সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানাতালায় জেলে-কৃষকের জীবন-জীবিকার কথা শুনলেন ড. হোসেন জিল্লুরদেবহাটায় ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সম্মাননা স্মারক বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধ : ‘একজন বন্ধু দুইটি গাছ’ এ স্লোগন সামনে রেখে সাতক্ষীরা বন্ধুসভার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণের উদ্বোধন করেছেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু। শুক্রবার সকাল আটটায় বৃষ্টি ও অন্ধকারাচ্ছন্ন আবহাওয়ার মধ্য বৃক্ষ রোপণের উদ্বোধন করা হয়। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার বন্ধুসভার সদস্যরা ৫০০টি বৃক্ষরোপণ করেছেন।
সাতক্ষীরা বন্ধুসভার সভাপতি এস,এম হাবিবুল হাসান জানান, বন্ধুসভার উদ্যোগে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বৃক্ষরোপণ শুরু করা হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে শুক্রবার সকালে সাতক্ষীরা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু সাতক্ষীরা-শাল্লে সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণের উদ্বোধন করেন। প্রচ- বৃষ্টির উপেক্ষা করে বন্ধুসভার সদস্যরা বৃহস্পতিবার সকাল সাতটার মধ্যে সাতক্ষীরা প্রথম আলো অফিসে উপস্থিত হয়। তারপর সেখান থেকে আগে নির্ধারিত সাতক্ষীরা-শাল্লে সড়কে বৃক্ষরোপণ শুরু করেন। বৃহস্পতিবারও একইভাবে তারা গাছের চারা রোপণ করেন।
তিনি আরও জানান, ফলজ, ঔষধি ও বনজ তিন প্রকার গাছ রোপণ করেছেন তারা। গত দুইদিন ৫০০টি বিভিন্ন ধরণের গাছের চারা রোপণ করা হয়। শনিবার আর দেড় শতাধিক ফলজ গাছের চারা তারা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রোপণ করবেন।
বৃক্ষরোপণ সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন সাতক্ষীরা বন্ধুসভার সভাপতি এস, এম হাবিবুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক জাহিদা জাহান ছাড়াও গোলাম হোসেন, শরীফ হাসান, মিরাজ হোসেন, সাদিয়া নাজনীন, জাহিদুর রহমান, মোহম্মাদ হোসেন, জুলফিকার হোসন, শেখ আকিবুল্লাহ, রবিউল ইসলাম প্রমুখ। সার্বিক তত্ববধানে ছিলেন প্রথম আলো সাতক্ষীরার নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : বহু প্রতীক্ষিত, গণ-মানুষের চাওয়া সাতক্ষীরা সদরের এল্লারচর-ফিংড়ি সড়কের চলমান পাকা রাস্তার নির্মাণাধীন কাজের পরিদর্শন করলেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। শুক্রবার বিকালে সদরের এল্লারচর ও ফিংড়ি এলাকার সাধারণ মানুষের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি দ্রুত চলাচলের উপযোগি করে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ থেকে পরিত্রানের জন্য সরেজমিনে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার উন্নয়নের সরকার। দেশের প্রতিটি সেক্টরে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে। বিশে^র দরবারে বাংলাদেশ একটি উন্নয়নের রোল মডেল। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত সোনার বাংলা গড়তে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি আরো বলেন, জনগণকে ভোগান্তীতে রেখে রাস্তা নির্মাণে কোন অবহেলা সহ্য করা হবেনা। আমি জনগণের চাকর। তাই জনগণের ভোগান্তী মানে আমার ভোগান্তী। টাইম সিডিউল দেখালে হবেনা। জেলার অধিকাংশ রাস্তা-ঘাটের অবস্থা খারাপ। সাধারণ জনগণের কথা ভেবে রাস্তা নির্মাণ কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে। যারা সরকারে উন্নয়ন কাজে প্রতিবন্ধকতা ও বাঁধা সৃষ্টি করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। তিনি আরো বলেন, এ জেলার চলাচলের অনুপযোগি রাস্তা অতি দ্রুত সংস্কার করা হবে। ইতিমধ্যে অনেক রাস্তা নির্মাণে টেন্ডার হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল রাস্তার নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু হবে। এসময় সাংসদ ঐ এলাকার নারী-পুরুষদের ডেকে খোঁজ-খবর নেন এবং তাদের সাথে কিছু সময় অতিবাহিত করেন।
সাতক্ষীরা বেইলী ব্রীজ হতে ব্যাংদহা জিজি ভায়া এল্লারচর সড়ক ৬১শ’ মিটার পাকা রাস্তা ৩ কোটি ১৯ লক্ষ ৫৯ হাজার ৩শ’ ৩১ টাকা ব্যয়ে এলজিইডি’র বাস্তবায়নে রাস্তাটি নির্মান করা হচ্ছে। এ সময় জেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ হায়দার আলী তোতা, বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা স্মৃতি সংসদ জেলা শাখার সভাপতি সৈয়দ জয়নুল আবেদীন জসি ও যুবলীগ নেতা শেখ সফি উদ্দিন শফিসহ দলীয় ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ব্যবহার করে নাজেহাল হওয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তারিক সালমানের পক্ষে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  তিনি বলেছেন, ‘চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা করে শিশুদের আঁকা বঙ্গবন্ধুর ছবি ব্যবহার করে ইউএনও প্রশংসনীয় কাজ করেছেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর হুবহু ছবি আজ পর্যন্ত কেউ আঁকতে পারেনি। আমরাও যেগুলো ব্যবহার করি ওইসব ছবিতেও কিছু খুঁত থাকে।  হুবহু হয় না, আমি তো জানি।’ ছবি বিতর্কের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টিগোচর হলে এসব মন্তব্য করেন তিনি। গণভবন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একাধিক সূত্র বাংলা ট্রিবিউনক এসব তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রীরকার্যালয়ের দুটি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার ঘটনাটি নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পঞ্চম শ্রেণিতে পড়া শিশুটি যে ছবি একেঁছে, তা খারাপ আকেঁনি। শিশুদের কল্পনায় বঙ্গবন্ধু যেভাবে ফুটে উঠেছেন তা তারা প্রকাশ করেছে, আর ওই ছবি ব্যবহার করে ইউএনও’র কার্ড ছাপানোর উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা হয়েছে এটিই বড় ব্যাপার। প্রশংসনীয় এই উদ্যোগকে বিতর্কিত করা হয়েছে।’ বঙ্গবন্ধুর ছবি নিয়ে ইউএনও’র নাজেহালের ঘটনাটি নিয়ে ভীষণ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘ছবি ব্যবহার করা নিয়ে যারা এটা করেছে, তারা নিশ্চয়ই দলের ও সরকারের জন্যে ভালো কিছু করেনি।’ তিনি বলেন, ‘যে বিচারক সরকারি একজন কর্মকর্তাকে জেলে পাঠিয়েছেন তিনি হয়তো নিজে অতিউৎসাহী হয়ে এটা করেছেন, অথবা কারও ফোন পেয়ে প্রভাবিত হয়েছেন। এখন খুঁজে বের করতে হবে সেই ফোন কার ছিল। একজন সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হলে বিভাগীয় অনুমতি লাগে। তিনি কি তা নিয়েছেন-আমার প্রশ্ন।’

সূত্র জানায়, ইউএনও’র এ ঘটনায় প্রশাসনের ভেতরে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। আর এ প্রতিক্রিয়া সামাল দিতে প্রধানমন্ত্রী নিজে তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। গণভবনের একাধিক সূত্র এসব তথ্য জানায়। ওই সূত্র আরও জানায়, ইউএনও নাজেহালের ঘটনা প্রধানমন্ত্রী অনেক পরে অবগত হয়েছেন। এটা জেনে তিনি সঙ্গে সঙ্গেই হস্তক্ষেপ করেন, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের বিকৃত ছবি ব্যবহারের অভিযোগে বরিশালে দায়ের করা একটি মামলায় আগৈলঝাড়ার সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারিক সালমান নাজেহাল হন।

আগৈলঝাড়া উপজেলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮-তম জন্মদিবস ও জাতীয় শিশু দিবস ২০১৭ উপলক্ষে আয়োজিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় প্রথম ও দ্বিতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত দুই শিশুর আঁকা দু’টি ছবি ব্যবহার করে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০১৭-এর আমন্ত্রণপত্রটি তৈরি করা হয়েছিল।

আমন্ত্রণপত্রের প্রচ্ছদে (ফ্রন্ট কাভার) ওই প্রতিযোগিতায় ‘গ’ গ্রুপে প্রথম হওয়া আগৈলঝাড়া এসএম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী জ্যোতির্ময়ের আঁকা মুক্তিযুদ্ধের রণক্ষেত্রের একটি ছবি এবং শেষ প্রচ্ছদে (ব্যাক কাভার) ‘খ’ গ্রুপে দ্বিতীয় স্থান অধিকারী আগৈলঝাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী অদ্রিজা করের আঁকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি প্রতিকৃতি ব্যবহার করা হয়েছিল।

শিশুদের সৃজনশীল ও সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমে উৎসাহ দেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের আঁকা ছবি ব্যবহার করে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের আমন্ত্রণপত্রটি ডিজাইন করা হয়।

আমন্ত্রণপত্রটি ছাপা হওয়ার পর শেষ প্রচ্ছদে জাতির পিতার প্রতিকৃতিটি বেমানান মনে হওয়ায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০১৭-এর আমন্ত্রণপত্রটি সংশোধন করে পুনরায় ছাপা হয়। সংশোধিত আমন্ত্রণপত্রে জাতির পিতার প্রতিকৃতিটি প্রচ্ছদে ও মুক্তিযুদ্ধের রণক্ষেত্রের ছবিটি শেষ প্রচ্ছদে ব্যবহার করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বাবুল আক্তার, পাইকগাছা : পাইকগাছায় সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে উপজেলা সদরের সরকারি হাইস্কুল ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একমাত্র খেলার মাঠটি শিল্প-বাণিজ্য মেলার নামে দেড় মাস ধরে ডেকোরেশনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে মেলা কমিটি। আইনশৃংখলা কমিটির সভায় ক্ষোভপ্রকাশ করা হলেও মেলার প্রস্তুতি পুরোদমে এগিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। নেপথ্যে কারা? এনিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। শুক্রবার দুপুরে সরেজমিনে গেলে সংশি¬ষ্টরা জানিয়েছেন, শোকের মাসের ১৬ আগস্ট এ মেলা উদ্বোধনের কথা রয়েছে। এদিকে দেড় মাস ধরে মাঠ আটকিয়ে থাকায় শিক্ষার্থীরা বিনোদন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এমন অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, উপজেলা সদরের সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একমাত্র খেলার মাঠ। সেই মাঠে শিল্প ও বাণিজ্য মেলার নামে আয়োজকরা দেড় মাস ধরে ডেকোরেশনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। কয়েকদিন পূর্বে উপজেলার মাসিক আইনশৃংখলার কমিটির সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ স.ম. বাবর আলী, ইউএনও ফকরুল হাসান, মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, ওসি আমিনুল ইসলাম বিপ¬ব, সকল ইউপি চেয়ারম্যান বাণিজ্য ও শিল্প মেলার নামে মাঠ দখল করার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেও অজানা কারণে এখনও পর্যন্ত মেলার পুরো প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেক শিক্ষক জানিয়েছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী স্কুল, কলেজের বিনোদনের জায়গায় সরকারি অনুষ্ঠান ছাড়া অন্য কোন অনুষ্ঠান করা বা ভাড়া দেয়া যাবে না। এ বিষয়ে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল গফফার জানান, মাঠটি ব্যবহারের জন্য কাউকে অনুমোদন দেয়া হয়নি এবং উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। আয়োজকরা মাঠটি কোন বলে দখল করেছে এটি আমার জানা নেই। এদিকে বুধবার সকালে উপজেলা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে বাৎসরিক ফুটবল খেলার বিষয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিদ্যালয়ের মাঠটি বাণিজ্য মেলার নামে আটকিয়ে রাখায় প্রধান শিক্ষকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং কেউ কেউ বলেন, উপজেলা সদর ছাড়া অন্য দূরে অন্য কোথাও শিক্ষার্থীদের নিয়ে খেলতে যাবেন না বলে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছেন। শুক্রবার দুপুরে দেখা যায় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস পানিতে তলিয়ে আছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বিদ্যালয়ের মাঠ বালি এবং ইট দিয়ে উচু করে রাখায় পানি নিস্কাশন বন্ধ হওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আয়োজক সূত্র জানিয়েছে, ২০ জুলাই মেলার উদ্বোধনের কথা থাকলেও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে আরো এক মাস পিছিয়ে আগামী ১৬ আগস্ট মেলার উদ্বোধন করা হবে। এই মেলায় শিশুদের বিনোদনসহ ৫২টি স্টল, লটারী, জুয়াসহ বিভিন্ন আইটেম থাকবে বলে মেলা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। মেলার প্রবেশ মূল্য ১০ টাকা ধার্য্য করা হয়েছে। পাইকগাছা পৌরসভা মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর জানান, পৌর অভ্যন্তরে একমাত্র খেলার মাঠে এতবড় অনুষ্ঠান কে বা কারা করছে তা আমার জানা নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত যুবকের নাম আরিফ হোসেন (২৮)। তিনি উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের ইউপি সদস্য আছাদুজ্জামান ধোনার ছোট ছেলে। শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে তার নিজ বাড়িতে এ ঘটনাটি ঘটে।
কলারোয়া পৌরসভার মেয়র আক্তারুল ইসলাম জানান, শুক্রবার দুপুর ২টার দিয়ে নিজ বাড়িতে পানির লাইনের মটর ঠিক করতে গিয়ে অসাবধান বসত বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে ঘটনা স্থলেই নিহত হন আরিফ। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ এ ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরা শহর থেকে এক নারী পাচারকারিকে আটক ও ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে সাতক্ষীরা সদরর হাসপাতাল এলাকা থেকে উক্ত পাচারকারিকে আটক করা হয়। আটক পাচারকারির নাম বাবলুর রহমান মনি। সে শহরের কাটিয়া এলাকার আফছার আলী সরদারের ছেলে। এদিকে, উদ্ধারকৃত তরুনির নাম তানিয়া আক্তার (১৮)। সে পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া থানার সিংখালী গ্রামের দুলাল হাওলাদারের কন্যা।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহম্দে জানান, ঢাকা রাইফেল স্কয়ারের ফাস্টফুডের একটি দোকানের কর্মচারি তানিয়াকে বিয়ের কথা বলে সাতক্ষীরা শহরে নিয়ে আসে বাবলুর রহমান মণি। তবে এখানে এনে ওই তরুণীকে সে বিয়ে না করে চাকরির কথা বলে ভারতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে শহরের সদর হাসপাতাল এলাকা থেকে ওই তরুণীকে ইজিবাইকে তুলে নেওয়ার চেষ্টাকালে তার আতœচিৎকারে পুলিশ পাচারকারি বাবলুর রহমান মনিকে আটক ও ভিকটিম তানিয়াকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ওই তরুণী বাবলুর রহমান মনির বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সবার ওপরে মানুষই সত্য। তার ওপরে কিছুই নেই, থাকতে পারে না। পৃথিবীর সবকিছুই মানুষের জন্য। কোনোকিছুর ওপর মানুষ নির্ভরশীল নয়, পৃথিবীর সবকিছুই মানুষের ওপর নির্ভরশীল। মানুষের জন্যই পৃথিবী। পৃথিবীর জন্য মানুষ নয়।

এই রাষ্ট্র আমার কাছে ঋণী। আমি মানুষ। যখন পৃথিবীতে রাষ্ট্র ছিল না, তখনও মানুষ ছিল। মানুষই রাষ্ট্রকে সৃষ্টি করেছে, রাষ্ট্রের জন্ম দিয়েছে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন সংবিধান। কোনো আইন সংবিধানের ঊর্ধ্বে উঠতে পারবে না। কিন্তু, সংবিধান কি মানবতার ঊর্ধ্বে উঠতে পারবে? না, পারবে না। রাষ্ট্র কি মানবতার ঊর্ধ্বে উঠতে পারবে? সেটাও পারবে না। সবকিছুর ঊর্ধ্বেই মানুষ, মানবতা।

মানবতাকে, মানুষকে, মনুষ্যত্বকে কোনোভাবে, কোনো কালে কেউ অবহেলা করতে পারবে? অবজ্ঞা করতে পারবে? অপমান করতে পারবে? পৃথিবীর কোনো আইন কি এটাকে সাপোর্ট করে? রাষ্ট্রীয় আইন? ধর্মীয় আইন? মানবতার আইন? নৈতিকতার আইন? মানুষের উত্তর হলো- ‘না’। পারে না। পারবে না। পৃথিবী এখনো মানুষের। সৃষ্টির সেরা জীবের। এটা ভুলে গেলে চলবে না।

প্রশ্ন হলো, আমরা এ-কথা ভুলে যাচ্ছি কি না? আইনের প্রয়োগের ক্ষেত্রে কেউ কেউ আইনের ঊর্ধ্বে বা মানবতারও ঊর্ধ্বে উঠছে কি না?

প্রশ্ন হলো, অন্যায়ভাবে, একজন নিরপরাধ মানুষকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে, জামিনযোগ্য অপরাধের সিআর মামলায় আইনের নজিরবিহীন ‘মহান প্রয়োগে’ তাকে কারাগারে বন্দি করা হচ্ছে কি না? আমরা কি ভেবে দেখছি, কারাগারে অন্যায়ভাবে ব্যক্তি নয়, আবদ্ধ হচ্ছে মানুষ, আবদ্ধ হচ্ছে মানবতা!

মানবতা, তোমার কাছে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। মানুষ হয়েও তোমাকে অর্জনের যোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত কিছু ‘মানুষ’-এর নেই। আমাকে ক্ষমা করো। ক্ষুদ্র এ-আমার বড় জানতে ইচ্ছে করে, মানুষ কি অন্যায়ভাবে, বেআইনিভাবে, মনুষ্যত্বকে-বিবেককে নির্বাসনে পাঠিয়ে মানুষকে অপমান করে বড় হতে পারে? নাকি মানুষকে সম্মান দিয়েই মানুষ বড় হতে পারে?

আইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই তো মানুষ। কোনো পশু নয়, কীট নয়, দানব নয়; আইনের আশ্রয় নেবে মানুষ, আইনের প্রয়োগও করবে মানুষ। একজন মানুষ কী করে আরেকজন মানুষকে বিনা অপরাধে ফাঁসিয়ে দিতে চায়? ‘নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত’ স্থাপন করে, মানবতাকে অন্যায্য-অনৈতিকভাবে অপমান করে কীভাবে একজন ‘মানুষ’ নিজেকে মানুষ হিসেবে বিবেচনা করার সাহস রাখে? এত বড় ঔদ্ধত্য আসে কোত্থেকে? এর মূল কোথায়? মানবতার স্বার্থে এই মূল সমূলে উপড়ে ফেলতে হবে। অনুসন্ধান করতে হবে ‘কারণ’-এর।

ভেবে দেখতে হবে, কেউ কঞ্চি হয়ে বাঁশের চেয়ে বড় হতে চায় কি না, কুয়োর ভেতরে থেকে কেউ নিজেকে কুয়োর চেয়েও বড় ভাবে কি না, গায়ের জোরে কেউ ধরাকে সরাজ্ঞান করতে চায় কি না, গাঁয়ের মানা উচিত না, তারপরও কেউ নিজেকে “মহা-মোড়ল” ভাবে কি না। অনুসন্ধান করতে হবে। রাষ্ট্রের স্বার্থেই করতে হবে।

কারণ, যে নিরপরাধ মানুষটি উপজেলা পর্যায়ে রাষ্ট্রেরও প্রতিনিধিত্ব করে, প্রজাতন্ত্রের প্রতিনিধিত্ব করে, তার যদি হয় এ-ই পরিণতি, না জানি সেই প্রজাতন্ত্রের, সেই রাষ্ট্রের অন্য মানুষগুলোর কী অবস্থা! ‘কাগজের পাতা ভরে’ সব খবর তো আর আসে না। ‘জীবনপাতার অনেক খবর’ অগোচরেই রয়ে যায়। অগোচরে রয়ে যাওয়া সেই খবরগুলোও মানুষের, সৃষ্টির সেরা জীবের।

পৃথিবীর জন্মের ৪০০ কোটি বছর। মানুষের জন্মের ২০ লক্ষ বছর। আধুনিক মানুষের ২০ হাজার বছর। প্রবহমান মহাকালের প্রবল স্রোতে এই একবিংশ শতাব্দীতে এসে মানবতাকে নিয়ে, মানবতার অস্তিত্ব নিয়ে আমাদের সবাইকে নতুন করে ভাবতে হবে।

কোথায় যাচ্ছে মানবতা, মনুষ্যত্ব? এ পৃথিবী কি ‘স্বার্থময়’ হয়ে উঠছে? ‘যা-কিছু আমার স্বার্থের বন্ধু, তা সঠিক, আর বাকি সবই মিছে’- এমন ‘মহান’ ফিলোসফির ‘অম্লান’ ভূত কি কারো মাথায় ভর করেছে? যদি ভর করে থাকে, তাহলে তা প্রিয় পৃথিবী আর প্রিয় মানবতার জন্য চরম শঙ্কার, লজ্জ্বার, অবজ্ঞা-অপমান আর অবহেলার। ঘুমানোর ভান করলে জাগানো যাবে না। আমরা যদি ‘ঘুমিয়ে’ থাকি, তবে আসুন, আড়মোড়া দিই, জেগে উঠি।

যেভাবেই হোক, যত কষ্টই হোক, জেগে উঠতেই হবে। না হলে এই পৃথিবী আর মানুষের থাকবে না। ‘মানুষের মুখোশে’ ভরে উঠবে মাটির পৃথিবী। একটি ‘মুখোশবিহীন পৃথিবীর’ জন্য, সত্যিকারের মানবতার জন্য, ‘সাম্যের গান’ আর ‘মানুষের গান’ গাইবার জন্য প্রচেষ্টার কমতি রাখলে চলবে কেন? পৃথিবী হতে হবে মনুষ্যত্বের। মানবতার। ভালোবাসার। মমতার। ভ্রাতৃত্বের।

মানবতা হোক সবার ওপরে। মানুষই থাকুক সবার শ্রেষ্ঠ। মনুষ্যত্ব হোক পরম ব্রত। সংকীর্ণতা, পরশ্রীকাতরতা দূর করে অন্যের মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত করি, অন্যের অধিকারকে নিজের মতো করে ভালোবাসি। ব্যক্তির স্বার্থে নয়, গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়, সবকিছুই হোক মানবতার স্বার্থে, মানবতার কল্যাণে।

জয় হোক মানুষের। জয় হোক মানবতার। পৃথিবীর সকল মানুষ মুক্তি পাক সব ধরনের অন্যায়, বন্দিশৃঙ্খল থেকে। পৃথিবী হয়ে উঠুক মানুষের পৃথিবী।
(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

লেখক: নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি), সাতক্ষীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের চিকিৎসকরা রোগীর প্রেসক্রিপশনে (ব্যবস্থাপত্র) ফুড সাপ্লিমেন্ট জাতীয় কোনো আইটেম লিখতে পারবেন না। স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে জারিকৃত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

অধিদফরের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, জারিকৃত এ নির্দেশনা অমান্য করে রোগীর ব্যবস্থাপনায় কোনো চিকিৎসক ফুড সাপ্লিমেন্ট লিখলে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ও লাইন ডিরেক্টর (হসপিটাল সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট) এর স্বাক্ষরে বৃহস্পতিবার জারিকৃত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দশম জাতীয় সংসদের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ১৬তম বৈঠকে ফুড সাপ্লিমেন্ট নামের আইটেম ডাক্তাররা যেন ব্যবস্থাপত্রে না লিখেন সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে। সেই মোতাবেক দেশের সকল চিকিৎসকরা তাদের ব্যবস্থাপত্রে কোনো ধরনের ফুড সাপ্লিমেন্ট জাতীয় আইটেম না লিখেন, সে জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে রাজধানীসহ সারাদেশে এক শ্রেণির চিকিৎসক সুচিকিৎসার নামে উচ্চমূল্যে বিভিন্ন ফুড সাপ্লিমেন্ট পণ্য (স্টোরয়েড সমৃদ্ধ ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, মিনারেল ও জিংক) প্রেসক্রিপশনে লিখে দেন। বিভিন্ন কোম্পানির এসব আইটেম ডাক্তাররা রোগীদের প্রেসক্রিপশনে লিখিয়ে দিচ্ছেন। অন্যদিকে রোগীরা সরল বিশ্বাসে প্রতারিত হচ্ছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি বলেন, আমাদের দেশি যেখানে মানসম্পন্ন কোম্পানির প্রতি পিস ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ট্যাবলেট পাঁচ থেকে ছয় টাকা, সেখানে ওইসব ফুড সাপ্লিমেন্ট বিক্রি হয় ১৬ থেকে ৪০ টাকায়। এক শ্রেণির অর্থলোভী চিকিৎসকরা সব জেনেও নিশ্চুপ থাকছেন।

ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের ওষুধ তত্ত্বাবধায়ক সৈকত কুমার কর জাগো নিউজকে বলেন, ওষুধ ফার্মেসিগুলোতে ফুড সাপ্লিমেন্ট সামগ্রী বিক্রয়, প্রদর্শন ও মজুদ নিষিদ্ধ। কিন্তু অধিদফতরের পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিভিন্ন সময় ফুড সাপ্লিমেন্ট বিক্রির প্রমাণ পাওয়া গেছে।

ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ডাক্তাররা শুধু ওষুধ প্রেসক্রাইব করবেন। তাদের প্রেসক্রিপশনে ফুড সাপ্লিমেন্ট প্রেসক্রাইব করার নিয়ম নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest