবে এটা কিন্তু একতরফা নয়। আদিরও মেজাজ গরম থাকলে মুখ দিয়ে খারাপ খারাপ কথা বেরোয়, আমায় পেটায়! এবং এটা একদিনের ব্যাপার নয়, প্রায় রোজই হয়’, অকপট স্বীকারোক্তি রানির।

তাহলে কি এটাই ধরে নিতে হবে যে খুব একটা সুখী দাম্পত্যে নেই নায়িকা? বাস করছেন চরম অশান্তির সংসারে?

এ রকম ভাবলে ভুল শুধরে নেওয়ার জন্য সে-ই নায়িকারই উক্তি ব্যবহার করতে হবে। ‘একটা কথা এখানে না বললেই নয়। গালাগালি দেই বলে আর পেটাই বলে আমরা যে পরস্পরকে ভালোবাসি না, তা নয়! বরং খুব বেশি রকমের ভালোবাসি বলেই এটা করতে পারি! আর গায়ে হাত তুললেও তা ঠিক শারীরিক অত্যাচার নয়, বরং ভালোবাসার অত্যাচার বলা যায়, জানিয়েছেন রানি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest