ঢাকাই ছবিতে এক সময়ে জনপ্রিয় নায়িকা ছিলেন শাবনূর। এখন চলচ্চিত্রে একেবারেই যেন অনুপস্থিত তিনি। অস্ট্রেলিয়ায় আট মাসের প্রবাস জীবন কাটিয়ে ঈদের আগে দেশে ফিরেছেন এ নায়িকা। আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে ঢাকাতেই উদযাপন করেছেন ঈদুল ফিতর।

তার হাতে এখনও কয়েকটি ছবির কাজ থাকলেও এবার নতুন মিশনের কথা জানালেন তিনি। ছবি নির্মাণে আসবেন এ তারকা। দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি নিয়েই ভাবছেন তিনি। শুধু উপযুক্ত সময়ের অপেক্ষায় ছিলেন।

এ প্রসঙ্গে শাবনূর বলেন, ‘ছবি পরিচালনা করব এ পরিকল্পনা আমার অনেক দিন আগের। শুধু সময়ের অপেক্ষায় ছিলাম। মনে হচ্ছে এখন ছবি নির্মাণ আমার জন্য উপযুক্ত সময়। তাই নির্মাণে নামতে চাচ্ছি। সব ঠিক থাকলে শিগগিরই পরিচালক শাবনূরকে দেখতে পাবেন দর্শক।’

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই ঢাকা টু সিডনি নিয়েই তার ব্যস্ততা। বছরের বেশিরভাগ সময় অস্ট্রেলিয়াতে থাকেন তিনি। তবে এবার সহজে অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন না বলেও জানালেন তারকা। বেশ আটঘাট বেঁধেই সিনেমায় নামতে চাচ্ছেন তিনি।

তবে নিজের পরিচালিত ছবিতে অভিনয় করবেন কি না সে ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছুই বলেননি এ নায়িকা। নতুন মিশন নিয়ে কতটুকু সফল হন সেটিই এখন দেখার বিষয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা সম্পর্কিত হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরও দুই সপ্তাহ বাড়িয়েছেন আপিল বিভাগ। আইনজীবীরা বলছেন, এই সময়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা যাবে।
প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সময় চেয়ে করা রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দুই সপ্তাহের জন্য শুনানি মুলতবি করেছেন।
পৃথক তিন রিট আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত ১১ মে হাইকোর্ট নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন। এ রায় স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করলে ১৪ মে চেম্বার বিচারপতি হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা ১৮ মে পর্যন্ত স্থগিত করে আবেদনটি নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। এর ধারাবাহিকতায় ২১ মে বিষয়টি শুনানির জন্য ওঠে। আদালত ২ জুলাই পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করেন। এর ধারাবাহিকতায় আজ দুই সপ্তাহের জন্য শুনানি মুলতবি করা হয়।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম চার সপ্তাহের সময় আবেদন জানান। আদালত দুই সপ্তাহ সময় দেন। আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী হাসান এম এস আজিম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সরদার কালাম কলারোয়া খোরদো প্রতিনিধি : কলারোয়া উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়ানের দেয়াড়া সানা পাড়া গ্রামে আব্দুল জলিল নামের এক মাদক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে খোরদো পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৮ বোতল ফেনসিডিল ও ১ শত গ্রাম গাজা উদ্ধার করেন।
সোমবার রাতে গোপন সূত্রের ভিত্তিতে মাদক ব্যবসায়ী আব্দুল জলিল পিতা আবুল সরদার দেয়াড়া সানা পাড়া গ্রামের বাড়ি অভিযান চালান পুলিশ। অভিযান চালালে মাদক ব্যবসায়ী আব্দুল জলিল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই খবর পেয়ে পালিয়ে যায় এবং তার বাড়ি তল্লাশী করে ৮ বোতল ফেনসিডিল ও ১ শত গ্রাম গাজা উদ্ধার করেন খোরদো পুলিশ ক্যাম্পের আই সি হাসানুজ্জামান রিপন ও সর্ঙ্গিয় সোর্স। তবে এ ঘটনায় কেউ আটক হয়নি বলে যানা যায় ।পুলিশ সূত্রে জানা যায় কলারোয়া থানায় মাদকদ্রব্য আইনে একটা মামলা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

রণবীর কাপুরের মুখ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। যতদূর দেখা যায়, গায়ে কোনও পোশাক নেই তার। তার পাশটিতে যিনি বসে, গাড়ির কাচে আলো পড়ার দরুণ তার মুখ অনেকটাই ঝাপসা। তবে সিনেপ্রেমীদের বুঝতে অসুবিধা হয় না যে তিনি ক্যাটরিনা কাইফ। তার পরনেও বেশভূষা বেশ এলেমেলো। সম্প্রতি এমনই এক ছবিকে ঘিরে সরগরম নেটদুনিয়া।

রণবীর-ক্যাটরিনার বিচ্ছেদ ঘিরে দেদার নিউজপ্রিন্ট খরচ হয়েছে। কিছুদিন আগে দীপিকাকে টপকে রণবীরের জীবনে প্রবেশ করেছিলেন ক্যাটরিনা। বেশ ভালই কেটেছিল তাদের সময়টা। অন্তত নায়ক-নায়িকার হাবেভাবে তাই-ই মনে হয়েছিল। কিন্তু সুখের দিন বেশিদিন টেকেনি।

পারিবারিক কারণে হোক বা অন্য যা কিছু, সম্পর্কের গাঁটছড়া ছিঁড়েছে। তাতে অবশ্য প্রফেশনাল সম্পর্কে কোনও প্রভাব পড়েনি। রণবীর কাপুরই বোধহয় সেই অভিনেতা, যিনি ব্রেক আপের পরও তার দুই প্রাক্তন প্রেমিকার সঙ্গে কাজ করলেন। এর আগে দীপিকার সঙ্গে তার ছবি সুপারহিট হয়েছিল। এবার পালা ক্যাটরিনার।

জগ্গা জাসুস ছবিতে রণবীর-ক্যাটরিনাকে একসঙ্গে দেখা যাবে। তার প্রমোশনে জুটিতে হাজিরও হচ্ছেন দুজনে। যেন কোথাও কোনও বিচ্ছেদের লেশমাত্র নেই। এতটাই প্রফেশনাল তারা। এর মধ্যেই শোরগোল নতুন এই ছবিকে ঘিরে। নানামহলের প্রশ্ন, তবে কি এই ঘনিষ্ঠতা সম্পর্কের পুনর্জন্মের ইঙ্গিত দিচ্ছে? কোথা থেকে এল ছবি।

জানা গেছে, জগ্গা জাসুস ছবিরই একটি গানের কারণে এভাবে ধরা দিয়েছিলেন এই নায়ক-নায়িকারা। গায়ে জামা রাখেননি রণবীর। ক্যাটরিনার পরনেও পোশাক ছিল অল্পই। সেভাবেই তৈরি হয়েছে গানের দৃশ্যটি।

এই গানেরই বেশ কয়েকটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করে একটি বিনোদনমূলক ওয়েবসাইট। আর তারপরই সরগরম হয়ে ওঠে নেটদুনিয়ায়। নগ্ন অবস্থায় রণবীর-ক্যাটরিনাকে দেখা গেছে, ভেবেই অনেকে অবাক হচ্ছেন। অনেকেই আবার এ ছবিতে তাদের পারস্পরিক কেমিস্ট্রি দেখে ভাবছেন, এদের ব্রেক আপ না হলেই হত।

রণবীর এখনও কোনও নতুন সম্পর্কে জড়াননি। ক্যাটরিনাও তাই। ছবি যে জল্পনার জন্ম দিয়েছে তা যদি সত্যি হয়ে ওঠে, তবে মন্দ কী!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সোমবার মধ্যরাতে খুলনার ফুলতলা থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে এই ধারণার কথা জানান পুলিশের খুলনা রেঞ্জের উপ মহাপরিদর্শক দিদার আহম্মেদ।
তার ঘণ্টাখানেক আগে যশোরে ঢাকাগামী একটি বাস থেকে ফরহাদ মজহারকে উদ্ধারের কথা জানায় র‌্যাব।
সংবাদ সম্মেলনে ডিআইজির সঙ্গে র‌্যাব-৬ এর অধিনায়ক খন্দকার রফিকুল ইসলামও ছিলেন।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ফরহাদ মজহারকে সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায়ই পেয়েছেন তারা।
ডিআইজি দিদার বলেন, “একজন সুস্থ মানুষ যেভাবে জার্নি করে, সেভাবেই তিনি ছিলেন। তার সঙ্গে একটি ব্যাগ ছিল, গেঞ্জি ছিল। কিছু টাকাও ছিল। এমনকি মোবাইল চার্জার নিতেও ভোলেননি তিনি।”
সোমবার ভোরে ঢাকার শ্যামলীর রিং রোডের বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হওয়ার ১৮ ঘণ্টা পর যশোরে পাওয়া যায় ফরহাদ মজহারকে।
এর মধ্যে তার পরিবার থানায় অপহরণের অভিযোগ করে। নিখোঁজ অবস্থায় একাধিকবার ফোন করে তিনি নিজের মুক্তিপণের বিষয়েও স্ত্রী ফরিদা আখতারের সঙ্গে কথা বলেছিলেন।
কিন্তু র‌্যাব অপহরণেরে কোনো ইঙ্গিত পায়নি জানিয়ে ডিআইজি দিদার বলেন, “একজন সুস্থ মানুষ যেভাবে জার্নি করে সেভাবেই উনাকে আমরা পেয়েছি। এতে করে অপহরণের বিষয়টি প্রমাণ হয় না। মনে হয় না এটা অপহরণ।”
সেক্ষেত্রে ফরহাদ মজহার অপহরণের নাটক সাজিয়েছেন বলে মনে করেন কি না- সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, “প্রাথমিকভাবে তাই মনে হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বা পারিপার্শ্বিকতায় এটাই প্রমাণ করে যে উনি স্বেচ্ছায় ঘর থেকে বের হয়েছেন। তবে আরও তদন্ত করতে হবে।”
সুস্থ হলেও ৭০ বছর বয়সী ফরহাদ মজহার ক্লান্ত বলে তাকে বিশ্রামে রাখা হয়েছে বলে ডিআইজি জানান। তাকে ঢাকার পুলিশের কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
সকালে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে খবর পাওয়ার পর র‌্যাব-পুলিশ সম্মিলিতভাবে কাজ করে ফরহাদ মজহারের হদিস বের করে বলে জানান দিদার।
হদিস মেলার তিন ঘণ্টা আগে ফরহাদ মজহারকে খুলনায় নিজের রেস্তোরাঁয় দেখার দাবি করেছিলেন ‘নিউ গ্রীল হাউস’র মালিক আব্দুল মান্নান।
খুলনার নিউ মার্কেটের সামনে এই রেস্তোরাঁটি। মান্নানের কাছে খবর পাওয়ার পর র‌্যাব জোর অনুসন্ধান শুরুর কথা জানায়।
র‌্যাব কর্মকর্তা রফিকুল বলেন, “গ্রীল হাউজের ওখানে তিনি খেয়েছেন, এ তথ্য পাওয়ার পর আমাদের মাথায় আসে উনি হয়ত ঢাকায় যেতে পারেন। পরে আমরা খোঁজখবর করে তাকে ফলো করে নোয়াপাড়ায় এসে তাকে পাই।”
খুলনা থেকে ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের একটি বাস থেকে ফরহাদ মজহারকে উদ্ধারের কথা জানায় র‌্যাব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আজ মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করবে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ।

দুপুর ১২টায় দলের সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডি কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

সোমবার সংগঠনের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে স্বাক্ষর করেন আওয়ামী লীগের উপ-দঢতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আহমেদ (৩০) কিছুদিন পরপরই স্ত্রী বদল করতেন। বেশি বেতনে সুন্দরী কাজের মেয়েও নিয়মিত বিরতিতে সরবরাহ করা হতো তার বাসায়। বিকৃত যৌনাচার যেন ছিল তার নেশা। কথিত স্ত্রীর সামনেই কাজের মেয়ের ওপর চলত অকথ্য অত্যাচার। যৌন উত্তেজক ইনজেকশন নিয়ে মাঝে মধ্যে বেসামাল হয়ে পড়তেন তিনি। প্রতি সপ্তাহে বাসায় বসত নারী-মদের আড্ডা। তাতে ভাগ বসাতেন তার বাবাও। শুক্রবার রাতে রাজধানীর পরীবাগে গৃহকর্মীর ওপর যৌন অত্যাচার শেষে বেসামাল সালেহ আহমেদ তাকে সাততলা থেকে ছুড়ে ফেলে দেয়ার পর এসব বের হয়ে আসে। পুলিশ শনিবার সালেহ আহমেদকে গ্রেফতার করেছে। ভাগ্যক্রমে বেঁচে যাওয়া গুরুতর আহত অবস্থায় হতভাগ্য গৃহকর্মীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শাহবাগ থানার ওসি আবুল হোসেন বলেন, পরীবাগের দিগন্ত টাওয়ারের সাততলার বেলকুনি থেকে মেয়েটিকে ফেলে দেয়া হয়েছে। তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছিল বলে জানতে পেরেছি। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ওসি বলেন, মেয়েটির মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। গৃহকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। একই সময়ে মদ্যপ সালেহ আহমেদ তার কথিত স্ত্রীকে মারধর করে জখম করে। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, বিকৃত যৌনাচারে লিপ্ত ছিলেন সালেহ আহমেদ। মাদকাসক্তও ছিলেন। দালালদের মাধ্যমে সালেহ আহমেদ সুন্দরী নারীদের কাজের বুয়া হিসেবে নিয়োগ দিতেন। কথিত স্ত্রীর চোখের সামনেই কাজের মেয়েদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন।

তদন্তে সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা বলেন, সালেহ আহমেদের বাবা শহিদ হাওলাদারও একজন ব্যবসায়ী। বাড়ি পুরান ঢাকার মাতুয়াইলে। সালেহ আহমেদ অস্ট্রেলিয়ায় লেখাপড়া করেছেন। দেশে ফিরে বাবার ব্যবসা দেখাশোনা করছেন। দিগন্ত টাওয়ারে বাবা-ছেলের পাশাপাশি দুটি অ্যাপার্টমেন্টে বাস।

কথা হয় হাসপাতালের বিছানায় গুরুতর আহত ভুক্তভোগী গৃহকর্মীর সঙ্গে। তিনি বলেন, ওই বাসায় কাজে যোগদানের পর থেকেই সালেহ আহমেদ তাকে বিকৃত যৌনাচারে বাধ্য করে। তিনি জানান, মদ এবং ইয়াবার নেশায় টালমাটাল থাকতেন সাহেব (সালেহ আহমেদ)। মেমও ইয়াবায় আসক্ত। সালেহ আহমেদ কথিত স্ত্রীর চোখের সামনেই তার সঙ্গে যৌনাচারে লিপ্ত হতেন। শুক্রবার রাতে সালেহ আহমেদ নিজের শরীরে একাধিক বিদেশি যৌন উত্তেজক ইনজেকশন পুশ করেন। এতে তিনি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এ সময় আমার ওপর পাশবিক নির্যাতন চালান। বাধা দেয়ায় মারধর করে সাততলার বেলকুনি দিয়ে আমাকে নিচে ফেলে দেন। আমার সঙ্গে তার কথিত স্ত্রীকেও মারধর করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রাত তখন সোয়া ১০টা। মেয়েটিকে নিচে পড়তে দেখেন অ্যাপার্টমেন্টের কাজের লোক জাহাঙ্গীর। তিনি তাৎক্ষণিক বিষয়টি বাড়ির নিরাপত্তাকর্মীদের জানান। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে রাত পৌনে ১১টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। এরপর সালেহ আহমেদের বাসা তল্লাশি করতে গিয়ে পুলিশ তার কথিত স্ত্রী এবং বাসার আরেক কাজের বুয়া বৃদ্ধ মনোয়ারাকে আহত অবস্থায় রাত আড়াইটায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। তারা এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি।

মামলার বাদী ভুক্তভোগীর মা বলেন, ১৬ জুন বাড্ডা এলাকার নাজমা নামের এক মহিলা আমার মেয়েকে ওই বাসায় কাজের জন্য নিয়ে যায়। দুদিন পর আরেক বুয়ার মোবাইল ফোন থেকে আমাকে ফোন দেয়। ফোনে মেয়ে আমাকে জানায়, ভালো চাকরি পেয়েছে। কাজ কম। বেতন ১৫ হাজার টাকা। তারপর থেকে তার ফোনে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। গতরাতে ওই বাসার এক নিরাপত্তাকর্মী ফোন দিয়ে মেয়ে গুরুতর আহত বলে মেডিকেলে আসতে বলে। ঢাকা মেডিকেলে এসে মেয়ের করুণ অবস্থা দেখতে পাই।

শনিবার দুপুরে পরীবাগে ৩/৩/এ দিগন্ত অ্যাপার্টমেন্টের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সালেহ আহমেদের বিকৃত যৌনাচারের নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানিয়েছেন, প্রতি শুক্রবার সালেহ আহমেদের বাসায় মদ ও নারীর জলসা বসত। ছেলের জলসায় ভাগ বসাতেন সালেহ আহমেদের বাবা আবুল হোসেনও।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সালেহ আহমেদ এ পর্যন্ত ১১টি বিয়ে করেছেন। নির্ধারিত সময় পর আগের স্ত্রীকে আর দেখা যায় না।

এ ব্যাপারে দিগন্ত অ্যাপার্টমেন্ট মালিক সমিতির সহসাধারণ সম্পাদক শাহজাদা রনি যুগান্তরকে বলেন, সালেহ আহমেদকে আমরা একাধিকবার সতর্ক করেছি। বলেছি, এখানে বেলেল্লাপনা চলবে না। আপনি হয় সংশোধন হন, নয় ফ্ল্যাট ভাড়া দিয়ে অন্যত্র গিয়ে থাকেন। তিনি কারও কথায় পাত্তা দেননি।

দিগন্ত অ্যাপার্টমেন্টের ম্যানেজার আনোয়ার হোসেন বলেন, ১৫ তলার এই অ্যাপার্টমেন্টে ১৫০টি ফ্ল্যাট রয়েছে। ফ্ল্যাট মালিকদের কেউ শিল্পপতি, কেউ সরকার কিংবা প্রশাসনের বড় কর্তা। যে কারণে এ বাড়ির নিরাপত্তার ধরনই আলাদা। কঠোর নিরাপত্তার মাঝেও এমন ঘটনা সত্যিই দুঃখজনক।

ওই অ্যাপার্টমেন্টের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুগান্তরকে বলেন, বাবা-ছেলেকে পুলিশে ধরে নিয়ে গেছে। তাদের একটি গাড়ি নিয়ে গেছে র‌্যাব। রাতেই ৭ তলার ৭এম ফ্ল্যাটটি সিলগালা করে দিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, তার বাসা থেকে যৌন উত্তেজক নেশাজাতীয় বিভিন্ন ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে তার ব্যবহৃত ল্যাপটপও। ওই ল্যাপটপে দেশি-বিদেশি ৪ শতাধিক তরুণীর ফোন নম্বর পাওয়া গেছে। এদের অনেকেই তার বাসায় কলে আসত। সূত্র: যুগান্তর

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

যশোরের নওয়াপাড়া থেকে কবি, কলামিস্ট ও বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মজহারকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব ৬। তিনি এখন নওয়াপাড়া থানায় আছেন। র‌্যাব ৬-এর সিও খন্দকার রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
খন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে উদ্ধার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে খুলনাতে নেওয়া হচ্ছে।’

পুলিশের এডিশনাল ডিআইজি পদমর্যাদার এই কর্মকর্তা বলেন, সোমবার রাত সোয়া ৯টার দিকে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা হানিফ পরিবহনের একটি গাড়িতে করে ঢাকায় ফিরছিলেন ফরহাদ মজহার। এ সময় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব ৬ ও পুলিশ যৌথভাবে যশোরের নওয়াপাড়ায় চেকপোস্ট বসিয়ে বাসটি তল্লাশি করে পুলিশ। ওই গাড়িতে ছিলেন ফরহাদ মজহার। তাকে ঢাকার আদাবর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
খন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, র‌্যাব ৬ নিশ্চিত হয়েই নওয়াপাড়ায় অবস্থান নিয়ে যানবাহনে তল্লাশি করে। এ সময় অভয়নগর থানা পুলিশও আমাদের সহায়তা করে। সেখানে আসা হানিফ পরিবহনের একটি বাসের আই-২ সিট থেকে ফরহাদ মজহারকে উদ্ধার করা হয়।
খন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি সকালে যে পোশাক পরে বাসা থেকে বেরিয়েছিলেন, সে পোশাক পরিহিত অবস্থাতেই তাকে উদ্ধার করা হয়েছে। তার সঙ্গে অন্য কেউ ছিলেন না। তিনি কিভাবে খুলনা এসেছেন তা জানতে তার সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে।
এদিকে ফরহাদ মজহারের উদ্ধারের খবরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার স্ত্রী ফরিদা আখতার। তিনি বলেন, ‘আমরা হ্যাপি। কিন্তু বাসায় না ফেরা পর্যন্ত উৎকণ্ঠা থাকবে।’
উল্লেখ্য, ৩ জুলাই সোমবার ভোররাতে মোহাম্মদপুর লিংক রোডের হক গার্ডেনের নিজ বাসা থেকে বের হন ফরহাদ মজহার। এরপর ভোর ৫টা ২৯ মিনিটে তিনি তার স্ত্রীকে ফোন করে জানান, ‘ফরিদা, ওরা আমাকে নিয়ে যাচ্ছে। ওরা আমাকে মেরে ফেলবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest