সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার সুন্দরবনে বনদস্যুদের গুলিতে কাঁকড়া শিকারি আহতকালিগঞ্জে তথ্য গোপনের অপরাধে প্যানেল চেয়ারম্যানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানাসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সভাসাংবাদিকের ওপর হামলা: চাপ এড়াতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গনভালোবাসার একযুগ এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশনসাংবাদিক জিন্নাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনজংধরা ও ভাঙা ফ্লোরে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার : সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমেআশাশুনির খাজরা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাচ্চুকে অপসারন ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরায় কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষার বৃত্তিপ্রদান ও পুরস্কার বিতরণী

কালিগঞ্জ ভাড়াশিমলায় ৮দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি : কালিগঞ্জের ভাড়াশিমলায় ৮ দলীয় মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলা শুক্রবার বিকেল ৪ টায় ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। ভাড়াশিমলা ইউনিয়ন জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি এবাদুল সরদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপজেলা আওয়ামী তরুণ লীগের সভাপতি সাংবাদিক মোখলেছুর রহমান মুকুল। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মাস্টার শেখ শফিউদ্দীন, সিএইচসিপি আব্দুস সালাম, যুবলীগ নেতা আব্দুল আলিম, রেজাউল ইসলাম বাপ্পী, আরাফাত হোসেন, মিলন হোসেন, তরিকুল ইসলাম, রিয়াজুল ইসলাম প্রমুখ। উদ্বোধনী খেলায় উপজেলার নলতা শরীফ ফুটবল দল ৬-০ গোলের ব্যবধানে নোড়ার চক ফুটবল দলকে পরাজিত করে সেমিফাইনালে উত্তীর্ণ হয়েছে। খেলা পরিচালনা করেন কবীর হোসেন মন্টু এবং সহকারী ছিলেন প্রকাশ ঘোষ ও মৃত্যুঞ্জয় ঘোষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শান্তিতে নোবেল; অংশীদার বাংলাদেশের দুই সংগঠনও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : এ বছর শান্তিতে নোবেল জিতেছে পারমাণবিক অস্ত্র বিলোপে প্রচারণাকারী সংগঠনগুলোর জোট ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন টু অ্যাবলিশ নিউক্লিয়ার উইপনস (আইসিএএন)। মোট ১০১টি দেশে কার্যক্রম পরিচালনাকারী এই জোট সংগঠনটির সঙ্গে বাংলাদেশেরও দু’টি সংগঠন কাজ করে। সংগঠন দু’টি হলো, সেন্টার ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ (বাংলাদেশ অধ্যয়ন কেন্দ্র) ও ফিজিসিয়ান্স ফর সোস্যাল রেসপনসিবিলিটি।
এই সম্পর্কে ফিজিসিয়ান্স ফর সোস্যাল রেসপনসিবিলিটি’র প্রেসিডেন্ট ও বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ও প্রফেসর কামরুল হাসান খান বলেন, ‘এই পুরস্কারে মাধ্যমে বিশ্বশান্তির পথে বাংলাদেশ একধাপ এগিয়ে গেলো। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নোবেল কমিটিকে অভিনন্দন। বাংলাদেশের মানুষ শান্তির পথে যুক্ত আছে। সেটাই আমরা প্রমাণ করেছি। বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে, সে প্রত্যাশা রইলো।’
এদিকে সেন্টার ফর বাংলাদেশ স্টাডিজের সাধারণ সম্পাদক অরূপ রাহী বলেন, ‘২০১৪ সাল থেকে এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত আছে বাংলাদেশ অধ্যয়ন কেন্দ্র। পরমাণু প্রযুক্তির বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান আছে। বিধ্বংসী ব্যবহারকে ক্রিটিক্যালি দেখি। বাংলাদেশের হয়ে শান্তির পক্ষে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনে ছিলাম। শান্তির পক্ষে যুদ্ধের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ছিল। বিশ্বে আমরা সেটা জানাতে চেয়েছি। পরমাণু অস্ত্রের বিরুদ্ধে গ্লোবাল আন্দোলন থেকে নিজেরা শিখতেও চাই। কেন পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধ করা উচিত, এই নামে আমাদের একটা প্রকাশনা আছে। ওইটাই আমাদের প্রথম কাজ ওই সংগঠনের সঙ্গে।’
উল্লেখ্য, পুরস্কার ঘোষণার পর অরূপ রাহী ফেসবুকে লিখেছেন, ‘এ বছর শান্তিতে নোবেল বিজয়ী আইক্যান (International Campaign to Abolish Nuclear WeaponsÍIcan) জোটের সদস্য বাংলাদেশ অধ্যয়ন কেন্দ্র। নোবেল পুরস্কার কোনও অবিসংবাদিত পুরস্কার নয়। কিন্তু শান্তির পক্ষে, পরমাণু অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব গড়ার জন্য আইক্যানের নোবেল প্রাপ্তি বিশ্বকে পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করার বৈশ্বিক আন্দোলনে যে ইতিবাচক প্রভাব রাখবে, এতে কোনও সন্দেহ নেই।’
ফেসবুকে অরূপ রাহী আরও লিখেছেন, ‘আমরা আইক্যানের সব উদ্যোক্তা-সমর্থককে অভিনন্দন জানাই। বাংলাদেশে যারা পরমাণু অস্ত্রমুক্ত দুনিয়া গড়ার আন্দোলনের সমর্থক, তাদের অভিনন্দন জানাই। পরমাণু অস্ত্র নিরোধ চুক্তি সই করার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ আর অভিনন্দন জানাই। নোবেল কমিটিকেও ধন্যবাদ জানাই। তাদের এই সিদ্ধান্ত ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বাংলাদেশ অধ্যয়ন কেন্দ্রের সব বন্ধু-শুভাকাক্সক্ষী-সহযোদ্ধাকে অভিনন্দন জানাই।’
বাংলাদেশ অধ্যয়ন কেন্দ্রের অবস্থান যুদ্ধের বিরুদ্ধে উল্লেখ করেন অরূপ রাহী আরও লিখেছেন, ‘সে কারণেই, পরমাণু অস্ত্র ও ঝুঁকিপূর্ণ পারমাণবিক বিদ্যুৎÑ দুইয়ের বিরুদ্ধেই অবস্থান বাংলাদেশ অধ্যয়ন কেন্দ্রের। কেন এই অবস্থান, কেন সবারই এই অবস্থান নেওয়া দরকার, কেন সারা দুনিয়ায় শান্তি ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের অংশ হিসেবে পরমাণু অস্ত্র উৎপাদন ও এর বাণিজ্যের বিরুদ্ধে সবাই মিলে কাজ করা দরকার, সে ব্যাপারে সমাজে আলোচনা, ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা, সরকার ও রাষ্টগুলোকে পরমাণু প্রযুক্তির ধ্বংসাত্মক ব্যবহারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে সম্মত করার জন্যে কাজ করে আইক্যান। সেই কাজে অংশ নিতে, বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দিতে এবং শান্তির পক্ষে বাংলাদেশের সমাজের সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক ফোরামে স্বর হাজির করার জন্য ২০১৪ সালে আইক্যানের সদস্যপদ নেয় বাংলাদেশ অধ্যয়ন কেন্দ্র।’ তিনি লিখেছেন, ‘আসুন, সবাই মিলে এই বিশ্বকে পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করি। যুদ্ধ, অবিচার, শোষণ-বৈষম্যবিহীন, শান্তি আর ন্যায়ের দুনিয়া গড়ি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাধবকাটি বাজার কমিটির সভাপতি ও সেক্রেটারি’র স্বাক্ষর জালিয়াতি!

ঝাউডাঙ্গা প্রতিনিধি : সদর উপজেলার মাধবকাটি বাজারে সেলুন সমিতির নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে মাধবকাটি বাজারের বিভিন্ন সেলুনে গিয়ে ২০১৭ সালের মূল্য তালিকা সম্বলিত দরপত্র ঝুলানো দেখা যায়। মাধবকাটি বাজারের সেলুন সমিতির সদস্য মো. আজহার আলীর দোকান থেকে জাল স্বাক্ষরকৃত মূল্য তালিকার কপি উদ্ধার করেন মাধবকাটি বাজার কমিটির সভাপতি মো. আবুল খায়ের বিশ্বাস। তিনি দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা’কে জানান, সেলুন সমিতির মূল্য তালিকার কপিতে যে স্বাক্ষর করা হয়েছে তা আমার নয়। সেলুন সমিতির নেতৃবৃন্দ আমার ও সেক্রেটারির স্বাক্ষর জালিয়াতি করেছে। যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড ও মাধবকাটি বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির লিটু জানান, স্বাক্ষর জালিয়াতির বিষয়টি তিনি শুনেছেন। আগামীকাল সেলুন সমিতির নেতৃবৃন্দকে বাজার কমিটির কার্যালয়ে ডেকে কৈফিয়ত নেয়া হবে। সেলুন সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমান সানা বলেন, আমি বিষয়টি জানি না, তবে কিছুক্ষণ আগে শুনেছি। খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। সেলুন সমিতির কোষাধ্যক্ষ কালু বলেন, বিষয়টি ভূলক্রমে হয়েছে, ইচ্ছাকৃত ভাবে করা হয়নি। আগামীকালের মধ্যে সব সেলুন থেকে মুল্য তালিকা সরিয়ে পুনরায় সংশাধন করা হবে। মাধবকাটি, ছয়ঘরিয়া, বলাডাঙ্গা, চুপড়িয়া সহ একাধিক গ্রামের জনসাধারণের মাঝে সেলুন সমিতির এরকম মূল্যবৃদ্ধিতে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধান বিচারপতির বাসায় যেতে পারেননি বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা

ন্যাশনাল ডেস্ক : পুলিশের বাধার কারণে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেননি বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা । তাঁরা বলছেন, সমিতির নেতারা সুপ্রিম কোর্ট থেকে গাড়িতে করে প্রধান বিচারপতির হেয়ার রোডের বাসভবনের উদ্দেশে রওনা দিলে মৎস্য ভবনের সামনে পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়।
তবে পুলিশ বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের এমন দাবি অস্বীকার করেছেন।
প্রধান বিচারপতির বাসভবন ঘিরে শুক্রবার সারা দিনই ছিল গণমাধ্যমকর্মীদের আনাগোনা। বাসভবনের দুটি গেটের সামনেই ছিলে তাদের অবস্থান। বাসভবনে কে ঢুকলেন, কে বেরোলেন—মূলত তা-ই পর্যবেক্ষণ করেছে তারা। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও একই কাজ করতে দেখা গেছে।
এরই মধ্যে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের পক্ষ থেকে বেলা সাড়ে তিনটার দিকে জানানো হয়, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদীন, সম্পাদক মাহবুব উদ্দীন খোকনসহ অন্য নেতারা বিকেল পাঁচটার দিকে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করবেন। তাঁদের এ ঘোষণার পর প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড় আরও বাড়ে। পৌনে চারটার দিকে সমিতির দুজন নারীনেত্রী সেখানে আসেন।
প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে যখন রীতিমতো ছোটখাটো জটলা বেধে যায়, তখন পাঁচটার দিকে সেখানে আসেন রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মাঈনুল ইসলাম। তাঁর নির্দেশে পুলিশের তিনজন কনস্টেবল গেটের সামনে অবস্থান নেন। এর কিছুক্ষণ পর পুলিশের রমনা অঞ্চলের উপকমিশনার মারুফ হাসান সরদারসহ আরও কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা সেখানে উপস্থিত হন।
সোয়া পাঁচটার দিকে সমিতির সহসভাপতি উম্মে কুলসুম প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে আসেন। কিছুক্ষণ পর গণমাধ্যমকর্মীদের ডেকে তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার তাঁরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি আবদুল ওয়াহ্‌হাব মিঞার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। তখন তিনি বলেছিলেন, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা করতে কোনো ধরনের বাধা নেই। সে অনুযায়ী আইনজীবী সমিতির নেতারা প্রধান বিচারপতির বাসভবনের দিকে রওনা দিলে মৎস্য ভবনের সামনে পুলিশ তাঁদের আটকে দেয় বলে দাবি করেন উম্মে কুলসুম।
সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদীন মোবাইলে বলেন, তাঁর এবং সম্পাদকের গাড়ি যখন মৎস্য ভবনের মোড়ের সিগন্যালে পৌঁছায়, তখন পোশাক পরা এবং সাদাপোশাকের কয়েকজন পুলিশ সদস্য এসে তাঁর গাড়িটি থামান। গাড়িতে কয়েকজন কনিষ্ঠ আইনজীবী ছিলেন। তিনি ছিলেন সম্পাদকের গাড়িতে। পুলিশ সদস্যরা ওই কয়েকজন আইনজীবীকে গাড়ি থেকে নামিয়ে গাড়িতে তিনি আছেন কি না, তা তল্লাশি করেন। এরপর তাঁদেরকে গাড়ি ঘুরিয়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পুলিশের এমন আচরণ দেখে অন্য গাড়িতে থাকা তাঁরাও (সভাপতি নিজে) আর সামনে এগিয়ে যাননি। গাড়ি ঘুরিয়ে চলে আসেন।

তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত রমনা অঞ্চলের উপকমিশনার মারুফ হাসান সরদার বলেন, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কে দেখা করবে, সেটি দেখার বিষয় তাঁদের নয়। প্রধান বিচারপতি কাউকে অনুমতি দিলে তাঁরা দেখা করতে পারেন। আইনজীবী সমিতির নেতাদের সঙ্গে তাঁর কোনো কথা হয়েছে কি না, সেটা তাঁর জানা নেই। তবে তাঁরা কাউকে কোনো ধরনের বাধা দেননি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের দুর্বিসহ যন্ত্রণার দিন

স্পোর্টস ডেস্ক : প্রথম টেস্টে বড় হারের পর দ্বিতীয় টেস্টের স্কোয়াডে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন আনে বাংলাদেশ। মিরাজ, শফিউল, তাসকিনদের বসিয়ে রুবেল, শুভাশীষ ও তাইজুলকে ভেড়ানো হয়। তবে ভাগ্য বদলায়নি মুশফিকের। প্রথম দিনেই দক্ষিণ আফ্রিকার দেওয়া রানে চাপা পড়েছে টাইগাররা। প্রথম দিন শেষে তিন উইকেটে ৪২৮ রান করেছে প্রোটিয়ারা। প্রথম টেস্টের প্রথম দিনে এক উইকেট হারিয়ে ২৯৮ রান করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। বলতেই হচ্ছে, খেলোয়াড় বদলালেও ভাগ্য বদলায়নি সফরকারীদের। দ্বিতীয় দিনেও যে, মুস্তাফিজ-রুবেলদের কঠিন সময় পার করতে হবে সেটা হয়তো না বললেও চলে। ৮৯ রান নিয়ে হাশিম আমলা ও ৬২ রান নিয়ে অধিনায়ক দু প্লেসি রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের ব্যাটিংয়ে নামবেন।

প্রথম টেস্টের মতো দ্বিতীয় টেস্টেও আজ বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়েছিল। টস জিতেছিলেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। আজও উইকেট চিনতে ভুল করেন তিনি। ফলে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন। প্রথম টেস্টেও টস জিতে ফিল্ডিং করেছিল বাংলাদেশ।

ব্যাটিংয়ে নেমেই মুশফিকের সিদ্ধান্তকে ভুল প্রমাণ করেন ডিন এলগার ও এইডেন মার্করাম। প্রথম উইকেটের জন্য প্রায় সাড়ে তিন ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয় বাংলাদেশকে। দিনের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ডিন এলগারকে ফেরান শুভাশীষ রায়। ৫৪তম ওভারের চতুর্থ ওভারে এলগারকে মুস্তাফিজের তালুবন্দি করেন তিনি। প্রোটিয়াদের রান তখন ২৪৩। এলগার করেন ১১৩ রান ।

এরপর আমলাকে নিয়ে এগুতে থাকেন মার্করাম। তবে জুটিটা বড় হতে দেননি রুবেল হোসেন। দুর্দান্ত এক ইয়র্কারে মার্করামের স্টাম্প উড়িয়ে দেন তিনি। প্রথম টেস্টে সেঞ্চুরি মিস করা মার্করাম ১৪৩ রান করে বিদায় নেন।

খানিক বাদে টেম্বা বাভুমাকেও ফেরান শুভাশীষ। উইকেটের পেছনে লিটন দাসকে ক্যাচ দেন এই প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান। মাত্র ৭ রান করেন তিনি। দ্রুত তিন উইকেট তুলে নিয়ে কিছুটা স্বস্তিতে ছিল বাংলাদেশ। তবে চতুর্থ উইকেট জুটিতে ১৪০ রান তুলে নিয়ে সফরকারীদের আবার খাদের কিনারে ঠেলে দেন হাশিম আমলা ও ফাফ দু প্লেসি।

দ্বিতীয় টেস্টের দলে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন এনে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। ইনজুরির কারণে ছিটকে গেছেন ওপেনার তামিম ইকবাল। তাঁর পরিবর্তে দলে জায়গা করে নিয়েছেন সৌম্য সরকার। বোলিং আক্রমণের ক্ষেত্রে এসেছে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন। দল থেকে বাদ পড়েছেন শফিউল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ। দলে এসেছেন তাইজুল ইসলাম, রুবেল হোসেন ও শুভাশীষ রায়।
প্রোটিয়াদের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ৩৩৩ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেষ পর্যন্ত অজগরটি খেয়েই ফেললো গ্রামবাসী

ভিন্ন স্বাদের সংবাদ : ইন্দোনেশিয়ায় মানুষ এবং অজগরের লড়াইয়ে অজগরটির পরাজয় হলে স্থানীয় লোকজন সাপটিকে খেয়ে ফেলে। আর এভাবেই দুর্ভাগ্যজনক পরিসমাপ্তি ঘটে দৈত্যাকৃতির এই অজগরের।
শনিবার সুমাত্রার বাতাং গানসাল জেলায় একটি পাম বাগানের রাস্তায় সাপটির মুখোমুখি হন নিরাপত্তা কর্মী রবার্ট নাবাবান।
৮ মিটার(প্রায় ২৬ ফুট) লম্বা সাপটিকে নাবাবান ধরার চেষ্টা করলে সাপটি তাকে আক্রমণ করে। মানুষ আর অজগরের এই লড়াই চলতে থাকে।
এক পর্যায়ে গ্রামবাসীরা অজগরটি মেরে ফেলে। এই লড়াইয়ে মারাত্মক জখম হন নাবানান। নাবানান কেন অজগরটিকে ধরার চেষ্টা করছিলেন সেটা ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। কোন কোন প্রতিবেদন বলছে যে, তিনি গ্রামবাসীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে এমনটা করতে গিয়েছিলেন। আবার অন্য প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, তিনি রাস্তা পরিষ্কার করতে চেয়েছিলেন।
বার্তা সংস্থা এএফপিকে স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, নাবাবানের বাম হাতে সাপটি গভীর করে ধারাল দাঁত বসিয়ে দেয় এবং অল্পের জন্য হাতটা রক্ষা পায়। সাথে সাথে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। নাবাবান এখন সেখানেই চিকিৎসাধীন আছেন।
মৃত অজগরটি কিন্তু ছেড়ে দেয়নি গ্রামবাসীরা। প্রদর্শনের জন্য গ্রামের রাস্তায় সেটাকে ঝুলিয়ে রাখা হয়, আর তারপর সাপটাকে কেটে টুকরো টুকরো করে, ভেজে খেয়ে ফেলে তারা।
গত মার্চ মাসে এরকম আরেকটি ঘটনা ঘটে। তবে এর ফলাফলটা মোটেও এরকম ছিল না। সেক্ষেত্রে বরং মানুষটিকে অজগরের পেটে পাওয়া গেয়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আবারও রোহিঙ্গা ঢলের আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মিয়ানমারের সরকার যে সেদেশে রোহিঙ্গা মুসলিমদের কাছে কাউকে যেতে দিচ্ছে না, জাতিসংঘ সেটিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে বর্ণনা করেছে ।
জাতিসংঘের মানবিক ত্রাণ দফতরের প্রধান মার্ক লোকক বলেন, সহিংসতার পরও মিয়ানমারের রাখাইনে হাজার হাজার রোহিঙ্গা এখনো রয়ে গেছে। জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে মি লোকক জানিয়েছেন, মিয়ানমার থেকে আবারও বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের ঢল নামবে বলে আশংকা করছেন তারা।
মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য রাখাইনে সেনাবাহিনীর অভিযানের মুখে ইতোমধ্যে পাঁচ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে।
গত অগাস্ট মাস থেকে রাখাইনে এই সহিংসতা শুরু হয়। গত ছ’সপ্তাহে এটি এক বড় রকমের মানবিক বিপর্যয়ে পরিণত হয়েছে।
লোকক বলেন, জাতিসংঘের উচ্চ পর্যায়ের একজন প্রতিনিধি আগামী কয়েকদিনের মধ্যে মিয়ানমারে যেতে পারবেন বলে তারা আশা করছেন।
তবে ওই কর্মকর্তাকে রাখাইনে নিয়ে যাওয়া হলেও তাকে কতোটা স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া হবে সেটা পরিস্কার নয়।
এর আগে জাতিসংঘের তরফে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর সেনাবাহিনীর অভিযানকে জাতিগত নিধন অভিযানের সাথে তুলনা করা হয়।
কিন্তু মিয়ানমারের সেনাবাহিনী বলছে, তারা সন্ত্রাসীদের দমন করার চেষ্টা করছে। বর্মী নিরাপত্তা বাহিনীর উপর জঙ্গিদের হামলার পরই মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর এই কঠোর অভিযান শুরু হয়।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, রোহিঙ্গাদের চারশোরও বেশি গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতেই জাতিসংঘের মানবিক ত্রাণ দফতরের প্রধান মার্ক লোকক তার কর্মকর্তাদেরকে রাখাইনে যেতে দেওয়ার জন্যে মিয়ানমারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের আসা এখনও বন্ধ হয়নি। এখনও হাজার হাজার রোহিঙ্গা মিয়ানমারের ভেতরে অবস্থান করছে। আর সেকারণে শরণার্থীদের ঢল যদি আবারও নামে, তার জন্যে আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।
মিয়ানমারের সরকারি বার্তা সংস্থাকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স বলছে, আরো বহু সংখ্যক রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার জন্যে প্রস্তুত।
এজন্যে তারা রোহিঙ্গাদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার ভীতির পাশাপাশি তাদের স্বাস্থ্য ও খাদ্য সঙ্কটের কথা উল্লেখ করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় এক পরিবারের উপর ৯ বার হামলা, স্বামী-সন্তান হত্যার বিচার পেতে পথে পথে আমেনা

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাড়ে তিন বছরের ব্যবধানে পৃথক ঘটনায় স্বামী সিরাজুল ও ছেলে রাসেল কবিরকে গুলি করে হত্যার বিচার দাবিতে পথে পথে ঘুরছেন সাতক্ষীরার কুচপুকুরের গৃহবধূ আমেনা খাতুন। এই দুই ঘটনা ছাড়াও তার পরিবারে আরও সাতটি হত্যা চেষ্টা, বোমাবাজি ও অগ্নি সংযোগেরও বিচার দাবি করেছেন তিনি। একমাত্র মেয়ে লাভলীকে সাথে নিয়ে আমেনা খাতুন আইন আদালত করেও তার শেষ নামাতে পারছেন না। তিনি এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
শুক্রবার আমেনা খাতুন সাংবাদিকদের জানান, পুলিশ গত ছয় মাসেও তার ছেলে রাসেল কবির হত্যার আসামিদের গ্রেফতার করতে পারেনি। তবে স্বামী সিরাজুল হত্যার দুই আসামি আনিসুর রহমান ও হবিবর ডাকাত পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়েছেন।
আমেনা খাতুন জানান, ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর রাতে তার বাড়িতে ঢুকে একদল সন্ত্রাসী তার স্বামী সিরাজুল ইসলামকে গুলি করে হত্যা করে। এ সময় তাদের বোন জামাই কওসার ও তার ছেলে শিমুল গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। সন্ত্রাসীরা তার দেবর নজরুল ইসলামকে হত্যার উদ্দেশ্যে খুঁজতে থাকে। তিনি জানান নজরুল প্রাণে বাঁচতে সাতক্ষীরা থানায় আশ্রয় নেন। আমেনা খাতুন বলেন এতেও ক্ষ্যান্ত হয়নি সন্ত্রাসীরা। তারা ২০১৭ এর ১০ এপ্রিল রাতে তার ছেলে রাসেল কবিরকে শহরের রাজারবাগান এলাকার ভাড়া বাড়ির সামনে গুলি করে হত্যা করে। এ ঘটনায় তিনি ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে সাতক্ষীরা থানায় মামলা করেন। মামলায় তিনি উল্লেখ করেন যে, তার ছেলে ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা রাসেল কবির তার স্বামী সিরাজুল হত্যাসহ সবগুলি মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী ছিল। তাকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছিল তারা। প্রাণ বাঁচাতে রাসেল গ্রামের বাড়ি ছেড়ে শহরে এসেও রক্ষা পায়নি। তিনি বলেন রাসেলকে হত্যার পর সন্ত্রাসীদের নজর রয়েছে তার ছেলে নাহিদ হাসান অভির ওপর।
আমেনা খাতুন আরও জানান ২০১৩ সালের ৩ মার্চ তাদের বাড়ি ও ধানচালের আড়তে সন্ত্রাসীরা আগুন ধরিয়ে দেয়। একই সালের ১২ মে নজরুল ও তার ভাই আমজাদকে সন্ত্রাসীরা গুলি করে। এতে তারা দুজন আহত হন। সে বছরের ২৭ জুন তাদের দোকান লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীরা পরপর চারটি বোমা ছুড়ে মারে। এতে নজরুলের বোন শাহানা খাতুন ও বোন জামাই জাহান আলি আহত হয়ে পঙ্গু হয়ে গেছেন। এর কিছুদিনের মাথায় ২০ জুলাই নজরুলের বাড়িতে বোমা নিক্ষেপে আরও একটি শিশু আহত হয়। সে বছরের ১৬ নভেম্বর মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে তার আত্মীয় ইউসুফ আলিকে অপহরণ করে সন্ত্রাসীরা। কয়েকদিন পর তাকে মুক্তি দেয় সন্ত্রাসীরা। ২০১৬ সালের ৮ এপ্রিল আমেনার দেবর নজরুল ইসলামের বাড়িতে ফের সন্ত্রাসীরা বোমা হামলা করে। এতে তিনি আহত হন। এর পর থেকে নজরুল ও তার ভাতিজা রাসেল কবির সাতক্ষীরা থানায় রাত্রি যাপন করতেন। এক পর্যায়ে শহরে নতুন বাড়িভাড়া নিয়ে বসবাস করতে থাকেন রাসেল কবির। এদিকে এসব ঘটনার পর গত ২৪ মার্চ রাতে একদল সন্ত্রাসী আমেনা খাতুনের বাড়িতে বোমা হামলা চালায়। একই সাথে তারা গুলিও করে। এতে বাড়ির দরজা জানালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তিনি জানান সন্ত্রাসীদের লক্ষ্য ছিল তার ছেলে যুবলীগ নেতা রাসেল কবিরকে হত্যা করার। রাসেল কবির এ সময় তার ছেলে নাহিদ হাসান অভিকে নিয়ে রাতের খাবার খাচ্ছিলেন।
আমেনা খাতুন বলেন, সবগুলি ঘটনায় মামলা হয়েছে। পুলিশ আসামিদের গ্রেফতারের জন্য বারবার অভিযান চালিয়ে খুঁজে না পেলেও বাবা ও ছেলে হত্যার মূল আসামিরা অজ্ঞাত স্থান থেকে তাদের হুমকি দিচ্ছে।
বিষয়গুলি সম্পর্কে জানতে চাইলে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহমেদ জানান সবগুলি মামলা আদালতে চলমান রয়েছে। কয়েকটি মামলার চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযানও চলছে। রাসেল হত্যায় তিন আসামি শুকুর আলি, আইয়ুব আলি ও ইকবাল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া রাসেলের বাবা সিরাজুল হত্যার দুই আসামি হবিবর ডাকাত ২০১৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর ও আনিসুর রহমান পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest