সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

ফের শাহরুখ-কাজলের রোমান্স উপভোগ করবেন দর্শকরা!

বলিউডের সবচেয়ে রোমান্টিক জুটি বলা হয়ে থাকে শাহরুখ খান ও কাজলকে। পর্দায় একসঙ্গে শাহরুখ-কাজলের উপস্থিতি মানেই অন্য রসায়ন।

ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, রোহিত শেটির ‘দিলওয়ালে’ পর ফের এ রোমান্টিক জুটিকে পর্দায় ফিরিয়ে আনতে চলেছেন পরিচালক-প্রযোজক করণ জোহর। শাহরুখ-কাজল দুজনেই করণের প্রিয়। যদিও মাঝ খানে সিনেমার প্রচার নিয়ে কাজলে সঙ্গে করণের দূরত্ব সৃষ্টি হয়। তবে সেই দ্বন্দ্ব মিটিয়ে নিয়েছেন তারা।

আর করণে সামনের সিনেমাতে শাহরুখ-কাজল জুটির পাশাপাশি রণবীর-আলিয়া জুটিকেও একসঙ্গে দেখার সুযোগও পেতে চলেছেন দর্শকরা। আপাতত পরিচালক অয়ন মুখোপাধ্যায়ের ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ নিয়েই ব্যস্ত পরিচালক-প্রযোজক। তা শেষ হলেই শুরু হবে এই নতুন ছবির কাজ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাক্কায় আইএস বিতাড়নকারী নারীদের বীরত্বগাঁথা

রাক্কা। সিরিয়ার একটি প্রাচীন শহর।
ইসলামিক স্টেট (আইএস) দীর্ঘদিন স্থানটিকে তাদের প্রধান ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পরাজিত হয়েছে তারা। আর সিরিয়ার এই রাক্কাকে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের দখলমুক্ত করতে যারা লড়ে গেছেন, তাদের বড় একটা অংশজুড়ে রয়েছেন নারী যোদ্ধা।

প্রায় চার বছরের প্রাণঘাতী যুদ্ধের পর জয়ীদের বীরত্বগাঁথার অংশ হয়েছেন এই কুর্দিশ নারী যোদ্ধারা। কিন্তু এই ভয়ংকর রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে আসার অনুপ্রেরণা তারা কোথায় পেলেন? এমন প্রশ্নের জবাবে জানালেন, কেবল কুর্দিশ হওয়ার জন্যেই নয়, রাক্কার নারীদের মুক্ত করতেও এই লড়াই চালিয়েছেন তারা।

আইএস রাক্কা শাসন করেছে বর্বরদের মতো। তাদের নৃশংসতা গোটা বিশ্বকে হতভম্ব করে দিয়েছিল। বিশেষ করে নারীরা দুঃস্বপ্নের চেয়েও ভয়াবহ সময় পার করেছেন। সামান্য কারণে জনসমক্ষে চাবুকের আঘাত ছিল অতি সাধারণ ঘটনা।
আইএস রাক্কার মেয়েদের বিক্রি করে দিত। যৌনদাসী হিসেবে বন্দি রাখত।

কুর্দিশ-ইয়াজিদি সংখ্যালঘু নারীদের ইরাকের উত্তরাংশ থেকে রাক্কায় আনা হয়েছিল। গত মঙ্গলবার আসে সেই মুক্তির বারতা। আইএস পরাজিত হয়। কুর্দিশ ওমেন্স প্রটেকশন ইউনিটস (ওয়াইপিজে) এখনো এ লড়াই চালিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর। তবে যুদ্ধে প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন ৩০ জনের মতো নারী যোদ্ধা। এখন তাদের জন্যে কাঁদছেন যোদ্ধারা।

এক বিবৃতিতে ওয়াইপিজে জানায়, লড়াইয়ের পথে থেকে যাওয়ার প্রতিজ্ঞা করেছে ওয়াইপিজে। আমাদের দেশের সন্ত্রাসবাদ রুখতে হবে। গোটা বিশ্বে নারীদের ওপর অত্যাচারের প্রতিশোধ নেব আমরা। এই বার্তা আমাদের শহীদদের কাছে পৌঁছতেই থাকবে।

যোদ্ধাদের একজন শান্দা আফরিন। টানা চার বছর যুদ্ধ করে চলেছেন তিনি। বললেন, আমাদের নেতা আবদুল্লাহ ওকালান নারীদের স্বাধীনতার দিকে মনোযোগী হয়েছেন। তাই নারীদের মুক্ত করতেই আমরা লড়াই করে যাচ্ছি। তাদের মনটাকেও মুক্ত করতে হবে। আমাদের এই সংগ্রাম কেবল আইএসের বিরুদ্ধেই নয়, এই লড়াই নারীদের প্রতি কুটিল মানসিকতার বিরুদ্ধে। অশুভ কিছু কেবল আইএস পুরুষদের দিক থেকেই আসে না, নারীদের মধ্য থেকেও বেরিয়ে আসে। তাই নারীদের উচিত নিজেদের শিক্ষিত করে তোলা। আদর্শগত দিক থেকে তাদের এগিয়ে আসতে হবে।

এভরিল দাইফ্রামও ব্যতিক্রম নন। বয়স সবে ২০। গত তিন বছর ধরে যুদ্ধ করছেন। এই টিনএজার ইতিমধ্যে কয়েক সহযোদ্ধাকে হারিয়েছেন। ‘আমরা সাধারণ মানুষদের মুক্ত করতে এবং নেতা আবদুল্লাহ ওকালানকে মুক্ত করতে যুদ্ধ করছি। তিনি তুরস্কে বন্দি রয়েছেন,’ বলেন সিএনএন-কে।

ওয়ান অঞ্চল থেকে এসে কাঁধে অস্ত্র তুলে নিয়েছেন ২৪ বছর বয়সী উলাত রোমিন। আড়াই বছর ধরে আইএস-বিরোধী লড়াইয়ে শামিল। রাক্কা, তাবকা এবং আল-হলে যুদ্ধ করেছেন। কুর্দিশদের মুক্তির জন্যে তিনি প্রাণ বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত। ‘আমি অবিচারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছি, অধিকারের জন্যে করছি’, জানালেন বলিষ্ঠ কণ্ঠে। ‘বিশেষ করে নারীদের মুক্তির জন্যে আমার এ লড়াই’।

ছয় বছর ধরে এ যুদ্ধে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন সোজদার দেরিক। স্পষ্ট কথা তার, আমাদের মাতৃভূমি আর নারীদের স্বাধীন করতে আমার এ যুদ্ধ।

এরা সবাই নারী, সবাই যোদ্ধা। তাদের দেখানো আদর্শগত পথে রয়েছেন আরো বহু নারী। তারা সবাই কাঁধে ভারী অস্ত্র নিয়ে পাহারা দিয়ে চলেছেন জন্মভূমিকে, তাদের মা-বোনদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফিফার বর্ষসেরা একাদশে ৫ জনই স্প্যানিশ

লন্ডনের পালাডিয়াম হলে ফিফা’র বর্ষসেরা ফুটবলার, বর্ষসেরা কোচ, নারী ফুটবলার এমনকি সেরা একাদশও ঘোষিত হচ্ছে। যদিও এরইমধ্যে সেরা একাদশ মনোনয়ন জেনে গেছে ফুটবলবিশ্ব।
জানা যায়, স্প্যানিশ জায়ান্ট ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ থেকেই ৫ জন মনোনীত হয়েছেন ফিফা’র এবারের বর্ষসেরা একাদশে, ৩ জন মনোনীত হয়েছেন বার্সেলোনা থেকে। বাকি ৩ জন জুভেন্টাস, মিলান ও পিএসজি থেকে।

তালিকা অনুযায়ী, মিডফিল্ডার হিসেবে থাকছেন রিয়ালের ক্রোয়েশিয়ান তারকা লুকা মডরিচ ও একই ক্লাবের জার্মান তারকা টনি ক্রুস। তাদের সঙ্গে আছেন বার্সেলোনার স্পেন বিশ্বকাপজয়ী তারকা আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা। আর বর্ষসেরা একাদশের আক্রমণভাগে আছেন অনুমিতভাবেই তিন বিশ্বসেরা। বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি, রিয়ালের ইউরোজয়ী পর্তুগিজ অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং সম্প্রতি বার্সেলোনা থেকে পিএসজিতে চলে যাওয়া ব্রাজিলিয়ান অধিনায়ক নেইমার (পিএসজি)।

ফিফার বর্ষসেরা একাদশের গোলরক্ষক জুভেন্টাসের ইতালিয়ান তারকা জিয়ানলুইজি বুফন। রাইট ব্যাক হিসেবে আছেন পিএসজি’র ব্রাজিলিয়ান দানি আলভেস। সেন্টার ব্যাক রিয়াল অধিনায়ক ও স্প্যানিশ তারকা সার্জিও রামোস, তার সঙ্গে একই পজিশনে আছেন এসি মিলানের (সাবেক জুভেন্টাস) ইতালিয়ান লিওনার্দো বোনুচ্চি।
আর লেফট ব্যাক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন রিয়ালের ব্রাজিলিয়ান তারকা মার্সেলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বর্ষসেরা ফিফা কোচের স্বীকৃতি পেলেন জিদান

যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী হল লন্ডন প্যালাডিয়ামে ফিফার বর্ষসেরা কোচ হিসেবে জিদানের নাম ঘোষণা করা হয়। স্থানীয় সময় সোমবার (২৩ অক্টোবর) ফিফার বর্ষসেরাদের পুরস্কৃত করতে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হিসেবে জিদান দায়িত্ব নিয়েছেন গত বছরের ৪ জানুয়ারি। দায়িত্ব নিয়েই তাক লাগিয়ে দিয়েছেন ফুটবলবিশ্বে।

সেরা কোচের ক্যাটাগরিতে মনোনয়নে ছিলেন চেলসির ইংলিশ লিগ জয়ী কোচ আন্তোনিও কন্তে এবং জুভেন্টাসের সিরিআ জয়ী কোচ মাসিমিলিয়ানো অ্যালেগ্রি। শেষ পর্যন্ত এই দু’জনকে পেছনে ফেলে বর্ষসেরা ফিফা কোচের স্বীকৃতি পেলেন ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী সাবেক তারকা ফুটবলার জিদান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অসহায় মানুষের আইনী সহায়তায় ভূমিকা রাখছেন ব্যারিস্টার নেওয়াজ মোরশেদ

কৃষ্ণ রায়, পাইকগাছা: এলাকার অসহায় মানুষের জন্য আইনী সহায়তা দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন পাইকগাছার একমাত্র ব্যারিস্টার, তরুণ উদীয়মান, বিশিষ্ট আইনজীবী নেওয়াজ মোরশেদ। বর্তমানে তিনি ঢাকা জজ কোর্ট ও হাই কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন। আইনজীবীদের ব্যারিস্টার হওয়ার জন্য ঢাকায় তিনি সেন্টার ফর বৃট্রিশ এডুকেশন নামক একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছেন। দেশী-বিদেশী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আইন উপদেষ্টা হয়েও তিনি কাজ করছেন। ব্যারিস্টার নেওয়াজ খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার পৌর সদরের ৫নং ওয়ার্ড সরল গ্রামের এ্যাডঃ মোজাফফর হাসান ও নাজিরা হাসানের ছেলে। দুই ভাইয়ের মধ্যে মোরশেদ বড়, ছোট ভাই নেওয়াজ মাহফুজ ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে ইঞ্জিনিয়ার পাশ করেছেন। নেওয়াজ মোরশেদ লেখাপড়া জীবনে অত্যান্ত মেধাবী একজন ছাত্র ছিলেন। তিনি ২০০০ সালে পাইকগাছা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, ২০০২ সালে যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে এইচএসসি, ২০০৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিষয়ে অনার্স পাশ করেন। তিনি আইন বিষয়ের উপর উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণের জন্য ২০০৮ সালে লন্ডনে যান। ২০১২ সালে তিনি লন্ডনের বিপিপি ইউনিভার্সিটি থেকে প্রথম বাংলাদেশী হিসাবে সম্মান ডিগ্রী অর্জন করেন। একই ইউনিভার্সিটি থেকে ২০১৩ সালে তিনি লিঙ্কনস্ ইন (ব্যারিস্টার) ডিগ্রী অর্জন করেন। এরপর ২০১৪ সালে দেশে ফিরে এসে তিনি আইনী পেশায় নিয়োজিত হন। আইন পেশার পাশাপাশি তিনি দেশের তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের ব্যারিস্টার হওয়ার জন্য সেন্টার ফর বৃট্রিশ এডুকেশন নামক একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছেন। প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি আইনজীবীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্স প্রদান করে আসছেন। এছাড়াও তিনি তুর্কি এয়ারলাইন, ম্যাকডোনাল্ড্র গ্রুপ, টিএনটি এক্সপ্রেস ও ড্যামকো সহ অসংখ্য দেশী-বিদেশী প্রতিষ্ঠানে আইন উপদেষ্টা হিসাবে কাজ করছেন। এছাড়া তিনি নিজ এলাকা পাইকগাছা-কয়রা সহ আশপাশ প্রত্যন্ত এলাকার সাধারণ মানুষের আইনী সহায়তা দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। পারিবারিক জীবনে নেওয়াজ মোরশেদের স্ত্রী পারভীন নেওয়াজ একজন গৃহিনী। আইনজীবী এ দম্পত্তির মুশফিক নেওয়াজ সিলিন নামে ৩ বছরের একটি ছেলে রয়েছে। সাধারণ মানুষের আইনী সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে সনামধন্য একজন আইনজীবী হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তরুণ উদীয়মান আইনজীবী ব্যারিস্টার নেওয়াজ মোরশেদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গৃহবধুকে ধর্ষণ চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার চুপড়িয়া গ্রামে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক গৃহবধুর দু’ পা গাছের সঙ্গে ও পিঠমোড়া দিয়ে দু’ হাত বেঁধে ধর্ষণের চেষ্টা চালানোর ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সোমবার সকাল ১১টায় বাংলাদেশ দলিত পরিষদের উদ্যোগে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
বাংলাদেশ দলিত পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি গৌর চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য দেন জেলা মন্দির সমিতির সভাপতি বিশ্বনাথ ঘোষ, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপিতি ম-লীর সদস্য গোষ্ট বিহারী ম-ল, সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীল, পৌর কাউন্সিলর জ্যোস্না আরা, জেলা মন্দির সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন, সাংবাদিক রঘুনাথ খাঁ, দলিত পরিষদের সাংগঠণিক সম্পাদক উজ্জ্বল দাস, ভূমিহীন নেতা আব্দুস সাত্তার, আলী নূর খান বাবুল, আব্দুস সামাদ, কওছার আলী প্রমুখ।
মানববন্ধন শেষে চুপড়িয়ায় দলিত জনগোষ্ঠীর ওই নারী সদস্যকে ধর্ষণের চেষ্টার প্রতিবাদ, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও সেখানকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ যাতে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারে তার নিরাপত্তা বিধানের জন্য জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদা জিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প দেখতে যাবেন

সেনাবাহিনীর নির্যাতন-হত্যা-ধর্ষণের মুখে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি সরজমিনে দেখার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আগামী সপ্তাহে কক্সবাজার যাবেন।

সোমবার রাতে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয় বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছে।

সূত্রটি আরো জানায়, মঙ্গলবার সকাল ১১টায় রাজধানীর নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবেন। সেখানেই সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচির বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।

গত ২৫ আগস্টের পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ছয় লাখ রোহিঙ্গা সদস্য বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। প্রতিদিন নতুন করে বাংলাদেশ সীমান্তে এসে ভিড় করছে রোহিঙ্গা সদস্যরা। গত সাত সপ্তাহে এ নিয়ে এক মানবিক বিপর্যয়কর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ ঘটনাকে ‘জাতিগত নিধনের ধ্রুপদি’ উদাহরণ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে জাতিসংঘ।
সোমবার রাত ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে স্থায়ী কমিটির বৈঠক শুরু হয়। সভা শেষ হয় রাত সাড়ে ১১টার দিকে।

যুক্তরাজ্য থেকে ফেরার পর এই প্রথম শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন খালেদা জিয়া। তিন মাসেরও বেশি সময় পর গত ১৮ অক্টোবর দেশে ফেরেন বিএনপির প্রধান।
স্থায়ী কমিটির এক সদস্যের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা, দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপ, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎ এসব নিয়ে আলোচনা হবে। সিটি করপোরেশনের আসন্ন নির্বাচনগুলোর কৌশল ও দলের কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনা হবে বলেও তিনি জানান।

সর্বশেষ গত ১৩ জুলাই স্থায়ী কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেন খালেদা জিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আবারও ফিফার বর্ষসেরা রোনালদো

এক বছরের মধ্যে একই পুরস্কার দুইবার জিতলেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো! সত্যি তাই। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে ফিফার ‘দ্য বেস্ট’ অনুষ্ঠানে বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার হাতে তোলা রিয়াল মাদ্রিদ তারকা আট মাসের ব্যবধানে আবারও জিতলেন পুরস্কারটি। টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড় হয়ে আরেকবার পেছনে ফেললেন লিওনেল মেসিকে।

লন্ডন প্যালাডিয়ামের জমকালো অনুষ্ঠানে বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের নাম ঘোষণার আগেই অবশ্য একরকম নিশ্চিত হয়েছিল পুরস্কারটি জিততে যাচ্ছেন রোনালদো। কেন? রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে চ্যাম্পিয়নস লিগ ও লা লিগা জেতায় প্রতিদ্বন্দ্বী মেসি থেকে যে এগিয়ে ছিলেন পর্তুগিজ অধিনায়ক। সাবেক ফুটবলারদের বিচারেও ফেভারিট ছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত রোনালদোর হাতেই এক বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বার উঠল বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের ট্রফিটি।

২০১৬ সালে ব্যালন ডি’অর ও ফিফা আলাদা হয়ে যাওয়ার পর ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা চালু করে নতুন ‍ পুরস্কার- ‘দ্য বেস্ট’। প্রথমবারই পুরস্কারটি জিতে নেন রোনালদো। পুরস্কারটির দ্বিতীয় সংস্করণেও জয়ের হাসি থাকলো রোনালদোর ঠোঁটে। মেসিকে হারিয়ে শ্রেষ্ঠত্বের পথে আরেক ধাপ ফেললেন ফিফার পুরস্কারটি জিতে।

ফিফা বর্ষসেরার আগের সংস্করণ ও ব্যালন ডি’অরের সঙ্গে মিলে ফুটবলের সর্ব্বোচ্চ সংস্থাটির দেওয়া পুরস্কার ধরলে এ নিয়ে পঞ্চমবার রোনালদো জিতলেন খ্যাতিটি। মেসিও সবমিলিয়ে ফিফার দেওয়া পুরস্কারটি জিতেছেন পাঁচবার। তার মানে ফিফা বর্ষসেরার পুরস্কারে আর্জেন্টাইন তারকাকে ধরে ফেললেন রোনালদো।

এককভাবে যখন ‘ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়’ নামে পুরস্কারটি ছিল, তখন ২০০৮ সালে প্রথমবার জিতেছিলেন রোনালদো। এরপর ব্যালন ডি’অরের সঙ্গে মিলে ফিফার দেওয়ার পুরস্কারটি তিনি জেতেন ২০১৩ ও ২০১৪ সালে। আর নতুনভাবে ‘দ্য বেস্ট’ নামে পুরস্কার চালু করার পর টানা দুইবার শ্রেষ্ঠত্বের আসনে বসলেন রিয়াল মাদ্রিদ উইঙ্গার।

১৯৯১ সাল থেকে ফিফা চালু করে বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারটি। প্রথমবার জিতেছিলেন জার্মানির লোথার ম্যাথাউস। পুরস্কারটির আগের সংস্করণে সবচেয়ে বেশিবার জিতেছেন জিনেদিন জিদান ও ব্রাজিলিয়ান রোনালদো। সাবেক দুই রিয়াল কিংবদন্তিই বর্ষসেরা হয়েছেন তিনবার করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest