সর্বশেষ সংবাদ-
জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাআঙ্গুল : গার্লস স্কুলে ভর্তি নিচ্ছে না প্রধান শিক্ষকজাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা ইউনিটের সদস্য সচিব এবং সদস্য -এর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে বিবৃতিদিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের বাগান বাড়ির চার শতাধিক গাছ কেটে ক্ষতিসাধনআগামীকাল রবিবার থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৩ দিনের ছুটিসুন্দরবনে টহল চলাকালে ডাকাত সন্দেহে গুলিবর্ষণ-অস্ত্র উদ্ধারতালা প্রেসক্লাব নির্বাচন: সভাপতি সেলিম- সম্পাদক ফারুক জাতীয় দৈনিক বাণিজ্য প্রতিদিনে যুক্ত হলেন কাজী সাজেদুর রহমানA Guide to Understanding N1 Casino Deposit Bonus Terms and Conditionsসুন্দরবনে সাপের কামড়ে মৌয়ালী আহত : হাসপাতালে ভর্তিПодробный ggbet review для оценки всех аспектов казино

দক্ষিণ কোরিয়া ও আমেরিকার যৌথ রণকৌশল চুরি

উত্তর কোরিয়ার হ্যাকাররা দক্ষিণ কোরিয়ার স্পর্শকাতর ও গোপন বহু সামরিক তথ্য চুরি করেছে।

তার মধ্যে রয়েছে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং আনকে হত্যার একটি পরিকল্পনা, এবং যুদ্ধ লেগে গেলে দক্ষিণ কোরিয়া ও অ্যামেরিকার রণকৌশল কি হবে সেসবও।

দক্ষিণ কোরিয়ার একজন এমপি জানিয়েছেন, তার দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে তিনি এই খবর পেয়েছেন। তবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

এমন এক সময় এ ঘটনার কথা জানা গেল যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং উত্তর কোরিয়ার মধ্যে তীব্র বাকযুদ্ধ চলছে এবং উভয় দেশই একে অপরকে ধ্বংস করে দেবার হুমকি দিচ্ছে।

বলা হচ্ছে, চুরির এই ঘটনা ঘটেছিল গত বছর সেপ্টেম্বরে।

সে সময় দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত কম্পিউটারগুলোতে এক সাইবার আক্রমণ হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার ডিফেন্স ইন্টিগ্রেটেড ডেটা সেন্টার নামে এই কেন্দ্রটির তথ্যভান্ডারে হ্যাকার ঢুকতে সক্ষম হয়।

এবং বলা হচ্ছে যে তথ্য চুরি হয়েছে তার পরিমাণ ২৩৫ গিগাবাইট – যার ৮০ শতাংশই এখনো চিহ্নিত করা যায় নি।

দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার সে সময় এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার কথা স্বীকার করে । কিন্তু ঘটনা ঠিক কি ঘটেছিল এবং হ্যাকাররা কি কি তথ্য নিয়ে গেছে তা প্রকাশ করেনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ডেমোক্রেটিক পার্টি প্রতিনিধি এবং একজন কংগ্রেসম্যান রি চিওল-লি ব্যাপারটা ফাঁস করে দিয়েছেন।

তিনি বলছেন, যেসব তথ্য চুরি হয়েছে তার মধ্যে কোরিয়া উপদ্বীপে একটি যুদ্ধ, এবং উত্তর কোরিয়ার নেতৃত্বকে উচ্ছেদ করার পরিকল্পনা ছিল। মি, রি-র এই বক্তব্যের জবাবে এখনো দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার কিছু বলে নি।

তিনি বলেন তার ধারণা – বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা এবং বিশেষ বাহিনীর অপারেশন সম্পর্কে খুঁটিনাটি বিভিন্ন তথ্যও চুরি হয়ে গেছে।

এটা যদি সত্যি হয়ে থাকে, তাহলে এটাও হতে পারে যে উত্তর কোরিয়া হয়তো প্রাপ্ত তথ্যের আলোকে ইতিমধ্যেই নিজেদের পরিকল্পনায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তনও এনেছে।

একই সাথে দক্ষিণ কোরিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও হয়তো এই নিরাপত্তা ব্যূহ ভাঙা হয়েছে জানতে পেরে তাদের কৌশলেও পরিবর্তন এনেছে।

উত্তর কোরিয়া অবশ্য এই হ্যাকিং-এর অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তারা বলছে, দক্ষিণ কোরিয়া সত্যকে অতিরঞ্জিত করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চীনের করিডোর প্রশ্নে ঢাকা ও দিল্লির মতবিরোধ

বাংলাদেশ-চীন-ভারত-মিয়ানমারের মধ্যে দিয়ে প্রস্তাবিত বিসিআইএম অর্থনৈতিক করিডরকে কেন্দ্র করে দিল্লি ও ঢাকার মধ্যে তীব্র মতপার্থক্য সামনে চলে এসেছে।
তার কারণ, এই করিডরটিকে চীন তাদের উচ্চাভিলাষী ‘বেল্ট রোড ইনিশিয়িটিভে’র অংশ হিসেবেই দেখাতে চায় – কিন্তু সেটি পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে এই যুক্তিতে ভারত তা আগেই প্রত্যাখ্যান করেছে।
ভারত সমগ্র কাশ্মীরকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে দাবি করে থাকে এবং সেই ভূখন্ডের ওপর অন্য দেশের কোনও আন্তর্জাতিক প্রকল্প মেনে নেওয়াকে নিজেদের সার্বভৌমত্বের সঙ্গে আপস হিসেবেই দেখে।
কিন্তু বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক গত সপ্তাহে দিল্লি সফরে এসে স্পষ্ট করেছেন, তার দেশের কাছে অর্থনীতির দাবি আগে – এবং বাংলাদেশ আশেপাশের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সংযোগ গড়ে তোলাতেই বেশি গুরুত্ব দেবে।
ফলে গত আট-নবছরে ভারত ও বাংলাদেশ মিলে প্রায় একশোর কাছাকাছি কানেক্টিভিটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করার পর হয়েছে এখন বিসিআইএম করিডরকে ঘিরে দুটো দেশ ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে – আর তার মূলে আছে এই প্রকল্পে চীনের ভূমিকা।
বিতর্কিত কাশ্মীর এলাকার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে বলে চীনের বেল্ট রোড ইনিশিয়িটেভ থেকে ভারত গত মে মাসেই নিজেদের সরিয়ে নিয়েছিল – আর বিসিআইএমও যেহেতু চীনের সেই উদ্যোগেরই অংশ, তাই ভারত সেখানেও শীতল মনোভাব দেখাচ্ছে।
দিল্লির ইন্ডিয়া ইকোনমিক সামিটের মঞ্চে কিন্তু শহীদুল হক পরিষ্কার করে দিয়েছেন, তারা বিষয়টিকে ভারতের মতো করে দেখছেন না।
হক সেখানে বলেন, “সার্বভৌমত্ব অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ভৌগোলিক ও অন্যভাবেও যেহেতু আমরা ছোট দেশ – তাই সেই সীমাবদ্ধতা দূর করতে হলে আমাদের বাকি দুনিয়ার সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতেই হবে। তাই আমাদের এলাকার অন্য অনেক দেশের চেয়ে অনেক আগে আমরা নিজেদের দরজা খুলে দিয়েছি।”
“শেখ হাসিনা সরকারের নীতিও খুব স্পষ্ট, দেশের মানুষের স্বার্থেই আমাদের সংযুক্ত হতে হবে, সার্বভৌমত্বের নামে আমরা বিচ্ছিন্ন থাকব তা হতে পারে না।”
কিন্তু চীনের প্রতি ইঙ্গিত করে ভারতের সাবেক কূটনীতিক তথা সহকারী জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা লীলা পোনাপ্পা বলছিলেন, একটা বহুপাক্ষিক প্রকল্পে কোনও বিশেষ একজন অন্যায় আধিপত্য দেখাবে এটা ভারতের পক্ষে মানা সম্ভব নয়।
পোনাপ্পার যুক্তি, “ঠিক এই কারণেই চীনের বেল্ট রোড ইনিশিয়েটিভ নিয়ে ভারত ধীরেসুস্থে এগোতে চায়। আর ইউরোপের অভিজ্ঞতা আমাদের বলে, ঠিকমতো জমি প্রস্তুত না-করে ও সবাইকে তৈরি হওয়ার সময় না-দিয়ে যদি এগোনো হয় তাহলে দারুণ পরিকল্পনাও মুখ থুবড়ে পড়ে, সার্বভৌমত্বের প্রশ্নই তখন বড় হয়ে ওঠে।”
তবে বিসিআইএম করিডরকে যে বেল্ট রোড ইনিশিয়িটিভের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে না, চীন এটা স্পষ্টভাবে বললে হয়তো এই সমস্যার সমাধান হতে পারে, মনে করছেন দিল্লিতে আসিয়ান-ইন্ডিয়া সেন্টারের প্রধান ড: প্রবীর দে।
বহু বছর ধরে তিনি এই আলোচনা প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত, আর বেল্ট-রোডের অনেক আগে থেকেই যে বিসিআইএম নিয়ে আলোচনা চলছে, সে কথাও মনে করিয়ে দিচ্ছেন তিনি।
ড: দে-র কথায়, “বেল্ট রোড ইনিশিয়েটিভ বড়জোর পাঁচ-ছবছরের কনসেপ্ট। প্রথমে ছিল মেরিটাইম সিল্ক রোড, তারপর এল ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড। আর সেই জায়গায় বিসিআইএম নিয়ে আলোচনা চলছে গত কুড়ি বছর ধরে।”
“বিসিআইএমের যে ট্র্যাক টু ফোরাম, যাকে বলা হয় কুনমিং ইনিশিয়েটিভ, তার সূচনা হয়েছিল কুনমিংয়ে ১৯৯৭ সালে। প্রথম বৈঠকের উদ্দেশ্য ছিল কলকাতা থেকে কুনমিংয়ের মধ্যে সড়ক সংযোগ গড়ে তোলা – যাকে বলা হত ট্রান্সপোর্ট করিডর।”

“ইকোনমিক করিডরের ভাবনাটা অবশ্য আরও পরে এল। এই প্রকল্প রূপায়িত হলে বাংলাদেশের জন্য তা যে বিরাট উপকার বয়ে আনবে তা নিয়ে কোনও সন্দেহই নেই। তাদের জন্য আরও একটা সুবিধা হল চীনের সঙ্গে তাদের সরাসরি কোনও সীমান্ত নেই … কিন্তু ভারত-চীনের সীমান্ত আছে, আর সেটাও বিতর্কিত”, বলছিলেন প্রবীর দে।
একই ভাবনার শরিক শহীদুল হকও -তিনিও বলছেন বেল্ট রোডের চেয়ে বিসিআইএমের ভাবনা আসলেই অনেক বেশি পুরনো – এবং বাংলাদেশ বহু বছর ধরে বিসিআইএম নিয়ে নিবিড় আলোচনা চালাচ্ছে।
কিন্তু চীনের নতুন পরিকল্পনা সেই আলোচনাকেই এখন থমকে দিয়েছে – এবং প্রস্তাবিত করিডরের দুই গুরুত্বপূর্ণ শরিক দেশ, ভারত ও বাংলাদেশ সার্বভৌমত্বের প্রশ্নটি নিয়ে একমত হতে পারছে না।
অন্যভাবে বললে, বিতর্কিত কাশ্মীরের ছায়া পড়ায় আপাতত আটকে গেছে কলকাতা-ঢাকা-মান্দালে-কুনমিংয়ের সেতুবন্ধন!

সূত্র : বিবিসি বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে ক্ষমতাসীন বিজেপি সভাপতির ছেলে ‘আঙুল ফুলে কলাগাছ’

অনলাইন ডেস্ক : ভারতে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর এ দলটির সভাপতি অমিত শাহর ছেলে জয় শাহর ব্যবসা নাটকীয় গতিতে বেড়েছে। বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর জয়ের কোম্পানির মোট আয় ৫০ হাজার রুপি থেকে ৮০ কোটিতে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। খবর দ্য ওয়্যারের।

ভারতের রেজিস্ট্রার অব কোম্পানিজে (আরওসি) দাখিল করা নথিতে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির ক্ষমতা গ্রহণ ও বিজেপিতে অমিত শাহর সভাপতি হিসেবে পদোন্নতির পর থেকে জয় শাহর মালিকানাধীন কোম্পানির আয় বেড়েছে ১৬ হাজার গুণ।
আরওসি থেকে পাওয়া কোম্পানির ব্যালান্স শিট ও বার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০১৩ ও ১৪ অর্থবছরে জয় শাহর কোম্পানি টেম্পল এন্টারপ্রাইজের লোকসান হয় পর্যায়ক্রমে ৬ হাজার ২৩০ রুপি ও ১ হাজার ৭২৪ রুপি। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ওই অর্থবছরে তাদের মোট আয় ছিল ৫০ হাজার রুপি আর লাভের পরিমাণ ছিল ১৮ হাজার ৭২৮ রুপি। আর পরের অর্থ বছর ২০১৫-১৬তে কোম্পানির মোট আয় একলাফে দাঁড়ায় ৮০ দশমিক ৫ কোটিতে।
রাজেশ খানডাওয়ালার মালিকানাধীন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ১৫ দশমিক ৭৮ কোটি টাকার অনিরাপদ ঋণ পাওয়ার পরই টেম্পল এন্টারপ্রাইজের আয়ের আশ্চর্যজনক ওই উত্থান হয়। আর রাজেশ খানডাওয়ালা রাজ্যসভার সাংসদ ও রিল্যায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের শীর্ষ নির্বাহী পরিমল নাথাওয়ানির আত্মীয়।
২০১৬ সালের অক্টোবরে জয় শাহর কোম্পানি হঠাৎ ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড বন্ধ করে দেয়। কোম্পানির পরিচালকদের প্রতিবেদনে ঘোষণা দেওয়া হয়, ওই বছরে তাঁদের ১ দশমিক ৪ কোটি রুপি লোকসান হয়েছে এবং আগের বছরগুলোর লোকসানের কারণে কোম্পানির মোট সম্পদ ‘পুরোপুরি হারিয়েছে’।
আয়ের এই বিপুল বৃদ্ধির বিষয়ে জয় শাহর সঙ্গে দ্য ওয়্যারের পক্ষ থেকে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। জয় তখন চলতি পথে আছেন বলে এ বিষয়ে দ্রুত মন্তব্য করতে অপারগতা জানান। পরে জয়ের আইনজীবী মানিক ডোগরা মানহানির দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা করার হুমকি দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কুলিয়া আঞ্চলিক প্রেসক্লাবে আহবায়ক কমিটি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া আঞ্চলিক প্রেস ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির দুই বৎসর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় কমিটি বিলুপ্তি ঘোষনা শেষে গতকাল আহবায়ক কমিটি গঠণ করা হয়েছে। উপস্থিত সদস্যদের সর্ব সম্মতিক্রমে আমিনুর রশিদ সুজনকে আহবায়ক করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অন্যান্যরা হলেন শাহিনুর ইসলাম সদস্য সচিব ও রমজান মোড়ল, সদস্য । এসময় উপস্থিত ছিলেন কুলিয়া আঞ্চলিক প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা মোঃ আবু হুরাইরা। নব গঠিত আহবায়ক কমিটি অত্র প্রেসক্লাবের ভোটার তালিকা হাল নাগাদসহ আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জলাবদ্ধতার কবলে শ্যামনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

শ্যামনগর প্রতিনিধি : উপযুক্ত পানি নিষ্কাশনে ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাবে জলাবদ্ধতায় শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স্রের প্রধান ফটক। ১০ বৎসর আগে উপজেলা কমপ্লেক্সের নতুন ভবন নির্মান করা হয়েছে। কিন্তু ৫০ শয্যা বিশিষ্ট এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পানি নিষ্কাশনের দৈন্য দশা চোখে পড়ার মতো। বৃষ্টি হলেই প্রধান ফটকে হাটু পানি জমে যায়। শুধু প্রধান ফটক নয় কমপ্লেক্স এলাকার যত্র তত্র খানা খন্দ সৃষ্টি ও সেট্টিটেংকির ঢাকনা ঠিক মত না আটকানোর ফলে সেখানে বৃষ্টির পানি জমে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এখন অস্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিণত হয়েছে। বৃষ্টি হলেই ভোগান্তির শিকার হতে হয় রোগী সহ তার আত্œীয় স্বজনদের। কমপ্লেক্স এর পানি পায়ে পায়ে হাসপাতালের সকল ফ্লোরে কাদামাটি হওয়ায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসী জরুরি ভাবে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দৈনিক দৃষ্টিপাতের প্রতিষ্ঠাবার্ষীকিতে বর্ণাঢ্য আয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক : ষোল বছরের পথ পরিক্রমা, সত্যা সত্য আর নিরপেক্ষতাকে সঙ্গী করে এগিয়ে চলা পাঠক প্রিয় দৃষ্টিপাতের সতের বছরে পা দেওয়ার আনন্দঘন, উৎসবমুখর, উচ্ছাস আর আলোক আভার বিচ্ছুরনের দ্রুতি ছিল দৃষ্টিপাত ভবনে, শরতের স্নিগ্ধ সন্ধ্যার আলো আধারীর মহনীয় কেক কাটা আর শুভেচ্ছা বিনিময় সভা চলে অতি আন্তরিকতা আর অন্তরঙ্গ আবহে। গতকাল অপরাহেৃ সংবাদ কর্মিদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণির রাজনৈতিক নেতৃত্ব, জনপ্রতিনিধিসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ দৃষ্টিপাত ভবনে উপস্থিত হয়ে সম্পাদক সহ পরিবারের সদস্যদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান, জন্মদিনের শুভ সূচনা আর কেক কেটে বর্ণাঢ্য আলোক আভারণের আনন্দ ধারার আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম।
বর্ণাঢ্য আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন ও সম্পাদককে শুভেচ্ছা জানাতে আসেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, দৈনিক কালের চিত্র সম্পাদক আবু আহমেদ, সিনিয়র সাংবাদিক প্রথমআলো’র স্টাফ রিপোর্টার কল্যাণ ব্যানার্জি, দৈনিক আজকের সাতক্ষীরার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, দৈনিক দক্ষিণের মশালের সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেকই এলাহী, দৈনিক সাতনদী সম্পাদক হাবিবুর রহমান, সাতক্ষীরা রিপোর্টার্স ইউনিটির আহ্বায়ক রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী, প্রেস ক্লাবের সম্পাদক আঃ বারী, ইত্তেফাক প্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম মিনি, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদকগণ মমতাজ আহমেদ বাপ্পী, এম কামরুজ্জামান, মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জ্বল ও মোজাফফর হোসেন, বরুন ব্যনার্জী, সদর উপজেলা আ’লীগ সভাপতি এসএম শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী, সাংবাদিক কাজি শওকত হোসেন ময়না, আকতারুজ্জামান বাচ্চু। ফুলেল শুভেচ্ছা জানান, আজাদী সংঘের সম্পাদক মাছুম বিল্লাহ ও এ্যাডঃ শাহেদুজ্জামান সাহেদ।
আলোকিত, আনন্দধারার সতের বছরে পা রাখা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জেলা আ’লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম, দৃষ্টিপাতকে সৎসাহসী নিরপেক্ষতার প্রতিক হিসেবে অবহিত করে বলেন গণ মানুষের পত্রিকা দৃষ্টিপাত প্রতিদিন কাকডাকা ভোরে ঝড় বৃষ্টি প্রাকৃতিক দুর্যোগ উপেক্ষা করে পাঠকের হাতে পৌছায়, তিনি দৃষ্টিপাতের সাহসী এবং আদর্শিক পথ চলা আরও সুসংহত এবং সুদৃঢ় করণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আঞ্চলিকতার গন্ডি পেরিয়ে দৃষ্টিপাত জাতীয় পত্রিকা হিসেবে পাঠককুল যেন পেতে পারেন এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তিনি দৃষ্টিপাত পরিবারের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান, এর পূর্বে প্রধান অতিথি সহ অপরাপর অতিথীদের দৃষ্টিপাত ভবনে স্বাগত জানান সম্পাদক প্রকাশক জি,এম নূর ইসলাম, নির্বাহী সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক আবু তালেব মোল্ল্যা, মফস্বল সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সুজন, বার্তা সম্পাদক আদম শফিউল্লাহ, সহ সম্পাদক শেখ মারুফ হাসান মিঠু, সহ-সম্পাদক ওমর ফারুক, ম্যানেজার বুলবুল, স্টাফ রিপোর্টার মীর আবু বকর, ফটো সাংবাদিক ফিরোজ, ডাঃ শাহাজাহান আলী, আনছার আলী, কালিগঞ্জ ব্যুরো আবু হাবিব, আগড়দাঁড়ি প্রতিনিধি আবুল কালাম, অফিস সহকারী রাশিদুল, নাজিম, জয়, মোকলেছ, আজমীর, আগত অতিথিদের ধন্যবাদ জানিয়ে দৃষ্টিপাত সম্পাদক ও প্রকাশক জিএম নূর ইসলাম বলেন পাঠকই দৃষ্টিপাতের প্রেরণা, পাঠকরাই দৃষ্টিপাতের সঙ্গী সতের বছরের অগ্রযাত্রা দৃষ্টিপাত কে আরও একটি বছরের সাথে স্পর্শ হলো চলমান পথ পরিক্রমা দৃষ্টিপাত তার জন্ম শফলসহ স্বকীয়তা বজায় রাখবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় বিদ্যুতের মিটার বিষ্ফোরণ, ২টি বসত ঘর আগুনে পুড়ে ছাঁই

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় বৈদ্যুতিক মিটার বিস্ফোরণ হয়ে ২টি বসতঘর আগুনে পুড়ে ছাঁই হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার বিকালে উপজেলার সখিপুর ইউনিয়নের ধোপাডাঙ্গা গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধোপাডাঙ্গা গ্রামের মৃত শাবান কবিরাজের পুত্র আকবর আলী দিন মজুর হওয়ায় দিনের বেলা মাঠে কাজ করতে যায়। এসময় তার বাড়িতে থাকা অন্য ৩ সদস্যরা কন্যার সন্তান হওয়ায় হাসপাতালে দেখতে যায়। বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে হঠাৎ তার মিটার বিস্ফোরিত হয়ে কাঁচা ঘরবাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে সেখান থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে তার পাশের বাড়ি জব্বার আলীর পুত্র আবু ফরহাদ আলীর ঘরে প্রবেশ করে। আগুনে আকবর আলী ঘরের সব কিছু পুড়ে যায় এবং আবু ফারহাদের ঘর বেশির ভাগই পুড়ে যায়। কিন্তু ঘরের ভিতরের সকল মালামাল পুড়ে গেলেও ঘরের ভিতরে থাকা ১টি পবিত্র কোরআন শরীফ ও কয়েকটি হাদিসের বই আল্লাহর রহমতে অক্ষত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। এলাকাবাসীরা জানান, বাড়ির বৈদ্যুতিক মিটার বিস্ফোরিত হয়ে এ অগ্নিকা-ের সূত্রপাত।
আকবর আলী নামের উক্ত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বলেন, আমরা বাড়িতে না থাকায় ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়লে ঘরের ভিতরে থাকা খাট, সোকেস, চাল-ডাল সহ সাংসারিক সকল জিনিষ-পত্র মিলে ৩লক্ষাধিক টাকার মালামাল পুড়ে যায়। তাছাড়া তার পুত্র বাইতে কাজ করতে যাবে বলে তাদের কাছ থেকে দাদনের টাকা ও বাড়িতে সঞ্চয় করা ১লক্ষাধিক টাকা পুড়ে যায়। বর্তমানে তার পরনের কাপড়টি ছাড়া আর কিছুই নেই। একইভাবে উক্ত আগুনে পাশাপাশি বসবাস করা তারই আপন ভাইপো আবু ফরহাদ আলীর ঘরেও প্রবেশ করে।
এবিষয়ে আবু ফরহাদ বলেন, বৈদ্যুতিক মিটার বিস্ফোরিত হয়ে চাচার ঘরের সবকিছু পুড়ে যাওয়ার সাথে সাথে তার ঘরে উক্ত আগুন প্রবেশ করে ঘরের ভিতরে থাকা টিভিসহ সাংসারিক জিনিষ-পত্র মিলে প্রায় ৫০ হাজার টাকার মালামাল পুড়ে যায়। বর্তমানে উক্ত পরিবার ২টি আগুনে সর্বস্ব হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল করিম ও জগন্নাথ মন্ডলের কাছে জানতে চাইলে বলেন, উক্ত ঘটনার সংবাদ পেয়ে আমি তাদের বাড়িতে গিয়েছিলাম। তাদের পরিবারকে প্রাথমিক ভাবে শান্তনা প্রদান করি এবং মঙ্গলবার দেবহাটা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা কেবিএ কলেজের ৪ শিক্ষার্থী মেডিকেলে চান্স পেয়েছে

দেবহাটা ব্যুরো : দক্ষিণ-পশ্চিমঞ্চালের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ হযরত খানবাহাদুর আহছান উল্লা(রাঃ)এর নামে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খানবাহাদুর আহছান উল্লা কলেজের ৪ ছাত্র-ছাত্রী মেডিকেলে পড়ার সুযোগ পেয়েছে। সারাদেশের ন্যায় একযোগে অনুষ্ঠিত্ব মেডিকেল পরীক্ষায় মেধা অনুসারে চান্স পেয়েছে ৩ ছাত্র ও একজন ছাত্রী। তাছাড়া অপেক্ষামান তালিকায় রয়েছে আর এক ছাত্র। অনুষ্ঠিত পরীক্ষা নামক ভর্তি যুদ্ধে সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়ে শহিদ সোহরাউর্দী মেডিকেল কলেজে তাসমিয়া সুলতানা বৃষ্টি, খুলনা মেডিকেল কলেজে মাহফুজুর রহমান ও তাপস কুমার মন্ডল এবং সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে অলিউর রহমান চান্স পেয়েছে। তবে অপর এক ছাত্র সোহাগ হোসেন অপেক্ষামান তালিকায় রয়েছেন। একই সাথে কলেজের গনিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আকরাম হোসেনের পুত্র শেখ মাহবুবুর রহমান খুলনা মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছে।
উল্লেখ্য যে, কলেজটি প্রতিবছর মেডিকেল, ইনিঞ্জিনিয়ারিংসহ বিভিন্ন খ্যাতমান প্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ সৃষ্টি করে দিচ্ছে। সেই সাথে কলেজটি সকল বিভাবে অভাবনীয় সাফাল্য রেখে চলায় পরিচালনা পরিষদ, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের স্বাধুবাদ জানিয়েছেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা। এই সাফাল্য অব্যাহত রাখায় কলেজটি ইতোমধ্যে জাতীয়করণের একেবারে শেষ পর্যায়ে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest