সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধনসাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিংচ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!সুনামগঞ্জ ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭সাতক্ষীরা জেলা ধারাভাষ্যকার অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা : দেবহাটায় বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আশার আলোর আয়োজনে স্থানীয় স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচিতি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার ১৯ জুন, সকাল সাড়ে ১০ টায় সখিপুর লাইট হাউজ কনফারেন্স সেন্টাওে এ্যমেরিকেয়াস ফাউন্ডেশন ইনস এর অর্থায়নে এবং আশার আলোর বাস্তবায়নাধীন স্থানীয় স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।

আশার আলোর পরিচালক জাতীয় যুব পুরস্কারপ্রাপ্ত আবু আব্দুল্লাহ আল আজাদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন দেবহাটা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ¦ মুজিবর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন যথাক্রমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (রুটিন দায়িত্ব) রিফাতুল ইসলাম, এ্যমেরিকেয়াস ফাউন্ডেশন ইনস এর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ এবিএম কামরুল আহসান ও উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: পলাশ দত্ত।

প্রকল্প কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অধীর কুমার গাইন, উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা ইমরান হোসেন, কুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুল হক, সখিপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ফারুক হোসেন রতন, মোহনা টিভির প্রতিনিধি আর.কে.বাপ্পা, উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারন সম্পাদক চন্দ্রকান্ত মল্লিক, কুলিয়া ইউনিয়নের ইউপি সচিব ফারুক হোসেন, প্রজেক্ট অফিসার ডা: জি,এম ইমতিয়াজ আহমেদ, সাংবাদিক কে.এম রেজাউল করিম, আশার আলোর ফজলুল হকসহ উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্য সংশিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ। কর্মশালায় আগামী ১ বছর এই প্রকল্পটির মাধ্যমে সরকারের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌছানোসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোকপাত করা হয়।

উল্লেখ্য, আশার আলো সংস্থাটি ১৯৯৪ সাল থেকে বিভিন্ন উন্নয়ন ও সেবামূলক কাজের সাথে সম্পৃক্ত থেকে সরকারের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যানে কাজ করে যাচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় ম্যানগ্রোভ সভা কক্ষে যুব নেতৃত্বে সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে স্থানীয় প্রশাসন, স্থানীয় সরকার এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সাথে এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৯ জুন) বিকাল ৩ টায় শহরের ম্যানগ্রোভ সভা কক্ষে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা সিডো বাস্তবায়নে একশনএইড বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় যুব নেতৃত্বে সামাজিক সুরক্ষা বিষয়ে এডভোকেসি সভায় প্রধান নির্বাহী, সিডো, সাতক্ষীরা, শ্যামল কুমার বিশ^াস সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা অফিসার, শহর সমাজসেবা কার্যালয়, সাতক্ষীরা মিজানুর রহমান, নারী ও শিশু নির্যাতন হেল্প ডেস্ক সাতক্ষীরা সদর থানা অপর্না বিশ^াস, কাউন্সিলর (৪,৫,৬ নং ওয়ার্ড) অনিমা রাণী মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ জোৎনা দত্ত, সাতক্ষীরা সাইবার ক্রাইম এলার্ট টিম পরিচালক শেখ মাহবুবর রহমান, দৈনিক বাংলা ও ডিবিসি’’র সাতক্ষীরা প্রতিনিধি বেলাল হোসেন, খুরশিদ জাহান শিলা, আক্তারুল ইসলাম, ও সি সি অফিস ও যুব সদস্যবৃন্দ।

উক্ত এডভোকেসি সভায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রধান নির্বাহী, সিডো, সাতক্ষীরা, শ্যামল কুমার বিশ^াস। মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে প্রকল্পের কার্যক্রম ও সভার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য প্রেজেন্টেশন প্রদান করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী মো: তহিদুজ্জামান (তহিদ)।
বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা ইয়ূথ হাবের কো-অর্ডিনেটর, মাসুদ রানা, সেক্রেটারী বেতনা যুব সংঘ সাকিব হাসান, ইয়ূথ লিডার বৈশাখী সুলতানা, সভাপতি উদ্দীপন যুব সংঘ সিহাব সিদ্দিকী, ইয়ূথ হাব সাতক্ষীরা সুজিত পাল।

সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাপনা: বাংলাদেশ জাতীয় সংবিধানের ১৫ অনুচ্ছেদে সামাজিক সুরক্ষা বিষয়ে বলা হয়েছে (১৯৭২)। তারই ধারাবাহিকতায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা কমিশন কর্তৃক ২০১৪ সালে বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত, অতিদরিদ্র মানুষের জন্য জাতীয় সামাজিক সুরক্ষা কৌশলপত্র প্রণয়ন করা হয়। যার প্রধান লক্ষ্য হলো বিদ্যমান সুরক্ষা জালকে আরো শক্তিশালী করা। পাশাপাশি, দারিদ্র দূর করা, মানব উন্নয়ন ও অসমতা নিরসনে বাংলাদেশ সরকার বদ্ধ পরিকর এবং যেটি অভিষ্ট লক্ষ্য মাত্রা ২০২১ এ প্রতিফলিত হয়েছে।

বাংলাদেশে সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা খুব একটা ভাল অবস্থানে নয়। ২৫টি মন্ত্রণালয়ের অধীনে কমবেশি ১৩০ টারমত সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচী আছে। যেটি বাংলাদেশের সকল মানুষকে সামাজিক সুরক্ষা খাতের আওয়াতায় নিয়ে আসা সম্ভব নয়। একটি দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা একান্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কিন্তু বর্তমান বিদ্যমান সামাজিক সুরক্ষা খাত বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে থেকে দারিদ্রতা, মানব উন্নয়ন ও অসমতা নিরসনে যথেষ্ট নয়। সামাজিক সুরক্ষা জালের মধ্যে উপযোগী সকলকে নিয়ে আসার জন্য কিছু চ্যালেঞ্জ আছে। যথা: উপযুক্ত বয়স হওয়ার পরেও কিছু মানুষ এই জালের আওয়াতায় আসছেনা কারণ তাদের জন্ম নিবন্ধনে বয়স ভুল আছে। বিদ্যমান সামাজিক সুরক্ষা জাল চাহিদা অনুযায়ি যথেষ্ট নয়। বিতরণে অনিয়ম এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ও তথ্য অব্যবস্থাপনা অন্য একটি কারণ।

এডভোকেসি সভার উদ্দেশ্য: স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারী সেবা প্রদানকারী প্রতিনিধিদের সাথে যুবদের যোগযোগ স্থাপন করা। কমিউনিটির লোকদের সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে অবহিত করা এবং জেলা/ উপজেলা সামাজিক সুরক্ষা কমিটির সদস্যদের যোগাযোগ নম্বর সংগ্রহ করা। সামাজিক সুরক্ষা কমিটির সদস্যদের যোগযোগ নম্বর সহ লিফলেট তৈরী করে প্রচারণা করা এবং সেবাগুলো গ্রহন করার ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করা।

বক্তরা বলেন, একশনএইড বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় সিডো সংস্থার বাস্তবায়নে এফরটি প্রকল্পের আওতায় সামাজিক সুরক্ষা বিষয়ে যে প্রোগ্রামের আয়োজন করেছে সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। যুব সদস্যবৃন্দ বর্তমান সময়ের চাহিদা অনুযায়ী উপস্থিত অতিথিবৃন্দের কাছে প্রশ্ন করেন এবং কিভাবে সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায় সে ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহন করার আহবান করেন। প্রশ্নের উত্তরে কিভাবে সহযোগিতা করতে পারবে সে বিষয়ে সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালচনায় ছিলেন প্রোগ্রাম অফিসার গিয়াসউদ্দীন, উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রশেখর হালদার, চন্দন কুমার বৈদ্য, বৈশাখী সুলতানা ও যুব সংঘের সদস্যবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জাতীয় শ্রমিক লীগ সাতক্ষীরা পৌর শাখার পক্ষ থেকে সদর থানার নবাগত ওসিকে ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।
রোববার সন্ধ্যায় নেতৃবৃন্দ থানায় উপস্থিত হয়ে নবাগত ওসি মহিদুল ইসলামকে এ শুভেচ্ছা জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় শ্রমিক লীগ সাতক্ষীরা পৌর শাখার আহবায়ক আজিজ বাবু, সদস্য সচিব মিজানুর রহমান, যুগ্ম আহবায়ক রুবেল হোসেন, ভাদল, রুবেল হোসেন, জাকির হোসেন, নাজিম, বাদসাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার রমজান নগর ইউনিয়নের ভৈরব নগর গ্রামের ভূমিধস্যু শেখ আব্দুল সামাদ এর নেতৃত্বে হিন্দু সম্প্রদায়ের অশ্বিনী মন্ডল কে তার বসতবাড়ি, জমি জায়গা থেকে বিতাড়িত করার লক্ষ্যে ঘরবাড়ি জালানো মারধর জমি দখল ও জীবননাশের হুমকির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৮ই জুন রোববার বিকাল ৫টায় ভৈরবনগর গ্রামের আতির মোড়ে এলাকাবাসীর আয়োজনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ভুক্তভোগী অশ্বিনী মণ্ডল,পাঁচু রাম মন্ডল,করুনা রানী মন্ডল, লিপিকা রানী মন্ডল, সাবিনা খাতুন প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আমরা হিন্দু সম্প্রদায়ের ২টি পরিবার বসবাস করি, কিন্তু শেখ আব্দুল সামাদ বিভিন্ন সময় জমি দখলের চেষ্টা, মৃত্যুর হুমকি সহ দেশ ছাড়ার ভয় দেখিয়ে আসছে।ফলে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমাদের জমি ছাড়াও তার নেতৃত্বে বহু লোকের জমি দখল করে খাচ্ছে। তারা আরও বলেন যাতে আমরা ২টি হিন্দু পরিবার শান্তিতে বসবাস করতে পারি সেই আহবান সরকারের কাছে।

শেখ আব্দুল সামাদ যাদের জমি দখল করে নিয়েছেন তাদের নামের তালিকা মানববন্ধনে বক্তৃতারা তুলে ধরেন, পাঁচু মন্ডলের ৬৬ শতক, বাবু আউলিয়ার ৩১ শতক, আমজাদ গাজীর ৫০ শতক, মুরো গাজীর ৩৭ শতক, হাকিম ঢালীর ২০ শতক, রশিদ গাজীর ১৭ শতক, সোবহান মিস্ত্রী ০৫ শতক, জমিসহ আনসার গাজীর ০৮ শতক জমি।

প্রসঙ্গত এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১১ই জুন রবিবার সকাল সাড়ে ৮টার সময় অবৈধভাবে বসতভিটা/জমি গায়ের জোরে দখল করার উদ্দেশ্যে হাতে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অশ্বিনীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর করে ও গ্যাস লাইট দিয়ে রান্নাঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরবর্তীতে অশ্বিনীর ঘেরের ওপর গিয়ে ঘর বাঁধার চেষ্টা করে, এসময় অশ্বিনীর বৌ ও মা বাধা দিতে গেলে তাদের শ্লীলতাহানি ও পিটিয়ে যখন করে ফেলে রেখে যায়। যাওয়ার সময় বলে যে, তোদের এ দেশ থেকে তাড়াবো। অশ্বিনী মণ্ডল ১২ ই জুন সোমবার তাদের বিরুদ্ধে শ্যামনগর থানায় মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নম্বর ৩১।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের মৃত আলহাজ¦ জিএম নেছার উদ্দীনের মেঝপুত্র বিশিষ্ট্য ব্যাংকার আলহাজ¦ জিএম আব্দুস সাত্তার রবিবার দুপুর দেড়টায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই পুত্র সন্তানসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

তিনি দীর্ঘদিন যাবত মার্কেন্টাইল ব্যাংকে স্বনামধন্য ব্যাংকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সোমবার সকাল ৮ টায় কামালনগর গোরস্থান জামে মসজিদে তার জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর কামালনগর গোরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হবে।  প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

১৮ জুন ২০২৩ তারিখ রোজ রবিবার আশা মেহেদীবাগ অফিসে হোপ ফর দি পুওরেষ্ট (এইচপি) এর আয়োজনে ওয়াস এসডিজি প্রকল্পের অধীনে সাতক্ষীরার নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে সমবায় সমিতির মাসিক সভার আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন নারী উদ্যোক্তা পিংকী রানী দাশ।

পৌরসভার প্রান্তিক এলাকায় ওয়াস সুবিধা বাঞ্চিত মানুষের মাঝে ওয়াস সেবা প্রদানের লক্ষে নারী ওয়াস উদ্যোক্তাদের নিয়ে সমবায় সমিতি গঠন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সমবায় সমিতির সদস্যদের সঞ্চয় জমা রাখা ও পরবর্তীতে ব্যাংক হিসাব খুলে ব্যাংকে জমা রাখার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় ২ জন কে ঋণ প্রদান করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। নারী উদ্যোক্তাদের কথা তুলে ধরা, সমবায় সমিতির ভালমন্দ দিক, তাদের মধ্যে একতা, গুণগতমানের পণ্য উৎপাদন ও ওয়াস বিষয়ক সুবিধা গ্রহণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সমবায় সমিতির সকল বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সাতক্ষীরা পৌরসভার ১,২,৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নূরজাহান বেগম নূরি। সমবায় সমিতির মাধ্যমে পৌরসভার ওয়াস সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মাঝে উন্নত সেবা নিশ্চিত হবে। এইচপি সংস্থার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন টাউন কোঅর্ডিনেটর মৃনাল কুমার সরকার ও মার্কেট ডেভেল্পমেন্ট অফিসার নন্দিতা রানী দত্ত। উল্লেখ্য, এইচপি নেদারল্যান্ডস ভিত্তিক দাতা সংস্থা সীমাভীর অর্থায়নে সাতক্ষীরা ও কলারোয়া পৌরসভায় ওয়াস বিষয়ক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো ওয়াস উদ্যোক্তা তৈরী এবং সফল ওয়াস ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা যা প্রত্যক্ষভাবে এলাকার ওয়াস ব্যবস্থার মান বৃদ্ধি করবে যেটি বাংলাদেশ সরকারের স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন অভিষ্ট ২০৩০ অর্জনে অবদান রাখবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : কোন আলোচনা ছাড়াই সাতক্ষীরা পৌরসভার পানির বিল তিনগুন বৃদ্ধি করার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার সকাল ১০টায় সচেতন পৌর নাগরিক কমিটির ব্যানারে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন রেজাউল ইসলাম রাজা।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ।

বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, পৌর ৪নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আসাদ আহমেদ অঞ্জু, সাতক্ষীরা জেলা ভূমিহীন সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জুয়েল হাসান, ভূমিহীন নেতা আব্দুস সাত্তার প্রমুখ। বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরা পৌরসভার মেয়র-কাউন্সিলরা নিজেদের পদ নিয়ে ব্যস্ত থাকায় জনগনের জন্য ভাবার সময় নেই। তাদের দলাদলিতে সাতক্ষীরা পৌরবাসীর নাভিশ^াস উঠে গেছে। নিয়মিত পানি থাকে না। মাঝে মধ্যে পানি আসলেও ময়লা থাকে,দুর্গন্ধ থাকে। সুপেয় পানি না থাকায় বিভিন্ন কোম্পানির পানি কিনে পান করতে হয়। যা পৌরবাসীর জন্য অত্যান্ত কষ্টকর। পানির সংকটে সাতক্ষীরা পৌরসভার মানুষ যখন দিশেহারা তখনই কোন আলোচনা ছাড়ায় তিন গুন বাড়িয়েছে সাতক্ষীরা পৌরকর্তৃপক্ষ। বক্তারা অবিলম্বে পানির মূল্য স্বাভাবিক করার দাবি জানান। অন্যথায় পৌরসভার নাগরিকবৃন্দ কঠোর কর্মসুচি গ্রহণ করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরা পৌর সভার পানি সরবরাহ শাখার কর্মচারীদের বকেয়াসহ নিয়মিত বেতন ভাতার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। পানি সরবরাহ শাখার কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দের আয়োজনে রবিবার সকালে  পৌর সভার মূল ফটকের সামনে উক্ত মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয় ।
মানববন্ধনে পৌর ওয়াটার সুপার মো. সেলিম সরোয়ার এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, হিসাব রক্ষক মো. রায়হানুল ইসলাম, পাম্প চালক মো. নুরুল ইসলাম, একে এম শহীদুল ইসলাম, মো. আব্দুল কুদ্দুস, মো. মনিরুজ্জামান, মো. আবুল কালাম, মো. হাবিবুর রহমান, মেকানিক মো. আব্বাস আলী,বিল ক্লার্ক মোছাঃ বেবী সুলতানা, মোছাঃ নাইমা খাতুন প্রমুখ।
 মানববন্ধনে এসময় পৌর সভার পানি সরবরাহ শাখার সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাস হতে ২৩ সালের জুন পর্যন্ত পৌর সভার পানি শাখার কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কোন বেতন ভাতা পাচ্ছেন না।  পরিবার পরিজন নিয়ে তারা মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
বেতন না পাওয়ায় তারা তাদের সন্তানদের মুখে দুমুটো খাবার দিতেও পারছেন না। ঈদুল ফিতরের সময় তারা তাদের সন্তানদের কোন কাপড় চোপড় কিনে দিতে পারেননি। সামনে পবিত্র ঈদুল আজহা। তার আগে তাই তাদের বেতন ভাতা পরিশোধ করতে হবে বলে তারা এসময় দাবি জানান। যদি বেতন ভাতা দ্রুত সময়ের মধ্যে না দেওয়া হয় তাহলে আগামীতে তারা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।##
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest