সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে বজ্রপাতে ইয়াকুব আলী নামের এক ঘের মালিকের মৃত্যুসাতক্ষীরার সুন্দরবনে বনদস্যুদের গুলিতে কাঁকড়া শিকারি আহতকালিগঞ্জে তথ্য গোপনের অপরাধে প্যানেল চেয়ারম্যানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানাসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সভাসাংবাদিকের ওপর হামলা: চাপ এড়াতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গনভালোবাসার একযুগ এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশনসাংবাদিক জিন্নাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনজংধরা ও ভাঙা ফ্লোরে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার : সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমেআশাশুনির খাজরা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাচ্চুকে অপসারন ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

দুপুরের লাঞ্চ হোক বা রাতের ডিনার। খাওয়ার পরে একটু মৌরি মুখে ফেলে নিলেই যেন পুরো ব্যাপারটার ঠিকঠাক সমাপ্তি ঘটে। কিন্তু জানেন কী, এই মৌরি শুধু মুখশুদ্ধিতে কাজে আসে না বরং এর রয়েছে অনেক স্বাস্থ্যগুণ। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে জেনে নিন, মৌরি খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে-

১. মৌরি চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। পানিমিশ্রিত মৌরির রস পেট ফাঁপা ও পেট কামড়ের জন্য উপকারী।

২. মৌরি হজমের গোলযোগ এবং পেটের গ্যাস কমাতে সাহায্য করে থাকে। মৌরি মুখের জ্বালা সারায়।

৩. মৌরি ঠান্ডা সারাতে বিশেষ উপকারী। মৌরির পাতার নির্যাস কৃমিনাশক। এছাড়া মৌরি প্রসূতি মায়ের বুকের দুধ বাড়াতে সাহায্য করে।

৪. মৌরির আঁশ কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে বিশেষ উপকারী। মৌরি স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে উপকারী।

৫. মৌরি কোষ্ঠ-কাঠিন্য নিরাময়ে উপকারী। মৌরির পাতা গরম পানিতে সিদ্ধ করার পর এর ধোঁয়া নিঃশ্বাসের সঙ্গে নিলে অ্যাজমা ও ব্রঙ্কাইটিস রোগে উপকার পাওয়া যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্রেষ্ঠত্বের মাপকাঠিতে এখনও লিটল মাস্টার শচীন টেন্ডুলকরের থেকে বহুগুণ পিছিয়ে তিনি। বরং কোনও তুলনাতেই আসেন না শচীনের থেকে। তবে সেরাদের তালিকায় ক্রমশই জাঁকিয়ে বসছেন বিরাট কোহলি। পরিসংখ্যানের বিচারে শুক্রবার কোহলি পেরিয়ে গেলেন শচীনকে।

শুক্রবার গল টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে এখনও ৭৬ রানে অপরাজিত তিনি। প্রথম ইনিংসে রান পাননি। সেই আক্ষেপ সুদে আসলে মিটিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত তার ব্যাটে। সেই সঙ্গে বিরল নজিরও গড়ে ফেললেন তিনি।

বিদেশের মাটিতে অধিনায়ক হিসেবে দ্রুততম একহাজার রানের মালিক হয়ে গেলেন তিনি। এর আগে এই রেকর্ড ছিল শ্চীন টেন্ডুলকরের। তিনি ১৯টি ইনিংসে এই মাইলফলকে পৌঁছেছিলেন। তবে শচীনের থেকে দুটো ইনিংস কম খেলেই বাজিমাত কোহলির।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিমানের টয়লেটে ছাত্রের সঙ্গে যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়ায় এলিয়ানর উইলসন (২৮) নামে এক শিক্ষিকাকে শিক্ষকতা পেশায় নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

যুক্তরাজ্যে ব্রিস্টলের একটি স্কুলের শিক্ষিকা এলিয়ানর উইলসন শিক্ষা সফর থেকে ফেরার সময় টয়লেটে গিয়ে ওই ছাত্রের সঙ্গে যৌনসম্পর্ক করেন। ওই ছাত্রের সঙ্গে তার এই সম্পর্ক চলছিল বেশ কিছুদিন ধরেই।

এই ঘটনায় দেশটির ন্যাশনাল কলেজ ফর টিচিং অ্যান্ড লিডারশিপের (এনসিটিএল) একটি প্যানেলের তদন্তে শিক্ষিকা উইলসন দোষী সাব্যস্ত হন। তদন্তে দেখা গেছে, ২০১৫ সালের আগস্টে ছাত্রটির সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করেছিলেন উইলসন।

প্যানেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিক্ষিকার আচরণ অগ্রহণযোগ্য। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় শাস্তি হিসেবে উইলসনকে শিক্ষকতা পেশায় অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

প্যানেলের প্রতিবেদনে আরো বলা হয় ২০১৩ সাল থেকে অজ্ঞাতনামা ঐ স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন উইলসন। স্কুলের ছাত্র এবং পিতা-মাতাদের কাছে বেশ সুনামও ছিল তার। ২০১৫ সালের জুলাই মাসে শিক্ষা সফরটি হয়েছিল। শিক্ষা সফর শেষে বিমানযোগে ফেরার সময় ছাত্রের সঙ্গে যৌনকর্ম করেন উইলসন। শিক্ষিকার সাথে যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া ঐ ছাত্র প্যানেলকে জানায়, শিক্ষা সফর থেকে যুক্তরাজ্যে ফেরার পথে বিমানে এক সাথে মদ পান করেন তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পানামাভিত্তিক আইনি সহায়তা প্রতিষ্ঠান মোসাক ফনসেকার এক কোটিরও বেশি আলোচিত নথি ২০১৫ সালে  ‘পানামা পেপারস’ নামে ফাঁস হয়েছিল। ওই ঘটনার জেরে পদত্যাগ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ।

পানামা পেপারস কেলেঙ্কারিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজের পরিবারের দুর্নীতির বিষয়টি উঠে আসে। ফাঁস হওয়া নথিতে নওয়াজ শরীফ সহ তার চার ছেলেমেয়ের মধ্যে তিনজন মরিয়ম, হাসান ও হোসেনের নামও উঠে আসে। নওয়াজের সন্তানরা মোসাক ফনসেকার মাধ্যমে পরিচালিত বিভিন্ন অফশোর কম্পানির মালিকানার অংশীদার।

ওইসব নথিতে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ফুটবলার মেসি থেকে শুরু করে বলিউড সুপারস্টার অমিতাভ বচ্চনসহ বিশ্বের বহু প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের নাম উঠে আসে। ধনী আর ক্ষমতাধর ব্যক্তিরা কীভাবে, কোন কৌশলে কর ফাঁকি দিয়ে গোপন সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন, তা বেরিয়ে আসে এসব তথ্যে।

ফাঁস হওয়া ওইসব নথির সূত্রে অভিযোগ ওঠে, নওয়াজ শরীফ সন্তানদের মাধ্যমে বিদেশে প্রচুর অর্থ পাচার করছেন, গড়ে তুলছেন সম্পদের বিশাল পাহাড়। পাকিস্তানে নওয়াজ বিরোধী পক্ষ নওয়াজকে সম্পদের হিসাব দিতে আহ্বান জানান।

নওয়াজ পরিবারের এই কেলেঙ্কারি নিয়ে ফুঁসে ওঠে রাজনৈতিক দলগুলো। বিরোধী দল তেহরিক ই ইনসাফ ও পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য দলের আবেদনের ভিত্তিতে দুর্নীতির অভিযোগটি আমলে নেয় আদালত।

বিরোধীদের করা আবেদনে অভিযোগ করা হয়, লন্ডনের সম্পদের লভ্যাংশের মালিক ছিলেন মরিয়ম। ওই সম্পদে তার দুই ভাই হাসান ও হুসেইন শরিফের যৌথ মালিকানা রয়েছে। আরও অভিযোগ করা হয়, মরিয়ম বাবার ওপর নির্ভরশীল থাকায় প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের তার সম্পদের বিবরণে মেয়ের প্রপার্টি ও ফ্ল্যাটের বিষয়টি উল্লেখ করা উচিত ছিল।

যদিও নওয়াজ শরিফের ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লীগের (পিএমএল-এন) দাবি, পাকিস্তান ও উপসাগরীয় অঞ্চলে বৈধপথে পারিবারিক ব্যবসা থেকেই এই সম্পদ অর্জিত হয়েছে।

আবার কোনো ধরনের দুর্নীতির কথা বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন নওয়াজ শরীফ। নিজ পরিবারের ব্যবসা-বাণিজ্যের কথা উল্লেখ করে নওয়াজ বলেন, ‘পাকিস্তান প্রতিষ্ঠারও ২৫ বছর আগে আমার বাবা ব্যবসা শুরু করেছেন। স্বাধীনতাকালে এবং এর পরে তা সাফল্য অর্জন করেছে।

ঢাকায়ও নওয়াজ শরীফের বাবার শিল্প কারখানা গড়ে তোলার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ায় সেটা আর হয়নি বলেও একটি ভাষণে উল্লেখ করেছিলেন সদ্য সাবেক এই পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী।

এসব অভিযোগ আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করে আদালত।তদন্ত শুরু করে নওয়াজ এবং তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে। দীর্ঘ তদন্ত শেষে শুক্রবার পানামা পেপারস কেলেঙ্কারির মামলায় প্রধানমন্ত্রী পদে নওয়াজ শরীফকে অযোগ্য ঘোষণা করেন পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট। এই রায়ের পরপরই তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় এসেও মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে দুর্নীতির অভিযোগে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছেন পিএমএল-এন নেতা নওয়াজ শরিফ। তবে দুর্নীতির অভিযোগে এবারই প্রথমবারের মতো তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেননি, বরং ঠিক এমনই দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে পাকিস্তানের আরেকটি বৃহত্তর রাজনৈতিক দল পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) নেতা ও দুইবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী  প্রয়াত নেতা বেনজির ভুট্টোর বিরুদ্ধেও।

এমনকি তার নিজের এবং স্বামী আসিফ আলী জারদারির বিরুদ্ধে এই অভিযোগে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে বরখাস্ত হওয়া থেকে শুরু করে জেল-জরিমানার আদেশও হয়েছে তার বিরুদ্ধে। শেষ পর্যন্ত অবশ্য আত্মঘাতীর বোমার আঘাতে শেষ হয় তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার।

নওয়াজ শরীফ:
১৯৯০ সালে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন নওয়াজ শরীফ। তবে দেশ পরিচালনার তিন বছর না যেতেই দুর্নীতির অভিযোগে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হন নওয়াজ।

এরপর ১৯৯৭ সালে দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর পদে জয়লাভ করেন নওয়াজ। তবে তখনও ক্ষমতায় আসার মাত্র দুই বছরের মাথায় ১৯৯৯ সালে সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হন তিনি। তবে এবারও আগেরবারের মতো একই প্রেক্ষাপটে তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। তখন অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নওয়াজকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করেন জেনারেল পারভেজ মোশাররফ। এরপর দীর্ঘ ১৪ বছর তাকে বিদেশের মাটিতে নির্বাসনে থাকতে হয়।

নির্বাসন থেকে ২০০৭ সালে দেশে ফিরে পরের বছর অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে অংশ নিলেও ওই নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে বেনজির ভুট্টোর নেতৃত্বে সরকার গঠন করে পিপিপি।

২০১৩ সালে সাধারণ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন নওয়াজ। তবে এবারও শেষ রক্ষা হয়নি তার। পানামা পেপারস ফাঁসের জেরে দায়ের হওয়া মামলায় শেষ পর্যন্ত সুপ্রীম কোর্টের রায়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকে অযোগ্য ঘোষণা করার পর মেয়াদ পূর্ণের আগে আবারও প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।

পানামা পেপারসে ফাঁস হওয়া তথ্যে জানা যায় ক্ষমতা অপব্যবহার করে নওয়াজ ও তার পরিবারের সদস্যরা বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করেছে। অভিযোগের তদন্ত করতে আদালতের নির্দেশে যৌথ তদন্ত দল (জেআইটি) গঠন করা হয়। জেআইটির কাছে নওয়াজ তার নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের বিপুল পরিমাণ সম্পদের উৎস জানাতে ব্যর্থ হন। জেআইটি’র এ প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে শুক্রবার নওয়াজকে প্রধানমন্ত্রী পদে অযোগ্য ঘোষণা করে রায় দেয় আদালত।

বেনজির ভুট্টো:
১৯৭৭ সালে পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউল হক কর্তৃক বেনজিরের পিতা জুলফিকার আলী ভুট্টোকে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত করে ফাঁসি কার্যকর করার পর দেশের রাজনীতিতে পা রাখেন তিনি। ১৯৭৭ থেকে ১৯৮৪ পর্যন্ত জিয়াউল সরকার তাকে বহুবার অন্তরীণ করে। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে ১৯৮৪ সালে লন্ডনে পাড়ি জমান তিনি।

১৯৮৬ সালে দেশে ফিরে সরকার বিরোধী আন্দোলনে বেনজীর ভুট্টো জনমত গঠন করেন এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। তবে ১৯৯০ সালের ৬ আগস্ট দুর্নীতি এবং সংঘাত নিরসনে ব্যর্থতার অভিযোগ এনে পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইসহাক খান বেনজির ভুট্টোকে বরখাস্ত করেন।

১৯৯৩ সালে আবারও নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীত্ব লাভ করেন তিনি। ১৯৯৬ সালের ৬ নভেম্বর তাকে পুনরায় বরখাস্ত করা হয়। তাকে বরখাস্ত করে ওই সময় পার্লামেন্ট ভেঙে দেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফারুক লেঘারি। পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালের নির্বাচনে অংশ নিয়ে হেরে যান তিনি।

এর দু’বছর পর ১৯৯৯ সালে সুইজারল্যান্ডের একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ঘুষ নেয়ার অভিযোগে বেনজির ও তার স্বামী আসিফ আলী জারদারিকে পাঁচ বছরের জেল এবং ৮৬ লাখ ডলার জরিমানা করে পাকিস্তানের একটি আদালত। তবে উচ্চ আদালত পরবর্তীতে এই রায়কে পক্ষপাতদুষ্ট হিসেবে রায় দেয়।

এরপর আট বছরের স্বেচ্ছা নির্বাসন কাটিয়ে ২০০৭ এর অক্টোবরে বেনজির পাকিস্তানে প্রত্যাবর্তন করেন। ওই বছরের ২৭ ডিসেম্বর রাওয়ালপিন্ডির এক নির্বাচনী সমাবেশ শেষে সভাস্থল ত্যাগ করার পর এক আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত হন বেনজির ভুট্টো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

এই সফর দিয়ে রীতিমতো ঝগড়া শুরু করে দেন কুমার সাঙ্গাকারা ও অর্জুনা রানাতুঙ্গা। কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান কুমার সাঙ্গাকারা শ্রীলঙ্কার পাকিস্তান সফরের বিরোধিতা করেন। আর রানাতুঙ্গা খুব করে চাইছিলেন সফরটা যেন হয়। পাকিস্তানে যাওয়ার আগে ২০০৯ সালের পাকিস্তান সফরে তদন্ত চেয়েছিলেন সাঙ্গাকারা। দেশটির ইতিহাসের সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যানের এমন চাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ২০১১ সালে বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রানাতুঙ্গা।

তবে দুজনের ঝগড়াটা থামিয়ে দিল দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। পিসিবির দেওয়া আগামী অক্টোবরে লাহোরে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্ট সিরিজ খেলার প্রস্তাব প্রত্যাখান করেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড। সম্প্রতি লাহোরে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ হওয়ার কারণেই সিরিজ খেলার চিন্তাভাবনা থেকে সরে এলো শ্রীলঙ্কা। দেশটির সংবাদমাধ্যমকে এমটি জানিয়েছে পিসিবি সভাপতি শাহরিয়ার খান।

শাহরিয়ার খান বলেন, ‘আইসিসি সভায় শ্রীলঙ্কা দলকে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম আমি। তাঁরা সফরের বিষয়ে সম্মতিও দিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সফরটা হচ্ছে না। সন্ত্রাসী হামলার অজুহাত দেখিয়েছে তারা। তবে তাদের এমন আচরণে আমি কিছুটা বিস্মিত। বিশ্বের সবখানেই সন্ত্রাসী হামলা হচ্ছে। নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে কেবল পাকিস্তানকে ফিরিয়ে দেওয়াটা অন্যায়।’

২০০৯ সালে লাহোরে এই শ্রীলঙ্কা দলের ওপর সন্ত্রাসী হামলার পর থেকেই পাকিস্তানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বন্ধ রয়েছে। মাঝখানে জিম্বাবুয়ে পাকিস্তান সফর করলেও বড় দেশগুলো এখনো শঙ্কায় রয়েছে। তবে অক্টোবরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সিরিজ হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভারতের রানে চাপা পড়ার পর দ্বিতীয় দিনেই বিপদের আভাস মিলেছিল। তৃতীয় দিনে সেটি হাঁসফাঁস করা অবস্থায় যেয়ে দাঁড়িয়েছে শ্রীলঙ্কার জন্য। দুই দিন আর ৭ উইকেট হাতে রেখেই দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৯৮ রানের লিড নিয়ে ফেলেছে ভারত। বাস্তবতা কিংবা ক্রিকেট ইতিহাস, যেকোনো দিক থেকে দেখলে স্বাগতিকদের পিষ্ট করার মঞ্চই সাজিয়েছে সফরকারীরা।

প্রথম ইনিংসে শ্রীলঙ্কাকে ২৯১ রানে অলআউট করে দিয়ে ৩০৯ রানের লিড নিয়েছিল ভারত। কিন্তু প্রতিপক্ষকে ফলোঅনে না পাঠিয়ে নিজেরাই ব্যাটিংয়ে নেমে পড়েছেন বিরাট কোহলিরা। দিন শেষে ৩ উইকেটে ১৮৯ রান সংগ্রহ তাদের। চতুর্থদিনে রানের বোঝা আরো কতটা বাড়িয়ে ইনিংস ঘোষণা করেন কোহলি সেটাই এখন দেখার। প্রথম ইনিংসে ভারতের সংগ্রহ ছিল ৬০০ রানের।

ইনিংস ঘোষণার আগে দ্রুত কিছু রান তোলার পাশাপাশি কোহলি হয়তো আশা রাখছেন নিজের আরেকটি শতকেরও। ৭৬ রানে অপরাজিত আছেন। এই পথে অভিনব মুকুন্দকে নিয়ে ১৩৩ রানের জুটি গড়েছেন। মুকুন্দ ফিরেছেন ৮১ রানে।

প্রথম ইনিংসের দুই সেঞ্চুরিয়ান শেখর ধাওয়ান ১৪ ও চেতেশ্বর পূজারা ১৫ রানে ফিরেছেন।

গলে শুক্রবার সকালে ৫ উইকেটে ১৫৪ রান নিয়ে উইকেটে আসে লঙ্কানরা। ফলোঅন এড়াতেই আরও ২৪৭ রান দরকার ছিল। হাতে খাতা-কলমে ৫ উইকেট থাকলেও বাস্তবে ছিল ৪টি! আঙুলের চোটের কারণে ব্যাট করতে পারেননি অ্যাসেলা গুনারত্নে। পুরো সিরিজের জন্যই মাঠের বাইরে ছিটকে গেছেন এই মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান।

তবে ভরসা হয়ে থাকা অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ অপরাজিত ৫৪ রানের ইনিংসটাকে ৮৩ রানে টেনে নিলে কিছু রান পায় লঙ্কানরা। সদ্য সাবেক হয়ে পড়া অধিনায়কের অপরাজিত সঙ্গী দিলরুয়ান পেরেরা ৬ রানের ইনিংসটাকে ৯২ পর্যন্ত টেনে নিয়েছেন। তাকে অবশ্য আউট করতে পারেননি ভারতীয় বোলাররা। সঙ্গীর অভাবে ৮ রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়ার আফসোস নিয়ে ফিরতে হয়েছে তাকে।

ভারতের হয়ে রবীন্দ্র জাদেজা ৩টি, মোহাম্মদ সামি ২টি উইকেট নিয়ে সেরা। একটি করে উইকেট গেছে উমেশ যাদব, রবীচন্দ্র অশ্বিন ও হার্দিক পান্ডিয়ার দখলে। চতুর্থ বা পঞ্চমদিনে তাদের সামনে সুযোগ থাকছে লঙ্কানদের দ্বিতীয় ইনিংসের উইকেটগুলো নিয়ে কাড়াকাড়ি করার!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়ায় পৌরসভা বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের ৪১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সকালে কলারোয়া উপজেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের আহবায়ক রুবেল মল্লিক ও যুগ্ম আহবায়ক ফিরোজ হোসেন সম্রাট স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, দলকে শক্তিশালী করার লক্ষে পৌরসভায় সৈনিকলীগের কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত কমিটির সভাপতি হলেন-উজ্জল মল্লিক, সহ-সভাপতি আব্দুর রহমান সবুজ, ইমরান হোসেন ইমন, শেখ রায়হান, হৃদয় হোসেন, জিল্লুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক রুবায়েত হোসেন রুবেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাসেল মল্লিক, মিঠুন মোড়ল, সাংগঠনিক সম্পাদক ইকরামুল হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রনি মল্লিক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জুয়েল, দপ্তর সম্পাদক রাজু, অর্থ সম্পাদক আব্দুল্লাহ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আজহারুল ইসলাম, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আরিফ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইমন হাসান, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক রায়হান হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক জাহিদ সরদার, মহিলা সম্পাদিকা রিতা রানী, সদস্য-রানা মল্লিক, আরমান, রাজু শেখ, আদনান, জাহিদ, সাইফুল, মজনু, সাব্বির, আল মামুন, হৃদয়, মাসুম, আকাশ, নুর নবী, জুয়েল, হাসান, আলী মাহমুদ, মাসুম, রেজওয়ান, সোহাগ, আশরাফুল ও ইমন প্রমুখ। উক্ত কমিটি আগামী দুই বছরের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest