সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিংচ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!সুনামগঞ্জ ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭সাতক্ষীরা জেলা ধারাভাষ্যকার অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতাদেবহাটা থানার নতুন ওসি আব্দুল আলিমের দায়িত্ব গ্রহণবস্তুনিষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের কারনেই দেশের শীর্ষ গণমাধ্যম সময় টিভিশ্যামনগরে কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা, জলবায়ু ন্যায্যতা ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালাসাংবাদিক জিন্নাহর উপর হামলাকারী মামুনকে কারাগারে পাঠালো আদালত

কালিগঞ্জে বাল্য বিবাহ নিরোধ দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জে বাল্য বিবাহ নিরোধ দিবস উপলক্ষ্যে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। সাতক্ষীরা উন্নয়ন সংস্থা সিড্স প্রকল্প ও মিশন মহিলা সংস্থার সহযোগিতায় নির্বাহী কর্মকর্তা সম্মেলন কক্ষে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা এমএ নাহারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান। প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চু‘র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ল্ড ভিশন নবযাত্রা প্রকল্পের উপজেলা কো-অডিনেটর আশীষ কুমার হালদার, বে-সরকারী উন্নয়ন সংস্থা সার্স এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার ওবায়দুল হক, সুশীলনের উপজেলা কো-অডিনেটর হাবিবুর রহমান, কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু, সহ-সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, কালিগঞ্জ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ইসমাইল হোসেন, পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী জামিলা খাতুন, কিশোরী ক্লাবের সদস্য পান্না নাহার প্রমুখ। এসময় নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, নারীদের সকল ক্ষেত্রে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সর্ব প্রথম বেগম রোকেয়া কাজ শুরু করেছিলেন। শুধু স্বাধীনতা অর্জন করলে হবে না সেটাকে ধরে রাখতে হবে। কালিগঞ্জ উপজেলাকে ২০১৪ সালের ২৩ মার্চ বাল্য বিয়ে মুক্ত ঘোষনা করা হয়। বাল্য বিয়ে দেওয়ার কারণে কিছু কিছু যায়গায় বিয়ের আসরে প্রশাসনের কর্মকর্তারা হানা দিয়েছে। কারো কারো জেল জরিমানা করা হয়েছে। দেশে প্রথম বারের মত ১২ অক্টোবর বাল্য বিবাহ নিরোধ দিবস পালিত হচ্ছে। এফিডেভিটের মাধ্যমে বয়স বাড়িয়ে ছেলে মেয়েদের বিয়ে দেওয়ার আইনগত কোন বৈধ্যতা নেই। এ বিষয়ে অভিভাবকসহ সকল মহলকে সচেতন হতে হবে। অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক, এনজিও প্রতিনিধি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাছখোলা ব্রিজের দু’ধারে গাছের চারা রোপণে অনিয়মের অভিযোগ !

নিজস্ব প্রতিবেদক : মাছখোলা ব্রিজের দু’ধারে গাছের চারা রোপণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এলাকাবাসী জানান, সদ্য সমাপ্ত মাছখোলা ব্রিজে দু’ধার সংরক্ষণের জন্য টেন্ডার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সে অনুযায়ী টেন্ডার মাধ্যমে উক্ত চারা রোপণের কাজটি পান মাছখোলা এলাকার নূরুল ইসলাম ও আব্দুল হামিদ। কিন্তু চারা রোপনে নূরুল হামিদ কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা করছেন না। সিডউল অনুযায়ী ব্রিজের দু’ধারের ১ কিলোমিটারের মধ্যে ১৪’শ চারা রোপনে কথা রয়েছে। কিন্তু দু’ধারে চারা রোপন করা হয়েছে ৪ থেকে ৫শ টি। চারা ক্রয়ের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে চারা প্রতি ৪৬০ টাকা। কিন্তু যে সব গাছের চারা সেখানে রোপন করা হয়েছে তার মূল্য ১৫ থেকে ২০ টাকা। মাঝে মাঝে গাছের ডালপুতেও চারা হিসাবে চালিয়ে দিয়েছেন তারা। এছাড়া গাছের জন্য বাঁশের চাটাই দিয়ে যে খাচা তৈরি করার কথা ছিলো তাও দেওয়া হয়েছে কম মূল্যের। যে কারণে ব্রিজের ধারে রোপন করা চারাগুলোর একটি বেঁচে নেই। তারা বন বিভাগের কর্মকর্তা ও থানা ইঞ্জিনিয়ারকে ম্যানেজ করে এধরনের কাজ করেছেন বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
ঠিকাদার নুরুল ইসলামের কাছে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন এটি (সিও) বনবিভাগের কর্মকর্তার সাথে কথা বলেন। তিনি বিস্তারিত জানেন।
উল্লেখ্য, উক্ত ঠিকাদার ব্রিজের দু’ধারে নিম্নমানের ইট দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করে। স্থানীয়রা এর প্রতিবাদ করলে ইট উত্তোলন করে পুনরায় সংস্কার করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় মরা ছাগলের মাংস বিক্রয়ের অপরাধে ব্যবসায়ীকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়ায় মরা ছাগলের মাংস বিক্রয়ের অপরাধে এক মাংস ব্যবসায়ীকে ১হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
জানা গেছে- বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতাল রোডের মাংস ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন তার দোকানে দু’টি মরা ছাগল নিয়ে রাখে। পরে ওই ছাগলের মধ্যে একটি ছাগল কেটে তা বাজারে বিক্রয় করার সময় স্থানীয় জনতা আটক করে পৌরসভায় খবর দেয়।
পরে পৌরসভার সেনেটারী ইন্সপেক্টর সুরেন্দ্র শেখর সাহা কাজল ওই মাংস জব্দ করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে খবর দেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনিরা পারভীন তাৎক্ষনিক ওই স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে অভিযুক্ত ১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
অভিযুক্ত মাংস ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন পৌরসদরের তুলশীডাঙ্গা গ্রামের মৃত আ. মান্নান সরদারের ছেলে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নাশকতার পরিকল্পনাকালে সাতক্ষীরা সিটি কলেজের শিক্ষকসহ ৭ জামায়ত নেতা-কর্মী গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক : নাশকতা সৃষ্টির পরিকল্পনাকালে সাতক্ষীরা সিটি কলেজের শিক্ষক ও জামাত নেতা প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলম বাপ্পীসহ সাতজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোলের চৌরঙ্গী মোড় এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত জাহাঙ্গীর আলম খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার কালনা গ্রামের আবুল বাসারের ছেলে। তিনি বর্তমানে সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল চৌরঙ্গী এলাকায় বসাবাস করেন। তিনি সাতক্ষীরা সিটি কলেজের দর্শণ বিভাগের প্রভাষক।
গ্রেফতারকৃত অন্যান্য আসামিরা হলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আগরদাঁড়ি গ্রামের আব্বাসউদ্দিনের ছেলে আকরামুজ্জামান (৫৫), একই গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে মাসুম বিল্লাহ (২৪), একই উপজেলার আমতলা বল্লী গ্রামের হায়দার আলীর ছেলে মিজানুর রহমান পিকলু (৪৫), বালিয়াডাঙা গ্রামের পরান সরদারের ছেলে আবু তালেব সরদার (৫৩), ওয়ারিয়া গ্রামের বাবর আলী শেখের ছেলে আলতাফ হোসেন (৪০) ও শহরের রসুলপুরের আইয়ুব আলী গাজীর ছেলে সোহরাব হোসেন (৪০)।
এদিকে পুলিশ জাহাঙ্গীর আলম বাপ্পিকে গ্রেফতারের পর তার ঘনিষ্ঠ কলেজ প্রশাসন ও সরকারদলীয় নেতাদের একটি চক্র কলেজের জামায়াতপন্থী কয়েকজন শিক্ষককে দিনভর দৌড়ঝাঁপ করতে দেখা যায়।
সাতক্ষীরা সদর থানার উপ-পরিদর্শক হাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, জামায়াত বৃহষ্পতিবার দেশব্যাপী হরতাল ডাকে। এরই অংশ হিসেবে বুধবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে শহরের পলাশপোল চৌরঙ্গী এলাকায় বিশেষ টহল দিচ্ছিল পুলিশ। এ সময় ওই এলাকায় হরতাল উপলক্ষ্যে নাশকতা সৃষ্টির পকিল্পনা করছিল জামায়াত শিবিরের লোকজন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর সময় সিটি কলেজের প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলম বাপ্পিসহ(৪০) সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়।
এদিকে স্থানীয় একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, জাহাঙ্গীর আলম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনার সময় ছাত্র শিবিরের নেতৃত্ব দিতেন। ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে জামায়াত শিবিরের নাশকতার সময় আইএফআই ব্যাংকে তার নিজ হিসাব নম্বর দলীয় টাকা জমা ও খরচ করার জন্য ব্যবহার করা হতো। যুদ্ধাপরাধ মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলায় কারাগারে আটক জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুল খালেকের সুপারিশে তিনি সিটি কলেজের প্রভাষক পদে নিয়োগ পান। এরপর থেকে তিনি নিজেকে কৌশলে আড়ালে রেখে জামায়াতের কর্মকা-কে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মারুফ আহম্মেদ জানান, এ ঘটনায় উপপরিদর্শক হাফিজুর রহমান বাদি হয়ে বৃহষ্পতিবার থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ৩১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। বৃহষ্পতিবার সন্ধ্যায় তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে বিধবাকে ধর্ষণ ও মারপিটে মৃত্যুর অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি : কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলা গ্রামে চাচিকে ভাতিজা মারধর ও ধর্ষণ করায় মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার সময় আনোয়ারা বেগম (৪৫) নামের এক বিধবার মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে তার পরিবারের পক্ষ থেকে। এ ঘটনায় নির্যাতন ও ধর্ষণের শিকার আনোয়ারা মৃত্যুর আগে ২৪শে সেপ্টেম্বর নির্যাতন ও ধর্ষণের অভিযোগ দিয়ে ভাতিজা আব্দুর রহমানসহ ৫ জনরে বিরুদ্ধে র‌্যাব-৬ খুলনাতে একটি অভিযোগ করেন বলে জানা যায়। তিনি শ্যামনগর উপজেলার ইশ্বরীপুর ইউনিয়নের আবাদ চন্ডিপুর গ্রামের মৃত মোহম্মাদ আলী গাজীর মেয়ে ও কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলা ইউনিয়নের কাছারিপাড়া গ্রামের মৃত হাফিজুর মুন্সীর স্ত্রী। র‌্যাবের কাছে দেয়া অভিযোগের কপি ও বিধবার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মৌতলা গ্রামের হাফিজুর মুন্সীর সাথে আনায়ারা বেগমের ২য় বিয়ে হয়। ৫ বছর আগে আনোয়ারাকে নিঃসন্তান রেখে তার স্বামী মারা যায়। স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে ঢাকায় বসবাসরত তার ছোট দেবরের মৌতলায় অবস্থিত বাড়িতে বসবাস করত সে। কয়েক মাস আগে তার ছোট দেবরের ছেলে আব্দুর রহমান (৩৫) ব্যবসার কাজে মৌতলয় তাদের বাড়িতে অবস্থান করছিল। এসময় তার অসহায় চাচি আনোয়ারাকে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিত সে কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বিভিন্ন সময় তাকে শারিরীক ভাবে নির্যাতন করত সে। ২৪ শে সেক্টেম্বর বাড়িতে কেউ না থাকার সুবাদে রহমান চাচিকে একা পেয়ে রুমের দরজা বন্ধ করে দেয় এবং তাকে ধর্ষণ করার চেষ্টা চালায় সে চিৎকার করলে বেধরক মারপিট করে এসময় জ্ঞান হারিয়ে ফেলে আনোয়ারা। এসময় রহমান ও তার খালাত ভাই ফারুক হোসেন তাকে ধর্ষণ করে। এরপর সকালে জ্ঞান ফিরলে আশে পাশের মানুষের কাছে এবং তার পরিবারে মানুষের সাথে তার দেবরের ছেলে রহমান ও ফারুক রাতে তাকে ধর্ষণ ও অমানবিক শারিরীক নির্যাতনের বিবরণ দেয় ।তার মাথায় ফোলা সহ শরিলের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহৃ দেখায় এলাকার মহিলাদের। এসময় মারাত্বক অসুস্থ অবস্থায় তাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় এলাকা বাসী। সে খানে যেয়ে তার পরিবারের মানুষের সহযোগিতায় অভিযোগ করেন র‌্যাব ৬ এর অধিনায়ক বরাবর মৌতলা গ্রামের দেবর আছানউল্লা মুন্সির ছেলে আব্দুর রহমান(৩৫), লালু শেখের ছেলে ফারুক (৩৫) উপর ধর্ষনের অভিযোগ এবং মৃত আব্দুল ওহাবের ছেলে বাবু মুন্সি (৭০) তার স্ত্রী লূতফার নেছা (৬৫), ও মিলন মুন্সির স্ত্রী সাহানা বেগমের (২৭) উপর শারিরীক নির্যাতনের অভিযোগে এনে র‌্যাবের দপ্পরে বিচার প্রর্থনা করে। এরপর তাকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শ্যামনগর সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তার শারিরীক অবস্থার অবনতির কারনে তাকে রবিবার তার বাবার বাড়ি নিয়ে আসে স্বজনরা। নির্যাতনের শিকার আনোয়ারা বেগম নির্যাতনকারী এবং ধর্ষনকারীদের বিচার না দেখেই অবশেষে মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় সময় মৃত্যুর কাছে পরাজিত হয়। এবিষয়ে আনোয়ারার ছোট ভাবি ও স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন তার ননদকে রহমান ও ফারুক ধর্ষণ করে ছিল এবং অন্যরা তাকে বেধরক মারপিট করায় অসুস্থ অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। রহমান ও ফারুকের পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের ভয়ে থানায় অভিযোগ ছাড়া বাবার বাড়িতে বুধবার দুপুরে আনোয়ারার দাফন সম্পন্ন করেছে তার স্বজনরা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধর্ষক রহমান বলেন আমি মারধর করেছি কিন্তু ধর্ষণ করিনি আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এদিকে চাচিকে মারধর ও ধর্ষণের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক গুঞ্জন চলছে। লাশ কবর থেকে উঠিয়ে ময়নাতদন্ত করালে মৃত্যুর আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে বলে ধারণা করছে এলাকার সচেতন মহল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বসেরা বাংলাদেশের আবদুল্লাহ

আবার সৌদি আরব জয় করে বিশ্বসেরা হলেন বাংলাদেশের কৃতী সন্তান হাফেজ আবদুল্লাহ আল মামুন। ৩৯তম ‘বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায়’ ৩০ পারা গ্রুপে ৮০ দেশের প্রতিযোগীদের মধ্যে সেরা হয়েছেন। সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে বুধবার চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা হয়।

পবিত্র মক্কার মসজিদুল হারামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন মক্কার গভর্নর আবদুল্লাহ বিন বন্দর বিন আবদুল আজিজ, সৌদি আরবের ধর্মমন্ত্রী শেখ সালেহ বিন আবদুল আজিজ মোহাম্মদ আল শেখ, মক্কার ইমাম শেখ ড. আবদুর রহমান বিন আবদুল আজিজ আল সুদেইসসহ আরো অনেকে।

গত ৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক এ কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে ওস্তাদ হাফেজ কারি নাজমুল হাসানের সঙ্গে সৌদি আরব আসেন আবদুল্লাহ আল মামুন। সঙ্গে ছিলেন একই মাদ্রাসার ১৫ পারা গ্রুপের আরেক প্রতিযোগী হাফেজ নাঈমুল হক সাদী। তিনি প্রতিযোগিতায় পঞ্চম স্থান অর্জন করেছেন।

এ নিয়ে তৃতীয়বার বিশ্বসেরা হলেন হাফেজ আবদুল্লাহ আল মামুন। এ বছরের এপ্রিলে মিসরের রাজধানী কায়রোয় ৫৫ দেশের প্রতিযোগীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত ২৪তম আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে প্রথম স্থান অর্জন করেছিলেন তিনি।

এর আগে ২০১৬ সালে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত ২০তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় এবং ২০১৪ সালের জুলাই মাসে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেছিলেন আবদুল্লাহ আল মামুন।

হাফেজ আবদুল্লাহ আল মামুন রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর বিবির বাগিচার তাহফিজুল কোরআন ওয়াস সুন্নাহ মাদ্রাসার ছাত্র। তিনি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা সদর ইউনিয়নের আবুল বাশারের ছেলে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রের মৃত্যু

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) মীর মশাররফ হোসেন হলে নিজ কক্ষের ফ্যান থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া মো. আদনান নামের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হলের বি ব্লকের ৪৫০ নম্বর কক্ষে আদনানকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

আদনান বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের ৪১তম ব্যাচের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ছিলেন।

ওই হলের আবাসিক কিছু শিক্ষার্থী জানান, রাতে জোনাইদ নামে একই বিভাগের ৪৩ তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থী শিট নেওয়ার জন্য আদনানের কক্ষে গেলে দরজা ভেতর থেকে বন্ধ পান। সে সময় জোনাইদ ওই কক্ষের জানালা দিয়ে ভেতরে আদনানকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে জোনাইদের ডাকাডাকিতে পাশের অন্য কক্ষের শিক্ষার্থীরা জড়ো হন এবং আদনানকে উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যান। চিকিৎসাকেন্দ্রে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে সেই হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক আনায়ারুল কাদির নাজিম রাত সোয়া ১১টার দিকে আদনানকে মৃত ঘোষণা করেন।

সহপাঠীরা জানান, আদনানের গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জ জেলায়। হলে তিনি নিয়মিত অবস্থান করতেন না। তিনি রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে থাকতেন।

বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, আদনান তাঁর বিভাগের একজন নিয়মিত ছাত্র ছিলেন। তিনি কোনো সমস্যায় ভুগছিলেন কি না, এমনটা কেউ জানাতে পারেননি। তাই তিনি আত্মহত্যা করেছেন নাকি তাঁকে হত্যা করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক তপন কুমার সাহা বিষয়টিকে আত্মহত্যা দাবি করে সাংবাদিকদের বলেন, ‘কী কারণে আদনান আত্মহত্যা করেছে, সে বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। তার পরিবারের লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইউনেস্কোতে থাকছে না যুক্তরাষ্ট্র

ইসরায়েলবিরোধী অবস্থানের অভিযোগ এনে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো থেকে সরে আসার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হিদার নুয়ার্ট এই ঘোষণা দেন।

আলজাজিরার খবরে বলা হয়, ফ্রান্সের প্যারিসভিত্তিক সংস্থাটিতে স্থায়ী প্রতিনিধির পরিবর্তে ‘পর্যবেক্ষক মিশন’ পাঠানোর কথা জানিয়েছেন নুয়ার্ট।

ইউনেস্কোর বিদায়ী মহাপরিচালক ইরেনা বোকোভা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সরে যাওয়ায় তিনি ‘গভীরভাবে ব্যথিত’। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই আচরণে বোঝা যাচ্ছে, ইউনেস্কো কখনোই দেশটির কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল না।

এ বিষয়ে ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরভিত্তিক সেক্যুলার বুদ্ধিজীবীদের সংগঠন প্যালেস্টিনিয়ান ন্যাশনাল ইনিশিয়েটিভের (পিএনআই) মহাসচিব মুস্তফা বারগৌতি বলেন, এই সিদ্ধান্ত থেকে বোঝা যাচ্ছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন ইসরায়েলের প্রতি ‘সম্পূর্ণ পক্ষপাতদুষ্ট’।

বারগৌতি ফোনে আলজাজিরাকে বলেন, ‘এই ধরনের আচরণে কাঙ্ক্ষিত কোনো ফল আসবে না এবং এটি লজ্জাজনক।’

‘শিগগিরই বা দেরিতে হলেও তারা জাতিসংঘের প্রতিটি সংস্থায় ফিলিস্তিনকে দেখবে। এর পর কি যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বা বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থা (ডব্লিউআইপিও) থেকে নিজেদের সরিয়ে নেবে? এর মধ্য দিয়ে তারা নিজেদেরই ক্ষতি করবে।’

মিত্র রাষ্ট্র ইসরায়েলের বিরোধিতা সত্ত্বেও ২০১১ সালে ফিলিস্তিনকে ইউনেস্কোর পূর্ণ সদস্যপদ দেওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। ওই বছর তারা ইউনেস্কোতে অর্থ দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল। তবে সেই সময় পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনটি থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেয়নি। বৃহস্পতিবার দেশটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সংগঠন থেকে নিজেদের সরিয়ে নিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest