মো. সোহাগ হোসেন : সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৮৬৫ সালে স্থানীয় জনসাধারণের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়টি দেশ স্বাধীন হওয়ার ২ বছর পরে ১৯৭৩ সালে জাতীয়করণ করা হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে প্রধান শিক্ষকাসহ ১৫ জন শিক্ষক রয়েছেন। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ৩৯৫ জন ছাত্রছাত্রী রয়েছে। বিপুল ছাত্রছাত্রীর জন্য বিদ্যালয়টিতে নেই পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ। বিদ্যালয়টিতে দুইটি শিফটে বিভক্ত প্রথম শিফট শুরু হয় সকাল ৯ টা থেকে আর শেষ হয় ১১: ৪০ মিনিটে। ২০ মিনিট বিরতির পর শুরু হয় দ্বিতীয় শিফট চলে বিকাল ৪:৩০ মিনিট পর্যন্ত। বিদ্যালয়টি জাতীয় দিবসগুলো যথাযথভাবে পালন করেন। বিদ্যালয়টি অনেকদিন যাবৎ সাফল্যের সাথে ভালো করে আসছে এবং সর্বশেষ ২০১৬ সালে সমাপনী পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়েছেন তিনজন পাসের হার শতভাগ। বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষিকা মালেকা পারভীন বলেন, আমার স্বপ্ন বিদ্যালয়টিকে একটি মডেল স্কুলে পরিণিত করার আর এজন্য প্রয়োজন স্থানীয় জনসাধারণসহ সকল অভিভবকের আন্তরিকতা। আর অভিভাবক এশাদত্ত বলেন, এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠাতার ফলে আমাদের সকলের ছেলেমেয়েরা পড়াশুনার সুযোগ পেয়েছে আর এ জন্য আমরা চাই বিদ্যালয়টি আরও সাফল্য অর্জন করুক। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালু আছে। বিদ্যালয়টির দ্বিতীয় শ্রেণির খ বিভাগের ছাত্র নয়ন বলেন, আমরা এই বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করে গর্ববোধ করি কারণ বিদ্যালয়টিতে খুব যতœ সহকারে ছেলেমেয়েদের পাঠদান করা হয়।
মো. সোহাগ হোসেন : সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের একাদশ বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থী ও ডেইলি সাতক্ষীরার মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান ইন্টার্নশিপ কর্মসূচির একজন ইন্টার্ন।

হানিফ সংকেত দীর্ঘ প্রায় তিন যুগ ধরে ‘ইত্যাদি’তে তার নিত্য নতুন আইডিয়ার চমক দেখিয়ে চলেছেন। আর ঈদ এলে তো কথাই নেই- এতে যুক্ত হয় নুতন নুতন সব চমক। এবারের ঈদেও রয়েছে নানান আয়োজনে সমৃদ্ধ ‘ইত্যাদি’।
নিজস্ব প্রতিবেদক : লানিং এন্ড আনিং ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের আওতায় প্রফেশনাল আউট সোর্সিংএর সাতক্ষীরা এলইডিপির ১০টি ব্যাচের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুর ২টায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠান হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ এফ এম এহতেশামূল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিন। লার্নিং এন্ড আনিং ডেভেপলমেন্টের সাতক্ষীরা জেলা সমন্বয়কারী এস. এম মিশকাতুলের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় ট্রেনিং সমন্বয়কারী আল আমিন শিশির, প্রোগ্রাম অফিসার মোস্তাকিম বিল্লাহ রাসেল, ট্রেনিং সমন্বয়কারী শেখ মাহমুদ পলাশ। এসময় উপস্থিত ছিলেন এলইডিপি সাতক্ষীরা কোর্সের ট্রেনার ও গ্রাফিক ডিজাইনার মোঃ সাইফুল ইসলাম, কোর্সের ট্রেনার চন্দন রায়, জাব্বির, ইয়াছমিন জাহান মিস্টি। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সেলিম হোসেন, মোমতাজুল ইসলাম মিলন, পারভেজ আনোয়ার আবু সাঈদ, মারুফ হোসেন, রবিউল ইসলাম, মহসিন হোসেন, আব্দুল কাদের, হেলাল হোসাইন, মদিনা, মুনিয়া, জান্নাত, মানিক, হারুন অর রশিদ, ফারহানা, খাদিজা, মিজান, শেখ রোকন আহমেদ, ফাহাদ হোসেন, আতাউরসহ সাতক্ষীরায় অনুষ্ঠিত ১০টি ব্যাচের শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, আইসিটি বর্তমান সময়ের একটি জনপ্রিয় বিষয়। বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে রুপান্তরিত করতে আইসিটি সেক্টরের প্রতি বেশ গুরুত্বারোপ করেছেন। বাংলাদেশ বর্তমান সময়ে এক অপার সম্ভবনার দেশ হিসাবে বিশ্বের দরবারে পরিচিতি লাভ করেছে। সরকার বেকারত্বের হার কমানোর জন্য দেশের বিভিন্ন জেলায় আউট সোর্সিং মাধ্যমে উপার্জন করার ব্যবস্থা করেছেন। এর দ্বারা মানুষ যাতে ঘরে বসে আয় করতে পারে।
তালা প্রতিনিধি : ঘূর্নিঝড়ের কবলে পড়ে তালা উপজেলার কলাগাছি পূর্বপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এক মুহুর্তের ঝড়ে বিদ্যালয়টির টিনের চাল-বেড়া উড়ে গেছে। এছাড়া ঝড়ের আঘাতে বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র এবং চেয়ার বেঞ্চ নষ্ট হয়ে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ বিদ্যালয়টি দেখতে জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকরা বুধবার সরেজমিনে যান। কলাগাছি পূর্বপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এম.এম মুনসুর রহমান জানান, মঙ্গলবার বিকাল ৪টার দিকে এলাকায় আকস্মিক ঘূর্ণিঝড় আঘাত করে। ঝড়ের তান্ডবে বিদ্যালয়ের টিনের চাল, বেড়া উড়ে যেয়ে ৩৫-৩৫ ফুট দুরের মাঠে যেয়ে পড়ে। এছাড়া কিছু টিন উড়ে যেয়ে পাশের শালিখা নদের মধ্যে পড়ে পানিতে তলিয়ে যায়। ঝড়ের আঘাতে বিদ্যালয়ের একটি আলমারী ভেঙে যায় এবং চেয়ার ও বেঞ্চ ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এক মুহুর্তের ঝড়ে দীর্ঘ বছর ধরে চলমান বিদ্যালয়টির স্থান ফাকা মাঠে পরিণত হয়। বিদ্যালয়ের এই ক্ষয়-ক্ষতি উপজেলা শিক্ষা অফিসকে অবহিত করা হয়েছে এবং রোজার ঈদ এর পর ক্লাস চালানো অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এব্যপারে খেশরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক রাজিব হোসেন রাজু জানান, মঙ্গলবার বিকালে ঘূর্ণিঝড়ের সময় এলাকার মূল্যবান অনেক গাছপালা ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং কলাগাছি গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস গাজীর একটি গাভী বজ্রপাতে মারা যায়। এছাড়া কলাগাছি পূর্বপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টিনের চাল ও বেড়া উড়ে যায়। সবকিছু মিলিয়ে বিদ্যালয়ের লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। যে কারনে বিদ্যালয়ের কক্ষগুলো পূনঃরায় নির্মাণে সহযোগিতা প্রদান পূর্বক শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য- ইউপি চেয়ারম্যান রাজিব হোসেন রাজু সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
আসাদুজ্জামান : দেবহাটায় পরিবেশ অধিদপ্তরের নীতিমালা লংঘন করে ও প্রশাসনের পূর্বানুমতি ছাড়াই দেবহাটার উত্তর পারুলিয়া গ্রামের সেকেন্দ্রা মাঠে বসতিসংলগ্ন ফসলি জমিতে জোরপূর্বক ইটভাটা নির্মাণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভাটা মালিক মুছা স্থানীয় মাদকসেবীদের টাকা দিয়ে তাদের দ্বারা জমির মালিক ও বর্গাচাষিদের হুমকি দিচ্ছেন। একই সাথে ভাটার বিরোধীতাকারিদের মিথ্যে মামলায় জড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখানো হচ্ছে। গ্রামবাসি পরিবেশের ক্ষতি করে ফসলি জমিতে ইটভাটা নির্মাণ বন্ধের দাবি জানিয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেছেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার মধ্যম একসরা গ্রামের দ্বীন আলী গাজির ছেলে শহরের ইটাগাছা কুমোরপাড়া বউবাজার এলাকায় বসবাসকারি নব্য কোটিপতি মোশারফ হোসেন ওরফে মুছা দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া মৌজার সেকেন্দ্রা মাঠে ৬০ বিঘা ফসলি জমিতে ইটভাটা নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন। পরিবেশ অধিদপ্তরের নীতিমালা অমান্য করে ও প্রশাসনের পূর্বানুমতি ছাড়াই ইতিমধ্যে তিনি সেখানে ভাটা নিমার্ণের কার্যক্রম শুরু করেছেন। উচ্চমূল্যে হারির টাকা দিয়ে জমির মালিকদের প্রলুব্ধ করে তিনি ডিড নেয়ার চেষ্টা করছেন। এছাড়া স্থানীয় কয়েকজন মাদকসেবি যুবকদের টাকা দিয়ে তিনি ভাটা নির্মাণের পক্ষে কাজ করাচ্ছেন। মুছার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে তারা ডিডে স্বাক্ষর করার জন্য জমির মালিকদের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। একই সাথে তারা বর্গাচাষিদের জমি ছেড়ে দেয়ার জন্য হমকি দিচ্ছে। জমির ডিড না দিলে পুলিশ দিয়ে সংশ্লিষ্টদের ধরে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়া হচ্ছে। এলাকাবাসি অভিযোগ করে বলেন, সেকেন্দ্রা মাঠে ইটভাটা নির্মাণ করা হলে এই এলাকায় মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যায় দেখা দেবে। এই এলাকায় আনসার আলি সরকারি প্রাইমারি স্কুল, কুলিয়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, দক্ষিণ কুলিয়া এবতেদায়ি মাদ্রাসা এবং কুলিয়া এলাহী বক্স দাখিল মাদ্রাসা, কুলিয়া জামে মসজিদসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ভাটার কালো ধোয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ হবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। একই সাথে নষ্ট হবে এই এলাকার হাজার হাজার বিঘা জমির ফসল। এখানকার প্রতিটি জমিতে বছরে কমপক্ষে চারটি করে ফসল উৎপাদন হয়ে থাকে। এই ফসলি জমিতে ইটভাটা হলে তার ক্ষতিকর প্রভাবে সর্বশান্ত হবে এখানকার দীনমজুর, দরিদ্র কৃষক ও বর্গাচাষিরা। বসতবাড়ি ছেড়ে এলাকা ত্যাগ করতে হবে শতাধিক পরিবারের। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্থ হবে এলাকার প্রাণবৈচিত্র। বিপন্ন হবে মানুষের স্বাস্থ্য। জমির মালিক আব্দুল্লাহ বলেন, আমরা ভাটা করতে জমি দেব না। কিন্তু ভাটার মালিক মুছা বিভিন্ন লোক দিয়ে আমাদেরকে হুমকি দিচ্ছে। সে এলাকার কিছু মাদকসেবীদের টাকা দিয়ে হাত করেছে। তারা জমির মালিক ও বর্গাচাষিদের পুলিশ দিয়ে হয়রানি করার হুমকি দিচ্ছে। ফলে গ্রামের অনেকে ভীতসন্ত্রস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের ভয়ে ইতিমধ্যে কয়েকজন জমির মালিক ভাটার পক্ষে ডিড দিয়েছেন। জমির মালিক রোজিয়া বেগম বলেন, এই মাঠে আমার এক বিঘা তের কাঠা জমি রয়েছে। সেখানে সোনার ফসল ফলে। ধান, আলু, পটল ও সরিসা চাষ করি। এই জমি থেকে বছরে এক লাখ টাকার ফসল পাই। এক মাস আগে ২৫/৩০ টাকা কেজি দরে পটল বিক্রি করেছি। এই জমির আয় থেকে সংসারের ১৩/১৪ জন লোাকের পেট চলে। আমার জমিতে আমি ধান চাষ করে খাবো। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, জমিতে ভাটা করতে দিয়ে আমি মরবো না খেয়ে? প্রাণ দিবো তাও আমার জমিতে ভাটা করতে দেবনা। বর্গাচাষি শহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের গ্রামের প্রধান ফসল সবজি। এখানে জমিতে ধানের সাথে ব্যাপক ভাবে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ হয়ে থাকে। এখানকার ধনি-গরিব বেশীরভাগ মানুষ সবজি চাষের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু ধনিক শ্রেণির একটি কুচক্রি মহল এই জমিতে ইটভাটা করার চেষ্টা করছে। জমির মালিক সাহেব আলী বলেন, ভাটার কালো ধোয়ায় এখানকার জমিতে কোন ফসল হবে না। গাছে আম হবে না। চারিপাশে গ্রাম। ভাটার কালো ধোয়ায় পরিবেশ নষ্ট হবে। এদিকে পারুলিয়া গ্রামের সেকেন্দ্রা মাঠে ইটভাটা নির্মাণ বন্ধের দাবিতে এলাকাবাসি বুধবার সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর একটি আবেদন করেছেন। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ভাটা মালিক মোশারফ হোসেন মুছা জানান, জেলা প্রশাসক যদি তাকে নিষেধ করেন তাহলে তিনি সেখানে আর কোন ভাটা করবেননা। জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো: মহিউদ্দিন বলেন, পারুলিয়ার সেকেন্দ্রা এলাকায় ইটভাটা নির্মানের জন্য কেউ তার কাছ থেকে কোন অনুমতি নেয়নি। পরিবেশের ক্ষতি করে জনবসতি এলাকায় ফসলি জমিতে কোন ভাটা নির্মাণ করতে দেয়া হবে না। অভিযোগ পেলে এব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।
কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার, দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টায় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফুর সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার, প্রেসক্লাবের উপদেষ্ঠা আলহাজ্ব শেখ ওয়াহেদুজ্জামান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মাঈন উদ্দিন হাসান, কালিগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মির্জা সালাহ্ উদ্দিন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুর আহম্মদ মাসুম, দৈনিক প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জি, দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা’র ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাছুম, অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লস্কার জায়াদুল হক।
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ইফতার মাহফিলে রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের মিলনমেলা ঘটে। বুধবার ১১ রমজান সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে এ ইফতার মাহফিলে সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেয়। এসময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন। ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ.এন.এম মঈনুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ.এফ.এম এহতেশামূল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আব্দুল লতিফ খান, সিভিল সার্জন ডা. তওহীদুর রহমান, পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, আশাশুনি উপজেলা চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিম, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজল, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী, বিশিষ্ট সমাজ সেবক আলহাজ্ব ডা. আবুল কালাম বাবলা, সাতক্ষীরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী জি.এম আজিজুর রহমান, ছফুরননেছা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আশরাফুন্নাহার, সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মোদাচ্ছের আলী, জেল সুপার আবু জাহেদ, জেলা জজ কোর্টের পিপি এড. ওসমান গণি, এনএসআই সাতক্ষীরা’র উপ-পরিচালক মোজাম্মেল হক, সহকারী পরিচালক আনিসুজ্জামান, সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি নাছিম ফারুক খান মিঠু, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এ.কে.এম আনিছুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ নিজাম উদ্দিন, সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবাশীষ চৌধুরী, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু তালেব, একি মিত্র চাকমা, এন.ডিসি মো. আবু সাঈদ, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসফিয়া সিরাত, সদর মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি ইঞ্জি. সিরাজুল ইসলাম খান, পৌর কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ দৌল্লা সাগর, ফারহা দিবা খান সাথীসহ সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ। ইফতার এর পূর্বে দেশের অব্যাহত শান্তি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন পুরাতন কোর্ট জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ ক্বারী শেখ ফিরোজ আহমেদ ও হাফেজ আব্দুল জলিল।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বুধবার সকাল ১০ টায় ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে ধোয়াঁবিহীন তামাকের কার্যকর কর বৃদ্ধি না করার প্রতিবাদে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক চত্তরে তামাক বিরোধী নারী জোট তাবিনাজ এর পক্ষে শতাধিক নারী মিলিত হয়ে দুই দফা দাবিতে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে এবং সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিনের কাছে স্মারক লিপি প্রদান করেছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ এর নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত, বরসা’র সহকারী পরিচালক মোঃ নাজমুৃল আলম মুন্না, জিডিএফ সভানেত্রী ফরিদা আক্তার বিউটি, চুপড়িয়া মহিলা সংস্থা, অনন্যা মহিলা সমিতি, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, খেয়া, সিবিও, হেড এর নির্বাহী পরিচালক লুইস রানা গাইন, সিরাজুন সঞ্জু, আফরোজা বেগমসহ সাতক্ষীরা নারীনেত্রীবৃন্দ।