সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় ছাত্রদল নেতার উদ্যোগে ইফতারি বিতরণসাতক্ষীরা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিষদের ইফতারদেবহাটার দর্জিরা আসন্ন ঈদুল ফিতর ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছেনবেতনা ও মরিচ্চাপ নদী রক্ষায় টিআরএম বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় সচেতনতামূলক র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধনদেশব্যাপি সংখ্যালঘুদের উপর হামলা- নির্যাতনের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরাসহ খুলনা বিভাগের ২৫ টি সিট হাইজ্যাক করা হয়েছে– সাবেক এমপি হাবিবসাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের সম্মানে ছাত্রশিবিরের ইফতারInsider Bonus Secrets at Sweety Win for Seasonal Celebrationsবাগেরহাটে নৌবাহিনীর বাস ও মাইক্রোবাস সংঘর্ষে বর ও নববধূসহ প্রাণ গেল ১৪ জনের

সাতক্ষীরায় শহিদ রিমুর মৃত্যুবার্ষিকীতে ছাত্র মৈত্রীর মৌনমিছিল

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় নেতা শহিদ জুবায়ের চৌধুরি রিমুর ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রমৈত্রীর মৌনমিছিল ও স্মৃতি ফলকে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে। ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা ছাত্রমৈত্রী’র একটি মৌন মিছিল শহরের বিশেষ বিশেষ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহিদ রিমুর স্মৃতি ফলকে পুস্পস্তাবক অর্পণ করেন। এছাড়া জেলা যুবমৈত্রীর পক্ষ থেকেও শহিদ রিমুর স্মৃতিফলকে পুস্পস্তাবক অর্পণ করা হয়। এসময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন, জেলা যুবমৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক মফিজুল হক জাহাঙ্গীর, জেলা ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি প্রনয় সরকার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, জেলা যুবমৈত্রীর দেবাশীষ মন্ডল, পলাশ দাশ, বিশ্বনাথ কয়ালসহ জেলা ছাত্রমৈত্রী ও জেলা যুবমৈত্রীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে চুরি গেছে এইচ টি ইমামের ফোন, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ফাঁসের শঙ্কা

ন্যাশনাল ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের মোবাইল ফোন হারিয়ে গেছে। গত রোববার ভারতের কলকাতায় খোয়া যায় তাঁর ব্যবহৃত আইফোনটি। মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
এ ঘটনায় কলকাতার বেনিয়াপুকুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন শহরটিতে অবস্থিত বাংলাদেশ চ্যান্সেরির প্রধান বি এম জামাল হোসেন।
বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া বলছে, হারিয়ে যাওয়া ওই মোবাইল ফোনটিতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে। কারণ এইচ টি ইমাম বাংলাদেশের মন্ত্রিসভার একজন সদস্যের পদমর্যাদা ধারণ করেন এবং তিনি শেখ হাসিনার বেশ ঘনিষ্ঠজন।
ফোনটি কীভাবে খোয়া গেল সে সম্পর্কে কোনো ধারণাই পাওয়া যাচ্ছে না। কারণ কলকাতা এয়ারপোর্টে পৌঁছানো পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশি কূটনীতিক পরিবেষ্টিত ছিলেন। এরপর সেখান থেকে হোটেলে যাওয়া পর্যন্ত সময় বা হোটেলেও সঙ্গে ছিলেন বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
থানায় করা অভিযোগে বলা হয়েছে, পার্ক সার্কাসের কাছে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাছাকাছি কোনো স্থান থেকে ফোনটি হারিয়েছে। পুলিশ ফোনটি খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। আশঙ্কার কথা হলো, চুরি যাওয়ার পর থেকে ফোনটি এখন পর্যন্ত চালু করা হয়নি। সেটিতে এইচ টি ইমামের যে সিমকার্ড ছিল, তা খুলে ফেলা হয়েছে কি না সেটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সেই সঙ্গে হারিয়ে যাওয়া ফোনটি থেকে তথ্য চুরির আশঙ্কাও করা হচ্ছে।
কলকাতার এক পুলিশ কর্মকর্তা টাইমস অব ইন্ডিয়াকে জানান, এই মুহূর্তে ফোন খুঁজে পাওয়াটা তাঁদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর সঙ্গে বাহিনীর মান-সম্মান জড়িত। এদিকে এই ফোন খুঁজে পেতে দেরি হওয়ার আরেকটি কারণ হলো, হারানো ফোন খুঁজে পেতে ফোনটির নির্মাতা অ্যাপলের যে ট্রাকিং পদ্ধতি রয়েছে, তা কাজ করছে না।
এ বিষয়ে গতকাল সোমবার পর্যন্ত ফোনটি খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছিলেন বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার তৌফিক হাসান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতীয় বাংলা সিরিয়ালের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাঞ্চনা মৈত্রকে শ্লীলতাহানি

বিনোদন ডেস্ক : কাঞ্চনা মৈত্ররাতের কলকাতায় শ্লীলতাহানির শিকার হলেন ভারতের বাংলা সিরিয়ালের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাঞ্চনা মৈত্র। চলচ্চিত্রেও অভিনয় করছেন তিনি। গত শনিবার রাতে শুটিং শেষ করে বাসায় ফেরার পথে বেহালার সিরিটি শ্মশানের কাছে এ ঘটনা ঘটে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে আজ মঙ্গলবার জানা গেছে, গত শনিবার রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ তিনজন মদ্যপ যুবক রাস্তায় কাঞ্চনা মৈত্রের গাড়ি থামিয়ে তাঁকে উদ্দেশ করে আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করে এবং তাঁর গায়ে হাত দেয়।
কাঞ্চনা মৈত্র পরদিন বেহালা থানায় অভিযোগ করেছেন। পুলিশকে দেওয়া অভিযোগ পত্রে তিনি বলেছেন, গত শনিবার রাতে শুটিং শেষ করে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। সাড়ে ১২টা নাগাদ সিরিটি শ্মশানের কাছে রাস্তায় তাঁর চলন্ত গাড়িতে ইট ছুড়ে মারে। গাড়ির চালক গৌর পাল গাড়ি থামাতে বাধ্য হন। তখন দুজন মদ্যপ যুবক তাঁকে ঘেরাও করে। গাড়ির চালককে রক্ষা করতে নেমে আসেন কাঞ্চনা। তিনি মদ্যপ যুবকদের গাড়ির সামনে থেকে সরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। এ সময় গাড়ি থেকে চাবি খুলে নেয় মদ্যপ যুবকেরা এবং গাড়ির চালক আর কাঞ্চনাকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করে।

তখন পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের একটি টহল গাড়ির দিকে ছুটে যান কাঞ্চনা মৈত্র। তিনি পুলিশের কাছ থেকে সহযোগিতা চান। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে শংকর দলুই ও সুরজিত পাণ্ডা নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তৃতীয় আরেকজনকে খুঁজছে পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কুশখালিতে শিশু ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে ত্রৈমাসিক সভা

ঝাউডাঙ্গা ব্যুরো : কুশখালি ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে ইউনিয়ন ভিত্তিক শিশু সুরক্ষা কমিটি (সিবিসিপিসি), শিশু ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে শিশুদের বাজেট সমন্বয় বিষয়ক ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলার কুশখালি ইউনিয়ন পরিষদে ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’র আয়োজনে ও সেভ দ্য চিলড্রেন’র সহযোগীতায় উক্ত ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ইউপি চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, ইউপি সদস্য মো. আলমগীর হোসেন, মো. ফারুক হোসেন রিপন, মো. রফিকুল ইসলাম, ইউপি সচিব মো. মতিউর রহমান, ইউনিয়ন ভিত্তিক শিশু সুরক্ষা কমিটির সভাপতি মোছা. মনজুরা খানম ইতি, কমিটির সদস্য মোছা. ফিরোজা খাতুন, কমিউনিটি মবিলাইজার মোছা. নুর জাহান, ইয়ুথ ভলান্টিয়ার মেহেরুন্নেছা রিনা, শিশু প্রতিনিধি মোছা. সারমিন, লিমা, মাহফুজ প্রমুখ। সভায় শিশুদের চাহিদার ভিত্তিতে বরাদ্দকৃত বাজেট অর্থপ্রাপ্তি সাপেক্ষে খাত অনুযায়ী ব্যয়ের পরিকল্পনা ও অগ্রগতি বিষয়ক আলোচনা করা হয়। ইউপি চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম শিশুদের মতামত ও চাহিদার ভিত্তিতে অগ্রাধিকার ভাবে শিশু সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি সমাধানের বিষয়ে সকল ইউপি সদস্যকে আহবান জানান। সভাটি সঞ্চালনা করেন ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’র জিসিসি প্রকল্পের কমিউনিটি মবিলাইজার মো. আবুল হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তুজলপুর জিসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে ‘সবুজ ক্যাম্পাস’ ঘোষণা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার তুজলপুর জিসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে ‘সবুজ ক্যাম্পাস’ ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টায় সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ঘোষণা দেন।
সাতক্ষীরা সামাজিক বনবিভাগ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিকের সহযোগিতায় স্থানীয় তুজলপুর গাছের পাঠশালা তুজলপুর জিসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে সবুজ ক্যাম্পাস গড়ার এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
অনুষ্ঠানে তুজলপুর কৃষক ক্লাবের সভাপতি ও গাছের পাঠশালার পরিচালক ইয়ারব হোসেনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস.এম শওকাত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী, তুজলপুর জিসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম, মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন, শাহাজান সিরাজ, তুজলপুর কৃষক ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রহমান রমজান আলী বিশ্বাস প্রমুখ।
এসময় ‘গাছ আমাদের বাঁচিয়ে রাখে। গাছের সাথে বন্ধত্ব অটুট থাকুক। গাছ কাটবো না। গাছের ও মানুষের কোন ক্ষতি করব না। আমাদের স্কুল আঙিনার পরিত্যক্ত জায়গায় বেশি করে গাছ লাগাবো। গড়ে তুলবো সবুজ পৃথিবী’ বলে শপথ নেন অতিথি, শিক্ষক, শিক্ষার্থীবৃন্দ।
পরে বিদ্যালয় চত্বরে দেবদারু, জারুল, কাঞ্চন, কদম, আম, পেয়ারাসহ বিভিন্ন ফলজ, বনজ ও ওষুধি বৃক্ষ রোপণ করে সুবজ ক্যাম্পাস কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম।
এ সময় তিনি বলেন, বেশি করে গাছ লাগাতে হবে। পরিবেশ সুরক্ষায় গাছের কোন বিকল্প নেই। এর সাথে ভালো করে পড়ালেখা করে দেশে সেবায় এগিয়ে আসতে হবে।
এ কর্মসূচি প্রসঙ্গে গাছের পাঠশালার পরিচালক ইয়ারবের হোসেন জানান, পর্যায়ক্রমে স্কুল ক্যাম্পাসে পাঁচ শতাধিক ফলজ, বনজ ও ওষুধি গাছের চারা রোপন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মাদ্রাসা সুপার নিহতের ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় মাদ্রাসা সুপারকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে পুলিশকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। সাতক্ষীরা জুডিশিয়াল আদালতে (১) এ মামলাটি দায়ের করেন নিহতের ভাই বজলুর রহমান। মঙ্গলবার দুপুরে এ মামলা টি দায়ের করা হয়। মামলায় আসামী করা হয়েছে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের এসআই আসাদুজ্জামান, এসআই পাইক দেলওয়ার, এএসআই হাসানসহ অপর এক পুলিশ সদস্যকে। আদালত মামলটি আমলে নিয়েছে বলে আসামি পক্ষের উকিল এড. আবুবক্কর নিশ্চিত করেছেন।
সূত্র জানায়, নিহত মাদ্রাসা সুপার মাওলানা সাইদুর রহমান (৪৫) সাতক্ষীরা সদরের কাথন্ডা গ্রামের মৃত জিল্লার রহমানের ছেলে। স্থানীয় কাথন্ডা ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি ও স্থানীয় মসজিদের ইমাম ছিলেন তিনি। তিনি কলারোয়া হঠাৎগঞ্জ দাখিল মাদ্রাসার সুপার ছিলেন। গত শনিবার সকালে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের স্ত্রী ময়না বেগম জানান, “গত ১৪ আগস্ট বৃহষ্পতিবার রাত দেড়টার দিকে পুলিশের তিনজন সদস্য তাদের বাড়িতে এসে তার স্বামীকে গ্রেফতারে কথা বলে। কোন কারণে তাকে গ্রেফতার করা হবে জানতে চাইলে পুলিশ জানায় তার বিরুদ্ধে মামলা আছে। এসময় তার স্ত্রী গ্রেফতারি পরওয়ানা চাইলে পুলিশ র্দুব্যবহার করে। মাওলানা সাইদুর রহমান পুলিশকে জানান, তিনি অসুস্থ রোগী। প্রতিদিন তাকে ওষুধ খেতে হয়। কিন্তু তারপরও পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। পরে তাকে নিয়ে স্থানীয় এক ডাক্তারের কাছে যায়। ডাক্তার তাকে উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। কিন্তু চিকিৎসা না দিয়ে তাকে সাতক্ষীরা সদর থানা হাজতে রাখা হয়। পরের দিন শুক্রবার সদর থানাতে মাওলানা সাইদুর রহমানের সাথে দেখা করতে আসেন তার স্ত্রী ময়না। এসময় স্ত্রীর কাছে তার স্বামী অভিযোগ করেন, পুলিশ তাকে অনেক মারপিট করেছে। তার গায়ের পাঞ্জাবিটা ছিড়ে গেছে। পুলিশের কাছে ওষুধ চাইলে পুলিশ তা দেয়নি। পরে বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে তাকে নিয়ে ইসিজি সহ কয়েকটি পরীক্ষা করান পুলিশ। পরে ওইদিন সন্ধায় তাকে কোটে হাজিরার মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয় বলে নিহতের স্ত্রী জানান।
নিহতের স্ত্রী ময়না জানান, তার স্বামীর বিরুদ্ধে কোন মামলা ছিলো না। আটকের পর পুলিশ দুটি মামলায় অজ্ঞাত আসামি করে কোটে চালান দেয়। পুলিশের তিন অফিসার এসআই আসাদ, দেলওয়ার ও এএসআই সুমন তার স্বামীকে জোর করে আটক করে নির্যাতন করেছে বলে তিনি অভিযোগ করে।
নিহতের পরিবারের দাবি, এ সময় মওলানা সাইদুরের ভাতিজা মুত্তাসিম বিল্লাহ পাঁচ হাজার টাকা এনে চাচাকে ছেড়ে দেয়ার অনুরোধ জানায়। কিন্তু পুলিশ তার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করে। এ টাকা দিতে না পারায় মাদ্রাসা শিক্ষককে নিয়ে আসা হয় সাতক্ষীরা থানায়। সেখানেও তার ওপর নির্যাতন করতে থাকে পুলিশ।
নিহতের ভাই রফিকুল ইসলাম জানান, শুক্রবার দিনভর পুলিশ হেফাজতে রেখে তার ওপর দফায় দফায় নির্যাতন করা হলে তিনি নিস্তেজ হয়ে পড়েন। পরে তাকে আদালতে নেয়া হলে কর্তৃপক্ষ তার অসুস্থতা দেখে সাঈদুর রহমানকে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে পুলিশ তাকে ফের নিয়ে যায় সাতক্ষীরা হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসা দিয়ে কিছুটা সুস্থ করার পর বিকাল ৫টায় পুলিশ ফের তাকে আদালতে নিয়ে যায়। বিকালে মওলানা সাইদুরকে সাতক্ষীরা কারাগারে পাঠায় আদালত।
সাতক্ষীরা কারাগারের সুপার আবু জাহেদ জানান, কারাগারের মধ্যে শুক্রবার রাতে সাঈদুর রহমান আরও অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় কারা হাসপাতালে। পরে সেখান থেকে মধ্যরাতে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
সাতক্ষীরা হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আরএমও ডা. ফরহাদ জামিল বলেন, হাসপাতালে আনার পর তার চিকিৎসা চলছিল। শনিবার ভোরে মারা যান তিনি। ওই চিকিৎসক জানান, নিহত মাদ্রাসা শিক্ষক মওলানা সাঈদুরের দেহে নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সদর থানার এসআই মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আমি তাকে গ্রেফতার করলেও নির্যাতন করিনি। তার কাছে ঘুষও চাইনি। আগে থেকেই তিনি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়ে অসুস্থ ছিলেন। গ্রেফতারের পর তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। এরপর তার মৃত্যু সম্পর্কে আর কোনো তথ্য আমার কাছে নেই।
অন্যদিকে সদর থানার ওসি মারুফ আহম্মদ জানান, তিনি হার্টএ্যাটাকে মারা গেছেন।
বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার, চাঁদা দাবিসহ ব্যাপক মারপিটের কারণে ওই মাদ্রাসা সুপার নিহত হয়েছে বলে শতাধিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এতে নড়েচড়ে বসে পুলিশ। শনিবার রাতে পুলিশের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি পাঠানো হয়। এতে দাবী করা হয় সাতক্ষীরা কারাগারে ৪৪৯০/১৭ নং হাজতী মোঃ সাইদুর রহমানের মৃত্যু হয় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে। এঘটনায় ৮৪/১৭ নং এ একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করে সদর থানা পুলিশ। বিবৃতিতে আরোও বলা হয় মৃত্য সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে ৬১/১৭ ও ৮০/১৭ নং দুটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে নিহতের ভাই মাওলানা শফিকুল ইসলাম বলেন, আমার ভায়ের নামে কোন মামলা ছিল না। তাকে আটকের পর দুটি অজ্ঞাত মামলায় আসামি করে কোটে চালান দেয়। জার জিআর নং ১৮১/১৭ ও ৫৪৮/১৭। ভাইয়ের হত্যার ঘটনা আইনিভাবে লড়া হবে।
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেরিনা আক্তার বলেন, ‘আমি ঘটনাটি শুনেছি। তদন্তের পর বিস্তারিত বলতে পারবো।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশের নতুন ‘নায়ক’ জাফর ইকবাল

দেশ থেকে একের পর এক শুভেচ্ছা পাচ্ছেন জাফর ইকবাল। তাঁর ব্যক্তিগত ঝলকেই ভারতের বিপক্ষে অবিশ্বাস্য জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ৪-৩ গোলের জয়ের ম্যাচে নিজে জোড়া গোল করেছেন, সতীর্থকে দিয়ে করিয়েছেন আরও একটি। এমন দুর্দান্ত পারফরমেন্সের পর শুভেচ্ছার জোয়ারে জাফরের তো ভেসে যাওয়ারই কথা। স্বাভাবিকভাবে জয়ের নায়ক হলে যা হয়ে থাকে আর কি।

ভারতের বিপক্ষে জোড়া গোল নিয়েই থামতে চান না যুবদলের এই লেফট উইঙ্গার। সর্বোচ্চ গোলদাতার সঙ্গে হতে চান টুর্নামেন্ট-সেরা খেলোয়াড়ও। এই চাওয়া নিজের জন্য নয়, তিনি গোল পেলে যে জিতবে বাংলাদেশ। গোলের ক্ষুধা তাই বাড়িয়ে নিচ্ছেন। নিজের সামনে দাঁড় করাচ্ছেন কঠিন চ্যালেঞ্জ।
থিম্পু থেকে সে কথাই বললেন জাফর, ‘আমার গোলে বাংলাদেশ জিতেছে। এর চেয়ে আর বড় আনন্দ কী হতে পারে! এখন টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হতে চাই। পরের তিন ম্যাচে গোল করতে চাই আরও ছয়টি। আমার পাশে যারা খেলে, তাদের সহযোগিতায় এই লক্ষ্য পূরণ করা সম্ভব।’
গতকাল ভারতের বিপক্ষে প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে পিছিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। ম্যাচে বাংলাদেশের আশা যখন আইসিইউতে, তখনই গোল করে যেন দলকেও জাগিয়ে তুললেন জাফর। ৫৫ মিনিটে স্বাধীনের কর্নার থেকে হেডে করেছেন প্রথম গোল, ৩-১। আবার যোগ করা সময়ে জয়সূচক শেষ গোলটিও তাঁর। এবারও স্বাধীনের কর্নার, জাফরের ট্রেডমার্ক হেডার। ৪-৩!
এর কয়েক মিনিট আগেই বাঁ প্রান্ত থেকে ঠিকানা লেখা ক্রসে সুফিলকে দিয়ে করিয়েছেন দলের তিন নম্বর গোলটি, যে গোলে সমতা ফিরিয়েছিল বাংলাদেশ। বাংলাদেশের অবিস্মরণীয় এই জয়ের প্রতিটি কণাতেই যেন লেখা লেফট উইঙ্গার জাফরের নাম।
কর্নার নিয়ে মাঠেই নিজের রণকৌশল বদলে ফেলেছিলেন। তাতেই মিলেছিল সুলফ। জাফর বললেন, ‘খেয়াল করে দেখবেন, প্রথমে কর্নার আমি নিচ্ছিলাম। কিন্তু কেউ হেড করতে পারছিল না। পরে আমি স্বাধীনকে কর্নার নিতে পাঠাই। ওর সঙ্গে ছকটা ঠিক করে নিই আমি প্রথমে কোথায় দাঁড়ালে ও বল কোথায় ফেলবে। ততক্ষণে আমিও জায়গা বদল করে নেব। এই ছিল গোপন ছক।’ পুরোটা আর খুলে বললেন না। এই গোপন অস্ত্র সামনেও তো ব্যবহার করতে হবে!
এ যেন শেষ দৃশ্যে ভিলেনের ডেরায় বন্দী মা আর নায়িকাকে উদ্ধার করার ক্লাইম্যাক্স! কালকের ম্যাচ তো তা-ই বলল! আর সেখানে জাফর ইকবাল সত্যিকারের নায়ক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম এর বিএনপির সদস্য সংগ্রহ অভিযান

এম. বেলাল হোসাইন : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম জেলা শাখার পক্ষ থেকে আড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যদিয়ে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা জজকোর্টে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ অভিযানে প্রধান অতিথি হিসাবে উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এড.সৈয়দ ইফতেখার আলী। এড. আবুল হোসেন(২) এর সভাপতিত্বে সদস্য সংগ্রহ অভিযানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এড. তোজাম্মেল হোসেন তুজাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন, এড. আকবর আলী, এড. মহিদুল ইসলাম, এড. সিরাজুল ইসলাম ইসলাম(৫), এড. শাহরিয়ার হাসীব, এড. জাকারিয়া আহম্মদ, এড. আকরাম আলী, এড. মেহেদী হাসান, এড. আমজাদ হোসেন, এড. শহীদ উদ্দীন(২), এড. অসীম কুমার মন্ডল, এড. নূরুল আমিন, এড. সরদার সাইফ, এড. রবিউল ইসলাম, এড. জালাল উদ্দিন(২), এড. জিয়াউর রহমান, এড. রেজওয়ান আলী, এড. আব্দুল জলিল(২), এড. আবু সাঈদ রাজা, এড. সোহরাব হুসাইন, এড. শিহাব, এড. ত্বোহা কামাল উদ্দিন হীরা, আব্দুল জলিল(৩), এড. মিজানুর রহমান বাপ্পী, এড. জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest