সর্বশেষ সংবাদ-
কলারোয়ায় মিনি স্টেডিয়াম ও বাইপাস সড়ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতি হাবিবুল ইসলাম হাবিবেরসাতক্ষীরার ৩২৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারশ্যামনগরে জনসভা- গণমিছিলের মধ্য দিয়ে গাজী নজরুল ইসলামের নির্বাচনী প্রচারণা শুরুতালা–কলারোয়ার উন্নয়নে ঐক্যের ডাক হাবিবুল ইসলাম হাবিবেরআদালত চত্বরে কেরোসিন ঢেলে মাটি চাপা দেওয়া হলো জব্দকৃত হরিণের মাংসসাংবাদিক আকরামুলের উপর হামলা : সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দাপাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যান আনোয়ার আলদীনের উদ্যোগে দশ গ্রামের দুস্থদের মাঝে তিন সহস্রাধিক কম্বল বিতরণবিএনপি থেকে ডা: শহীদুল আলম বহিস্কারসংগ্রামের গল্পে ঢাবি জয় দিহানেরতালায় লার্নিং শেয়ারিং ওয়ার্কশপ

আমি কার কাছে যাব?—আদলতের কাছে খালেদার প্রশ্ন

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আজ বৃহস্পতিবার আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থন করে প্রায় এক ঘণ্টা বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন। এর আগে তাঁর জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। আজ বেলা ১১টার পর রাজধানীর বকশীবাজার আলিয়া মাদ্রাসায় স্থাপিত বিশেষ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান খালেদা জিয়া।

আদালত জামিন আবেদনের শুনানি শেষে এক লাখ টাকা মুচলেকায় তাঁর জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। আদালত জানান, অনুমতি নিয়ে চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে পারবেন খালেদা জিয়া।

পরে আত্মপক্ষ সমর্থন করে খালেদা জিয়া বলেন, শাসকগোষ্ঠী বিভিন্নভাবে মামলার বিচারকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে আদালতে উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমি একটি উদাহরণ উল্লেখ করতে চাই। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুদক একটি মামলা করে। ওই মামলায় একজন বিচারক তাঁকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন, পরবর্তীতে ওই বিচারকের বিরুদ্ধে বেশ কিছু তৎপরতা চালানো হয়, যার ফলে সেই বিচারক সপরিবারে দেশ ছেড়ে চলে যান।’

খালেদা জিয়া বলেন, ‘মাননীয় বিচারক, আপনি যেখানে বসে বিচার করছেন, যে এজলাসে বসেছেন, এটা কোনো আদালতের প্রাঙ্গণ নয়। ফখরুদ্দীন-মঈনউদ্দীনের তত্ত্বাবধায়ক আমলে সংসদ ভবন এলাকায় বিশেষ আদালত বসানো হয়, সেখানে বিভিন্ন রাজনীতিবিদ, সাংসদদের বিরুদ্ধে করা মামলার বিচারের ব্যবস্থা করা হয়।’

বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা ছিল এমন মন্তব্য করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘ক্ষমতায় আসার পর সেই মামলাগুলো একে একে প্রত্যাহার ও নিষ্পত্তি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী, শাসক দলের মন্ত্রীরা বিচারাধীন মামলার বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য দিয়ে বিচারকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। মাননীয় আদালত, আমি কার কাছে যাব? আমি আদালতের প্রতি বিশ্বাস রাখতে চাই।’

১২ অক্টোবর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

তিন মাস পর যুক্তরাজ্য থেকে গতকাল বুধবার দেশে ফিরেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন। গতকাল বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে তিনি ঢাকায় পৌঁছান। যুক্তরাজ্যে থাকতেই ঢাকা ও কুমিল্লায় নাশকতা, দুর্নীতি ও মানহানির পাঁচটি মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। হঠাৎ করে দুই দিনে এসব মামলায় আদালতের পরোয়ানা জারির প্রেক্ষাপটে নেতা-কর্মীদের মধ্যে কিছুটা উৎকণ্ঠা ছিল। কেউ কেউ গ্রেপ্তারের আশঙ্কা করেন। এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য চলছিল।

সূত্র : প্রথম আলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কা‌লিগ‌ঞ্জে পু‌লি‌শের অভিযা‌নে ৩ হাজার বোতল ফেন‌সি‌ডিল উদ্ধার

মোঃ আরাফাত আলীঃ কা‌লিগ‌ঞ্জে পু‌লি‌শের অভিযা‌নে বৃহস্প‌তিবার সকাল সা‌ড়ে ৬ টার সময় ৩ হাজার বোতল ফেন‌সি‌ডিল উদ্ধার ক‌রে‌ছে কিন্তু ঘটনার সা‌থে জ‌রিত কাউ‌কে আটক কর‌তে পা‌রে‌নি পু‌লিশ।

থানার অফিসার ইনচার্জ লস্কর জায়াদুল হক জানান, মাদ‌কের এক‌টি বড় চালান পাচার হ‌চ্ছে গোপন সংবা‌দের ভি‌ত্তি‌তে তার নেতৃ‌ত্বে পু‌লিশ উপ‌জেলার নলতা ইউনিয়‌নের বাগ নলতা গ্রা‌মের মৃত মিনহাজউদ্দী‌ন পাড়ের ছে‌লে বাবর আলীর বা‌ড়ির সাম‌নে অভিযান চালায়। এসময় পু‌লি‌শের উপ‌স্থি‌তি টের পে‌য়ে বাবর আলীর বা‌ড়ির সাম‌নে অব‌স্থিত ধান ক্ষে‌তে ‌তিন‌টি বড় সয়া‌বিন তে‌লের ড্রাম ফে‌লে রে‌খে মাদক ব্যবসা‌য়ীরা পা‌লি‌য়ে যায়। এরপর পু‌লিশ ওই ড্রাম তল্লাশী ক‌রে তিন‌টি ড্রাম থে‌কে ৩ হাজার বোতল ফেন‌সি‌ডিল উদ্ধার ক‌রে ।

এবিষ‌য়ে কা‌লিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ লস্কর জায়াদুল হক ব‌লেন, এই মাদ‌কের সা‌থে কারা সম্পৃক্ত আমরা জান‌তে পে‌রে‌ছি। তা‌দের বিরু‌দ্ধে মামলার প্রস্তু‌তি চল‌ছে। সা‌থে সা‌থে আসামী‌দের ধর‌ার জন্য অভিযান অব্যহত আছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেষ হলো জামায়াতের আমিরের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তৃতীয় দফা তদন্ত

গ্রেফতার হওয়া জামায়াতে ইসলামীর আমির মকবুল আহমাদের বিরুদ্ধে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে তার নিজ জেলা ফেনীতে তৃতীয় ধাপে তদন্ত শেষ করেছেন যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল। পাঁচ দিনব্যাপী তদন্তে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিভিন্ন ঘটনার শিকার ব্যক্তি, তাদের পরিবারের সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শীদের জবানবন্দি নিয়েছেন তদন্তকারী কমকর্তা, ট্রাইব্যুনালের সহকারী পরিচালক এএসপি মো. নুরুল ইসলাম। তদন্তের স্বার্থে ওইসব ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের তথ্য কিংবা তদন্ত পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে জানাতে অপারগতা জানিয়েছেন তিনি। তবে জেলা মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডারসহ স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা ধারণা করছেন, মকবুল আহমাদের বিরুদ্ধে শিগগিরই মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা হবে।
জানা গেছে, গত শনিবার (১৪ অক্টোবর) থেকে শুরু হয় জামায়াত আমির মকবুল আহমাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তৃতীয় দফার তদন্ত। তদন্তকারী কমকর্তা এএসপি নুরুল ইসলাম পাঁচ দিনের তদন্ত শেষ করে ফেনী ছেড়েছেন বুধবার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা জানিয়েছেন, মকবুল আহমাদের বিরুদ্ধে তদন্তে জেলার মানবতাবিরোধী অপরাধের স্থানগুলো পরিদর্শন করেছেন তদন্তকারী কমকর্তা। এসময় তিনি ঘটনাগুলোর প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। একইসঙ্গে ওইসব অপরাধের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জবানবন্দিও নিয়েছেন।
জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মীর আব্দুল হান্নান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘মকবুল আহমাদের বিরুদ্ধে তৃতীয় ধাপের তদন্ত শেষ হয়েছে। ফেনীতে মুক্তিযুদ্ধের সময় যেসব মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, তার অন্যতম হোতা এই মকবুল আহমাদ। আমরা ধারণা করছি, তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে শিগগিরই মামলা দায়ের হবে।’
জামায়াত আমিরের বিরুদ্ধে তৃতীয় দফা তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জানতে চাইলে এএসপি নুরুল ইসলাম বলেন, ‘এর আগে ফেনীতে দুই দফায় তদন্ত হয়েছে। তদন্তে মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনাগুলো লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী একটি প্রতিবেদনও ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা ও এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তৃতীয় দফা তদন্তে ওইসব ঘটনার শিকার ব্যক্তি, তাদের পরিবারের সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য নিয়েছি।’
এএসপি নুরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘৪৬ বছর আগের এসব ঘটনার অনেক আলামতই খোয়া গেছে। জড়িত অনেকের মৃত্যু হয়েছে। সাক্ষী ও ভুক্তভোগীদের অনেকেও মারা গেছেন। ১৯৭৫ সালের পর স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির উত্থানের ফলে অপরাধীরা অনেক আলামত নষ্ট করে ফেলেছেন। তবুও আমরা যতটুকু সম্ভব তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করছি।’ তবে তদন্তের স্বার্থে ও সার্বিক বিবেচনায় তদন্তে মানবতাবিরোধী ওইসব ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের নাম গণমাধ্যমের কাছে প্রকাশ করতে অপারগতা জানান এএসপি নুরুল ইসলাম।
স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা বলছেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ছিলেন মকবুল আহমাদ। জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মীর আব্দুল হান্নান বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় ফেনী কলেজ ছাত্র সংসদের (১৯৬৭-৬৮ সালের) ভিপি ও তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন নেতা মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ ওয়াজ উদ্দিনকে চট্টগ্রামে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা, দাগনভূঞার জয়লস্করের খুশিপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আহসান উল্যাহকে হত্যা করে লাশ সিলোনিয়া নদীতে ফেলে দেওয়া, একই এলাকার লালপুর গ্রামের পাল বাড়ির ১০ জনকে ধরে নিয়ে জীবিত হত্যার ঘটনাগুলোতে মকবুল আহমাদের নাম জড়িয়ে আছে।’
মুক্তিযুদ্ধের সময় নিহত ছাত্র ইউনিয়ন নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ওয়াজ উদ্দিনের রাজনৈতিক সহকর্মী অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘‘মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে জামায়াতে ইসলামীর ফেনী মহকুমা শাখার তৎকালীন আমির ও শান্তি কমিটির অন্যতম নেতা মকবুল আহমাদ মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যার প্রধান পরিকল্পনাকারী ছিলেন। একাত্তরের ১০ আগস্ট এক চিঠিতে তিনি ওয়াজ উদ্দিনকে ‘চীনপন্থী মেনন গ্রুপের নেতা’ ও ‘চট্টগ্রাম সেক্টরের মুক্তিবাহিনীর প্রধান সহকারী’ উল্লেখ করে তার সন্ধান বের করতে ফজলুল হককে অনুরোধ করেন। চিঠিতে লিখেন, ওয়াজ উদ্দিনকে হত্যা করতে ইলিয়াছ, খালেক, জালালসহ তিনি (মকবুল) অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। এ বিষয়ে ‘আগের চুক্তি অনুযায়ী সাহায্য করতে’ ফজলুলকে অনুরোধ করেন মকবুল।’’
অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘মকবুলের ওই চিঠির নির্দেশ মেনেই ১৭ আগস্ট ওয়াজ উদ্দিনকে চট্টগ্রামের রিয়াজ উদ্দিন বাজার এলাকায় থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর থেকেই তার আর কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে চট্টগ্রাম কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলেও তা গত ৪৬ বছরেও আলোর মুখ দেখেনি।’
দাগনভুঞা উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শরিয়তউল্যাহ বাঙ্গালী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় খুশিপুরের মুক্তিযোদ্ধা আহসান উল্যাহ গোপনে তার সাত মাস বয়সী সন্তানকে দেখতে আসেন। যেদিন তিনি বাড়ি আসেন, সেদিন রাত ১২টার দিকে মকবুলের নির্দেশে তাকে সিলোনীয়া ক্যাম্পে ধরে নিয়ে যায় রাজাকার মোশাররফ হোসেন মশা। সেখানে তাকে হত্যা করে তার লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। আহসান উল্যাহর লাশ আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।’ মুক্তিযুদ্ধের সময় আরও বেশ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যাসহ মুক্তিযোদ্ধাদের বাড়িতে আগুন দেওয়া, নারীদের হত্যার মতো ঘটনায় মকবুল আহমাদ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন বলেও দাবি করেন শরিয়তউল্যাহ বাঙ্গালী।
উল্লেখ্য, প্রায় ছয় বছর ধরে জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমিরের দায়িত্ব পালনের পর গত বছরের ১৭ অক্টোবর দলের আমির হিসেবে শপথ নেন মকবুল আহমাদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অভিষেক ম্যাচেই ইনজামাম ভাতিজার সেঞ্চুরি, পাকিস্তানের সিরিজ জয়

পাকিস্তানের ব্যাটিং গ্রেট ইনজামাম-উল-হকের ভাতিজা ইমাম-উল-হক ক্রিকেট ক্যারিয়ারের প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ (ওডিআই) খেলতে নেমেই সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। মূলত তার সেঞ্চুরিতে ভর করে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চলমান পাঁচ ম্যাচ সিরিজ জিতে (৩-০) নিলো পাকিস্তান।

২১ বছর বয়সী বামহাতি ইমাম-উল-হক তার ইনিংসে পাঁচটি চারের পাশাপাশি দু’টি ওভার বাউন্ডারিও মারেন। যদিও ৮৯ রানে উইকেটরক্ষকের তালুবন্দি হন ইমাম। তবে টিভি আম্পায়ারের ফুটেজে বিষয়টি পরিষ্কার হয়, উইকেটরক্ষকের হাতে পৌঁছানোর আগে বল মাটি স্পর্শ করে। পরে একশ’ রান করার পরপরই তিনি সাজঘরে ফেরেন।

উল্লেখ্য, ইমাম-উল-হকের আগে ১৯৯৫ সালে এই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওডিআই অভিষেকে সেঞ্চুরি হাঁকানো একমাত্র পাকিস্তানি ছিলেন সেলিম এলাহী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেসির শততম গোলে জয় পেল বার্সেলোনা

মেসির অসাধারণ কীর্তি ‘শততম গোল’ করার ম্যাচে ৩-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়লো বার্সেলোনা। চ্যাম্পিয়নস লিগে গ্রুপ ‘ডি’র ম্যাচে এদিন গ্রিক দল অলিম্পিয়াকোসের মুখোমুখি হয় বার্সা।
আর এদিনেই নিজের শততম গোলের মাইলফলক ছুঁলেন আর্জেন্টিনাইন অধিনায়ক। ফলে অলিম্পিয়াকোসের বিপক্ষে ৩-১ গোলের জয় পায় আরনেস্টো ভালভার্ডের শিষ্যরা।

লিওনেল মেসি একটি গোল করার পাশাপাশি লুকাস ডিগনের করা অন্য গোলেও অবদান রাখেন। বাকি গোলটি আসে প্রতিপক্ষের আত্মঘাতি থেকে। যদিও ম্যাচের অধিকাংশ সময় ১০ জন ফুটবলার নিয়ে খেলে কাতালান ক্লাবটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পছন্দের জীবনসঙ্গী না পাওয়ায় কুকুরকে বিয়ে!

বিয়ে নিয়ে সবারই কিছু না কিছু স্বপ্ন থাকে। জীবনসঙ্গী বানাতে উপযুক্ত পাত্র পাত্রী খুঁজে বেড়ান। তবে উপযুক্ত সঙ্গী না পেলে কী বিয়েই নয়? না। উপযুক্ত পাত্র নেই তো কী হয়েছে?

নিজের অনুগত পালিত কুকুরই তো অনেকাংশে মানুষের চেয়ে যোগ্য। এমনটাই মনে করেন এক ইউরোপীয়ান নারী। ফলে জীবনসঙ্গী হিসাবে বেছে নিলেন কুকুরকেই।

ইয়ার্ক শায়েরের অধিবাসী মারগান কালঘান (৪৩)। আগামী ২০ নভেম্বর কুকুরের সঙ্গে তিনি অষ্টম বিবাহ বার্ষিকী পালন করতে যাচ্ছেন। স্বামী কুকুরকে তিনি বাদশাহ নামে ডাকেন।

মার্গান বলেন, তিনি ২০০৯ সালে কুকুরকে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। সে সময়ে তার কোনো চাকরি কিংবা অর্থ সম্পত্তিও ছিল না। তবুও বিপদের এ কঠিন মুহূর্তে বাদশাহ (কুকুরের ডাক নাম) তাকে ছেড়ে যায়নি। কোনো মানুষও তো এতটা অনুগামী হয় না যা আমার স্বামী কুকুর হয়েছে।

এ নারীকে কুকুর বিয়ে করার জন্য সার্টিফিকেটও দেওয়া হয়েছে। তবে এ সার্টিফিকেটের কোনো আইনি বৈধতা নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নলতায় ব্যাপক লোডশেডিংয়ে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় ব্যাঘাত

তরিকুল ইসলাম লাভলু : পল্লী বিদ্যুতের অতিরিক্তি লোডশেডিংয়ের কারনে শিক্ষার ব্যাঘাট ঘটছে নলতার ইন্দ্রনগর ফাজিল মাদ্রাসা ও কাজলা গরিবুল্লাহ বিশ্বাস দাখিল মাদ্রাসাসহ একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। শিক্ষাবান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষ্যানুযায়ী শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নাইট কোচিং চালু করা হলেও সন্ধা হলেই রিতিমত পোহাতে হচ্ছে বিদ্যুতের ভেলকিবাজি। আর অল্পকিছুদিন পরেই তথা আগামী ১ নভেম্বর থেকে সারাদেশব্যাপি শুরু হতে যচ্ছে জেএসসি ও জেডিসি এবং ১৯ নভেম্বর থেকে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনি পরিক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। পরিক্ষার্থীরা তাদের শেষ মূহুর্তে নিচ্ছে ব্যাপক প্রস্তুতি। অথচ নলতার ইন্দ্রনগর ফাজিল মাদ্রাসা ও কাজলা গরিবুল্লাহ বিশ্বাষ দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা তাদের শেষ মূহুর্তে পরিক্ষার সঠিক প্রস্তুতি নিতে ব্যর্থ হচ্ছে। এদিকে ৫ম ও ৮ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের ভাল ফলাফলের উপহার দিতে বছর জুড়ে ব্যবস্থা করে নাইট কোচিং এবং তা থেকে শিক্ষার্থীরা একটি ভাল ফলাফল উপহার দিতে পারে। কিন্তু পরিক্ষার মুখোমুখি অতিরিক্ত লোড শেডিংয়ের কারণে শিক্ষার্থীদের নাইট কোচিং এর মাধ্যমে পাঠদান করাতে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে শিক্ষকরা। বিদ্যুতের এমন ভেলকিবাজি থেকে পরিত্রান চেয়েছেন এসব এলাকার শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী,ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকবৃন্দ।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কালিগঞ্জ জোনাল অফিসের এজিএম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পল্লী বিদ্যুতের কালিগঞ্জ পারওয়ার হাউজ থেকে বিদ্যুৎ সাপ্লাইয়ের ওভার লোডিং হওয়ার কারণে আমরা দেবহাটা পাওয়ার হাউজ থেকে নলতার আংশিক এলাকায় বিদ্যুৎ সাপ্লাই দিচ্ছি। তবে নলতার মাটিকোমরা এলাকা থেকে তারালী পর্যন্ত বিদ্যুৎ লাইনটি কালিগঞ্জ এরিয়ার ভিতরে পড়েছে। তিনি খুব দ্রুত এর সমাধানের আশ্বাষ দিয়েছেন।
এদিকে এলাকার সকল মানুষের দাবী নলতা এলাকার নির্বিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবারহ থাকে তাই তাদের ছেলে-মেয়েদের পরিক্ষা পর্যন্ত এসব এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগটি নলতার বিদ্যুতের লাইনের সাথে সংযুক্ত করে ছাত্র-ছাত্রীদের এ দূর্ভোগ থেকে পরিত্রান দেওয়া হোক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জ শ্রমিকলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত; সভাপতি শাহাজালাল, সম্পাদক সবুর

কালিগঞ্জ ব্যুরো : সকল ভেদাভেদ ভুলে দলকে সু-সংগঠিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে নেতাকর্মীদের কাজ করতে হবে। বর্তমান সরকার শ্রমিক বান্ধব সরকার, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশের সার্বিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা বিএনপি ও জামায়াতের সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আগামি নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী যেই হোকনা কেন তৃণমূল পর্যায় থেকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নৌকার প্রার্থীকে জয়ী করতে হবে। বুধবার দুপুর ১২টায় খানবাহাদুর আহছানউল্লা সেতু সংলগ্ম বঙ্গবন্ধু‘র ম্যুরালের পাদদেশে জাতীয় শ্রমিকলীগ কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ ওয়াহেদুজ্জামান এ কথা গুলো বলছিলেন। জাতীয় শ্রমিকলীগ উপজেলা শাখার আহবায়ক শেখ শাহাজালালের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রথম পর্বে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন জাতীয় শ্রমিকলীগ জেলা শাখার সভাপতি সাইফুল করিম সাবু। উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নাজমুল আহসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় শ্রমিকলীগ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ খালেক, সিনিয়ার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ সরদার। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সভাপতি জিএম মাহাতাব উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি গৌতম লস্কর, বিষ্ণপুর ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সভাপতি ইফতেয়ার আলম সুমন। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বের অধিবেশনে জাতীয় শ্রমিকলীগ জেলা শাখার সভাপতি সাইফুল করিম সাবু‘র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেকের সঞ্চালনায় সর্ব সম্মতিক্রমে শেখ শাহাজালাল সভাপতি, আব্দুর সবুর সাধারণ সম্পাদক ও মাহবুবুর রহমান মুকুলকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৪৫ জনের মধ্যে ৯ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয় শ্রমিকলীগের উপজেলা কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটির অন্যান্যরা হলো সহ-সভাপতি মনিরুল ইসলাম মনি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবিরুল ইসলাম, শেখ জামসেদ আলী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ তৈয়বুর রহমান, শেখ আশরাফুল ইসলাম কদম ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা মিনা পারভীন। অনুষ্ঠানে আওয়ামীলীগসহ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাবৃন্দ ও জাতীয় শ্রমিকলীগের ১২ ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest