সর্বশেষ সংবাদ-
প্রকৌশলীকে মারপিটের মামলায় জামায়াত নেতা হাজী নজরুলসহ দুইজনের জামিন নামঞ্জুরএসএসসি পরীক্ষায় সাতক্ষীরায় চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাশ করেনিসাতক্ষীরায় যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রকল্পের সমাপনী সভাসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা  দেবহাটা-কালিগঞ্জ ভূমিহীন সংগ্রাম কমিটির নতুন কমিটি, জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎভুয়া নার্স সাজিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধনভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সাথে সাতক্ষীরা প্যাকেজড পানি ব্যবসায়ী মালিক সমিতির মতবিনিময় শ্যামনগরে ভুল চিকিৎসায় এক জনের মৃত্যুর অভিযোগতালায় বজ্রপাতে কাপড় ব্যবসায়ীর মৃত্যুকিসের হাসিনা? কোথায় বক্তব্য দিয়েছে? তার চেহারা কি দেখা গেছে?

‘অতিরিক্ত পরিশ্রমে’ ফ্যাশন শোতে মডেলের মৃত্যু

চীনে ফ্যাশন শো চলাকালে রাশিয়ার এক মডেলের মৃত্যু হয়েছে। অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারণে ওই কিশোরী মডেল চরম অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে সে কোমায় চলে যায়। এরপর আর তার জ্ঞান ফেরেনি।

যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য সানের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।

ভ্লাদা ডিজিউবা নামের ১৪ বছর বয়সী ওই রাশিয়ার মডেল চরম অবসাদ ও মস্তিষ্কের প্রদাহজনিত রোগে ভুগছিল।

রাশিয়ার পার্ম মডেলিং এজেন্সির পক্ষ থেকে মডেলিংয়ের কাজে তিন মাসের জন্য চীনে গিয়েছিল ভ্লাদা।

সাংহাইয়ে ১২ ঘণ্টার একটি ফ্যাশন শোতে কঠোর পরিশ্রমের কারণে অবসন্ন হয়ে ঢলে পড়ে ডিজিউবা। পরে সে কোমায় চলে যায়। এর দুদিন পর তার মৃত্যু হয়।

বেশ কিছু সংখ্যক রাশিয়ান মডেলকে চীনে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু ভ্লাদার এই মর্মান্তিক ঘটনার পর অতিরিক্ত পরিশ্রমের বিষয়টি মডেলদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে।

দ্য সাইবেরিয়ান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই কিশোরী মডেল যখন ক্যাটওয়াক করতে যাচ্ছিল, এর ঠিক আগ মুহূর্তেই তার শরীরের তাপমাত্রা অনেক বেড়ে যায়।

ভ্লাদার মা ওকসানা জানান, সে ফোনে কান্নায় ভেঙে পড়েছিল এবং বাড়ি ফিরতে চেয়েছিল।

শোকাহত ওকসানা বলেন, ‘সে ফোন করে বলেছিল, মা আমি খুব ক্লান্ত, আমার অনেক ঘুম দরকার।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমি ঘুমোতে পারছিলাম না, তাকে বারবার ফোন দিতে থাকি, তাকে হাসপাতালের যাওয়ার জন্য বলি।’

ভ্লাদাকে বৈধভাবে সপ্তাহে তিন ঘণ্টা কাজের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। সে মারা যাওয়ার আগে তার ছোট বোনের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার জন্য ভিসা পাওয়ার চেষ্টা করছিল।

পার্ম মডেলিং এজেন্সির প্রধান এলভিরা জাইটশেবা বলেন, এমন ঘটনা ঘটবে তা কেউই আশা করেনি।

এদিকে, এ ঘটনার পর ওই মডেলের কাজের পরিস্থিতির বিশ্লেষণের দাবি জানিয়েছে মস্কো। কিশোরী মডেল ভ্লাদা এশিয়ায় থাকাকালে কেমন পরিশ্রম করেছে সেটার বিশ্লেষণই এখন প্রস্তুত করছে রাশিয়া।

তবে ক্রেমলিনের মানবাধিকারকর্মী পাভেল মিকভ ব্যক্তিগতভাবে ওই কিশোরীর মৃত্যুর বিষয়টি তদন্ত করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অতিরিক্ত ডিওডোরেন্ট মারাত্মক ক্ষতির কারণ!

নিয়মিত ডিওডোরেন্ট এবং অ্যান্টিপারসপিরেন্ট ব্যবহারের ফলে মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে! কেননা, ডিওডোরেন্টের সবটাই কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি এবং খুবই টক্সিক বা ক্ষতিকারক। প্রতিদিন ডিওডোরেন্ট ব্যবহারের কারণে ত্বক এই কেমিক্যাল শুষে নেয়‚ ফলে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ক্ষতি হতে পারে।
সাম্প্রতিক গবেষণায় ডিওডোরেন্টের সঙ্গে স্তন ক্যান্সারের সম্পর্কের বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। আরও জেনে নিন-

ঘাম গ্রন্থি বন্ধ করে দেয়: ডিওডোরেন্ট আর অ্যান্টিপারসপিরেন্ট ব্যবহারের ফলে রোমকূপ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে বহু ক্ষতিকারক টক্সিনস বেরিয়ে যায়। কিন্তু রোমকূপ বন্ধ থাকলে তা শরীরের ভিতর জমতে থাকে। এতে শরীরের কোষ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এমনকি ক্যানসারের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেয়া যায় না।

বিভিন্ন ত্বকের সমস্যা: সাধারণত ডিওডোরেন্টে প্রোপেলিন গ্লেকল (Propylene Glycol) নামের কম্পাউন্ড থাকে বলে বিভিন্ন ধরনের ত্বকের সমস্যা হতে পারে। যেমন: গায়ে লাল গুটি দেখা যেতে পারে বা ত্বক জ্বালা করতে পারে। একই সঙ্গে এই কম্পাউন্ড নিউরোটক্সিক।
ফলে আপনার সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে। রোল অন বা স্টিক ডিওডোরেন্টে প্রোপেলিন গ্লেকলের মাত্রা বেশি থাকে।

অ্যালঝাইমারস ডিজিজ: অ্যান্টিপারসপিরেন্টের প্রধান উপদান হলো অ্যালুমিনিয়াম। এর ফলে হতে পারে ডিমনেশিয়া এবং অ্যালঝাইমারস ডিজিজ। বারবার ডিওডোরেন্টের গন্ধ শুকলে অ্যাজমাও হতে পারে।

হরমোনাল ইমবালেন্স: বেশিরভাগ ডিওডোরেন্টে প্রিজারভেটিভ হিসেবে প্যারাবেনস (Parabens) ব্যবহার করা হয়। এর ফলে শরীরে হরমোনাল ইমব্যালেন্স থেকে অনিয়মিত ঋতুচক্রের সমস্যা তৈরি হয় এবং মেয়েরা উপযুক্ত বয়েসের আগেই ঋতুমতী হয়ে যেতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্বাসরুদ্ধকর জয় পেল ভারত

কানপুরে সিরিজ নির্ধারণী শ্বারুদ্ধকর ম্যাচে ৬ রানের জয়ে পেয়েছে ভারত। সফরকারী কিউইরা শেষ ম্যাচে ঝলক দেখালেও শেষ পর্যন্ত বুমরাহ ও ভুবনেশ্বরে বোলিং চমকে জয় তুলে নেয় স্বাগতিকরা।

ভারতের দেওয়া ৩৩৭ রানে জবাবে ৩৩১ রানেই থামে ব্ল্যাক ক্যাপসদের ইনিংস। নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৫ রান করেন কলিন মুনরো। উইলিয়ামসন ৬৪ ও টম ল্যাথাম করেন ৬৫। এছাড়া ছোট ছোট স্কোরে অবদান রেখেছেন অন্যরাও। ভারতের হয়ে জাসপ্রিত বুমরাহ ৩টি, যুবেন্দ্র চাহাল ২টি ও ভুবনেশ্বর কুমার ১টি উইকেট নেন।

এর আগে ওপেনার রোহিত শর্মার ১৪৭ ও অধিনায়ক বিরাট কোহলির ১১৩ রানের ইনিংসের ওপর ভর করে ৬ উইকেটে ৩৩৭ রান তুলে ভারত। নিউজিল্যান্ডের হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন মিচেল স্যান্টনার,টিম সাউদি ও অ্যাডাম মাইল।

এদিকে ওই ম্যাচে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তিনি পৌঁছে গেছেন ৯ হাজার রানের অভিজাত ক্লাবে।
আর একই সঙ্গে তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের ৩২তম ওয়ানডে শতক। আর রোহিত শর্মা ১৫তম শতক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ার কাশিয়াডাঙ্গা-ত্রিমোহীনি ব্রিজের অভাবে হাজারো মানুষ দুর্ভোগে

নিজস্ব প্রতিনিধি : একটি ব্রিজের অভাবে ভাঙ্গাচোরা সাঁকো দিয়ে হাজারো মানুষ ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে, পার করছে ভ্যান, বাইসাইকেল ও মোটরসাইকেল।
পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে কপোতাক্ষ নদের তলদেশ ভরাট ও পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জনসাধারণকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
কলারোয়া উপজেলার ১১নং দেয়াড়া ইউনিয়নের কাশিয়াডাঙ্গা ও যশোর জেলার কেশবপুরের ত্রিমোহিনী মধ্যবর্তী কপোতাক্ষ নদের উপরে এ ব্রিজের প্রয়োজনীয়তা যেমন জনগুরুত্বপূর্ণ ও সময়ের দাবি তেমনি নিয়মিত নদের পানির উপরিভাগে স্থায়ীরূপে স্তুপাকৃত শ্যাওলা অপসারণ ও নদের তলদেশে পলি অপসারণও অত্যন্ত জরুরী।
জানা গেছে- বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে কপোতাক্ষ নদ খনন খনন করার ফলে নদের পানি প্রবাহে যৌবন ফিরে এসেছে। কিন্তু নদের পানির উপরিভাগে স্তুপাকৃত শ্যাওলা আর কচুরপিনা অপসারণের অভাবে এবং যত্রতত্র বাশের ব্যারিকেড দেয়ার ফলে নদের উপকারিতা যেমন অনেকটা ম্লান হয়ে পড়েছে তেমনি কাশিয়াডাঙ্গা-ত্রিমোহিনী ব্রিজের অভাবে চরম দূর্ভোগে রয়েছে এলাকার জনসাধারণ। কারণ প্রয়োজনের তাগিদে বাধ্য হয়ে ভাঙ্গাচোরা বাঁশের সাকো দিয়ে তাদের নদ পারাপার হতে হয়।
জীবনের ঝুকি নিয়ে সেই বাঁশের সাকো দিয়ে নদ পারাপারের ক্ষেত্রে অনেক সময় পানিতে পরে যাওয়ার ঘটনাও ঘটছে। ভ্যান, সাইকেল, মোটরসাইকেলসহ হালকা যানবাহন ওই সাঁকো দিয়ে ঝুকি নিয়ে পারাপার করতে হচ্ছে প্রতিদিন হাজারো মানুষকে।
সেখানকার ব্রিজ তৈরি হওয়াটা এতটাই জনগুরুত্বপূর্ণ যে, কলারোয়া থেকে সনেট কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়িসহ কেশবপুর, মনিরামপুর ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় যাতায়াতে অত্যন্ত সহজলভ্য কম সময় ও কম দূরত্বের পথ। এটা ব্যতিরেকে অনেকটা পথ অতিক্রম করতে হয় সেক্ষেত্রে সময় ও খরচও বেশি পড়ে।
এছাড়াও দেয়াড়ার কাশিয়াডাঙ্গা এলাকা থেকে খোরদো বড় বাজার ও দেয়াড়ার একটি ছোট্ট বাজার থেকে ত্রিমোহীনি বাজার এলাকার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের কাছে খুবই নিকটবর্তী। কলারোয়া ও কেশবপুরের ব্যবসা বানিজ্যও প্রসারিত হওয়ার ক্ষেত্রেও কাশিয়াডাঙ্গা-ত্রিমোহীনি মধ্যবর্তী স্থানে ব্রিজটি সম্পন্ন হলে কষ্ট লাঘব হবে।
প্রয়োজনের তাগিদে চলাচলের জন্য অস্থায়ী সাকো তৈরি করে ও মাঝেমধ্যে নৌকা দিয়ে পারাপার করে থাকে।
এখানে উল্লেখ্য যে, কলারোয়া ও কাজিরহাট রাস্তাটি সম্পুর্ন কার্পেটিং রাস্তা হয়ে কাশিয়াডাঙ্গা-ত্রিমোহীনি ঘাট পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। ফলে সেখানে ব্রিজ তৈরি হলে যাতায়াতের দূর্ভোগ হ্রাস পাবে ও পরিপূর্ণতা লাভ করবে- এমনটাই মনে করেন স্থানীয়রা।
এ ব্যাপারে দেয়াড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আব্দুল মান্নান জানান- ‘নি:সন্দেহে কাশিয়াডাঙ্গা-ত্রিমোহীনি মধ্যবর্তী কপোতাক্ষ নদীর উপরে ব্রিজটি জনগুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত ব্রিজটি সম্পন্ন হলে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হবে। সস্তি পাবে হাজারো মানুষ।’
স্থানটিতে ব্রিজ নির্মাণের ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য স্থানীয় বাসিন্দা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ সদস্য মতিয়ার রহমান গাজীসহ ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন এলাকাবাসী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে মাসিক আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা

কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জ মাসিক আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা রোববার সকাল ১১টায় নির্বাহী কর্মকর্তার সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কালিগঞ্জ সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুর আহম্মেদ মাছুমের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আলহাজ্ব শেখ ওয়াহেদুজ্জামান, ডেপুটি কমান্ডার জিএম আব্দুল হাকিম, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুর রউফ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহারিয়ার মাহমুদ রনজু, উপজেলা প্রকৌশলী শাহাবুল আলম, সিনিয়ার মৎস্য কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম, উপজেলা জাতীয় পাটির সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবর রহমান, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চু, ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়র মেহেদী হাসান সুমন, আজিজুর রহমান পাড়, শেখ রিয়াজ উদ্দিন, মিজানুর রহমান গাইন, আশরাফুল হোসেন খোকন, প্রশান্ত কুমার সরকার প্রমুখ। মাসিক আইন শৃঙ্খলা সভায় সরকারি কর্মকর্তা, বিজিবি‘র ক্যাম্প কমান্ডার, এনজিও প্রতিনিধি ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় দলিত’র উদ্যোগে ছাত্রীদের উপবৃত্তি প্রদান

তালা প্রতিনিধি : সমাজের পিছিয়ে পড়া দরিদ্র ও হতদরিদ্র জনগোষ্ঠির মেয়ে শিক্ষার্থীদের সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত ১২০জন ছাত্রীকে মাসিক উপবৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। দাতা সংস্থা সানজিনো-ইতালী এর সহযোগীতায়, বেসরকারী সংস্থা দলিত’র আয়োজনে এবং সংস্থার টিপসি প্রকল্পের আওতায় রোববার সকালে তালা সরকারি কলেজ হলরুমে উপবৃত্তি প্রদান ও উদ্বুদ্ধকরন সভার আয়োজন করা হয়।
দলিত’র টিপসি প্রকল্প ব্যবস্থাপক ফাহমিদা খাতুন’র সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন, তালা সরকারি কলেজ’র অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. গোলাম মোস্তফা। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন, তালা রিপোটার্স ক্লাবের সদস্য সচিব বি. এম. জুলফিকার রায়হান। দলিত’র সিডিও গোপীনাথ দাস’র পরিচালনায় এসময় অন্যান্যের মধ্যে দলিত কর্মকর্তা শাওন শাহা, মুকুল দাস এবং দলিত’র উপকারভোগী কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়–য়া ছাত্রী ক্ষমা দেবনাথ, মৌসুমি, সীমা দেবনাথ, খাদিজা পারভীন সোহানা, আসমা খাতুন, মহিমা দাশ, অনিতা দাশ ও সূবর্না সরকার প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনি চেচুয়া বহুমুখি ফাজিল মাদ্রাসার; এবতেদায়ীতে শিক্ষক ৪, শিক্ষার্থী ২৩!

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের চেচুয়া মদিনাতুল উলুম বহুমুখি ফাজিল মাদ্রাসার এবতেদায়ী প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকলেও খাতা কলমে শিক্ষার্থী দেখিয়ে চলছে উক্ত বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম। মাদ্রাসায় এবতেদায়ী গ্রুপে ২৩ জন শিক্ষার্থীর জন্য নিয়োজিত আছেন ৪জন শিক্ষক। এবতেদায়ী মাদ্রাসায় এবতেদায়ীর প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত আছেন আনোয়ারা খাতুন, সহকারী হিসেবে নিয়োজিত আছেন নির্মল চন্দ্র বাছাড়, মাওঃ তৈয়েবুর রহমান ও আঃ মালেক। এর মধ্যে আঃ মালেক অসুস্থ জনিত কারণে ছুটিতে আছেন। কিন্তু অভিযোগ আছে মাওঃ তৈয়েবুর রহমান প্রায় দিন সকালে স্কুলে হাজির হয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে বিভিন্ন কারণে স্কুল থেকে বেরিয়ে যান। অন্যদিকে প্রধান শিক্ষক আনোয়ারা খাতুনের তো দেখাই মেলে না। ক্লাস রুমে গিয়ে দেখা গেছে স্কুলে ৪টি শ্রেনী কক্ষের মধ্যে একটি ব্যবহার উপযোগী। যেখানে ১০জন শিক্ষার্থীও বসতে পারবে না, কিন্তু ঐ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একটি শ্রেণী কক্ষে ৩জন শিক্ষর্থীকে নিয়ে চলে শিক্ষা কার্যক্রম। আবার কোন কোন দিন শিক্ষার্থী না থাকায় বন্দ থাকে প্রতিষ্ঠান। এভাবেই চলছে চেচুয়া মদিনাতুল উলুম বহুমুখি ফাজিল মাদ্রাসার এবতেদায়ী সেকসানের শিক্ষা কার্যক্রম। এলাকাবাসী অভিযোগ উক্ত মাদ্রাসায় শিক্ষা নামে চলছে প্রতারণা। একটি শিশু সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা পাশাপাশি তার নাম এ এবতেদায়ী মাদ্রাসায় ব্যবহার করে চলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম। আর এবিষয় গুলো জেনেও না জানার ভান করছেন সম্ভাব্য ও নব নির্মিত কমিটির নেতৃবৃন্দ। তবে অনুসন্ধানে জানাগেছে উক্ত কমিটির অধিকাংশ নেতৃবৃন্দ নাশকতা ও মানবতা বিরোধী অপরাধের সাথে জড়িত বা পরিবারের কে না কেহ। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাইলে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও অত্র প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সাহী সদস্য এনামুল হক জানান প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কিছু শিক্ষক নাশকতা মামলার আসামী ও মানবতা বিরোধী মামলার আসামীদের আত্মীয়। তিনি আরও বলেন স্কুল ছুটি থাকা কালিন সরকার বিরোধী শিক্ষকরা স্কুল রুমে বসে নাশকতার বিভিন্ন পরিকল্পা করেন। আনুলিয়া এউপি চেয়ারম্যান জানান, প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটিকে কেন্দ্র করে দুটি গ্রুপের মধ্যে একটু সমস্যা চলছে। বিষয়টি মিমাংশা করার চেষ্টা চলছে। প্রতিষ্ঠানের সমস্যার বিষয় গুলি আমলে নিয়ে ব্যবস্থা নিতে প্রসাশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন এলাকাবাসী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইন্সট্র্রাক্টর সাইদুল হকের প্রচেষ্টায় বদলে গেছে উপজেলা রিসোর্স সেন্টার

দেবহাটা ব্যুরো : রুচি আর সৃজনশীল ব্যক্তিত্ব উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর সাইদুল হক। যার প্রচেষ্টায় উপজেলা রিসোর্স সেন্টার ও প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এসেছে উল্লেখ যোগ্য পরিবর্তন। যার ফলে উপজেলা রিসোর্স সেন্টার হয়ে উঠেছে একটি দৃষ্টিনন্দিত ও আকর্ষণীয়। পরিবর্তন নিয়ে সাইদুর হকের সাথে কথা বললে জানা যায়, চাকুরীর শুরুতে দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলায় কর্মজীবন শুরু করেন। পর্যক্রমে দেবহাটায় যোগদান করে দেবহাটা উপজেলা রিসোর্স সেন্টারসহ কয়েকটি স্থানে এনেছেন দৃর্শমান পরিবর্তন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ আল আসাদের দিকনির্দেশনায় এবং তার রুচিশীল চিন্তা চেতনার বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়েছেন। উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের বার্ষিক বাজেটের বাড়তি অর্থ এবং উপজেলা পরিষদের সার্বিক সহযোগীতায় পরিবর্তন এনে সু-সজ্জিত করেছেন। যার মধ্যে রয়েছে রিসোর্স সেন্টারের প্রশিক্ষণ কক্ষ সজ্জিত করণ, প্রশিক্ষণকারীদের জন্য মনোরম পরিবেশ, বিভিন্ন সৃষ্টিশীল ছবি ও হস্তশিল্পের সংযোজন, সীমানা প্রাচীর, গেইট, শিক্ষকদের জন্য গোলচত্তর স্থাপন, সাইকেল ও মোটরসাইকেল সেড নির্মাণ, নামাজের ঘর নির্মাণ, রাতে আলোকসজ্জা, সৌন্দয্যবর্ধক বিভিন্ন কর্মকান্ড, প্রাচীর ও দেয়ালে মহান ব্যক্তিদের বানী, ক্যাম্পাসে ফুলের বাগান ইত্যাদি। একই সাথে নিজ উদ্যোগে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিতে শিক্ষা উপকরণ প্রস্তুত, শিক্ষা উপকরণ সরবাহ, প্রত্যেকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আইসিটি জ্ঞান পৌছে দেওয়ার জন্য বিদ্যালয় গিয়ে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান, ঝরে পড়া রোধে বিভিন্ন কৌশাল বাস্তবায়ন, শ্রেণি কক্ষগুলোতে সু-সজ্জিতকরণ, চাকুরীকালীন শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রারাম্ভিক প্রশিক্ষণ প্রদানসহ নানামূখি কর্মকান্ড বাস্তায়ন। তিনি এসব কর্মকান্ড বাস্তবায়িত করায় ২০১৪ সালে বিভাগী পর্যায়ে শ্রেষ্ট ইন্সট্রাক্টর এবং পরবর্তীতে জাতীয় পর্যায়েও বিশেষ অবস্থান অর্জন করেন। পাশাপাশি সরকারি ভাবে ভূটানে শিক্ষার মান উন্নয়নে বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহনের সুযোগ লাভ করেন। তিনি দেবহাটা উপজেলার রিসোর্স সেন্টারের যোগদানের পর অল্প সময়ে অসংখ্য অবদান রাখায় বিভিন্ন পর্যায় থেকে তিনি প্রশাংশায় ভূষিত হয়েছেন। সাথে সাথে শনিবার তার অবদানে উল্লেখ যোগ্য বিভিন্ন সৌন্দয্যবর্ধক কর্মকান্ড উপজেলা চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব আব্দুল গনি উদ্বোধন করেন। একই সাথে বদলী জনিত কারনে তাকে দেবহাটা ছেড়ে শর্শা উপজেলার যোগদান করতে হয়েছে। তার এই অবদানের কথা দেবহাটাবাসী মনে রাখবে। সাথে সাথে তারমত প্রত্যেক কর্মকর্তা কর্মচারী যেনো নিজ কর্মস্থলকে সুনিপন ভাবে কাজ করে সোনার বাংলাদেশ গড়তে সহায়ক হিসাবে কাজ করার অনুরোধ জানিয়েছেন সচেতনমহল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest