সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেলকালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ঘের মালিকের মৃত্যুআর্ন্তজাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবসে ৮ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনFaire une pause stratégique : comment la fonction « cool‑off » transforme les tournois de casino en ligne en moments de jeu responsableইতিহাসের বিচার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা: ফুল কি ক্ষমা করতে পারে?Guide complet du casino en ligne – Tout ce que vous devez savoirWas Sie über das Online Casino SG wissen müssen, bevor Sie anfangen

শ্যামনগর ব্যুরো : মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে হিন্দু ধর্মালম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব দুর্গা পূজা শুরু হয়েছে। উৎসবকে সামনে রেখে বাংলাদেশের মধ্যে সর্ববৃহৎ উপজেলা শ্যামনগরের ১২ টি ইউনিয়নে ৬২টি পূজামন্ডপে দুর্গাপুজা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে কঠোর ব্যবস্থা সহ বিশেষ বিশেষ সংবাদ সংগ্রহের জন্য কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কামরুজ্জামান জানান, সকল পূজা মন্ডপে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। পূজা মন্ডপ গুলোতে পুলিশ, আনছার, গ্রাম পুলিশ মতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া র‌্যাব-৬ এর সদস্যরা সার্বক্ষনিক টহল জোরদার রেখেছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে কন্ট্রেলরুম খোলা হয়েছে। জরুরী সংবাদের জন্য ০১৭৮৫-৭৫৯০৯৫ ও ০১৭২৮-৯০২৩৯২ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বলা হয়েছে। শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ মান্নন আলী জানান, পূজা মন্ডপ গুলিতে আইন শৃংখলা রক্ষায় গ্রাম পুলিশ মতায়েন করা হয়েছে।

পুলিশ সদস্যদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। নির্দেশ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। তাছাড়া সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রক্ষা করা হবে। উপজেলা পূজা উৎযাপন কমিটির সাধারন সম্পাদক এ্যাডঃ কৃষ্ণপদ মন্ডল জানান, এ বছরে ৬২ টি পূজা মন্ডপে দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে নকিপুর হরিতলা, হরিনগর বাজার, মধ্য কুলতলী, আড়পাঙ্গাশিয়া পি এন স্কুল, আড়পাঙ্গাশিয়া কৃষ্ণ মন্দির, বড় কুপট বৈদ্য বাড়ী ও নওয়াবেঁকী বাজার সংলগ্ন কুপট মন্দিরের পূজা মন্ডপ সবচেয়ে আকর্ষণীয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : ভোমরা বন্দরে ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল চালকদের অফিসে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুরের অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলায় আটজনের জামিন মঞ্জুর করেছে আদালত। একইসাথে বাদি জাকির হোসেন এক এফিডেফিডে আসামিদের নির্দোষ সাজিয়ে মঙ্গলবার আদালতের কাঠ গড়ায় আট আসামীর পক্ষে জামিনে সহায়তা করায় আদালতে নির্দেশে দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত তাকে কোর্ট হাজতে আটকে রাখেন। সাতক্ষীরা আমলি আদালত-১ এর বিচারক হাবিবুল্লাহ মাহমুদ আসামিদের জামিন ও বাদিকে আটকে রাখার এই নির্দেশ দেন ।
এদিকে, বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি ভাংচুরের ঘটনায় ভোমরা গ্রামের মিয়ারাজ হোসেনের ছেলে বাদি জাকির হোসেন মোটা অংকের টাকা নিয়ে এফিডেফিড দিয়ে আসামিদের জামিনে সহযোগিতা করেছেন বলে অভিযোগ স্থানীয় আ ’লীগ নেতাদের।
সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পিপি এ্যাড. ফাহিমুল হক কিসলু জানান, সদর থানার জিআর- ৭৪৭/১৭ নং মামলার ১১ আসামীর মধ্যে মুনসুর আলী, সিরাজুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর হোসেন, খোকা, মন্টু হোসেন, সোহরাব হোসেন, সুমন ও এরশাদকে মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় সাতক্ষীরা আমলি আদালত প্রথম আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন জানায়। এ সময় বাদি জাকির হোসেন এক এফিডেফিডের মাধ্যমে আসামিদের নির্দোষ বলে তাদের জামিন দিলে তার কোন আপত্তি নেই বলে কাঠগড়ায় থেকে বিচারকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এ ধরনের স্পর্শকতার মামলায় আসামীদের জামিনে বাদী প্রভাবিত হয়েছে মনে করে তাকে কোর্ট হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক হাবিবুল্লাহ মাহমুদ। এরপর বিকেল ৫টার দিকে তাকে খাস কামরায় ডেকে বিস্তারিত জেনে তাকে সতর্ক করে মুক্তির আদেশ দেন।
নলতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনারুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবলীগ সম্পাদক পলাশ হোসেনসহ কয়েকজন জানান, আসামিদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে জাকির এই মামলার আসামিদের জামিনে সহযোগিতা করেছেন। যারা বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি ভাংচুর করেছে তাদের জামিনে সহায়তা করা গুরুতর অপরাধ। বিষয়টি নিয়ে তারা দলীয় ফোরামে আলোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান।
এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় জাকির হোসেনের ০১৭৪৪-৬৪৭০৭২ নং মোবাইল ফোনে কয়েক বার রিং দিলেও তিনি তার ফোনটি রিসিভি করেননি। পরে তিনি ফোনটি বন্ধ করে দেন।
সাতক্ষীরা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক আশরাফুল বারী এ মামলার বাদী জাকির হোসেনকে কোর্ট হাজতে পাঁচ ঘণ্টা আটক রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ২২ সেপ্টেম্বর ভোমরা স্থলবন্দর মটর সাইকেল চালক সমিতির অফিসহ বঙ্গবন্ধু ও প্রধান মন্ত্রীর ছবি ভাংচুরের ঘটনায় ভোমরা ইউপি চেয়ারম্যান ইসরাঈল গাজীসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। মটর সাইকেল চালক সমিতির সভাপতি জাকির হোসেন বাদি হয়ে শুক্রবার রাতে এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নং-৬০, তারিখ-২২.০৯.১৭।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শেখ তহিদুর ডাবলু : বহু জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ডিবি ইউনাইটেড হাইস্কুলের মাঠের কথিত আনন্দ মেলা ও লটারি অনুষ্ঠিত হচ্ছে না বলে জানা গেছে। বিষয়টি ডেইলি সাতক্ষীরাকে নিশ্চিত করেছেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দীন। ডেইলি সাতক্ষীরাকে তিনি জানিয়েছেন, “ওখানে কোন মেলার অনুমোদনই দেয়া হয়নি। ধরে নিন ওটা বন্ধ হয়ে গেছে।”
উল্লেখ্য, ডি বি ইউনাইটেড হাইস্কুলে মাঠে মাসব্যাপী আনন্দ মেলায় সার্কাস, যাত্রা ও দৈনিক র‌্যাফেল ড্রসহ বিভিন্ন বিনোদনের ব্যবস্থার কথা সম্বলিত ব্যানারসহ একাধিক গেইট প্রস্তুত করা হয়েছে। সেখানে এই মেলা ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ থেকে আগামী ২৫ অক্টোবর ২০১৭ পর্যন্ত চলবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি জেলার বিভিন্ন স্থানে একের পর মেলার আড়ালে জুয়া, অশ্লীল নৃত্য ও গরিবের রক্তচোষা র‌্যাফেল ড্র নামক লটারির কারণে জেলার সর্বসাধারণের মধ্যে ব্যাপক নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ায় সৃষ্টি হয়েছে। দ্রব্যমূল্যের সীমাহীন উর্ধ্বগতি, দেশের ৩২ জেলায় বন্যা, হাঙর অঞ্চলে ফসলহানি ও সাম্প্রতিক রোহিঙ্গা পরিস্থিতি মিলিয়ে জনজীবনে এক ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। এমতাবস্থায় চাল কিনতে উপার্জন শেষ হওয়া দরিদ্র মানুষের সামান্য রোজগারের টাকাও চলে যেতে বসেছে এসব লটারি, জুয়া ও অশ্লীলতায়।
এদিকে, ডি বি হাইস্কুলের সভাপতি ব্রক্ষ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম এবং ডিবি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ও ব্রক্ষ্মরাজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোমিনুর রহমান মুকুল সরকারি পরিপত্র লঙ্ঘন করে বিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম চলাকালীন এ ধরনের মেলার জন্য বিদ্যালয়ের মাঠ বরাদ্দ দেয়ায় ধুলিহর ও ব্রক্ষ্মরাজপুর ইউনিয়নের ৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সভাপতিগণ সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক বরাবর শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষাবর্ষের শেষ মূহুর্তে তাদের লেখাপড়ার বিঘœ সৃষ্টি করতে পারে এমন কার্যক্রমের অনুমতি না দেয়ার আবেদন জানান। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের এ আবেদনের পক্ষে লিখিত সুপারিশ রয়েছে সাতক্ষীরা জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মোঃ নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা আ ’লীগ এর সভাপতি এস এম শওকত হোসেন, সদর উপজেলা আ ’লীগ এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহজাহান আলী, সদর উপজেলা আ ’লীগ এর যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুর রশিদসহ বিভিন্ন ব্যক্তির।
পাঠকদের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর করা আবেদন পত্রটির ভাষ্য অক্ষুণœ রেখে নি¤েœ প্রকাশ করা হলো-
“আমরা নি¤œ স্বাক্ষরকারীগণ সাতক্ষীরা সদর ০৯ নং ব্রম্মরাজপুর ও ০৮ নং ধুলিহর ইউনিয়ন এ অবস্থিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়/ আলিয়া মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এবং প্রধান শিক্ষক হইতেছি। উক্ত ২টি ইউনিনে ৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৩টি আলিয়া মাদ্রাসা আছে। তাছাড়া অসংখ্য সরকারি প্রাধমিক বিদ্যালয় আছে। আগামী নভেম্বর মাসে এ সমস্ত স্কুল, মাদ্রাসার ছাত্র/ছাত্রীদের জেএসসি/জেডিসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তাছাড়া ১৮ সনের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের টেস্ট পরীক্ষা আগামী মাসে অনুষ্ঠিত হবে এবং এবং প্রাধমিক বিদ্যালয় সমূহের সমাপনী পরীক্ষা আগামী ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হবে। এ অবস্থায় ডি.বি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে সার্কাস অনুষ্ঠিত হলে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র/ছাত্রীদের লেখাপড়ায় মনোনিবেশ করানো কষ্টকর হয়ে যাবে এবং অধিকাংশ ছাত্র/ছাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হবে। উহাতে এ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহে আগামীতে অনুষ্ঠিত পাবলিক পরীক্ষায় পাশের হার কমে যাবে।
এমতাবস্তায়, সংশ্লিষ্ঠ এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের শিক্ষার মান সমুন্নত রাখতে সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন ০৯ নং ব্রম্মরাজপুর ইউনিয়নের ডি.বি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে সার্কাস অনুষ্ঠানের অনুমতি না দিতে আপনার মর্জি হয়।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : শারদীয় দুর্গা পূজা, মহরম ও গান্ধী জয়ন্তী উপলক্ষ্যে ২৭ শে সেপ্টেম্বর বুধবার থেকে টানা ৬ দিনের ছুটির ফাঁদে পড়েছে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দরের আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম। আগামী ৩ অক্টোবর থেকে যথারীতি আবারও আমাদানী-রপ্তানী কার্যক্রম শুরু হবে। তবে, এসময় ভোমরা স্থল বন্দরের ইমিগ্রেশন দিয়ে পাসপোর্ট যাত্রীরা যথারীতি যাতায়াত করতে পারবেন।
ভোমরা স্থল বন্দর সিএন্ডএফ এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কাজী নওশাদ দেলোয়ার রাজু বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভারতের ঘোজাডাঙ্গা সিএন্ডএফ এজেন্ট এমপ্লয়ী কার্গো এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মিহির ঘোষের স্বাক্ষরিত একটি পত্রে জানানো হয়েছে, শারদীয় দূর্গা পূজা, মহরম ও গান্ধী জয়ন্তী উপলক্ষ্যে ২৭শে সেপ্টেম্বর বুধবার থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত ঘোজাডাঙ্গা স্থল বন্দরের আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান, সে দেশের সিএন্ডএফ এজেন্ট এমপ্লয়ী কার্গো এ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা আমদানী রপ্তানী কার্যক্রম বন্ধ রাখলে বাধ্য হয়ে আমাদেরও বন্ধ রাখা ছাড়া কোন উপায় থাকেনা। তিনি আরো জানান, আগামী ৩ অক্টোবর থেকে আবারও যথারীতি আমাদানী-রপ্তানী কার্যক্রম শুরু হবে।
ভোমরা স্থল বন্দর শুল্ক স্টেশনের তথ্য কর্মকর্তা বিকাশ বড়–য়া জানান, শুল্ক ষ্টেশন খোলা থাকলেও সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশন শারদীয় দূর্গা পূজা, মহরম ও গান্ধী জয়ন্তী উপলক্ষ্যে টানা ছয় দিন বন্দরের আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে, এই সময়ে ভোমরা বন্দরের ইমিগ্রেশন দিয়ে পাসপোর্ট যাত্রীরা যথারীতি যাতায়াত করতে পারবেন বলে তিনি আরো জানান ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তে পৃথক দুটি পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে নারী ও শিশুসহ ১৭ বাংলাদেশিকে ফেরত দিয়েছে বিএসএফ। এদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ, আটজন নারী ও তিনজন শিশু রয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে কলারোয়া উপজেলার ভাদিয়ালী ও কেড়াগাছি সীমান্তে পৃথক দুটি পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের ফেরত দেয়া হয়। ফেরত আসা এ সব বাংলাদেশিদের বাড়ি সবারই গোপালগঞ্জ, খুলনা ও নীলফামারি জেলার বিভিন্ন গ্রামে।
সাতক্ষীরা ৩৮ বিজিবি’র কাকডাঙ্গা ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) নায়েব সুবেদার মিজানুর রহমান জানান, কাজের সন্ধানে চোরাই পথে তারা অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় মঙ্গলবার সকালে কলারোয়া উপজেলার ভাদিয়ালী ও কেড়াগাছি সীমান্তের বিপরীতে ভারতের ৭৬ ব্যাটালিয়নের হাকিমপুর ও তারালী বিএসএফ ক্যাম্পের টহলরত সদস্যরা তাদের আটক করে। এরপর মঙ্গলবার দুপুরে ভাদিয়ালি সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ৮ জন এবং পার্শ্ববর্তী কেড়াগছি সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ৯ জন বাংলাদেশিকে ফেরত দেয় বিএসএফ। তিনি আরো জানান, ফেরত আসা এসব বাংলাদেশীদের কলারোয়া থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার নাথ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তাদের বিরুদ্ধে বিনাপাসপোর্টে ভারতে যাওয়ার অপরাধে পাসপোর্ট আইনে মামলা দিয়েছে বিজিবি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার দেবহাটায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে পূজার সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে দেবহাটা উপজেলার নাংলা বাজারস্থ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা অনিক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে প্রায় ২ শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে এই পূজার সামগ্রী বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক(কার্যক্রম) ও সরকারের যুগ্ম সচিব আবু ইউসুফ।

অনিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক মেহের আলীর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক দেবাশীষ সরদার, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ডাঃ অধির কুমার গাঈন, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল ওহাব, রিপোর্টাস ক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, প্রতিষ্ঠানটির উপ-পরিচালক আবু সাঈদ, বিশিষ্ট সমাজসেবক বাবুর আলী প্রমূখ।

এ সময় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার গরিব, অসহায় সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবারের মাঝে ময়দা, ডাল, তেল ও সাবান প্রদান করা হয়। এসময় সমাজসেবা অধিদপ্তরের সাতক্ষীরার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা কালেক্টরেটের নিরাপত্তা প্রাচীর ভেঙ্গে চীফ জুডিশিয়াল আদালত ভবনের গেট নির্মাণ উদ্যোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করেছে সাতক্ষীরা কালেক্টরেট কর্মচারীবৃন্দ। মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সাতক্ষীরা কালেক্টরেট কর্মচারী সমিতির সভাপতি মাকসুদার রহমান খান চৌধুরী সুজার সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা কালেক্টরেট কর্মচারী সমিতির সহ-সভাপতি জেপি মোশারফ হোসেন, এস.এম শফিকুল ইসলাম, সাতক্ষীরা কালেক্টরেট কর্মচারী সমিতির উপদেষ্টা এস.এম শহিদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা, সাতক্ষীরা কালেক্টরেটের নাজির খাজা শাহবুদ্দিন, জিন্নাতুন আরা খানম, চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী সমিতির সভাপতি হোসনে আরা খানম, শামীমা আক্তার, তপন কুমার সরদার, শেখ নুরুজ্জামান, মো. আলতাফ হোসেন, কামরুজ্জামান, নাসরুল্লাহ বাবু, মো. আবুল হোসেন, তবিবর রহমান, আফতাবুদ্দিন, জগদিশ চন্দ্র বিশ^াস, পুতুল রাণী বৈরাগী, নুর মোহাম্মদ মোড়ল প্রমুখ। এসময় বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরা কালেক্টরেট ভবন ও এর চার পাশের প্রাচীর নির্মিত হয় মন্ত্রি পরিষদ বিভাগের অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী। সাতক্ষীরা কালেক্টরেটের নিরাপত্তা দক্ষিণ পাশের প্রাচীর ভেঙ্গে চীফ জুডিশিয়াল আদালত ভবনের গেট নির্মাণ হলে এই অফিস ও আদালতে আসা জনগণসহ কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিরাপত্তা বিঘি¥ত হবে। সাতক্ষীরা কালেক্টরেটের নিরাপত্তা প্রাচীর ভেঙ্গে গেট নির্মাণ করতে হলে মন্ত্রি পরিষদ বিভাগের অনুমতি নিতে হবে বলে জানান বক্তরা। এসময় কালেক্টরেট কর্মচারী সমিতির সদস্য, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির সকল কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দুর্নীতির মামলায় সাত জনপ্রতিনিধিকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেকের এক লাখ ৯৬ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক নিতাই চন্দ্র সাহা এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিতরা হলেন নড়াইলের জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন বিশ্বাস, নড়াইল পৌরসভার মেয়র মো. জাহাঙ্গীর বিশ্বাস, তৎকালীন কমিশনার শরফুল আলম লিটু, মুশফিকুর রহমান, আহমদ আলী খান, রফিকুল ইসলাম ও তেলায়েত হোসেন।। এঁদের মধ্যে সোহরাব হোসেন পলাতক। অন্যদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

এ মামলার আরেক আসামি পৌরসভার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সচিব মতিয়ার রহমান মারা যাওয়ায় তাকে আসামির তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

মামলার সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, ২০০৪-০৫ অর্থবছরে আসামি সোহরাব হোসেন নড়াইল পৌরসভার মেয়র ছিলেন। ওই সময় রূপগঞ্জ পশুর হাট ইজারার দরপত্র আহ্বান করা হয়। এইচ এম সোহেল রানা পলাশ নামে এক ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৬৫ হাজার ৫৫৫ টাকায় ওই হাটের ইজারা পান এবং তিনি দরপত্রের নিয়ম অনুযায়ী ৩৩ হাজার টাকা জমা দেন। পরে তিনি দরপত্র মূল্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করে ইজারা থেকে অব্যাহতির আবেদন করেন এবং মেয়র হিসেবে সোহরাব হোসেন তা মঞ্জুর করেন। এরপর ইজারাদাতাকে তাঁর জমা করা টাকা ফেরত দেওয়া হয়। একই সঙ্গে নতুন করে ইজারা আহ্বান না করে সবাইকে অবৈধভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে ওই হাট তিন বছর ধরে খাস দেখিয়ে এক লাখ ৯৬ হাজার টাকা আদায় করেন এবং সব অর্থ আত্মসাৎ করেন।

এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের যশোরের সহকারী পরিচালক ওয়াজেদ আলী বিশ্বাস ২০০৮ সালের ৭ আগস্ট আটজনকে আসামি করে নড়াইল সদর থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে আজ বিচারক প্রত্যেক আসামিকে সাত বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং আত্মসাৎ করা টাকা, জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest