সর্বশেষ সংবাদ-
কালীগঞ্জের নলতায় সড়ক ও জনপদ থেকে উচ্ছেদের পরেও পুনরায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের হিড়িকসাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনসারা দেশে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্ক সংকেতUnderstanding Mr Fortune Login: Easy Access to Your Favorite Casino GamesWie Avia Masters traditionelle Casino-Spiele in den Schatten stelltUnlocking the Full Potential of Betmaze Casino’s Loyalty and Rewards Programতরুণদের শারীরিক, মানসিক ও নৈতিক বিকাশে ঘটাবে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’- সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসকসাতক্ষীরায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ পানি এবং স্যানিটেশন নিশ্চিতে জনসচেতনতামূলক পটগান সাতক্ষীরায় মহিলা দোকানীকে হত্যাসাতক্ষীরায় আইনজীবীর জমি দখলচেষ্টা : হামলায় আহত ৩

ইরান ইস্যুতে পাশ্চাত্য জোটে ভাঙন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরমাণু সমঝোতার বিরুদ্ধে একের পর এক বক্তব্য দিলেও ইউরোপীয় দেশগুলো পরমাণু সমঝোতার প্রতি সমর্থন দেয়া অব্যাহত রেখেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মঙ্গলবার ইরানকে অত্যন্ত বিপজ্জনক দেশ হিসেবে অভিহিত করে দাবি করেছেন, ইরানের ব্যাপারে তার প্রধান উদ্দেশ্যই হচ্ছে দেশটি যেন কোনোভাবেই পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী হতে না পারে। একই সঙ্গে তিনি সন্ত্রাসীদের প্রতি সমর্থন দেয়ার জন্য তেহরানকে অভিযুক্ত করেন।

এদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান ফেডেরিকা মোগেরিনি এক বিবৃতিতে ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতার প্রতি সমর্থন জানিয়ে এটিকে টিকিয়ে রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, এই সমঝোতায় ইরানি জনগণের পাশাপাশি বিশ্ববাসীর বিজয় অর্জিত হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান মোগেরিনি ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে স্বাক্ষরিত ইরানের পরমাণু সমঝোতাকে উইন-উইন বা সব পক্ষের বিজয় হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, আইএইএ’র দেয়া প্রতিবেদন অনুযায়ী ইরান এখন পর্যন্ত পরমাণু বিষয়ে সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেছে।

ইরান ও ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরাও মঙ্গলবার বিকালে দ্বিতীয় টেলিফোন সংলাপে পরমাণু সমঝোতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরনও এর আগে বলেছিলেন, প্যারিস তেহরানের ব্যাপারে ওয়াশিংটনের নীতির সঙ্গে একমত নয়। ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসনও সেদেশের পার্লামেন্টে বলেছেন, কোনো রকম পরিবর্তন ছাড়াই পরমাণু সমঝোতা টিকে থাকবে। তিনি, এ সমঝোতা থেকে আমেরিকার বেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে বলেছেন, আমরা চাই ফ্রান্স, জার্মানি, চীন, রাশিয়াসহ ইউরোপের অন্য দেশও পরমাণু সমঝোতা টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করুক।

প্রথম থেকেই পরমাণু সমঝোতা একটি বহুপক্ষীয় চুক্তি এবং এর প্রতি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদেরও সমর্থন রয়েছে। কিন্তু আমেরিকা প্যারিস আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তি এবং ইউনেস্কোর সদস্য পদ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর এখন পরমাণু সমঝোতা থেকেও বেরিয়ে যাওয়ার পায়তারা করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে পরমাণু কর্মসূচির অজুহাতে ইরানের অর্থনৈতিক উন্নতির চাকাকে থামিয়ে দেয়াই আমেরিকার প্রধান উদ্দেশ্য। কিন্তু ওয়াশিংটনের এ ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও ইউরোপ ও এশিয়ার বড় বড় কোম্পানিগুলো ইরানের সঙ্গে সহযোগিতা বিস্তারে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
ফ্রান্সের টোটাল কোম্পানির পরিচালক প্যাট্রিক পুইয়ানে বলেছেন, আমেরিকা যদি পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যায় তারপরও তারা ইরানের বিভিন্ন প্রজেক্টে পুঁজি বিনিয়োগ করবে।

যাইহোক, বর্তমানে শুধু যে পরমাণু সমঝোতা নিয়ে আমেরিকা ও ইউরোপের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে তাই নয় একই সঙ্গে বিশ্ব বাণিজ্য, পরিবেশ রক্ষা ও নিরস্ত্রীকরণের মতো বিষয়গুলোতেও তীব্র মতপার্থক্য শুরু হয়েছে। বিশেষ করে আমেরিকা পরমাণু সমঝোতার বিরুদ্ধে যে অবস্থান নিয়েছে তাতে এটা প্রমাণিত হয়েছ, ওই দেশটির ওপর আস্থা রাখা যায় না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর হামলা: নিহত ৩

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ডে বন্দুকধারীর হামলায় গুলিবিদ্ধ ৫ জনের ৩ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত অপর দুইজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। বুধবার (১৮ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকালে রাজ্যের এজহুডের এমোরটন বাণিজ্যিক এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। ম্যারিল্যান্ডে বাণিজ্যিক এলাকায় গুলিতে আহত ৫

এদিকে সন্দেহভাজন হামলাকারীর ছবি প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। তার নাম রাদি লাবিব প্রিন্স বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে সে কোন দেশের নাগরিক সে তথ্য জানা যায়নি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, আতঙ্কে এজউড এলাকার অনেক স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়। সবাইকে আপাতত বাইরে বেরোনো থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মসজিদের আলোয় আলোকিত যে গ্রাম!

গ্রামের বেশির ভাগ ঘরেই পৌঁছেছে বিদ্যুৎ, আর সেই বিদ্যুতের উৎস একটি মসজিদ। উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোর অজপাড়াগাঁ তাদমামেত এ গ্রামটিতে বাসিন্দার সংখ্যা মাত্র ৪০০। বেশিরভাগ মানুষের নেই কোনো গাড়ি, মোবাইল ফোন বা ইন্টারনেট সুবিধা। বিদ্যুৎ সুবিধাও ছিল নাগালের বাইরে। ফলে শীতের দিনে তীব্র কষ্টের মধ্যে যেত গ্রামবাসীর জীবন। তবে এখন পরিস্থিতি পাল্টে গেছে। গ্রামের বেশির ভাগ ঘরেই পৌঁছেছে বিদ্যুৎ। প্রায় সাড়ে তিন কোটি মানুষের দেশ মরক্কো মসজিদের সংখ্যা ৫১ হাজার।

বিবিসির খবরে বলা হয়, মরক্কোর অ্যাটলাস পর্বতমালায় অবস্থিত গ্রামটির মসজিদের ছাদে বসানো হয়েছে সোলার প্যানেল। সেগুলো থেকে উৎপাদিত সৌরবিদ্যুৎ মসজিদটির চাহিদা মিটিয়ে আলো পৌঁছে দিচ্ছে গ্রামের বেশিরভাগ ঘরে।

এ বিষয়ে জার্মানির সরকারি সংস্থা জার্মান করপোরেশন ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশনের (জিআইজেড) কর্মকর্তা জ্যান-ক্রিস্টোফার কুন্টজ জানান, এটা মরক্কোর প্রথম পরিবেশবান্ধব শক্তিচালিত মসজিদ। তাদমামেতের এই মসজিদ একেবারেই আলাদা। এটি বিদ্যুৎশক্তি ব্যবহারে অন্য মসজিদগুলোকে পথ দেখাবে। তিন বছর আগে মরক্কো সরকারের ‘গ্রিন মস্ক প্রজেক্টের’ অধীনে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।

তাদমামেত গ্রামের প্রধান ইব্রাহিম বলেন, ‘আগে স্কুলে আলোর ব্যবস্থা ছিল না। এখন আলো থাকে। তাই শিক্ষার্থীরা যেকোনো সময়ে পড়ালেখা করতে আসতে পারে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৪০ বছর পর আবারও রোহিঙ্গা শরণার্থী ফজল
অনলাইন ডেস্ক : দীর্ঘ ৪০ বছর আগে মিয়ানমারে নির্যাতনের শিকার হয়ে পরিবারের সঙ্গে প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে বাংলাদেশে এসেছিলেন রোহিঙ্গা ফজল আহমেদ। তখন তিনি ছিলেন শিশু। কিছুদিন পর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন স্কীমে ফজল আহমেদ তার পরিবারের সঙ্গে নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যায়। কিন্তু ভাগ্য সহায় না হওয়ায় আবারও তাকে দেশ ছাড়তে হয়েছে।

জাতিগত নিধনের শিকার হয়ে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা লাখ লাখ রোহিঙ্গার সঙ্গে এবার স্ত্রী সন্তানসহ ৪০ বছর পর এবার তিনি আশ্রয় নিয়েছেন কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে।

ফজল আহমেদ বলেন: আমি আর মানতে পারছিনা। এর আগেও সহিংসতার কারণ দেখিয়ে ১৯৭৮ সালে বৌদ্ধরা আমাদের বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য করে। মিয়ানমার আর্মি যুবকদের অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে কাউকে হত্যা করে আবার কারও কারও জন্য মুক্তিপণ দাবি করে।

বাংলাদেশ জনবহুল দেশ হওয়া সত্ত্বেও প্রতিবেশি রোহিঙ্গাদের দুর্দিনে মানবিক কারণে দুই মাসের কম সময়ে আসা পাঁচ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরনার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে। তবে বাংলাদেশ মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিলেও শুরু থেকেই তাদেরকে মিয়ানমারে ফেরত নেওয়ার বিষয়ে জোর তৎপরতা চালিয়ে আসছে। এ বিষয়ে মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।

বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপের মুখে থাকায় অং সান সু চির দফতরের একজন মন্ত্রী বাংলাদেশ সফর করে গেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে আলোচনার জন্য চলতি মাসেই মিয়ানমার সফরে যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

এই ইস্যুতে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ সবচেয়ে বেশি। তারা মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের উপর মানবতাবিরোধী অপরাধ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তাই মিয়ানমারের সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং সহ সকল সেনা কর্মকর্তার ইউরোপে সব ধরনের আমন্ত্রণ স্থগিত করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

সম্প্রতি লুক্সেমবুর্গে ইউরোপীয় ইউনিয়ভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের অংশগ্রহণে পররাষ্ট্র বিষয়ক কাউন্সিলে এই প্রস্তাব পাস হয় বলে তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়।

ইউরোপের দেশগুলোর জোটের বৈঠকে পাস হওয়া প্রস্তাবে বলা হয়, নিরাপত্তা বাহিনীর বলপ্রয়োগের আলোকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং এর সদস্য দেশগুলো মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর প্রধান এবং জ্যেষ্ঠ অন্যান্য সেনা কর্মকর্তাদের সব আমন্ত্রণ স্থগিত করবে।

পাশাপাশি মিয়ানমারে সঙ্গে যেসব প্রতিরক্ষা চুক্তি ইউরোপের দেশগুলোর রয়েছে, তা পর্যালোচনার কথাও জানিয়েছে ইউরোপীয় কাউন্সিল। অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ দমনে ব্যবহারে মিয়ানমারকে সমরাস্ত্র সরবরাহে যে বিধি-নিষেধ রয়েছে, এই পরিস্থিতির উন্নতি না ঘটালে তা আরও কঠোর করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে ইউরোপের দেশগুলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ রাসেল’র জন্মদিনে কেবিএ কলেজ ছাত্রলীগের আলোচনা সভা

দেবহাটা ব্যুরো: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল’র ৫৪ তম জন্মদিন উপলক্ষে সখিপুর কেবিএ কলেজ ছাত্রলীগের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১০ টায় কেবিএ কলেজ ছাত্রলীগের আয়োজনে কলেজ কক্ষে কেবিএ কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সুমনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান সবুজ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, কেবিএ কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাগর হোসেন, কুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসেন, পারুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মাহি, দেবহাটা কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আহছানুল্লাহ কল্লোল। অনন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রায়হান হোসেন, সজিব হোসেন, তৈহিদ, সুমন, সোহাগ, রিকু, আলফাজ প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পুলিশের এএসআইয়ের নেতৃত্বে ছিনতাই! জনতার হাতে আটক

ন্যাশনাল ডেস্ক : পুলিশের এক এএসআইয়ের নেতৃত্বে ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। বিদেশগামী এক ব্যক্তির গাড়ি থামিয়ে ছিনতাইয়ের সময় স্থানীয় লোকজন হাতেনাতে এক সহযোগীসহ তাকে ধরে থানা-পুলিশের কাছে সোপর্দও করেছে। ছিনতাইয়ের শিকার ব্যক্তি এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিলেও তা নিয়ে গড়িমসি করছে থানা পুলিশ। পুলিশ কর্মকর্তাদের ভাষ্য, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে জনতার হাতে আটক হওয়া পুলিশের এএসআই জসিম উদ্দিন ও তার সহযোগী মিঠুকে থানায় আটক রাখা হয়েছে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি মঙ্গলবার রাত ১১টায় শেরেবাংলা নগর থানার খামারবাড়ি এলাকায় ঘটে। পুলিশ ছিনতাইকারীদের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল এবং ছিনতাইয়ের শিকার ব্যক্তির ভাড়ায় নেওয়া প্রাইভেটকারটি জব্দ করে থানায় নিয়েছে।
ছিনতাইয়ের শিকার ব্যবসায়ী হিমেল খান বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতে তিনি চাচাতো ভাই সফিক খানকে নিয়ে ধানমন্ডির বাসা থেকে বিমানবন্দরের দিকে যাচ্ছিলেন। ভাড়ায় নেওয়া প্রাইভেটকারটি (ঢাকা মেট্রো গ-১৩-৬৫৪৪) তাদের নিয়ে খামারবাড়ি এলাকা পার হওয়ার দুটি মোটরসাইকেলযোগে চার ব্যক্তি তাদের ইশারা দিয়ে প্রথমে থামাতে বলে। পরে প্রাইভেটকারের সামনে মোটরসাইকেলের ব্যারিকেড দিয়ে থামানো হয়। গাড়ি থামানোর সঙ্গে সঙ্গে মোটরসাইকেল আরোহীরা নিজেদের পুলিশের লোক পরিচয় দিয়ে চালকের কাছ থেকে গাড়ির চাবি নিয়ে নেয়। এরপর হিমেল খান ও তার মামাতো ভাইয়ের কাছ থেকে জোর করে দুটি মোবাইল ফোন (আইফোন-৬ এস এবং স্যামসাং) সেট নিয়ে নেয়। এসময় তারা ছিনতাইকারী ছিনতাইকারী বলে চিৎকার করলে আশপাশ থেকে লোকজন দৌড়ে আসে।’
ধানমন্ডির বাসিন্দা হিমেল খান বলেন, ‘স্থানীয় লোকজন ও পথচারীরা এগিয়ে এলে মোটরসাইকেল নিয়ে দুই ব্যক্তি পালিয়ে যায়। অপর দুই জন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা তাদের ধরে ফেলে। একটু পর পুলিশের একটি গাড়ি এসে তাদের নিয়ে যায়।’
ব্যবসায়ী হিমেল খান আরও বলেন, ‘প্রথমে পুলিশের পরিচয় দেওয়ার পর তারা ভেবেছিলেন, সত্যিকারের পুলিশ। কিন্তু পরবর্তীতে জোর করে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার সময় তারা বুঝতে পারেন, ছিনতাইয়ের শিকার হতে যাচ্ছেন। তখনই তারা চিৎকার করে ওঠেন। তবে লোকজন আসার আগেই মোবাইল দুটি নিয়ে দুই ছিনতাইকারী সটকে পড়ে।’
এদিকে ছিনতাইয়ের ঘটনার সময় সেখানে থাকা রাশিদুল হাসান সুজন নামে একজন জানান, তিনি লোকজনের জটলা দেখে ঘটনাস্থলে এগিয়ে যান। এসময় দেখেন- দুই ব্যক্তিকে পুলিশ ধরে গাড়িতে তুলছে। সেসময় এক ব্যক্তি নিজেকে পুলিশের এএসআই পরিচয় দেয়। এমনকি পকেট থেকে একটি আইডি কার্ডও দেখায়। স্থানীয় লোকজনের বরাত দিয়ে রাশিদুল হাছান সুজন বলেন, ‘সুজুকি ব্র্যান্ডের নম্বর প্লেটবিহীন একটি মোটরবাইকে করে দুই ব্যক্তি প্রাইভেটকার থামিয়ে ছিনতাই করছিল।’
ছিনতাইয়ের এই ঘটনা সম্পর্কে জানতে গিয়ে শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশ সদস্যদের অনেকেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দুই আসামি থানা হাজতে রয়েছে ঠিকই। কিন্তু মঙ্গলবার রাত শেষে বুধবার সারাদিনেও এ ঘটনায় মামলা দায়ের হয়নি। সন্ধ্যায় যোগাযোগ করা হলে শেরেবাংলা নগর থানার একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, বিষয়টি নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।
এর আগে বুধবার সকালে বিষয়টি জানতে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে শেরেবাংলা নগর থানার ডিউটি অফিসার এসআই সাহেরা বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না। এটা স্যাররা তদন্ত করছেন। তদন্তের পর ঘটনা সম্পর্কে জানানো হবে।’ দুপুরে প্রতিবেদক শেরেবাংলা নগর থানায় গেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিজি বিশ্বাস বলেন, ‘বিষয়টি ডিল করছে পরিদর্শক তদন্ত। তার কাছে গিয়ে খোঁজ নিন।’ পরে পরিদর্শক তদন্ত সোহরাব আল হোসাইনের কাছে গেলে তিনি পরে যেতে বলেন। মামলা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টির সত্যতা তদন্ত করছি। তদন্তের পর বলতে পারবো।’ একপর্যায়ে তিনি ৩০ মিনিট পর তার কক্ষে যেতে বলেন।
ত্রিশ মিনিট পর শেরেবাংলা নগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহরাব আল হোসাইন বলেন, ‘ঘটনাটি দুই পক্ষের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে। কিন্তু যেহেতু স্থানীয় লোকজন তাদের ধরেছে। আর বাদীও অভিযোগ দিয়েছেন। তাই মামলা হবে। মামলার পর তদন্তে প্রকৃত সত্য বেড়িয়ে আসবে।’ সোহরাব আল হোসাইনের কাছে বাদি ও অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বিস্তারিত জানাতে অস্বীকৃতি জানান। তবে বাদীর নাম-ঠিকানা ও যোগাযোগের নম্বর দিলেও তিনি দুই আসামির বিস্তারিত ঠিকানা দিতে রাজি হননি। দুপুর পর্যন্ত এঘটনায় জব্দ তালিকাও প্রস্তুত হয়নি। ছিনতাইকারীদের একজন পুলিশের এএসআই কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সে (জসিম উদ্দিন) বলেছে পুলিশের এএসআই। সাসপেন্ড হয়েছে। তবে অসংলগ্ন কথা বলছে। কখনও খুলনা, কখনও রাজারবাগ, আবার কখনও পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্টে নিযুক্ত ছিল বলে দাবি করছে।’
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আটক হওয়া পুলিশের এএসআই জসিম উদ্দিন খুলনার রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে চাকরিতে নিযুক্ত ছিলেন। আটক হওয়ার পর খোঁজ নিয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা জানতে পেরেছেন, তিনি খুলনার কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। পুলিশের একটি সূত্র জানায়, তারা ধারণা করছেন, এএসআই জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি চক্র ছিনতাই কাজ করে আসছিল। আটক হওয়া মিঠু হলো জসিমের মামাতো ভাই। তারা নম্বর প্লেটহীন মোটরবাইক নিয়ে ছিনতাই করে বেড়াতো।
বুধবার সন্ধ্যায় যোগাযোগ করা হলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তেজগাঁও জোনের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার ওয়াহিদ আলম বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলার পর আটক দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পালিয়ে যাওয়া দু’জনের বিষয়ে জানার চেষ্টা করা হবে। এ ক্ষেত্রে পুলিশের সদস্য বলে তাকে কোনও ছাড় দেওয়া হবে না।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এডিশনাল আইজি ও ডিআইজি পদে ২০ কর্মকর্তার পদোন্নতি

পুলিশের ২০ কর্মকর্তাকে এডিশনাল আইজি ও ডিআইজি পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। ডিআইজি (উপ মহাপরিদর্শক) পদমর্যাদার পাঁচ কর্মকর্তাকে এডিশনাল আইজি (অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক) হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার ১৫ কর্মকর্তাকে ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়। বুধবার (১৮ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পদোন্নতি দিয়ে দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

এডিশনাল আইজি হয়েছেন, সিআইডির ডিআইজি আবদুস সালাম, পুলিশ সদর দফতরের মো. মহসিন হোসেন, শিল্প পুলিশের মো. নওশের আলী, স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) ডিআইজি মীর শহীদুল ইসলাম ও ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন, পুলিশ সদর দফতরের আবু হাসান মুহাম্মদ তারিক, টাঙ্গাইল পিটিসির কমান্ড্যান্ট ড. হাসান উল হায়দার, কেএমপির পুলিশ কমিশনারের চলতি দায়িত্বে থাকা মো. হুমায়ুন কবির, টিঅ্যান্ডআইএম এর অতিরিক্ত ডিআইজি মোর্শেদুল আনোয়ার খান, র‌্যাবের পরিচালক মো. শাহাবুদ্দিন খান, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনারের চলতি দায়িত্বে থাকা ওয়াই এম বেলালুর রহমান, আরএমপি’র পুলিশ কমিশনারের চলতি দায়িত্বে থাকা মো. মাহবুবুর রহমান, পুলিশ সদর দফতরের অতিরিক্ত ডিআইজি ড. এ এফ এম মাসুম রব্বানী, অতিরিক্ত ডিআইজি ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদ, ডিএমপির জয়েন্ট কমিশনার মীর রেজাউল আলম, ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আলী মিয়া, র‌্যাবের পরিচালক সেলিম মো. জাহাঙ্গীর, সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার দেবদাস ভট্টাচার্য, র‌্যাবের পরিচালক খন্দকার লুৎফুল কবির ও পুলিশ সদর দফতরের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল আলীম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আবারও দক্ষিণ আফ্রিকায় অসহায় আত্মসমর্পণ

এবি ডি ভিলিয়ার্স তাণ্ডবের পর ইমরান তাহির ও আন্দিলে ফেহলুকাওয়ের ঝড়, যাতে উড়ে যাওয়া বাংলাদেশ করলো অসহায় আত্মসমর্পণ। ইমরুল কায়েস ও মুশফিকুর রহিম ছাড়া সফরকারীদের আর কোনও ব্যাটসম্যানই পারেননি কোনও প্রতিরোধ গড়তে। যাতে ১০৪ রানের হারে সিরিজটাও হারালো বাংলাদেশ।

চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে শেষবার ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছিলেন ডি ভিলিয়ার্স। চার মাস পর আবারও ৫০ ওভারের ম্যাচ দিয়ে ২২ গজে ফেরা ‘এবি’ আরেকবার দেখালেন তার ব্যাটিং-তাণ্ডব। বাংলাদেশি বোলারদের শাসন করে ১০৪ বলে খেলেন ১৭৬ রানের ঝলমলে ইনিংস, যাতে দক্ষিণ আফ্রিকা স্কোরে জমা করে ৬ উইকেটে ৩৫৩ রান। বিশাল সেই লক্ষ্যের পিছে ছুটে বাংলাদেশ ৪৭.৫ ওভারে অলআউট হয়ে গেছে ২৪৯ রানে।

ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা ডি ভিলিয়ার্সের পর বল হাতে বাংলাদেশকে চেপে ধরেন তাহির ও ফেহলুকাও। প্রোটিয়াদের লেগ স্পিনার ‍তুনে নেন গুরুত্বপূর্ণ ৩ উইকেট। হাফসেঞ্চুরিয়ান ইমরুল কায়েস (৬৮), সাকিব আল হাসান (৫) ও সাব্বির রহমানকে (১৭) ফিরিয়েছেন তাহির। উইকেট সংখ্যাতে তাকেও ছাড়িয়ে গেছেন ফেহলুকাও। এই অলরাউন্ডারের শিকার ৪ উইকেট।

আগের ম্যাচে করেছিলেন সেঞ্চুরি, পার্লের দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন বড় ইনিংস খেলার। হাফসেঞ্চুরি পূরণ করে মুশফিকুর রহিম এগিয়ে নিচ্ছিলেন ব্যক্তিগত সংগ্রহ। তবে এবার সেঞ্চুরি পর্যন্ত যেতে পারেননি বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক। ৬০ রান করে তিনি ফিরে যান সাজঘরে।

৬৯ রানে ২ উইকেট হারানো বাংলাদেশ গুছিয়ে উঠেছিল ইমরুল কায়েস ও মুশফিকুর রহিমের ব্যাটে। যদিও ইমরুলের আউটের পরপরই সাকিব আল হাসান প্যাভিলিয়নে ফিরলে আবার এলোমেলো হয়ে গেছে সফরকারীদের ব্যাটিং লাইনআপ। মাত্র ৫ রান করে আউট হয়ে গেছেন সাকিব।

ইমরুল কায়েসের বিদায়ের পর সাকিবের কাছে প্রত্যাশাটা ছিল অনেক বেশি। বড় স্কোরের লক্ষ্যে খেলতে নেমে তার ব্যাটের দিকে দলের তাকিয়ে থাকাটাই স্বাভাবিক। যদিও প্রত্যাশার জবাবটা একেবারেই দিতে পারেননি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। ইমরান তাহিরের বলে কাট করতে গিয়ে ধরা পড়েন উইকেটরক্ষক কুইন্টন ডি ককের গ্ল্যাভসে। প্রথম ওয়ানডেও সাকিব আউট হয়েছিলেন তাহিরের গুগলিতে।

দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন ইমরুল কায়েস। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১৪তম হাফসেঞ্চুরি পূরণ করে এগিয়ে নিচ্ছিলেন দলের স্কোর। ব্যক্তিগত রানের সঙ্গে দলীয় স্কোর বাড়িয়ে নেওয়া এই ওপেনার অবশেষে থামলেন ৬৮ রানে। তার আউটের ঠিক আগেই হাফসেঞ্চুরির দেখা পান মুশফিকুর রহিম।

কিম্বার্লির পর পার্লেতেও হাসলো না লিটন দাসের ব্যাট। প্রথম ওয়ানডেতে ২১ রান করা লিটন বুধবারের ম্যাচে প্যাভিলিয়নে ফিরলেন ১৪ রান করে। আন্দিলে ফেহলুকাওয়ের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে বিপদ বাড়িয়ে যান তিনি বাংলাদেশের।

লক্ষ্যটা কঠিন, দরকার ছিল তাই ভালো শুরুর। দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েসের ব্যাটে বাংলাদেশের শুরুটাও হলো ভালো। কিন্তু জুটিটা এগোতে পারেনি বেশিদূর। তামিমের আউটে বাংলাদেশ হারায় প্রথম উইকেট।

চোটের কারণে তামিম খেলতে পারেননি প্রথম ওয়ানডে। বাংলাদেশও ম্যাচটি হেরেছে বাজেভাবে। পার্লের দ্বিতীয় ম্যাচে আবার দক্ষিণ আফ্রিকা বড় স্কোর গড়লে তার কাছ থেকে আরও বেশি প্রত্যাশা ছিল বাংলাদেশি ভক্তদের। ভালো শুরুতে প্রত্যাশা পূরণের ইঙ্গিত দিলেও পারলেন না বাঁহাতি ওপেনার। ডোয়াইন প্রিটোরিয়াসের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ২৫ বলে ২৩ রান করে।

এর আগে এবি ডি ভিলিয়ার্সের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে রানের পাহাড় গড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির পর প্রথমবার ওয়ানডেতে নামেন ডি ভিলিয়ার্স। নেমেই ঝড় তুললেন ২২ গজে। যে ঝড়ে সেঞ্চুরি পূরণ করে ডি ভিলিয়ার্স খেললেন ১৭৬ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস। তার এই ইনিংসটির সঙ্গে হাশিম আমলার হাফসেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে রানের পাহাড় গড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে প্রোটিয়ারা স্কোরে জমা করেছে ৩৫৩ রান।

ফাফ দু প্লেসি আউট হওয়ার পর মাঠে নামেন ডি ভিলিয়ার্স। নেমেই ঝড় তোলেন ব্যাটে। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ২৫তম সেঞ্চুরি পূরণ করে ১০৪ বলে করেছেন ১৭৬ রান। ১৫ চার ও ৭ ছক্কায় সাজানো ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোর ছাড়ায় সাড়ে তিন শ। তার সঙ্গে আবারও চমৎকার ইনিংস খেলেছেন আমলা। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান পার্লের দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও জাগিয়েছিলেন সেঞ্চুরির সম্ভাবনা। যদিও ৮৫ রানে থামে তার ইনিংস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest