সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে স্থানীয় অভিযোজন মেলা ও জলবায়ু সংলাপবিশিষ্টজনদের নিয়ে সাতক্ষীরা জামায়াতের ইফতার মাহফিলকালিগঞ্জে বিকাশ এজেন্টকে কুপিয়ে ১০ লাখ টাকা ছিনতায়ের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিড়ির ইফতারজেনেভায় প্রবীনদের অধিকার সংক্রান্ত ওয়াকিং গ্রপের সভার অভিজ্ঞতা বিনিময় সভায় আশেক-ই-এলাহীসাতক্ষীরা ল স্টুডেন্টস ফোরাম এর ইফতারসাতক্ষীরার সুমি খুলনায় বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ আটকজমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ইফতারসাতক্ষীরায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ছাত্রদলের দোয়াআশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলা

প্রকাশ পেল ‘পদ্মাবতী’র ট্রেলার

সঞ্জয় লীলা বানসালির ছবি মানেই চমক। আর তাই ‘পদ্মাবতী’ ছবির ট্রেলারের অপেক্ষায় দিন গুনছিলেন ভক্তরা। অবশেষে প্রকাশ পেল বহু প্রতীক্ষিত ‘পদ্মাবতী’র ট্রেলার। সামাজিক মাধ্যমে অবশ্য আজও সকালেই ঘোষণা দিয়ে দেয়া হয়েছিল যে দুপুরে পদ্মাবতীর ট্রেলার প্রকাশ পাবে। তখন থেকেই শুরু হয়েছিল জল্পনা কল্পনা।

ভারতের সময় দুপুর ১৩.০৩ মিনিট অর্থাৎ ০১.০৩ মিনিটে ট্রেলার প্রকাশ করা হয়েছে। আর এই বিশেষ সময়ের পেছনেও আছে ইতিহাস। আট মাসের চেষ্টা পর ১৩০৩ সালে দিল্লির সুলতান চিতোরের দুর্গ জয় দখল করেন। আর তাই ১৩০৩ সালের সঙ্গে সময়ের মিল রেখে ট্রেলার প্রকাশিত হয়েছে।

ঐতিহাসিক এই কাহিনীর ওপরই নির্মিত হয়েছে সঞ্জয় লীলা বানসালির ছবি ‘পদ্মাবতী’। চিতোরের রানি পদ্মাবতীর রূপের কথা শুনে তাঁকে দেখতে দিল্লি থেকে মেবারে এসেছিলেন সুলতান আলাউদ্দিন খিলজি। সেখানে গিয়ে সুরক্ষিত দুর্গ দেখতে পেয়ে পদ্মাবতীর স্বামী রানা রাওয়াল রতন সিংকে খবর পাঠালেন যে তিনি পদ্মাবতীকে একবার দেখতে চান। আলাউদ্দিন খিলজির হাত থেকে বাঁচতে রতন সিং এই আবদারে রাজি হলেন এবং স্ত্রীকে জানালেন। পদ্মাবতী জানালেন তিনি দেখা দিবেন। কিন্তু সরাসরি নয়, তাঁকে দেখতে হবে আয়নার প্রতিবিম্বের মাধ্যমে। রানীর রূপ মাত্র এক ঝলক দেখে প্রেমে পাগল হয়ে যান আলাউদ্দিন খিলজি এবং যে কোনো মূল্যে পদ্মাবতীকে পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন। পদ্মাবতীর শেষ পরিণতি ঘটে জীবন্ত অগ্নিকুণ্ডে ঝাপ দিয়ে আত্মাহুতির মাধ্যমে।

‘পদ্মাবতী’ ছবিটি পরিচালনা করেছেন সঞ্জয় লীলা বনসালি। ‘পদ্মাবতী’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন দীপিকা পাড়ুকন। ‘পদ্মাবতী’র স্বামী রানা রাওয়াল রতন সিং এর ভূমিকায় আছেন শহীদ কাপুর এবং সুলতান আলাউদ্দিন খিলজির ভূমিকায় দেখা যাবে রণবীর সিং কে। ছবিটি ১ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুর্নীতির কারণে মানুষ কষ্টে আছে -রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক রিপোর্ট : রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, দুর্নীতির কারণে মানুষ কষ্টে আছে। দুর্নীতি দূর করা না গেলে মানুষের দুর্ভোগ কমার সুযোগ নেই। রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তর থেকে দুর্নীতি দূর করতে হবে।
সোমবার কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার বাজিতপুর কলেজের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের ভূমিকা রাখার সুযোগ আছে। কারণ, আজকের ছাত্রছাত্রীরাই কিছুদিন পর দেশ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্বে যাবে।
রাষ্ট্রপতি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলো, অথচ শিক্ষায় এগোনো গেল না, তাহলে সবকিছু ভেস্তে যাবে। মনে রাখতে হবে, তোমাদের হাতেই দেশের ভবিষ্যৎ। তোমাদের নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। হতে হবে বিশ্ব নাগরিক। সব সময় জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। আরও এগিয়ে নিতে হবে। সেই কাজটি হবে তোমাদের হাত ধরে।
রাষ্ট্রপতি নিজের রাজনীতি সম্পর্কে স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে বলেন, ‘ছয় দশক ধরে রাজনীতি করছি। রাজনীতির মধ্যে দিয়েই বড় হয়েছি। তবে এখন আর রাজনীতি করি না। রাজনীতি করার সুযোগও নেই। আমার কাছে সব দলের নেতা-কর্মীরা আসবেÑ এটাই স্বাভাবিক।’
স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমি হাওরের মানুষ। এখন বঙ্গভবনে আরাম-আয়েশে আছি। তবে যেভাবে থাকি না কেন, হাওরের বাতাসের স্পর্শ টের পাই। সব সময় হাওরের টান অনুভব করি। হাওর সত্যিই অবহেলিত জনপদ। এখানে কখনো পাকা সড়ক হবে কেউ ভাবতেও পারেনি। তবে এখন হচ্ছে। অষ্টগ্রাম থেকে বাজিতপুরের দীঘিরপাড় পর্যন্ত ডুবো সড়ক হাওরের মানুষের যোগাযোগে ব্যাপক পরিবর্তন আনবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টেস্ট ক্রিকেট কী, দেখাচ্ছে পাকিস্তান

অনলাইন ডেস্ক : টেস্ট ক্রিকেট যেন সবটুকু জৌলুশ নিয়ে হাজির হয়েছে দুবাইয়ে। ৩১৭ রানের লক্ষ্যে নেমে ৫২ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ফেলল পাকিস্তান। শ্রীলঙ্কার জয়ের ব্যবধান দুই শ নাকি দেড় শ হয়, সেটা জানার অপেক্ষা চলছিল। কিন্তু এরপরই যেন অহংবোধ জেগে উঠল পাকিস্তানিদের। দুর্দান্ত এক লড়াকু জুটিতে উল্টো জয়ের পথে ‘স্বাগতিক’ পাকিস্তান! চতুর্থ দিন শেষে ৫ উইকেটে ১৯৮ রান পাকিস্তানের।

দিনের শুরুতে পিছিয়ে ছিল পাকিস্তানই। ৩৪ রানে ৫ উইকেট হারালেও শ্রীলঙ্কা যে প্রথম ইনিংসেই পেয়েছিল ২২০ রানের লিড। নিরোশান ডিকভেলা (২১)ও রঙ্গনা হেরাথের (১৭) দুটো ছোট কিন্তু কার্যকর ইনিংসে সে লিড তিন শ ছাড়ায়। এক ওভারের স্পেলে হারিস সোহেল ১ রানে তিন উইকেট নিয়ে ৯৬ রানে শেষ করে দেন শ্রীলঙ্কাকে।
জবাবে পাকিস্তানের শুরুটা হয়েছিল পরিচিত ঢঙে। ৫ রানে প্রথম উইকেট হারানো দলটি দ্বিতীয় উইকেট হারিয়েছে ৩১ রান পরে। ৩ রানের মধ্যে তিন উইকেট হারিয়ে ৫২/৫ পরিণত হয় পাকিস্তান। ডিনার বিরতিতে (দিবা রাত্রির টেস্ট বলে কথা!) যাওয়ার সময় পাকিস্তানের স্কোর ছিল ৫ উইকেটে ৬২ রান। তখন ম্যাচের ফলাফলটা নির্দ্বিধায় বলে দেওয়া যাচ্ছিল—‘এ ম্যাচ হারছে পাকিস্তান’।
কিন্তু আসাদ শফিক (৮৬*) ও অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ (৫৭*) ভাবলেন অন্য কিছু। শ্রীলঙ্কান বোলারদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে দুজনে কাটিয়ে দিলেন ৪০ ওভার। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, এ সময়ে ১৪৬ রান যোগ করেছেন দুজন। প্রায় অবিশ্বাস্য মনে হওয়া জয়কেও নিয়ে এসেছেন মাত্র ১১৯ রান দূরত্বে।
সূত্র : প্রথম আলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
একাই ৩৪ সন্তানের বাবা তিনি!

সিনেমার ভিকি ডোনারকে মনে আছে?‌ শুক্রাণু দান করার বিষয়টি পরিচিত হয় সেই সিনেমার পর থেকেই। যদিও বেশ কিছু দেশে স্বল্প পরিসরে এই প্রথা চলছে।
আর সে ক্ষেত্রেই রেকর্ড করেছেন এক ব্রিটিশ বাসিন্দা।

হিসাব করে দেখা গেছে, এখনও পর্যন্ত মোট ৩৪টি শিশুর জন্ম হয়েছে তার শুক্রাণুতে। মানে, এখনও পর্যন্ত প্রাকৃতিকভাবে তিনি ৩৪ সন্তানের বাবা। শুধু দাবি নয়, এর হিসাব আছে খাতায় কলমে। এই তালিকায় এর থাকা পরের জনের শুক্রাণুতে জন্ম হয়েছ ৩১টি শিশুর। এছাড়াও, সারা ইংল্যান্ডে এমন ৬৬৭ জন দাতা রয়েছেন, যাদের শুক্রাণুতে গড়ে ১০টি করে শিশুর জন্ম হয়েছে।

ইংল্যান্ডসহ বিশ্বের বহু দেশেই অসংখ্য স্পার্ম ব্যাঙ্কও তৈরি হয়েছে এখন। এমনকি ২০০৫ সাল থেকে ব্রিটেনে চালু হয়েছে নতুন আইনও। যেখানে বলা হয়েছ, দান করা শুক্রাণুতে জন্ম নেওয়া সন্তানেরা প্রাপ্তবয়স্ক হলেই তাদের বাবার নাম জানতে পারবেন। আর দাতার রেকর্ড নিয়েও আছে অবাক করে দেওয়া তথ্য। কয়েকদিন আগেই এক ব্রিটিশ দাবি করেছিলেন, ২০০০ সাল থেকে তার দান করা শুক্রাণুতে এখনও পর্যন্ত জন্ম হয়েছে ৮০০ শিশুর। সূত্র: আজকাল

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আওয়ামী লীগের রাজনীতি; সহসম্পাদক পদে নাম চেয়েছেন কাদের

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সম্মেলনের এক বছর পূরণ হবে আগামী ২৩ অক্টোবর। কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে দলের উপকমিটির সহসম্পাদকের নাম ঘোষণা করার কথা থাকলেও নানা কারণে তা হয়নি।
দীর্ঘ অপেক্ষার পর এবার জট খুলছে খুব শিগগিরই। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় উপকমিটির গুরুত্বপূর্ণ ‘সহসম্পাদক’ পদে নাম মনোনীত করা হচ্ছে। এ পদ পূরণে দলের সাংগঠনিক ও সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্যের কাছে সাবেক ছাত্রনেতাদের নাম চেয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সূত্র জানায়, গত শনিবার বিকালে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনির্ধারিত এক বৈঠকে তিনি নাম চেয়েছেন। গত কেন্দ্রীয় উপকমিটিতে খেয়াল-খুশি মতো ঢালাওভাবে সহসম্পাদক নিয়োগের কারণে জটিলতা সৃষ্টি হয়। তাই এবার ব্যাপক যাচাই-বাছাই করেই মনোনীত করা হচ্ছে। শনিবারের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, মিসবাহউদ্দিন সিরাজ, এনামুল হক শামীমসহ বেশ কয়েকজন সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য। বৈঠকে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সহসম্পাদক পদ পূরণের জন্য নামের তালিকা চান। সূত্র জানিয়েছে, ওই তালিকা দ্রুত সময়ের মধ্যেই জমা দিতে বলা হয়েছে। কেন্দ্রে জমা পড়া নামগুলো এবং যাদের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য করা হবে তাদের কাজ করতে বলা হবে। তিন মাস তারা বিশেষ পর্যবেক্ষণে থাকবেন। তিন মাস তারা সন্তোষজনক কাজ করলে পরবর্তীতে তাদের সহসম্পাদক মনোনীত করে চিঠি ইস্যু করা হবে। আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রের ২৫ অনুচ্ছেদের ‘চ’ ধারায় (বিভাগীয় উপকমিটি গঠন) বলা হয়েছে, প্রত্যেক সম্পাদকীয় বিভাগের কার্যক্রম অধিকতর গতিশীল ও সমন্বিত করার লক্ষ্যে প্রতিটি সম্পাদকীয় বিভাগে একটি করে উপকমিটি গঠন করবে এবং তা গঠিত হবে ১ জন চেয়ারম্যান, ১ জন সম্পাদক, অনূর্ধ্ব ৫ জন সহসম্পাদক, প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিশেষজ্ঞ সদস্য, সংশ্লিষ্ট সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং নির্দিষ্ট সংখ্যক সদস্যের সমন্বয়ে।

সূত্র জানায়, গঠনতন্ত্রের আলোকে এবার সর্বোচ্চ ৯৫ জন সহসম্পাদক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ। সূত্র জানায়, ২০০২ সালের ২৬ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে প্রথমবারের মতো দলের গঠনতন্ত্রে সহসম্পাদক পদ সংযোজন করা হয়। পরবর্তীতে ৯৫ জন সহসম্পাদক নিয়োগ করা হয়েছিল। তাদের অনেকেই এখন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। এরপর ২০০৯ সালের ২৪ জুলাইয়ের কাউন্সিলে কোনো সহসম্পাদক নিয়োগ করা হয়নি। সর্বশেষ ২০১২ সালের ২৯ ডিসেম্বর কাউন্সিলের পর কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার সঙ্গে ৬৬ জন সহসম্পাদকের নামও ঘোষণা করা হয়। এসব সহসম্পাদক নিয়োগ দিয়েছিলেন দলের সভাপতি নিজে। পরে তা বেড়ে ৬০০ ছাড়িয়ে যায়। কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহসম্পাদকদের দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়ে সম্প্রতি এক বৈঠকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সাংগঠনিক সম্পাদকদের সঙ্গে তিনজন করে সহসম্পাদক সংযুক্ত থাকবেন। এ বিষয়ে আমরা আজকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রচার এবং দফতর এ দুটি বিভাগে ৫ জন করে থাকবেন। তথ্য-গবেষণায় চারজন থাকবেন। এভাবে আমরা চিন্তা-ভাবনা করেছি। ওই আলোকে আমরা পরবর্তী মিটিংয়ে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা করব। হয়তো সেক্ষেত্রে আরও একটি মিটিং করে চূড়ান্ত করা হবে। এরপর আমরা আওয়ামী লীগ সভাপতির সঙ্গে পরামর্শ করে ধারাবাহিকভাবে গণমাধ্যমে প্রকাশ করব। শনিবারের বৈঠকে উপস্থিত একাধিক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, আমরা তো পুরনোদের চিনি। এবার নতুনদের ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়েছি। এখানে আমাদের একটা ক্যাটাগরি আছে। যারা অন্যান্য শাখা বা কমিটিতে আছেন, তারা কিন্তু উপকমিটিতে সহসম্পাদক পদে থাকতে পারবেন না। তবে সদস্য (কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য) থাকতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, সহসম্পাদক হবেন মোট ৯৫ জনের মতো।

সহসম্পাদক পদপ্রত্যাশীরা প্রতিদিন ধরনা দিচ্ছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ধানমন্ডির কার্যালয়ে। একেকবার গুজব শোনেন আর আশায় বুক বাঁধেন তারা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর তালিকা ঘোষণা করা হয় না। এ নিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রলীগের সাবেক এক নেতা বলেন, ছাত্রলীগ ছেড়েছি ১০ বছরের বেশি। একটা স্বতন্ত্র পেশায় আছি। এলাকায় সবাই জানে রাজনীতি করি। যখনই এলাকায় যাই, শুভাকাঙ্ক্ষীরা জিজ্ঞেস করে কোন পদে আছি, কিছু বলতে পারি না, বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পুলিশ প্রশাসনে বিএনপি-শিবির বেশি -এইচ টি ইমাম

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেছেন, ‘পুলিশ প্রশাসনে ছাত্রলীগের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে অনেক কম; বরং বিএনপি ও শিবির কর্মীদের অনেকেই প্রশাসনে অফিসার পদে আছেন। তা ছাড়া উচ্চ পর্যায়ের কিছু অফিসার আছেন যারা স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ চিন্তাধারায় নেই এবং বিশ্বাস করেন না, পারলে বিরোধিতা করেন এমন লোকও সরকারে আছে।
’ রবিবার রাত ১০টায় বেসরকারি একটি টেলিভিশন চ্যানেলে এক টকশোয় তিনি এ কথা বলেন। খালিদ মহিউদ্দিনের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানে একমাত্র অতিথি ছিলেন এইচ টি ইমাম।

এইচটি ইমাম বলেন, ‘২০০৯ সালে যখন শেখ হাসিনা সরকার গঠন করেছিলেন তখন কয়েক বছর বিএনপির থেকে বলা হতো প্রশাসন দলীয়করণ হচ্ছে। কিন্তু এখন এমন কথা বিএনপি একদম বলে না। এর কারণ কী? এখন প্রশাসনে পুলিশের বিভিন্ন জায়গায় পোস্টিং বদলি হচ্ছে সেগুলো বিএনপির মনমতোই হচ্ছে। ’

এদিকে বিএনপির মনমতো পক্ষ লোক নিয়োগ হচ্ছে বা এটি আওয়ামীকরণের কোনো প্রক্রিয়া হচ্ছে কিনা— এমন এক প্রশ্নের জবাবে এইচ টি ইমাম বলেন, ‘এটি কখনো হয় না। যে যেই মতাদর্শ নিয়ে চলাচল করে এবং বিশ্বাস করে সেখান থেকে সহজে কেউ বের হয়ে আসতে পারে না। তবে আমি একটা ব্যাপার বিশ্বাস করি এবং প্রধানমন্ত্রীও বলেন ছাত্রজীবনে যে যাই করেছে সেটা এক ধরনের কথা। কিন্তু যারা রাজনীতি করবে তাদের সেই মতাদর্শে থাকতে হবে। তবে যখন সরকারি কর্মকর্তা হয়ে যাবে তখন তারা প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী। ’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঘুষ চাইলে জুতাপেটা করার পরামর্শ মুখ্যমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক : ‘কেউ ঘুষ চাইলে তাকে জুতাপেটা করুন। ‘ সরাসরি এই পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও। সোমবার সিঙ্গারেনি কোলিয়ারিস কোম্পানি লিমিটেডের এক কর্মীসভায় এ কথা বলেন তিনি।

গত সপ্তাহেই সিঙ্গারেনি কোলিয়ারিসের শ্রমিক সংগঠনের নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় এসেছে টিআরএস সমর্থিত তেলেঙ্গানা বগ্গু গনি কর্মিকা সংঘম। হায়দরাবাদের প্রগতি ভবনে তাদের একটি অনুষ্ঠানে চন্দ্রশেখর রাও বলেন, এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক যে চাকরি ক্ষেত্রে নিজের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা পেতে আপনাদের ঘুষ দিতে বাধ্য করা হয়। সিক লিভ বা মেডিকেল স্কিমের পাওনা টাকা পেতে আপনারা ঘুষ দিতে বাধ্য হন। কাল থেকে যে ঘুষ চাইবে, তাকে জুতাপেটা করবেন।

দুর্নীতিগ্রস্ত আধিকারিকদের কোনও মতেই বরদাস্ত করা হবে না বলে জানিয়েছে টিআরএস। এবার থেকে কেউ ঘুষ চাইলে তাকে উচিত মত জবাব দিতে পরামর্শ দিয়েছেন চন্দ্রশেখর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আকাশলীনা ইকো ট্যুরিজম ; বদলে যাচ্ছে সুন্দরবন

বদলে যাচ্ছে বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন। প্রাকৃতিক এ বনের নতুন আকর্ষণ আকাশলীনা ইকো ট্যুরিজম সেন্টার।
সবুজে ঢাকা সাতক্ষীরার সুন্দরবন সংলগ্ন খোলাপেটুয়া নদীর পাড়ে ২৫০ বিঘা জমির ওপর এ ট্যুরিজম সেন্টারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এটি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধান ও ব্যবস্থাপনায় পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপে (পিপিপি) গড়ে উঠেছে। ২০১৬ সালের ১৯ নভেম্বর উদ্বোধন করা হয় এটি।

সুরঞ্জনা,

তোমার হৃদয় আজ ঘাস

বাতাসের ওপারে বাতাস

আকাশের ওপারে আকাশ।

কবি জীবনানন্দ দাশের জনপ্রিয় কবিতা ‘আকাশলীনা’ এখন শুধু বইয়ের পাতায় নয়, ভর করেছে সুন্দরবনের নিবিড় প্রকৃতিতেও। বন বিভাগ জানায়, দেশের ঐতিহ্য ম্যানগ্রোভ সুন্দরবনের প্রতি দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ রয়েছে। বছরজুড়েই ভ্রমণপিপাসু মানুষেরা সুন্দরবন দেখতে আসেন। দর্শনার্থীদের ভ্রমণ আরও আনন্দময় করে তুলতে সরকারের বিশেষ উদ্যোগে এই ইকো ট্যুরিজম সেন্টার গড়ে তোলা হয়েছে। এ পর্যটন কেন্দ্রের সামনেই রয়েছে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন-সুন্দরবন। এখানে রয়েছে ট্রেল, জেটি ও নদীতে নৌ-ভ্রমণের জন্য বোট। দূরের পর্যটকদের জন্য রয়েছে আবাসিক ব্যবস্থা। পূর্ণিমার রাতে সুন্দরবনের অপার সৌন্দর্যময় এই স্থানটি পর্যটকদের কাছে লোভনীয়। অল্প সময়ে সুন্দরবন দেখতে এটি আদর্শ পর্যটন কেন্দ্র। এখানে একটি রেস্টুরেন্ট, পার্কিং স্থান, ছোট জাদুঘরসহ পর্যটকদের জন্য হরেক রকম সুবিধা রাখা হয়েছে। নামমাত্র প্রবেশ মূল্য দিয়ে ভিতরে ঢোকা যায়। পর্যটকরা ভিতরে ঢুকেই প্রথমে দেখতে পাবেন জীবনানন্দ দাশের কবিতা ‘আকাশলীনা’ বিল বোর্ডে লেখা। এ ছাড়া বাঁশের পাটাতনে তৈরি সড়ক পথে এগিয়ে যেতেই চোখে পড়বে গোলপাতার তৈরি ঘর। কেওড়া গাছ ঘিরে আকর্ষণীয় গল্প ও আড্ডার স্থান। কেওড়া গাছে ঝুলে থাকা বানর। বাঁশের মাচায় ঘাপটি মেরে বসে থাকা কৃত্রিম বাঘ। এ ছাড়াও হাতের ডানে রয়েছে ফিশ মিউজিয়াম। উপকূলীয় অঞ্চলের মত্স্য সম্পদ পর্যটকদের কাছে তুলে ধরতেই এ মত্স্য জাদুঘরটি তৈরি করা হয়েছে। এখানে রয়েছে সামুদ্রিক প্রাণী অক্টোপাস, রুপালি, হরিণা চিংড়ি, কাঁকড়া, কাইন, ভাঙন মাছ থেকে শুরু করে উপকূলীয় অঞ্চলের শতাধিক মাছ ফরমালিনে সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। হাতের বাম পাশেই রয়েছে বিলাসবহুল আবাসিক রুম। রুমগুলোর নামও প্রকৃতি থেকে নেওয়া— বন বিলাস, কেওড়া, সুন্দরী ও গোলপাতা রেস্ট হাউস। এখানে খুব আরামে রাত যাপন করতে পারবেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা পর্যটক ও দর্শনার্থীরা। ইকো ট্যুরিজম সেন্টারের সামনে রয়েছে খোলপেটুয়া নদীর ওপর বাঁশের পাটাতন দিয়ে তৈরি বেশ কিছু চমৎকার টংঘর। টংঘরগুলোর নামও বেশ চমৎকার। কোনোটির নাম প্রাণ জুড়ানী, প্রকৃতি। আবার কোনোটির নাম মনজুড়ানী। যেখানে বসে দর্শনার্থীরা আড্ডা দেওয়ার পাশাপাশি সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।
সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest