এমন জুতা, ১২৫ কোটি টাকা দাম!

পায়ের নিচে থাকবে ১২৫ কোটি টাকা (১৫ দশমিক ১ মিলিয়ন ডলার)! অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটাই সত্যি। যুক্তরাজ্যের ডিজাইনার ডেবি উইংহাম এমনই একজোড়া জুতার নকশা করেছেন, যার এই আকাশছোঁয়া মূল্য ধরা হয়েছে। তাঁর দাবি, এটাই বিশ্বের সবচেয়ে দামি জুতা।

গলফ নিউজের খবরে বলা হচ্ছে, দুবাইয়ের একটি হোটেলে আগামী ১ নভেম্বর জুতাজোড়া প্রদর্শন করা হবে। হোটেলটির ১০ বছর পূর্তি উদযাপন করতে এ আয়োজন করা হয়েছে।

জুতাজোড়ায় ব্যবহার করা হয়েছে এক হাজার হীরা। ধরন ও আকারের দিক দিয়ে হীরাগুলো একেবারেই আলাদা। সেটিতে দুটি তিন ক্যারেট মানের গোলাপি, দুটি নীল ও চারটি সাদা হীরা ব্যবহার করা হয়েছে। পুরো জুতাজোড়া হাতে তৈরি। সেটি তৈরি করতে কারিগরদের সময় লেগেছে কয়েকশ ঘণ্টা।

১৮ ক্যারেট স্বর্ণের সুতা দিয়ে সেলাই করা হয় জুতাজোড়া। জুতায় দেওয়া হয়েছে সোনার রঙের পালিশ। এমনকি ভেতরও বাঁধানো হয়েছে সোনা দিয়ে। জেসমিন ফুলের আদলে জুতাটি নকশা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিজাইনাররা।

এ বিষয়ে একজন কারিগর জানান, জুতাজোড়া জন্মদিনের উপহারের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এ জন্য দামটা একটু কম রাখা হয়েছে। না হলে জুতার মূল্য আকাশ ছুঁয়েই ফেলত।

ডিজাইনার ডেবি তাঁর ইনস্টাগ্রামে লেখেন, ‘সবচেয়ে দামি জুতা একজন আরব আমিরাতের ক্রেতার জন্য তৈরি করেছি। আমি খুবই আনন্দিত।’

ডেবি ‘ফিউচার অব ফ্যাশন একাডেমি’র প্রতিষ্ঠাতা। এর আগে এই বিখ্যাত ডিজাইনার ৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের কেক ও ১৫ মিলিয়িন ডলার মূল্যের পোশাক তৈরি করে সুনাম কুড়িয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দাউদ ইব্রাহিমের চরিত্রে ইরফান, মাফিয়া কুইন দীপিকা!

দাউদ ইব্রাহিম। আন্ডারওয়ার্ল্ড জগতের ত্রাস তিনি।
তাকে নিয়ে গল্প ও গুজবের কোনও শেষ নেই। নিত্য নতুন চমকপ্রদ খবর আসে তাকে ঘিরে। এ মাফিয়া ডনকে নিয়ে বেশ কয়েকটি সিনেমাও তৈরি হয়েছে। তবে এবার দাউদের চরিত্রে অভিনয় করতে যাচ্ছেন বলিউডে পরীক্ষীত অভিনেতা ইরফান খান। আর তার সঙ্গে মাফিয়া কুইন হিসেবে থাকছেন হালের হার্টথ্রুব নায়িকা দীপিকা পাড়ুকোন।

জানা গেছে, গ্যাংস্টার ড্রামা নিয়ে তৈরি ‘স্বপ্না দিদি’ সিনেমায় একসঙ্গে হাজির হবেন তারা।
অবশ্য দাউদ ইব্রাহিমের চরিত্রে ইরফানই যে প্রথম অভিনয় করছেন বিষয়টি তা নয়। এর আগে ফারহান আখতার, সিদ্ধান্ত কাপুর ও হৃষি কাপুর দাউদ ইব্রাহিমের চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
সিনেমায় অভিনয় বিষয়ে ইরফান খান বলেন, অ্যাকশননির্ভর গল্প নিয়ে এ সিনেমা।
এখনও সিনেমার গল্প তৈরির কাজ চলছে। চরিত্রের জন্য নিজেকে তৈরি করছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় আই জি পি কাপ যুব কাবাডি প্রতিযোগিতা

বিজয় ঘোষ, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি দেবহাটা : দেবহাটায় আই জি পি কাপ যুব অনুর্ধ্ব-২১ কাবাডি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকাল ১০ টায় থানা পুলিশের আয়োজনে দেবহাটা উপজেলা ফুটবল মাঠে ইউনিয়ন ভিত্তিক কাবাডি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে দেবহাটা থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শরিফুল ইসলামের সভপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন অফিসার ইনচার্জ কাজী কামাল হোসেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, পারুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, দেবহটা সদর ইউপি চেয়ারম্যান আবু-বকর গাজী, কুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলগের সভাপতি রুহুল কুদ্দুস, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন সাহেব আলী। এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্রেস ক্লাবের সভাপতি আব্দুল ওহাব, এসআই ইয়ামিন আলী, আল-আমিন, আব্দুল কাদের, হাবিব, মাজরিহা হোসাইন, আব্দুস সামাদ পি এস আই প্রিতিশ, ফরিদ এ এস আই কালাম, মাসুদ, আল-আমিন, আলাউদ্দীন, শামিম, আমজাত হোসেন, আব্দুল গণি, এমাইদুল ইসলাম, কায়সার, পারুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য ফরহাদ হোসেন হিরা, ইয়ামিন মোড়ল, গাজী শহিদুল্লাহ, সখিপুর ইউপি সদস্য নির্মল মন্ডল, আকবর আলী, মোনাজাত আলী, পরিতোষ বিশ্বাস, মোখলেছুর রহমান, আবুল হোসেন, হাফিজুর রহমান, আরতী রানী, আলফাতুন্নেছা, নওয়াপাড়া ইউপি সদস্য নুরুজামান সরদার, আসমাতুল্লা গাজী প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আনারুল হক। খেলা পরিচালনা করেন, রফিকুল ইসলাম, আবু মুছা, মিজানুর রহমান, ফারুক হোসেন, আনোয়ার হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা পরিষদ জেলার উন্নয়ন ছাড়াও অসহায় মানুষের সেবায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে- নজরুল ইসলাম

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ ৫শ’ টি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাঝে মোট সাড়ে ৬ লক্ষ টাকার আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান করেছে। রবিবার দুপুরে জেলা পরিষদ কর্তৃক এ চেক বিতরণ অনুষ্ঠান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে চেক বিতরণ করেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম।
এসময় তিনি বলেন, ‘জেলা পরিষদ জেলার উন্নয়ন ছাড়াও অসহায় মানুষের সেবা দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সাতক্ষীরার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধী, গরীব মেধাবী ছাত্র ও বিভিন্ন অসহায় অসুস্থ্য ব্যক্তির চিকিৎসার জন্য জেলা পরিষদ এ আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করছে। এখানে কোন বৈষম্য বা স্বজনপ্রীতির সুযোগ নেই। সাধারণ মানুষের উন্নয়নে ও কল্যাণে জেলা পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সাতক্ষীরা ৫শ টি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অনুকুলে সাড়ে ৬ লক্ষ টাকার আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ হাসিনা হত্যাচেষ্টার মামলায় ১১ জনের যাবজ্জীবন

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা হত্যাচেষ্টার বিস্ফোরক আইনের মামলায় ১১ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে এ মামলায় অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় একজনকে খালাস দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন বিচারক।

আজ রোববার বিকেলে ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জাহিদুল কবির এ দিন ধার্য করেন। গত ১৬ অক্টোবর মামলার শুনানি শেষে এ দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আবু সাংবাদিকদের বিষয়টি জানিয়েছেন।

এর আগে এই মামলার হত্যাচেষ্টার জন্য দণ্ডবিধির দুটি ধারায় পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের অস্থায়ী এজলাসে একই বিচারক মো. জাহিদুল কবির ১১ জনকে ২০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ডদেশ দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে তাঁদের ৪০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুর রশীদ, মিজানুর রহমান, মো. শাজাহান বালু, গাজী ইমাম হোসেন, গোলাম সারোয়ার ওরফে মামুন, জজ মিয়া, ফ্রিডম সোহেল, সৈয়দ নাজমুল মাকসুদ মুরাদ, খন্দকার আমিরুল ইসলাম কাজল, জাফর আহমেদ ও হুমায়ুন কবির ওরফে হুমায়ুন।

এ ছাড়া অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় হুমাউন কবির ওরফে কবিরকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট মধ্যরাতে ফ্রিডম পার্টির নেতৃত্বে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে গুলি ও গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। তিনি তখন ওই বাসাতেই থাকতেন এবং ঘটনার সময় ওই বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন।

এ ঘটনায় বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল জহিরুল ইসলাম একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ফ্রিডম পার্টির সদস্য কাজল ও কবিরের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল ৩২ নম্বরের বাড়িতে অতর্কিতে গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা করে এবং হামলাকারীরা তখন ‘কর্নেল ফারুক-রশিদ জিন্দাবাদ’ বলে স্লোগান দিতে দিতে পালিয়ে যায়।

পরবর্তী সময়ে মামলাটি তদন্ত করে ১৯৯৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ১১ জনকে অভিযুক্ত করে দণ্ডবিধি ও বিস্ফোরক আইনের দুটি অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।

মামলার আসামিরা হলেন—গোলাম সারোয়ার ওরফে মামুন, জজ মিয়া, ফ্রিডম সোহেল, সৈয়দ নাজমুল মাকসুদ মুরাদ, গাজী ইমাম হোসেন, খন্দকার আমিরুল ইসলাম কাজল, মিজানুর রহমান, হোমায়েন কবির, মো. শাজাহান বালু, লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুর রশীদ, জাফর আহমেদ ও এইচ কবির।

আসামিদের মধ্যে প্রথম চারজন কারাগারে, শেষের তিনজন পলাতক এবং অপর আসামিরা জামিনে রয়েছেন।

২০০৯ সালের ৫ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে বখাটেদের হাতে লাঞ্ছিত কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা

আব্দুল জলিল : সাতক্ষীরার শ্যামনগরে কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে বখাটেদের হাতে লাঞ্ছনার শিকার জয়শ্রী চক্রবর্তী (১৭) নামের একাদশ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক কিশোরী আত্মহত্যা করেছে। গত বুধবার শ্যামনগরের বয়ারসিং গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জয়শ্রী বয়ারসিং গ্রামের মাখন চক্রবর্তীর মেয়ে।
বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর গত শুক্রবার নিহত কিশোরীর বাবা মাকন চক্রবর্তী বাদী হয়ে বখাটে শেখর মন্ডলসহ তাঁর তিন-চারজন সহযোগীর বিরুদ্ধে শ্যামনগর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। ইতিমধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে বখাটেদের ধরতে তৎপরতা চালাচ্ছে।
নিহত কিশোরীর ভাই কাজল চক্রবর্তী জানান, জয়শ্রী উপজেলার নওয়াবেঁকী মহাবিদ্যালয়ের একাদশ শ্রেণিতে পড়ত। কলেজে যাতায়াতের পথে পাশের বড়কুপোট গ্রামের শেখর মন্ডল প্রায়ই তাকে উত্ত্যক্ত করতেন। তিনি আরও জানান, ঘটনার দিন জয়শ্রী বাড়ি ফেরার পথে নওয়াবেঁকীর বাঁশের হাটের সামনের রাস্তায় শেখর তিন-চারজন সঙ্গী নিয়ে তার পথ রোধ করেন। এ সময় তাঁরা তাঁর বোনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন ও কাঁচি দিয়ে মাথার চুল কেটে দেন।
কাজল চক্রবর্তী অভিযোগ করে বলেন, চুল কেটে দেওয়ার পর জয়শ্রী কাঁদতে কাঁদতে বাড়ির পথ ধরে। কর্মকারপাড়া পর্যন্ত পৌঁছানো মাত্রই শেখর মন্ডল মোটরসাইকেলে করে বন্ধুদের নিয়ে সেখানে উপস্থিত হয়ে ফাঁকা রাস্তার মধ্যে জয়শ্রীর ওড়না কেটে নেন। এ সময় জয়শ্রীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে শেখর সহযোগীদের নিয়ে পালিয়ে যান।
জয়শ্রীর বাবা মাখন মন্ডল জানান, বাড়িতে ফিরে জয়শ্রী ঘরের মধ্যে ঢুকে কান্নাকাটি করতে থাকে। কারণ জানতে চাইলে পথে সে শেখর মন্ডলসহ তাঁর বন্ধুদের হাতে হেনস্থার ঘটনা খুলে বলে।
মাখন মন্ডল বলেন, আগামী মাসেই মেয়ের বিয়ের দিন ধার্য ছিল। তাই বিষয়টি তাঁরা চেপে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু সন্ধ্যার পর জয়শ্রী ঠাকুরঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। উদ্ধার করে প্রথমে শ্যামনগর ও পরে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
অভিযুক্ত শেখর মন্ডলের বাড়ি বড়কুপোট গ্রামে। সেখানে গিয়ে ঘরে তালা ঝুলতে দেখা গেছে। বাড়িতে কাউকে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় আটুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবু সালেহ বাবু জানান, এ ঘটনায় জড়িত বখাটেদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানান।
এ ব্যাপারে শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মান্নান আলী জানান, ঘটনাটি ২৫ অক্টোবর হলেও ২৭ অক্টোবর তাঁদের জানানো হয়েছে। জয়শ্রীর পরিবার দেরিতে জানানোর সুযোগে আসামিরা পালিয়ে থাকলেও তাদেও গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে পুলিশের অভিযানে ১২৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, কালিগঞ্জ : কালিগঞ্জ পুলিশের বিশেষ অভিযানে উপজেলার ভাড়াশিমলা ইউনিয়নের বাগবাটি গ্রামের জালালতলা ত্রিমোহনী মোড় থেকে শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ১২৫ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এজাহার সূত্রে জানাযায় ভাড়াশিমলা ইউনিয়নের বাংলাদেশ ও ভারত সিমান্তের শুইলপুর ঘাট দিয়ে মাদকের একটি বড় চালান পাচার হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার গভীর রাতে থানার উপ-পরিদর্শক প্রকাশ ঘোষ, সহকারী উপ-পরিদর্শক আবু জাফর ও সুজিত বিশ্বাসের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বাগবাটি গ্রামের জালালতলা ত্রিমোহনী মোড়ে অভিযান চালায় এসময় পুলিশের উপস্থিতি টেরপেয়ে চোরাকারবারীরা সাদা রংয়ের প্লাস্টিকের ও টিয়ে রংয়ের পলিথিনের বস্তা ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এসময় পুলিশ বস্তাটি তল্লাশি চালিয়ে তার ভেতরে রাখা ১২৫ বোতল ভেনসিডিল উদ্ধার করে । এব্যাপারে কালিগঞ্জ থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক আবু জাফর বাদী হয়ে থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে( মামলা নং -৩)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা বিএনপির নেতা হুদা যশোরে গ্রেফতার

আসাদুজ্জামান : ফেইসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্টে শেয়ার করার অভিযোগে তথ্য ও প্রযুক্তি আইনের মামলায় সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলার ভালুকা চাঁদপুর কলেজের শিক্ষক অধ্যাপক মোদাচ্ছেরুল হক হুদাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার সকালে যশোর শহর থেকে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ সেখানকার কতোয়ালী থানা পুলিশের সহযোগিতায় তাকে গ্রেফতার করেন।
এর আগে, গত ১৪ অক্টোবর রাতে সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামীরীগের সাধারন সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে তথ্য ও প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। পরদিন সকালে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মারুফ আহমেদ উক্ত এজাহারটি পুলিশ হেড কোয়াটারে পাঠান। সেখান থেকে যচাই বাছাই শেষে ১৭ অক্টোবর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এজাহাটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করার নির্দেশ পাওয়ার পর পরই মামলাটি রেকর্ড করেন ওসি। মামলা নং-৫২। তারিখ-১৭.১০.১৭।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি নেতা হুদা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে বেশ কয়েকদিন ধরে ফেসবুকে আপত্তিকর পেষ্টে শেয়ার করেছেন নিজের ফেইসবুক আইডি থেকে। শুধু প্রধানমন্ত্রী নন তার ফেইসবুক আইডিতে ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিয়েও গালিগালাজের কমতি করেননি। প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত ছবি আপলোড করা পোষ্টেও তিনি শেয়ার করেন। তিনি আল জাহিদ নামের একটি ফেইসবুক আইডি থেকে আপলোড করা পোষ্টে শেয়ার করে এই অপকর্মগুলি অনায়াসে চালিয়ে গেছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর ছবিতে আপত্তিকর কথা লিখে শেয়ারও করেন। Modasserul Haque Huda নামের আইডি থেকে বিএনপি অনলাইন উইং, বিএনপি সমর্থকগোষ্ঠী, ইরা চৌধুরী আইডি থেকে সরকার বিরোধী ও দেশ বিরোধী আপলোড করা ছবিসহ বিভিন্ন পোস্ট শেয়ার করেন। এ বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হলে সাতক্ষীরার পৌর আওয়ামীরীগের সাধারন সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে তথ্য ও প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহমেদ বিএনপি নেতা হুদার গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তাকে এখন যশোর শহর থেকে সাতক্ষীরায় আনা হচ্ছে।
উল্লেখ্য ঃ বিএনপি নেতা হুদার বিরুদ্ধে এ মামলা দায়েরের পর থেকে দীর্ঘ ১৫ দিন পলাতক থাকার পর রোববার সকালে পুলিশ তাকে যশোর শহর থেকে গ্রেফতার করেন। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর তিনি পলাতক থাকা অবস্থায় তার আপন সহোদর ভালুকা চাঁদপুর কলেজের বিতর্কিত অধ্যক্ষ ও সাবেক বিএনপি নেতা মোবাশ্বেরুল হক জোতির সহযোগিতায় তিনি তার হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন। এ নিয়েও সমালোচনার ঝড় ওঠে কলেজ অধ্যক্ষ জোতির বিরুদ্ধে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest