yunus-hilaryড. মুহম্মদ ইউনুসের বিরুদ্ধে মামলায় হিলারি ক্লিনটন কোন হস্তক্ষেপ করেছেন কি না তা তদন্ত করতে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টকে চিঠি দিয়েছে মার্কিন সিনেট।

বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসনকে এক চিঠিতে মার্কিন সিনেট বিষয়টি জানতে চেয়েছে।

এতে বলা হয়, ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভের একজন ডোনার ও হিলারির বন্ধু ড. মুহম্মদ ইউনুসকে নিয়ে বাংলাদেশে বেশ কিছু দুর্নীতির মামলা চলছিল।  সেই মামলা পরিচালনায় মার্কিন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন হস্তক্ষেপ করেছেন- এমন অভিযোগ মার্কিন সিনেটের কাছে রয়েছে।

এই অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে স্টেট ডিপার্টমেন্টকে চিঠি দিয়েছে সিনেট।

চিঠিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পুত্র সজীব ওয়াজেদের সঙ্গে এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন হিলারির কোন কথা হয়েছে কি না সে বিষয়েও খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।

ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র মিশনের সাবেক উপ-প্রধান জন ডানিলোভিচকে জিজ্ঞাসাবাদও করতে চেয়েছে সিনেট কমিটি।

সিনেট কমিটির চেয়ারম্যান চাক গ্রাসলির এই চিঠিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির বাইরে গিয়ে শুধু ব্যক্তিগত ও ক্লিনটন ফাউন্ডেশনের সাথে আর্থিক সম্পর্কের কারণে একটি সার্বভৌম সরকারের স্বাধীন তদন্তে হস্তক্ষেপে পররাষ্ট্রমন্ত্রী (হিলারি) যদি তার ক্ষমতা ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে সেটা অগ্রহণযোগ্য।

চিঠিতে গ্রাসলি বলেন, বিল ক্লিনটন আরকানসাসের গভর্নর থাকাকালেই হিলারির সঙ্গে ইউনূসের ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারপর থেকে কয়েক দশক ধরে ক্লিনটন ফাউন্ডেশনের প্রচারক ছিলেন ইউনূস। তাকে ফাউন্ডেশনের অনেক অনুষ্ঠানে প্রচারে অংশ নিতে দেখা গেছে। বিল ক্লিনটন ব্যক্তিগতভাবে নোবেল কমিটির কাছে ইউনূসের পক্ষে লবিং করেন এবং ২০০৬ সালে ইউনূস নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।

বিভিন্ন প্রতিবেদনের উল্লেখ করে গ্রাসলি বলেন, ইউনূসের বিভিন্ন কোম্পানি ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভকে এক লাখ থেকে আড়াই লাখ ডলার পর্যন্ত অনুদান দিয়েছে। ইউনূসের কোম্পানিগুলো ক্লিনটন ফাউন্ডেশনকে ২৫ হাজার ডলার থেকে ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত অনুদান দিয়েছে।

হিলারি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিযুক্ত হওয়ার পর হিলারি ও ইউনূসের মধ্যে সম্পর্ক গভীরতর হয়। হিলারি ক্লিনটনের পররাষ্ট্র দফতর জনগণের ট্যাক্সের এক কোটি ৩০ লাখ ডলারের বেশি তহবিল ইউনূসের ব্যবসায় দিয়েছে।

গ্রাসলি তার চিঠিতে আর উল্লেখ করেন যে, কিছু আইনি লঙ্ঘণ এবং বয়সের সীমাবদ্ধতার কারণে বাংলাদেশ সরকার ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংক বোর্ড অব ডাইরেক্টরের পদ থেকে অপসারণ করে। ওই সময়ে ইউনূসের সহযোগী- ক্লিনটন ফাউন্ডেশন, হিলারি ক্লিনটন, শেরিল মিলস এবং পররাষ্ট্র দফতরের অন্য স্টাফদের মধ্যে যে ই-মেইল চালাচালি হয়েছে তাতে স্পষ্ট যে, ইউনূসের তদন্তে মধ্যস্থতা করার মিলিত চেষ্টা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চাপে রাখতে এবং ইউনূসের বিরুদ্ধে তদন্ত আটকাতে হিলারির কর্মকর্তারা সজীব ওয়াজেদ জয়কেও হুমকি দিয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। শেখ হাসিনার পুত্র ও তার তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী জয় অভিযোগ করেন, ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে সরানোর পর ওই সময় পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তারা তার বিরুদ্ধে কর ফাঁকির অভিযোগ এনে তদন্ত শুরুর হুমকি দিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলছেন, গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে ইউনূসকে সরানোর পর নিয়মিত হুমকি দিতো করত যুক্তরাষ্ট্র।

বয়সসীমা অতিক্রান্ত হওয়ার কারণ দেখিয়ে ২০১১ সালে ইউনূসকে যখন গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে সরানো হয়। সেসময় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন হিলারি ক্লিনটন। গত ১১ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিশ্চিত করেন যে, ২০১১ সালের মার্চে হিলারি ক্লিনটন তার অফিসে ফোন করে ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে পুনর্বহাল করার দাবি জানান।

বাংলাদেশি ওই তদন্তের বিষয়ে রাজস্ব বিভাগের নিরীক্ষার কথা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে পররাষ্ট্র দপ্তরের কোনো কর্মকর্তা বলেছিলেন কি না এবং বিষয়টি পররাষ্ট্র দপ্তরের মহাপরিদর্শক বা বিচার বিভাগের পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হয়েছিল কি না, তা পররাষ্ট্র দপ্তরের কাছে জানতে চেয়েছেন সিনেটর গ্রাসলি; চিঠিতে সংযুক্ত পররাষ্ট্র দপ্তরের সব ই-মেইলের অবিকৃত কপিও চেয়েছেন।

সেইসঙ্গে ইউনূসের ঘটনায় হস্তক্ষেপ করতে ব্যর্থ হলে সজীব ওয়াজেদকে নিয়ে রাজস্ব বিভাগের তদন্তের কথা বলার অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জন ডানিলোভিচকে কমিটির মুখোমুখি করার বিষয়ে পররাষ্ট্র দপ্তরকে প্রস্তুত থাকতে বলেছেন তিনি।

চিঠিতে বলা হয়েছে, জয়ের বক্তব্য অনুযায়ী ২০১০-১২ সময়ে পররাষ্ট্র দপ্তরের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার বেশ কয়েকবার কথা হয়েছিল। প্রায় প্রতিটি বৈঠকেই ইউনূস তদন্তের বিষয়টি সামনে এনে তা বন্ধ করতে তার উপর চাপ দেওয়া হত বলে তিনি বলছেন।

ওই কর্মকর্তাদের মধ্যে ঢাকায় সাবেক রাষ্ট্রদূত জেমস মরিয়ার্টি ও ড্যান মজীনা, সাবেক মিশন উপ-প্রধান জন ডানিলোভিচ ও ইউএসএআইডির প্রশাসক রাজিব শাহের নাম রয়েছে।

ডানিলোভিচের সঙ্গে দুই বারের সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেছেন জয়, যেখানে মায়ের প্রভাব খাটিয়ে ইউনূসের বিষয়ে তদন্ত বন্ধ করতে ব্যর্থ হলে জয়ের বিরুদ্ধে রাজস্ব বিভাগের নিরীক্ষা হতে পারে বলে উল্লেখ করেছিলেন ডানিলোভিচ।

জয়কে উদ্ধৃত করে চিঠিতে বলা হয়, ইউনূসের বিষয়ে বারবার উদ্বেগ জানিয়ে বার্তা পাঠানোর সময় পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তারা প্রায়েই দুঃখ প্রকাশ করতেন। তারা যে শুধু শীর্ষ পর্যায়ের কর্তাদের বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করতেন তা স্পষ্ট করতেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1496482191অবশেষে পর্দা নামছে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির। কার্ডিফে রিয়াল মাদ্রিদ ও জুভেন্টাসের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে শেষ হচ্ছে ঘটনাবহুল এবারের আসর। ওয়েলসের মিলেনিয়াম স্টেডিয়ামে শনিবার রাত পৌনে ১টায় শুরু হচ্ছে ম্যাচটি।  বার্সেলোনাকে হারিয়ে এই মৌসুমে লা লিগার শিরোপা জয় করেছে জিদানের দল। এবার চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতে ডাবল জিততে চায় লস ব্লাঙ্কোসরা। অন্যদিকে রোমাকে হারিয়ে এবারের সিরি আ জিতেছে তুরিনের ওল্ড লেডি খ্যাত জুভেন্টাস। কোপা ইতালিয়ার ফাইনালে লাজিওকে হারায় বুফনরা। এবার ট্রেবল জয়ের মিশনে নামছে দলটি।

ফাইনালের আগে পরিসংখ্যান অবশ্য রিয়ালের পক্ষেই কথা বলছে। এর আগে ১৮ বার পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ ও জুভেন্টাস। আটবারই জয়ের দেখা পেয়েছে স্পেনের দলটি। হেরেছে মাত্র দুই ম্যাচে। ড্র হয়েছে বাকি আটটি ম্যাচ। আজ মাঠে নামার আগে এই পরিসংখ্যান অনুপ্রেরণাই জোগাবে রোনালদোদের। এমনকি সর্বশেষ ম্যাচেও জয় পায় রিয়াল। ১৯৯৮ সালে শেষবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে জুভদের মুখোমুখি হয় রিয়াল। সেবার তুরিনের রানিদের ১-০-তে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল মাদ্রিদের ক্লাবটি।

আজ মাঠে নামার আগে বিরল এক রেকর্ডের মুখে দাঁড়িয়ে রোনালদোরা। এই ম্যাচ জিতলেই প্রথম কোনো দল হিসেবে টানা দুবার চ্যাম্পিয়নস ট্রফির শিরোপা জিতবে দলটি। ১৯৫৫ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত ইউরোপিয়ান কাপ নামে চালু ছিল টুর্নামেন্টটি। শুরুর পর টানা পাঁচবার এই খেতাব নিজেদের করে নেয় মাদ্রিদ। ১৯৯০ সালে নতুন নামে টুর্নামেন্টটি শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত কোনো দল টানা দুবার এই শিরোপা জিততে পারেনি। এবার সেই রেকর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে আছে রিয়াল মাদ্রিদ। এবার জিতলে ১২তম বারের মতো ইউরোপ সেরার খেতাব জিতবে দলটি।

অপরদিকে এর আগে মাত্র দুবার ইউরোপ সেরা হয়েছে জুভেন্টাস। ১৯৮৬ সালে লিভারপুলকে হারিয়ে প্রথম শিরোপা জেতে জুভরা। আর ১৯৯৬ সালে অ্যাজাক্সকে হারিয়ে শেষবারের মতো ইউরোপ সেরার ট্রফি ঘরে তোলে দলটি। এরপর ২০০৩ ও ২০১৫ সালে ফাইনালে ওঠে ইতালির ক্লাবটি। প্রথমবার এসি মিলান ও পরেরবার বার্সেলোনার কাছে হেরে বসেন বুফনরা।

শেষ পর্যন্ত শিরোপা উঁচিয়ে শেষ হাসি কে হাসবে সেটা জানতে হলে চোখ রাখতে হবে কার্ডিফে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Road_Accident_symbol_jpgবড়দল (আশাশুনি) প্রতিনিধি : আশাশুনির বড়দলে মটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মা ও ছেলে মারাত্মক আহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় দিকে গোয়ালপাঙ্গা টু বড়দল সড়কের ফকরাবাদ গালস স্কুলের সামনে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, তোয়াড় ডাঙ্গা গ্রামের এনায়েত মোল্লার ছেলে মেহেদী হাসান দ্রুত গতিতে মটরসাইকেল চালিয়ে বড়দর থেকে গোয়ালপাঙ্গার দিকে আসছিলেন। ঘটনাস্থলে পৌছালে রাস্তার মধ্যে ছাগলের সাথে মটরসাইকেটি ধাক্কা খেয়ে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে রাস্তার পাশ্বে বসে থাকা ফকরাবাদ গ্রামের নিকন্দ মন্ডলে স্ত্রী আলো রানী(২৮) ও সন্তান সৌরভ মন্ডল(৮) এর উপর উঠে গেলে মা ও ছেলে মারাত্মক আহত হয়। আশাশুনি হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার জি এম ছাইফুল্লাহ আহতদেরকে প্রাথমিক পর্যায়ে গোয়লডাঙ্গা বাজারে চিকিৎসা দেন। তাদের আঘাত গুরুতর হওয়ায় এবং শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরবর্তীতে আহতদেরকে সাতক্ষীরা সদরে পাঠানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

a1a92aa5b25a6448ac21e8354c66e276-5932c62d32ac9যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, এতিম শিশু, শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশু ও আলেম-ওলামাদের সম্মানে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনের ব্যাংকুয়েট হলে এ ইফতারির আয়োজন করা হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী অতিথিদের বিভিন্ন টেবিল ঘুরে তাঁদের সঙ্গে কুশলবিনিময় করেন এবং তাঁদের খোঁজখবর নেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী একটি এতিম শিশুকে নিজ হাতে ইফতার খাইয়ে দেন। অন্য এক শিশুকে আদর করে বুকে জড়িয়ে ধরেন।

ইফতার অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ, মাওলানা ফরিদউদ্দিন মাসুদসহ দেশের বিভিন্ন মসজিদ ও মাদ্রাসার বিশিষ্ট আলেম-ওলামারা।

ইফতারের আগে দেশ ও জাতির শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের জ্যেষ্ঠ পেশ ইমাম মাওলানা মিজানুর রহমান মোনাজাত পরিচালনা করেন।

অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিব ও ১৫ আগস্টে অন্য শহীদ ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা কামনা করা হয়। সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

000নিজস্ব প্রতিবেদক : ভোমরা কাস্টমস্ ক্লিয়ারিং এন্ড এজেন্ট এসোসিয়েশনের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় ভোমরা সিএন্ডএফের সভাপতি আলহাজ্ব কাজী নওশাদ দিলওয়ার রাজুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিন, ৩৮ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আরমান হোসেন, পৌর মেয়র আলহাজ্ব তাজকিন আহমেদ চিশতি, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু, ভোমরাস্থল বন্দরের কমিশনার মির্জা শহীদুল্লা, সহকারী কমিশনার আব্দুল কাইয়ুম, বেনাপোল সিএন্ডএফ এসোসিয়েশনের সভাপতি সজন, ঘোজাডাঙ্গা শুল্কস্টেশনের সহকারী কমিশনার বিকে মন্ডল, ঘোজাডাঙ্গা সিএন্ডএফ এসোসিয়েশনের সভাপতি কান্তি দত্ত, সাধারণ সম্পাদক পরিমল, ভোমরা সিএন্ডএফের সাবেক সভাপতি আশরাফুজ্জামান আশু, মোঃ হাবিুবর রহমান হবি।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দৃষ্টিপাতের সম্পাদক জি এম নুর ইসলাম, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জী, সাতক্ষীরা রিপোর্টার্স ইউনিটির আহবায়ক রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী, সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান মাসুম, সাংবাদি সেলিম রেজা মুকুল, কামরুল হাসান, আসাদুজ্জামান, এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি এইচ এম আরাফাত, সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ অহিদুল ইসলাম, মোঃ আবু মুছা, আলহাজ্ব মোঃ আমজাদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ শাহানুর শাহীন, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম মারুফ তানভীর হুসাইন, অফিস সুপার মেহেদী হাসান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

2017-06-02 23.31.58নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় স্ত্রীকে হত্যার করে সেই শোকে নিজেও বিষপান করে আআত্মহত্যা করেছে ঘাতক স্বামী মনিরুল ইসলাম। ঘটনাটি শুক্রবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার দেয়াড়া সানাপাড়া গ্রামে স্ত্রীর তহমিনার কবরস্থানে ঘটে। থানা সুত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে কোন এক সময় স্ত্রী তহমিনাকে গলাই ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যান ঘাতক ম্বামী। সেই স্ত্রীর হত্যার শোক সহতে না পেরে দুঃখে শুক্রবার রাত ৮টার দিকে সবার অজান্তে স্ত্রীর কবরস্থানে পাশে বিষপান করে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকেন স¦ামী মনিরুল। স্থানীয়দের খবরের মাধ্যমে পুলিশ জানতে পেয়ে ঘটনাস্থানে গিয়ে দেখেন অচেতন অবস্থায় স্ত্রী তহমিনার কবরের মাটিতে পড়ে আছেন স্বামী মনিরুল। ওই সময় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে কলারোয়া সরকারি হাসপাতালে নিয়ে এসে চিকিৎসা করান। স্ত্রী হত্যা মামলার আসামী ঘাতক মনিরুলের সন্ধান পেয়ে হাসপাতাল ছুটে যান থানার অফিসার ইনচার্র্জ (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথসহ পুলিশের অন্য সদস্যরা।
তাৎক্ষণিত চিকিৎসা দিয়ে ঘাতক মনিরুলকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন হাসপাতালের ডাক্তরা। অনেকটা সফল হলেও ডাক্তারদের সব চেষ্ঠা ব্যার্থ করে ৩নং কেবিনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে মৃতে্যুর কোলে ঢুলে পড়েন স্ত্রী তহমিনার হত্যাকারী ঘাতক স্বামী মনিরুল। এবং অবশেষে মৃত্যু বলে কর্মরত ডাক্তার শফিকুল ইসলাম জানান। এদিকে বিষপানে আতœহত্যাকারী মনিরুলের লাশ পুলিশ হাসপাতাল থেকে নিয়ে সকালে সাতক্ষীরা মর্গে প্রেরণ করেন বলে জানা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

pic-15_137497ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এডিপি’র প্রায় এক কোটি টাকার টেন্ডার ভাগ-বাটোয়ারার পায়তারা চালাচ্ছে একটি মহল। আর এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তালিকাভূক্ত ঠিকাদারদের দরপত্র দেওয়া হচ্ছে না। দরপত্র পেয়েছেন তালা উপজেলার গুটি কয়েক ঠিকাদার এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের এক শীর্ষ নেতা।
ঠিকাদারদের দাবি, তারা জেলা প্রশাসক, এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী, উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে মৌখিক অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছেন না।
ঠিকাদারদের অভিযোগ, তালা উপজেলায় ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে এডিপি’র বরাদ্দকৃত অর্থের আওতায় দরপত্র বিজ্ঞপ্তি নং-০৫/২০১৬-১৭ এর মাধ্যমে ৩৩ (তেত্রিশ) টি এবং দরপত্র বিজ্ঞপ্তি নং-০৬/২০১৬-১৭ এর মাধ্যমে ১ (এক) টিসহ মোট ৩৪ (চৌত্রিশ) টি প্রকল্প গ্রহণ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তি মোতাবেক আগামীকাল ৪ জুন রোববার দরপত্র বিক্রয়ের শেষ দিন। কিন্তু ১ জুন বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ঠিকাদাররা দরপত্র ক্রয়ের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে। শেষ দিনেও ঠিকাদাররা দরপত্র ক্রয়ে সমর্থ হবেন কি না তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ৫ জুন দরপত্র দাখিলের দিন।
ঠিকাদারদের অভিযোগ, এলজিইডি’র তালিকাভূক্ত অধিকাংশ ঠিকাদারকে দরপত্র না দিয়ে তালা উপজেলার গুটি কয়েক ঠিকাদার এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের এক নেতা উক্ত কোটি টাকার কাজ ভাগ করে নেয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন।
ঠিকাদারদের দাবি, আগামীকাল ৪ জুন রবিবার শেষ দিনে সময় মত সকল ঠিকাদারদের মধ্যে দরপত্র বিক্রয় করা এবং সাতক্ষীরা এলজিইডি অফিসে দরপত্র দাখিলের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান।
এদিকে, উপজেলা পরিষদে সময় মতো প্রকল্প অনুমোদন না হওয়ায় তালা উপজেলায় এডিপি (বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি) প্রকল্প বাস্তবায়ন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। প্রকল্প গ্রহণের সময় একাধিকবার পরিবর্তন করা হয়েছে তালিকা। তড়িঘড়ি করে নামমাত্র প্রকল্পের নাম দিয়ে দরপত্র আহবান করা হয়েছে। অথচ ৩০ জুনের মধ্যে এ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
এনিয়ে গত ২৫ মে বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদের হলরুমে অনুষ্ঠিত মাসিক সভায় স্থানীয় সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এর উপস্থিতিতে বিষয়টি উত্থাপন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। এসময় তিনি উল্লেখ করেন, কারও সাথে সমন্বয় না করে উপজেলা চেয়ারম্যান এককভাবে তড়িঘড়ি করে প্রকল্প তৈরি করেছেন। এক পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উপর ক্ষিপ্ত হন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার।
অথচ নিয়ম আছে, এডিপি প্রকল্প গ্রহণ করতে হলে ইউনিয়ন পরিষদের সকল চেয়ারম্যান-সদস্য, সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে ও স্থায়ী কমিটির সুপারিশমতে প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ও অর্থবছর শুরুর আগেই অনুমোদিত বাজেট হতে প্রকল্প গ্রহণ করার বিধান রয়েছে। অথচ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নিয়ম না মেনে এককভাবে প্রকল্প তৈরি করেছেন বলে জানা গেছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে যাচাই-বাছাই কমিটির কোন সভাও আহবান করা হয়নি।
তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ফরিদ হোসেন জানান, উপজেলা চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত এডিপি প্রকল্পের একটি তালিকা পাওয়া গেছে। সেই অনুসারে রেজুলেশনভুক্ত করা হয়েছে। সময় স্বল্পতার কারণে যাচাই বাছাই করা সম্ভব হয়নি। যতটুকু দেখেছি উপজেলা পরিষদের আইন বিধি ও পরিপত্র অনুসারে বিভাজন করা হয়নি। এছাড়া পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ও ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে বাজেট অনুসরণ করা হয়নি। তবুও জনস্বার্থে এডিপি প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলমান আছে।
তিনি আরও জানান, দরপত্র বিক্রয় না করা সম্পূর্ণ অনিয়ম ও দুর্নীতির সামিল। এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালা উপজেলা প্রকৌশলী দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবছর জুন মাসের মধ্যে এডিপি (বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি) প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করতে হয়। চলতি বছর তালা উপজেলায় এডিপি প্রকল্পে ৬৭ লক্ষ ৮৮ হাজার ও বিশেষ বরাদ্দে ৩৫ লক্ষ ৪৪ হাজার টাকা বরাদ্দ হয়। যার প্রেক্ষিতে ৯০টি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। আর ৩৩ প্যাকেজ ইতিমধ্যে দরপত্রও আহবান করা হয়েছে। দরপত্র অনুযায়ী ৪ জুন সিডিউল ক্রয়ের শেষ দিন এবং ৫ জুন দরপত্র দাখিলের দিন। ৬ জুন দরপত্র খোলার দিন রয়েছে।
তালার ঠিকাদার কাজী আরিফুল হক জানান, জেলার সব উপজেলায় টেন্ডার হয়ে সব কাজ শেষের পথে। কিন্তু তালা উপজেলায় এখনও টেন্ডার দাখিল হয়নি। তাহলে কিভাবে কাজ বাস্তবায়ন হবে। যেহেতু ৩০ জুনের মধ্যে কাজ শেষ করে বিল উত্তোলন করতে হবে। বাস্তবতায় গতবছরের ন্যায় এ বছরও ঠিকাদারদের বিডি দিয়ে বিল করতে হবে। এমন বক্তব্য আরো অনেক ঠিকাদারের।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করা শর্তে একজন ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, এডিপি’র যে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে তা কোন প্রকার নিয়ম মেনে করা হয় নি। এতে কোন কোন ইউনিয়নে বেশ কয়েকটি প্রকল্প দেওয়া হয়েছে। কোন কোন ইউনিয়নে নাম মাত্র কাজ দেওয়া হয়েছে। বৈষম্য মূলক ভাবে এ বছর এডিপির বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। যা গ্রহণ যোগ্য নয়।
তালা উপজেলা প্রকৌশলী কাজী আবু সাইদ মো. জসিম জানান, সংশ্লিষ্টরা প্রকল্প দিতে বিলম্ব করায় দরপত্র আহবান করতে পারেনি। তবে আমাদের অফিস থেকে দরপত্র দেওয়া হচ্ছে। বাহিরে থেকে যদি কেউ সে দরপত্র নিয়ে কোন অনিয়ম করে থাকে সে দায় আমাদের নয়।
তালা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার জানান, প্রকল্প নিতে বিলম্ব হওয়ায় দরপত্র আহবান করতে দেরি হয়েছে। তবে সবাইকে নিয়ে প্রকল্প তৈরি করা হয়েছে। এককভাবে কোন প্রকল্প তৈরি করা হয়নি।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন বলেন, যাতে সকল ঠিকাদার দরপত্র পায় এবং নিরাপত্তার সাথে সে দরপত্র ফেলতে পারে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে নির্দেশ দেওয়াসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জয়া-আহসানজয়া আহসান। বাংলাদেশ ও ভারতের বাংলা ছবির জনপ্রিয় চিত্র নায়িকা। পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কার। রাঙামাটিতে আদিবাসীদের ওপর হামলার পর গতকাল শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে তিনি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন—

‘ক্রিকেট খেলায় জেতার সাথে সাথে আমরা বিজয় মিছিল বের করতে পারি, কিন্তু যখন প্রতিবাদ প্রদর্শন জরুরি হয়ে পড়ে, তখন তাৎক্ষণিক সম্মিলিত হয়ে রাস্তায় নামতে পারি না। এক স্থূল অগভীর জাতীয়তাবাদের আফিম আমাদের মোহগ্রস্ত করে রেখেছে। শোষণের সত্যিকারের চিত্র আমাদের চোখে পড়ছে না। পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে অতিসত্বর দেশবাসী রাস্তায় নামুন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest