সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

মিয়ানমারের সরকার রোহিঙ্গাদের জমির মালিকানা নিয়ে নিচ্ছে, কেটে নিচ্ছে ক্ষেতের পাকা ধান

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, মিয়ানমারে সামরিক অভিযানের মুখে দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছেন যেসব রোহিঙ্গা মুসলমান তারা দেশে ফিরতে পারলেও তাদের জমিজমা ও ঘরবাড়ি হারাতে হতে পারে।

এক অনুসন্ধানী রিপোর্টে রয়টার্স বলছে, মিয়ানমার সরকার পরিকল্পনা করছে যে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফেরত নেয়া হলেও তাদেরকে নিজেদের ঘরদোরে ফিরে যেতে দেওয়া হবে না।

কঠোর সনাক্তকরণের প্রক্রিয়ায় যেসব রোহিঙ্গা উতরাবে, শুধুমাত্র তাদেরকেই সরকারি ব্যবস্থাপনায় অন্যত্র গ্রাম তৈরি করে সেখানে পাঠানো হবে।

রয়টার্সের সাংবাদিকরা এ নিয়ে কয়েক জন সরকারি কর্মকর্তার সাথে কথা বলেছেন। কিছু সরকারি পরিকল্পনার দলিলও তাদের হাতে এসেছে।

রয়টার্স জামিল আহমেদ নামের একজন রোহিঙ্গার সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছে এবং এই রিপোর্টে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে জমির মালিকানা প্রমাণ করার পরও হয়তো মি. আহমেদকে তার নিজের গ্রাম কিউক পান ডু গ্রামে ফিরে যেতে নাও দেয়া পারে।

শরণার্থীরা ফিরে এসে জমির মালিকানা দাবি করতে পারবে কি না, রয়টার্সের এই প্রশ্নে জবাবে রাখাইনের কৃষিমন্ত্রী চিয় লুইন বলেছেন, “এটা নির্ভর করে তাদের ওপর। যাদের নাগরিকত্ব নেই, তাদের জমির মালিকানা নেই।”

মিয়ানমারের নেত্রী অঙ সান সুচি বলেছেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন এমন কেউ যদি পরিচয়ের প্রমাণপত্র দেখাতে পারেন, তবে তাদের মিয়ানমারে ফেরত আসতে দেয়া হবে।

রয়টার্স রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন এবং পুনর্বাসনের সাথে জড়িত ছয়জন কর্মকর্তার সাক্ষাৎকার নিয়েছে যেখানে এই পরিকল্পনা সম্পর্কে সরকারি নীতিমালার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।

যেভাবে রোহিঙ্গাদের পরিচয় পরীক্ষা হবে

মিয়ানমারের সরকারি পরিকল্পনার বরাত দিয়ে রয়টার্স বলছে, যারা মিয়ানমারে ফিরে আসবেন প্রাথমিকভাবে তাদের একটা অভ্যর্থনা কেন্দ্রে রাখা হবে।

কর্মকর্তারা বলছেন, এখানে শরণার্থীদের একটি ফর্ম পূরণ করতে হবে যেখানে ১৬টি পয়েন্ট রয়েছে।

এরপর স্থানীয় প্রশাসনের কাছে রাখা দলিলের মাধ্যমে এদের পরিচয় যাচাই করা হবে।

মিয়ানমারের ইমিগ্রেশন বিভাগের কর্মকর্তারা প্রতিবছর রোহিঙ্গাদের বাড়িঘরের ওপর জরিপ চালিয়েছে এবং রোহিঙ্গাদের ফটো তুলে রেখেছে বলে কর্মকর্তারা জানান।

যেসব শরণার্থীর কাগজপত্র হারিয়ে গেছে, তাদের ছবির সাথে ইমিগ্রেশন বিভাগের ছবি মিলিয়ে দেখা হবে বলে বলছেন মিয়ানমারের শ্রম, অভিবাসন এবং জনসংখ্যা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মিন্ট চায়ে।

‘মডেল গ্রাম’

রয়টার্স বলছে, অনেক শরণার্থী ফিরতে ভয় পাচ্ছেন এবং তাঁরা মিয়ানমারের আশ্বাসের ব্যাপারে সন্দিহান।

যারা ফিরে যাবেন বলে সিদ্ধান্ত নেবেন, তাদের প্রথমে একটি বা দুটি কেন্দ্রে গ্রহণ করা হবে।

সরকারি পরিকল্পনার পর্যালোচনা করে রয়টার্স বলছে যে এরপর তাদের বেশীরভাগকে মডেল গ্রামে পুনর্বাসন করা হবে।

আন্তর্জাতিক অনেক দাতা সংস্থা ২০১২ সালের সহিংসতার পর রাখাইনে অস্থায়ী শিবিরে অভ্যন্তরীনভাবে বাস্তুচ্যুত এক লক্ষ ২০,০০০ রোহিঙ্গাকে দেখাশুনা করছে ও খাবার-দাবার দিচ্ছে। এই সব প্রতিষ্ঠান মিয়ানমারকে বলেছে তারা আর অতিরিক্ত কোন ক্যাম্প চালাতে পারবে না। ত্রাণকর্মী ও কূটনীতিকদের বরাতে এই তথ্য জানা গেছে।

জাতিসংঘের মুখপাত্র স্তানিস্লাভ স্যালিং এক ইমেল জবাবে বলেন, “নতুন অস্থায়ী ক্যাম্প বা ক্যাম্পের মত আশ্রয় তৈরি করা হলে অনেক ঝুঁকি হতে পারে, যেমন ফিরে আসা ব্যক্তি ও অভ্যন্তরীনভাবে বাস্তুচ্যুতরা এসব ক্যাম্পে লম্বা সময়ের জন্য আটকা পড়তে পারেন”।

স্যাটেলাইট ছবির বরাত দিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে ২৫শে অগাস্টের পর ২৮৮টি গ্রাম – যেগুলো মূলত রোহিঙ্গারা বাস করতো – পুরোপুরি কিংবা আংশিকভাবে আগুনে পুড়ে গেছে।

শরণার্থীরা বলছে, সেনাবাহিনী এবং বৌদ্ধরা দাঙ্গাকারীরা বেশীরভাগ অগ্নিসংযোগের জন্য দায়ী। তবে সরকার বলছে, রোহিঙ্গা যোদ্ধা এবং এমনকি বাসিন্দা নিজেরাই আগুন লাগায় প্রচারণা চালানোর উদ্দেশ্য নিয়ে।

সমাজ কল্যাণ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী সচিব সোয়ে অঙ বলেন, রোহিঙ্গারা যেসব পল্লীতে বাস করতো, সেগুলো “ঠিক গোছানো নয়”, তাই সারিবদ্ধভাবে এক হাজার ঘরবাড়ি নিয়ে ছোটছোট গ্রাম গড়ে তোলা যেতে পারে যেখানে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সহজ হবে”।

“কিছু গ্রাম আছে, যেখানে তিনটি বাড়ি এখানে, চারটি বাড়ি সেখানে। উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি, এসব গ্রামে আগুন লাগলেও সেখানে দমকলের গাড়ি যাওয়ার কোন রাস্তা পর্যন্ত নেই,” সোয়ে অঙ বলেন।

পাকা ধানের বেহাত মালিকানা

রয়টার্স বলছে, উত্তর রাখাইনের সংঘাতময় এলাকা থেকে ৫৮৯,০০০ রোহিঙ্গা এবং প্রায় ৩০,০০ হাজার অমুসলিম পালিয়ে যাওয়ার পর সেখানকার ৭১,৫০০ একর জমিতে পাকা ধানের কোন মালিকানা নেই।

সরকার পরিকল্পনা করছে, এই ধান তারা সরকারি গুদামে তুলবে।

রয়টার্স এমন একটি সরকারি দলিল দেখেছে যেখানে ধানী জমিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

একটি ভাগের জমির মালিকানার নাম দেয়া মূল জাতিগোষ্ঠী, অর্থাৎ এসব জমির মালিক বর্মী। আর অন্য জমির মালিকানায় লেখা হয়েছে ‘বেঙ্গলি’ অর্থাৎ মিয়ানমার সরকার যে নামে রোহিঙ্গাদের ডেকে থাকে।

রাখাইনের কৃষিমন্ত্রী চিয় লুইন রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন ৪৫,০০০ একর জমিকে ‘মালিকবিহীন বাঙ্গালী জমি’ বলে বর্ণনা করা হচ্ছে।

কর্মকর্তারা বলছেন, রোহিঙ্গা জমির ফসল ঘরে তুলতে কৃষি মন্ত্রণালয় ১৪টি কম্বাইন হারভেস্টার মেশিন দিয়ে চলতি মাসেই কাজ শুরু করবে।

তারা মোট ১৪,৪০০ একর জমির ফসল কাটতে পারবে। বাকি ফসলের কী হবে তা এখনও পরিষ্কার নয়।

তবে কর্মকর্তারা বলছেন, এই কাজে তারা অতিরিক্ত শ্রমিক ব্যবহার করবেন বলে পরিকল্পনা করছেন। রয়টার্স বলছে, প্রতি একর জমির ধান থেকে সরকারের আয় হবে ৩০০ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ অর্থ।

এর মানে হলো, পরিত্যক্ত ফসলি জমি থেকে মিয়ানমার সরকারের লক্ষ লক্ষ ডলার আয় হবে।

রাখাইন রাজ্যের সচিব টিন মং সোয়ে রয়টার্সকে জানিয়েছেন, এসব ধান সরকারি গুদামে তোলা হবে, এরপর এই ধান হয় এই সংঘাতে আশ্রয়হীন হয়েছেন যারা তাদের মধ্যে বিতরণ করা হবে, নয়তো বিক্রি করা হবে।

তিনি বলেন, “জমি পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে আছে। ফসল তোলার কেউ নেই। তাই সরকার ফসল কাটার আদেশ দিয়েছে।”

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস্‌ ওয়াচের এশিয়া বিষয়ক উপপরিচালক ফিল রবার্টসন বলছেন, মিয়ানমার সরকার এসব জমি অন্তত মানবিক কাজে ব্যয় করবে বলেই তারা আশা করছেন।

“সহিংসতা এবং অগ্নি সংযোগ করে মালিকদের দেশ থেকে বিতাড়ন করলেই, কোন জমির ফসলকে মালিকবিহীন বলা যায় না।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ‘ভেষজ’ চা

রচলিত বিভিন্ন চায়ের পাশাপাশি গ্রিন টিসহ অন্যান্য চায়ের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তেমনই একটি হচ্ছে ভেষজ চা।

তবে এ চা সম্পর্কে অনেকেরই হয়তো জানা নেই। অন্যান্য চায়ের মতো ভেষজ চাও শরীরের জন্য বেশ উপকারী।
নিচে ভেষজ চাসহ বিভিন্ন রকমের চায়ের উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করা হলো :
এলাচ চা : এলাচ চা হতে পারে আপনার দিন শুরু করার সবচেয়ে ভালো পানীয়। এটি শুধু হজমশক্তিই বাড়ায় না আরও কিছু গুণ রয়েছে এলাচ চায়ের। এটি মাথাব্যথা কমায়, পেটের সমস্যা দূর করে এবং দেহ ঠাণ্ডা রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া এলাচের উপাদান দেহ থেকে দূষিত পদার্থ দূর করতে সহায়তা করে।
দারুচিনি চা : প্রধানত মসলা হিসেবে ব্যবহৃত দারুচিনি নামের ভেষজটির উপকার সম্বন্ধে অনেকেরই জানা নেই। এটি অত্যন্ত উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ একটি উপাদান। দারুচিনি চা দেহের কোলস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। ফলে হৃদরোগের মতো মারাত্মক রোগও দূরে রাখা সম্ভব এ চা পান করে।
জিরা চা : জিরা ঘুমের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে। এছাড়া এটি দেহ শীতল করতেও ভূমিকা রাখে। জিরা বিভিন্ন খাবার থেকে দেহের জন্য প্রয়োজনীয় আয়রন গ্রহণে সহায়তা করে। তাই চায়ে জিরার গুড়া প্রয়োগে বহু উপকার পাওয়া সম্ভব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেসিকে টপকে ‘দ্য বেস্ট’ জিতে যা বললেন রোনালদো!

মেসিকে টপকে ফিফা’র সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘দ্য বেস্ট’ খেতাব পেয়েছেন পর্তুগীজ ফুটবলার ও রিয়াল তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। টানা দ্বিতীয়বারের মতো ‘দ্য বেস্ট ফিফা মেনস প্লেয়ার’ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সি আর সেভেন।
আর ভাগ বসালেন মেসির পাঁচবার বর্ষ সেরা হওয়ার রেকর্ডে। এ অর্জনে দারুণ উচ্ছ্বসিত রোনালদো।

জীবনের ‘দারুণ এই মুহূর্তে’ ভক্ত, সতীর্থ, কোচ, টিম ম্যানেজম্যান্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন রোনালদো।

পুরস্কার হাতে এ পর্তুগিজ তারকা বলেন, ‘আমাকে ভোট দেওয়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। আমি লিও ও নেইমারের কথা বলব, এখানে উপস্থিত থাকাটা দারুণ ব্যাপার। রিয়াল মাদ্রিদ সমর্থক, আমার সতীর্থ, আমার কোচ, সারা বছর তারা আমাকে সহায়তা করেছে। প্রথমবারের মতো আমরা ইংল্যান্ডে আর আমি টানা এই পুরস্কার জিতলাম। আমি সত্যিই খুব আনন্দিত। আমার জন্য এটা দারুণ একটি মুহূর্ত।
গ্রেট খেলোয়াড়দের মাঝে এখানে আসতে পারাটা দারুণ। আমি ভীষণ খুশি। ‘

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফিফার বর্ষসেরা নারী ফুটবলার মার্টেনস

বার্সেলোনার ডাচ উইঙ্গার লিকে মার্টেনস এবার ফিফার বর্ষসেরা নারী ফুটবলারের ট্রফি জিতেছেন। এই বিভাগে মার্টেনসের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় ছিলেন সান্তা ক্লারিতা ব্লু হিটের ভেনেজুয়েলান ডেয়না কাসতেলানোস ও ম্যাচচেস্টার সিটির (হিউস্টন ড্যাশ থেকে লোনে) আমেরিকান মিডফিল্ডার কার্লি লয়েড।

যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী হল লন্ডন প্যালাডিয়ামে সোমবার (২৩ অক্টোবর) ফিফার বর্ষসেরাদের পুরস্কৃত করতে আয়োজিত জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ‘দ্য বেস্ট ফিফা উইমেন প্লেয়ার’র ট্রফি তুলে দেওয়া হয় তার হাতে। ২০১৭ সালে উয়েফা নারী চ্যাম্পিয়নশিপে কাতালানদের শিরোপা জয়ের বাধভাঙা উল্লাসের উপলক্ষ এনে দিতে অনবদ্য ভূমিকা ছিল মার্টেনসের

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপি নেতা এম কে আনোয়ার আর নেই

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী এম কে আনোয়ার মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় ভুগছিলেন।

সোমবার দিবাগত রাত ১টা ২০ মিনিটে রাজধানীর নিউ এলিফ্যান্ট রোডের নিজ বাসায় এই বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়।

বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের কর্মকর্তা শামসুদ্দীন দিদার রাতে বিষয়টি জানিয়েছেন।

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের স্থায়ী কমিটির এ সদস্যের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

এম কে আনোয়ারের জন্ম ১৯৩৩ সালে কুমিল্লায়। তিনি পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে তিন দশকের বেশি সময় দায়িত্ব পালন করেন।

চাকরিজীবন থেকে অবসর নিয়ে বিগত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশকের শুরুতে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।

এরপর বিভিন্ন সময়ে পাঁচবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এর মধ্যে দুবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। দুই বছর ধরেই তিনি নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। এর মধ্যে এই সরকারের আমলেও বিভিন্ন সময়ে জেল খেটেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জোটের চ্যালেঞ্জ ভোটে: বিএনপি নির্বাচনে আসবে ধরে প্রার্থী খুঁজছে আওয়ামী লীগ

অনলাইন ডেস্ক : বিএনপির নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি মাথায় রেখেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিকল্পনা আঁটছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। অতীতের মতো এবারও ১৪-দলীয় জোটগতভাবেই নির্বাচনে অংশ নেবেন ক্ষমতাসীনরা।
জোটকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি নিজ দল আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ ও সুসংগঠিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। ‘অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসন, দলের সদস্য ও ভোটার বাড়ানো এবং সরকারের উন্নয়ন প্রচার’— এ তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচনী ফসল ঘরে তুলতে জনপ্রিয় ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির প্রার্থী খোঁজা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিতর্কিত এমপিদের ঢাকায় ডেকে সতর্ক করা হচ্ছে। আগামীতে যারা দলের মনোনয়ন পাবেন তাদের প্রস্তুতি নিতে বলা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় নেতারা জেলা-উপজেলায় বর্ধিত সভা, বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলনের মাধ্যমে কর্মীদের চাঙ্গা করার উদ্যোগ নিচ্ছেন। মূলত সবকিছুই করা হচ্ছে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে। আওয়ামী লীগের নেতারা মনে করেন, এত দিন সরকারি দলের বেশির ভাগ নেতা-কর্মীর ধারণা ছিল দল আবার ক্ষমতায় আসবে। এজন্য তেমন কোনো বেগ পেতে হবে না। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তাদের সে ধারণায় কিছুটা চিড় ধরেছে। তারা এখন মনে করছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও কঠিন। সর্বশেষ আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকেও দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমন কথা বলেছেন। তিনি এমপি-মন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতাদের নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে দলকে সুসংগঠিত করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। দলের নীতিনির্ধারকরা বলছেন, বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে এবং একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৪ সালের মতো হবে না। টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। কিছু এমপি-নেতা ও তাদের আত্মীয়স্বজনদের অতিবাড়াবাড়ি মানুষ গ্রহণ করছে না। অন্যদিকে বিএনপির দলগত ভোট। সবকিছু হিসাব করেই আগামীতে প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার কথা ভাবছেন ক্ষমতাসীনরা। এজন্য বেশ কিছু দিন ধরেই চলছে নির্বাচনী জরিপ। তুলে আনা হচ্ছে দলীয় এমপি ও অন্য দলের প্রার্থীর সর্বশেষ চিত্র। তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসতে হলে যেখানে প্রার্থী পরিবর্তনের দরকার, সেখানে তাই করবেন দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এজন্য এমপি-মন্ত্রীদের কেউ কেউ বাদ পড়তে পারেন বলে আভাস পাওয়া গেছে। অন্যদিকে নির্বাচন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রয়েছে যত দ্রুত সম্ভব গৃহবিবাদ মেটানো। একই সঙ্গে সম্ভাব্য এমপি প্রার্থীদের দলীয় কার্যালয়ে ডেকে এনে নির্বাচনী প্রস্তুতির আগাম ব্রিফিং দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে এ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দলে অন্তর্দ্বন্দ্ব্ব, কলহ, বিবাদ ও দূরত্ব মেটাতে পুরোদমে কাজ চলছে। নির্বাচনের জন্য সাংগঠনিক প্রস্তুতির পাশাপাশি আসনভিত্তিক প্রার্থীদের অবস্থান জানতে বেশ কিছু জরিপ রিপোর্ট পর্যালোচনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে হচ্ছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকাও। কোনো বিতর্কিত ব্যক্তিকে দলের মনোনয়ন দেওয়া হবে না জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচনী এলাকায় যাদের জনপ্রিয়তা আছে শুধু তাদেরই মনোনয়ন দেওয়া হবে। যারা ইতিমধ্যে জনপ্রিয়তা হারিয়েছেন তাদের সম্পর্কেও খোঁজ রাখা হচ্ছে। বিতর্কিত, জনসম্পৃক্ততা নেই এমন ব্যক্তিকে দলের মনোনয়ন দেওয়া হবে না। ’ গত বছরের ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটি সারা দেশে সাংগঠনিক সফর শুরু করে। সাংগঠনিক কাজের গতি আনতে দলের সাংগঠনিক সম্পাদকদের পাশাপাশি যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকদেরও দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। তারা জেলা-উপজেলায় গিয়ে বর্ধিত সভা, প্রতিনিধি সভা, যৌথসভা, বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা করেছেন। এ ধারা আগামী সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন দলের নীতিনির্ধারকরা। এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী গতকাল বলেন, ‘দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অপারেশনের পর ডাক্তার ছয় সপ্তাহ বিশ্রাম নিতে বলেছিলেন। কিন্তু তিনি তা করেননি, ই-ফাইলিংয়ের মাধ্যমে ফাইল ছেড়েছেন। দেশে ফিরেই তিনি সরকার ও দলের কাজে যুক্ত হয়েছেন। দলের সাধারণ সম্পাদকসহ আমরা সবাই সারা দেশে সংগঠনকে শক্তিশালী করছি। উন্নয়ন করে যাচ্ছি। এর মাধ্যমেই প্রমাণ হয়, আমাদের আগাম নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে। ’ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে— এটা মাথায় রেখেই আমরা সদস্য সংগ্রহসহ দলকে সুসংগঠিত করে চলেছি। জেলা-উপজেলায় বর্ধিত সভা, কর্মিসভা করা হচ্ছে। দলের ছোটখাটো সমস্যা থাকলে সেগুলো মিটিয়ে ফেলা হচ্ছে। একই সঙ্গে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন জনগণের সামনে তুলে ধরে আগামীতে কী কী করব, দেশকে কোথায় নিয়ে যেতে চাই— সেগুলো তুলে ধরছি। ’ আরেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আমরা নির্বাচনী এলাকায় জরিপ করছি। আমাদের প্রার্থীসহ অন্য দলের প্রার্থীদের কার কী অবস্থা সেগুলোর সঠিক চিত্র তুলে আনার চেষ্টা করছি। ’ তিনি বলেন, ‘বিএনপির প্রার্থীর ওপর নির্ভর করে আমরা প্রার্থী মনোনয়ন দেব। ’ দলটির নীতিনির্ধারক পর্যায়ের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার পাশাপাশি জোটের প্রার্থীদের খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। যেখানে জোটের শক্তিশালী প্রার্থী রয়েছে এবং বিজয়ী হওয়ার জোর সম্ভাবনা আছে, তাদের গ্রিন সিগন্যালও দেওয়া হবে। অন্যদিকে অধিকতর দুর্বল প্রার্থী হলে সেই প্রার্থী পরিবর্তন করে এবার আওয়ামী লীগের শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে প্রার্থী করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ’

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশে মাথাপিছু আয় বেড়ে ১৬০২ ডলার

দেশে মাথাপিছু আয় এবং মোট অভ্যন্তরীণ আয় (জিডিপি) বেড়েছে ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে। মন্ত্রিসভা বৈঠকে গতকাল এমন তথ্যই তুলে ধরা হয়েছে মন্ত্রণালয় ও দফতরসমূহের ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরের কার্যাবলি সম্পর্কিত বার্ষিক প্রতিবেদনে।

বৈঠকে মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহের ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরের কার্যাবলি সম্পর্কিত বার্ষিক প্রতিবেদন তুলে ধরে জানানো হয়েছে, ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে আমাদের মাথাপিছু আয় বেড়ে ১৬০২ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। আগের বছর এটি ছিল ১৪৬৫ মার্কিন ডলার। একইভাবে গত অর্থবছরে জিডিপি বেড়ে হয়েছে ৭ দশমিক ২৭ শতাংশ। আগে এটি ছিল ৭ দশমিক ১১ শতাংশ। আর গত অর্থবছরে জনশক্তি রফতানি হয়েছে আট লাখ ৯৪ হাজার ৫৪ জন। তবে জনশক্তি রফতানি গত বছরের চেয়ে ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও রেমিটেন্স কমেছে ১৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ। এই অর্থবছরে রফতানি আয় বেড়েছে ৩৪ দশমিক ৮৪৬৮ বিলিয়ন ডলার। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, গম, ভুট্টা, আলু, পিয়াজ, শাক-সবজি, দুধ, ডিম, মাংসের উৎপাদন আগের চেয়ে বেড়েছে। আর ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে দেশে বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন দেওয়া হয়েছে ৪৪ হাজার ৪৫৭ কিলোমিটার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৪৫ ফিলিস্তিনিকে আটক করেছে ইসরায়েল

পূর্ব জেরুজালেমের আল ইসাইয়া এলাকার আশপাশ থেকে সোমবার ৪৫ ফিলিস্তিনিকে আটক করেছে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী। যেটি এ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ আটকের ঘটনা।

গালফ নিউজ জানিয়েছে, ও এলাকায় সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত আইনজীবী শেরিন আল ইসায়ীর উদ্দেশে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠান থেকে তাদের আটক করা হয়।

তবে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযোগ, পাথর নিক্ষেপের অভিযোগে তারা ৪৫ ফিলিস্তিনিকে আটক করেছে।

উল্লেখ্য, ফিলিস্তিনের বন্দিদের অধিকার নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান আদামিরের মতে বর্তমানে ইসরাইলের কারাগারে ৬ হাজার ফিলিস্তিনি বন্দি রয়েছেন। এর মধ্যে শিশু রয়েছে ৩০০। সবশেষ আরও ৪৫ জন এ তালিকায় যুক্ত হল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest