পাউবো-১ এর সাথে সনাক’র মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদক : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বৃহষ্পতিবার সাতক্ষীরা পওর বিভাগ-১ কর্তৃপক্ষ ও সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), সাতক্ষীরার যৌথ আয়োজনে “চাই জলবায়ু অর্থায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ” এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে পওর বিভাগ-১ এর সভাকক্ষে নিবার্হী প্রকৌশলী বি, এম, আব্দুল মোমিন এর সভাপতিত্বে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সনাক’র পক্ষ থেকে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, সাতক্ষীরা পওর বিভাগ-১ এর আওতায় সকল কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা চর্চার বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে স্বপ্রণোদিত উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানানো হয়। সনাক সাতক্ষীরার জলবায়ু অর্থায়নে সুশাসন উপ-কমিটির আহ্বায়ক কল্যাণ ব্যানার্জি সাতক্ষীরা উপকূলীয় জেলা হওয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সবচেয়ে বেশী ঝুঁকিতে রয়েছে বলে পওর বিভাগ-১ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পদক্ষে নেয়ার পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়নে স্থানীয় নাগরিকদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, ‘প্রকল্পের কি কি কাজ হবে, কোথায় হবে, কিভাবে হবে, কতটুকু হবে, বরাদ্দ কত এসব বিষয়ে যাতে ভুল ধারণা বা প্রশ্ন না উঠে সেজন্য জনগণের মুখোমুখি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্থানীয় নাগরিকদের জানাতে হবে। দৃশ্যমান স্থানে এ সংক্রান্ত তথ্য বোর্ড স্থাপনের ব্যবস্থা করতে হবে। তাহলে দেখবেন প্রকল্প বাস্তবায়নে একদিকে জনগণের সহযোগিতা যেমন পাওয়া যাবে অন্যদিকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিতিার বিষয়টিও নিশ্চিত করা সহজ হবে।
সনাক সদস্য মো. অলিউর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) সম্পর্কে প্রশাসন তথা সাধারণ মানুষের মধ্যে খুব খারাপ ধারণা রয়েছে যে, এই প্রতিষ্ঠান তাদের দায়িত্বে অবহেলা করে। আমরাও দেখি বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার পর মেরামত করা হয়। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আগে সংস্কার করতে অসুবিধা কোথায়? পাশাপাশি কোন বাঁধ ভেঙ্গে গেলেই পত্রিকায় খবর প্রকাশ হয় বাপাউবো’র সাথে বার বার যোগাযোগ করলেও তারা কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।’ তিনি বাপাউবো কর্তৃপক্ষকে নিজ প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে পত্রিকায় ভাল খবর যাতে প্রকাশ পায় সেজন্য সুনামের সাথে কাজ করতে বাপাউবো’র পক্ষ থেকেই ইতিবাচক উদ্যোগ নেয়ার পরামর্শ প্রদান করেন।
বাপাউবো উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. রাশিদুর রহমান জানান, বাপাউবো’র হাতে তাৎক্ষণিক কাজ করার জন্য কোন বরাদ্দ থাকে না। এজন্যই আমাদের কাজ করতে বিলম্ব হয়। আমরা ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ সম্পর্কে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিত ভাবে অবহিত করা হয়। কিন্তু বরাদ্ধ দ্রুত সময়ের মধ্যে না আসায় বাঁধ সংস্কার করতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে আমাদের আগে কাজ করলে পরে বরাদ্দ আসে। বরাদ্দের ক্ষেত্রে পদ্ধতিগত সমস্যা রয়েছে।
নিবার্হী প্রকৌশলী বি, এম, আব্দুল মোমিন জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সাতক্ষীরা জেলার পোল্ডার নং-১ এর পুনর্বাসন প্রকল্পের ১১টি পেকেজে গড়ে ৭৫ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। সম্পন্ন কাজের বিপরীতে ৪২ ভাগ বিল পরিশোধ করা হয়েছে। এখনও প্রায় ৫৮ ভাগ কাজের বিল বরাদ্দকৃত অর্থ ছাড় না পাওয়ায় পরিশোধ করা যাচ্ছে না। আগে প্রকল্পের কাজের তথ্য বোর্ড দেয়া হতো না। কারন এজন্য বরাদ্দ রাখা হতো না। টিআইবি’র পরামর্শকে ইতিবাচক ভাবে নিয়ে এখন প্রতিটি কাজের তথ্য উন্মুক্ত রাখতে তথ্য বোর্ড স্থাপন করা হচ্ছে, অফিসে সিটিজেন চার্টার দেয়া হয়েছে, কেউ তথ্য জানতে আবেদন করলে তথ্য প্রদান করা হচ্ছে। তিনি আরো জানান, আইলা পরবর্তি নতুন কোন প্রকল্প আসেনি। পওর বিভাগ-১ এ বর্তমানে কোন উন্নয়ন প্রকল্প নেই। তবে পওর বিভাগ ১ ও ২ এর আওতায় ৪টি সম্প্রসারণ প্রকল্প (এক্সটেনশন প্রজেক্ট) প্রস্তাব জমা দেয়া হয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলী (পওর) বিভাগের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সনাক-টিআইবি’র পরামর্শ ও সহযোগিতা কামনা করেন। এসময় অন্যানের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সনাক সহ-সভাপতি ভারতেশ^রী বিশ^াস, সনাক সদস্য প্রফেসর আব্দুল হামিদ, ড. দিলারা বেগম, পওর বিভাগ-১ এর উপ-সহকারি প্রকৌশলী এস, এম, সাইদুজ্জামান, মুহাম্মদ আবু হানিফ, টিআবি এরিয়া ম্যানেজার আবুল ফজল মো. আহাদ সহ ইয়েস সদস্যবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাহিত্যের ছোট কাগজ “অল্পনা” এর প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরিতে সাহিত্যের ছোট কাগজ “অল্পনা” এর প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
“অল্পনা”এর সম্পাদকদ্বয় নূরুজ্জামান সাহেব এবং আহমেদ সাব্বির এর উপস্থিতিতে সায়েম ফেরদৌস মিতুলের উপস্থাপনায় “অল্পনা” ও সাতক্ষীরার অতিত, বর্তমান ও ভবিষ্যত সাহিত্য চর্চা নিয়ে বক্তব্য রাখেন, কাজী মোঃ ওয়ালিউল্লাহ, আনিসুর রহিম, মুশফিকুর রহমান মিল্টন, সালেহা আক্তার, মঞ্জুরুল হক, মনিরুজ্জামান ছট্টু, শুভ্র আহমেদ, মনিরুজ্জামান মুন্না, স ম তুহিন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গাদের সঙ্গে খাবার ভাগ করে খাব : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রোহিঙ্গাদের অবস্থা খুবই অমানবিক। বাংলাদেশ তাদের পাশে থাকবে। সেই সঙ্গে প্রয়োজনে খাবার ভাগ করে খাওয়ারও ঘোষণা দেন তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার রাতে দশম জাতীয় সংসদের ১৭তম অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘মিয়ানমারে এখনো দূর থেকে দেখা যায় আগুন জ্বলছে। তাদের আগুন দেওয়া থামেনি।’

অধিবেশনের সমাপনী এ ভাষণে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরার পাশাপাশি বাংলাদেশ তাদের জন্য কী করছে তা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে আসা বিশাল সংখ্যায় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে কীভাবে রাখা হবে সেটাই এখন তাঁর সরকারের কাছে বড় প্রশ্ন। নিজ চোখে দেখে আসা রোহিঙ্গাদের অবস্থার বর্ণনায় আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ছোট মেয়ে, তার ছোট্ট ভাইটাকে নিয়ে চলে আসছিল। ভাইটা যে কোথায় হারিয়ে গেছে? সে বলতে পারে না। এ ধরনের করুণ কাহিনী ওখানে গিয়ে আমার শুনতে হয়েছে। মাননীয় স্পিকার, এটা আমাদের পক্ষে সহ্য করা সম্ভব না। কারণ আমরা তো আপনজন হারিয়েছি। এই দুর্দশা দেখে যতই আমাদের কষ্ট হোক না কেন, যদি প্রয়োজন হয় আমরা আমাদের খাবার ভাগ করে খাব তাদের সঙ্গে।’

প্রধানমন্ত্রী জানান, ভাসান চরে রোহিঙ্গাদের জন্য অস্থায়ী আবাসন ব্যবস্থা গড়তে তিনি নৌবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তাদের নিরাপত্তার ব্যাপারেও সরকার সজাগ রয়েছে বলে জানান তিনি।

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমি আমার দেশবাসীকে বলব, এরা বিপদে পড়ে আশ্রয় নিয়েছে। এই জনস্রোতের সাথে আবার যারা মূল দোষী, যারা এ ধরনের ঘটনার সূত্রপাত করেছে, তারা যেন এখানে কোনোভাবে ঢুকতে না পারে, আশ্রয় না পায়। আর যারা ত্রাণ নিয়ে যাবে সেই ত্রাণে কী কী আছে সেটাও আমি বলেছি, স্ক্যান করতে, দেখতে। আর ত্রাণ দিয়ে যাঁরা চলে আসবেন সেখানেও গাড়িগুলি আমি পরীক্ষা বলছি সেখানে কী নিয়ে আসছেন, কোথায় নিয়ে আসছেন, কী করছেন সেগুলিও যেন ভালোভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়।’

তা ছাড়া দেশে খাদ্য সংকট হতে পারে এমন তথ্য নাকচ করে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, মানুষের খাদ্য নিয়ে কাউকে খেলতে দেওয়া হবে না। আর কেউ খাদ্যের জন্য কষ্ট পাবে না।

শেখ হাসিনা বলেন, আশার কথা সারা বিশ্ব রোহিঙ্গা ইস্যুতে জেগে উঠছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আইসিসির কাছে ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের নালিশ

দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট সিরিজ খেলার প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের বিরুদ্ধে আইসিসির কাছে নালিশ করেছে পাকিস্তানের ক্রিকেট বোর্ড। সেখানে সমাধান না হলে তারা আদালতে যাবে বলেও জানিয়ে দিয়েছে।

আইসিসির কাছে এর সমাধান না হলে বিষয়টি আদালতে নিয়ে যেতে যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি আইনি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও পরামর্শ করছে পাকিস্তানের ক্রিকেট বোর্ড। কারণ, এর ফলে তারা আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হচ্ছে বলে বলছে পিসিবি।

পিসিবির চেয়ারম্যান নিজাম শেঠি ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকইনফোকে বলেছেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের আলোচনা শেষ হয়ে গেছে। এসব প্রক্রিয়া শেষ, সুতরাং পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু হবে।

তিনি বলছেন, আগামী একমাস বা সর্ব্বোচ্চ দুই মাসের মধ্যে আমরা আবার আইসিসির কাছে যাবো। সালিশের জন্য তিনজন প্রতিনিধি মনোনয়ন চেয়ে আইসিসির কাছে আমরা লিখিত চিঠি দিয়েছে এবং এর মধ্যেই একজনকে মনোনয়ন দিয়েছি।

এ সময় মি. শেঠির পাশে বসা ছিলেন আইসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডেভিড রিচার্ডসন। তিনি বলছেন, “আমরা চাই না, আইসিসির সদস্য দেশগুলো পরস্পরের বিরুদ্ধে লড়াই করুক। যেহেতু একটি বিরোধ তৈরি হয়েছে, আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী এক্ষেত্রে পদক্ষেপ নেয়া হবে। সেই প্রক্রিয়াটি শুরু হয়েছে”।

দু্‌ই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট সিরিজের বিষয়ে দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে, আইসিসি শুধুমাত্র সহযোগিতা করে।

লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, উভয় দেশের বোর্ড মিলে সমাধানের চেষ্টা করবে। কিন্তু দুই মাসের মধ্যে কোনো সমাধান না হলে, আইসিসির সালিশ বোর্ড শুনানি করবে। তারা যে সিদ্ধান্ত দেবে, সেটাই চূড়ান্ত এবং এর বিরুদ্ধে কোন আপীল করা যাবে না।

২০১৪ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যেকার সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী, ২০১৫ সাল থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে পাকিস্তানের সঙ্গে ছয়টি সিরিজ খেলার কথা রয়েছে ভারতের। এর মধ্যে চারটি পাকিস্তানে হওয়ার কথা, যার মধ্যে ১৪টি টেস্ট আর ৩০টি ওয়ানডে আর ১২টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ রয়েছে।

কিন্তু ২০০৮ সালে মুম্বাই হামলার পর থেকে পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট খেলছে না ভারত। যদিও আইসিসি টুর্নামেন্টগুলোতে তারা খেলছে।

পাকিস্তানে আবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরাতে আইসিসি একাদশ নামে যে দল গঠন করা হয়েছে, তাতেও অংশ নেয়নি ভারতের কোন ক্রিকেটার।

সূত্র : বিবিসি বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে যমুনায় নৌকাডুবিতে নিহত ২২, নিখোঁজ ২৭

ভারতের উত্তর প্রদেশে যমুনা নদীতে নৌকা ডুবে ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরো ২৭ জন। বৃহস্পতিবার সকালে নৌকাটি উত্তর প্রদেশের বাঘপথ থেকে হরিয়ানা যাওয়ার পথে ডুবে যায়।

বাঘপথ জেলা প্রশাসক ভবানি সিং জানিয়েছেন, নৌকাটিতে ৬০ জন যাত্রী ছিলেন। অতিরিক্ত যাত্রী তোলায় মাঝ নদীতে স্রোতের টানে নৌকাটি ডুবে যায়। দুর্ঘটনায় ২২ জন নিহত এবং ২৭ জন নিখোঁজ রয়েছে। নিহতদের মধ্যে বেশির ভাগই নারী।

উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ নৌকাডুবির ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি টুইট করে মারা যাওয়া যাত্রীদের পরিবার প্রতি দুই লাখ রুপি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

উত্তর প্রদেশের মিরাট জোনের পুলিশের এডিজি প্রশান্ত কুমার বলেন, দুর্ঘটনার পর পরই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ। ১১ জন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করে কয়েকটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনো যায়নি।

দ্রুত উদ্ধারকাজ না করার অভিযোগে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের আত্মীয়স্বজন ও বাঘপথের স্থানীয় লোকজন। এ সময় কয়েকটি গাড়ি ও ঘরবাড়িতে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাশে থাকবে ভারত : শ্রিংলা

পাশে থাকবে ভারত : শ্রিংলা

কর্তৃক Daily Satkhira

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মানবিক সহায়তায় বাংলাদেশের পাশে ভারত থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য ভারত সরকারের পাঠানো ত্রাণ সামগ্রী হস্তান্তর অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত এ কথা বলেন।

বেলা দেড়টায় ত্রাণবাহী ভারতীয় সেনাবাহিনীর কার্গো ফ্লাইট অবতরণ করে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। এ সময় জানানো হয়, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য ভারত সরকারের পক্ষ থেকে সাত হাজার টন ত্রাণের প্রথম চালানে চাল, ডাল, চিনি, লবণের মতো ৫৩ হাজার টন পণ্য গ্রহণ করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেন, ‘চলমান মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে ভারত গভীর উদ্বিগ্ন। অভূতপূর্ব সংখ্যার শরণার্থীদের গ্রহণ ও থাকতে দেওয়ার জন্য আমরা বাংলাদেশের ভূমিকা প্রশংসনীয়। বাংলাদেশের অংশীদার, বন্ধু ও প্রতিবেশী হিসেবে ভারত আপনাদের সঙ্গে আছে। আমরা আপনাদের মহৎ উদ্যোগকে সমর্থন করছি।’

এর আগে একই দিন সকালে মরক্কো সরকারের পক্ষ থেকে তাবু কম্বল ওষুধসহ ছয় পদের ১৪ টন ত্রাণবাহী অপর একটি ফ্লাইট অবতরণ করে চট্টগ্রামে। মরক্কো সরকারের পক্ষ থেকে আরো একটি ফ্লাইট চট্টগ্রামের পথে রয়েছে বলে জানানো হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসতে থাকা এসব ত্রাণ দ্রুত ও নিরাপদে রোহিঙ্গাদের কাছে পৌঁছানোর সব প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানায় জেলা প্রশাসক জিল্লুর রহমান চৌধুরী।

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে এর আগে ত্রাণ সামগ্রী পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া। একই ধারাবাহিকতায় ইন্দোনেশীয় সরকারের পক্ষ থেকেও ত্রাণবাহী ফ্লাইট চট্টগ্রামের পথে রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অসহায় রোগীদের মাঝে অনুদানে চেক বিতরণ করলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ এর পক্ষ থেকে অসহায় ও অসুস্থ রোগীদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টায় সময় জেলা পরিষদ কার্যালয়ে ৪৬ জন অসহায় রোগীকে এসব চেক বিতরণ করা হয়।
চেক বিতরণ করেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা আ ’লীগের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুর রশিদ, ধুলিয়ার ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাবু জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জরুল ইসলাম, জেলা যুবলীগের সদস্য সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

কেএম রেজাউল করিম : দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদের সভা কক্ষে উক্ত কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল-আসাদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব আব্দুল গনি। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলম খোকন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা পারভীন, উপজেলা আওয়ামীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতন, সদর ইউপি চেয়ারম্যান আবু বকর গাজী, কুলিয়া ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান বিকাশ সরকার, পারুলিয়া প্যানেল চেয়ারম্যান সালাউদ্দীন সরাফি, কৃষি কর্মকর্তা জসিমউদ্দীম, এলজিইডি কর্মকর্তা আলহাজ্ব হামিদ মাহমুদ, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রনজিত কুমার মন্ডল, মেডিকেল অফিসার ডাঃ আব্দুল লতিফ, সমাজসেবা কর্মকর্তা অধির কুমার গাঈন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হাই, যুব উন্নয়ণ কর্মকর্তা ইসমোত আরা বেগম, জাইকা’র উপজেলা সমন্বয়কারী রুপা পারভীনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং কমিটির সকল সদস্যবৃন্দরা। চলমান বিভিন্ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করে দেবহাটা উপজেলাকে মডেল করতে বিভিন্ন সিন্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest