সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা, জলবায়ু ন্যায্যতা ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালাসাংবাদিক জিন্নাহর উপর হামলাকারী মামুনকে কারাগারে পাঠালো আদালতসাতক্ষীরায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ১১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার চেক বিতরণসাতক্ষীরায় জ্বালানি তেল মজুদের দায়ে ব্যবসায়ীর জেল জরিমানালবণাক্ততা দূরীকরণ ও লবণ পানি অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে আটুলিয়ায় গণতান্ত্রিক সংলাপসাতক্ষীরায় পহেলা বৈশাখে মর্নিং সান প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বর্ণাঢ্য আয়োজনদেবহাটার ১০ ফুটের খাল কাটার উদ্বোধনসাতক্ষীরায় মাটি বহনকারী ট্রলির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যুErfahrungen und Bewertungen von Spielern über das Casino Spinnandoইছামতি নদীতে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা রেজাউলের জীবন যুদ্ধ

মিয়ানমারে নিযুক্ত প্রধান কর্মকর্তাকে ফিরিয়ে নিচ্ছে জাতিসংঘ

মিয়ানমারে জাতিসংঘ তার নিযুক্ত প্রধান কর্মকর্তা রেনাটা লক-ডেসালিয়েনকে নিউইয়র্কের সদর দপ্তরে ডেকে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

গতমাসে বিবিসি’র একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, রাখাইন রাজ্যে চলমান রোহিঙ্গা সংকটের ব্যাপারে অভ্যন্তরীণ আলোচনা দমিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন এই কর্মকর্তা। ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই রেনাটা লক-ডেসালিয়েনকে ফিরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

নিউইয়র্ক যাওয়ার জন্য ডেসালিয়েনকে দু’সপ্তাহের সময় দেয়া হয়েছে। জাতিসংঘ জানায়, তিনি অক্টোবরের শেষের মধ্যেই মিয়ানমার ত্যাগ করবেন।

গত জুনে অবশ্য জাতিসংঘ জানিয়েছিল, ডেসালিয়েনের পদ পরিবর্তন করে দেয়া হবে, তবে সেটার সঙ্গে তার পারফরম্যান্সের কোনো সম্পর্ক নেই।

কিন্তু ইয়াঙ্গুনে দায়িত্বরত কূটনীতিক ও ত্রাণ সহায়তা বিষয়ক সূত্রগুলো বিবিসি’কে জানায়, ডেসালিয়েন মানবাধিকারকে গুরুত্ব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে ফিরিয়ে নেয়া হচ্ছে। এরপর থেকেই ডেসালিয়ান মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে মিলে আগের পদেই বহাল ছিলেন। এমনকি তাকে ভিন্ন পদ দিয়ে তার পদে যাকে প্রস্তাব করা হয়েছিল সেই ব্যক্তির জন্য পদ ছেড়ে দিতেও অস্বীকার করেন ডেসালিয়ান।

বিবিসি’র অনুসন্ধানে এসব তথ্য বেরিয়ে আসে। মিয়ানমারে নিযুক্ত অন্যান্য জাতিসংঘ কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সূত্র থেকে বিবিসি অভিযোগ করে, রাখাইনের যেসব অঞ্চলে সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর দমন-পীড়ন চালাচ্ছিল, সেসব এলাকায় মানবাধিকার কর্মীদের যাওয়া ঠেকানোর চেষ্টাও করেছেন রেনাটা লক-ডেসালিয়েন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছিল, দু’সপ্তাহ আগেও জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টনিও গুতেরেস বলেছিলেন, ডেসালিয়ানের ওপর পূর্ণ আস্থা আছে তার। কিন্তু এবারের ঘোষণা থেকে মনে হচ্ছে সেই আস্থার ভেতর সন্দেহ ঢুকে পড়েছে।

বিবিসি’র প্রতিবেদনের জবাবে মিয়ানমারে জাতিসংঘের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ডেসালিয়েনকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে তার ভূমিকার কারণে নয়, তার পূর্বঘোষিত পদ পরিবর্তন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নিউইয়র্কে ফিরিয়ে নেয়া হচ্ছে। তবে তার পরিবর্তে দায়িত্ব কে নেবে তা এখনো জানানো হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর লাঠির আঘাতে ভাসুরের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক : র নগরঘাটায় ছোট ভাই ও ভাবীর ঝগড়া থামাতে যেয়ে ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মনোয়ারা খাতুনের লাঠির আঘাতে ভাসুর শহিদুল ইসলামের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পাটকেলঘাটা থানার নগরঘাটর গ্রামের মৃত আব্দুল সরদারের ছেলে রাশেদুল ইসলাম জানান, গত ৯ সেপ্টেম্বর সকালে তার সাথে তার স্ত্রী মনোয়ারা খাতুনের ঝগড়া চলছিল। এ সময় তার স্ত্রী লাঠি নিয়ে তাকে মারতে আসলে বড় ভাই শহিদুল ইসলাম ঠেকাতে আসে। এ সময় তার স্ত্রী তার বড় ভাইয়ের মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় বড় ভাইকে প্রথমে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর সেখানেও তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার ভোরে তিনি মারা যান। পাটকেলঘাটনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা জাকির হোসেন জানান, এ ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পুলিশের বিশেষ আভিযানে আটক ৬০, মাদক উদ্ধার

এম. শাহীন গোলদার : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ আভিযানে একজন ডাকাত দলের সদস্য সহ ৬০ জানকে আটক করা হয়েছে। এসময় পুলিশ অভিযানে ৩০ পিস ইয়াবাসহ ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করেছে।
বুধবার সন্ধ্যা থেকে আজ সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয় এবং বিভিন্ন অভিযোগে ১৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানান,সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ৩০ জন,কলারোয়া থানা ০৬ জন,তালা থানা ০৪ জন,কালিগঞ্জ থানা ০৩ জন,শ্যামনগর থানা ০৩ জন,আশাশুনি থানা ০৫ জন,দেবহাটা থানা ০৬ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০৩ জনকে আটক করেছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন-আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বোনকে কাঁধে নিয়ে বাংলাদেশমুখি ৭ বছরের রোহিঙ্গা শিশু ইয়োসার

মিয়ানমার নির্যাতন ও সহিংসতা থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা বেশির ভাগ রোহিঙ্গার জীবনের গল্প ইয়োসার হোসেনের মত। ইয়োসার হোসেনের বয়স মাত্র সাত বছর। গায়ে এখনো স্কুল ড্রেস, জীবনের তাগিদে ছোট বোনকে কাঁধে নিয়ে মেঠো পথে ধরে হাঁটতে শুরু করেছেন। গন্তব্য বাংলাদেশ।

২৫ আগষ্ট সহিংসতার পর থেকে এভাবেই বাংলাদেশে পাড়ি জমিয়েছে প্রায় পাঁচ লাখের বেশি মুসলিম রোহিঙ্গা। যাদের দুই তৃতীয় অংশ শিশু বলে জানিয়েছে এবিসি নিউজ।

রোহিঙ্গা শিশু ইয়োসার হোসেন জানায়, ‘সে(বোন) খুব ভারী। গত সপ্তাহে আমি বাবাকে হারিয়েছি, অামরা বাড়ি-দেশ সবকিছু হারিয়েছি। আমি ভাবতেও পারিনি সমস্ত রাস্তায় ওকে (বোন) বহন করতে পারব।’

ইয়োসার মা ফিরোজা বেগম বলেন, তাদের বাড়ি রাথাডং ছিলো , দুই সপ্তাহ আগে তাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে। হঠাৎ করেই দেখে সবাই চিৎকার করছে এবং চারিদিকে শুধু আগুন আর আগুন। আমাদের সব কিছু পুড়ে গেল, ইয়োসার বাবা পালিয়ে আসতে গেলে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিন বাচ্চা এবং আমি বেঁচে আসতে পেরেছি।

ইয়োসারা ছয়দিন ধরে হাঁটছে। সঙ্গে আছে তার দুই খালা ও খালাতো ভাই বোন। তারা পথে যা পাচ্ছে তাই খাচ্ছে। খুব অল্প সময় নিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছে। যতক্ষণ নাফ নদীর কূল খুঁজে না পাওয়া যাবে ততক্ষণ চলতে থাকে ইয়োসারদের জীবন বাঁচানোর সংগ্রাম। এপির ছবিতে ফুঠে উঠেছে ইয়োসার সংগ্রামের সেই চিত্র।

বাংলাদেশে পৌঁছাতে এখনো তাদের পরিবারকে একদিন ধরে রিক্সা, ট্রাক,হেঁটে বাংলাদেশে আসতে হয়েছে। ইয়োসার এখনো স্কুল ড্রেস পড়া, গায়ে সাদা শার্ট, আর সবুজ প্যান্ট পড়া। সে এভাবেই মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আসে।

ইয়োসার জানায়, তার কালো জুতা ও মোজা ছিল, কিন্তু আসার সময় আনতে ভুলে গেছে। স্কুলের কথা তার খুব মনে পড়ছে।

অবশেষে ২ অক্টোবর ইয়োসার এবং তার পরিবার বাংলাদেশে তাদের এক আত্মীয়র বাড়িতে এসে পৌছায়। এই দীর্ঘ পথ ইয়োসারকে তার ছোট বোনকে কাঁধে করে নিয়ে আসতে হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গলাকাটা আচরণ পরিহার করতে চিকিৎসকদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

ন্যাশনাল ডেস্ক : রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এক শ্রেণির চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট অন্যদের প্রতি চিকিৎসার নামে রাতারাতি অনেক টাকা বানাতে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা না করতে এবং গলাকাটা আচরণ পরিহার করার আহ্বান জানিয়েছেন।
বুধবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে স্থানীয় সমবায় কেন্দ্রে প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের (পিএইচএমসিএইচ) শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি বলেন, ‘এক শ্রেণির চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তিরা চিকিৎসার নামে লোকদের সঙ্গে নিয়মিত প্রতারণা করে… এটা আসলেই একটা অত্যন্ত লজ্জাজনক কাজ।’

রাষ্ট্রপতি চিকিৎসা পেশাকে একটা মহান পেশা হিসেবে অভিহিত করে বলেন, এই পেশার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা টাকা আয় করতে এবং একই সঙ্গে সাধারণ লোকদের সেবা দিয়ে সহায়তা করতে পারেন।

তবে আবদুল হামিদ চিকিৎসকদের প্রতি ধনী হওয়ার প্রবণতা ত্যাগ এবং রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

আবদুল হামিদ শিক্ষার্থীরা যাতে সময়োপযোগী জ্ঞান অর্জন করতে পারে তার জন্য আধুনিক ও বিশ্বমানের চিকিৎসা শিক্ষা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

রাষ্ট্রপতি চিকিৎসকদের পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘ভালো ব্যবহার করুন এবং রোগীবান্ধব চিকিৎসক হোন… গলাকাটা ব্যবসা পরিহার করুন। বিশ্ব প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য আন্তরিকভাবে পড়াশোনা করুন।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘যেহেতু এই মেডিকেল কলেজটি আমার নামে হয়েছে, অতএব অনুগ্রহ করে আমার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার চেষ্টা করুন… আমার মৃত্যুর পরও যেন এটা বিনষ্ট না হয়।’

কলেজের অধ্যক্ষ এ এন এম নওশেদ খান রাষ্ট্রপতিকে পিএএইচএমসিএইচের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।

পরে রাষ্ট্রপতি কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা আইনজীবী সমিতির সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন এবং কিশোরগঞ্জ গুরুদয়াল কলেজও পরিদর্শন করেন। এখানে তিনি ষাটের দশকের শেষ দিকে অধ্যয়ন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৬৯ বছরে বাবা হচ্ছেন ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট

৬৯ বছরে বাবা হতে যাচ্ছেন ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট সাউলি নিনিস্তো। তিনি এবং তার স্ত্রী জেনি হাওকিও আশা করছেন, শিগগিরই তাদের পরিবারে আসছে নতুন অতিথি। আগামী ফেব্রুয়ারিতেই তাদের সন্তানের জন্ম হতে যাচ্ছেন। নিনিস্তোর বয়স এখন ৬৯ বছর, আর হাওকিওর ৪০।

সোমবার নিনিস্তো দম্পতির এক বিবৃতিতে বলা হয়, “একটি সন্তানের জন্য আমাদের অপেক্ষা দীর্ঘদিনের। বিগত বছরগুলোতে আমাদের নানা জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। গর্ভধারণের শুরুর দিনগেুলোতে স্পর্শকাতর অনেক বিষয় ছিল, তবে সেসব পেরিয়ে এখন আমরা সুখবরটা শেয়ার করতে পারি।” সাউলি নিনিস্তো ও জেনি হাওকিও সংসার শুরু করেন ২০০৯ সালে।

এটাই হবে হাওকিওর প্রথম সন্তান, আর নিনিস্তোর তৃতীয়। আসছে ফেব্রুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট পরিবারে যখন নতুন শিশুর আগমন ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে, ওই সময়ই আরও ছয় বছর মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার আশায় ভোটের লড়াইয়ে থাকবেন নিনিস্তো। এখন পর্যন্ত জনমত জরিপে তিনি অনেকটাই এগিয়ে আছেন বলে বিভিন্ন সংবাদ সংস্থার খবরে বলা হয়েছে। রয়টার্স।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চাঁদা চাওয়ায় ৪ পুলিশকে গণপিটুনি!

অনলাইন ডেস্ক : গানের অনুষ্ঠানে বাধা দেওয়ায় পুলিশের দুই কর্মকর্তা ও দুই কনস্টেবল গণপিটুনির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে পুলিশ গণপিটুনির কথা অস্বীকার করেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, আয়োজকদের কাছে ওই পুলিশ সদস্যরা টাকা দাবি করেছিলেন। মঙ্গলবার রাতে ধামরাইয়ের বরদাইল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এলাকার কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ধামরাইয়ের বরদাইল এলাকার পাশেই মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলার ভাটিরচর গ্রাম। ভাটিরচরের আনসার আলীর ছেলে আব্বাস আলীর বিয়ে উপলক্ষে বরদাইলে বংশী নদীর তীরে খোলা মাঠে গতকাল রাতে গানের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কমপক্ষে চার হাজার মানুষ ওই অনুষ্ঠান দেখতে যায়। ধামরাই থানার দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মাসুদ রানা ও লিটন হোসেন দুজন কনস্টেবল নিয়ে সাদাপোশাকে রাত ১২টার দিকে ওই অনুষ্ঠানে যান।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, দুই পুলিশ কর্মকর্তা অনুষ্ঠানের অনুমতি আছে কি না জানতে চান। আয়োজকেরা তা দেখাতে ব্যর্থ হন। এ সময় ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা চাঁদা দাবি করেন। আয়োজকেরা টাকা দিতে না চাইলে তাঁরা কনসার্টে অংশ নেওয়া শিল্পীদের গ্রেপ্তারের হুমকি দেন। একপর্যায়ে তাঁরা সাউন্ড সিস্টেমের তার খুলে ফেলেন। এরপরই উপস্থিত দর্শকেরা উত্তেজিত হয়ে হামলা চালায়। একপর্যায়ে ওই পুলিশ সদস্যদের মারধর করা হয়। জনতার হাত থেকে বাঁচতে এক কর্মকর্তা ও দুই কনস্টেবল সাঁতরে বংশী নদীর অন্য পারে চলে যান। অপর এক কর্মকর্তা নৌকায় নদী পার হন।

খবর পেয়ে স্থানীয় কুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান কালীপদ সরকার ও নারী সদস্য সালমা বেগম অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে তাঁদের উদ্ধার করেন।

আব্বাস আলীর চাচা শরীফুল ইসলাম বলেন, ধামরাই থানার পুলিশ গানের অনুষ্ঠানের অনুমতি না থাকার অভিযোগ তুলে প্রথমে এক লাখ টাকা দাবি করেন। পরে তা ৫০ হাজারে নামানো হয়। তাতেও রাজি না হলে ওই পুলিশ সদস্যরা সাউন্ড সিস্টেমের তার খুলে ফেলেন। এতে দর্শকেরা উত্তেজিত হয়ে তাঁদের মারধর করে। দুই পুলিশ কর্মকর্তার মধ্যে এএসআই মাসুদ রানা ছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।

ইউপির নারী সদস্য সালমা বেগম বলেন, খবর পেয়ে তাঁরা যখন ঘটনাস্থলে যান তখন এএসআই লিটন হোসেনসহ দুই কনস্টেবল সাঁতরে তীরে উঠছিলেন। তাঁদের মধ্যে লিটন ও দুই কনস্টেবলের শরীরের আঘাতের চিহ্ন ছিল।

ইউপি চেয়ারম্যান কালীপদ সরকার বলেন, পুলিশকে মারধরের কথা শুনেছি। পরে খবর পেয়ে তাঁদের উদ্ধার করে থানায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

তবে বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন এএসআই মাসুদ রানা ও লিটন হোসেন। তাঁরা বলেছেন, এ রকম কোনো ঘটনার কথাই তাঁরা জানেন না। বরদাইল ও ভাটিরচর এলাকা চেনেন না বলেও দাবি করেছেন তাঁরা।

তবে ধামরাই থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাঈদ আল মামুন বলেছেন, মাসুদ ও লিটন গতকাল পুলিশ নিয়ে ওই গানের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, অনুষ্ঠানে অশালীন নাচের কথা শুনে তাঁরা সেখানে যান। গ্রেপ্তারি পরোয়ানার এক আসামিকে আটক করতে গেলে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে জামিনে থাকার প্রমাণ দেখে ওই আসামিকে ছেড়ে দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। তিনি আরও বলেন, মারপিটের কোনো কথা ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা বলেননি। এলাকাবাসীও কোনো অভিযোগ করেনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা মানুষ বাংলাদেশের জিন্নাত!

বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা জীবিত মানুষ তুরস্কের সুলতান কশেন। তার উচ্চতা ৮ ফুট ৩ ইঞ্চি। তিনি ১৯৮২ সালে জন্ম গ্রহন করেন। ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বরে গিনিস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস তাকে পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘকার ব্যাক্তির স্বীকৃতি দিলে রাতারাতি তারকা বনে যান কশেন বা কোসেন।

আর এ কোসেনের মতো বা তার চাইতে আরো সামান্য লস্বা আরেক তারকার সন্ধান মিলেছে বাংলাদেশের বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার পার্শ্ববর্তী গর্জনিয়া ইউনিয়নের বড়বিল গ্রামে।

সে ওই এলাকার বর্গা চাষী আমির হামজার ছেলে। তার নাম জিন্নাত আলী। বয়স তার ২০ বছর। বাংলাদেশ নয় শুধু ধারনা করা হয় সে বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা মানুষ কি-না ! তার বর্তমান উচ্চতা ৮ ফুট ৬ ইঞ্চি।

মা শাহপুরি বেগম এ প্রতিবেদককে জানা, ১০ বছর বয়স থেকে ছেলের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যায়। এরপর থেকে সে শুধু লম্বাই হচ্ছে। ছেলে লম্বা হওয়ার কারণে খাদ্য জোগানও দিতে হচ্ছে বেশি। শারীরিক অবস্থা ভাল নয়। মাথায় টিউমার, ডান পায়ে ঘা হয়ে পচন ধরেছে। এক পা আরেক পায়ের চেয়ে দুই ইঞ্চি খাটো হয়ে যাচ্ছে। অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাও সম্ভব হচ্ছে না। তাদের পরিবারে ভিটে মাটি ছাড়া আর কোন অর্থ সম্পদও নেই।

পিতা আমির হামজা জানান, ছেলে লম্বা হওয়ার কারণে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়াও মুশকিল হয়ে দাড়িয়েছে। রিক্সা, সিএনজি, মাইক্রো, জীপ গাড়িতে বসানো যায় না। চিকিৎসার জন্য গত এক বছর আগে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঢাকা নিয়ে যাওয়ার জন্য পরামর্শ দেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের নেওয়ার পর ব্যয়বহুল টাকার প্রয়োজন হওয়ায় চিকিৎসার অভাবে আবারো বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে লম্বা মানুষটির শারীরিক অবস্থা দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে।

সরজমিনে তার বাড়িতে গিয়ে মা-বাবা ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানতে পরেন, বয়স মাত্র ২০ বছর। বয়স বাড়ার সাথে সাথে সে আরো লম্বা হয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ায় বর্তমানে তেমন একটা নড়াচড়া ও কোন ধরনের কাজ করতে পারছেনা। এলাকাবাসী এই লম্বা মানুষটিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম জানান, ছেলেটির বয়স কম হলেও সে অনেক লম্বা হয়ে গেছে। পরিবারের পক্ষে তার শরীরের দুরাবস্থা নিয়ে চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা সম্ভব হচ্ছে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest