কাতালান গণভোট: রাতভর ভোটকেন্দ্র পাহারা দিচ্ছেন বিচ্ছিন্নতাবাদীরা

স্প্যানিশ সরকারের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই স্থানীয় সময় সকাল থেকে গণভোট শুরু হবে বলে জোর দিয়ে বলছেন কাতালান নেতারা।

আঞ্চলিক নেতারা বলছেন, ব্যালট বাক্স তৈরি এবং প্রচুর ভোটার সমাগম হবে বলে তারা আশা করছেন।

তবে ভোটগ্রহণ থামানোর জন্য অতিরিক্ত পুলিশ পাঠাচ্ছে স্প্যানিশ সরকার।

ভোটগ্রহণ শুরু হবার অনেক আগেই গভীর রাত থেকে লাইনে দাঁড়াতে শুরু করেছেন ভোটাররা। বিচ্ছিন্নতার সমর্থনকারী হাজার হাজার মানুষ রাতভর ভোটকেন্দ্র হিসেবে ঘোষিত স্কুলগুলো ঘিরে অবস্থান করছেন।

পুলিশ বলছে তাদেরকে উচ্ছেদ করা হবে।

গণভোটের আয়োজনকারীরা ভোটকেন্দ্র ‘রক্ষার’ জন্য ভোটারদের ভোর ৫ টায় (জিএমটি ৩:০০ টা) উপস্থিত হবার আহ্বান জানিয়েছেন। স্থানীয় সময় সকাল ৯:০০ টায় ভোটগ্রহণ শুরু হবার কথা রয়েছে।

সমাজিক মাধ্যমে দেয়া এক বার্তায় আয়োজকরা বলেছেন “আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে সকল বয়সের প্রচুর মানুষ যেন উপস্থিত থাকেন”, যেকোন পুলিশী বাঁধা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিহত করারও আহ্বান জানানো হয়।।

রোববার “গণতন্ত্রের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন” স্থানীয় কাতালান একটি টেলিভিশনকে বলেন আঞ্চলিক ভাইস-প্রেসিডেন্ট ওরিওল জাঙ্কারাস।

“আমরা অনেকে বাঁধা অতিক্রম করেছি, এমন কিছু নেই যা আমরা পার হতে পারবো না।” তিনি বলেন “আমরা যদি নিজেদের অধিকার রক্ষা না করি, তাহলে কে করবে?”

ব্যালট পেপারে শুধুমাত্র একটি প্রশ্নই থাকবে: “আপনি কি চান যে কাতালোনিয়া প্রজাতন্ত্রের আদলে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হোক?” উত্তর দিতে হবে হ্যা অথবা না।

কাতালোনিয়ার জনসংখ্যা ৭৫ লাখ। সুইজারল্যান্ডের জনসংখ্যার সমান। স্পেনের মোট জনসংখ্যার ১৬ শতাংশ এই কাতালোনিয়ায়। স্পেনের উত্তর-পূর্বের এই প্রদেশটির রাজধানী বার্সেলোনা। তাদের আছে নিজস্ব ভাষাও। বার্সেলোনা বিশ্বের অত্যন্ত জনপ্রিয় শহরগুলোর একটি, ফুটবল এবং একই সাথে পর্যটনের কারণে।

স্পেন সরকার বলছে, এই গণভোট অবৈধ। শুধু তাই নয়, আদালত থেকেও এই ভোটের আয়োজন বন্ধ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সৌদি নারীদের জন্য নিষিদ্ধ যে ৭ কাজ

সম্প্রতি দেশটির নারীদের গাড়ি চালানোর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলেও একই ধরণের আরও ৭টি কাজে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে তাদের বাবা, স্বামী, পুরুষ আত্মীয়ের অনুমতিতে বা বিশেষ ক্ষেত্রে ছেলের অনুমতি নিয়ে এর বেশিরভাগ কাজ করতে পারেন তারা। সংবাদ মাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী সৌদি নারীদের জন্য নিষিদ্ধ কাজগুলো হচ্ছে-

১) পুরুষের সঙ্গে অবাধ বিচরণ: সৌদি নারীরা পুরুষের সঙ্গে অবাধে ওঠাবসা করতে পারেন না। তবে এক্ষেত্রে কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে। এর মধ্যে হাসপাতাল, ব্যাংক, মেডিকেল কলেজ অন্যতম।

২০১৩ সালে দেশটির শপিংমলে পার্টিশান দিয়ে নারী ও পুরুষের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা এবং নারী-পুরুষ দুই ধরনের কর্মচারী নিয়োগ করার নির্দেশ দেয়া হয়।

২) পুরো শরীর না ঢেকে জনসমক্ষে যাওয়া: সৌদি নারীদের পূর্ণ শরীর না ঢেকে জনসমক্ষে যাওয়া সম্পূর্ণ নিষেধ। এক্ষেত্রে ওই নারীকে অবশ্যই পূর্ণ শরীর আবৃত করা কালো রঙের পোশাক ‘আবায়া’ পরতে হবে। খুব ঢিলেঢালা আবায়া, যাতে শরীরের কাঠামো বোঝা না যায় এবং ভদ্রতা বজায় থাকে।

৩) ব্যবসা করা: সৌদি নারীরা ব্যবসায় করতে চাইলে তাকে অবশ্যই পুরুষের সাহায্য নিতে হয়। কেনোনা কোনো নারীকে ব্যবসায়িক লাইসেন্স বা ঋণ পেতে দুইজন পুরুষের সুপারিশ জোগাড় করতে হয়। দুইজন পুরুষের সুপারিশ ছাড়া কোনো নারী ব্যবসায়িক লাইসেন্স বা ঋণ পান না।

৪) সন্তানকে হেফাজতে রাখা: সৌদি আরবে কোনো পরিবারে তালাক হলে নির্দিষ্ট সময় পর তালাকপ্রাপ্ত নারী তার সন্তানকে নিজের কাছে রাখতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে ছেলেদের জন্য ৬ বছর ও মেয়েদের জন্য ৯ বছর বয়স পর্যন্ত নারী তার সন্তানকে নিজের কাছে রাখতে পারবেন।

৫) ন্যাশনাল আইডি ও পাসপোর্ট আবেদন: দেশটির নারীরা ইচ্ছা করলেই জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারেন না। এই দুটির জন্য আবেদন করতে হলে অবশ্যই পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি নিতে হয়।

৬) রেস্টুরেন্টে খাবার খাওয়া: নারীরা চাইলেই যেকোনো রেস্টুরেন্টে গিয়ে খেতে পারেন না। যেসব রেস্টুরেন্টে নারীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে শুধুমাত্র সেখানেই খেতে পারবেন নারীরা। তবে দেশটির বেশিরভাগ রেস্টুরেন্টেই নারীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে। ওইসব রেস্টুরেন্টে নারীদের প্রবেশ পথ ও আলাদা দরজা থাকাও বাধ্যতামূলক।

৭) আদালতে সাক্ষ্য: কোনো একজন নারী আদালতে সাক্ষ্য দিতে পারেন না। তবে দেশটির আদালতে দুইজন নারীর সাক্ষ্যকে একজন পুরুষের সাক্ষ্য হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়। কোনো নারীর একক সাক্ষ্য দেয়ার সুযোগ নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়ায় যে খাবার

স্বাস্থ্য ও জীবন : শরীরের সুস্থতায় কিডনির ভালো থাকা খুব জরুরি। কিডনি প্রতিদিন প্রায় ১৭০ লিটার রক্ত পরিশোধন করে শরীরকে সুস্থ রাখে। কিডনি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে ও রক্তস্বল্পতা দূর করতে সাহায্য করে। কিডনি রোগ দেহে বিভিন্ন সমস্যা তৈরি করতে পারে, যা অনেক সময় মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে খাবারদাবারে একটু সচেতন হলে কিডনির সমস্যা অনেকটাই প্রতিরোধ করা সম্ভব।

১) পেঁয়াজঃ পেঁয়াজের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ফ্লাভোনয়েড। এটি রক্তনালীতে চর্বি জমা প্রতিহত করে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কিডনিরোগজনিত উচ্চরক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। ক্যান্সার প্রতিরোধেও এর ভূমিকা রয়েছে।

২) অলিভ ওয়েলঃ অলিভ ওয়েল বা জলপাই তেল ব্যবহার করে যেসব দেশে রান্না করা হয় যেসব দেশে কিডনি রোগ, হৃদরোগ, ক্যান্সার ইত্যাদির হার তুলনামূলকভাবে কম হয়। অলিভ ওয়েলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ পলিফেনল, যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে চমৎকার কাজ করে। রান্নায় অথবা সালাদে অলিভ ওয়েল যোগ করলে বাড়তি স্বাদ ও পুষ্টির যোগান বাড়ে।

৩) দারচিনিঃ দারচিনি, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার মধ্যে একদিকে যেমন টাইপ ২ ডায়াবেটিস আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমায়, তেমনি কিডনির যাতে কোনও ভাবে ক্ষতি না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে।

৪) জামঃ সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণা পত্র অনুসারে জামের রস নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস করলে ইউ টি আই সংক্রমণের আশঙ্কা যেমন হ্রাস পায়, তেমনি কিডনি ফাংশনের উন্নতি ঘটে। কিডনি স্টোনের সম্ভাবনা কমাতেও এই প্রকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৫) আপেলঃ আপেল দেহের বাজে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। কোষ্টকাঠিন্য প্রতিরোধ করে, হৃদরোগ থেকে সুরক্ষা দেয়, ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। এর মধ্যে রয়েছে উচ্চমাত্রার আঁশ। রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লামেটোরি গুণ, যা প্রদাহরোধে কার্যকর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালি পেটে যে খাবার ভুলেও খাবেন না!

আমরা অনেকে ক্ষুধার কারণে এমন কিছু খাবার খেয়ে ফেলি, যা খেলে অসুস্থ হবার সম্ভাবনা আরও বেশি বৃদ্ধি পায়। আবার রাস্তার ধারের পুরি, মুড়ি বা ভাঁজা-পোড়া খেয়েও আমরা পেট পূজা করে ফেলি। তাই এই প্রতিবেদন পড়ে অবশ্যই খালি পেটে কিছু খাওয়ার আগে আরেকটু ভেবে দেখুন-

১. মশলাদার খাবার: ঘুম থেকে উঠে কখনও মশলাদার খাবার খাওয়া উচিৎ নয়। মাসে দু’একবার আমরা এগুলো খেতেই পারি। তাই বলে, প্রতিদিন এই ধরণের মশলাদার খাবার না খাওয়াই ভাল। আর যদি এমনটা না করি, তাহলে সারাদিন গ্যাস আর পেটের জ্বালায় ভুগতে হতে পারে।

২. কফি: সকালবেলা উঠেই বেশ কড়া করে এক কাপ কফি খেতে দারুণ পছন্দ অনেকের। কিন্তু জানেন কি এমনটা করলে আমাদের শরীরের অনে ক্ষতি হয়ে যায়। কারণ খালি পেটে কফি বা খুব গরম খাবার খেলে শরীরের অন্দরে নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়। সেই কারণেই তো খালি পেটে কফি খাওয়ার আগে পেট ভরে পানি পান করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা।

৩. ঠাণ্ডা পানীয়: সকালে ঘুম থেকে উঠেই গরম গরম চা আপনার একদম পছন্দ না। সকালেই ঠাণ্ডার ছোঁয়া নিতে ভাল লাগে। বরফ ডোবানো ঠাণ্ডা চা অথবা কফিই আপনার প্রতিদিনের প্রিয় পানীয়? তাহলে এখনি সাবধান হোন। কারণ সকাল সকাল খালি পেটে এই ধরণের অতি ঠাণ্ডা জাতীয় পানীয় খেলেই সর্বনাশ। কারণ এতে হজমশক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত মেমব্রেন বা কোষপর্দা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

৪. টক জাতীয় ফল: অনেকেই আছেন যারা ব্রেকফাস্টের সঙ্গে ফল খেয়ে থাকেন। কিন্তু জানেন কি এই সময় কেমন ধরনের ফল খাওয়া উচিত? যেমন- কমলালেবু, পাতিলেবু, বাতাবিলেবু, আনারস, পেয়ারা এই ধরণের ফলগুলি ব্রেকফাস্টের সঙ্গে একদমই খাওয়া উচিত নয়। কারণ খালি পেটে এই ফলগুলি খেলে হজমের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

৫. কলা: খালি পেটে কলা খেতে মানা করেন চিকিৎসকেরা। কারণ কলার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে, যে কারণে খালি পেটে এই ফলটি খেলে হার্টের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এনএসআই’র প্রতিবেদন; চাল সংকটের নেপথ্যে ১০ কারণ

ন্যাশনাল ডেস্ক : সম্প্রতি অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে চালের দাম। তাই জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা(এনএসআই)’র এক গোপন প্রতিবেদনে দাম বৃদ্ধির দশ কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে।

কিছু ব্যবসায়ীরাও দাবি করেন, চাল সংকটের নেপথ্যে রয়েছে ক্ষমতাশালী সিন্ডিকেট। রাজনৈতিকভাবে এরা বেশ ক্ষমতাশালী। তাদের অনেক অর্থও আছে। এরা বিপুল অঙ্কের ব্যাংক ঋণ নিয়ে মৌসুম এলেই নামমাত্র দামে কৃষকের কাছ থেকে কিনে নেন সব ধান। আর মৌসুম ফুরালেই কৃত্রিম সংকট তৈরি করেন। অবৈধ মুনাফা লুটে নেয়াই এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

বলা হচ্ছে, চালের মূল্য ১৫ থেকে ১৮ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধির নেপথ্যে থাকা সিন্ডিকেটে দেশের বিভিন্ন জেলার অর্ধশতাধিক শীর্ষ মিলার এবং কৃষিপণ্যের বাজারজাতকারী কিছু কর্পোরেট ব্র্যান্ড ব্যবসায়ী রয়েছেন। অসাধু এসব মিল মালিকের নাম-ঠিকানা দিয়ে এরই মধ্যে গোয়েন্দা প্রতিবেদনটি সরকারের দায়িত্বশীল সব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে রয়েছে- পরিকল্পিতভাবে দাম বাড়াতে ব্যবসায়ীদের নানা অপপ্রচার। ক্ষমতাশালী একটি সিন্ডিকেট চক্র স্বল্প সময়ে অধিক মুনাফা লাভের মনোভাব। এছাড়া কৃষকপর্যায়ে পর্যাপ্ত ধান মজুদ না থাকা। সরকারি মজুদ নিরাপত্তাবলয়ের নিচে নেমে যাওয়া। এ খাতে অবাধে ব্যাংক ঋণ ছাড় এবং সুদের হার বেশি হওয়া। বাজারে টিসিবির শক্তিশালী প্রভাব না থাকা। মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য। হাওরে ফসলের ক্ষতি এবং আকস্মিক বন্যা ও অতিবৃষ্টি।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোসহ (বিবিএস) সরকারি-বেসরকারি একাধিক সংস্থার তথ্যমতে, দেশে দৈনিক জনপ্রতি ৫৬২ গ্রাম চালের চাহিদা রয়েছে। সে হিসাবে দেশের ১৬ কোটি মানুষের জন্য প্রতিদিনের চালের চাহিদা ৮৯ হাজার ৯২০ টন বা ৯০ হাজার টন। ওই হিসাবে এক মাসে চালের প্রয়োজন হয় ২৭ লাখ টন।

জানা যায়, মোটা ও চিকন চালে গড়ে প্রতি কেজিতে ১৬ টাকা মুনাফা ধরে হিসাব করলে প্রতি টনে ১৬ হাজার টাকা বাড়তি মুনাফা করেছে সিন্ডিকেট সদস্যরা। সে হিসাবে এক লাখ টন চালে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে ১৬০ কোটি টাকা। অর্থাৎ ২৭ লাখ টনে প্রতি মাসে চার হাজার ৩২০ কোটি টাকা হিসাবে গত পাঁচ মাসে এই চক্রের পকেটে গেছে ২১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ গত পাঁচ মাসে চালের বাজার থেকে প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা পকেটস্থ করেছে চালের বাজারের নিয়ন্ত্রক বিশেষ সিন্ডিকেটের সদস্যরা। এমনকি বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর মজুদদারদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কিন্তু রহস্যজনক কারণে এই অভিযানে গুটিকয়েকজন চুনোপুঁটি ব্যবসায়ী ধরা পড়লেও এখনও অধরা নেপথ্যের নায়করা।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, চলতি বছর হাওর অঞ্চলে অকাল বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এর সঙ্গে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে চাল সংগ্রহেও সংশ্লিষ্টরা ব্যর্থতার পরিচয় দেয়। সামান্য কয়েক টাকা দাম বাড়াতে রাজি না হওয়ায় উত্তরাঞ্চলের চাল ব্যবসায়ীরা এক জোট হয়ে সরকারের কাছে চাল বিক্রি বন্ধ করে দেয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উপস্থাপনায় নুসরাত ফারিয়া, সঙ্গে মৌসুমী

উপস্থাপক হিসেবেই পরিচিত ছিলেন নুসরাত ফারিয়া। কিন্তু ২০১৫ সালে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করার পর উপস্থাপনা থেকে দূরে সরে যান এই তারকা। ওই বছরের শেষ দিকে ঘরোয়া ক্রিকেটের বড় আসর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন। এরপর আর উপস্থাপনা করতে দেখা যায়নি।

আবার উপস্থাপনা করবেন নুসরাত ফারিয়া। জানা গেছে, আগামীকাল সোমবার দুপুরে ঢাকা ক্লাবে চলচ্চিত্র শিল্পী, কলাকুশলী, পরিচালক ও প্রযোজকদের সমন্বয়ে গঠিত ‘চলচ্চিত্র ফোরাম’ নামে একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ হতে যাচ্ছে। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করবেন তিনি।

নুসরাত ফারিয়া বলেন, ‘এই সময় আমার দেশের বাইরে থাকার কথা ছিল। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়ার চেয়ারম্যান আবদুল আজিজ এই সংগঠনের সঙ্গে জড়িত আছেন। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করার জন্য তিনি আমাকে অনুরোধ করেছেন। আমিও রাজি হয়ে গেলাম। উপস্থাপনার প্রতি আমার অন্য রকম ভালোবাসা আছে। এটি আমার ভালো লাগার জায়গা। ছবির শুটিংয়ের জন্য বেশির ভাগ সময় দেশের বাইরে থাকতে হয়। তাই সুযোগ হয় না। এবার একটা সুযোগ পেয়ে গেলাম। প্রায় দুই বছর পর উপস্থাপনা করব, একটু ভয় তো হচ্ছেই।’

ভয় কেন? নুসরাত ফারিয়া বলেন, ‘অনেক দিন চর্চা নেই। কোনো বিষয়ে চর্চা না থাকলে তা ঠিকভাবে উঠে আসে না।’

এদিকে অনুষ্ঠানটির অন্যতম আয়োজক প্রযোজক আবদুল আজিজ জানান, নুসরাত ফারিয়ার সঙ্গে চিত্রনায়িকা মৌসুমী অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করবেন। আর নুসরাত ফারিয়া বলেন, ‘একসঙ্গে উপস্থাপনা করব, মজাই হবে। আমাদের দুজনের একটা রি-ইউনিয়ন হবে। কারণ ২০১৫ সালে যুক্তরাজ্যের লোকেশনে “আশিকী” ছবিতে আমরা দুজন একসঙ্গে কাজ করেছিলাম। এরপর একসঙ্গে আর কোনো কাজ করা হয়নি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতার নামে মশকরা!

বিনোদন ডেস্ক : শুরুটাই মিথ্যা তথ্য দিয়ে। সদ্য সমাপ্ত মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালের মঞ্চে চ্যাম্পিয়নের নাম ঘোষণায় ভুল করেছেন ভারতীয় উপস্থাপিকা শিনা চৌহান।

গত রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শীর্ষ ১০ প্রতিযোগীর মধ্যে জান্নাতুল সুমাইয়া হিমিকে বিজয়ী ঘোষণা করার কিছুক্ষণের মধ্যেই আয়োজকরা জানান, তিনি হয়েছেন দ্বিতীয় রানারআপ! পরে জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। এ নিয়ে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে বেশ বিভ্রান্তি তৈরি হয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে বেশ বিতর্ক তৈরি হয়েছে এরই মধ্যে। গতকাল অনেককেই ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বিষয়টি নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণে মত্ত থাকতে দেখা গেছে। অনুষ্ঠানে দেখা গেছে, উপস্থাপিকার মুখে নিজের নাম সেরা হিসেবে শুনে খুশি হয়েছিলেন হিমি। চীনে আগামী ৩০ ডিসেম্বর বিশ্বসুন্দরীর মঞ্চে উঠবেন এটা ভেবেই যেন খুশির বন্যা বয়ে গিয়েছিল তার মনে।

কিন্তুআনন্দ ছিল ক্ষণস্থায়ী। ভুল স্বীকার করে যখন উপস্থাপিকা আবার জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলকে চ্যাম্পিয়ন এবং হিমিকে দ্বিতীয় রানারআপ ঘোষণা করলেন তখন জোর করেই মুখে হাসি ধরে রেখেছিলেন হিমি।

এ ভুল প্রসঙ্গে গতকাল আয়োজক কর্তৃপক্ষ অন্তর শোবিজের চেয়ারম্যান স্বপন চৌধুরী গণমাধ্যমে লিখিত বক্তব্য পাঠিয়েছেন। বক্তব্যে তিনি বলেছেন, ‘আসলে দু’জনের নাম প্রায় একই হয়ে যাওয়ায় সমস্যা হয়েছে। লাইভ টেলিকাস্টের কারণে আমরা হুট করেই জানতে পারি আমাদের হাতে মাত্র কয়েক মিনিট সময় রয়েছে। তখন তাড়াহুড়া করতে হয়েছে।

ভারতীয় উপস্থাপিকা শিনা ঠিকঠাক সব চালিয়ে নিলেও মূল নাম উপস্থাপন করতে গিয়ে ভুল করে ফেলেছেন। এমন ভুল অস্কারের মতো আসরেও হয়। এরপরও আমরা এ ধরনের ভুলের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। সেই সঙ্গে এও বলতে চাই এটাই চূড়ান্ত ফল, এখানে বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই।’

কয়েকজন বিচারক গণমাধ্যমকে বলেন, এটা খুব অন্যায় হয়েছে। আমাদের সবার কাছে যে প্রথম হয়েছে, তাকে প্রথম করা হয়নি। যাকে প্রথম করা হয়েছে, সে আমাদের প্রথম তিনজনের তালিকায়ও ছিল না। যেহেতু এটা একটা আন্তর্জাতিক ইভেন্ট, তাই আমরা এমন একজন প্রতিযোগীকে বাছাই করতে চেয়েছি, যে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে তুলে ধরতে পারবে। আমরা একবাক্যে জেসিকা ইসলামকে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নির্বাচিত করি। শুক্রবার রাতে যা ঘটল, তা আমাদের জীবনে খুব খারাপ একটা অভিজ্ঞতা হয়ে থাকল। এত বড় একটা অন্যায় এভাবে হবে, ভাবতেও পারিনি।

তারা বলেন, আয়োজকেরা যদি নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয়, তাহলে তো বিচারক হিসেবে আমাদের রাখার প্রয়োজন ছিল না। আমাদের জন্য এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। নাম ঘোষণার ওই মুহূর্তে এত মানুষের সামনে আমরা আয়োজকদের অপমান করতে চাইনি। এখন মনে হচ্ছে, তখন আমাদের এই কাজটি করা উচিত ছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাল্লা দিতে গিয়ে বাস খাদে, নিহত ৭

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে যাত্রীবাহী একটি বাস পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে সাত যাত্রী নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ৩০ যাত্রী।

আজ রোববার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার নূরীতলা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহত লোকজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। হতাহতদের পরিচয় জানা যায়নি।

বাসের আহত যাত্রী সূর্য তালুকদার বলেন, বাসটি আরেকটি বাসের সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে ওই বাসটিকে অতিক্রম করার চেষ্টা করেছিল। এতে একপর্যায়ে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি পাশের খাদের পানিতে পড়ে যায়।

ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জীবন চন্দ্র হাজারি বলেন, কুমিল্লার কোম্পানীগঞ্জ থেকে তিশা পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। নূরীতলা নামক স্থানে আরেকটি বাসকে অতিক্রম করার সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে বাসের সাত যাত্রী নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ৩০ জন। নিহত যাত্রীদের মধ্যে চারজন পুরুষ, একজন নারী ও দুই শিশু রয়েছে। লাশ হাইওয়ে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। আহত লোকজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কুমিল্লা হাইওয়ে পুলিশ সুপার পরিতোষ ঘোষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest