সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় জাকির স্মৃতি স্কুল কাবাডি প্রতিযোগিতার ফাইনালসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন শ্যামনগরে বজ্রপাতে ইয়াকুব আলী নামের এক ঘের মালিকের মৃত্যুসাতক্ষীরার সুন্দরবনে বনদস্যুদের গুলিতে কাঁকড়া শিকারি আহতকালিগঞ্জে তথ্য গোপনের অপরাধে প্যানেল চেয়ারম্যানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানাসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সভাসাংবাদিকের ওপর হামলা: চাপ এড়াতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গনভালোবাসার একযুগ এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশনসাংবাদিক জিন্নাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

ব্রহ্মরাজপুরে নিঃসন্তান ভিক্ষুক দম্পতি পেল ‘প্রান্তিক বসতি’

মাস্টার আছাদুল, ধুলিহর প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রশাসনের নিরলস প্রচেষ্টায় নিঃসন্তান ভিক্ষুক দম্পতি পেল ‘প্রান্তিক বসতি’। বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের চেলারডাঙ্গা গ্রামে গিয়ে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিন ভিক্ষুক দম্পতির হাতে নব-নির্মিত ‘প্রান্তিক বসতি’ নামের ঘরের চাবি তুলে দেন। চেলারডাঙ্গা গ্রামের মোঃ আমের আলী মালী (৯০) ও আছিরন খাতুন (৭০) এই ভিক্ষুক দম্পতি উপস্থিত থেকে নব-নির্মিত ঘরের চাবি গ্রহন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মাদ নুর হোসেন (সজল), ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এস,এম শহিদুল ইসলাম, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সুপারভাইজার আব্দুল মকিব ও ব্রহ্মরাজপুর ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার ও সাংবাদিক মোঃ রেজাউল করিম মিঠু। এছাড়া এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিপুল সংখ্যক লোকজন চাবি হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন। চাবি হস্তান্তর শেষে জেলা প্রশাসক ভিক্ষুক দম্পতির খোঁজ-খবর নেন ও কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের জন্য নব-নির্মিত ঘরটি ঘুরে দেখেন। পূনর্বাসিত (পূর্বে ভিক্ষুক ছিলেন) ব্যক্তিদের জন্য উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে ‘প্রান্তিক বসতি’ নির্মিত হয়েছে। অসহায় নিঃসন্তান ভিক্ষুক দম্পতি মাথা গোজার ঠাই নব-নির্মিত ঘরটি পেয়ে খুব আনন্দ প্রকাশ করেছে ও প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে অনুদানের চেক বিতরণ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে অসহায়, হতদরিদ্র, অসুস্থ, শিক্ষা, চিকিৎসা ও প্রতিবন্ধীদের সাহায্যার্থে অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম এ অনুদানের চেক বিতরণ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সৈয়দ আমিনুর রহমান বাবু। পাঁচ হাজার থেকে বিশ হাজার টাকার সর্বমোট ১৪৫ জনকে মোট ৯ লক্ষ ৪ হাজার টাকা অনুদানের চেক বিতরণ করেন।এসময় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকার উন্নয়নের সরকার। এদেশের কোনো মানুষ যাতে বিনা চিকিৎসায় থাকে সে জন্য সকল উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ানে কমিউনিটি ক্লিনিকের তৈরি করে দিয়েছেন। স্বাস্থ্য বিভাগ পূর্বের তুলনায় এখন অনেক ভালো অবস্থানে আছে। কোনো শিশু যাতে অশিক্ষিত না থাকে সে জন্য শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি ও বছরের প্রথমে বই দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। এছাড়াও বর্তমান সরকার গৃহহীনদের জন্য করে দিচ্ছেন আবাসনের ব্যবস্থা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতিদিন দারচিনি এবং মধু খাওয়ার উপকারিতা

সবাই বলে এই প্রজন্মের এত রোগে ভোগার পিছনে নাকি ভেজাল খাবার দায়ি। কথাটা যে একেবারে ভুল, এমন নয়! কিন্তু আমাদের শরীর ঠিক না থাকার পিছনে আমাদের দোষও কম নেই।
এই যেমন দেখুন না প্রকৃতি আমাদের হাতে একাধিক অস্ত্র তুলে দিয়েছে। তবু আমরা সেগুলি ব্যবহার করি না। ফলে সহজেই নানা রোগ আমাদের ঘিরে ধরে তাণ্ডব করে।

সবাই তো সুস্থভাবেই বাঁচতে চায়। এমন কাউকে কি খুঁজে পাবেন যে বলবে যে আমি অসুস্থ হতে চাই! তাই যদি হয় তাহলে মধু এবং দরচিনি খাওয়ার অভ্যাস করেননি কেন? একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে এই দুই প্রকৃতিক উপাদান একসঙ্গে যদি খাওয়া যায়, তাহলে শরীরে ভিটামিন এবং মিনারেলের ঘাটতি দূর হয়। সেই সঙ্গে শরীরের প্রতিটি অঙ্গের কর্মক্ষমতা যেমন বাড়ে, তেমনি ত্বকের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পায়। মেলে আরও অনেক উপকার। যেমন…

১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয়:
নিয়মিত যদি পরিমাণ মতো দারচিনির পেস্টের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন, তাহলে শরীরে এমন কিছু উপাদানের পরিমাণ বাড়তে থাকে যে ধীরে ধীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা মারাত্মক শক্তিশালী হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে ক্লান্তিও দূর হয়।

২. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে:
পরিবারে কি এই মরণ রোগের ইতিহাস রয়েছে? তাহলে তো আজ থেকেই দরচিনি এবং মধু খাওয়া শুরু করতে হবে। কারণ এই দুই প্রকৃতিক উপাদান ইনসুলের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

৩. ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখে:
মধুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট, যা শরীর থেকে টক্সিক উপাদানের বের করে দিয়ে ক্যান্সার সেলের জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা কমায়। অন্যদিকে দারচিনিতে উপস্থিত অ্যান্টি-টিউমার প্রপাটিজ শরীরে কোথাও টিউমার হতে দেয় না। ফলে ক্যান্সার রোগ ধারে কাছে ঘেঁষার সুযোগই পায় না।

৪. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত দারচিনি এবং মধু খেলে স্টমাকে উপস্থিত গ্যাস বেরিয়ে যায়। সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতারও উন্নতি ঘটতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বদহজম এবং বুক জ্বালার মতো সমস্যা কমে যায়। প্রসঙ্গত, ব্লাডার ইনফেকশনের মতো রোগের চিকিৎসাতেও এই দুটি প্রকৃতিক উপাদান বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৫. আর্থ্রারাইটিসের প্রকোপ কমায়:
নিয়মিত গরম জলে পরিমাণ মতো মধু এবং দারচিনি পেস্ট মিশিয়ে খেলে জয়েন্টে প্রদাহ কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে হাড়ও শক্তপোক্ত হয়ে ওঠে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই আর্থ্রারাইটিসের মতো রোগের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না।

৬. ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায়:
সপ্তাহে ২-৩ দিন পরিমাণ মতো দারচিনি পেস্ট নিয়ে তাতে মধু মিশিয়ে যদি মুখে লাগাতে পারেন, তাহলে স্কিনের যে কোনও সমস্যা কমে যায়। সেই সঙ্গে কোষের উপরের স্থরে জমতে থাকা মৃত কোষের স্থর সরে যায়। ফলে ত্বক উজ্জ্বল এবং প্রাণচ্ছল হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে বলিরেখা এবং বয়সের ছাপও কমতে থাকে।

৭. হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়:
শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল বা এল ডি এল মাত্রা কমানোর মধ্যে দিয়ে হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে দারচিনি এবং মধু বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। শুধু তাই নয়, মধুতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হার্টের অন্দরে প্রদাহ কমায়। ফলে কোনও ধরনের হার্ট ডিজিজ হওয়ার আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে কমে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফ্রিজে ডিম রাখলে কি হতে পারে?

১০০ জনের মধ্যে প্রায় ৯০ জন এই ভুল কাজটা করে থাকেন। আর এই কারণে তাদের শরীরকেও যে বেশ ভোগান্তি পোহাতে হয়, সে বিষযে কোনও সন্দেহ নেই! একাধিক গবেষণায় একথা প্রণামিত হয়েছে যে ফ্রিজের দরজার যে অংশে ডিম রাখার ব্যবস্থা করা হয়, সেখানে ভুলেও ডিম রাখা উচিত নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রেফ্রিজারেটরের এই অংশে চাপমাত্রা মারাত্মকভাবে ওঠা-নামা করে। যে কারণে ডিম খারাপ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তো থাকেই। সেই সঙ্গে নানাবিধ ব্যাকটেরিয়া আক্রামণে ডিম খারাপ হয়ে যায়। এসব ডিম খেলে শরীরের যে কী হাল হতে পারে, তা নিশ্চয় আর বলে দিতে হবে না। সেই কারণে এবার থেকে ভুলেও ফ্রিজের দরজায় ডিম রাখবেন না। পরিবর্তে একটি এয়ার টাইট পাত্রে ডিম রেখে তা ফ্রিজের পেটের ভিতরে রাখবেন। এমনটা করলে একটা নির্দিষ্ট মাত্রায় ডিমগুলো থাকবে। ফলে সেগুলো খারাপ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমবে।

প্রসঙ্গত, আরও কতগুলো বিষয় মাথায় রাখতে হবে।
যেমন- রান্না করা ডিম ভুলেও ৩-৪ দিনের বেশি ফ্রিজে রাখা চলবে না। এর বেশি সময় ফ্রিজে রেখে সেই খাবার খেলে শরীর খারাপ হতে পারে। আর কাঁচা ডিম কখনই ৩০ দিনের বেশি রেখে খাবেন না।

এই নিয়মগুলো মেনে ফ্রিজে ডিম রাখলে খাবারটির শরীরে উপস্থিত একাধিক উপকারী উপাদান, যেমন- ভিটামিন-এ, ভিটামিন বি২, বি১২, বি৫, ভিটামিন ডি, ই, বায়োটিন, কোলিন, ফলিক অ্যাসিড এবং আয়রন একেবারে ঠিক ঠিক অবস্থায় থাকবে। ফলে এমন ডিম খেলে নানাভাবে শরীরের উপকারও হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে খাবারগুলো পরপর খাওয়া ঠিক নয়

অনেকে বলে থাকেন, শরীরে কোন কাটা-ছেঁড়ার পর টক খাওয়া ঠিক নয়। কারণ টক খেলে ক্ষত বাড়বে, যদিও এটি ঠিক নয়।
আবার কেউ বলে থাকেন, ফল খাওয়ার পরে পানি খাওয়া উচিত নয়। এ কথাটা ঠিক। কারণ, ফল খাওয়ার পর এটা হজম হতে সময় লাগে। আর হজমে যেন অসুবিধা না হয়, সে জন্য যেকোনো ফল খাওয়ার পর পানি না খাওয়াটা ভালো। আরও জেনে নিন-

* সকালের খাবারের পরই চা পান করা ঠিক নয়। ভরপেট সকালের নাশতা খাওয়ার পরে চা খেলে কিডনিতে সমস্যা হয়। নাশতা খাবার ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর চা পান করা উচিত।

* কলা এবং দুধ: কলা এবং দুধ একসঙ্গে সবাই খাই ঠিকই, কিন্তু এতে বিষক্রিয়া সম্ভাবনা প্রচুর।

* মাংস এবং আলু: মাংসের সঙ্গে ম্যাসড আলু খেলেই বিপদ।
কেন না ফাইবারের স্বল্পতায় শরীরে নানা রকম ক্ষতিকারক প্রতিক্রিয়া ঘটতে পারে।

* ডিম এবং বেকন: ডিমে রয়েছে হাই প্রোটিন আর বেকনে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট। যা এক সঙ্গে খেলে হজম হতে বেশ সমস্যা দেখা দেয়। এমনকী শরীর থেকে বেমালুম এনার্জি উধাও হয়ে যেতে পারে।

* বার্গার এবং ভাজাভুজি: বার্গারের সঙ্গে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই-ই খাওয়া হয় সাধারণত। ডুবো তেলে ভাজার কারণে এই দুই খাবার একসঙ্গে খেলে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। পাশাপাশি রক্তচাপ এক ধাক্কায় অনেকটাই কমিয়ে দেয়।

* পিৎজা এবং সোডা: পিৎজায় প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। তার সঙ্গে সোডা জাতীয় পানীয় গ্রহণ করা হলে মুশকিলে পড়তে পারেন। কেন না সোডায় প্রচুর পরিমাণে সুগার থাকে। যার জেরে হজমে বেশ সমস্যা দেখা যেতে পারে।

* অলিভ অয়েল এবং বাদাম: বাদামে প্রচুর প্রোটিন রয়েছে। আর অলিভ অয়েলে ফ্যাট। যা হজমে বেশ সমস্যা করতে পারে। শরীর বিগড়েও যেতে পারে।

* মাফিন এবং জুস: মাফিনে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট। তার সঙ্গে জুস খেলে শরীরে কার্বোহাইড্রেটের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। এই কারণে রক্তচাপ বেশ বেড়ে গিয়ে গোল বাধে।

* টোমেটো এবং পাস্তা: পাস্তা প্রচণ্ড ভারী খাবার এবং টোমেটোর মধ্যে অ্যাসিডিক উপাদানও ভরপুর। দুইয়ে মিলে শরীর বিগড়ে যাওয়ায় প্রভূত সমস্যা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পারফিউমের সুগন্ধ দীর্ঘ সময় ধরে রাখার উপায়

পারফিউম বা বডি স্প্রে ব্যবহারের পর কিছুক্ষণ যেতেই হালকা হতে থাকে সুগন্ধ। তাই দিনের শেষ পর্যন্ত পারফিউমের সুগন্ধ ধরে রাখবেন যেভাবে-

* গোসলের ঠিক পর: গোসলের পরই পারফিউম বা ব়ডি স্প্রে ব্যবহার।
এক্ষেত্রে জামা কাপড় পরার পর পারফিউম ব্যবহার করবেন।

* ঘষবেন না: অনেকেই পারফিউম স্প্রে করার পর দুই কব্জি ঘষে নেন, বা আঙুলের মাথা দিয়ে কানের পিছনে ঘষতে থাকেন। এটা করলে সুগন্ধ দীর্ঘস্থায়ী হয় না।

* ময়াশ্চারাইজ: পারফিউম ব্যবহারের পর ময়াশ্চারাইজার লাগিয়ে নিলে সুগন্ধ থাকবে বেশিক্ষণ। ত্বকের যে অংশে পারফিউম বা সুগন্ধী লাগিয়েছেন তার উপর নন-সেন্টেড ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে নিন।

* ঠাণ্ডা জায়গা: গোসলের পর ব্যবহারের জন্য অনেকেই পারফিউম বাথরুমে রাখেন। কিন্তু আলো জ্বালালে, গোসল করলে গরম বাষ্পে সুগন্ধ নষ্ট হয়ে যায়। অন্ধকার, ঠাণ্ডা, শুকনো জায়গায় পারফিউম রাখুন। এতে সুগন্ধ ধরে রাখতে পারবেন।

* ভেসলিন: পারফিউম ব্যবহারের আগে কব্জি বা ত্বকের অন্যন্য অংশে ভেসলিন লাগিয়ে নিন। এতে আর্দ্র ত্বকে সুগন্ধ আটকে যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোন থানার ওসি সাহেবগিরি করলে তাকে সরানো হবে-আইজিপি

যদি কোন থানার ওসি সাহেব গিরি করে তাহলে তাকে সরানো হবে এবং প্রতিটি থানাকে দালাল মুক্ত করতে হবে। বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থানার নব-নির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন শেষে শিবগঞ্জ স্টেডিয়াম মাঠে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ আইজিপি মো: শহীদুল হক (বিপিএম, পিপিএম) এ কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, জঙ্গি ও মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশ ও সাধারণ মানুষকে একসাথে রুখে দাঁড়াতে হবে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে পুলিশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জের সন্ত্রাসীদের শক্ত হাতে দমন করতে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান এ সময়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘আ’লীগ ছাড়া নির্বাচন করলে কী পরিস্থিতি হবে সবই জানেন ইনু’

আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন করলে কী পরিস্থিতি হবে সবই জানেন হাসানুল হক ইনু। তিনি (হাসানুল হক ইনু) এর আগেও আওয়ামী লীগ ছাড়া যে নির্বাচন করেছেন তখন কী পরিস্থিতি শিকার হয়েছিলেন তা ইনু ভুলে যাননি।

উল্লেখ্য, বুধবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে কুষ্টিয়ার মিরপুর পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় ফুটবল মাঠে জাসদের এক জনসভায় জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে বলে‌ছেন, আপনারা ৮০ পয়সা থাকতে পারেন। আপনি এক টাকার মালিক না। যতক্ষণ একটাকা হবে না ততক্ষণ ক্ষমতা পাবেন না। আপনি ৮০ পয়সা আর এরশাদ, দিলীপ বড়ুয়া, মেনন আর ইনু মিললে তবেই এক টাকা হবে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা যদি না থাকি তাহল ৮০ পয়সা নিয়ে রাস্তায় ফ্যা ফ্যা কর ঘুরবেন। এক হাজার বছরেও ক্ষমতার মুখ দেখ‌বেন না। সুতরাং ঐক্য করছি জাতির জন্য, দেশের জন্য, মানুষের জন্য। সবই ঐক্যের ফসল হিসাবে আজ শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী।

তথ্যমন্ত্রীর ওই বক্তব্যের বিষয়ে বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আয়োজিত শেখ মজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কো কর্তৃক ওয়ার্ল্ডস ডকুমেন্টারী হেরিটেজের স্বীকৃতি পাওয়া উপলক্ষে অসমাপ্ত আত্মজীবনী ও কারাগারের রোজনামচা বিতরণ অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন। বলেন ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ১৪ দলের সম্বনয়ক মোহাম্মদ নাসিমের কাছে ইনুর বক্তব্যের বিষয়ে আওয়ামী লীগ থেকে জানতে চাওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ১৪ দল আমাদেরই একটি অঙ্গ সংগঠন। দলের নেতাকর্মীদের মাধ্যমে সব ঠিক হয়ে যাবে। তার বক্তব্যে কারণ কী তা জানা গেলে সব ঠিক হয়ে যাবে। অনেক সময় তিনি আত্মতৃপ্তির জন্য ডেকু তোলেন। পরে আবার ঠিক হয়ে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest