সর্বশেষ সংবাদ-
দুটি মামলায় দেবহাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর কারাগারেকাঁধে কফির ফ্লাস্ক, চোখে স্বপ্ন—রূপসী ম্যানগ্রোভে আকাশের জীবনসংগ্রামশ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)-এর এক সদস্যকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক আমেরিকান নাগরিককে অভিযুক্ত করেছে দেশটির আদালত। খবর রয়টার্স।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম নীলাশ দাশ (২৫)। তার বিরুদ্ধে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামী স্টেটকে সহযোগিতা করারও অভিযোগ এনেছে আদালত। আগ্নেয়াস্ত্র বহনের অপরাধেও অভিযুক্ত করা হয়েছে তাকে।

 ২০১৬ সালে এক মার্কিন সেনাকে আক্রমণের প্রস্তুতি নেয়ার সময় নীলাশকে আটক করে এফবিআই।

বিচার বিভাগের বিবৃতিতে বলা হয়, নীলাশ দাশ একজন বাংলাদেশি নাগরিক এবং একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রেরও বৈধ নাগরিক। ২০১৫ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইসলামী স্টেটকে সহযোগিতা করার অপরাধে তিনি অভিযুক্ত।

এফবিআই সদস্যকে হত্যাচেষ্টায় নীলাশ দাশের বিরুদ্ধে কি ধরনের চার্জ গঠন করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত বলা হয়নি আদালতের বিবৃতিতে।

আটকের পর নীলাশ এফবিআইকে বলেন, তিনি সামরিক বাহিনীর একজন সদস্যকে আক্রমণ করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন এবং এটাই তার জীবনের লক্ষ্য।

বর্তমানে নীলাশ দাশ পুলিশ হেফাজতে আছেন। যদি এই তিন অভিযোগে তিনি দোষী সাব্যস্ত হন তাহলে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। তবে এ বিষয়ে নীলাশের আইনজীবী কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল লেখকদের দুর্নীতি, অফিসের নাম করে সরকারি রাজস্বের অতিরিক্ত অর্থ আদয় করার একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিদিন ৫/৬ লক্ষ টাকারও অধিক আদায় করছেন জমির ক্রেতারদের নিকট থেকে। দলিল লেখক সমিতির নামে এবং অফিসের নাম ভাঙিয়ে এই অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হচ্ছে।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা রসুলপুর গ্রামে আলিম উদ্দীন, বাঁকাল গ্রামের মাগফুর হোসেন, লাবসা গ্রামের মফিজ উদ্দীন, ঘোনা মাঝেরপাড়া গ্রামের তকিমউদ্দীন, মাহম্মুদপুর গ্রামের ফজর আলী জানান, তারা নিজেরা এবং তাদের আত্মীয় স্বজনদের জমি ক্রয় করতে সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গেলে দলিল লেখকরা পৌর এলাকার বাহিরে দলির রেজিস্ট্রি করার জন্য প্রতি ১ লক্ষ টাকার দলিলে ১২ হাজার টাকা আদায় করছে। অথচ সরকারি রাজস্ব প্রতি ১ লক্ষ টাকার দলিলে ৯ হাজার টাকা। অতিরিক্ত প্রতি ১ লক্ষ টাকার দলিলে ৩ হাজার টাকা করে তারা আদায় করছে। পৌর এলাকার বাহিরে প্রতি বিঘার জমির দাম ১০ লক্ষ টাকা হয় সে ক্ষেত্রে সরকারি রাজস্ব আসে ৯০ হাজার টাকা। দলিল লেখকরা আদায় করছে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। অতিরিক্ত ৩০ হাজার টাকা তাদের সমিতি এবং অফিস খরচের নামে আদায় করা হচ্ছে বলে তারা জানায়। তারা আরোও জানায় পৌর এলাকার জমি প্রতি ১ লক্ষ টাকার দলিলে সরকারি রাজস্ব আসে ১১ হাজার টাকা। সেখানে ক্রেতারদের কাজ থেকে আদায় করা ১৪ হাজার টাকা। সাতক্ষীরা পৌর এলাকার ১ কাটা জমির মূল্য (এলাকা ভেদে) ১০/১৫ লক্ষ টাকা। সপ্তাহে ৪ কার্য্য দিবসে ৬ থেকে ৮ কোটি টাকার জমি বেচা-কেনার দলিল রেজিস্ট্রি হয় (কোন কোন দিন এর বেশিও হয়)। সেই হিসাবে সপ্তাহে ৪ কার্যদিবসে ১৮ থেকে ২৪ লক্ষ টাকা অতিরিক্ত আদায় করছে দলিল লেখকরা। সপ্তাহের বৃহস্পতিবার সাব-রেজিস্ট্র্রার বদলি অফিস করেন।
দানপত্র দলিলে ১% বাদে সমপরিমাণ টাকা আদায় করা হয় বলে তারা জানায়। এছাড়াও প্রতিটি দলিলে ৩৪০ টাকা সরকারি রেভিনিউ জমা দিতে হয়। প্রতিটি হেবানামা দলিলে সরকারি রাজস্ব স্ট্যাম্পসহ ৯০০ শত টাকা, দলিল লেখকরা আদায় করছে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা।
এ ব্যাপারে কয়েকজন দলিল লেখক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায়, অতিরিক্ত আদায়কৃত টাকায় একটি বড় অংশ তাদের সমিতিতে জমা দিতে হয়। অফিসে কোন খরচ দিতে হয় কি না জানতে চাইলে তারা কোন উত্তর দেয়নি। দলিল লেখকরা জানায় তাদের সমিতির সদস্য সংখ্যা ১০৯ জন। ৭০ জন প্রতিদিন দলিল রেজিস্ট্রির করে থাকেন এবং ৭০ জনের নামে সমিতির পক্ষ থেকে ডিপিএস করা আছে। ডিপিএস এর মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে। সমিতিতে কত টাকা জমা আছে জানতে চাইলে তারা কোন টাকা জমা নেই বলে জানায়। তবে এখন থেকে ব্যাংকে টাকা জমা হওয়ার কথা আছে বলে তারা জানায়। সমিতির ইতিপূর্বে লক্ষ লক্ষ টাকার কোন হিসাব নেই বলে তারা জানান। এ ব্যাপারে সদর দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির কাছে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি তথ্য গোপন করে বলেন, ৭০ জনের মতো দলিল লেখক আছে সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে। কোন অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয় না বলে তিনি দাবি করেন। সমিতির কোন টাকা তারা আত্মসাৎ করেননি বলেও তার দাবি। কেউ যদি অতিরিক্ত টাকা আদায়ের কোন অভিযোগ করেন তাহলে সেই সমস্ত দলিল লেখকদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ব্যাপারে সদর সাব-রেজিস্ট্রির লুৎফর রহমান মোল্ল্যার নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, অফিস কোন টাকা গ্রহণ করে না। দলিল লেখকরা কোন ক্রেতার কাছ থেকে কত টাকা আদায় করছে এটা অফিসের জানার বিষয় না। সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কোন কর্মচারী অবৈধ অর্থে গ্রহণ করে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর ডেস্ক : শ্যামনগর উপজেলায় প্রেমিকের বাড়ি থেকে রুপালী মণ্ডল নামে এক তরুণীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার বিকেলে শ্যামনগর উপজেলার মুন্সীগঞ্জ গ্রামের জেলেপাড়া থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। রুপালী জেলেপাড়ার বাঘ বিধবা বুলি দাসীর মেয়ে।
স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সকালে বিয়ের দাবিতে জেলেপাড়ার বিকাশ মণ্ডলের ছেলে রাজু মণ্ডলের বাড়িতে গিয়ে ওঠেন তার প্রেমিকা রুপালী। পরে স্থানীয়রা রাজু ও রুপালীকে বিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেন। এক পর্যায়ে রাজু বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। রাজুকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না জানতে পেরে ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন রুপালী। বিকেলে পুলিশ তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ আব্দুল মান্নান জানান, রুপালীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

চ্যাম্পিয়নস লিগের পর ‍উয়েফা সুপার কাপেও শিরোপা নিজেদের হাতে রেখে দিলো রিয়াল মাদ্রিদ। ১৯৯০ সালে এসি মিলানের পর প্রথম কোনও দল টানা দ্বিতীয়বার এ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হলো। মঙ্গলবার মেসিডোনিয়ার স্কোপজের দ্বিতীয় ফিলিপ স্টেডিয়ামে রিয়াল ২-১ গোলে জিতেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে।

২০০২, ২০১৪ ও ২০১৬ সালের পর আরেকবার সুপার কাপের শিরোপা দেশে নিয়ে গেল রিয়াল। ইউরোপিয়ান ফুটবলের সুপার কাপ সবচেয়ে বেশি ৫ বার করে জিতেছে বার্সেলোনা ও মিলান। এবার এ তালিকায় লিভারপুলকে (৩) টপকে দুই নম্বরে উঠে এলো রিয়াল।

ফিট ঘোষণা করলেও ইউরোপা লিগজয়ী ম্যানইউর বিপক্ষে বেঞ্চে বসিয়ে রাখা হয়েছে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে। দলের প্রাণভোমরাকে বেশি ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়েনি। শেষ ৭ মিনিট তিনি খেলেছেন করিম বেনজিমার বদলি হয়ে। বেনজিমার সঙ্গে একাদশে নেমেছিলেন প্রতিপক্ষ কোচ হোসে মরিনহোর নজরে থাকা গ্যারেথ বেল। জিদান ম্যানইউ কোচকে বুঝিয়ে দিলেন, তিনি ছাড়ছেন না ওয়েলস তারকাকে। আক্রমণভাগের অন্যজন ছিলেন ইসকো। রিয়ালের মাঝমাঠ সাজানো হয়েছিল টনি ক্রুস, লুক মোডরিচ ও কাসেমিরোকে নিয়ে। অন্যদিকে মরিনহো শুরু করেন নেমাঞ্জা মাতিচ, ভিক্টর লিনডেলোফ ও ক্রিস স্মলিংকে দিয়ে।

ইংলিশ জায়ান্টদের পেছনে ফেলতে খুব বেশি সময় নেয়নি রিয়াল। ২৪ মিনিটে দানি কারভাহালের মাপা ক্রস ম্যানইউর রক্ষণ দেয়ালের উপর দিয়ে চলে যায় কাসেমিরোর কাছে, পা বাড়িয়ে দিয়ে সহজেই বল জালে পাঠান তিনি। ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় গতবারের চ্যাম্পিয়নরা।

দ্বিতীয়ার্ধে ফিরেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে রিয়াল। ৫২ মিনিটে বেলের সঙ্গে ওয়ান-টু পাসে ম্যানইউর রক্ষণ ভেদ করেন ইসকো। এর পর ডান পায়ের শটে ডেভিড ডি গিয়াকে পরাস্ত করেন এ স্প্যানিশ।

রোমেলু লুকাকু ম্যানইউতে তার প্রথম আনুষ্ঠানিক ম্যাচ খেলতে নেমে বেশ উজ্জ্বল ছিলেন। একবার সহজ সুযোগ নষ্ট করলেও ৬২ মিনিটে তিনি রিয়ালকে এক গোল শোধ দেন। মাতিচের শট রিয়াল গোলরক্ষক কেইলর নাভাস পাঞ্চ করেন, এবার আর লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়নি লুকাকুর। ওই গোলে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিল ম্যানইউ। কিন্তু গতবারের মতো এবার অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচ গড়ায়নি। ১৯৯৯ ও ২০০৮ সালের মতো দুর্ভাগ্যকে বরণ করে নিতে হয় ১৯৯১ সালের চ্যাম্পিয়ন ম্যানইউকে। গোল, ইএসপিএনএফসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বন্ধু থেকে শত্রু বনে যাওয়া কাজল ও করণ জোহরের ঝগড়ার ইতি ঘটার আভাস মিলছিল কয়েকদিন ধরে। মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) সকালে ইনস্টাগ্রামে করণের যমজ সন্তান যশ ও রুহির ছবিতে কাজল লাইক দেওয়ায় তাদের মধ্যে মিটমাট হয়ে যাওয়ার অনুমান ছড়িয়ে পড়ে। শুধু তাই নয়, ছবি শেয়ারিংয়ের এই প্ল্যাটফর্মে কাজলকে ফলো করেন করণ।

ফিল্মফেয়ারের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, করণের সঙ্গে কাজিয়ার ইতি টানার সিদ্ধান্তটা কাজলের পক্ষ থেকেই আগে এসেছে। ম্যাগাজিনটির ওয়েবসাইটের দাবি, গত সপ্তাহে ঘরোয়া পার্টিতে করণকে নিমন্ত্রণ করেন কাজল। মূলত তখনই তাদের মধ্যে মিটমাট হয়ে যায়।

জানা গেছে, কাজলের নিমন্ত্রণ রক্ষা করে পার্টিতে গিয়েছিলেন ৪৫ বছর বয়সী করণ জোহর। সেখানে দূরত্বকে পাশ কাটিয়ে বন্ধুর মতো তারা একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন। এরপরই সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যায়।
গত দিওয়ালিতে কাজলের স্বামী অজয় দেবগন পরিচালিত ও অভিনীত ‘শিবায়’ ছবির সঙ্গে নিজের ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ মুক্তি দেন করণ জোহর। বক্স অফিসে লড়াইয়ে নামায় তাদের বন্ধুত্বে ফাটল ধরে। এরপর তাদের মনোমালিন্যকে কেন্দ্র করে বিস্তর খবর বেরিয়েছে।
এ ঘটনার কয়েকদিনের মধ্যে নিজের ছবির ইতিবাচক পর্যালোচনা লেখার জন্য কামাল আর খানকে করণের ২৫ লাখ রুপি দেওয়ার ভিডিও শেয়ার করেন অজয় দেবগন। ওই পোস্টে ৪৩ বছর বয়সী কাজল মন্তব্য করেন, ‘শকড!’
ব্যস, শুরু হয়ে যায় ঝগড়া। কাজল ও করণ সব অনুষ্ঠানেই একে অপরকে এড়িয়েই গেছেন। নিজের আত্মজীবনীতে করণ জোহর উল্লেখ করেন, কাজলের জন্য তার কোনও আবেগ নেই। এমনকি করণের সঙ্গে আবার কাজ করবেন কিনা এক সাক্ষাৎকারে জানতে চাওয়া হলে কাজল পরোক্ষভাবে সমালোচনা করে জানান, স্বাচ্ছন্দ্য পাওয়া যায় এমন মানুষের সঙ্গেই কেবল কাজ করা যায়।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

হিন্দু ধর্মে গরুকে দেবতা হিসাবে দেখা হয়, তাই ভারতের অনেক রাজ্যে গরু জবাই নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

গো-রক্ষকরা রাস্তাঘাটেও পাহারা দেন যাতে কেউ গরু, এমনকি গরুর চামড়াও বহন করতে না পারে।

কিন্তু গরু-মহিষ নির্বিশেষে চামড়া দেখলেই তাদের নির্বিচার হামলার কারণে এখন পরিবহন কোম্পানীগুলোও আর চামড়া বহন করতে চাইছে না।

আর এর জের এসে পড়ছে দেশটির বৃহৎ চামড়া শিল্পের উপর। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়েছেন বিবিসির রাহুল ট্যান্ডন।

বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে এখনো কিছু চামড়া ব্যবসায়ী ক্রেতাদের কাছে নিজেদের তৈরি পণ্য তুলে ধরছেন। যেমনটা করছেন চামড়া ব্যবসায়ী ইমরান আহমেদ খান।

যদিও এ ধরনের ঘটনা এখন খুবই কম ঘটছে ভারতে।

কারণ গরু নিয়ে ভারতে যে তুলকালাম চলছে, তার মারাত্মক প্রভাব পড়েছে দেশটির অন্যতম বড় এই শিল্পখাতে। ফলে এখন ব্যবসা ভিয়েতনামে সরিয়ে নেয়ার কথা ভাবছেন ইমরান।

“লাখ লাখ মানুষ চাকরি হারানোর ভয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। আমাদেরও ছাঁটাই করতে হবে, কর্মীদের সংখ্যা কমাতে হবে, কারণ আমরা আর ব্যবসা চালাতে পারছি না। সরকারের যে নীতি, তা এই শিল্পের জন্য ক্ষতিকর। তারা যেন এই শিল্পকে মৃত্যুসনদ দিয়ে দিয়েছে, যেখানে লাখ লাখ মানুষের রুটিরুজি রয়েছে”- বলছিলেন ইমরান আহমেদ খান।

কলকাতার যেসব বড় চামড়া কারখানা রয়েছে সেখানে এখনো কাজ চললেও আগের তুলনায় মেশিনগুলো এখন খুবই কম ব্যবহৃত হয়।

কারণ ভারতের অনেক রাজ্যে গরু জবাই নিষিদ্ধ করা হয়েছে আর চামড়া নিয়ে যেসব ট্রাক এখানে আসছে, তার উপরেও ঘটছে হামলার ঘটনা।

সূত্র : বিবিসি বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নি‌য়ে সব রাজ‌নৈ‌তিক দলই ব্যস্ত। পি‌ছি‌য়ে নেই ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগও। ত‌বে সাম্প্রতিক কিছু ঘটনায় অস্বস্তিতে রয়েছে ক্ষমতাসীন দলটি।
সাম্প্রতিক সম‌য়ে রাজধানীবাসীকে আতঙ্কে ফেলেছি‌লো চিকুনগুনিয়া। এতে মানুষের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।এ রোগ থে‌কে বাঁচ‌তে তেমন কোন আধুনিক উ‌দ্যোগ গ্রহন করতে পারেনি দুই সি‌টি কর্পো‌রেশন। উল্টো মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে মশারি টাঙিয়ে দিতে পারবেন না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি মেয়র আনিসুল হক। তার এ কথায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাসহ অসন্তুষ্ট হয়েছেন নগরবাসীও।

চিকুনগু‌নিয়ার রেশ কাট‌তে না কাট‌তেই সম্প্রতি বৃ‌ষ্টির কার‌ণে দেশের প্রধান দুই শহর পানিতে ডুবে যায়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজধানীর খালগুলোর অবস্থা ভালো না। কিন্তু কৃত্রিম পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা খুবই ভালো। ঠিকমত পানির পাম্পগুলো চালালে ঢাকা শহরে পানি জমতো না। আর মানুষের ভোগান্তিও হতো না। অথচ ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন ও ওয়াসা একে অ‌প‌রের উপর দোষারোপ করছে।
এদিকে, সম্প্রতি বরগুনা জেলার এক স্কুল ছাত্রীর আঁকা বঙ্গবন্ধুর ছ‌বি দি‌য়ে নিমন্ত্রণ কার্ড ছাপা‌লে আওয়ামী লীগ নেতা ইউএনও তারিক সালমনকে হেনস্তা করে। যে কারণে সরকারকে বেশ বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়েছি‌ল। য‌দিও এ ঘটনার তাৎক্ষ‌ণিক ব্যবস্থা ‍নিয়েছিল দল‌টির হাইকমান্ড। ত‌বে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্থানীয় পর্যায়ে সরকা‌রের নানা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চলছে। এ অবস্থায় মাঠ পর্যা‌য়ের প্রশাসনকে ক্ষুব্ধ করা ঠিক হয়নি। তাছাড়া নির্বাচনকে সামনে রেখে নানা রকম অপতৎপরতা চল‌তে পা‌রে সরকার বিরুদ্ধে। এসব ঠেকানোর জন্যেও মাঠ প্রশাসনকে লাগবে। কিন্তু স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা সাদা পা‌নি গোলা করায় ব্যস্ত।
অন্যদিকে ঢাকা বিশ্ব‌বিদ্যাল‌য়ের আওতাভুক্ত ৭ জাতীয় বিশ্ব‌বিদ্যাল‌য়ের ছাত্রদের আন্দোলন করার সময় পুলিশের ছোঁড়া টিয়ার শেলের আঘাতে এক ছাত্রের চোখ হারাতে বসেছেন। পুলিশের কিছু অতি উৎসাহী সদস্যের কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে। যার প্রভাব পর‌ছে সরকা‌রের উপর।

এদিকে, বগুড়ায় মা-মে‌য়েকে ধর্ষণের পর মাথা ন্যাড়া করে স্থানীয় শ্রমিকলীগ নেতা। এ ঘটনা দেশের গণমাধ্যমগুলোর প্রধান শিরোনাম হয়। যার কার‌ণে ব‌হিষ্কার কর‌তে হয় ঐ নেতা কে কিন্তু জানা গে‌ছে, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের শ্রমিকলীগের হাইকমান্ডকে বলার পর অভিযুক্ত শ্রমিকলীগ নেতাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়।

অন্য‌দি‌কে তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা নিয়েও হ-য-ব-র-ল অবস্থায় আছে সরকার। সাংবাদিক সমাজ মনে করছে, তাদের কণ্ঠ বন্ধ করার জন্য সরকারের এ আইন তৈরী করা। অন্যদিকে, নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা কিছু ছড়ানো বন্ধ কর‌তে এটি অনেক বেশি প্রয়োজন বলে মনে করছে দলটির নেতারা। এর আগে বাজেট নি‌য়ে সরকারকে বেশ বিতর্কে পড়তে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ভ্যাট ও শুল্ক না বাড়িয়েই বাজেট পাস করেছে সংসদ। সম্প্রতি পার্বত্য অঞ্চলে পাহাড় ধসে বেশকিছু মানুষ মারা গে‌ছে তা নি‌য়েও সরকা‌র একটু সমা‌লো‌চিত হ‌য়ে‌ছে।
এ বিষ‌য়ে আওয়ামী লী‌গের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাসান মাহমুদ বলেন, সাম্প্র‌তি বি‌ভিন্ন জায়গায় কিছু ঘটনা ঘ‌টে‌ছে। ত‌বে আমরা এর ক‌ঠিন বিচার চাই এবং বিচার হ‌চ্ছে । ত‌বে ২০০১ এর প‌রেও অ‌নেক কিছু ঘ‌টে‌ছে কিন্তু সে সময়কার সরকার তার বিচার ক‌রে‌নি। আমরা যেকোন বিচার স‌ঠিক ভা‌বে ক‌রি। তারা ক‌রে‌নি কিন্তু তারাই আবার গলাবা‌জি ক‌রে বেশি।

আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, আওয়ামী লীগ এমন একটি রাজনৈতিক দল। যেখা‌নে অন্যায়ের কা‌ছে মাথা নত ক‌রে না। এখানে দলের আদর্শ-নীতি মেনেই সকলকে চলতে হয়। উন্নয়নের রাজনীতি মানে আওয়ামী লীগ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

হাতির ছবি আঁকার অনেক প্রমাণ আছে। এর আগে হাতির আঁকা ছবির প্রদর্শনীও হয়েছে। কিন্তু হাতির নিজের ছবি অবিকল আঁকার খবর এই প্রথম। সুডা নামে ৪ বছর বয়সী এক হাতি অল্প সময়ের মধ্যে নিজের ছবি একে চমকে দিলেন সবাইকে।

থাইল্যান্ডের এক হাতিশালায় এমনই ঘটনা ঘটেছে। পর্যটন এলাকা চিনমাইয়ের মায়েতং এলিফ্যান্ট ক্যাম্প নামে এক হাতিশালায় শুক্রবার নিজের অঙ্কন দক্ষতার পরিচয় দেয় সুডা নামে ৪ বছর বয়সী এক হাতি। অবশ্য এই হাতিশালায় বসবাসরত হাতিগুলোকে বাণিজ্যিকভাবে ছবি আঁকা শেখানো হয়। এসব হাতি দর্শনার্থী টানতে ছবি এঁকে দেখায়। কিন্তু নিজের ছবি এই প্রথম। সুডা শূঁড় দিয়ে তুলি ধরে ক্যানভাসে অল্প সময়ের মধ্যে নিজের প্রতিকৃতি এঁকে ফেলে।

এই দৃশ্য দেখে উপস্থিতরা তাজ্জব বনে যায়। এদেরই একজন এই দৃশ্যধারণ করে ইউটিউবে পোস্ট করতেই এটি ভাইরাল হয়ে যায়। সামান্য সময়ের মধ্যে কয়েকহাজার লোক দৃশ্যটি দেখে এতে কমেন্ট আর শেয়ার করতে থাকে। এক ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে এটি লাখের ঘর অতিক্রম করে। এখন সুডাকে দেখতে ওই হাতিশালায় ভিড় জমাচ্ছে দর্শনার্থীরা। অনেকে সুডার সঙ্গে সেলফি তোলার আবদার করছে। কেউ আবার দূর থেকে এটির ছবি তুলেই খুশি থাকছে।-ইউপিআই অবলম্বনে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest