সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনΜια βραδιά φωτός και ήχου στα ψηφιακά σαλόνια

পাটকেলঘাটা বড়বিলা খালে মাছের পোনা অবমুক্ত

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ইউনিটের আওতায় বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা উন্নয়ন প্রচেষ্টার উদ্যোগে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় পাটকেলঘাটার বড়বিলা খালে মাছের পোনা অবমুক্ত করন কর্মসুচির উদ্বোধন করেন তালা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার। এ উপলক্ষে আলোচনা সভা সংস্থার পরিচালক শেখ ইয়াকুব আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন তালা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সরুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান, উন্নয়ন প্রচেষ্টার মৎস্য কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির, পিকেএস এফ এর সমন্ময়কারী আব্দুল হাকিম, সমন্ময়কারী আবুল বাশার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এস এম মুজিবুর রহমান, সমন্ময়কারী গোলাম আযম, এরিয়া ব্যবস্থাপক আবুল কাশেম, হুমায়ুন কবীর(পিসি), কৃষি সংগঠক নয়ন হোসেন, পাটকেলঘাটা শাখা ব্যবস্থাপক সিদ্দিকুর রহমানসহ সকল ইউপি সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে বড়বিলা খালে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাদাকাটিতে চারদলীয় নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্টে চাঁদপুর জয়ী

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি যুব মজলিস ফুটবল মাঠে শুক্রবার বিকাল ৫টায় চারদলীয় নকআউট ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কাদাকাটি যুব মজলিস এর আয়োজনে হাজার হাজার ফুটবল প্রেমিক দর্শক দৃষ্টিনন্দন উত্তেজনাপূর্ণ খেলাটি উপভোগ করেন। খেলায় সদর উপজেলার ভালুকা চাঁদপুর যুব সংঘ ও আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইয়াং স্টার মুসলিম ক্লাব জোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। উত্তেজনাপূর্ণ খেলায় ২-০ গোলের ব্যবধানে শ্রীউলা ইয়াং স্টার মুসলিম ক্লাবকে পরাজিত করে ভালুকা চাঁদপুর যুব সংঘ চ্যাম্পিয়ান হওয়ার গৌরব অর্জন করে। খেলাশেষে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কাদাকাটি যুব মজলিস সভাপতি মহাসিন আলী বকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক দেবাশীষ সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মিজানুর রহমান, আশাশুনি উপজেলা আ’লীগ সাংগাঠনিক সম্পাদক বিমালকৃষ্ণ গাইন, ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতি আলহাজ্ব ডাঃ গ্ওাছুল হক, অবঃপ্রাপ্ত শিক্ষক রজব আলী, ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম পান্না, আবু হাসান বাবু,অমৃত কুমার সানা, হরে কৃষ্ণ মন্ডল, চিংড়ী ব্যবসায়ী সাইদুর রেজা, সাবেক ইউপি সদস্য আলহাজ¦ নূরুল ইসলাম মালী, সমাজ সেবক আবুল কালম প্রমুখ। খেলা পরিচালনা করেন মোঃ আবুল বাশার। সহকারি পরিচালনায় ছিলেন আনিছুর রহমান ও বরুন সানা। খেলাটির সার্বিক তত্বাবধায়নে ছিলেন কাদাকাটি যুব মজলিসের সকল সদস্যবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেয়র আনিসুলের অবস্থার উন্নতি; কৃত্রিম শ্বাসযন্ত্র খুলে নেয়া হয়েছে

ন্যাশনাল ডেস্ক : লন্ডনের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউতে) থাকা ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হকের কৃত্রিম শ্বাসযন্ত্র খুলে নেয়া হয়েছে। তিনি এখন নিজে থেকেই শ্বাস নিতে পারছেন।
মেয়র আনিসুল হকের ঘনিষ্টজন বলে পরিচিত আব্দুন নূর তুষার জানান, কিছুদিন ধরে মেয়র নিজে থেকেই শ্বাস নিচ্ছেন। তবে তাকে এখনও নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, মেয়রকে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হলেও ঘুমে ওষুধের মাত্রা কমিয়েছেন চিকিৎসকরা। নিজ থেকে স্বাভাবিকভাবে ঘুম থেকে পুরোপুরি জেগে ওঠার পর তার শরীরে রোগটি কতখানি প্রভাব ফেলেছে, সে ব্যাপারে জানতে পারবেন চিকিৎসক। সেভাবে তাকে পরবর্তী চিকিৎসা দেওয়া হবে।
গত ২৯ জুলাই ব্যক্তিগত সফরে সপরিবার লন্ডন যান আনিসুল হক। সেখানে চিকিৎসা চলার মধ্যেই ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে তাকে লন্ডনের একটি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। মেয়রের ব্যক্তিগত সচিব মিজানুর রহমান জানান, মেয়রের এই অসুস্থতার বিষয়টি বাংলাদেশে ধরা না পড়লেও তিনি প্রায় দুই মাস যাবত একাধিক শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঝাউডাঙ্গায় মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি : মুক্তিযোদ্ধরা এ দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান। বিগত জামায়াত বিএনপি জোট সরকারের আমলে এই শ্রেষ্ঠ সন্তানদের মূল্যায়ন করেনি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের মূল্যায়ন করায় দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিয়নে আজ মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদেরও সরকার মূল্যায়ন করছে। জঙ্গি ও সন্ত্রাসমুক্ত উন্নত এক সোনার বাংলা গড়তে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সর্বস্তরে ছড়িয়ে দিতে হবে। গড়ে তুলতে হবে আগামীর এক সুন্দর বাংলাদেশ। এজন্য মানবতা বিরোধী জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের সামাজিকভাবে বয়কট করে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান বক্তারা।
শুক্রবার বিকাল ৪টায় সদর উপজেলা ১১নং ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের কমিটি গঠন উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হাসানুল ইসলাম। আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সদস্য সচিব লায়লা পারভীন সেঁজুতি, সদর উপজেলা মুক্তযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের আহবায়ক সাইফুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সদর উপজেলা শাখার সদস্য সচিব জোছনা আরা, রিয়াজুল ইসলাম, নাসির উদ্দিন, মো. মামুন, সেহেলী ফেরদৌস, আনোয়ার হোসেন ও সেলিমুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমান, ডা. আবুল হোসেন, ফজর আলী, রফিকুল ইসলাম, অতুল সরকার, আব্দুল মোমেন। আলোচনা সভা শেষে সভার ৭ সদস্য বিশিষ্ট ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের কমিটি গঠন করা হয়। এতে আব্দুল খালেক সভাপতি, হুমায়ন কবির লিটু সাধারণ সম্পাদক নিবার্চিত হয়। এছাড়া সহ-সভাপতি পদে সরোয়ার হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দেলোয়ার হোসেন, কোষাধ্যক্ষ পদে আবুল কালাম আজাদ ও কার্যকারী সদস্য হিসেবে অজিত কুমার মন্ডল ও আব্দুর রাজ্জাক নির্বাচিত হন। মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের কমিটি গঠনে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শেখ মতিয়ার রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় নারীসহ আ ‘লীগ নেতা গ্রামবাসীর হাতে আটক

 

নিজন্ব প্রতিবেদক : অসামাজিক কার্যকালাপের অভিযোগে সাতক্ষীরার তালায় গ্রামবাসির হাতে আটক হয়েছে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি। সংবাদ পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে।

শুক্রবার (২২সেপ্টেম্বার) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তালা উপজেলার জালালপুর ইউনিয়ের কৃষ্ণকাটী গ্রামে এঘটনা ঘটে।

আটককৃত ব্যক্তির নাম মো: সাইফুল গাজী (৪২)। তিনি কৃষ্ণকাটী গ্রামের মকবুল গাজীর ছেলে ও জালালপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি।

গ্রামবাসীর ভাষ্যমতে, দীর্ঘদিন ধরে কৃষ্ণকাটী গ্রামের আব্দুল মালেকের স্ত্রীর সাথে মকবুল গাজীর ছেলের সাইফুল গাজীর অবৈধপ্রেমের সম্পর্ক চলছিল।

অবৈধ সম্পর্কের জেরধরে শুক্রবার সন্ধ্যায় সাইফুল গাজী মালেকের বাড়িতে অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকায় স্থানিয় গ্রামবাসির হাতে ধরা পড়ে। পরে এলাকাবাসী থানা পুলিশকে খবর দিলে তাদের দুইজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

তালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান হাফিজুর রহমান ঘটনা সত্যতা স্বীকার করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিয়ে করতে গিয়ে ওমান ও কাতারের শেখরা কারাগারে

ভারতের হায়দ্রাবাদ শহরের পুলিশ ওমান ও কাতারের আট জন শেখ ও তিন জন কাজি সহ মোট ২০ জনকে গ্রেপ্তার করার পরে শিশু বিবাহের একটি বড় চক্র ধরা পড়েছে।

পুলিশ বলছে, প্রায় এক মাস ধরে নজরদারি আর তথ্য প্রমাণ যোগাড় করে তারা এই চক্রটিকে গ্রেপ্তার করে। ভারতে এসে শিশু কন্যাদের বিয়ে করে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন ওমান ও কাতারের শেখরা।

হায়দ্রাবাদের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার ভি সত্যানারায়না বলছেন, “কমবয়সী মেয়েদের বিয়ে দেওয়া হতো জাল নিকাহনামা তৈরি করে। তারপরে বিভিন্ন আরব দেশে নিয়ে গিয়ে এই মেয়েদের ৯৯ শতাংশকেই যৌন দাসী হিসাবে ব্যবহার করা হতো। বাকি কয়েকজনকে ঘরের কাজে লাগানো হত।”

জাল নিকাহনামা তৈরি ও চুক্তি বিবাহ প্রথা নামের এই কাজে সাহায্য করত এমন তিনজন কাজিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ বলছে, ওমান ও কাতারের যে শেখরা ধরা পড়েছে, তাদের মধ্যে এক ৮০ বছর বয়সী ব্যক্তিও আছেন, যিনি লাঠিতে ভর দিয়ে হাঁটেন।

ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে তিনি কম বয়সী ভারতীয় কোনও মেয়েকে বিয়ে করে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদে সে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে যে তিন সপ্তাহের জন্য বিয়ে করে নিজের দেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার।

চন্দ্রায়নগুট্টা এলাকার একটি গেস্ট হাউসে পুলিশ যখন তল্লাশি চালায়, সেই সময়ে ৭০ বছর বয়সী এক ওমানি নাগরিকের সঙ্গে ১৫ বছর বয়সী একটি মেয়ের বিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল।

সত্যনারায়নার কথায়, “কয়েকটি সূত্র থেকে আমরা খবর পেয়েছিলাম যে এরকম একটা চক্র চলছে। গত মাসে একটি মেয়েকে উদ্ধার করার পরে আমরা তদন্তে নেমেছি। বিমানবন্দর দিয়ে আরব দেশগুলির যত নাগরিক – বিশেষত শেখরা শহরে ঢুকেছেন, প্রত্যেকের ওপরে নজর রাখা হচ্ছিল। এরা পুরনো হায়দ্রাবাদের মুসলমান প্রধান এলাকাগুলোর নানা হোটেল বা লজে ওঠেন। তারপরে দালালের মাধ্যমে এই নকল বিয়ের কাজ সম্পন্ন হয়।”

দালাল চক্র ছড়িয়ে আছে বিভিন্ন আরব দেশেও। তাদের মাধ্যমেই প্রথম কথাবার্তা চালায় ওই শেখরা। তারপরে নিজেরা ভারতে এসে মেয়ে পছন্দ করে নিয়ে যায়। হায়দ্রাবাদ শহরে এরকম ৩৫ জন দালালকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ২৫ জনই নারী।

বেশ কয়েকটি হোটেল ও লজে তল্লাশি চালাতে যখন পুলিশ পৌঁছে, সে সময়ে দালালদের নিয়ে আসা মেয়েদের বাছাই করার কাজ হচ্ছিল।

ধৃত আরব শেখরা গত এক সপ্তাহে ১২ টি কমবয়সী মেয়েকে পছন্দ করেছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। এখনও শহর জুড়ে তল্লাসি অভিযান চালাচ্ছে হায়দ্রাবাদ পুলিশের তিনটি দল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোমরায় চেয়ারম্যান ইসরাইল গাজীর নেতৃত্বে অফিস ভাংচুর ও বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি তছনছের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভোমরাস্থল বন্দর মটর সাইকেল চালক সমিতির অফিস ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে ভোমরা ইউপি চেয়ারম্যান ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে। শুক্রবার সকাল ১১টায় ভোমরাস্থল বন্দরে এঘটনা ঘটে।
এঘটনায় মটর সাইকেল চালক সমিতির সভাপতি জাকির হোসেন বাদী হয়ে ওই দিন বিকালে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভোমরাস্থল বন্দর মটর সাইকেল চালক একটি অফিস রয়েছে কাস্টমসের পাশে। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সকাল ১১টায় ভোমরা ইউপি চেয়ারম্যান ইসরাঈল গাজী ও তার পোষ্য বাহিনীর সদস্য বৈচনা গ্রামের রজব আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম, গয়েশপুর গ্রামের কিনু সরদারের ছেলে সোহরাব হোসেন, শ্রীরামপুর গ্রামের মুধ’র ছেলে মন্টু, ভোমরা’র আকবর গাজীর ছেলে এরশাদ আলী, জিয়াদ আলীর ছেলে সুমন হোসেন,লহ্মদাড়ী গ্রামের মীর আলীর মুনসুর আলী, নবাতকাটি গ্রামের সুমন কলু, চৌবাড়িয়া গ্রামের আসমাতুল্লাহ’র সিরাজুল ইসলাম, ও লহ্মীদাড়ী গ্রামের কেনা’র ছেলে খোকাসহ ১৫/১৬ জন দেশীয় অস্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে উক্ত মটরসাইকেল চালক সমিতির ভাংচুর শুরু করে। এসময় তাদের বাধা দিতে গেলে তারা মটরসাইকেল চালক লহ্মদাড়ী গ্রামের মোমিনের ছেলে বাবুর আলী, আনারুল মোল্যার ছেলে তুহিন হোসেন, গয়েশপুর গ্রামের রাজ্জাক মোড়লের ছেলে রকিবকে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।

এদিকে অফিস ভাংচুরের সময় ইসরাঈল চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে অফিসে থাকা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জননেত্রী শেখ হাসিনা ও শীর্ষ পর্যায়ের আ’লীগ নেতাকর্মীদের ছবিও ভাংচুর করে তারা। এসময় তারা বলে ভোমরা জামায়াত-বিএনপির ঘাটি। এখানে আ’লীগের কোন অফিস থাকবে না। অফিস করার চেষ্টা করলে আবারো হামলা চালিয়ে ভেঙে গুড়িয়ে দেবো। এছাড়া মটরসাইকেল চালকদের জীবন নাশের হুমকি প্রদর্শন করে চলে যায় তারা।

উল্লেখ্য, ইউপি চেয়ারম্যান ইসরাঈল বিগত দিনে জামায়াতের সহযোগি ছিলো এবং অর্থ দাতা হিসাবে পরিচিত। তার এ জামায়াতের গন্ধ মুছতে তিনি সম্প্রতি জেলা জাতীয় পার্টির গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হয়েছে বলে জানিয়েছেন শ্রমিক নেতৃবৃন্দ।
অন্যদিকে অফিস ভাংচুরের সময় বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রী ছবি ভাংচুর করায় ইউপি চেয়ারম্যান সহ দোষীদের দ্রষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন শ্রমিক নেতৃবৃন্দ।

এঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান ইসরাঈল গাজী বলেন আমি কোন অফিস ভাংচুর করিনি। মূলত ঘটনা হলো ওই গালিতে একজন ব্যক্তি দূর্ঘটনা কবলিত হয়ে ৩টি আঙ্গুল কেটে যায়। স্থানীয় মটরসাইকেলদের ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য বার বার অনুরোধ করলেও তারা নিয়ে যায়নি। যে কারণে স্থানীয় জনগন ক্ষিপ্ত ভাংচুর করেছে। এছাড়া ওই জমি সরকারি দখল অফিস করার কারনে এ দুর্ঘটনা ঘটছে। আর ওই ছবিগুলো সভাপতি জাকির নিজেই ভেঙেছে।
এঘটনায় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মারুফ আহম্মেদ বলেন, আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি। ইতোমধ্যে থানা থেকে তদন্তে গেছেন কয়েকজন কর্মকর্তা। তারা ফিরে আসলে তারপর তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী মামলা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পৌর ৬ নং ওয়ার্ডে আ ’লীগের আঞ্চলিক কমিটি গঠন ও কর্মী সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : শুক্রবার বিকালে সাতক্ষীরা পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড কুখরালী আমতলার মোড়ে আওয়ামীলীগের আঞ্চলিক কমিটি গঠন উপলক্ষে কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নজরল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, পৌর আওয়মীলীগের সভাপতি, মোঃ আবু সায়ীদ, যুগ্ন- সাধারণ সম্পাদক রাসেদুজামান রাশি, ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ শহিদুল ইসলাম এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি বাবু নারান চন্দ্র মন্ডল, সাধারন সম্পাদক সৈয়দ রাফিনুর আলী, আবুল হোসেন, আবু ছালেক ভুট্টো আব্দুস সালম, আবুল কালাম, আব্দর গফফার প্রমুখ এ সময় রবীন সরকারকে সভাপতি, মোঃ নুর মনোয়ার হোসেন সাধারন সম্পাদক ও শহিদুল ইসলামকে সাংঙ্গঠানিক সম্পাদক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আঞ্চলিক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। এসময় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম,বলেন প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করতে আগামী নির্বাচনে সকল নেতা কর্মী একসাথে মাঠে নৌকার পক্ষে কাজ করতে হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রবীন সরকার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest