সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার ঝাউডাঙ্গায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর করুন মৃত্যুতুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুলিহরে এক যুবক পিটিয়ে জখম:থানায় মামলাসাতক্ষীরা প্রাণসায়রের ধারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকলারোয়ায় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যুসুন্দরবনের নদীতে জেলের জালে ধরা পড়ল ১০ কেজির বিরল কচ্ছপসাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরনতালায় খামারিদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জলবায়ু বিপন্নতা বিষয়ক প্রশিক্ষণসাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবকে রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের শুভেচ্ছাদেবহাটায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এক শ্রমিককে পিটিয়ে চার জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা চুরির মামলা : প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা জেলা পর্যায়ে মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সম্মেলন

তালায় অসুস্থ ২ ব্যক্তিকে জেলা পরিষদ’র অনুদান

তালা প্রতিনিধি : উপজেলার ফলেয়া গ্রামের অসুস্থ দরিদ্র কৃষক পবন বিশ্বাস এবং মাগুরার সাবেক ইউপি সদস্য অসুস্থ্য খান শওকত হোসেনকে চিকিৎসার জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের সংরক্ষিত ওয়ার্ড ৫ এর সদস্য মাহফুজা সুলতানা রুবি’র উদ্যোগে জেলা পরিষদ’র তহবিল থেকে অসুস্থ্য ওই ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য এই অনুদান প্রদান করা হয়।
আনুষ্ঠানিকভাবে চিকিৎসা সহায়তার চেক প্রদান উপলক্ষ্যে সোমবার রাতে তালার মাগুরা বাজারে এক অনুষ্ঠান উপজেলা আওয়ামীলীগ’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আব্দুল হালিম টুটুল’র অফিস কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা আওয়ামীলীগ’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আব্দুল হালিম টুটুল। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন জেলা পরিষদের সদস্যা মাহফুজা সুলতানা রুবি। এসময় শিক্ষক অজয় কুমার দাস, ইউপি সদস্য আনছার বিশ্বাস, আব্দার হোসেন, তালা রিপোর্টার্স ক্লাবের সদস্য সচিব বি.এম. জুলফিকার রায়হান, আওয়ামীলীগ নেতা অলোক বসু, আব্দুল আলীম নিটোল, শেখ জিকো ও আছাদুল মোড়ল প্রমুখ বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে অসুস্থ পবন বিশ্বাসের হাতে ৫ হাজার টাকার চেক তুলেদেন ইউপি সদস্য আনছার আলী বিশ্বাস ও খান শওকাত হোসেন এর হাতে অনুরুপ ৫ হাজার টাকার চেক তুলেদেন আ ’লীগ নেতা অলোক বসু। অনুষ্ঠানে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনি রিপোটার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের ভাইয়ের মৃত্যু

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি রিপোটার্স ক্লাব সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হেসেন ও দপ্তর সম্পাদক এম এম নুর আলমের ভাই দ্বীন ইসলাম মালী ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি …. রাজেউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৫০বছর।
কুল্যা ইউনিয়নের আরার গ্রামের মৃতঃ আঃ গফুর মালীর সেজো পুত্র দ্বীন ইসলাম দীর্ঘদিন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা, খুলনা ও ভারতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বাদ আসর কাদাকাটি আরার ঈদগাহ ময়দানে নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। নামাজে জানাজায় ইমামতি করেন মাওঃ জিয়াউল ইসলাম যুক্তিবাদী। এসময় বক্তব্য রাখেন কুল্যা ইউপি চেয়ারম্যান এস এম রফিকুল ইসলাম, মাওঃ ফরিদ আহমদ আরারী, মাওঃ সাইদুল ইসলাম, হাফেজ আঃ মালেক, এড. জিয়াউর রহমান প্রমুখ। এসময় সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবের সাংগাঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম, আশাশুনি প্রেসক্লাব সভাপতি জি এম মুজিবুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব, আশাশুনি রিপোটার্স ক্লাব সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, ইউপি সদস্য রুহুল আমীন সরদার, আবু হাসান বাবু, আশাশুনি প্রেস ক্লাব, আশাশুনি রিপোটার্স ক্লাব নেতৃবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ইমাম, আলেম, শিক্ষক, গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ১পুত্র ও ১কন্যা সন্তানসহ বহু গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন আশাশুনি রিপোটার্স ক্লাব নেতৃবৃন্দ। বিবৃতি দাতারা হলেন রিপোটার্স ক্লাব সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সিনিয়র সহ সভাপতি আইয়ুব হোসেন রানা, সহ সভাপতি আকাশ হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক মাষ্টার সুব্রত দাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ বাদশা, অর্থ সম্পাদক মইনুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক প্রভাষক মোখলেছুর রহমান ময়না, ক্রীড়া সম্পাদক জি এম আজিজুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য প্রভাষক শেখ হেদায়েতুল ইসলাম, মোঃ আবু ছালেক, বাহবুল হাসনাইন, অধ্যক্ষ আলমিন হোসেন ছট্টু, সাধারন সদস্য উত্তম কুমার দাশ, সত্যরঞ্জন সরকার, সদস্য বাপন মিত্র ও তপন রায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার্থী ৫১২৩

আশাশুনি ব্যুরো: সারাদেশের ন্যায় আশাশুনিতে আজ জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। উপজেলায় মোট ৪৬ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ২৮টি মাদরাসার ৫ হাজার ১ শত ২৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। যার মধ্যে জেএসসি ৩ হাজার ৯ শ’ ৫৩ জন এবং জেডিসি পরীক্ষার্থী ১১৭০ জন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বাকী বিল্লাহ জানান, ৪৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে ৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। যার মধ্যে আশাশুনি কেন্দ্রে ১৪টি স্কুলের ১৩২০ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। এখানে মূল কেন্দ্রে ৪১০ জন ছাত্র ও ২৬৮ জন ছাত্রী এবং ভেন্যু কেন্দ্রে ৩১০ ছাত্র ও ৩৩২ ছাত্রী মোট ১৩২০ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। বুধহাটা কেন্দ্রে ১৪টি স্কুলের ১১২৭ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। যার মধ্যে মূল কেন্দ্রে ৩৬৫ ছাত্র ও ৪০৪ ছাত্রী এবং ভেন্যু কেন্দ্রে ১৮৮ ছাত্র ও ১৭০ ছাত্রী রয়েছে। দরগাহপুর কেন্দ্রে ৬টি স্কুলের ৭২৭ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। যার মধ্যে মূল কেন্দ্রে ১৬১ ছাত্র ও ২২৪ ছাত্রী এবং ভেন্যু কেন্দ্রে ১৬৮ ছাত্র ও ১৭৪ ছাত্রী রয়েছে। বড়দল কেন্দ্রে ১২ টি স্কুলের ৭৭৯ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। যার মধ্যে ৩৫৩ ছাত্র ও ৪২৬ জন ছাত্রী। অপর দিকে জেডিসি পরীক্ষায় ২টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আশাশুনি কেন্দ্রে ২১টি মাদরাসার ৮৬০ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। যার মধ্যে ৩৯৬ ছাত্র ও ৪৬৪ ছাত্রী এবং গুনাকরকাটি কেন্দ্রে ৮টি মাদরাসার ৩১০ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। যার মধ্যে ১৮৮ ছাত্র ও ১২২ জন ছাত্রী। পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকল মুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ব্যাপক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোমরা স্থলবন্দরের সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে গণশুানি অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভোমরা স্থলবন্দরের সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১২টায় কাস্টসম চত্বরে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে সভাপতিত্ব করেন ভোমরা শুল্কু স্টেশনের সহকারী কমিশনার রেজাউল হক। এনবিআর এর নির্দেশনা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত গণশুনানী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা বিভাগীয় সহকারী কশিনার জুয়েল আহমেদ, বন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত এডি খাদেমুল হক, ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্ট’র সহ-সভাপতি শাহানুর ইসলাম শাহীন, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম, কোয়ারেইনটেন্ড এর সেকেন্ড অফিসার আসাদজ্জামান, রাজস্ব কমকর্তা শফিউর রহমানসহ সকল রাজস্ব কর্মকর্তা সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা, ভোমরা সিএন্ডএফ কর্মচারী এসোসিয়েশনের সভাপতি পরিতোষ ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আলম মিলন। ভোমরা কাস্টমস, বন্দর কর্তৃপক্ষ, কোয়ারেইনটেন্ড ও সিএন্ডএফ এজেন্টদের সমন্বয়ে উক্ত গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়।
গণশুনানীতে বক্তারা বলেন, বর্তমানে ভোমরা স্থলবন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন করা জরুরি। ভারত- বাংলাদেশের মাধ্যবর্তী স্থানে একটি ব্রীজ রয়েছে। উক্ত ব্রীজটি সংষ্কারের নাম করেও সংস্কার করা হচ্ছে না। দীর্ঘদিন এটির এক পাশ বিকল অবস্থা রয়েছে। যে কারণে এ বন্দরে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে পাশাপাশি বন্দরে গাড়িও ঢুকছে কম। অবিলম্বে ওই ব্রীজটি সংস্কারের দাবি জানান। এছাড়া ভোমরা বন্দরের চেয়ে অন্যান্য বন্দরগুলোতে সুযোগ সুবিধা বেশী পাওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা ধীরে ধীরে অন্যান্য বন্দরের দিকে ঝুঁকছে। এতে করে ভোমরাবন্দর ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এবিষয়ে সুদৃষ্টি কামনা করেন বক্তারা। এদিকে এ বন্দরে যে সব মালামালের অনুমতি রয়েছে বন্দরের সুুযোগ সুবিধা কম থাকার কারণে সে সব মালামাল ঢুকছে না। যেহেতু পেঁয়াজ শুল্কমুক্ত পণ্য সে কারণে ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজের গাড়ি স্কেল না করে সরাসরি ওয়্যার হাউজে প্রবেশের দাবিসহ বন্দরের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এসময় আগত কর্মকর্তারা তাদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস প্রদান করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাসদের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরায় মশাল মিছিল

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : জাতীয় সমাজ তান্ত্রিক দল- জাসদের ৪৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা পোষ্ট অফিসের মোড় থেকে মিছিল শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সাতক্ষীরা নিউমার্কেট চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। জেলা জাসদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রিয়াজের সুচনা বক্তব্যের মাধ্যদিয়ে মিছিলের যাত্রা শুরু হয়। কেন্দ্রিয় কমিটির সহ-সম্পাদক শেখ ওবায়েদুস সুলতান বাবলুর নেতৃত্বে বিভিন্ন শ্লোগানের মাধ্যমে মিছিলটি আলাউদ্দীন চত্বরে গিয়ে একটি সমাবেশে মিলিত হয়। জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন লস্কর শেলীর পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা কমিটির সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, সহ-সম্পাদক বিশ্বাস আবুল কাসেম, তালা উপজেলা জাসদের সহ-সভাপতি শেখ জাকির হোসেন, জাতীয় কৃষক জোট কেন্দ্রিয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ কামাল, জাতীয় নারী জোটের সভাপতি পাপিয়া আহম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস বিনা, জাতীয় যুব জোটের সাধারণ সম্পাদক মিলন ঘোষাল, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জাসদের অনুপম কুমার অনুপ প্রমুখ। সমাবেশে বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ একটি সুশৃঙ্খল দল হিসাবে পরিচিত। দেশ থেকে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ দূর করতে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। আগামী জাতীয় নির্বাচন যাতে বানচাল না হয় সেজন্য আমাদেরকে সোচ্চার হতে হবে। দুর্নীতি ও বৈষম্যের অবসান, সুশাসন ও সমাজতন্ত্রের পথে এগিয়ে আসার আহবান জানান বক্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সবুজ জলবায়ু তহবিলের অনুমোদিত প্রকল্পে অর্থ ছাড়ে বিলম্বে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর উদ্বেগ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সবুজ জলবায়ু তহবিলের অনুমোদিত প্রকল্পে অর্থ ছাড়করণে বিলম্ব হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর উদ্বেগ শীর্ষক পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে একসাথে’ স্লোগানকে সামনে রেখে ৩১ অক্টোবর ২০১৭ মঙ্গলবার সাতক্ষীরা পৌরসভা ও সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) যৌথভাবে এ সভার আয়োজন করে।
সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেরিনা আক্তার, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।
এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন, সনাক’র জলবায়ু বিষয়ক উপ-কমিটির আহবায়ক ও প্রথম আলো’র নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জী, জেলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক আনিছুর রহিম, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডিভিশন-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী এ বি এম মোমিনুল হক, সনাক সদস্য প্রফেসর আব্দুল হামিদ, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন, রেড ক্রিসেন্ট সাতক্ষীরা ইউনিটের সেক্রেটারী শেখ নুরুল হক, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এর কমান্ডার মো. হাসানুল ইসলাম, টিআইবি’র প্রোগ্রাম ম্যানেজার রাজেশ অধিকারী, সুশীলনের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মনিরুজ্জামান মনির প্রমুখ। সভায় ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর পক্ষে সবুজ জলবায়ু তহবিলের অর্থ ছাড়করণ বিষয়ে টিআইবি কর্তৃক ইতিবাচক এডভোকেসি কার্যক্রম গ্রহণের জন্য সহযোগিতা কামনা করে টিআইবি নির্বাহী পরিচালক বরাবরে প্রেরণের লক্ষ্যে নাগরিকগণ একটি আবেদপত্রে স্বাক্ষর প্রদান করেন।
সভায় সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংগঠনের প্রতিনিধি সহ উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডিভিশন-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী অপূর্ব কুমার ভৌমিক, সনাক সহ-সভাপতি মো. তৈয়েব হাসান, সনাক সদস্য ড. দিলারা বেগম, প্রভাষক মোমেনা খানম, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, পৌর কাউন্সিলর শফিক উদ দৌলা সাগর, ফারহা দিবা খান সাথী, অনিমা রানী, এ করিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসরিন খান লিপি, গাভা আইডিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ শিব পদ গাইন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সাতক্ষীরা শাখার সাধারণ সম্পাদক জোৎন্সা দত্ত, বাংলাদেশ ভিশন এর নির্বাহী পরিচালক অপরেশ পাল, বরসা’র সহকারী পরিচালক নাজমুল আলম মুন্না প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন টিআইবি’র এরিয়া ম্যানেজার আবুল ফজল মো. আহাদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নতুন মোড়কে পুরনো বোর্ড

২৫ জন পরিচালকের ২৩ জনই আগের। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে বুধবার বিকেল নাগাদ সভাপতি হিসেবেও আগের নাজমুল হাসান পাপনের নামই ঘোষিত হবে।

২০১৩ থেকে ২০১৭ সালের ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে নাজমুল হাসানের নেতৃত্বাধীন কমিটি। ৩১ অক্টোবর যে নির্বাচন হল, সেখানে বিজয়ীদের প্রায় সবাই বোর্ড সভাপতি হিসেবে নাজমুল হাসানকেই চাইছেন। সভাপতি হিসেবে নাইমুর রহমান দুর্জয়ের নাম টুকটাক উচ্চারিত হলেও নির্বাচনের দিন তিনি পরিষ্কার করে বলেছেন, ওই পদে বসার কোনো ইচ্ছা তার নেই।

এদিন নাজমুল হাসানের কথাও তার ফিরে আসার ইঙ্গিত পাওয়া গেল, ‘এখন যেহেতু আমাদের পরিচালক নির্বাচন হয়ে গেছে, কালকে আমরা সভাপতি নির্বাচনে বসব। এখন পর্যন্ত আগের অবস্থানই আছে। প্রত্যেক পরিচালক আমার কাছে একটাই দাবি জানিয়েছে, আমাকে সভাপতি হিসেবে চায়। এখন পর্যন্ত সেভাবেই আছে।’

এই কথা বলার পর সভাপতি হিসেবে একপ্রকার নিজেকে ঘোষণাই করে দেন তিনি, ‘যদি সভাপতি প্রার্থী না থাকে তাহলে নির্বাচন হবে না। যেহেতু কোনও প্রার্থী নেই সেহেতু আমিই আবার হচ্ছি।’

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নাজমুল হাসান পাপনসহ ২২ জন পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় ঢাকা এবং বরিশাল বিভাগের নির্বাচনের অপেক্ষা ছিল মঙ্গলবার। ঢাকার দুটি পদে নির্বাচিত হন নাইমুর রহমান দুর্জয় ও সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম। বোর্ড পরিচালক হিসেবে নতুন মেয়াদে দুই নতুনের একজন কিশোরগঞ্জ জেলার কাউন্সিলর আশফাকুল।

অপেক্ষা ছিল বরিশাল বিভাগ নিয়ে। সেখানে নাজমুল হাসান পাপনের প্যানেলের প্রার্থী এম এ আওয়াল ভুলুকে হারিয়ে দিয়েছেন আলমগীর খান আলো। তিনিও নতুন বোর্ড পরিচালকদের একজন।

আলোর কাছে ভুলুর হার প্রসঙ্গে নাজমুল বলেন, ‘আমি ভোটারদের নির্দিষ্ট কাউকে ভোট দিতে বলিনি। গতবার আমাদের সঙ্গে ভুলু ছিল, সে আসতে পারেনি। আমরা তাকে অনেক মিস করবো। সে আসলে ভালো হতো। নতুন যিনি এসেছেন, তিনি অনেক অভিজ্ঞ। তার এতো বছরের অভিজ্ঞতা আমাদের কাজে দেবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শক্তিশালী তাজিকিস্তানকে রুখে দিল বাংলাদেশ

ম্যাচের আগের দিন সম্মান জানিয়ে তাজিকিস্তান কোচ মুবিন আরগাসেভ বলেছিলেন, ‘কেবল বাংলাদেশই পারে তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তানকে রুখে দিতে।’ স্বাগতিক কোচের কথাকে শেষ পর্যন্ত সত্যি প্রমাণিত করে ছাড়লেন মাহবুব হোসেন রক্সির শিষ্যরা।

মঙ্গলবার এএফসি অনূর্ধ্ব-১৯ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের বিপক্ষে ঘরের মাঠে গোলশূন্য ড্র করেই খুশি থাকতে হচ্ছে শক্তিশালী তাজিকিস্তানকে।

টুর্নামেন্টের গ্রুপ ‘বি’তে অংশ নেওয়া তিন দক্ষিণ এশিয়ান দলের মধ্যে বাংলাদেশকেই বেশি আমলে নিয়েছিল স্বাগতিক তাজিকিস্তান। সাফ অনূর্ধ্ব-১৮ চ্যাম্পিয়নশিপে রানার্সআপ হওয়ায় লাল-সবুজদের প্রতি সমীহই ছিল স্বাগতিক কোচের।

আগামী ২ নভেম্বর মালদ্বীপের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। সাফে দ্বীপ রাষ্ট্রটিকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল শক্তিশালী তাজিকিস্তানকে রুখে দিল বাংলাদেশ বাংলাদেশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest