সর্বশেষ সংবাদ-
শহরের কুখরালী থেকে সোহানা নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারঈদ উল আযহা উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শো, ও পরিবহণ কাউন্টারে মনিটারিংকালিগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি সোহরাব হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তালায় গাঁজা সেবনের সময় আটক দিদার মোড়ল : ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ডসাতক্ষীরায় পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অবহিতকরণসাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃক শহরের ফুটপাত থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া ফল ও নগদ টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলনদেবহাটায় ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড বিধবা নারীর মাটির ঘর: মানবেতর জীবনজাতীয় প্রতিভা অন্বেষণে মূকাভিনয়ে দেশসেরা সাতক্ষীরার জান্নাতনারী ও যুব নেতৃত্বের অংশগ্রহণে জলবায়ু সহনশীলতা ও সুরক্ষা বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকপদোন্নতি পেয়ে যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার হলেন আকরামুল

দেড় লাখ নতুন মুক্তিযোদ্ধার আবেদন

মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য সারা বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় দেড় লাখ আবেদনপত্র পাওয়া গেছে। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য অনলাইনে ও সরাসরি আবেদনের সংখ্যা এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৪২ হাজার ৯৫০টি। এসব আবেদন যাচাই বাছাইয়ের জন্য ৪৭০টি কমিটিও গঠন করেছে মুক্তিযোদ্ধ মন্ত্রণালয়। সংসদ ভবনে আজ অনুষ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি এ বি তাজুল ইসলাম। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক, ইকবালুর রহীম, কামরুল লায়লা জলি বৈঠকে অংশ নেন।

বৈঠকে মন্ত্রণালয় আরো জানায়, বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের ষষ্ঠ তালিকার কাজ শুরু করেছে। এ মুহূর্তে গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ২ লাখ ৩১ হাজার ৩৮৫। ৩৭৩টি যাচাই বাছাই কমিটি এরমধ্যে বছাই প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। ৯৭টি কমিটির প্রতিবেদন এখনো পাওয়া যায়নি। এছাড়া যাচাই বাছাই কমিটির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২৯ হাজার ৩৭২ জন আপিল আবেদন করেছেন। ফলে যথাযথভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষা হলে কোন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা অর্ন্তভুক্তির সম্ভাবনা থাকবে না বা কোন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা বাদ পড়বে না বলে বৈঠকে জানানো হয়।

সংসদ সচিবালয় জানায়, বৈঠকে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অবস্থিত মুক্তযোদ্ধা সংসদকে লিজ প্রদানকৃত সম্পত্তির লিজের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু এসময়ে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ উক্ত জমির সদ্ব্যবহার করতে ব্যর্থ হওয়ায় উক্ত সম্পত্তি মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টকে পুনরায় দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে দেয়ার সুপারিশ করা হয়। এছাড়া বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি রক্ষার্থে রাশিয়ার আদলে দেশীয় প্রযুক্তি দিয়ে দ্রুত প্যনোরমা ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করার সুপারিশ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার; কালিগঞ্জের পুলিশ সদস্য আলিম আটক

এম বেলাল হোসাইন: সাতক্ষীরার দেবহাটায় অজ্ঞাত পরিচয় এক নারী ও এক শিশুর লাশ উদ্ধারের পর জানা গেছে তারা পরস্পর মা-মেয়ে। মা মেয়ে হত্যার মূল আসামী পুলিশ কনস্টেবল আলিমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গত বৃহস্পতিবার বিকেলে সাতক্ষীরার একদল পুলিশ সদস্য ঝিনাইদহে গিয়ে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় আবদুল আলিমকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেন। আলিম ছুটি নিয়ে বাড়িতে গিয়েছিলো।
মহেশপুর থানার ওসি লস্কর জায়াদুল হক বলেন, আবদুল আলিম সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ থানা-পুলিশে কমর্রত ছিলেন। ইতিমধ্যে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে। মামলাটি সাতক্ষীরার পুলিশই তদন্ত করবে।
এদিকে আবদুল আলিমকে রোববার সাতক্ষীরা আদালতে তোলার কথা থাকলেও সেটি সম্ভব হয়নি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই সুধাংশু কুমার হালদার বলেন, যেহেতু বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ একটি ডাবল মার্ডারেরর মামলা। আমরা অভিযুক্ত আলিম কে নিয়ে অভিযান অব্যাহত রেখেছি। সে কোথায় কিভাবে ছিলো। সে নিজে করেছে। নাকি কাউকে দিয়ে করিয়েছে। এসব জানার চেষ্টা করছি। আর অভিযানের থাকার কারণে তাকে হাজির করতে পারিনি।
অন্যদিকে কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবীর দত্ত বলেন, আমার থানার কর্মকর্তারা অভিযানে রয়েছে। যেহেতু কনস্টেবল আলিমকে এখনো আমার থানায় হাজির করা হয়নি। সেকারণে অফিসিয়ালী তাকে গ্রেফতার বলা যাচ্ছে না। তাকে প্রাথমিক তদন্তে আলিম ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করলেও তার মোবাইলের কললিষ্ট, ওই মহিলার সাতক্ষীরায় আসা এসব প্রশ্নে যে কোন জবাব দিতে পারছে না। যাইহোক অভিযান চলছে। অভিযান শেষ হলে বিস্তারিত জানাতে পারবো।
উল্লেখ্য, সাতক্ষীরার ইছামতী নদীতে এক দিনের ব্যবধানে দুটি মৃতদেহ পাওয়া যায়। পরিচয় না মেলায় অজ্ঞাতনামা হিসেবে লাশ দাফন করা হয় একই কবরস্থানে। পরে তাদের পরিচয় জানা যায়। জানা গেছে তারা আসলে মা-মেয়ে। তাদের বাড়ি ঝিনাইদহের মহেশপুরে।
নিহত নারীর নাম রিপ্না খাতুন (২২)। তিনি মহেশপুর উপজেলার যাদবপুর গ্রামের মুসা মিয়ার স্ত্রী। তাঁর সঙ্গে জীবন দিতে হয়েছে নিষ্পাপ শিশু মুন্নি আক্তারকে (৪)।
মুসা মিয়া বলেন, রিপ্নার বাবার বাড়িও যাদবপুরে। সাড়ে পাঁচ বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়। এক বছর পর জন্ম নেয় মুন্নি। বিয়ের আগে রিপ্নার সঙ্গে একই গ্রামের আবদুল আলিমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি তিনি জানতেন। তবে নিকটাত্মীয় হওয়ায় তিনি বিয়েতে রাজি হন। রিপ্না পুরোনো প্রেমিক আলিমকে ভুলে গেছেন বলে জানিয়েছিলেন।
মুসা মিয়ার ভাষ্য, প্রথম দিকে তাঁদের সংসারজীবন বেশ ভালো ছিল। কিন্তু রিপ্না মুঠোফোনে আলিমের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। আলিম পুলিশের চাকরি করেন। তাঁর কর্মস্থল সাতক্ষীরায়। সেখানে আলিম বিয়ে করেছেন। একটি সন্তান রয়েছে।
রিপ্না খাতুন মেয়ে মুন্নিকে সঙ্গে নিয়ে ১০ ফেব্রুয়ারি সকালে বাড়ি থেকে বের হন। বলে যান, মহেশপুর হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে যাচ্ছেন। এরপর থেকে কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। এ ঘটনায় মুসা মিয়া মহেশপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। এই নিখোঁজের পেছনে পুলিশের কনস্টেবল আবদুল আলিমের হাত থাকতে পারে বলে তিনি থানা-পুলিশকে জানিয়েছিলেন।
সাতক্ষীরার দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী কামাল বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি সীমান্তের নদী ইছামতীর ছুটিপুর এলাকা থেকে এক শিশুর লাশ উদ্ধার হয়। তবে লাশের কোনো পরিচয় মেলেনি। ফলে স্থানীয় চৌকিদার ফজর আলী থানায় একটি জিডি করেন। সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুর কবরস্থানে বেওয়ারিশ হিসেবে লাশটি দাফন করা হয়।
সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুধাংশু কুমার হালদার বলেন, ১৪ ফেব্রুয়ারি ইছামতীর নদীর বসন্তপুর এলাকা থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। তাঁর শরীরের একাধিক স্থানে জখমের চিহ্ন ছিল। ফলে থানার এসআই ইসরাফিল হোসেন একটি হত্যা মামলা করেন। তবে এ লাশেরও পরিচয় মেলেনি। ফলে একই কবরস্থানে বেওয়ারিশ হিসেবে লাশটি দাফন করা হয়।
পুলিশ বলছে, এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সুধাংশু কুমার হালদার। তিনি নিহত নারীর ছবি দেশের বিভিন্ন থানায় পাঠান। ছবি দেখে ঝিনাইদহের মুসা মিয়া লাশটি তাঁর স্ত্রীর বলে শনাক্ত করেন। গত শুক্রবার তিনি সাতক্ষীরায় পৌঁছান। সঙ্গে মহেশপুর থানার একদল পুলিশও ছিল। পরে দেবহাটা থানায় গিয়ে মুসা ওই শিশুর লাশের ছবি দেখেন। সেটি তাঁর মেয়ে মুন্নি বলে শনাক্ত করেন।
মুসা মিয়া বলেন, তিনি স্ত্রী-সন্তানের লাশ পেতে চান। আদালতে রোববার আবেদন করবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: রবিবার বিকাল ৪ ঘটিকায় বাঁকাল দারুল হাদিছ আহমাদীয়া সালাফিইয়া এতিমখানা বালিকা শাখা উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা ২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। বিশেষ অতিথি ছিলেন আহলে হাদীছ আন্দোলনের কেন্দ্রিয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক ও জেলা সেক্রেটারী মাওঃ আলতাফ হোসেন, জেলা সভাপতি মাওঃ আব্দুল মান্নান, জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ। মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠা সদস্য ও আহলে হাদীছ আন্দোলনের কেন্দ্রিয় শুরা সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আব্দুর রহমান সরদারের সভাপতিত্বে ও উপাধ্যক্ষ মাওঃ মোঃ মহিদুল ইসলামের পরিচালনায় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা আহলে হাদীছ আন্দোলনের সহ-সভাপতি মাওঃ মোঃ ফজুলর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক শাহীদুজ্জামান ফারুক, অর্থ সম্পাদক মোঃ কেরামত আলি, প্রচার সম্পাদক মোঃ শাহিনুর রহমান, যুব বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল খালেক, কেন্দ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আব্দুস সামাদ, আহলে হাদীছ যুব সংঘের জেলা সভাপতি মাওঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহ-সভাপতি মাওঃ আসাদুল্লাহ, সেক্রেটারী মাওঃ মুজাহিদুর রহমান, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মাওঃ দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।
দারুল হাদীছ আহমাদীয়া সালাফিইয়ার বালিকা শাখার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, আল্লাহর রহমত অনুগ্রহ ছাড়া কোন কাজ করা সম্ভব নয়। ভবিষ্যতের সাতক্ষীরাকে গড়ার লক্ষ্যে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। আহলে হাদীছ আন্দোলনের নেতা কর্মীরা অত্যন্ত সুশৃঙ্খল। তারা আল্লাহর পথে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে ড. আসাদুল্লাহ আল গালীবের নেতৃত্বে সংগঠনটি শক্তিশালী সংগঠনে রুপান্তরিত হয়েছে। আল্লাহর অনুগ্রহ প্রাপ্তির জন্য তিনি সর্বদা এতিমদের সাথে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেন এবং আহলে হাদীছ আন্দোলনকে আরো গতিশীল করতে তিনি সার্বিক সহযোগিতা করারও আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি আরো বলেণ, আমৃত্যু সাতক্ষীরা বাসীর জন্য কাজ করে যাবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মোঃ আরাফাত আলী: কালিগঞ্জ উপজেলার ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের বাঁশঝাড়িয়া বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন গেল্লের খাল প্রশাসনের ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সহযোগিতায় কতিপয় ব্যাক্তি করছে খাল দখলের মহা উৎসব। গত ৪ ফ্রেরুয়ারি ডেইলি সাতক্ষীরা অনলাইন পত্রিকায় কালিগঞ্জে ৮০ হাজার টাকা করে সরকারি খালের পজিশন বিক্রি করছেন কাদের শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর নড়েচরে বসে প্রশাসন। দুই চার দিন দখলকারীরা কাজ বন্ধ রেখে বর্তমানে আবারও তৎপর দখলবাজরা।
তৎকালীন বিষয়টি সর্ম্পকে জানতে চাইলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুর আহম্মেদ মাছুম বলেন, খাল দখলকারীদের স্থাপনা সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে এছাড়া নতুন করে স্থাপনা বন্ধ রাখার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে পরবর্তীতে আইননুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কিন্তু দখলদাররা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমির কথা অমান্য করে সেখানে বসতবাড়ি নির্মাণসহ ১ একর জমি দখল করে অবৈধ স্থপনা গড়ে তুলছে ধলবাড়ীয়া ইউনিয়নের বাজুয়াগড় গ্রামের মৃত মোনতেজ গাজীর ছেলে গোলাম গাজী, শুকচান গাজীর ছেলে গোলাম গাজী ও একই এলাকার উচ্ছেপাড়া গ্রামের মৃত সেফাত উল্ল্যাহ গাজীর ছেলে কাশেম গাজী। অবধৈভাবে খাল দখলকারী গোলাম গাজী, কাশেম গাজী ও গোলাম গাজী জানান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাদেরকে নোটিশ করে যেতে বলেন গত ৭ ফ্রেরুয়ারি তারা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমির অফিসে হাজির হলে তিনি তাদেরকে খালে পানি সরবরাহের পথ রেখে কাজ চালিয়ে যেতে বলেছেন বলে জানান দখলকারীরা। এছাড়া যদি কোন ব্যাক্তি দখল সর্ম্পকে কোন তথ্য নিতে আসে তাহলে ধলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তথ্য গ্রাহীতাদের তার সাথে কথা বলার জন্য বলেছেন এমনটাই জানান তারা । উল্লেখ্য যে গত ১ মাস যাবৎ ড্রেজার দিয়ে খাল খনন করে মাটি তুলে দখল নিয়ে ৮০ হাজার টাকা করে পজিশন বিক্রি করেছেন কাটুনিয়া রাজবাড়ী ডিগ্রি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত প্রভাষক আব্দুল কাদের। সরেজমিনে যেয়ে দেখা যায় উপজেলার ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের বাঁশঝাড়িয়া বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন গেল্লের খাল বাজুয়াগড় গ্রামের মৃত পঁচলা শেখের ছেলে আব্দুল কাদের তার বসত বাড়ীর সামনে অবস্থিত ড্রেজার দিয়ে খাল থেকে মাটি খনন করে ১ একর জমি দখল করে ৩ পরিবারের নিকট থেকে মোট ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন বলে জানা যায়। বর্তমানে গেল্লের খালের উপর বসত বাড়ী গড়ে তুলেছে ধলবাড়ীয়া ইউনিয়নের বাজুয়াগড় গ্রামের গোলাম গাজী, গোলাম গাজী (২) ও একই এলাকার উচ্ছেপাড়া গ্রামের কাশেম গাজী।
স্থানীয় অনেকেই বলেন এই খাল দিয়ে বাঁশঝাড়ীয়া, নৈহাটী, হরিখালী, বাহাদুরপুর, বাজুয়াগড়, পিরোজপুর, মহেশ্বরপুর, গান্ধুলিয়া, উচ্ছেপাড়া ও বদরকাটী গ্রামের পানি সরবরাহের এক মাত্র মাধ্যম। তাছাড়া পানি সেচসহ এলাকার কৃষি মৎস্যচাষের জন্য প্রায় ১ হাজার চাষী এই খালের উপর নির্ভরশীল। খাল দখল করে বিক্রি করার কারণ জানার জন্য মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদেরের বাড়িতে না থাকায় তার দেখা মেলেনি তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য ধলবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গাজী শওকত হোসেনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন (০১৭৪৩৯১৬৫০৮) নাম্বারে একাধীক বার চেষ্টা করলেও নাম্বার বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। বিষয়টি সর্ম্পকে জানতে চাইলে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি নুর আহম্মেদ মাছুম বলেন দখলকারীদের কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলাম এবং তাদেরকে বলে হয়েছে খালের জায়গা ছেড়ে দিয়ে কাজ করার জন্য বলা হয়েছে তারা না শুনলে পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে রেগুলার মামলা করা হবে। উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করার পরও সরকারি খাল ভেকু দিয়ে মাটি ভরাট করে অবৈধ স্থপনা গড়ে ওঠায় দখল হতবাক হয়েছে এলাকাবাসী অতি দ্রুত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদসহ দখলকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য জেলা প্রশাসকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছে উপজেলার সর্বসাধারণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মোস্তাফিজুর রহমান: আশাশুনিতে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃাতিক কেন্দ্রের স্থান পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম-সচিব মো. আব্দুর রউফ। রোববার সকালে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃাতিক কেন্দ্রের স্থান ও জমির অবস্থা পরিদর্শন কালে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এম. বাকী বিল্লাহ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফাতেমা জোহরা, পিআইও সেলিম খান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এসএম আজিজুল হক এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ। উল্লেখ্য, বর্তমান সরকার দেশের সকল উপজেলায় একটি করে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহন করেছে। এরই আওতায় আশাশুনি উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদ ও মসজিদ সংলগ্ন জমিতে ১৭০/১১০ ফুট জমির উপর এই মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন করা হবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রভাষক শওকত আলী বাবু : সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মো. খলিলুর রহমান উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য মালয়েশিয়া গমন করেছেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি অব নটিংহাম এর আমন্ত্রণে ফিউচার লিডারর্স এন্ড ম্যানেজার্স এম.এ এডুকেশনাল লিডারশীপ এন্ড ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম এর আওতায় প্রিন্সিপাল ট্রেনিং মাস্টার্স অব আর্টস ইন এডুকেশন লিডারশীপ এন্ড ম্যানেজমেন্ট কোর্সে অংশগ্রহণ করতে শনিবার রাত সাড়ে ১১টায় দেশ ত্যাগ করেন। উল্লেখ্য রবিবার সকালে কলেজ প্রাঙ্গণে তাঁর বিদেশ সফর উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভায় মঙ্গল কামনা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

উঁহু! এই প্রথমবার এমন ঘটল না! প্রথমবার শুধু ঘটনাটা নিয়ে মুখ খুললেন তিনি! সাফ জানিয়েছেন রানী মুখার্জি তার পরিবারে নির্যাতন এবং মন্দ কথার স্রোত বয়ে যাওয়া প্রায় নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা!

তবে, এই নির্যাতনের বৃত্তান্ত কিন্তু পুলিশের কাছে জানাননি রানি। জানিয়েছেন নেহা ধুপিয়ার কাছে। আসলে, ‘ভোগ বিএফএফ’, অর্থাৎ বিশ্বখ্যাত ‘ভোগ’ পত্রিকা প্রযোজিত ‘বেস্ট ফ্রেন্ড ফরএভার’ টক শো-তে পুরনো বন্ধু এবং দেশের ডাকসাইটে ফ্যাশন ডিজাইনার সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়ের সাথে হাজির হয়েছিলেন রানি।

নেহা ধুপিয়ার আতিথ্যে এই শো-তে এসে বলিউডের অনেক তারকাই নানা রকম বিস্ফোরক শিরোনাম উপহার দিয়েছেন সংবাদ মাধ্যমকে। সেখানেই মন খুলে জানিয়েছেন নায়িকা পারিবারিক নির্যাতনের কথা।

তবে আগ বাড়িয়ে নয়। জানতে চেয়েছিলেন নেহা- রানি কি তার বরকে গালাগালি দেন? না কি মানুষটি আদিত্য চোপড়া এবং বলিউডের গডফাদারদের একজন বলে রেয়াত করে চলেন?

‘ও সবের প্রশ্নই উঠছে না! যখন আমার মাথা গরম হয়, তেড়ে গালাগালি করি আদিকে। শারীরিকভাবে হেনস্তাও করি, গায়ে হাত তুলি। তবে এটা কিন্তু একতরফা নয়। আদিরও মেজাজ গরম থাকলে মুখ দিয়ে খারাপ খারাপ কথা বেরোয়, আমায় পেটায়! এবং এটা একদিনের ব্যাপার নয়, প্রায় রোজই হয়’, অকপট স্বীকারোক্তি রানির।

তাহলে কি এটাই ধরে নিতে হবে যে খুব একটা সুখী দাম্পত্যে নেই নায়িকা? বাস করছেন চরম অশান্তির সংসারে?

এ রকম ভাবলে ভুল শুধরে নেওয়ার জন্য সে-ই নায়িকারই উক্তি ব্যবহার করতে হবে। ‘একটা কথা এখানে না বললেই নয়। গালাগালি দেই বলে আর পেটাই বলে আমরা যে পরস্পরকে ভালোবাসি না, তা নয়! বরং খুব বেশি রকমের ভালোবাসি বলেই এটা করতে পারি! আর গায়ে হাত তুললেও তা ঠিক শারীরিক অত্যাচার নয়, বরং ভালোবাসার অত্যাচার বলা যায়, জানিয়েছেন রানি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেষ ম্যাচেও হারের লজ্জা বাংলাদেশের

জয়ের লক্ষ্যটা ছিল পাহাড়সম, ২১১ রান। শুরুতে ব্যাটিং করে শ্রীলঙ্কাকে এই বিশাল সংগ্রহ গড়তে দেখেই হয়তো বাংলাদেশের জয় নিয়ে সন্দীহান হয়ে পড়েছিলেন সমর্থকেরা। শেষপর্যন্ত হয়েছেও তেমনটাই। তবে হারের ধরণ ও ব্যবধান যে এতটা খারাপ হবে- সেটা হয়তো প্রত্যাশা করেননি অনেকে। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৬ উইকেটে হারের পর সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচটি বাংলাদেশ হেরেছে ৭৫ রানের বড় ব্যবধানে। ২১১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৮ বল বাকি থাকতেই ১৩৫ রানে গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশের ইনিংস।

২১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ৮ রানের মাথায় ওপেনার সৌম্য সরকারের উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। সেটি ছিল দ্বিতীয় ওভারের ঘটনা। পরের ওভারে সৌম্যর পথে হেঁটেছেন মুশফিকর রহিম ও মোহাম্মদ মিঠুনও। কেউই স্পর্শ করতে পারেননি দুই অঙ্কের কোটা। চতুর্থ উইকেটে ৩৭ রানের জুটি গড়ে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তামিম ইকবাল ও অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। কিন্তু দলীয় ৫৯ রানের মাথায় অষ্টম ওভারে তামিমকে সাজঘরমুখী করেন বাঁহাতি স্পিনার আমিলা আপোনসো। পরের ওভারে আরিফুল হকও সাজঘরে ফিরে গেছেন মাত্র ২ রান করে। ১৫তম ওভারে মাহমুদউল্লাহর বিদায়ের পরপরই নিশ্চিত হয়ে যায় বাংলাদেশের হার। ৪১ রানের অধিনায়কোচিত এক ইনিংস এসেছে মাহমুদউল্লাহর ব্যাট থেকে। শেষপর্যায়ে মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের ২০ ও মেহেদী হাসানের ১১ রানের ইনিংস দুটি হারের ব্যবধানটাই শুধু কমাতে পেরেছে বাংলাদেশ।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে হেরে গেছে বাংলাদেশ। সমতা ফেরানোর লক্ষ্য নিয়ে দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নেমেও খুব বেশি সুবিধা করে উঠতে পরেননি বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। টস হেরে ব্যাটিংয়ে কুশল মেন্ডিস, গুনাথিলাকা, থিসারা পেরেরাদের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ভর করে মাত্র চার উইকেট হারিয়েই স্কোরবোর্ডে ২১০ রান জমা করেছে শ্রীলঙ্কা।

শুরু থেকেই ঝড়ো ব্যাটিং করে গেছে শ্রীলঙ্কা। কুশল মেন্ডিস ও গুনাথিলাকার ৬৬ বলের উদ্বোধনী জুটি থেকেই এসেছিল ৯৮ রান। একাদশতম ওভারে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দিয়েছেন সৌম্য সরকার। ৪২ রান করে ফিরে গেছেন গুনাথিলাকা। তবে এরপরও বাংলাদেশি বোলারদের স্বস্তি দেননি মেন্ডিস ও পেরেরা। দ্বিতীয় উইকেটে তাঁরা গড়েছিলেন ৫১ রানের ঝড়ো জুটি। ১৬তম ওভারে এই জুটি ভাঙেন অভিষিক্ত আবু জায়েদ। সাজঘরে ফেরান ৩১ রান করা পেরেরাকে। পরের ওভারে ৭০ রান করা মেন্ডিসের উইকেটও তুলে নিয়েছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। শেষপর্যায়ে উপুল থারাঙ্গার ২৫ ও দাশুন সানাকার ৩০ রানের ছোট ইনিংস দুটিতে ভর করে স্কোরবোর্ডে ২১০ রান জমা করে শ্রীলঙ্কা।

সিরিজের প্রথম ম্যাচে স্কোরকার্ডে নিজেদের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি রান তুলেও বাংলাদেশকে হেরে যেতে হয়েছিল ছয় উইকেটে।

সিলেটে বাংলাদেশ মাঠে নামছে চার পরিবর্তন নিয়ে। ফিরে এসেছেন দলের উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল। অভিষেক সিরিজে অফস্পিনার মেহেদী হাসানের সঙ্গে সিলেটের ছেলে আবু জায়েদ রাহীর অভিষেকটাও হয়ে গেল নিজের ঘরের মাঠেই। আফিফ হোসেনের পরিবর্তে দলে এসেছেন মোহাম্মদ মিঠুন।

বাংলাদেশ একাদশ : মাহমুদউল্লাহ (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ মিঠুন, আরিফুল হক, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, নাজমুল ইসলাম অপু, মুস্তাফিজুর রহমান, মেহেদী হাসান ও আবু জায়েদ রাহী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest