manila-attackফিলিপিন্সের ম্যানিলার একটি হোটেলের ক্যাসিনোতে একজন বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ৩৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে বিবিসি জানিয়েছে।

শুক্রবার ভোরের এ ঘটনায় কমপক্ষে ৫০ জন আহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

ক্যাসিনোর টেবিলে ওই বন্দুকধারীর গুলির ফলে সৃষ্ট ঘন ধোঁয়ায় শ্বাস বন্ধ হয়ে বেশিরভাগ মানুষের মৃত্যু হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার সকালে অজ্ঞাত ওই ব্যক্তি একজন নিরাপত্তারক্ষীকে তালাবদ্ধ করে বন্দুক হাতে রিসোর্টস ওয়ার্ল্ড ম্যানিলা’য় প্রবেশ করে।

এরপর সে ক্যাসিনোর টিভি মনিটরে গুলি চালায়। ধারণা করা হচ্ছে, পরে আগুন লাগিয়ে দিয়ে সে নিজে আত্মহত্যা করে।

তবে এই হামলাকে ডাকাতির ঘটনা উল্লেখ এর সঙ্গে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কোন সম্পৃক্ততা নেই বলে পুলিশ জানিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

fed8d19c3501bc6fc115ed42881e91ed-59313c4483dddরাঙামাটির লংগদু উপজেলায় যুবলীগের এক নেতাকে হত্যার প্রতিবাদে সেখানকার পাহাড়িদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় গুনমালা চাকমা (৭৫) নামে এক নারী মারা গেছেন। এছাড়া এই হামলার ঘটনায় লংগদু উপজেলায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন।
লংগদু উপজেলার আটারকছড়ার ইউপি চেয়ারম্যান মঙ্গল কান্তি চাকমা এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, বিক্ষোভ মিছিলের সময় প্রশাসনের আশ্বাস পেয়ে তারা ঘরবাড়িতে ছিলেন। কিন্তু তারপরও তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে তারা সহায় সম্বলহীন হয়ে পড়েছেন। এসময় আগুনে পুড়ে গুনমালা চাকমা নামে এক বৃদ্ধ নারী মারা গেছেন।
এদিকে জনসংহতি সমিতির জেলা শাখার তথ্য ও প্রচার সম্পাদক মঙ্গল কুমার চাকমা বলেন, ‘এক মোটরসাইকেল চালকের লাশ উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার (১ জুন) আনুমানিক রাত ১০টার দিকে লংগদু সদরের তিনটিলা এলাকায় মিছিল পৌঁছালে কোনও উসকানি ছাড়াই জনসংহতির সমিতির অফিসসহ এলাকার বাড়িঘর ও দোকানগুলোতে আগুন ও লুটপাট করা হয়।’
মঙ্গল কুমার চাকমার দাবি- আগুনে তাদের প্রায় ২০০টি ঘরবাড়ি ও দোকানপাট সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের সবাইকে গ্রেফতারেরও দাবি জানান তিনি।
এদিকে পাহাড়িদের ওপর হামলার ঘটনায়  মো. সবুজ, মো. খায়ের ও মামুন নামে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। লংগদু থানার ওসি মো. মোমিনুল ইসলাম এ ঘটনা জানিয়েছেন। তিনি জানান, সেনাবাহিনীর সদস্যরা তাদেরকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১ জুন) লংগদু উপজেলা থেকে ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালক ও স্থানীয় সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন দুইজন যাত্রী নিয়ে দীঘিনালার দিকে রওনা হন। দুপুরের পর দীঘিনালার চার মাইল এলাকায় তার মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে সন্ধ্যায় ফেসবুকে তার মৃতদেহের ছবি দেখে সনাক্ত করে পরিবার ও বন্ধুরা। শুক্রবার সকালে নয়নের লাশ লংগদুতে তার গ্রামের বাড়ি বাইট্টাপাড়া আনা হয়। সেখান থেকে লংগদুবাসীর ব্যানারে কয়েক হাজার বাঙালির একটি বিশাল শোকমিছিল উপজেলা সদরের দিকে যাওয়ার পথে হঠাৎ একই উপজেলার ঝর্ণাটিলা এলাকায় মারফত আলী নামে এক বাঙালির বাড়িতে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়েছে এমন খবর পেয়ে এই মিছিল থেকেই প্রধান সড়কের পাশের লংগদু উপজেলা জনসংহতি সমিতির কার্যালয়সহ আশেপাশের পাহাড়িদের বাড়িঘরে আগুন দেওয়া হয়।
এ ঘটনার পরপরই সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। পরবর্তী নির্দেশ দেওয়া না পর্যন্ত এ আদেশ বলবৎ থাকবে বলে জানানো হয়। এদিকে কোনও ধরনের নাশকতা এড়াতে বর্তমানে ঘটনাস্থলে বিপুল পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

8861cf32cbfc849f0fc4fc68f63d7a8e-5931212cdb551স্বাস্থ্য ও জীবন : স্যুপ ও সালাদের স্বাদ বাড়াতে মাশরুমের জুড়ি নেই। মাশরুমের তরকারিও খেতে সুস্বাদু। মজাদার মাশরুম পুষ্টিগুণের দিক থেকেও অনন্য। স্বল্প ক্যালোরি ও প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট পাওয়া যায় মাশরুম থেকে। এছাড়া মাশরুমে থাকা জিঙ্ক ও পটাসিয়ামও জরুরি সুস্থতার জন্য।
মাশরুমের উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন :
* আঁশজাতীয় খাবার মাশরুম কোলেস্টেরলের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে সুস্থ রাখে শরীর। কোলেস্টেরলের পাশাপাশি শরীরের অতিরিক্ত মেদও দূর করে এটি। নিয়মিত মাশরুম খেলে তাই স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে।
* মাশরুমে থাকা ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁতের সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
* মাশরুমে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ফাঙ্গাল ও প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ভিটামিন এ, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ও ভিটামিন সি-ও পাওয়া যায় মাশরুম থেকে যা সুস্থ রাখে শরীর।
* রক্তের চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে মাশরুম। এতে খুব অল্প পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট রয়েছে। ফলে ডায়াবেটিক রোগীরা খেতে পারেন নিশ্চিন্তে।
* আঁশজাতীয় মাশরুম খাবার দ্রুত হজমে সাহায্য করে।
* মাশরুমে চর্বিজাতীয় উপাদান নেই বললেই চলে। উপরন্তু আঁশের কারণে এটি খেলে অনেকক্ষণ ক্ষুধা লাগে না। তাই ডায়েট চার্টে মাশরুম রাখা জরুরি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

9a2ac6dee5768ec4684aed2d4ebaa108-593147f6edcbaস্বাস্থ্য ও জীবন : চকলেট কে ভালোবাসে না? এটি লাখ টাকার প্রশ্ন। এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর, যিনি চকলেট পছন্দ করেন না। উৎসব উদ্যাপন, প্রেমিক-প্রেমিকাদের মধ্যে উপহার হিসেবে বা পুরস্কার হিসেবে সবচেয়ে বেশি আদান-প্রদান হয় হরেক রকমের চকলেট।
অবশ্য চকলেট স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, নাকি মন্দ এটি এখনো পুরোপুরি মীমাংসা হয়নি। বিজ্ঞানী ও গবেষকেরা কখনো চকলেটকে ভালো বলছেন, আবার কখনো এর উপকারিতা বেশি নয় বলেও রায় দিয়েছেন। তবে চকলেটের পক্ষেই রায় পড়েছে বেশি।
চকলেট নিয়ে হওয়া সাম্প্রতিক গবেষণাগুলোতে বলা হয়েছে, এটি উচ্চ রক্তচাপ স্বাভাবিক করে এবং হৃদ্যন্ত্রের বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমায়। এ ছাড়া চকলেট রক্তে শর্করার হ্রাস-বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে স্বাভাবিক রাখে এবং মানসিক চাপ কমায়।
চকলেট তৈরির মূল উপাদান কোকোয়া। গবেষণায় এই কোকোয়ার নানা অদ্ভুত গুণের কথা জানা গেছে। প্রাচীন মায়া সভ্যতায় দৌড়ানোর সহায়ক হিসেবে চকলেট পাউডার ব্যবহার করা হতো। এটি খেলে নাকি বেশি দৌড়ানো যেত! আর বর্তমান শতাব্দীর গত দশকে জানা গেছে, চকলেটে থাকা রাসায়নিক পদার্থ ডায়রিয়া নিরাময়ে বেশ উপকারী ভূমিকা রাখে। যুক্তরাষ্ট্রের ওহিওর সেইন্ট ভিনসেন্ট মার্সি মেডিকেল সেন্টারের কার্ডিওলজি বিভাগের গবেষক ওয়াইস খাজা বলেন, ‘চকলেট খুব ভালো অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। শরীরের প্রদাহজনিত রোগ কমাতে এটি ভালো কাজে দেয়। আমরা মনে করি, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হওয়ার কারণেই এর উপকারী দিক বেশি। চকলেট খেলে ক্যানসার ও স্মৃতিভ্রমের ঝুঁকিও কমে আসে।’
তবে সব চকলেটেই যে সমান গুণ আছে, তা কিন্তু নয়। কারণ, সব চকলেট একই রেসিপিতে তৈরি হয় না। কোকোয়া বীজে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েডস নামক একটি পুষ্টিকণা চকলেটকে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে পরিণত করে এবং প্রদাহজনিত রোগ কমানোর গুণ দেয়। কালো কুচকুচে ডার্ক চকলেটে এসব গুণ বেশি থাকে, দুধ মেশানো বা সাদা রঙের চকলেটে থাকে অনেক কম।
এখন প্রশ্ন হলো, ডার্ক চকলেট কী? যেসব চকলেটের ৭০ শতাংশ কোকোয়া দিয়ে তৈরি, সেগুলোকেই বলা হয় ডার্ক চকলেট। মূলত তৈরির প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে কোন চকলেটে কী পরিমাণ কোকোয়া থাকবে। চকলেটে কোকোয়া যত বেশি থাকবে, সেটি স্বাস্থ্যের জন্যও বেশি উপকারী হবে।
আমরা বাজারে যেসব চকলেট কিনি, সেগুলো কি বিশুদ্ধ? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, না। ওয়াইস খাজা বলেন, ‘বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত চকলেটে থাকে দুধ ও চিনি। এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। এগুলো খুব একটা পুষ্টিকরও নয়।’ তবে ওয়াইস খাজা এও জানিয়েছেন, বিভিন্ন ধরনের চকলেটের গুণ নিয়ে তুলনামূলক গবেষণা কম হয়েছে। তাই ডার্ক চকলেট স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হলেও কতটুকু উপকারী, তা নির্দিষ্ট করে বলা যায় না। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, দিনে দুবারের বেশি ডার্ক চকলেট না খাওয়াই ভালো।
আসুন জেনে নিই, প্রাচীনকাল থেকে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চকলেট সম্পর্কে জানা নানা তথ্যের কথা :
৫০০ খ্রিষ্ট পূর্বাব্দ: এ সময় চকলেটকে মনে করা হতো ‘ঈশ্বরের খাবার’ হিসেবে। কোকোয়া শব্দটি এসেছে কাকাওয়া থেকে। এর অর্থ ঈশ্বরের খাবার। ১৫০০ থেকে ৫০০ খ্রিষ্ট পূর্বাব্দ পর্যন্ত মধ্য আমেরিকায় বসবাসকারী ওলমেক জাতিভুক্ত মানুষেরা এই নাম দিয়েছিলেন। মায়া সভ্যতার মানুষেরা পানীয় হিসেবে পান করত চকলেট। এ সময় শুধু ধনীদের খাবার ছিল এটি। তবে ইউরোপীয়রা মায়া সভ্যতা আবিষ্কারের পর থেকে চকলেট জাতি-ধর্মনির্বিশেষে সবার খাবারে পরিণত হয়।
ষোড়শ খ্রিষ্টাব্দ: মধ্য মেক্সিকো এলাকায় এ সময় চকলেটকে ‘স্বর্গীয় ও অবসাদ দূরকারী পানীয়’ মনে করা হতো। এ সময় প্রবাদ ছিল, এক কাপ চকলেট পানীয় পান করলে একজন মানুষ আর কিছু না খেয়েই সারা দিন হাঁটতে পারেন!
ঊনবিংশ শতাব্দী: এ শতাব্দীতে চকলেটের ঔষধি গুণ প্রথম জানা যায়। জ্যঁ আন্তোইন ব্রুটাস নামের এক ফরাসি ফার্মাসিস্ট প্রথম গড়ে তুলেছিলেন চকলেট মিশিয়ে ওষুধ তৈরির কারখানা। যদিও তা টিকে থাকেনি। শেষে বহুজাতিক কোম্পানি নেসলে কিনে নিয়েছিল ওই কারখানা। এই শতকেই দুধ মেশানো চকলেট তৈরির রেসিপি আবিষ্কৃত হয়।
বিংশ শতাব্দী: এ শতকে চকলেটের উৎপাদন ও জনপ্রিয়তা দুইই বেড়ে যায়। চকলেটের উপকারিতা বা অপকারিতা নিয়ে গবেষণার পাশাপাশি এ সময় চকলেটে অতিরিক্ত আসক্তি নিয়েও গবেষণা শুরু হয়। ১৯৯৮ সালে যুক্তরাজ্যে প্রায় সাড়ে তিন শ মানুষের ওপর জরিপ করে দেখা যায়, পিৎজা বা বার্গারকে পেছনে ফেলে ভোক্তাদের কাছে বেশি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে চকলেট। এই জরিপে আরও জানা যায়, অবসাদগ্রস্ত বা মানসিক চাপের মধ্যে থাকলে মানুষ চকলেট বেশি খায়।
একবিংশ শতাব্দী: গত ১৭ বছরে চকলেট নিয়ে অনেক উন্নত পর্যায়ের গবেষণা হয়েছে এবং হচ্ছে। ২০০২ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, চকলেটে থাকা ক্যাটেকিনস নামের একটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট পদার্থ ক্যানসার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। আর ডার্ক চকলেট ডায়াবেটিসকে দূরে রাখে। কিছু প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির ওপর ২০০৫ সালে চালানো এক গবেষণায় এ তথ্য পাওয়া যায়। ২০০৬ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখে চকলেটে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এ ছাড়া হৃদ্যন্ত্র ও ত্বকের জন্যও উপকারী চকলেট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

s6CPAw_10আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জুয়ার টেবিলের সামনে বসলে তাঁর হুঁশ থাকে না। মাদকের নেশা না করলে ঘুম আসে না। ইচ্ছা হলেই পরিচারক ও পরিচারিকাদের সঙ্গেও তিনি সঙ্গম করেন। যৌনদাসীর সংখ্যাও অঢেল। এমন রাজপুত্ররটির নাম মাজেদ বিন আবদুল্লাহ বিন আবদুলাজিজ আল সৌদ। তাঁর বউয়ের সংখ্যা ৯। যার মধ্যে জুয়ায় বাজি ধরে হারালেন পাঁচজনকে! সৌদি আরবের এই কুখ্যাত রাজপুত্র সিনাই প্রদেশের গ্র্যান্ড ক্যাসিনোয় ছ’ঘণ্টা ধরে জুয়া খেলছিলেন। মাদকের নেশায় হুঁশ খুইয়ে তাঁর ধন-সম্পত্তির সমস্তটা বাজি রেখেছিলেন। কিন্তু ভাগ্য সঙ্গে ছিল না। নিমেষে উড়ে যায় তাঁর বাজি ধরা ১.৩৫০ বিলিয়ন রিয়াল।
বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ আাড়াই হাজার কোটি টাকার মতো। এরপরও তিনি জুয়ায় অর্থ বিনিয়োগ করতে চান। কিন্তু কানাকড়ি কিছুই না থাকায় শেষপর্যন্ত নিজের ৯ স্ত্রীয়ের বাজি রেখে খেলা শুরু করেন। এক-এক করে পাঁচ স্ত্রীকেও খোয়ান মাজেদ। বিলাসবহুল জীবনযাপন ও নানা কেলেঙ্কারির জন্য বিশ্বখ্যাত মাজেদ।
ওই ক্যাসিনোর মালিক আলি শামুন জানিয়েছেন, “পাঁচ স্ত্রীকে বিক্রি করে ২৫ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১৬১ কোটি টাকা) পেয়েছিলেন মাজেদ। তারপর পাঁচ স্ত্রীকে এক ব্যক্তির দিকে ঠেলে দিয়ে ফের জুয়া খেলায় মনোনিবেশ করেন। এর আগে অনেকে নিজের ঘোড়া, উট, বাড়ি বাজি ধরে জুয়া খেলেছেন। পরে আবার অর্থ দিয়ে ছাড়িয়ে নিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু এই প্রথম কেউ বউদের বিক্রি করল এবং পরে তাঁদের ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টাও করলেন না।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

555নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের অন্যতম সহ-সভাপতি, ফিংড়ী ইউনিয়নের বার বার নির্বাচিত সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবুল খায়ের সরদারকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত।
শুক্রবার তাকে দেখতে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটের সিসিইউতে যান বিশিষ্ট সাংবাদিক দৈনিক প্রথম আলোর স্টার্ফ রিপোটার কল্যাণ ব্যানার্জি, দৈনিক আজকের সাতক্ষীরার সম্পাদক মহসিন হোসেন বাবলু, সাতক্ষীরা রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য সচিব ও ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, দৈনিক আজকের সাতক্ষীরার সহ সম্পাদক শেখ তহিদুর রহমান ডাবলুু, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক, ডেইলি সাতক্ষীরার ব্যাবস্থাপক হাসান হাদি ।
এসময় তারা মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের সরদারের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার খোজ খবর নেন ও তার দ্রুত আরগ্য কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

00000বুধহাটা প্রতিনিধি : আশাশুনির বুধহাটা ইউনিয়নের কুঁন্দুড়িয়া-জর্দ্দা নদী পারাপারের সাঁকোর মুখের রাস্তা অবমুক্ত করনের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসি।
মরিচ্চাপ নদীর কুঁন্দুড়িয়া-জর্দ্দা বাঁশের সাঁকো দীর্ঘ দিন যাবৎ এলাকার মানুষ নদী পারাপারের জন্য ব্যবহার করে আসছে। মরিচ্চাপ নদী সংকীর্ণ হওয়ায় এলাকার মানুষ সহজে নদী পারের জন্য স্থানীয় উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে ব্যবহার করে আসছে। এই সাঁকোটি দিয়ে প্রতিদিন কুঁন্দুড়িয়া, জর্দ্দা, বাঁকড়া, কামালকাটি গ্রামের কিছু মানুষ পারাপার হয়ে আসছিল। কয়েক বছর থেকে পাশ্ববর্তী বাঁকড়া ও কামালকাটিতে মান সম্মত সেতু তৈরি হওয়ায় এই সাঁকোর গুরুত্ব কমে গেলে এলাকাবাসি সাঁকোয় চলাচলের ৫শতক পরিমান পথের জায়গা পাশ্ববর্তী জমির মালিক রহল আমিনকে মৎস্য ঘের করার জন্য হারি হিসাবে দিয়ে আসছিলেন। এলাকাবাসির সম্মতিক্রমে এই হারির টাকা স্থানীয় মন্দিরের উন্নয়নে খরজ করত মন্দির কমিটি। এই সাঁকোর স্থানে এলাকার জেলে সম্প্রদায়ের মানুষ তাদের নৌকা এনে রাখতেন এবং মাছ ও জাল ওঠানো নামানো করতেন। আর এই সাঁকোয় আসা যাওয়ার জন্য ছিল ২/৩ হাত চওড়া মাটির রাস্তা। যেটি দিয়ে মানুষ যাতয়াত করতেন। সরেজমিন দেখাগেছে, রহুল আমিন  সাঁকোয় যাতায়াতের ভেড়ির কিছু অংশ কেটে ঘেরের সাথে মিশিয়ে দিয়েছে। নদীর চর ভরাটের পর চরে শত শত পরিবার ঘর বেধে বসবাস করছেন। এমনকি অভিযুক্ত রুহলআমিনের ঘরও সেই সাঁকোয় যাতায়াতের পথের মুখে। ফলে কম বেশি যারা সাঁকো ব্যবহার করতে চাচ্ছেন তারা এখন যাতয়াত করতে পারছেন না। বাধ্য হয়ে তাদেরকে কারো ঘেরের রিং বাঁধের উপর দিয়ে যাতয়াত করতে হচ্ছে। এলাকাবাসির মতে অন্যের রিং ভেড়ি দিয়ে বেশি দিন চলাচল করতে দিবে না। তখন সাঁকো ব্যবহার কারিরা বিপদে পড়বে। অভিযুক্ত রুহলআমিন জানান, সাঁকোটি ব্যবহার হত না বিধায় এলাকার মাতব্বর ও মন্দির কমিটির লোকেরা আমার থেকে বছরে ৩ হাজার টাকা হারি হিসাবে নেয় যা মন্দিরের উন্নয়নে ব্যবহার হয়। বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্তপূর্বক কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য এলাকাবাসী জোর দাবি জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Lig....picনিজস্ব প্রতিবেদক : পৌর ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার বিকালে শহরের পলাশপোল (চায়না বাংলা শপিং সেন্টারের বিপরীতে) ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতির নিজস্ব কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সাবেক কাউন্সিলর ও ৮নং ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি আব্দুল আনিস খান চৌধুরী বকুলের সভাপতিত্বে ও ওয়ার্ড আ’লীগের সহসভাপতি মনিরুল ইসলাম মনি’র সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন সাবেক জেলা আ’লীগের নেতা আজিবর রহমান, পৌর আ’লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আজগর সরদার, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজন, পৌর আ’লীগের শিক্ষা সম্পাদক প্রভাষক আব্দুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক ফারুক আহমেদ খান ও মশিউর রহমান, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের আহবায়ক মাহমুদ আলী সুমন, জেলা কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এড. আল মাহমুদ পলাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ন কবির, ওয়ার্ড আ’লীগের সদস্য মুহিত, শফিউল ইসলাম, কামরুল ইসলাম, চিত্ত কর্মকার, আজিজুল ইসলাম মিঠু, ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি সুলতান ইউছুফ মিলন, সাংবাদিক মেহেদী আলী সুজয় প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ আ’লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আলিম খান চৌধুরী, পৌর শ্রম সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, আলহাজ্ব আমজাদ হোসেন লাভলু, ডাঃ মনিরুল ইসলাম নাসির, খায়রুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, বাবর আলী, ওয়ার্ড আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আফরোজা পারভীন মিরা, নারী নেত্রী সখিনা খাতুন, মাছুম বিল্লাহ, কৃষকলীগের ওয়ার্ড সভাপতি আবু সাঈদ বাবু ও কামাল হোসেন, পৌর তাঁতীলীগের যুগ্ম সম্পাদক সাংবাদিক মাসুদ আলী প্রমুখ। ইফতার পার্টিতে আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগ, শ্রমিকলীগ, মহিলা আওয়ামীলীগের ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া করেন এবং দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
কলারোয়ার দেয়াড়ায় শ্বাসরোধে স্ত্রী হত্যাকারী স্বামী মনিরুল ইসলাম আটক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest