সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধনসাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিংচ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!সুনামগঞ্জ ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭সাতক্ষীরা জেলা ধারাভাষ্যকার অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :  সাতক্ষীরা পাটকেলঘাটার মাসুদ খান নামের এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহেণর দাবি জানিয়েছেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী ইয়াসমিন আরা রিংকি।

মঙ্গলবার (২০ জুন) দুপুরে সাতক্ষীরা সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন তিনি

অভিযুক্ত মাসুদ খান পাটকেলঘাটা থানার নওয়াকাটি গ্রামের হাজী মুজিবুর খানের পুত্র ও অভিযোগকারী ইয়াসমিন আরা রিংকি সদরের আগরদাড়ী ইউনিয়নের মৃত শহীদ গাজীর কন্যা।

স্বামী মাসুদ খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে লিখিত বক্তব্যে স্ত্রী রিংকি বলেন, ঢাকার একটি সিকিউরিটি কোম্পানিতে চাকুরির সুবাদে পরিচয় ঘটে তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানাঘাটার নওয়াকাটি গ্রামের হাজী মুজিবুর খানের পুত্র মাসুদ খানের সাথে। মাসুদ খানের পূর্বের স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। কিন্তু তার পিতা মাতা প্রথম স্ত্রীকে মেনে নিতে রাজি না হওয়ায় মাসুদ খান আমাকে বিবাহের প্রস্তাব দেয় আমি প্রথমে রাজি না হলেও পরে তারা পিতা মাতা আমাকে আশ্বস্ত করে।

তিনি বলেন, আমি তাদের আশ্বাস পেয়ে মাসুদ খানের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করি। পরে ঢাকার সিংগাঈর এলাকায় নিয়ে স্থানীয় মসজিদে ইমামের মাধ্যমে আমাকে বিবাহ করে মাসুদ। সে সময় বিবাহটি পরে রেজিষ্ট্রি করবে বলে জানায়। কিন্তু ৬ মাস অতিবাহিত হলেও রেজিষ্ট্রি না করে তাল বাহানা করতে থাকে। একপর্যায়ে আমার গচ্ছিত এবং বেতনের টাকাসহ প্রায় ২লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে আমাকে তাড়িয়ে দেয় এবং আমাদের বিবাহ অস্বীকার করে। আমার তীলে তীলে জমানো সম্পদ হাতিয়ে নিয়ে তাড়িয়ে দেওয়ায় আমি দিশেহারা হয়ে পড়ি। পরে সাতক্ষীরায় ফিরে মাসুদ খানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার ভাই মারুফ খান, মামা আলিমসহ কতিপয় গুন্ডাপান্ডা আমাকে খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে। এমনকি আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।

অভিযোগের বিষয়ে মাসুদ খান, মারুফ খান এবং আলিম গংযের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা ফোন রিসিভি করেননি।

মাসুদ খান, মারুফ খান এবং আলিম গংযের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী ওই অসহায় নারী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোক্তা অধিদপ্তর, সাতক্ষীরা ও ক্যাব সাতক্ষীরার দুটি সভা গতকাল সন্ধ্যায় ম্যানগ্রোভ সভাঘরে অনুষ্ঠিত হয়। সভা দুটিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোক্তা অধিদপ্তর সাতক্ষীরা সহকারী পরিচালক নাজমুল হাসান এবং সভাপতিত্ব করেন ক্যাব জেলা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী। সামগ্রীর অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন ক্যাব সহ-সভাপতি ও সনাক সভাপতি অধ্যাপক পবিত্র মোহন দাশ।
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ আব্দুল ওয়াহেদ, জাসদ সভাপতি ওবায়দুস সুলতান বাবলু, আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী আকতার হোসেন, প্রথম আলোর প্রতিনিধি কল্যান ব্যার্নাজি, উপাধ্যক্ষ ময়নুল হাসান, বাসদ সংগঠক নিত্যানন্দ সরকার, সিপিবির সাবেক জেলা সম্পাদক পলাশ, উদীচীর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, কবি শুভ্র আহমেদ, ম্যানগ্রোভ সভাঘরের প্রধান কবি স ম তুহিন, অধ্যক্ষ মোবাশ্বেরুল হক জ্যোতি , টিআইবির এরিয়া কো-অডিনেটর মনিরুল ইসলাম,এডভোকেট মুনির উদ্দীনপ্রমুখ। অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন
প্রথম আলোবন্ধু সভার সভাপতি কর্ণ বিশ্বাস কেডি, অধ্যাপক মহিউদ্দীন আহমেদ, অধ্যাপক কৃষ্ণ পদ সরকার, রওনক বাশার, আমির খান চৌধুরী, অধ্যাপক ভারতেশ্বরী বিশ্বাসক, উপাধ্যক্ষ ড. গোপাল সরদার ।
সভায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সাতক্ষীরাতে সচেতনতা মূলক কার্যক্রম ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ উপর বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সম্প্রতি সাতক্ষীরা পৌরসভা পানির মূল্য অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি করার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এক্ষেত্রে ক্যাবের পক্ষ হতে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করার বিষয় বিবেচনা করা হয়। সভায় পৌর সভার পানির মাননিয়ে একটি তথ্য প্রস্তূত করা রং সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
 প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : জাপা নেতা ছাত্তার মোড়ল কর্তৃক ব্যবসায়িক চুক্তি ভঙ্গ করে খাতাপত্র আটক রেখে হিসাব না দিয়ে কোটি কোটি অর্থ অবৈধভাবে আত্মসাতের চক্রান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের জি এম শফিউল্যাহ্ বাহার।

মঙ্গলবার (২০ জুন) দুপুরে সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে জি এম শফিউল্যাহ্ বাহার অভিযোগ করে বলেন, আমার পিতা মৃত মো: শমসের আলী গাজী জীবিত থাকা অবস্থায় শমসের আলী বিগত ১৯৯৪ সাল হতে বন্দকাটি গ্রামের মৃত কোরবান আলী মোড়লের পুত্র আঃ ছাত্তার মোড়লের সাথে চিংড়ী/মৎস্য চাষ করতেন। পিতা এবং ছাত্তার মোড়ল যৌথভাবে ৬টি মৎস্য খামার (প্রকল্প) ছিলো। যার মধ্যে বিসমিল্লাহ-০১ প্রকল্পে কাকড়াবুনিয়া মৌজায় আমার পিতার ১২৭ বিঘা জমির মালিকানা রয়েছে। বিসমিল্লাহ-০৩ প্রকল্পের ১ হাজার ৮ বিঘা জমি রয়েছে। সেখানে মোট ১১০৭ অংশের মধ্যে আমার পিতার ৫০০ অংশ এবং ছাত্তার মোড়ল ৫০০ অংশ ও অন্যান্য শেয়ার ১০৭ অংশ। প্রকল্প- ০৪ ঘোলা মৌজায় ২৫৬ বিঘা জমির উপর, সেখানে ১০০ অংশের মধ্যে আমার পিতার ৬০% এবং ছাত্তার মোড়ল ৪০% অংশ রয়েছে।

তিনি বলেন, আমার পিতা উক্ত ছাত্তার মোড়লকে ভাইয়ের মত শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস করতেন। সে কারণে সরল বিশ্বাসে প্রকল্পগুলোর শুরু থেকেই ব্যবসার সকল হিসাব নিকাশ এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব ছাত্তার মোড়ল পালন করতেন। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে উল্লেখিত ৩টি প্রকল্পের সময় লাভের টাকা, তথাকথিত ব্যাংক জমার নামে মজুদ টাকা এবং খাতাপত্র আটক রেখে অংক বদলিয়ে অসাধু উপায়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের পাঁয়তারায় লিপ্ত রয়েছে। এটা নিয়ে আমার পিতা মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পিতা গুরুতর অসুস্থ্ থাকা অবস্থায় আমরা চার ভাই জি এম হাবিবুল্যাহ, জি এম শফিউল্যাহ বাহার, জি এম রবিউল্যাহ বাহার ও জি এম সাইফুল্লাহ বাহার ছাত্তার মোড়লের কাছে ব্যবসায়ের সঠিক হিসাব নিকাশ দাবি করলে সে কোন হিসাব বা খাতাপত্র দিবে না বলে বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে হাকিয়ে দেয়। প্রকল্পের মধ্যে শুধুমাত্র বিসমিল্লাহ প্রকল্প-০৫ প্রকল্পে হতে আমার পিতার অংশীদারিত্ব ফেরত নিয়েছি। এছাড়া অন্য প্রকল্পের কোটি কোটি টাকার কোন ভাগ না দিয়ে পূর্বের ন্যায় অবৈধভাবে আত্মসাতের গভীর চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছেন।

এঘটনায় উপায়ন্তর হয়ে আমরা শ্যামনগর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউল হক দোলন ও কালিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদীসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করি। দুই উপজেলা চেয়ারম্যানের সম্মুখে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে শালিস হয়। সেখানে ছাত্তার মোড়ল স্বীকার করেন যে, আমার কাছে তারা অনেকগুলো টাকা পাবে। ২০১৯ সাল থেকে তাদের প্রতি বছরের টাকা প্রতি বছরেই বুঝিয়ে দেবো। কিন্তু সে প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করে তাল বাহানা করে যাচ্ছেন। এদিকে আমার পিতা ২০২১ সালের ১০ জুন আমার পিতা মারা যান। ২৫ বছর একসাথে ব্যবসা পরিচালনা করেছেন অথচ পিতার মৃত্যুর পর ছাতার মোড়ল দেখতেও আসেনি এবং জানাজা নামাজেও অংশ গ্রহণ করেনি।

শালিসের পর থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত তিনি নামমাত্র কিছু টাকা আমাদের দিয়েছেন। কোন সঠিক হিসাব আমাদের দেয়নি। এমনকি গত ২০২২ সালের ২০/১২/২২ তারিখের প্রকল্প ০৩ ও ০৪ এর মের থেকে খাতা সরিয়ে নিজের কাছে রেখেছেন ছাত্তার মোড়ল। এছাড়া আমাদের হয়রানি করতে ছাত্তার মোড়ল আমার ছোট ভাই জি এম রবিউল্যাহ’র বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে এবং বিভিন্ন সময়ে বাড়িতে র‍্যাব-পুলিশ পাঠানোর ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।

বিগত ২০১৩ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সকল খাতাপত্র হাজির করে সঠিকভাবে হিসাব নিকাশ করে সমুদয় পাওনা টাকা আমাদের বুঝিয়ে দিয়ে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা পৌর এলাকার ঐতিহ্যবাহী ধোপা পুকুর সংরক্ষণে অধ্যুষিত জনগোষ্ঠীর সাথে দলীয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টায় ধোপাপুকুর মোড়ে অনুষ্ঠিত দলীয় আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, শেখ মমিনুল ইসলাম।
সভায় প্রেক্ষাপট ও আইনী আলোচনা করেন বেলা’র খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়কারী মাহফুজুর রহমান মুকুল।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শেখ আফজাল হোসেন।
বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি(বেলা), সুন্দরবন ফাউন্ডেশন ও বেলা নেটওয়ার্ক এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, কাজী আমিনুল হক আহাদ, মহুয়া মঞ্জুরী, ইদ্রিস বাবু, মীর হাবিবুর রহমান, কাজী আমিনুল হক, মোছা মনি আক্তার, মাহফুজা আক্তার প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ৫৩ শতক জমির সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী ধোপা পুকুরটিকে ঘিরে এলাকার বহু মানুষের জীবিকা নির্বাহ হতো। কিন্তু পুকুরটি ভরাটের উদ্যোগ নেওয়া ধোপারা পেশা পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছে। এছাড়া জনগনের প্রবেশাধিকার না থাকায় স্থানীয় জনগন পানির সংকটে পড়ছে।

বিশেষ করে গৃহস্থলীর কাজে অত্র এলাকার ৫শ পরিবার ধোপা পুকুরের পানি ব্যবহার করে। পুকুরটিতে প্রাচীর দেওয়া এবং ভরাটের উদ্যোগ নেওয়া দূর্ভোগে পড়েছেন মানুষ। অবিলম্বে এলাকার পরিবেশ ও প্রতিবেশ সুরক্ষায় পুকুরটির ভরাটকৃত মাটি অপসারন এবং উন্মুক্ত করনের দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরা ইয়ূথ হাবে যুব সদস্যদের মধ্যে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জুন) বিকাল ৩ টায় সাতক্ষীরা ইয়ূথ হাবে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা সিডো, সাতক্ষীরার বাস্তবায়নে গ্লোবাল প্লাটফর্ম বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় সাতক্ষীরা ইয়ূথ হাবের আয়োজনে সিডো সংস্থার প্রধান নির্বাহী শ্যামল কুমারের সভাপতিত্বে “সভ্যতার অতি আধুনিকায়নেই বিশ^ উষ্ণায়নের জন্য দায়ী” বিষয়ের উপর বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

“সভ্যতার অতি আধুনিকায়নেই বিশ^ উষ্ণায়নের জন্য দায়ী” বিষয়ের উপর উক্ত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করেন যুব সদস্যবৃন্দ (পক্ষে লাল দল) স্বপ্না পারভীন, শাহিনা খাতুন, আমেনা খাতুন ও (বিপক্ষে সবুজ দল) সিফাত হোসেন, তায়েব হোসেন ও তামান্না পারভীন।
উপরোক্ত বিষয়ের পক্ষে ও বিপক্ষে মোট ২ টি গ্রুপে ৬ জন তরূণ-তরূণী বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করেন। মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন সাতক্ষীরা ইয়ূথ হাবের কো-অর্ডিনেটর মাসুদ রানা, বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন সিডো সংস্থার প্রধান নির্বাহী শ্যামল কুমার বিশ^াস, প্রকল্প সমন্বয়কারী মো: তহিদুজ্জামান (তহিদ), এসোসিয়েট ট্রেইনার মো: শরিফুজ্জামান।

“সভ্যতার অতি আধুনিকায়নেই বিশ^ উষ্ণায়নের জন্য দায়ী” এই বিষয়ের উপর বিজয়ী হয়েছেন পক্ষে দল এবং শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হয়েছেন দলনেতা শাহনাজ পারভীন।
অংশগ্রহনকারী প্রত্যেকে সার্টিফিকেট ও ১ জন শ্রেষ্ঠ বক্তাকে পুরস্কার প্রদান করা হয়। এই বিতর্কের মধ্যে দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের মেধার বিকাশ ঘটানো এবং অন্যান্যদের মধ্যে প্রতিযোগিতার মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা ইয়ূথ হাবের যুব সদস্যবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

 

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি :সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বজ্রপাতে আব্দুর রউফ (৩৮) নামের এক শ্রমিক মারা গেছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও তিন শ্রমিক।

ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামে।

নিহত আব্দুর রউফ কালিগঞ্জ উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের আব্দুল গফুর সানার ছেলে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম জানান, আব্দুর রউফসহ ১২ জন শ্রমিক শ্রীরামপুর গ্রামের ঘের ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম সরদারের মাছের ঘেরে কাজ করছিলেন। বেলা ১টার দিকে গুড়িগুড়ি বৃষ্টির মধ্যে বজ্রপাতে  আব্দুর রউফ সানা বজ্রাঘাত হয়ে ঘটনাস্থলে মৃত্যুবরণ করেন।

বজ্রপাতে আহত হন শ্রীরামপুর গ্রামের রেজাউল ইসলাম (৪০), হাফিজুল ইসলাম (৩৮) ও সোহরাব হোসেন (৫৫)। তবে আহতরা বর্তমানে শঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।

কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মামুন রহমান জানান,ঘটনাটি শুনেছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রেস বিজ্ঞপ্তি :   বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) সাতক্ষীরা সার্কেলের উদ্যোগে স্বাস্থ্য বিধি মেনে সড়ক দুর্ঘটনা রোধকল্পে পেশাজীবি গাড়ী চালকদের পেশাগত দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা-২০২৩ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা ধারাবাহিক ভাবে প্রতিমাসে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মঙ্গলবার সকালে সাতক্ষীরা শহরের অদূরে সিটি কলেজে পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
“গতিসীমা মেনে চলি, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা জেলা প্রসাশনের সহযোগিতায় ও বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) সাতক্ষীরা সার্কেলের আয়োজনে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি:) কে, এম, মাহাবুব কবির এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন এর প্রতিনিধি মেডিকেল অফিসার ডা: জয়ন্ত কুমার, ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক শ্যামল কুমার চৌধুরী, মোটরযান পরিদর্শক রামকৃষ্ণ পোদ্দার।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে কে, এম, মাহাবুব কবির পেশাজীবী চালকদের উদ্দেশ্য বলেন, আপনারা রাস্তায় ঘুম চোখে গাড়ি চালাবেন না, অধিক আত্মবিশ্বাস নিয়ে ওভার টেকিং করবেন না, একটানা গাড়ী চালাবেন না, ট্রাফিক আইন মেনে গাড়ি চালাবেন, অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহন করিবেন না, গাড়ী চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করবেন না, অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালাবেন না। আপনারা একটানা ৮ ঘন্টার বেশি গাড়ি চালাবেন না, গাড়ি চালানোর পূর্বে জ্বালানি, মবিল, ব্রেক দেখে গাড়ি পরিচালনা করবেন। তিনি আরো বলেন, মহাসড়কে নছিমন, করিমনসহ অবৈধ যানবাহন চলাচল করতে না পারে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এছাড়াও বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের মোটরযান পরিদর্শক রামকৃষ্ণ পোদ্দার কর্মশালায় উপস্থিত বিভিন্ন শ্রেণীর পেশাদার চালকদের দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্যে বলেন, আপনারা রাস্তায় প্রতিযোগিতা মূলক গাড়ি চালাবেন না, অতিরিক্ত মালামাল ও যাত্রী বহন করিবেন না, বৈধ কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালাবেন না।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের মেকানিক্যাল এ্যাসিস্ট্যান্ট মোঃ ওবায়দুর রহমান, উচ্চমান সহকারী শেখ মামুন আল হাসান উল্লা, অফিস সহকারি মোঃ সাইফুল ইসলাম ও সীল মেকানিক শেখ আমিনুর হোসেন।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের মোটরযান পরিদর্শক রামকৃষ্ণ পোদ্দার। কর্মশালায় বিভিন্ন শ্রেণীর ৬৬ জন পেশাজীবি চালক অংশ গ্রহণ করে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদন : অগ্রগতি সংস্থা কয়রা উপজেলা সৃজন প্রকল্পের উদ্যোগে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে ধারাবাহিক সম্পদ বিতারণ হিসাবে উত্তর বেদকাশি ইউনিয়াবে এ ছাগল ও বিতরণ করা হয়েছে। ১৯ জুন সোমবার বিকাল বেদকাশি গাজী পাড়া গ্রামে এ ছাগল বিতরণ করা হয়।

ছাগল বিতরণ করেন কয়রা সদর উপজেলার অগ্রগতি সংস্থা সৃজন প্রকল্পে কয়রা ইউনিট এর ইউনিট ম্যানেজার মোঃ আব্দুস সালাম, ইউনিয়ন ফিল্ড ফেসালিটা মোঃ মোরশেদ আলম প্রমুখ। এসময় এলাকা বাসী বলেন এই সম্পদ পেয়ে কয়রা উপজেলা উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ন এর বেদকাশি গাজী পাড়া গ্রামের মানুষ সাবলম্বী হতে পারবে। উল্লেখ ৪ অংশিজন এর মাঝে ২৭০০০/- টাকা ও ৭ টা ছাগল বিতরণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest