সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় আটক ভারতীয় রেনু পোনা ইছামতি নদীতে অবমুক্তসাতক্ষীরার শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক ময়লার স্তুপদেবহাটায় ঘনঘন লোডশেডিংয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ শ্যামনগরে ছেলের গাড়ীর পেট্রোল নিতে জন্য দীর্ঘ লাইনে মাসাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ কর্মশালাকালিগঞ্জে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ- ২০ লাখ টাকার ক্ষতিসাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতিচ্যানেল ওয়ানে জাকিরের নিয়োগ : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত ১৪New‑Year Spin‑Off: How Live‑Dealer Integration Is Shaping the Hottest Slot Themes of 2024

শহরে হাঁস পালন প্রশিক্ষণ কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিবেদক : পাচার ও যৌন নির্যাতনের শিকার ভিকটিমদের অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী করার লক্ষে ৩ দিন ব্যাপী হাস পালন প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুক্রবার সকালে সি ডাব্লু সি এস এর আয়োজনে ও ফাউন্ডেশন ফি’র অর্থায়নে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শহরের পলাশপোল বৌ বাজারস্থ সি ডাব্লু সি এস’র ট্রেনিং রুমে অনুষ্ঠিত কর্মশালা লিয়াজো কমিউনিকেশন অফিসার মারুফা সুলতানার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা সমাজ সেবা অফিসের প্রবেশনাল অফিসার মিজানুর রহমান, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সি ডাব্লু সি এস’র প্রগ্রাম অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম, সাংবাদিক খন্দকার আনিসুর রহমান আনিস, লিয়াজো কমিউনিকেশন অফিসার অর্পণা এনি প্যারিস,সিনিয়র স্টাফ নার্স শাহানারা খাতুন। জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের মোঃ শরিফুল ইসলাম প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। কর্মশালায় ২০জন ভিকটিম অংশগ্রহণ করে। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সি ডাব্লু সি এস’র বুথ ম্যানেজার রুহুল আমিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খুলনায় তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী রকিকে কুপিয়ে হত্যা

খুলনায় তানভীর হোসেন রকি (২৯) নামে এক তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তিনি মহানগরের আলতাপোল লেন এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মহানগরের পশ্চিম টুটপাড়া বালুর মাঠ ও দারোগার বস্তি সংলগ্ন স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

খুলনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, প্রতিপক্ষের লোকজন রকিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে পশ্চিম টুটপাড়া বালুর মাঠ ও দারোগার বস্তি সংলগ্ন স্থানে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে পুলিশ রকিকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি বলেন, নিহত রকি খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসীদের একজন। তার বিরুদ্ধে থানায় হত্যা ও ডাকাতিসহ ১৫টি মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অবশেষে ভেদ হলো শহিদ-কারিনার বিচ্ছেদের রহস্য

২০০৭ সালের ২৬ অক্টোবর মুক্তি পেয়েছিল বলিউডের হিট জুটি শহিদ-কারিনা অভিনীত ‘যাব উই মেট’ ছবিটি। পরিচালক ইমতিয়াজ আলির সুপারহিট ছবি ‘যাব উই মেট’ মুক্তির ১০ বছর পূরণ হল গতকাল

এই ছবির আরও একটি বিশেষত্ব হল, এই ছবি মুক্তির সময়েই শহিদ-কারিনার প্রেমকাহিনী প্রথম প্রকাশ্যে আসে।
কিন্তু ভাগ্য তো আর কেউ বদলাতে পারে না। তাই হুট করেই আলাদা হয়ে যান সাসা আর বেবো। এতদিন এই বিষয়টি রহস্যে মোড়া থাকলেও, এত দিনে আসল কারণ প্রকাশ্যে এল।

মিস মালিনি ডট কমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, শহিদ-কারিনার এই বিচ্ছেদেরর পেছনে নাকি ভূমিকা ছিল কারিনার মা ববিতা এবং সাইফ আলি খানের। জানা গেছে, যখন কারিনা কাপুর শহিদ কাপুরের প্রেমে পাগল, তখন নাকি মা ববিতা বিষয়টি একেবারেই পছন্দ করছিলেন না।

তাছাড়া, কারিনা কাপুর বরাবরই সাইফ আলি খানের প্রতি গোপন একটা ভালোলাগা প্রকাশ করে এসেছেন। সেই সময়ে ‘তাশান’ ছবিতে করিনার বিপরীতে ছিলেন সাইফ আলি খান। শ্যুটিংয়ের কারণে তারা একে অপরের সঙ্গে সময়ও কাটাতেন। সেই নিয়ে আবার মনক্ষুন্ন হন শহিদ।

তিনি ক্রমশ অভিনেত্রী বিদ্যা বালানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতে শুরু করেন। যদিও বিদ্যার সঙ্গে শহিদের ঘোরাফেরা নিয়ে খুব বেশি মাথা ঘামাননি কারিনা। কিন্তু শহিদ-কারিনার এই ব্যক্তিগত সমস্যার মধ্যে বারবার চলে আসেন ববিতা। এরপরই এই সম্পর্ক থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন কারিনা।

যাই হোক, দুজনেই এখন নিজের নিজের ব্যক্তিগত জীবনে খুব সুখী। আশ্চর্যজনকভাবে, সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর একই ইন্ডাস্ট্রিতে থেকেও একে অপরের সঙ্গে কখনও কথা বলেননি শহিদ-কারিনা। পাশাপাশি শহিদ কাপুরের সঙ্গে আবার সাইফ আলি খানের সম্পর্ক খুবই ভালো। তারা একে অপরের সঙ্গে কিছুদিন আগে ছবিও করলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘কেরানির বউ’ সারিকা

খ্যাতিমান কথা সাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছোটগল্প ‘কেরানির বউ’ গল্প অবলম্বনে নির্মিত নাটকে দেখা যাবে সারিকাকে। এছাড়াও অভিনয় করবেন কল্যাণ কোরাইয়া।
নাটকটি নির্মাণ করেছেন আশরাফ মিঠু। গল্প রূপান্তর করেছেন শুভাসিস সিনহা।

আশরাফ মিঠু জানান, এক ছাপোষা কেরানির সংসারের টানাপড়েন নিয়েই এই নাটকের গল্প। এটি চিরাচরিত বাঙালি সমাজের সাংসারিক জীবন। এই নাটকে আমাদের সমাজের বাস্তব প্রতিচিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

এই নাটকে অভিনয় প্রসঙ্গে সারিকা বলেন, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ছোট গল্পটি সবার পছন্দের। আশা করছি নাটকটি দর্শকদের ভালো লাগবে।

নাটকটি বৈশাখী টেলিভিশনে আজ রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে প্রচারিত হওয়ার কথা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতিসংঘকে রাখাইনে প্রবেশের অনুমতি দিল মিয়ানমার

জাতিসংঘকে রাখাইন রাজ্যে খাদ্যসহায়তা দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে মিয়ানমার সরকার। আজ শুক্রবার বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি এ কথা জানিয়েছে।

সংস্থাটির মুখপাত্র বেটিনা লুয়েশার রয়টার্সকে জানান, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের উত্তরাঞ্চলের খাদ্যসহায়তা দেওয়ার ব্যাপারে সবুজসংকেত পেয়েছে সংস্থাটি। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি সমন্বয় করার জন্য আমরা সরকারের সঙ্গে কাজ করব।’

তবে ঠিক কবে থেকে ওই কর্মসূচি শুরু করবেন তা জানাতে পারেননি লুয়েশার। বিষয়টি নিয়ে মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে জানান তিনি। দুই মাস ধরে রাখাইনে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছিল।

লুয়েশার বলেন, ‘আমরা আগে সেখানকার পরিস্থিতি দেখতে চাই। সেখানে না গেলে বোঝাটা বেশ কঠিনই।’

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে গত ২৫ আগস্টের পর থেকে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে থাকে। জাতিসংঘ এরই মধ্যে বলেছে, রাখাইনের ওই এলাকায় ‘জাতিগত নিধন’ চলছে।

রাখাইনের উত্তরাঞ্চল থেকে গত দুই মাসে ছয় লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার তথ্যমতে, বাংলাদেশে এখন মোট আট লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাস করে।

রাখাইনের ওই এলাকায় আগেও কাজ করেছে বিশ্ব খাদ্য সংস্থা। এক লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা মুসলিম ও বৌদ্ধকে খাদ্যসহায়তা দিয়েছে সংস্থাটি।

রাখাইনের মংডু ও বুথিডং থেকে রোহিঙ্গারা বেশি বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) জানিয়েছে, এসব এলাকার শিশুদের মধ্যে অপুষ্টির হার বেশি।

ইউনিসেফ জানিয়েছে, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ৬০ হাজারের মতো রোহিঙ্গা শিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে। সেখানে প্রায় দুই হাজার শিশু পাওয়া যায়, যারা তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্পেন থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা কাতালোনিয়ার

স্পেন থেকে পুরোপুরি পৃথক হতে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে কাতালোনিয়া। আজ শুক্রবার কাতালোনিয়ার আঞ্চলিক পার্লামেন্টে ভোটাভুটিতে স্বাধীনতা ঘোষণার সিদ্ধান্ত হয়।
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাহয় যখন কাতালোনিয়ায় প্রত্যক্ষ শাসন জারির কথা বলছিলেন, তাঁর কিছুক্ষণের মধ্যেই কাতালান পার্লামেন্ট স্বাধীনতা ঘোষণার পক্ষে রায় দিল।

বিবিসির খবরে বলা হয়, কাতালোনিয়া আঞ্চলিক পার্লামেন্টে স্বাধীনতার পক্ষে ৭০ ভোট পড়ে। বিপক্ষে পড়ে ১০ ভোট। পার্লামেন্টের বিরোধী দল এই ভোট বর্জন করে।

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী রাহয় বলেন, গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে কাতালোনিয়ায় প্রত্যক্ষ শাসন চালু করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

এর আগে কেন্দ্রের বাধা উপেক্ষা করে ১ অক্টোবর গণভোটের আয়োজন করা হয় কাতালোনিয়ায়। এতে ৯০ শতাংশ ভোটার কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার পক্ষে রায় দেন। স্পেন সরকার এই গণভোটকে বেআইনি ও অসাংবিধানিক হিসেবে অভিহিত করে এসেছে।

২১ অক্টোবর কাতালোনিয়া সরকারকে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী সরকার’ আখ্যা দিয়ে তা বাতিলের পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে স্পেন সরকার। আঞ্চলিক সরকার যাতে স্বাধীনতা ঘোষণা করতে না পরে, সে লক্ষ্যে স্পেনের মন্ত্রিসভা ওই সরকার বাতিলের পক্ষে মত দেয়। তখন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার প্রশ্নের আঞ্চলিক নেতা কার্লোস পুজেমন একপক্ষীয় এবং আইনবহির্ভূতভাবে গণভোটের আয়োজন করেছিলেন। এর পাশাপাশি ওই অঞ্চলে নতুন করে নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলা হয়।

এর প্রতিক্রিয়ায় কাতালোনিয়া আঞ্চলিক সরকারের প্রধান কার্লোস পুজেমন এ সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক অভ্যুত্থান ও স্পেনের সাবেক স্বৈরাচার ফ্রাঙ্কো-পরবর্তী সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক অনাচার বলে উল্লেখ করেন।
স্পেনের সংবিধানে কোনো বিদ্রোহী অঞ্চলের কর্তৃত্ব নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া আছে কেন্দ্রকে। এরপর থেকেই কাতালোনিয়ায় প্রত্যক্ষ শাসন চালু করার কথা ভাবছিল স্পেনের সরকার।

স্পেনের বিত্তশালী অঞ্চল কাতালোনিয়া। জনসংখ্যা ৭৫ লাখ। এর রাজধানী বার্সেলোনা। অঞ্চলটির নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি রয়েছে। পাঁচ বছর ধরেই স্বাধীনতার কথা উঠছে। তবে ২০১৫ সালে কাতালোনিয়ার প্রাদেশিক পার্লামেন্ট নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পান সেখানকার স্বাধীনতাকামীরা। নির্বাচনের ওই ফলের মধ্য দিয়ে স্পেন থেকে পৃথক হয়ে নতুন রাষ্ট্র গঠনের পথে এগিয়ে যায় কাতালোনিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তাজমহলে জুমার নামাজ বন্ধের আবদার আরএসএসের

এবার তাজমহলে শুক্রবারের জুমার নামাজ বন্ধ করার দাবি উঠিয়েছে ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস)।

রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) আদর্শিক পুরোধা সংগঠন আরএসএসের ইতিহাস শাখা ‘অখিল ভারতীয় ইতিহাস সংকলন সমিতি’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, তাজমহলে নামাজ পাঠ বন্ধ না হলে ওখানে শিবের প্রার্থনাও করতে দিতে হবে।

প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজের সময় পর্যটকদের জন্য সাময়িক বন্ধ থাকে তাজমহল। সেই তথ্য উল্লেখ করে অখিল ভারতীয় ইতিহাস সংকলন সমিতির শীর্ষ নেতা ডক্টর বালমুকুন্দ পান্ডে বলেন, ‘তাজমহল ভারতের জাতীয় ঐতিহ্য। কেন সেটা মুসলমানদের ধর্মীয় স্থান হিসেবে ব্যবহার করা হবে? ওখানে নামাজ পড়ার অনুমতি প্রত্যাহার করা হোক। আর নামাজ পড়া যদি বন্ধ করা না যায়, তাহলে হিন্দুদেরও তাজমহলে শিবের প্রার্থনা করতে দিতে হবে।’

এর আগে হিন্দু যুব বাহিনী নামে একটি ডানপন্থী সংগঠন তাজমহলে শিবের প্রার্থনা করে। ওই সংগঠনটি দাবি করে, তাজমহল আসলে শিবমন্দির। ওই শিবমন্দিরকে কবরখানার চেহারা দেন শাহজাহান।

গতকাল বৃহস্পতিবার তাজমহল সফর করেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগি আদিত্যনাথ। তখন বিজেপিকর্মীরা ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনি দেন।

আরএসএসের ইতিহাস শাখার দাবি, তাজমহল যে আসলে শিবমন্দির, তার প্রচুর প্রমাণ রয়েছে। তাজমজল কোনো ভালোবাসার প্রতীক নয়। সংগঠনের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়, তাজমহল যদি ভালোবাসার প্রতীক হতো, তাহলে বেগম মমতাজের মৃত্যুর চার মাসের মধ্যে শাহজাহান কেন আবার বিয়ে করেন?

উগ্রবাদী এই সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরো দাবি করা হয়েছে, তাজমহলের প্রকৃত সত্য সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। খুব শিগগির সেসব তথ্য প্রকাশ্যে আনা হবে।

আরএসএসের ইতিহাস শাখা জানিয়েছে, মুসলমান শাসকের নির্দেশে ধ্বংস হয়ে যাওয়া ভারতের যাবতীয় হিন্দু স্থাপত্যের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডাক্তারকে আপু বলায় দুই স্বজনকে মারপিট, রোগীর মৃত্যু

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের মারপিটের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর আহত ওই দুই স্বজনকে জোরপূর্বক জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। শুক্রবার রোগী মাহেলা বেওয়াকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দিলে তাকে জয়পুরহাটে নেয়ার পথে তিনি মারা যান। এর আগেও এক সিরাজগঞ্জের রোগীর স্বজনদের মারপিটের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পরে রোগী আলাউদ্দিনও মারা গিয়েছিলেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ২৪ অক্টোবর জয়পুরহাট সদর উপজেলার পুরানাপৈল গ্রামে মৃত বজলুর রশিদের স্ত্রী মাহেলা বেওয়াকে (৭৫) শজিমেক হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের মহিলা ওয়ার্ডে (ইউনিট-১, বেড নং-অতিরিক্ত ৫) ভর্তি করা হয়।

বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১১টায় রোগীর ছেলে গাজিউর রহমান (৪৫) ও তার ছেলে রুম্মান হোসেন শান্ত (২৫) তাকে দেখতে আসেন। এসময় রোগীর চিকিৎসা নিয়ে নাতি রুম্মান হোসেন শান্ত এক মহিলা ইন্টার্নকে আপা বলে সম্বোধন করে চিকিৎসার জন্য ডাকেন।

এঘটনার পরই ওই মহিলা ইন্টার্ন চিকিৎসকের সঙ্গে থাকা পুরুষ ইন্টার্ন চিকিৎসক রোগীর স্বজন শান্তর শার্টের কলার চেপে ধরেন। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে শান্তর বাবা গাজিউর রহমান এগিয়ে এলে তার সঙ্গেও বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। একটু পরই ছুটে আসে একদল ইন্টার্ন চিকিৎসক ও মেডিকেল কলেজের কিছু শিক্ষার্থী। তারপর দু’জনকে ধরে বেধড়ক মারপিট শুরু করেন।

এসময় অন্যান্য রোগী ও তাদের স্বজনরা ভয়ে ছুটাছুটি করে বাহিরে চলে যেতে থাকেন। ঘটনার পর গণমাধ্যমকর্মীরা রাতেই হাসপাতালে গেলে তাদের প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। রাত ১টায় গণমাধ্যমকর্মীরা হাসপাতাল থেকে চলে এলে আহত ওই দু’জনকে হাসপাতাল থেকে জয়পুরহাটে পাঠিয়ে দেয়া হয়। পরে তারা জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে রাতেই ভর্তি হন।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় হাসপাতালে গেলে গণমাধ্যমকর্মীদের ওই ওয়ার্ডে একা যেতে দেয়া হয়নি। হাসপাতালের উপ-পরিচালক নির্মলেন্দু চৌধুরী একজন কর্মচারীকে সঙ্গে দিয়ে ওই ওয়ার্ডে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশ করতে দেন। সেখানে কেউ কেউ মুখ খুললেও নাম-পরিচয় গোপন রাখার কথা বলেন। অন্যরা ভয়ে জানান, তারা কিছুই দেখেননি। এ সময় হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, কোনো ইন্টার্ন চিকিৎসক হাসপাতালে নেই। প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে চিকিৎসক দেখা গেছে।

ওই ওয়ার্ডের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দু’জন রোগী জানান, রোগীর চিকিৎসা নিয়ে কথাকাটাকাটির পর হঠাৎ করেই একদল ইন্টার্ন চিকিৎসক এসে ওই রোগীর দুই আত্মীয়কে মারপিট করতে করতে একটি রুমে নিয়ে যায়। এসময় তারা চিৎকার করতে থাকেন। মারপিটের ঘটনার সময় আমরা ভয়ে ওয়ার্ড ছেড়ে বাইরে যাই। বেশ কিছুক্ষণ মারপিটের ঘটনা ঘটে। আমাদের বলা হয়, কেউ বাইরের কাউকে এসব বিষয় বললে বিপদ আছে। ঘটনার পর গণমাধ্যমকর্মীদের আড়াল করতে রোগী মাহেলাকে সিসিইউতে সরিয়ে নেয়া হয়।

আহত রুম্মান হোসেন শান্ত জানান, তার দাদি মাহেলা বেওয়ার শরীরে রক্ত দেয়া হচ্ছিল। রক্ত শেষ হলেও তা খুলে দেয়া হয়নি। বিষয়টি একজন মহিলা ডাক্তারকে বলতে গিয়ে আপু বলে ডাক দিয়েছিলাম। এতে তিনি ও তার সঙ্গে থাকা অন্য একজন ইন্টার্ন চিকিৎসক মাইন্ড করেন। এ কারণেই আমার কলার চেপে ধরা হয়। তারপর মারপিট করেন। একটু পরই একদল ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা ছুটে আছেন। তারা আমাকে ও আমার বাবাকে বেঁধে কিলঘুষিসহ রড দিয়ে মারপিট করতে থাকেন। আমরা চিৎকার করলেও কেউ বাঁচাতে এগিয়ে আসেনি। পরে অসুস্থ অবস্থায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে জোর করে আমাদের জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয় এবং বলা হয় বগুড়ার কোনো ক্লিনিক বা হাসপাতালে যেন চিকিৎসা নেয়া না হয়।

শান্ত আরও জানান, বৃহস্পতিবার রাতেই বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল থেকে তার মুমূর্ষ দাদিকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। পরে জয়পুরহাটে নেবার পথে তিনি মারা যান।

শুক্রবার সকালে হাসপাতালের উপ-পরিচালক নির্মলেন্দু চৌধুরী জানান, রোগীর দুই স্বজন মহিলা চিকিৎসককে ইভটিজিং করায় এবং অশালিন ভাষায় কথা বলায় বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের উপর তারা হামলা চালালে ৩ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক আহত হন। তবে তিনি তাদের নাম বলতে পারেননি।

তিনি আরও জানান, রোগী মাহেলা বেওয়াকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। হাসপাতালের উদ্ভূত ঘটনা নিয়ে পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. গোলাম রসুল তার অফিসে জরুরি সভা ডেকেছেন।

উপ-পরিচালক নির্মলেন্দু চৌধুরী আরও জানান, রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় স্বজনরা স্বেচ্ছায় রিলিজ নিয়েছেন। ইন্টার্নরা কর্মবিরতি ঘোষণা করেননি তারা কাজ করছেন। তিনি বলেন হাসপাতালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখন থেকে রোগীর সঙ্গে পাশসহ দু’জনের বেশি কেউ থাকতে পারবেন না। এছাড়া সন্ধ্যার পর অতিরিক্ত আনসার নিয়োগ থাকবে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রাতে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কোনাগাতি গ্রামের আলাউদ্দিন সরকার হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে তার ছেলে আবদুর রউফ শজিমেক হাসপাতালে আসেন। এরপর তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা তাকে ও তার আত্মীয়দের মারপিট করে। তখন ওই ঘটনায় নারী ইন্টার্ন চিকিৎসককের ইভটিজিং-এর অভিযোগ আনা হয়। ওই ঘটনার পর আলাউদ্দিনও চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ইন্টার্ন চিকিৎসকরা ধর্মঘট ডাকেন। ওই ঘটনাতেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীর স্বজনদের বিরুদ্ধে নারী ইন্টার্নকে ইভটিজিং-এর অভিযোগ এনেছিলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest