সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে যুবকের মরদেহ উদ্ধার: পরিবারের দাবি হত্যাকান্ডরাস্তা থেকে কুড়িয়ে পাওয়া অন্ধ ঘোড়ার সেবা করা সাতক্ষীরার সোহানের পাশে প্রধানমন্ত্রীতালায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগশ্যামনগরের নীলডুমুরে ঘাটে হার্ডওয়্যার দোকান থেকে বিশাল আকৃতির অজগর সাপ উদ্ধার‘অথবা তুমি আমি’ নাটকে আলোচনায় ইভানা২৯ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রীকানাডা পশ্চিম বিএনপির বিতর্কিত কার্যক্রম ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভশ্যামনগরে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা : সরেজমিনে মিলল ভিন্ন চিত্রসাতক্ষীরায় ৭৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করল বিজিবিদেবহাটা উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে হাবিবুল ইসলাম হাবিবের সৌজন্য সাক্ষাৎ

কালিগঞ্জে ৪ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টে ঈশ্বরীপুর একাদশ জয়ী

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, কালিগঞ্জ : কালিগঞ্জের কুশুলিয়া কসমস ক্লাব আয়োজিত চার দলীয় লক্ষ টাকার ফুটবল টুর্র্নামেন্টের সেমি-ফাইনাল খেলায় ইশ্বরীপুর ফুটবল একাদশ ৪-০ গোলে ধুলিহরপুর ফুটবল একাদশকে পরাজিত করেছে। কুশুলিয়া স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে মঙ্গলবার বিকাল ৪ টায় সেমিফাইনাল খেলায় ঈশ্বরীপুর ফুটবল একাদশ ও ধুলিহরপুর ফুটবল একাদশ একে অন্যের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। হাজার হাজর দর্শকের উপস্থিতিতে ধুলিহরপুর ফুটবল একাদশকে হারিয়ে ঈশ্বরীপুর ফুটবল একাদশ ফাইনালে উঠে। কুশুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি কাজী কাওফিল অরা সজলের সার্বিক ব্যাবস্থাপনায় ফুটবল টুর্নামেন্টে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ রিয়াজ উদ্দিন। ব্যাপক উত্তেজনাপূর্ণ এই খেলাটির পরিচালনা করেন ফিফা রেফারি শেখ ইকবাল আলম বাবলু এবং তার সহযোগী ছিলেন রেফারি সুকুমার দাশ বাচ্চু ও মোমিনুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সেই বাল্যবিবাহকে আমি মানতে পারিনি : এভ্রিল

৬৭তম ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে আয়োজন করা হয় ‘লাভেলো মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ শিরোনামের একটি প্রতিযোগিতা।

প্রায় দেড় মাস যাচাই-বাছাইয়ের পর গত শুক্রবার ঘোষণা করা হয় প্রতিযোগীর নাম। বিজয়ী হন চট্টগ্রামের মেয়ে জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল। তবে প্রথমে জান্নাতুল সুমাইয়া হিমিকে বিজয়ী ঘোষণা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, হিমি নন, বিজয়ী হয়েছেন এভ্রিল। আর হিমি হয়েছেন দ্বিতীয় রানারআপ। তবে এই বিতর্ককে ছাপিয়ে ওঠে এভ্রিলের বিয়ের খবর। নিয়ম অনুযায়ী এই প্রতিযোগিতার অংশগ্রহণকারীকে হতে হবে অবিবাহিত। বিয়ের খবর গোপন রাখার খবরটি প্রকাশ হওয়ার পর গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে আলোচনার ঝড় ওঠে। সেটারই জবাব দিতে আজ মঙ্গলবার দুপুরে ফেসবুক লাইভে আসেন এভ্রিল।

ফেসবুক লাইভে এভ্রিল বলেন, ‘আসসালামু আলাইকুম। আপনাদের সামনে এখন কে বসে আছে? জান্নাতুল নাঈম। জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল। যে কিনা পৃথিবীর সব মানুষের কাছে এখন সম্মান রেখে কয়েকটা কথা বলতে চাচ্ছে। আর চুপ করে থাকতে পারিনি। জানি, আপনাদের অনেকের অনেক ধরনের প্রশ্ন আমার কাছে আছে। কেন আমি বিয়ের কথা গোপন রেখেছি। কেন আমি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছি। আমি ছোটবেলা থেকে কখনোই কোনো বাধা-বিপত্তির কাছে মাথা নিচু করিনি। কখনোই না। এখনো পর্যন্ত। যখনই বাধা-বিপত্তি এসেছে, চুপ করে সেটার বিপরীতে গিয়ে বারবার নিজেকে শুধরে নিয়েছি। বারবার নিজেকে আমি পরিবর্তন করেছি।’

নিজের বিয়ে প্রসঙ্গে এভ্রিল বলেন, ‘১৬ বছরের একটা মেয়েকে তার বাবা জোর করে বিয়ে দিচ্ছে। সেই মেয়ে বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে এসেছে। আজ সেই মেয়ে এখন সাকসেসফুল। সেই মেয়ে তাঁর সমাজের কোনো কথা শোনেনি। সেই মেয়ে আশপাশের মানুষ কী বলেছে সেটাও কানে নেয়নি। তার একটাই উদ্দেশ্য ছিল—যেখানে ১৯ কোটি মানুষের বাংলাদেশে বাল্যবিবাহ একটা দৈনন্দিন যন্ত্রণার ঘটনা, সেখানে সেই বাল্যবিবাহকে আমি মানতে পারিনি। বাংলাদেশেও আইন আছে। ১৬ বছরের একটা মেয়েকে বিয়ে দিলে সেই বিয়ে হয় না। সেটা বাল্যবিবাহ হিসেব গণ্য। আমি চেয়েছিলাম সেটার বিপরীতে কাজ করতে। আমি প্রত্যেকটা মেয়েকে এটাই বোঝাতে চেয়েছি, একটা মেয়ে চাইলে অনেক কিছু করতে পারে।’

দেশে নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ে এভ্রিল যোগ করেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে একটা মেয়ে চাইলে অনেক কিছু পারে। বেগম রোকেয়ার মতো একটা মেয়ে চাইলে অনেক কিছু পারে। চাইলে নিজেদের অধিকার নিজেই আদায় করে নিতে পারে। সে ডিভোর্সি হোক সে ম্যারিড হোক। সে অন্য কেউ হোক। এনিথিং। আমি ডিভোর্সি, ফাইন। আমি একটা মেয়ে। আমি একটা মানুষ। মানুষ হিসেবে আমার তো অধিকার আছে একটা ইন্টারন্যাশনাল প্লাটফর্মে গিয়ে নিজেকে উপস্থাপন করা। কই আমি তো নিজে জন্য কিছু চাইনি। আমি চেয়েছি দেখাতে একটা মেয়ে চাইলে কী কী করতে পারে।’

এদিকে, এভ্রিলের বিয়ের খবর প্রকাশের পর বিষয়টি মূল আয়োজকদের জানানো হবে বলে বলেন ‘লাভেলো মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’–এর আয়োজক স্বপন চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘যদি তাঁর বিয়ের খবর সত্য হয়, তাহলে নিয়ম অনুযায়ী যা করতে হবে আমরা তা-ই করব। আমরা তাঁর ব্যাপারে আগামীকাল লন্ডনের আয়োজকের সঙ্গে আলাপ করব। তাঁরা যেটা সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটাই চূড়ান্ত হবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সন্ত্রাস, মাদক ও জঙ্গিমুক্ত দেশ গড়তে কাজ করবে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড-জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড সদস্যরা জঙ্গি, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত দেশ গড়তে সাহায্য করবে। তারা মানুষকে দেখাবে একটি আলোকিত পথ। একই সাথে তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে কাজ করে যাবে।
মঙ্গলবার মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের ১১ নং ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন কমান্ড সদস্যদের উদ্দেশ্যে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মো.নজরুল ইসলাম এ কথা বলেন। তিনি বলেন তারা দেশের কৃতী সন্তানদের সন্তান। তাদের পিতার মতো তারাও নিখাদ দেশপ্রেমিক উল্লেøখ করে তিনি বলেন তারা দেশের সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে এক সাথে কাজ করবেন। তিনি আরও বলেন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড সদস্যরা বঙ্গবন্ধু কন্যার হাতকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে যাবে।
এর আগে ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন কমান্ডের সভাপতি আবদুল খালেক ও সাধারন সম্পাদক হুমায়ুন কবির লিটুর নেতৃত্বে কয়েকজন কর্মকর্তা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কক্ষে যেয়ে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সহ সভাপতি মো. সরোয়ার খান, সহ সাধারন সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদ, নির্বাহী সদস্য অজিত কুমার ও মো. আবদুর রাজ্জাক। মো. নজরুল ইসলাম তাদেরকে শিক্ষিত সুনাগরিক হিসাবে গড়ে ওঠার ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন।
পরে তারা একইভাবে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান প্রেসক্লাব সভাপতি আবুল কালাম আজাদ ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সদস্য সচিব লায়লা পারভিন সেঁজুতিকে। এ সময় তারা তাদেরকে জঙ্গি, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার কাজে সহযোগিতা করার আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজব ধরনের চাকরির গল্প!

স্বপ্নের চাকরি পেতে কে না চায়। যে বিষয়ে আগ্রহ রয়েছে, সেই বিষয় নিয়ে কাজ করার সুযোগ পাওয়াটা তো ভাগ্যের বিষয়। এমন কিছু কাজের বিষয়ে আলোচনা, যে কাজগুলির কথা শুনলে যে কেউ ইর্ষান্বিত হতে বাধ্য।

চলুন তাহলে চোখ রাখা যাক সেইসব আজব ধরনের চাকরি গুলির দিকে, যেগুলির বিষয়ে হয়তো এতদিন আপনার অজানাই ছিল-

সারাদিন ঘুমাতে হবেঃ প্রতিদিন অফিসে গিয়ে একটা ডিজাইনার বিছানায় শুধু ঘুমাতে হবে। এটা একমাস ধরে করার পর একটা রিপোর্ট বানতে হবে এবং তাতে লিখতে হবে বিছানাটির ভালো-মন্দের বিষয়ে। আর তার জন্য আপনার বেতন হবে কম করে ১০০০ পাউন্ড।

ওয়াটার রাইডে চড়াঃ ওয়াটার পার্কে গেছেন নিশ্চয়। ওয়াটার পার্কের রাইড গুলো আদৌ নিরাপদ কিনা জানতে কিছু লোককে চাকরি দেওয়া হয়। আর তারা সারাদিন ধরে রাইড গুলোতে চড়তেই থাকেন এটা দেখার জন্য যে সেগুলির মান ঠিক আছে কিনা। এই সব রাইড বিশেষজ্ঞরা সবুজ সঙ্কেত দিলে তবেই জনসাধারণ সেগুলোতে ওঠার অনুমতি পান।

দ্বীপের কেয়ার টেকারঃ ফাঁকা বাড়ির দেখভালের জন্য কেয়ার টেকার নিয়োগ করতে নিশ্চয় শুনেছেন। কিন্তু কখনও এটা শুনেছেন কি যে একটা দ্বীপের দেখাশোনার জন্য লোক নেওয়া হচ্ছে? শুনলে অবাক হয়ে যাবেন এ বছর প্রায় ৩৫,০০০ মানুষ এমন চাকরির জন্য দরখাস্ত করেছিল। বেন সাউথঅল হল এমনই একজন লাকি মানুষ যিনি এই চাকরিটি করেন। ছয় মাস অস্ট্রেলিয়ার এক দ্বিপের কেয়ার টেকারের কাজের জন্য উনি প্রায় ১১১,০০০ ডলার বেতন পান।

সারাদিন লজেন্স খাওয়াঃ হেরি উইলশার নামে এই স্কুল ছাত্রটি সারাদিন ধরে লজেন্স খেয়ে তাদের গুণমান ঠিক আছে কিনা সে ব্যাপারে রিপোর্ট তৈরি করেন। ভাবুন তো মিষ্টি খেতে যারা পছন্দ করেন তাদের কাছে এই চাকরিটি কতটা মূল্যবান, হেরি একটি প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়ে এই চাকরিটি পেয়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মানুষের হাতে গড়া ভৌতিক বাড়ি!

ভৌতিক বাড়ির গল্প আমরা অনেকেই শুনেছি। ভৌতিকতা নিয়ে আমাদের আগ্রহেরও কমতি নেই। এরকম একটি ভৌতিক বাড়ির দেখা মিলবে বেলারুশের রাতোমকা শহরে।

এই শহরের একজন সাধারণ ব্যবসায়ী এই বাড়িটি তৈরি করেছেন। তবে লোকটির নাম জানা যায়নি। তিনি মূলত এ বাড়িটিকে ইচ্ছা করেই ভৌতিক রূপ দেন। এর ফলে ভয়ের মাত্রাটা আরো বেশি যোগ হয়েছে।

ভীত লোকেরা এর ত্রিসীমানায় ঘেঁষতে চায় না। পাথরের দেয়ালের ওপার থেকে কঙ্কাল হাত বাড়িয়ে দিয়েছে, ছাদের ওপর শয়তানের মূর্তি আর অসংখ্য কালো রঙের নরমুণ্ড বাড়িটাকে ভৌতিক রূপ দিয়েছে।

সম্প্রতি ইন্টারনেটের কল্যাণে এই বাড়ির ছবি চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এর আশপাশে যারা বসবাস করে, তারা কিন্তু এই খ্যাতিতে মোটেও সন্তোষ প্রকাশ করেনি।

প্রতিবেশীদের বক্তব্য হলো—এই বাড়ির চৌহদ্দিতে যেতে তাদের ভয় লাগে, রাতে রাস্তা দিয়ে হাঁটা দায়, বাচ্চারা কঙ্কাল আর অন্যান্য বস্তু দেখে আতঙ্কে শিউরে ওঠে। ক্ষুব্ধ লোকেরা এমনকি পুলিশের কাছে অভিযোগ পর্যন্ত করেছিল, যাতে বাড়িটার এই ভয়াল রূপ পরিবর্তন করা হয়।

বছর দুই আগে এই বাসা বানানো শুরু করেন ঐ ব্যক্তি। এখন কাজ প্রায় শেষের দিকে। বাড়িটা নিয়ে অভিযোগের শেষ না থাকলেও এটা বানানো যে পুরো ব্যর্থ হচ্ছে, তা কিন্তু না।

অন্তত চোরেরা এমন বাসায় সহজে ঢুকতে চাইবে না বলেই ধারণা সবার। হোক তা নিছক মূর্তি; কিন্তু নরমুণ্ড আর শয়তানে ভরপুর বাসায় সিঁধ কাটার আগে চোরেরা অবশ্যই ভাববে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাতাস বিক্রি করে ধনী হতে চায় দুইবোন!

রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে বিক্রি করেন চীনের বাসিন্দা দুই বোন। পর্বত থেকে ধরা একেবারে ফ্রেশ বাতাস। প্রতিব্যাগের দাম ১৫০ ইউয়ান।

সাংহাই পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, চীনের অব্যাহত বাতাস দূষণের মুখে এই ব্যবসায়িক পরিকল্পনা নিয়ে নেমে সফল হয়েছেন জিনইং প্রদেশের দুই বোন। রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে বিক্রির পাশাপাশি অনলাইনেও তারা বাতাস সরবরাহের আদেশ পেতে শুরু করেছেন।

এমনকি পর্বত থেকে বাতাস ব্যাগে ধরার একটি ভিডিও তারা পোস্ট করেছেন। এক ব্যাগ বাতাস আনতে তাদের ১৫ ইউয়ান খরচ হয় জানিয়ে ওই দুই বোন বলেন ইতোমধ্যে তারা শতাধিক ব্যাগ বাতাস বিক্রি করতে সক্ষম হয়েছেন।

চীনের জিনজিয়াং প্রদেশের এই দুই বোন ইতোমধ্যে বাতাস বেচে চারিদিকে বেশ সাড়া ফেলে দিয়েছেন। প্লাস্টিক পচনশীল না হওয়ায় তা পরিবেশের ক্ষতি করবে এই চিন্তা থেকে অনেকেই প্লাস্টিকের ব্যাগে করে বাতাস বিক্রির সমালোচনা করেছেন। এনডিটিভি

তবে বাতাস বিক্রির এই ধারণা একেবারে অনন্য নয়। জিয়ান প্রদেশের বন বিভাগ বছরের শুরুতে নিকটবর্তী কিনলিং পর্বত থেকে বাতাস এনে বিক্রি শুরু করে। সাংহাই পোস্টের দাবি ওই প্রকল্পে সরকার ২ লাখ ইউয়ান বিনিয়োগ করেছে।

বাতাস সংগ্রহের প্রক্রিয়া: হাতে তৈরি বিশেষ ধরনের জালের মাথায় বোতল স্থাপন করা হয়। এরপর সেই জাল উঁচু করে ধরে বাতাসের গতিপথের উল্টো দিকে হাঁটা হয়। কাজটি করা হয় এমন জায়গায়, যার অবস্থান দূষিত এলাকাগুলো থেকে অনেক দূরে। এই প্রক্রিয়াকে ওয়াটস বলছেন, ‘এয়ার ফার্মিং’ বা বাতাস চাষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ক্যান্সার সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গোলাপী সড়ক শোভাযাত্রা ও আলোচনা

আসাদুজ্জামান : স্তন ক্যান্সার মাস উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা জেলায় ক্যান্সার সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে গোলাপী সড়ক শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাতক্ষীরা ক্যান্সার কেয়ার এন্ড ওয়েলফেয়ার সেন্টারের আয়োজনে দিবসটি উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে থেকে এ শোভাযাত্রাটি বের হয়। শোভা যাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। সাতক্ষীরা ক্যান্সার কেয়ার এন্ড ওয়েলফেয়ার সেন্টারের মহাসচিব ডাঃ মনোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় এবং সংগঠনটির সভাপতি রতœা শরীফ আক্তারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দীন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডাঃ তৌহিদুর রহমান, স্বাচিপ সভাপতি ডাঃ এসএম মোখলেছুর রহমান, বিএমএ সভাপতি ডাঃ আজিজুর রহমান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, ঢাকা এডনিবার্গ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ও ইএইচআরডি ক্যান্সার সার্পোট সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া রুমি প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরামের পক্ষ থেকে স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাস উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা ক্যান্সার কেয়ার এন্ড ওয়েল ফেয়ার নামক প্রতিষ্ঠানটি সাতক্ষীরা জেলা এবং প¦ার্শবর্তী জেলার দরিদ্র জনসাধারনের মাঝে মরনব্যাধি ক্যান্সার বিষয়ে সচেতনতা এবং চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বক্তারা এ সময় তাদের এ ধরনের মহৎ এই উদ্যোগকে সবাই সাধুবাদ জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মধ্যপ্রাচ্যের শেখদের বিকৃত যৌন লালচের শিকার কুমারীরা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রেহানার বয়স তখন ১৪ বছর। ৪ বোনের মধ্যে সে বড়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ২০০৪ সালে মা-বাবা তাঁর বিয়ে দেন। পাত্র দুবাই থেকে আসা ৫৫ বছর বয়সী এক ধনী শেখ। ভেবেছিলেন, হয়তো ভাগ্যের চাকা ঘুরে যাবে। কিন্তু বিধিবাম। বিয়ের এক মাস পরই রেহানাকে রেলস্টেশনে ফেলে যান ওই শেখ। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় বাড়ি ফিরতে হয় তাঁকে।
ভারতে হায়দরাবাদের নাশিমান নগরের রেহানার মতো সেখানকার অনেক কিশোরীর জীবনেই ঘটছে এমন দুর্বিষহ ঘটনা। বিত্তশালী ও বৃদ্ধ আরব শেখরা কিশোরী বউয়ের খোঁজে হায়দরাবাদকেই বেছে নিয়েছেন। এখানে তাঁরা অর্থের বিনিময়ে চুক্তিতে কিশোরীদের বিয়ে করেন। যৌন চাহিদা শেষ হলেই ফিরিয়ে দেন তাদের।
হায়দরাবাদের একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার মুখপাত্র সুলতানা বলেন, বিপুল অর্থের বিনিময়ে অটোরিকশার চালক বাবা সিরাজ উদ্দিন ওই শেখের সঙ্গে তাঁর মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু দুবাই থেকে আসা বৃদ্ধ ওই আরব শেখের সঙ্গে বিয়ের পর রেহানার জীবনে একের পর এক নেমে আসে আরও করুণ পরিণতি। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় বাড়ি ফেরার কিছুদিন পরই মা-বাবা কাতারের এক শেখের সঙ্গে আবার তাঁর বিয়ে দেন। এবার এই পাত্রের বয়স ৭০। আবার স্বামীর সঙ্গে সংসার করার স্বপ্নে বিভোর হন রেহানা। তাঁকে নিয়ে কাতারে উড়াল দেন ওই শেখ। কিন্তু এবারও স্বপ্ন ভঙ্গ। কাতারে গিয়ে কয়েক মাসের মাথায় অন্য এক শেখের কাছে রেহানাকে বিক্রি করে দেন তাঁর স্বামী। এরপর গত চার বছরে আরও ১৪ জন শেখের কাছে তাঁকে বিক্রি করা হয়।
এসব ঘটনায় একবার রাগে-অভিমানে মা মইন বেগমের মোবাইল ফোনে একটি বার্তা পাঠিয়েছিলেন রেহানা। ওই বার্তায় তিনি বলেছিলেন, ‘অভিনন্দন আম্মি, আপনি আপনার মেয়ের জন্য ১৭তম জামাই পেলেন।’
রেহানার এই দুর্বিষহ জীবনের ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। গত চার দশকে শুধু যৌন চাহিদা মেটানোর জন্য হায়দরাবাদের হাজারো কিশোরী আরব শেখদের চুক্তিভিত্তিক স্ত্রী হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা বিত্তশালী শেখরা অর্থের বিনিময়ে চুক্তিতে তাদের কিনে নেন। শেখদের যৌন চাহিদা মিটে গেলে কিশোরীদের ফেরত দিতেন তাঁরা। কিন্তু সম্প্রতি অনেক মেয়ে শেখদের কাছে প্রতারিত হয়ে ফিরে এসে অভিযোগ দায়ের করায় বিষয়টি সামনে চলে এসেছে। নড়ে বসেছে প্রশাসনও।
হায়দরাবাদের বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা শাহীনের মতো আরও কয়েকটি সংস্থা এখন সোচ্চার হয়ে উঠেছে। এ বিষয়ে পুলিশকে সহায়তা করছে সংস্থাগুলো।
শাহীনের চেয়ারপারসন জামিলা নিশাত বলেন, ‘আগে এ ধরনের বাল্যবিবাহের কোনো তথ্য ছিল না। গত ১০ বছরে আমরা এ ধরনের প্রায় ৫০০টি ঘটনার তথ্য পেয়েছি। কিন্তু আমাদের ধারণা, এই সংখ্যা আরও ১০ গুণ বেশি হবে। গত বছরেই ১০০টি ঘটনার অভিযোগ আমরা পেয়েছি।’
হায়দরাবাদ পুলিশের উপকমিশনার (সাউথ জোন) ভি সত্যনারায়ণ বলেন, ‘২০১০ থেকে এ ধরনের মাত্র ৯টি মামলা নিবন্ধিত হয়েছে। উন্নয়ন সংস্থা, মানবাধিকার কর্মী ও পুলিশের উদ্যোগে এখন এ ধরনের পরিস্থিতির শিকার মেয়েরা পুলিশের কাছে অভিযোগ নিয়ে আসা শুরু করেছে।’
গত কয়েক সপ্তাহে পুলিশ এসব ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যারা আরব শেখদের হায়দরাবাদে সহায়তা করছে, দালাল ও যেসব কাজি অর্থের বিনিময়ে কিশোরীদের বিয়ে দিচ্ছেন, তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। গত ২০ সেপ্টেম্বর পুলিশ অভিযান চালিয়ে কাতারের আটজন শেখ, একজন কাজি ও একটি হোটেলের মালিককে গ্রেপ্তার করে। এর এক সপ্তাহ পর হায়দরাবাদের প্রধান কাজিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর নির্দেশেই বিয়ে পড়ানো হয় বলে অভিযোগ।
শেখদের বউবাজার : চার দশক ধরে হায়দরাবাদ আরব শেখদের বউবাজারে পরিণত হয়েছে। তাঁরা কুমারী ও কিশোরীদের খোঁজে এখানে আসেন। ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী কুমারী মেয়ে তাঁদের পছন্দ। দরিদ্র মুসলিম পরিবারের অভিভাবকেরা বিপুল অর্থের লোভে নিজের মেয়েকে কথিত বিয়ে দিয়ে শেখদের যৌন চাহিদা মেটাতে তাঁদের হাতে তুলে দেন।
দেশটির কলাম লেখক ও বুদ্ধিজীবী মীর আইয়ুব আলী খান বলেন, এই পুরোনো শহরটির সঙ্গে আরব শেখদের বহু বছর থেকেই সম্পর্ক রয়েছে। ইয়েমেনের অনেক নাগরিক বারকাস এলাকায় বসবাস করেন। তাঁদের মাধ্যমেই আরব শেখরা হায়দরাবাদের মেয়েদের বিয়ে করতে আসছেন। আর পরিবারের অভাব-অনটনের কারণেই আরব শেখদের হাতে মেয়েকে তুলে দিচ্ছেন মা-বাবা।
জামিলা নিশাত বলেন, ‘শেখরা মূলত দেখতে সুন্দর ও আকর্ষণীয় শারীরিক গড়নের কারণেই হায়দরাবাদের মেয়েদের পছন্দ করেন। তাঁরা এসব মেয়ে নিয়ে গৃহস্থালির কাজ করান। অনেক মা-বাবাই অল্প বয়সে শেখের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিতে চান। কারণ, তাঁদের ধারণা মেয়ের ঋতুচক্র আসার পর বাড়িতে থাকাটা পাপ।’
পুলিশ জানায়, হায়দরাবাদে কিশোরী মেয়ের খোঁজে বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, জর্ডান, কুয়েত, ওমান, সুদান ও সোমালিয়ার শেখরাই আসেন।
পুলিশের উপকমিশনার সত্যনারায়ণ বলেন, শেখরা পর্যটন ভিসা ও কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসা ভিসা নিয়ে হায়দরাবাদে আসেন। যাঁরা আসেন তাঁদের সবাই বিত্তশালী নন। কেউ কেউ নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারেরও আছেন।
আরব শেখরা পছন্দ করা মাত্রই দ্রুত ওই কিশোরীর সঙ্গে বিয়ের আয়োজন করেন। বিনিময়ে তাঁরা কিশোরীর পরিবারকে ৫০ হাজার থেকে ৫ লাখ রুপি পর্যন্ত দেন। এ ছাড়া সুন্দর পোশাক, সোনা ও কখনো বাড়ি পর্যন্ত দিয়ে দেন। এসব অর্থ কিশোরীর পরিবার, দালাল ও কাজি বাঁটোয়ারা করে নেন।
শাহীনের চেয়ারপারসন জামিলা নিশাত বলেন, ‘অনেক সময় কিশোরীর পরিবার যে অর্থ পায় তা অনেক কম। কিন্তু তারপরও তাঁরা খুশি যে, মেয়ের বিয়েতে তাঁদের কোনো খরচ করতে হলো না।’
১২ বছর বয়সে বছর ৭০-এর দুবাই থেকে আসা এক শেখের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল ওয়াসিমের। তাঁর বয়স এখন ২৭। তিনি বলেন, ‘বিয়ে ও যৌনতা সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা ছিল না। কিন্তু আমাকে ওই শেখের সঙ্গে তা করতে বাধ্য করা হয়েছিল। এক সপ্তাহের মধ্যে আমি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ি। এরপর মালামাল আনার জন্য দুবাই গেলে তিনি আর ফিরে আসেননি। আমার একটি মেয়ে হয়েছে। এখন আমি সেলাইয়ের কাজ করি।’
একই ঘটনা ঘটেছে মঙ্গলাঘাট এলাকার মুনীরা ফাতেমার (১৮) জীবনে। ২০১১ সালে সৎবাবা তাঁকে ওমানের ৭৫ বছর বয়সী এক বুড়ো শেখের সঙ্গে বিয়ে দেন। তিনি বলেন, ‘ওই ব্যক্তি আমাকে একটি অবকাশকেন্দ্রে নিয়ে দুই মাস ছিলেন। এটি আমার বাড়ি থেকে একটু দূরে। জোর করে প্রতিদিন তিনি আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করতেন। আমি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তিনি বিয়ের সব কাগজপত্র নিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। পরে সেখান থেকে টেলিফোনে তিনি আমাকে তিন তালাক দেন।’
বর্তমানে উন্নয়ন সংস্থাগুলো মেয়েদের শিক্ষার ওপর জোর দিয়েছে। পুলিশও দালাল-কাজি ও আরব শেখদের কিশোরী মেয়েদের কেনা-বেচার চক্রটি ধরতে তৎপর হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest