আব্দুল জলিল : এবার ঈদে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সাতানি কুশখালী মাদক ব্যবসা বেশ জমে উঠেছে। প্রতিদিন জেলা শহরসহ বিভিন্ন এলাকার মাদক সেবিরা দিব্য মাদক কিনে খেয়েছে। তবে মাদক বেচা কেনা বন্ধ করার মত কেউ ছিল না। আর এই মাদক ব্যবসা পরিচালনায় ছিল কুলখালী গ্রামের আরশাফ। স্থানীয় চেয়ারম্যান বলছে আরশাফ অনেক বার বিজিবি পুলিশের হাতে আটক হয়েছে। তবে বাড়ি এসে আবার মাদক বেচাকেনা করে। আর এবার ঈদে সে এক চেটিয়া ব্যবসা করছে বলে এলাকা বাসি জানিয়েছে। তবে পুলিশ এই মাদক বেচা কেনার ব্যাপারে কোন কিছু জানেন না।
এলাকাবাসি জানায়, আরশাফ দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা করে আসছে। অনেক বার বিজিবি ও পুলিশের হাতে আটকও হয়েছে। সে বাড়ি বসে বিক্রি করে গাজা, ফেনসিডিল, ইয়াবা। যখন একটু বেশি কড়াকড়ি হয় রাস্তায় ও ঘেরের ভেড়িতে বসে এসব মাদক বিক্রি করে। সব চেয়ে মজার ব্যাপার হল স্থানীরা আরশাফকে ডাক্তার বলে। জেলা শহরসহ যখন বিভিন্ন এলাকার লোকজন মাদক সেবন করতে যায় তখন লোকজন বলে আরশাফ ডাক্তারের কাছে যাচ্ছে । আর এবার ঈদে সবচেয়ে বেশি মাদক সেবক তার বাড়িতে যাতাযাত করতে দেখা গেছে। বেচা কেনাও হয়েছে ভাল। চলার গতিও পাল্টে গেছে। আর তার মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ার মত কেই নেই। য়ার ফলে ফ্রি স্টাইলে ব্যবসা করেছে এই ঈদে। এখন সে বিনা বাধায় নির্বিঘেœ দাপটের সাথে ব্যবসা করে যাচ্ছে। যার ফলে দিনদিন মাদক সেবির সংখ্যাও বাড়ছে। নষ্ট হচ্ছে যুব সমাজ। সীমান্তবর্তী এই গ্রামে ফেনসিডিল, ইয়াবা, গাজা সব সময় মজুত থাকে।
আরশাফের ভাইরা এ প্রতিবেদককে জানান, তারা আরশাফকে মাদক ব্যবসা ছেড়ে দিতে বলেছে। তারা আরও বলেছে যদি সে মাদক ব্যবসা ছেড়ে না দেয় তবে কোথায়ও তাকে আর ভাই বলে পরিচয় দেবে না। এখন থেকে যারা তাদের বাড়িতে মাদক নিতেুু আসবে তাদেরকে মারপিট করবে বলে জানান। এবার ঈদের চুটিয়ে ব্যবসা করছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন এটা তার জানা নেই। তবে মনে হয় এখন আর আগের মত মাদক বিক্রি করে না।
আরশাফের এক বেমাতা ভাই জানান, ক্ষমতাসীন দলের লোকজনদের সাথে আরশাফের ভাল সম্পর্ক রয়েছে। যার ফলে সে কারো কথা শোনে না। মাঝে মধ্যে পুলিশ কিংবা গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা আটক করে ঠিক। কিন্তু তাকে আটকে রাখতে পারে না।
স্থানীয় মেম্বর ফারুক হোসেন রিপন জানান, এলাকার সবাই জানে আরশাফ মাদক বিক্রি করে। ইতি মধ্যে সে জেল ও খেঠেছে। আবার পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা তাকে আটক করে। অদৃশ্য শক্তি বলে তাকে বাড়ি থেকে ছেড়ে দেয় আবার কখনও কখনও পথের মধ্য থেকে ছেড়ে দিয়ে যায়। সে যদি মাদক ব্যবসা না ছাড়ে তবে আমরা কি করতে পারি বলেন। একমাত্র পুলিশ যদি ইচ্ছা করে তাকে আইনের আওতায় আনতে পারে।
কুশখালী ই্উনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলাম শ্যামল জানান, আরশাফ ফেনসিডিল, গাজা, ইয়াবা সবই বিক্রি করে। বিজিবি তাকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজাও দিয়েছে। বাড়ি এসে আবার ব্যবসা শুরু করে সে। ইতিমধ্যে পুলিশ কয়েকবার আটক করে ছেড়ে দিয়েছে। এদিকে কুশখালী ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরাও খোঁজাখুঁজি করছে বলে জানান তিনি।
মাদক ব্যবসায়ি আরশাফ জানান, “যতটা দ্যা ডাকে ততটা পানি হয় না। আপনি কি আমাকে সরাসরি মাদক বিক্রি করতে দেখেছেন। যারা আমাকে মাদক ব্যবসায়ি বলেছে তাদের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করেন।”
সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচাজ মারুফ আহম্মেদ জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। তিনি খোঁজখবর নিযে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে জামায়াত-শিবিরের ১১ নেতা-কর্মীসহ ৪০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় ১০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়। এ সকল ঘটনায় একটি নাশকতাসহ ১০ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
রবিবার সন্ধ্যা থেকে আজ সোমবার সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়,সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১১ জন,কলারোয়া থানা ০২ জন,তালা থানা ০৫ জন,কালিগঞ্জ থানা ১১ জন,শ্যামনগর থানা ০৬ জন, আশাশুনি থানা ০৩ জন,দেবহাটা থানা ০১ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান তাদের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শুনলে অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে এই শহরের বাসিন্দা মাত্র চারজন। তাদের মধ্যে আবার একজন মেয়রও আছেন।

শুধু তাই নয়, শহরে ডাক ব্যবস্থা থেকে শুরু করে অন্যান্য নাগরিক সেবা কার্যক্রমও চালু আছে।

হ্যাঁ, এই শহরটি কানাডায়। এবং এর নাম টিল্ট কোভ।

এটি কানাডার সবচেয়ে ছোট শহর তো বটেই, হয়তো পৃথিবীরও সবচেয়ে ছোট্ট টাউন হতে পারে।

এই চারজন বাসিন্দা শহরটিকে খুব ভালোবাসেন এবং তারা বলেছেন, এখান থেকে চলে যাওয়ার কোন ইচ্ছে তাদের নেই।

চারজন বাসিন্দা হলেও বলা চলে সবাই একটি পরিবারেরই সদস্য।

স্বামী মেয়র, মেয়রের বোন এবং তার একজন শ্যালক ওই শহরের দু’জন কাউন্সিলর এবং অন্যজন শহর কর্তৃপক্ষের ক্লার্ক বা কর্মচারী। এই চারজন ছাড়া টিল্ট কোভে আর কেউই থাকে না।

কানাডার নিউফাউন্ডল্যান্ড এবং ল্যাবরাডরের শহর এই টিল্ট কোভ।

চারজনের একজন মার্গারেট কলিন্স, যিনি ক্লার্ক হিসেবে কাজ করছেন, তার জন্ম এই শহরেই। এখানেই তিনি বেড়ে উঠেছেন।

তিনি বলেন, টিল্ট কোভে সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা যখন ছিলো তখন সেটি ছিলো ২,০০০। আর তা হয়েছিলো সেখানে মাইনিং -এর কাজের জন্যে।

তখন সেখানে নাগরিকদের যা যা কিছু লাগে তার সবকিছুই তৈরি করা হয়েছিলো।

কিন্তু ১৯৬৭ সালে এই খনিটির কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয় এক দুর্ঘটনার পর। তারপর শহরের সব বাসিন্দারা এখান থেকে চলে যান চিরতরে।

শহরের মেয়র ডন কলিন্স বলেন, মাত্র চারজন বাসিন্দা হওয়ার কারণে তাকে খুব বেশি কাজ করতে হয় না। তবে তিনি খুশি।

চিঠি সরবরাহ, আবর্জনা সংগ্রহ, রাস্তাঘাট রক্ষণাবেক্ষণের মতো কাজগুলোও তাকে দেখভাল করতে হয়। শহরে একটি জাদুঘরও আছে।

মেয়র ডন বলেছেন, পুরো জীবনটাই তিনি টিল্ট কোভে কাটিয়েছেন। বাকি জীবনটাও কাটাতে চান এখানে।

মার্গারেট কলিন্স বলছেন, এখন তারা বুড়ো হচ্ছেন। একসময় তারাও হয়তো এই শহর থেকে চলে যেতে বাধ্য হবেন এবং সেটি হবে তার জীবনের সবচে দুঃখজনক ঘটনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জেসন হোল্ডারের ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে ভারতের বিপক্ষে চতুর্থ ওয়ানডেতে ১১ রানের রোমাঞ্চকর এক জয়ে সিরিজে টিকে থাকল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। লো-স্কোরিং ম্যাচে ক্যারিবীয় অধিনায়ক ৫ উইকেট তুলে সফরকারীদের ব্যাটিং লাইনআপ গুঁড়িয়ে দিয়েছেন।

পাঁচ ম্যাচের সিরিজের শেষ ওয়ানডেটি এখন সিরিজ বাঁচানোর লড়াই ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য। প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ার পরের দুটিতে জিতেছিল বিরাট কোহলির দল। বৃহস্পতিবার কিংস্টনে হবে পঞ্চম ও শেষ ওয়ানডেটি।

অ্যান্টিগায় স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৯ উইকেটে ১৮৯ রান তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪৯.৪ ওভারে গুঁটিয়ে যাওয়ার সময় ১৭৮ রান পর্যন্তই পৌঁছাতে পেরেছে ভারত।

দুইশর নিচের সংগ্রহ তাড়া করতে নেমে আজিঙ্কা রাহানের ব্যাটে ৬০ রানের একটি ইনিংস পায় ভারত। ধারাবাহিক রাহানে টানা চার ম্যাচে ফিফটির দেখা পেলেন। কিন্তু অন্য প্রান্তে ধাওয়ান ৫, কোহলি ৩ ও যুবরাজের বদলি হিসেবে দলে আসা দিনেশ কার্তিক ২ রানে দ্রুত ফিরে গেলে চাপেই থাকে সফরকারীরা।

রাহানেকে নিয়ে ৫৪ রানের জুটি গড়া ধোনি লড়াইটা জমিয়ে রেখেছিলেন। ১০৮ বলে পঞ্চাশ ছোঁয়া ধোনি এদিন নিজের সবচেয়ে ধীরগতির ফিফটি করেছেন। আগে একবার ফিফটি করতে ৮৮ বল খেলেছিলেন তিনি। মাটি কামড়ে লড়াই করা ওই ফিফটিতে মাত্র এক চারে ১১৪ বলে ৫৪ রানে ধোনি যখন ফেরেন তখনো ১৩ রান চাই ভারতের, ৬ বলে।

কিন্তু পরের ওভারে উমেশ যাদব ও মোহাম্মদ সামিকে ফিরিয়ে লেজ গুটিয়ে দেন হোল্ডার। মাঝে হার্দিক পান্ডিয়া ২০ ও রবীন্দ্র জাদেজাকেও (১১) ফিরিয়েছেন ক্যারিবীয় অধিনায়ক। ক্যারিয়ারে প্রথম পাঁচ উইকেট নিতে ম্যাচ সেরা হোল্ডার ৯.৪ ওভারে ২৭ রান খরচ করেছেন।

এর আগে সাতজন ব্যাটসম্যানের দুই অঙ্কে পৌঁছার দিনে দুইশ পার করতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সর্বোচ্চ ৩৫ করে এসেছে এভিন লুইস ও কাইল হোপের ব্যাটে। পরে শাই হোপ ২৫, রোস্টন চেইজ ২৪, জেসন মোহাম্মেদ ২০, হোল্ডার ১১, দেবেন্দ্র বিশুর ১৫ রানে লড়াই করার পুঁজি পায় স্বাগতিকরা।

উমেশ যাদব ও হার্দিক পান্ডিয়া ৩টি করে উইকেট নিয় মূল কাজটা সেরে রেখেছিলেন। কুলদীপ যাদবের ছিল ২টি উইকেট। কিন্তু ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার দিনে তাদের দারুণ বোলিং পরাজয়ের খাতাতেই থাকল।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। রবিবার (২ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধস হতে পারে।
আবহাওয়াবিদ মো. আবদুর রহমান খান জানান, মৌসুমি বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে উত্তর-পূর্ব দিকে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় বিরাজ করছে।
এ কারণে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের শর্ত পূরণে কাতারকে অতিরিক্ত ৪৮ ঘণ্টা সময় দিচ্ছে সৌদি জোট। মধ্যস্থতাকারী কুয়েতের অনুরোধে তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, সৌদি-কুয়েত যৌথ বিবৃতিতে অতিরিক্ত সময় ঘোষণা করা হয়।

৫ জুন সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ এনে কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিসরসহ ৬ দেশ। এরপর সম্পর্ক পুনর্গঠনে কাতারকে ১৩টি শর্ত দেয় ৪ দেশ। জবাব দেওয়ার জন্য বেধে দেওয়া হয় ১০ দিনের সময়। রবিবার রাতে শেষ হয় কাতারের ওপর জারিকৃত অবরোধ প্রত্যাহারে সৌদি জোটের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা।

অগ্রহণযোগ্য শর্ত না মানার ইঙ্গিত দিয়ে কাতার রবিবার জানিয়েছে, কেবল শর্তহীন আলোচনায় রাজি আছে তারা।  তবে কুয়েতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কুনা-সূত্রে আল-জাজিরা বলছে, আরোপিত নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে কাতারের কাছে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে সংকটের মধ্যস্থতাকারী ওই দেশটি।

কাতারকে দেওয়া সৌদি জোটের শর্তে দেশটির সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বন্ধ করে দেওয়ার পাশাপাশি ১০ দিনের মধ্যে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক হ্রাস ও তুরস্কের একটি সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করতে বলা হয়। এছাড়া মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন, কথিত সন্ত্রাসী হসন্তান্তর, সৌদি জোটের প্রতি আনুগত্য এবং আইএস–আলকায়েদা আর হিজবুল্লাহর মতো সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে বলা হয়েছে কাতারকে।

সৌদি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বলছে, কাতার ওই শর্তগুলো পূরণ করবে কিনা, তা নিয়ে কুয়েতের পক্ষ থেকে কিছু বলা হয়নি। কেবল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে জোটের বেঁধে দেওয়া সময়কে ৪৮ ঘণ্টা বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা। আর কুয়েতের সেই অনুরোধ রাখতেই শর্ত মানার সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তুলসী একটি ঔষধিগাছ। তুলসী অর্থ যার তুলনা নেই। এটি সর্দি, কাশি, কৃমি ও বায়ুনাশক এবং মুত্রকর, হজমকারক ও অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে বিশেষ করে কফের প্রাধান্যে যে সব রোগ সৃষ্টি হয় সে ক্ষেত্রে তুলসী বেশ ফলদায়ক।

আমাদের দেশে ছেলেমেয়েদের সর্দি-কাশিতে তুলসী পাতার রস ব্যাপক ভাবে ব্যবহৃত হয়। এসব ক্ষেত্রে কয়েকটি তাজা তুলসী পাতার রসের সাথে একটু আদার রস ও মধুসহ খাওয়ানো হয়। বাচ্চাদের সর্দি-কাশিতে এটি বিশেষ ফলপ্রদ। তাজা তুলসী পাতার রস মধু, আদা ও পিঁয়াজের রসের সাথে এক সাথে পান করলে সর্দি বের হয়ে যায় এবং হাপানিতে আরাম হয়।

১। পেট কামড়ানো, কাশি: তুলসী পাতার রসে মধু মিশিয়ে খাওয়ালে বাচ্চাদের পেট কামড়ানো, কাশি ও লিভার দোষে উপকার পাওয়া যায়।

২। ঘামাচি ও চুলকানি: তুলসী পাতা ও দুর্বার ডগা বেটে গায়ে মাখলে ঘামাচি ও চুলকানি ভাল হয়।

৩। দাদ ও অন্যান্য চর্মরোগে: স্থানীয়ভাবে তুলসী পাতার রস দাদ ও অন্যান্য চর্মরোগে ব্যবহার করলে বেশ উপকার পাওয়া যায়। পাতার রস ফোঁটা ফোঁটা করে কানে দিলে কানের ব্যথা সেরে যায়।

৪। ম্যালেরিয়া: পাতা ও শিকড়ের ক্বাথ ম্যালেরিয়া জ্বরের জন্য বেশ উপকারী। ম্যালেরিয়ার প্রতিষেধক হিসেবে প্রতিদিন সকালে গোল মরিচের সাথে তুলসী পাতার রস খেতে দেয়া হয়। যতদিন সম্ভব খাওয়া যায়।

৫। বসন্ত, হাম: বসন্ত, হাম প্রভৃতির পুঁজ ঠিকমত বের না হলে তুলসী পাতার রস খেলে তাড়াতাড়ি বের হয়ে আসবে।

৬। ক্রিমি: তুলসী পাতার রসের সাথে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে ক্রিমি রোগে বেশ উপকার পাওয়া যায়। শুষ্ক তুলসী পাতার ক্বাথ সর্দি, স্বরভঙ্গ, বক্ষপ্রদাহ, উদারাময় প্রভৃতি রোগ নিরাময় করে থাকে।

৭। পেট ব্যথা: অজীর্ণজনিত পেট ব্যথায় তুলসী পাতার বেশ উপকার সাধন করে থাকে। এটি হজমকারক। প্রতিদিন সকালে ১৮০ গ্রাম পরিমান তুলসী পাতার রস খেলে পুরাতন জ্বর, রক্তক্ষয়, আমাশয়, রক্ত অর্শ এবং অজীর্ণ রোগ সেরে যায়।

৮। বাত ব্যথা: বাত ব্যথায় আক্রান্ত স্থানে তুলসী পাতার রসে ন্যাকড়া ভিজিয়ে পট্টি দিলে ব্যথা সেরে যায়।

৯। কীট-পতঙ্গ কামড়ালে: বোলতা, ভীমরুল, বিছা প্রভৃতি বিষাক্ত কীট-পতঙ্গ কামড়ালে ঐ স্থানে তুলসী পাতার রস গরম করে লাগালে জ্বালা-যন্ত্রণা কম হয়।

১০। সর্দি: যারা সহজেই সর্দিতে আক্রান্ত হয় (বিশেষ করে শিশুদের) তারা কিছুদিন ৫ ফোঁটা মধুর সাথে ১০ ফোঁটা রস খেলে সর্দি প্রবণতা দূর হয়।

এছাড়াও কোন কারনে রক্ত দূষিত হলে কাল তুলসিপাতার রস কিছুদিন খেলে উপকার পাওয়া যায়। তুলসী পাতা দিয়ে চায়ের মত করে খেলে দীর্ঘদিন সুস্থ থাকা যায়। তুলসী চা হিসাবে এটি বেশ জনপ্রিয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মসজিদে অতিরিক্ত বায়ুত্যাগের অপরাধে এক পাকিস্তানি যুবককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর আগে অতিরিক্ত বায়ু নির্গত করার কারণে তিনি সেখানের ৬টি মসজিদ থেকে অন্তত ১৭বার বহিষ্কৃত হয়েছিলেন।

জানা গেছে, গত রমজান মাসে মসজিদে অতিরিক্ত বায়ু নির্গত করার অপরাধে সেই পাকিস্তানি যুবককে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়। তবে মোহাম্মদ আল ওয়াহাবি নামে সেই ৩৩ বছর বয়সী যুবকের মারাত্মক পেট ফাঁপার সমস্যা রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

পাকিস্তানি বিচারক বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি মারাত্মক ধর্ম অবমাননা করেছেন। তিনি একবার ৫৩ জন মুসল্লিকে মসজিদ ছাড়তে বাধ্য করেছেন। তার কঠোর বিচার হওয়া উচিত। রমজান মাসকে মুসলমানদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব হিসেবে উল্লেখ করেন বিচারক।

তবে বিচারক শাস্তির ক্ষেত্রে নমনীয়তা দেখিয়েছেন! শিরশ্ছেদ বা পাথর নিক্ষেপ করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের মধ্যে যেকোনো একটাকে বাছাই করার স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে সেই যুবককে। বিচারক মনে করেন শিরশ্ছেদে শাস্তি কম কারণ সেখানে মৃত্যুবেদনা খুব কম সময়ের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest