সর্বশেষ সংবাদ-
জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাআঙ্গুল : গার্লস স্কুলে ভর্তি নিচ্ছে না প্রধান শিক্ষকজাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা ইউনিটের সদস্য সচিব এবং সদস্য -এর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে বিবৃতিদিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের বাগান বাড়ির চার শতাধিক গাছ কেটে ক্ষতিসাধনআগামীকাল রবিবার থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৩ দিনের ছুটিসুন্দরবনে টহল চলাকালে ডাকাত সন্দেহে গুলিবর্ষণ-অস্ত্র উদ্ধারতালা প্রেসক্লাব নির্বাচন: সভাপতি সেলিম- সম্পাদক ফারুক জাতীয় দৈনিক বাণিজ্য প্রতিদিনে যুক্ত হলেন কাজী সাজেদুর রহমানA Guide to Understanding N1 Casino Deposit Bonus Terms and Conditionsসুন্দরবনে সাপের কামড়ে মৌয়ালী আহত : হাসপাতালে ভর্তিПодробный ggbet review для оценки всех аспектов казино

সাতক্ষীরায় পূজা উদযাপন পরিষদের কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাতক্ষীরা সদর উপজেলা শাখার সভাপতি ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীলের বিরুদ্ধে আগামি দুর্গাপূজা উদ্যাপনে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টকারি হিসেবে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ করা নিয়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাতক্ষীরা জেলা আহবায়ক সুভাষ ঘোষ, যুগ্ম আহবায়ক নয়ন কুমার সানা ও গৌর দত্ত মঙ্গলবার সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের কাছে এ অভিযোগ করায় তাদের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদ, জেলা মন্দির সমিতি, জয় মহাপ্রভু সেবকসংঘ ও সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সাতক্ষীরা সদর শাখার সভাপতি স্বপন কুমার শীল জানান, সংগঠনের সদর উপজেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল উপলক্ষে তিনি জেলা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক নয়ন কুমার সানা, গৌর চন্দ্র দত্ত এর সঙ্গে কথা বলেন। একইভাবে আহবায়ক সুভাষ চন্দ্র ঘোষের সঙ্গে মেবাইলে কথা বলার চেষ্টা করে তাকে পাননি। বাধ্য হয়ে কেন্দ্র কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. তাপস কুমার পালের সঙ্গে পরামর্শ করেই জাতীয় পরিষদ সদস্য বিশ্বনাথ ঘোষকে প্রধান অতিথি করে গত শুক্রবার পুরাতন সাতক্ষীরা মায়ের বাড়ি নাট মন্দিরে কাউন্সিল শেষ করেন। কাউন্সিলে ১৪টি ইউনিয়নের কাউন্সিলরদের সম্মতিক্রমে তাকে সভাপতি ও শিবপদ গাইনকে সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। আগামি দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৩ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আহুত সভার চিঠি তিনি না পাওয়ায় সোমবার বিষয়টি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মহোদয়কে অবহিত করেন। বিষয়টি অবগত হয়ে চিঠি গ্রহণ করা গৌর চন্দ্র দত্তকে মোবাইল ফোনে না পেয়ে জেলা প্রশাসক তাকে ও শিবপদ গাইনকে হাতে হাতে চিঠি দিয়ে দেন।
স্বপন কুমার শীল অভিযোগ করে বলেন, এ চিঠি নেওয়ার খবর জানতে পেরে তাকে হেয় করতে সুভাষ চন্দ্র ঘোষ, নয়ন কুমার সানা ও গৌর চন্দ্র দত্ত মঙ্গলবার তার বিরুদ্ধে দুর্গাপূজা বিঘœকারিসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি জানতে চাইলে মঙ্গলবার দুপুরে গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক আলী আহম্মেদ হাশেমীকে অবহিত করেছেন। এ ঘটনায় সদর পূজা উদ্যাপন পরিষদ, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদ ও জয়মহাপ্রভু সেবক সংঘের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারি ওই চক্রটির বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাতক্ষীরা জেলা শাখার যুগ্ম আহবায়ক নয়ন কুমার সানা ও গৌর চন্দ্র দত্ত জানান, গত ২২ আগষ্ট তারা সদর উপজলা শাখার একটি আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন। সেক্ষেত্রে পুরাতন কমিটির আর কোন বৈধতা থাকে না। তা ছাড়া স্বপন কুমার শীল তাদেরকে মানেন না।
গৌর চন্দ্র দত্ত জানান, দুর্গা পূজা নিয়ে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ১৩ সেপ্টেম্বর সভাকে ঘিরে যে চিঠি দেওয়া হয়েছিল তা আহবায়ক সুভাষ চন্দ্র ঘোষ সদর শাখার চিঠি তাকেই নেওয়ার জন্য বলেছিলেন। অথচ অনুমোদন বিহীন অবৈধ কমিটির সভাপতি হিসেবে চিঠি না পাওয়ায় নয়ন সানাকে হুমকি দিয়েছে স্বপন শীল। বাধ্য হয়ে শান্তিপূর্ণ পূজার স্বার্থে তারা পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করেছেন।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বুধহাটায় ক্লিনিক মালিকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

বুধহাটা প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা মন্দির সড়কে পয়ঃ নিষ্কাশন পথ বন্দের কারনে জলমগ্ন ৫০ থেকে ৬০ পরিবারের সদস্যরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় প্রতিবাদ মুখর মানববন্ধন চলাকালে ভুক্তভোগীরা তাদের দাবির কথা উল্লেখ করে বক্তব্য পেশ করেন।
বুধহাটা বাজারের দক্ষিণ পাশে সূবর্ণ বণিক পাড়ার মানুষের বসবাস। সুদীর্ঘ কাল তাদের এলাকার পয়ঃনিষ্কাশন হয়ে এসেছে মেইন সড়কের পূর্ব পাশ দিয়ে ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের সামনে দিয়ে কালভার্ট দিয়ে। এই সড়কের পাশে ভবন/স্থাপনা নির্মানের সময় অপরিকল্পিত ভাবে কাজ করা হয়েছে। সম্প্রতি জনসেবা ক্লিনিক মালিক ডাঃ শাহিন আলম বিশাল অট্টালিকা নির্মাণ করে হাসপাতাল চালু করেছেন। নির্মাণ কাজের সময় অনেক বাধা বিপত্তি এসেছে। পাশের জমি অবৈধ দখল, নির্মাণ সামগ্রী ছাদ থেকে ফেলে গৃহের ক্ষতি সাধন করা এবং এলাকার পয়ঃ নিষ্কাশন পথ বন্ধ করা ও হাসপাতালে বর্জ্য-দুর্গন্ধযুক্ত পানি এলাকায় ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ করা হয়। এনিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগও করা হয়েছে। গতকাল সকালে মুষুলধারা বৃষ্টিপাতে এলাকার ৫০/৬০টি পরিবারের ঘরবাড়ি জলমগ্ন হয়ে পড়ে। উঠান ভর্তি পানি, কারো কারো ঘরের মধ্যে পানি উঠার উপক্রম হয়েছে। অনেকের রান্নাঘর, হাঁস-মুরগির ঘর তলিয়ে গেছে। স্থানীয় দুর্গামন্দির জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। পয়ঃনিষ্কাশন না হলে সেখানে পূজা অনুষ্ঠান অসম্ভব হতে পারে। উপরোক্ত অরাজকতার প্রতিকার দাবি করে ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। বক্তব্য রাখেন শ্যামলী দাশ, পরিমল দাশ, তপন দাশ, সৌমিত্র দেবনাথ, সঞ্জয় দে, সুশান্ত দত্ত, উর্মিলা বিশ্বাস প্রমুখ। এক সপ্তাহের মধ্যে সমস্যার সমাধান না হলে তারা পূজা বর্জনের ঘোষণা দেন। এদিকে থানার দারোগা ফারুক হোসেন গতকাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় ক্লিনিক মালিক ডাঃ শাহিন জানান, তার ভবনের সামনে রাস্তার পাশে ড্রেন করা আছে। সেখান দিয়ে এলাকার পানি যাওয়ায় কোন বাধা নেই। সড়কের পাশ দিয়ে ড্রেন উম্মুক্ত করা হলে পয়ঃনিষ্কাশন সমস্যা থাকবেনা। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা নিষ্কণ্ঠক করার জন্য অনুরোধ জানান হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে চলছে ডিজিটাল হোল্ডিং নাম্বার প্লেট বাণিজ্য

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে হোল্ডিং ট্যাক্স এ্যাসেসমেন্ট ও ডিজিটাল হোল্ডিং নাম্বার প্লেট স্থাপনের নামে লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর প্রতিকার প্রার্থনা করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ২৬/০১/২০১২ খ্রিঃ কার্যাদেশ পত্রের আলোকে উপজেলার সকল ইউনিয়নে প্রতিটি বাড়ির আর্থ সামাজিক অবস্থান জরিপ নিজস্ব ওয়েব সাইটে অন্তর্ভূক্ত করতে হোর্ল্ডি ট্যাক্স এসেসমেন্ট কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। তখন প্রত্যেক বাড়িতে একটি করে টিনের হোর্ল্ডিং নম্বর লিখিত নাম্বার প্লেট প্রদান করা হয়। এরজন্য খরচও নেওয়া হয়। যার কোর কার্যকারিতা মানুষের অজানা রয়েগেছে।
বর্তমান স্মারক নং ৭৩/১৭, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের স্মারক নং ০৫.৪৪.৮৭.০৪.০০১.০৭.০১৩.১৬.৭১২ তাং ০১/০৬/১৭ মোতাবেক গ্রীনল্যান্ড বাংলাদেশ প্রকল্প পূর্বের হোল্ডিং প্লেট এর পরিবর্তে ট্যাক্স আদায়ের পাশাপাশি হোল্ডিং এ্যাসেসমেন্ট ও নাম্বার প্লেট স্থাপনের টাকা আদায় করছে। নাম্বার প্লেটের মূল্য ও কার্যনির্বাহী ফি বাবদ প্রত্যেক হোল্ডিং মালিকের নিকট থেকে ১১০ টাকা (ভিআইপি প্লেটের মূল্য বাবদ ২১০ টাকা) করে আদায় করছে। এতে প্রতিষ্ঠানটি কোটি কোটি টাকা আদায় করছে। এব্যাপারে প্রতিকার প্রার্থনা করে খরিয়াটি গ্রামের আশেক গাজীর পুত্র আওছাফুর রহমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর আদেবন করেছেন।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পৌর তাঁতীলীগের আহবায়ক আহবায়ক সাদিয়া, যুগ্ম আহবায়ক ফিরোজ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা পৌর তাঁতীলীগের আহবায়ক কমিটির গঠন করা হয়েছে। জেলা তাঁতীলীগের সভাপতি মীর আজাহার আলী ও সাধারণ সম্পাদক শেখ তৌহিদ হাসান যৌথ স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটির নেতৃবৃন্দ হলেন, আহবায়ক নুরজাহান সাদিয়া, যুগ্ম আহবায়ক শেখ ফিরোজ হোসেন, সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন সুজন, সদস্য যথাক্রমে সাংবাদিক মাসুদ আলী,আছাদ হোসেন (রতœা), মোঃ ইদ্রিস আলী, মোঃ হেলাল হোসেন, মোঃ আহম্মাদ আলী, মোছাঃ চম্পা ইয়াসমিন। উক্ত কমিটি আগামী ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পৌর শাখার ৯টি ওয়ার্ড ও আঞ্চলিক কমিটি গঠন করবে এবং উক্ত কমিটি আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে বলে উক্ত পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মিঠু খান সম্পর্কিত সংবাদে ভোমরা সিএন্ডএফ’এর বক্তব্য

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : গত ২৮ সেপ্টেম্বর তারিখে সাতক্ষীরা জেলা থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন পত্রিকার সংবাদে ভোমরা কাস্টমস সি এন্ড এফ এজেন্ট্স এসোসিয়েশনের সাবেক আহবায়ক নাসিম ফারুক খান (মিঠু) সম্পর্কে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তাহা ভোমরা কাস্টমস্ সি এন্ড এফ এজেন্ট্স এসোসিয়েশনের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি এর কয়েকজন সম্মানিত পরিচালক ভোমরা কাস্টমস্ সি এন্ড এফ এজেন্ট্স এসোসিয়েশনের সাবেক আহবায়ক নাসিম ফারুক খান (মিঠু)’র নিকট ভোমরা কাস্টমস্ সিএন্ডএফ এজেন্ট্স এসোসিয়েশনের অর্থ ধার ও তা পরিশোধ না করা এবং ফরমালিন মেশিন ক্রয় সম্বন্ধে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
উল্লেখ্য, ভোমরা কাস্টমস্ সি এন্ড এফ এজেন্ট্স এসোসিয়েশন সম্পূর্ণ সরকারি রেজিস্ট্রেশনভূক্ত একটি স্বাধীন সংগঠন। কিন্তু দুঃখের বিষয় জানাচ্ছি যে, সাবেক আহবায়ক সম্পর্কে যে চিঠি প্রদর্শন করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ সংগঠনের পরিপন্থী কার্যক্রম। এহেন কার্যক্রমের জন্য ভোমরা কাস্টমস্ সি এন্ড এফ এজেন্ট্স এসোসিয়েশনের সম্মানিত সভাপতি কাজী নওশাদ দিলওয়ার (রাজু) ও সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান নাসিমসহ সকল কর্মকর্তাবৃন্দ তা সবিনয়ে প্রত্যাখ্যান করিয়াছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা পরিষদের বে-দখলি সম্পত্তি উদ্ধার

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় জেলা পরিষদের ১০ বছরের বেশি সময়ের বে-দখলকৃত সম্পত্তি উদ্ধার করে রাজস্ব আদায়ের লক্ষে ইজারা প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় জেলা পরিষদের কয়েকজন সদস্য ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে গাজীরহাট যাত্রী ছাউনির পার্শবর্তী জেলা পরিষদের একটি দোকানঘর উদ্ধার শেষে হস্তান্তর করা হয়। একই সাথে অবৈধ্য ভাবে যাত্রী ছাউনি দখল উচ্ছেদ করা হয়। জানাগেছে, নওয়াপাড়া ইউনিয়নের সাবুর আলী নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘ ১০ বছরের বেশি সময় ভোগ-দখল করে আসছিল। কিন্তু তিনি কোন সরকারি রাজস্ব প্রদান না করায় পরবর্তীতে ইজারার মাধ্যমে হস্তান্তর করেছে জেলা পরিষদ। আর এই দোকানঘর সরকারি রাজস্ব বাবদ বার্ষিক ১ হাজার ৮ টাকা প্রদান করতে হবে।
দখলমুক্ত ও হস্তান্তরকালে জেলা পরিষদের সংরক্ষিত সদস্য এড. শাহানাজ পারভীন মিলি ও মাহফুজা রুবী, ৬নং ওয়ার্ড সদস্য আল-ফেরদাউস আলফা, ১৫নং ওয়ার্ড সদস্য সাংবাদিক মীর জাকির হোসেনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আলিপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে দুপক্ষের সংঘর্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে দুগ্রুপের সংঘর্ষে ২ জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে আলিপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ বুলারআটি গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে আহতরা হলেন, আলিপুর বুলারআটি গ্রামের মৃত এজহার আলী মল্লিকের ছেলে শহিদুল ইসলাম, তকিম গাইনের ছেলে ইমাদুল ইসলাম। বর্তমানে তাদেরকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, গত ইংরেজি ২৫ জুলাই ২০১৪ সালে দেবহাটার বহেরা মৌজায় এসএ ৯৭৯ খতিয়ানে, ডিপি ১০৭, ১৩৪৪ দাগে ১৮শতক জমি ক্রয় করার শর্তেও আসামিরা জমিটি জোরপূর্বক দখলসহ বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র করতে থাকে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে মিমাংশা হলেও তারা তা না মেনে জীবননাশসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি দিতে থাকে। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছিল। ডায়েরী নং- ৯৯৬/২৫.৭.২০১৪।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার আলিপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ বুলারআটি গ্রামের জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুগ্রুপের দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলছিল। বিজ্ঞ আদালতেও এ ব্যাপারে একটি মামলা চলছিল। আদালত সম্প্রতি জমির মূল মালিক ইদ্রিস আলীর পক্ষে রায় ঘোষণা করে। ইদ্রিস আলীর নিকট থেকে মো. এবাদুল্লাহ আল ফারুক ৯শতক জমি ক্রয় করেন। কিন্তু ২য় পক্ষ এ রায় না মেনে জোর পূর্বক জমি দখলের পায়তারা চালাচ্ছে এবং বিভিন্ন ভাবে চাঁদা দাবী ও জীবননাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।
এব্যাপারে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বড়দল ইউপির বেদখলীয় জায়গা দখলে পিলার স্থাপন

বড়দল (আশাশুনি) প্রতিনিধি : আশাশুনি উপজেলার ৫নং বড়দল ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গা বাজারে ইউনিয়ন পরিষদের নামীয় দীর্ঘ দিনের বেদখলীয় জায়গা পরিষদ কর্তৃক দখলের লক্ষ্যে সার্ভে কার্যক্রম শেষে সীমানা পিলার স্থাপন করা হয়েছে। গতকাল (শনিবার) সকাল ১১ টায় শুরু হয়ে দুপুর ২.৩০ টা পর্যন্ত উক্ত কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সার্ভে কার্যক্রম চলাকালিন সময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যন আঃ আলিম মোল্ল্যা, আশাশুনি উপজেলা সার্ভেয়ার শফিকুল ইসলাম, বড়দল ইউনিয়ন ভূমি তহসিলদার রঞ্জিত কুমার মন্ডল, ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি সুরঞ্জন ঢালী, মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার আবুল হোসেন গাইন, গোয়ালডাঙ্গা বাজার কমিটির সভাপতি আঃ হান্নান, ইউপি সদস্য আঃ কাদের, মফিজুল ইসলাম, আঃ রশিদ গাজী, নীলকন্ঠ গাইন, মাসুদ সানা, দেব্রত মন্ডল, দিলীপ সানা, যুবলীগ নেতা বি,এম আলাউদ্দীন, অলক কুমার সরকার, সাতক্ষীরা জেলা দফাদার কমিটির সভাপতি মোস্তাজুল সরদার, ইউনিয়নের সকল গ্রাম পুলিশ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। উল্লেখ্য ২৯/০৯/১৯৬৪ সালে তদানিন্তন চেয়ারম্যান আশরাফ উদ্দীন সরদার (মকবুল), গোয়ালডাঙ্গা বাজারে ইউনিয়ন কমপ্লেক্স ভবন নির্মানের জন্য মৃত আমিন উদ্দীন গাজীর স্ত্রী আয়ফুল বিবির নিকট থেকে চাম্পাখালি মৌজাধিন (সাবেক ২১৯ নং) হাল ৪২৫ নং খতিয়ানে, (সাবেক ৭০/৭২১) হাল ৬৩৮ দাগে কোবলা রেজিঃ করে ১০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন অতিবাহিত হওয়ার পর, এখান থেকে ৭/৮ বছর পূর্বে আয়ফুল বিবির দ্বিতীয় পুত্র খানজাহান আলী ও তার বোন মর্জিনা খাতুন কৌশলে মোটা অর্থের বিনিময়ে ছামাদ সরদার, হারুন সরদার ও মিজানুর সরদার এর নিকট পজেশন হস্তান্তর করে এবং সেখানে তারা দোকান ঘর নির্মাণ করে ব্যবসা চালিয়ে আসছে। কিন্তু রহস্য জনক কারনে ইতি পূর্বের চেয়ারম্যান মহোদয়রা নিরব ছিলেন, এ নিয়ে তাদের কোন মাথাব্যাথা না থাকার কারণ সাধারন জনগনের বোধগম্য নয়। তবে বর্তমান চেয়ারম্যান আঃ আলিম মোল্যার দুরদর্শি মনভাব ও জোর তৎপরতায় গত ১১/০৮/২০১৬ প্রথম দফায় শালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। শালিশি বৈঠকে বিবাদী গন সময় প্রার্থনা করেন। গত ১৮/০৮/২০১৬ দ্বিতীয় দফায় শালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং সেখানে বিবাদী গন উক্ত তফসীল বর্ণিত সম্পত্তী ইউনিয়ন পরিষদের নামে, বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদের প্যাডে লিখিত ভাবে স্বীকার করেন। এ বিষয়ে বিবাদী গনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। উল্লেখিত উক্ত তপশীল বর্ণিত সম্পত্তি মাঠ জরিপে ৪২৫ নং খতিয়ানে হাল দাগ ৬৩৮, দাখিলা ও চেক ২০১৭ সাল পর্যন্ত ইউনিয়ন পরিষদের নামে পরিশোধ করা বলে চেয়ারম্যান আঃ আলিম মোল্ল্যা জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest