সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিড়ির ইফতারজেনেভায় প্রবীনদের অধিকার সংক্রান্ত ওয়াকিং গ্রপের সভার অভিজ্ঞতা বিনিময় সভায় আশেক-ই-এলাহীসাতক্ষীরা ল স্টুডেন্টস ফোরাম এর ইফতারসাতক্ষীরার সুমি খুলনায় বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ আটকজমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ইফতারসাতক্ষীরায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ছাত্রদলের দোয়াআশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২

কালিগঞ্জে ফুটবল টুর্নামেন্টে ঈশ্বরীপুর চ্যাম্পিয়ন

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি : কালিগঞ্জে লাখ টাকার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা উপজেলার কুশুলিয়া বিদ্যালয় ফুটবল মাঠে মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুশুলিয়া কচমচ ক্লাবের আয়োজনে দেশ বিদেশি খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে ঈশ্বরীপুর মুসলিম স্পেটিং ক্লাব ও পিডিকে মিতালী সংঘ ফুটবল একাদশের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। আক্রমন পাল্টা আক্রমন ও টান-টান উত্তেজনাপূর্ন খেলায় নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে শেষ হয়। টাইব্রেকারে ঈশ্বরীপুর মুসলিম স্পটিং ক্লাব ৩-১ গোলে পিডিকে মিতালী সংঘকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ান হওয়ার গৌরব অর্জন করে। রেফারি হিসেবে খেলাটি পরিচালনা করেন (ফিফা রেফারী) শেখ ইকবাল আলম বাবলু, সহকারী ছিলেন সুকুমার দাশ বাচ্চু, ওয়াসিউদ্দীন খান পিপুল ও সৈয়দ মোমিনুর রহমান। খেলার শুরুতে কুশলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি কাজী কাহফিল অরা-সজলের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার (প্রবি) শামীম হোসেন, কুশলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার শেখ মেহেদী হাসান সুমন, বিষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ রিয়াজ উদ্দিন, রতনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল হোসেন খোকন, উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু, সহ-সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক এম হাফিজুর রহমান শিমুল, তথ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এসএম, আহম্মাদ উল্যাহ বাচ্ছু, কোষাধ্যক্ষ কাজী মুজাহিদুল ইসলাম তরুণ, নির্বাহী সদস্য শেখ আবু হাবিব, সদস্য শেখ আব্দুল করিম মামুন হাসান প্রমুখ। খেলায় দূর দুরান্ত থেকে আগত দর্শক সমাগমে কুশুলিয়া স্কুল মাঠ কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে উঠে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পৌরসভার রাস্তা দখল করে ভবন নির্মাণ বন্ধের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা পৌর কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অমান্য করে শহরের কাটিয়ায় অবৈধভাবে ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় এলাকাবাসী বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেও কোন ফল পাননি বলে জানাগেছে।
এলাকাবাসী জানান, শহরের কাটিয়া মধ্যপাড়ার শেখ হাবিবুর রহমানের ছেলে শেখ আজিজুর রহমান টনি ও স্ত্রী স্কুল শিক্ষিকা রেহেনা খাতুন কাজল পৌরসভার যাতায়াতের রাস্তা দখল করে বহুতল বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ শুরু করে।
এঘটনায় স্থানীয় ভাবে শেখ আজিজুর রহমান টনি ও তার স্ত্রী কাজলকে বার বার নিষেধ করা স্বত্বেও আইনকে বৃদ্ধাঙ্গলি দেখিয়ে পৌরসভার আইন লঙ্ঘন করে পৌর সভার রাস্তা দখল করে অবৈধ বহুতল ভবন নির্মাণ করে চলেছে।
এদিকে নিয়ম বর্হিভূতভাবে বহুতল ভবন নির্মাণ কাজ বন্ধকরার জন্য অত্র এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও পৌর মেয়র মহোদয়ের নিকট এলাকা বাসীর পক্ষে দরখস্ত করলে তাৎক্ষনিকভাবে সাতক্ষীরার জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে উক্ত অবৈধ ও বেআইনি বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ স্থগিত করা হয়।
পরবর্তীতে পৌরসভার মেয়রের নির্দেশে ওই অবৈধ ভবনের জমি ও পৌর সভার রাস্তা পৌর সভার জরিপ কারি মামুনের নেতৃত্বে একাধিক বার মাপ জরিপ করা হয়। মাপ জরিপে ঘটনা সত্য ও সঠিক ভাবে প্রমাণিত হয়।
মাপ জরিপের রিপোর্টে তিনি মামুন উল্লেখ করেন,রেহেনা খাতুন কাজল ও তার স্বামী শেখ আজিজুর রহমান টনি গং যে অবৈধ, বেআইনি বহুতলভবন নির্মাণ করছে তার কলাম বা পিলার, পায়খানার স্যুপ ট্যাংক, সীমানা প্রাচীর ও ঘরের সানসেট পৌরসভার রাস্তার উপর অবস্থিত। উক্ত রিপোর্টে পৌরসভার প্রকৌশলী, শহর পরিকল্পাবিদ সহ অনেকেই স্বাক্ষর করেন।
এলাকাবাসী আরো জানান, রাস্তা দখল করে এভাবে বহুতল ভবন নির্মাণ অব্যাহত থাকলেও অত্র এলাকার যাতায়াতের রাস্তা সংকীর্ণ হয়ে পড়বে। এতে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার কবলে পড়ে উক্ত রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী সাধারণ মানুষ।
পৌরসভার রাস্তা দখল করে বাড়ি নির্মাণ করে জনগনের চলাচলের বিঘœ ঘটিয়ে যে বহুতল ভবন বিনা অনুমতিতে নির্মান করছে তা অবিলম্বে ভেঙে ফেলার জন্য এবং রাস্তার উপর থেকে মাটি ও অন্য স্থাপনা সরানোর জন্য সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারের নিকট পৌরবাসি অতিদ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন।
এছাড়া উক্ত এলাকায় যাতে সাধারণ জনগণ, এ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি সহজে যাতায়াত করতে পারে সে বিষয় কার্যকারী ব্যবস্থা গ্রহন করতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক সহ উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের নিকট আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সদর উপজেলার ভাঁদড়া মোড়-মিরগীডাঙ্গা বাজার সড়ক যেন মরণ ফাঁদ

নিজস্ব প্রতিবেদক : সদর উপজেলার কুশখালী ইউনিয়নের ভাদড়া মোড় হতে মিরগীডাঙ্গা সড়কটির মরণ ফাঁদে পরিনত হয়েছে। আর যাত্রীদের পোহাতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত চরম দূরভোগ। যেন সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কোন মাথা চড়া নেই। যার সংস্কার একান্ত প্রয়োজন হয়ে দাড়িয়েছে। প্রায় ৪ কি: মি: সড়কটির অধিকাংশ স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এমন কি সড়কটির এমন বেহাল দশা যে, বালু খোয়া ও পিচ উঠে কার্পেটিং এর লেশমাত্র নেই। এই সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত পার্শ্ববর্ত ঘোনা, কাথন্ডা, এড়ুয়াখালী গ্রামের হাজার হাজার পথ যাত্রী চলাচলের শিকার হতে হচ্ছে। আর বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ব্যাবসাজীবি চাকুরীজীবি কৃষক ও দিন মুজুরী সহ স্কুল কলেজ পড়–য়া ছাত্র/ছাত্রীদের এই সড়কটির সাথে রয়েছে প্রত্যাক্ষ যোগাযোগ। আর বর্ষা এলেই খানা খন্দক গুলোতে ভরাট হয়ে যায় হাটু পানিতে। চেনাই যায় না কোথায় কত টুকু গভীর। চলাচলে যেন জানটা হাতের মুঠোয় নিয়ে চলতে হয়। কখন নাজানি বড় ধরনের দূর ঘটনা ঘটে যায়। সরজমিনে যেয়ে দেখা যায়, এই সড়কটি কয়েকটি স্পটে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। আর এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন ইজ্ঞিন চালিত ট্রাক, ভ্যান, চার্জার ভ্যান মটর সাইকেল যাতায়াত করে থাকে। আর তাদেরকে পহাতে হচ্ছে চরম দূরভোগে। এক পথ যাত্রী আল মামুন তিনি এই প্রতিবেদকে বলেন, ভাই ভাদড়া থেকে মিরগীডাঙ্গা যাওয়ার জন্য ১০ টাকা দেই আর অন্য সাইড দিয়ে যেতে হলে ভাড়া দিতে হয় দ্বিগুন কষ্ট হলেও যেতে হবে। আর এই সড়কটি বেহাল দশার কারনে কৃষকদের কৃষি পূন্য সরবাহের জন্য রোড পরিবর্তন করে বেশী পথ পাড়ি দিয়ে যাতায়াত করতে শুরু করেছে এ জনপদের অধিকাংশ মানুষ। এতে করে তাদের জীবন যাত্রার ব্যায় ভার বেড়ে গেছে অনেক গুনে। এ বিষয়ে সদর উপজেলার প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম তিনি বলেন, আশা রাখি এ বছরে সংস্কার কাজ করার জন্য চেষ্টা করবো। আর পূর্ণ সংস্কারের জন্য কতৃপক্ষের কাছে আশু দৃষ্টি কামনা করেছেন এ জনপদের সকল শ্রেণি পেশার মানুষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ার মানিকনগরে বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন

কলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়া উপজেলার জয়নগরে ১২৫টি পরিবার বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হলো।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার মানিকনগর গ্রামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পল্লী বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন করেন তালা-কলারোয়ার সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ।
সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সভাপতি সাইফুল্লাহ আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আরাফাত হোসেন, সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার রবীন্দ্র নাথ দাস, পল্লী বিদ্যুতের এলাকা পরিচালক আলহাজ্ব মিনাজ উদ্দীন, জয়নগর ইউপি চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন আল মাসুদ বাবু, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাস্টার আজিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক তাপস কুমার দাস, ইউপি সদস আমিরুল ইসলাম, কলারোয়া পৌর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক জুলফিকার আলী প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় আ.লীগের দু’গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা

কলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়ায় আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের দিনভর টানটান উত্তেজনার মধ্যে চন্দনপুর হাইস্কুলের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীনের হস্তক্ষেপে ভোট সম্পন্ন হলে দু’গ্রুপের টানটান উত্তেজনা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ফিরে আসে।
উপজেলা নির্বাহী অফিস সুত্রে জানা যায়- উপজেলার চন্দনপুর হাইস্কুলের সভাপতি হিসাবে ইতিপূর্বে মফিজুল ইসলাম নির্বাচিত হন। মফিজুল ইসলাম ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও বিআরডিবির অফিসের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী।
সরকারি বিধি মোতাবেক কোন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সভাপতি হতে পারেন না। কিন্তু মফিজুল ইসলাম যশোর শিক্ষা বোর্ডে তথ্য গোপন করে সভাপতি মনোনীত হন। বিষয়টি যশোর শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলে বোর্ড কর্তৃপক্ষ সত্যতার প্রমাণ পেয়ে গত ১০ অক্টোবর মফিজুল ইসলামের সভাপতির পদ বাতিল করেন এবং প্রতিষ্ঠানের সভাপতি নির্বাচনের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য প্রধান শিক্ষক আনছার আলীকে নির্দেশ দেন।
এরই সূত্র ধরে মঙ্গলবার অভিভাবক সদস্যরা সভাপতির নির্বাচনের পদক্ষেপ গ্রহণ করলে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন গ্রুপের অভিভাবক সদস্য আব্দুল হামিদ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট নির্বাচনে পরিবেশ নাই উল্লেখ করে একটি লিখিত আবেদন করেন। এ ঘটনায় উপজেলার আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টুর গ্রুপের ৭ জন সদস্য নির্বাচনে পরিবেশ আছে উল্লেখ পাল্টা একটি লিখিত আবেদন করেন।
বিষটি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাৎক্ষণিক ভোট বন্ধ করেন। এ ঘটনায় উভয় গ্রুপের সমর্থকরা উপজেলার চত্বরে অবস্থান নিয়ে মহড়া দিতে শুরু করে। এরপর পরিস্থিতি ঘোলাটে মনে করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীন সমাধানের লক্ষ্যে বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার সন্দীপ কুমার মন্ডলকে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ প্রদান করেন। তাৎক্ষণিকভাবে সরেজমিনে তদন্ত করে বিকাল ৫ টার দিকে সন্দিপ কুমার নির্বাচনের পরিবেশ আছে উল্লেখ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত প্রতিবেদন দাখিল করেন।
এরপর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিস কক্ষে নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু হলে ৮ জন অভিভাবক সদস্যের মধ্যে ৭জন উপস্থিত হয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টুকে ভোট দিয়ে চন্দনপুর হাইস্কুলে পরিচালনার পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত করেন।
এরপর উভয় গ্রুপ স্ব-স্ব স্থানে চলে যান এবং পরিস্থিতি শান্ত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়া সরকারি কলেজে নতুন ভবন নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

কলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়া সরকারি কলেজের ঝঁকিপূর্ণ ভবন ভেঙে নতুন ভবন নির্মানের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে কলেজের সামনে যশোর-সাতক্ষীরা সড়কে কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের আয়োজনে এ মানববন্ধন করা হয়। প্রায় এক ঘন্টাব্যাপী কলেজের পাঁচ শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীদের অংশ গ্রহনে এ মানববন্ধনে সরকারের সু-দৃষ্টি কামনা করে বক্তব্য রাখেন কলেজের ছাত্র রুবেল মল্লিক, ফিরোজ হোসেন, স¤্রাট, ফায়িম, হৃদয়, উজ্ঝল,তন্ময়, ইমরান হোসেন, রায়হান, রাসেল, ছাত্রী খাদিজা খাতুন রোকাইয়া খাতুন, সুরাইয়া ইয়াসমিন ফারজানা চাঁদনী প্রমুখ।
কলারোয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসুদেব বসু বলেন- তার কলেজের মেইন ভবনটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ওই ভবনে ক্লাস নেওয়াও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাড়িয়েছে। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জাননো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফিংড়ীতে জমি দখলকে কেন্দ্র করে বসত ঘর পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ

আশাশুনি ব্যুরো : সদরের ফিংড়ী ইউনিয়নের হাবাসপুর গ্রামে জমি দখলকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের বসত ঘরে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে। জানাগেছে, হাবাসপুর গ্রামের মৃত: সোয়েদালী সরদারের পুত্র নুর ইসলাম সরদারের সাথে একই গ্রামের মৃত: খন্দকার সরদারের স্ত্রী ফিরোজা খাতুন গংদের ৮শতক জমি নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বিষটি নিয়ে কোটে মামলাও হয়েছে। সর্বশেষ ফিংড়ী ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে কোটের মামলার তদন্ত আসে। এব্যারে আগামি বৃহস্পতিবার ইউনিয়ন পরিষদে বসাবসির দিন ধার্য্য করা হয়। বৃহস্পতিবার বসাবসিতে উক্ত সম্পতি কারো দখরে নয় এটি প্রমান করার উদ্যেশে প্রতিপক্ষ বসত ঘরে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে এমনটি দাবি নুর ইসলামের। নুর ইসলাম আরও জানায় ঘরে আগুন দেয়ায় নগত টাকাসহ প্রায় ৩ লক্ষ টাকা ক্ষতি সাধন হয়েছে তার। এ ঘটনার পর রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্থান পরিদর্শন করেছেন সদর থানা পুলিশ। নুর ইসলাম জানায় মঙ্গলবার সদর থানায় ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ক্ষতি সাধন করার মামলা করেছেন তিনি। ঘটনা স্থানের বয়েক মিটার দুরের বাড়িতে অবস্থান করা প্রত্যখদর্শী আলামিনের স্ত্রী মোসলেমা খাতুন জানান, ফিরোজা খাতুন, তার বোন ছোখিনা খাতুন ও সুফিয়া খাতুন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে লম্বা দা নিয়ে এসে ঘরে কেরোসিন দিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়। ঐ সময়ে বাড়িতে কোন পুরুষ মানুষ না থাকায় সে তার শ্বাশুড়িকে নিয়ে আগুন নিভাতে গেলে দা দিয়ে কুপিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আগুন লাগার ঘটনা জানাজানি হলে আশ পাশের লোকজন এসে ফিরোজার হাতে থাকা লম্বা দা কেড়ে নেয়। যে দাটি থানায় জমাদেয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য ফিরোজা খাতুনের বাড়িতে গেলে সেখানে তাকেসহ তার দুই বোনকে পাওয়া যায়নি। মোবাইলে ফিরোজা খাতুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান আমি আমার অসুস্থ্য মাকে নিয়ে হাসপাতালে এসেছি আপনার সাথে পরে কথা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ছকিনা ব্রিকস নামের ইট ভাটা নির্মাণ কাজ বন্ধের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় পরিবেশ অধিদপ্তরের নীতিমালা লংঘন করে ও প্রশাসনের পূর্বানুমতি ছাড়াই দেবহাটার দক্ষিন কুলিয়া গ্রামে বসতবাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সন্নিকটে চার ফসলি জমিতে প্রস্তাবিত ছকিনা ব্রিকস নামের ইট ভাটা নির্মাণ কাজ আবারও অব্যহত রেখেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এলাকাবাসির অভিযোগের ভিত্তিতে ভাটা মালিক মোশারফ হোসেন মুসাকে গত ১৪ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় খুলনা পরিবেশ অধিদপ্তরে হাজির হওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করা হলেও তিনি সেখানে হাজির হননি। হাজির না হয়ে তিনি আবারও ভাটার কাজ চালিয়ে যাওয়ায় পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে গত ২০ সেপ্টেম্বর ২২.০২.০০৪০.০৩৬.৬১.০০৫.১৬.১০৬৫ স্মারকে তাকে পূনরায় ভাটার যাবতীয় কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশসহ তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষন আইন ১৯৯৫ এবং ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন আইন, ২০১৩ আনুসারে কেন ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে না মর্মে লিখিতভাবে আবারও নোটিশ জারী করা হয়েছে। এদিকে, ছকিনা ব্রিকস নামের ইট ভাটা নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার জন্য গত ২১ সেপ্টেম্বর হাই কোর্টের আইনজীবি আমিনুল ইসলাম ভাটা মালিক মুসাকে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছে। যার অনুলিপি বিভিন্ন দপ্তওে প্রদান করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার মধ্যম একসরা গ্রামের দ্বীন আলী গাজির ছেলে শহরের ইটাগাছা কামার পাড়া (বউ বাজার) এলাকায় বসবাসকারি নব্য কোটিপতি মোশারফ হোসেন ওরফে মুসা দেবহাটা উপজেলার দক্ষিণ কুলিয়া গ্রামে বসতবাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সন্নিকটে চার ফসলি জমিতে প্রস্তাবিত ছকিনা ব্রিকস নামে একটি ইট ভাটা নির্মাণ কাজ শুরু করেন। উচ্চমূল্যে হারির টাকা দিয়ে জমির মালিকদের প্রলুব্ধ করে তিনি ডিড নেয়ার চেষ্টা করেন। মুছার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে তারা ডিডে স্বাক্ষর করার জন্য জমির মালিকদের উপর চাপ সৃষ্টি করছেন। একই সাথে তারা বর্গাচাষিদের জমি ছেড়ে দেয়ার জন্য হমকি দিচ্ছে। জমির ডিড না দিলে পুলিশ দিয়ে সংশ্লিষ্টদের ধরে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়া হচ্ছে। স্থানীয় জনগণ আপত্তি করা শর্তেও পরিবেশ অধিদপ্তরের নীতিমালা অমান্য করে ও প্রশাসনের পূর্বানুমতি ছাড়াই ইতিমধ্যে তিনি সেখানে ভাটার চিমনি ও মটর নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ করে ফেলেছেন। ভাটার বাকি কাজও দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে।

এলাকাবাসি জানান, সেকেন্দ্রা মাঠে ইটভাটা নির্মাণ করা হলে এই এলাকায় মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যায় দেখা দেবে। এই এলাকায় আনসার আলি সরকারি প্রাইমারি স্কুল, কুলিয়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, দক্ষিন কুলিয়া এবতেদায়ি মাদ্রাসা এবং কুলিয়া এলাহী বক্স দাখিল মাদ্রসা, কুলিয়া জামে মসজিদসহ কয়েকটি প্রতিষ্টান রয়েছে। এখানে ভাটা হলে কালো ধোয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ হবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। একই সাথে নষ্ট হবে এই এলাকার হাজার হাজার বিঘা জমির ফসল। এখানকার প্রতিটি জমিতে বছরে কমপক্ষে চারটি করে ফসল উৎপাদন হয়ে থাকে। এই ফসলি জমিতে ইটভাটা হলে তার ক্ষতিকর প্রভাবে সর্বশান্ত হবে এখানকার দীনমজুর, দরিদ্র কৃষক ও বর্গাচাষিরা। বসতবাড়ি ছেড়ে এলাকা ত্যাগ করতে হবে শতাধিক পরিবারের। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্থ হবে এলাকার প্রাণবৈচিত্র। বিপন্ন হবে মানুষের স্বাস্থ্য।
ইট ভাটার বিরোধীতাকারি গ্রামবাসীদেরকে সন্ত্রাসীদের দিয়ে নানা ভাবে হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন।

এদিকে, ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীর পক্ষে দেবহাটার দক্ষিন কুলিয়া গ্রামের মৃত হেবাজউদ্দিন গাজীর ছেলে মোঃ আজহারুল ইসলাম পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন। এই অভিযোগের ইট ভাটা মালিক মোশারফ হোসেন মুসাকে গত ১৪ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় খুলনা পরিবেশ অধিদপ্তরে হাজির হওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করা হলেও তিনি সেখানে হাজির না হয়ে আবারও ভাটার কাজ চালিয়ে যাওয়ায় পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে তাকে পূনরায় ভাটার যাবতীয় কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশসহ তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষন আইন ১৯৯৫ এবং ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন আইন, ২০১৩ আনুসারে কেন ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে না মর্মে লিখিতভাবে নোটিশ জারী করেছেন।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও সহকারী পরিচালক পরিবেশ অধিদপ্তরকে এই নোটিশের অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে। এরপরও তিনি ভাটার কার্যক্রম বন্ধ না রেখে দিনরাত চব্বিশ ঘন্টা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিন বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর আমাকে ভাটা নির্মাণ কাজ বন্ধের নির্দেশ দিলে আমি বন্ধ করে দেবো। আর তারা বন্ধ না করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest