সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

xfull_1560812548_1495275772.jpg.pagespeed.ic.P4pVPm4IpAমৌমাছির হুলে যে বিষ থাকে এইটা সবার জানা। এর হুলে বিদ্ধ হলে যে কি যন্ত্রণা হয় তা একমাত্র ভুক্তভোগীই জানে। কিন্তু হাজার-হাজার মৌমাছি যখন আপনার দিকে তেড়ে আসবে তখন আপনার অবস্থা কী হবে? দু-তিনটে মৌমাছি উড়ে আসতে দেখলেই ভয়ে জড়ো সরো হয় আমরা। কিন্তু এমন মানুষও আছে যার কাছে এসব নিত্য দিনের ব্যাপার।

এই ভূ-ভারতেই এমন একজন আছেন যে হাজার-হাজার মৌমাছিতেও একটু মাত্র শব্দ করেন না। কেরলের ত্রিচূরের বাসিন্দা ২১ বছরের নেচার এম এস। বিখ্যাত পুরস্কারপ্রাপ্ত মৌমাছি পালক সজয়াকুমারের ছেলে নেচার ইতিমধ্যে খবরের শিরোনামে এক অসাধ্য সাধনের জন্য। শিড়দাঁড়া দিয়ে হিমেল স্রোত বইয়ে দিতে বাধ্য নেচারের এই কাণ্ড।

জানেন কী সেই কাণ্ড? নিজের মুখ প্রায় ৬০,০০০ মৌমাছি দিয়ে ঢেকে ফেলে চক্ষু চড়কগাছ করে দিয়েছেন নেচার। কিন্তু এ জিনিস নতুন কিছু নয় তার কাছে। বাবার সৌজন্যে মৌমাছিদের সঙ্গেই বেড়ে ওঠা নেচারের। শুধু মুখ ঢাকাই নয়, এই অবস্থায় খাওয়া-দাওয়া, অন্য কাজকর্ম এমনকি নাচা-গানাও করতে পারেন নেচার। মাত্র পাঁচ বছর বয়সে এই দুঃসাহসিক কাজ করে দেখান নেচার।

মৌমাছির হুল এখন তার কাছে শুধুই আদরের মতো। ছোটবেলা থেকে মৌমাছিদের সঙ্গে বেড়ে ওঠা নেচারের কাছে হুলের যন্ত্রণা কোনো নয়। এতদিন মৌমাছিদের দেখে এবং থাকতে থাকতে একাত্মবোধ তৈরি হয়ে গেছে তার।

তাই আর মৌমাছিদের ছাড়া দিন কাটে না নেচারের। কৃষি বিজ্ঞানের ছাত্র নেচারের তাই ইচ্ছা ভবিষ্যতে মৌমাছি পালনের উপর গবেষণা করা।

https://www.youtube.com/watch?v=QZbLuHNJmpc

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

heatপ্রচণ্ড রোদে বের হয়েছেন অফিসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে। একটুর জন্য বাস মিস, তাই হেঁটেই রওনা দিয়েছেন। কিছুক্ষণ হাঁটার পরেই অনুভব করলেন মাথা ঝিম ঝিম করছে এবং শরীর খুব দুর্বল লাগছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই চোখে ঝাপসা দেখা শুরু হলো। এরপর… আর কিছু মনে নেই। ঘটনাটি হিট স্ট্রোকের। আপনার কিংবা পরিবারের কেউ হয়তো এখনো আক্রান্ত হননি, তবে যে কোনো সময় আক্রান্ত হতে পারেন। তাই প্রয়োজন সাবধানতার।

দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮ ফারেনহাইট। যদি দেহের তাপমাত্রা ১০৪ ফারেনহাইট ছাড়িয়ে যায় তখনই হিট স্ট্রোক হতে পারে। রোগীকে সাথে সাথে চিকিৎসা না দিলে মৃত্যুও হতে পারে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের দেহের তাপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা কম থাকায় হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি থাকে।

হিট স্ট্রোকের লক্ষণ
হিট স্ট্রোকের প্রাথমিক লক্ষণগুলো হলো চোখে ঝাপসা দেখা, মাথা ঝিম ঝিম করা, বমি করা, অবসাদ, দুর্বলতা, মাথাব্যথা, ত্বক লাল হয়ে যাওয়া, মাংসপেশির খিঁচুনি, পালস বেড়ে যাওয়া, শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া ইত্যাদি। তাৎক্ষণিক চিকিৎসা না নিলে রোগী অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে।

কী করবেন হিট স্ট্রোক হলে?

  • রোগীকে ছায়ায় নিয়ে যেতে হবে। যদি সম্ভব হয়, ফ্যান বা এসি ছেড়ে দিন, নয়তো বাতাস করতে হবে।
  • সমতল স্থানে শুইয়ে দিতে হবে।
  • পা উপরে তুলে দিতে হবে।
  • ঠাণ্ডা পানি দিয়ে শরীর মুছে দিতে হবে। সম্ভব হলে কাঁধে, বগলে ও কুচকিতে বরফ দিতে হবে।
  • প্রচুর পানি, পানীয় ও খাবার স্যালাইন পান করাতে হবে।
  • রোগীকে অবশ্যই দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।
  • খেয়াল করতে হবে হিট স্ট্রোকে অজ্ঞান রোগীর শ্বাসপ্রশ্বাস এবং নাড়ি চলছে কিনা। না হলে, কৃত্রিমভাবে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যবস্থা করতে হবে।

হিট স্ট্রোক এড়াতে করণীয়

  • প্রয়োজন ছাড়া রোদে বের হওয়া উচিত নয়।
  • হাঁটার সময় ছায়ার পথে হাঁটুন অবশ্যই ছাতা ব্যবহার করবেন।
  • ঢিলেঢালা হালকা রঙের সুতি পোশাক পরুন।
  • প্রস্রাবের রং খেয়াল করুন। প্রস্রাব গাড় রঙের হলে পানি পানের পরিমাণ বাড়িয়ে দিন।
  • প্রচুর পানি, ডাবের পানি ও ফলের রস পান করুন। ঘামের সাথে দেহের লবণ বেড়িয়ে যায়। লবণের মাত্রা ঠিক রাখতে সামান্য লবণ মিশিয়ে খেতে পারেন। চা ও কফি এড়িয়ে চলুন।
    তথ্যসূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

cj-sk-sinhaইংল্যান্ডকে পৃথিবীর একমাত্র সভ্য দেশ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। তবে এই মন্তব্যের বিরোধিতা করে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, ইংল্যান্ড সভ্য দেশ নয়, বরং তারা লুণ্ঠনকারী।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে ন্যস্ত করে আনা সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিলের ষষ্ঠ দিনের শুনানিতে বিষয়টি প্রধান বিচারপতি ও অ্যাটর্নি জেনারেল এসব কথা বলেন।

এই মামলার শুনানিতে ইংল্যান্ডের বিচার বিভাগ ও রুল অফ ল’ নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে বুধবার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বলেন, আমার মতে ইংল্যান্ড পৃথিবীর একমাত্র সভ্য দেশ। এসময় অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ইংল্যান্ডকে আপনি সভ্য দেশ বলতে পারেন না। ইংল্যান্ড তো লুণ্ঠনকারী দেশ।

এসময় প্রধান বিচারপতি বলেন, সে যাই হোক রুল অফ ল’ এর বাস্তবায়নের দিক থেকে ইংল্যান্ড সভ্য দেশ।

২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বিচারপতি অপসারণের ক্ষমতা সংসদের কাছে ফিরিয়ে নিতে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী পাস হয়। ওই বছরের ২২ সেপ্টেম্বর তা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।

পরে সংবিধানের এই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একই বছরের ৫ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের নয়জন আইনজীবী হাইকোর্টে একটি রিট করেন।

ওই রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ৫ মে হাইকোর্টের তিন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন।

হাইকোর্টের দেয়া ওই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ২৮ নভেম্বর আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

95a1d2b04258cf16be05f44b11b81170-5924f1d8b7bb1চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরের বালুগ্রাম শিমুলতলার জঙ্গি আস্তানায় র‌্যাবের অভিযান শেষ হয়েছে।  প্রায় সাত ঘণ্টার অভিযানে তিন জঙ্গিকে আটক করে র‌্যাব-৫। এছাড়া ৩ কেজি গান পাউডার, ৪টি পিস্তল, ৩টি ম্যাগাজিন, ১৩ রাউন্ডগুলি, বোমা তৈরীর সরঞ্জাম জব্দ করে।

বুধবার ভোরে আটককৃতদের তথ্য অনুযায়ী র‌্যাব সদস্যরা গোমস্তাপুরের চানপুর, শিমুলতলা ও বালুগ্রাম এলাকায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ৩টি বাড়ি ঘিরে ফেলে। অভিযানে সংশ্লিষ্ট ওই বাড়িগুলিতে ব্যাপক তল্লাশি চালায়।

অভিযান শেষে র‌্যাব-৫ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহবুব জানান, রাতে আটককৃতরা সবাই নব্য জেএমবির সদস্য। এছাড়া বুধবার জঙ্গি সন্দেহে আবদুল মসজিদ তানু নামে যে ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। জঙ্গিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি বলেন, আটক নব্য জেএমবি সদস্যরা হলো- চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বালুগ্রাম শিমুলতলার মফিজ উদ্দিনের ছেলে আব্দুর সাকুর ওরফে সুকুদ্দি (৩৩), চক পোস্তুম এলাকার তুনু মোড়লের ছেলের সাইফুল আলম (৪৩) এবং বালুগ্রামের মৃত আব্দুল কুদ্দুস জাহাঙ্গীর আলম (৪৩)।

তবে চারটি বাড়িতে তল্লাশি শেষ হলেও জঙ্গি বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান লে. কর্নেল মাহবুব।

এর আগে গত ২৭ মে  চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের জঙ্গি আস্তানায় ‘অপারেশন ঈগল হান্ট’ অভিযানে ৩ জন নিহত হয়। ওই আস্তানা থেকে থেকে এক নারী ও এক শিশুকে বের উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Canada-court_BNP-1কানাডার ফেডারেল কোর্ট আবারো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে অভিহিত করেছে। ফেডারেল কোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ চেয়ে করা আবেদনও নাকচ করে দিয়েছেন বিচারক।

এর ফলে বিএনপির ব্যাপারে কানাডার ফেডারেল কোর্টের দু’জন বিচারকের মন্তব্যের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে প্রতিকার চাওয়ার সুযোগও বন্ধ হয়ে গেছে।

গত ১২ মে ফেডারেল কোর্টের বিচারকের দেয়া এই রায় মঙ্গলবার লিখিতভাবে প্রকাশ হয়েছে বলে কানাডাভিত্তিক অনলাইন পোর্টাল নতুনদেশ ডটকম এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

আদালতের নথি থেকে জানা যায়, জাতীয়তাবাদী যুবদল থেকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির জয়েন্ট সেক্রেটারির দায়িত্ব পাওয়া একজন নেতার রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন সংক্রান্ত জুডিশিয়াল রিভিউর আবেদন নিষ্পত্তি করতে গিয়ে বিচারক জে ফদারগিল এই  মন্তব্য করেন।

এর আগে বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবি দলের একজন কর্মীর রাজনৈতিক আশ্রয় সংক্রান্ত  জুডিশিয়াল রিভিউর আবেদনে ফেডারেল কোর্টের বিচারক জাস্টিস ব্রাউন বিএনপিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। এবার একই কোর্টের আরেক বিচারক একই ধরনের মন্তব্য করলেন।

বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতার আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত লিখিত রায়ে তার নাম প্রকাশ না করে ‘এস এ’ আদ্যক্ষরে বর্ণনা করতে নির্দেশ দেন।

‘কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন’- এই তথ্য প্রকাশ পেলে বাংলাদেশে তার জীবন নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়বে বলে উল্লেখ করে তিনি আদালতের কাছে তার নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানালে আদালত তা গ্রহণ করেন।

আদালতের নথি থেকে জানা যায়, ‘এস এ’ আদ্যক্ষরের ব্যক্তি ২০০৪ সালে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র  যুব শাখা জাতীয়তাবাদী যুবদলে যোগ দেয়। ২০১২ সালে তিনি বিএনপির নির্বাহী কমিটির জয়েন্ট সেক্রেটারির দায়িত্ব পান। ২০১৪ সালে তিনি কানাডায় এসে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেন।

২০১৬ সালের আগষ্ট মাসে ইমিগ্রেশন ডিভিশন তার আবেদনের শুনানী করে ওই দিনই সিদ্ধান্ত জানায়। ‘এস এ’ নিজেকে বিএনপি নেতা হিসেবে দাবি করেছেন উল্লেখ করে ইমিগ্রেশন ডিভিশন তাকে কানাডায় প্রবেশের অযোগ্য হিসেবে ঘোষণা করে। ইমিগ্রেশন  ডিভিশনের সিদ্ধান্তে বলা হয়, বিএনপি সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত আছে, সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত ছিলো, সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত হতে পারে- এটা বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে। কাজেই বিএনপির সদস্য হিসেবে  ‘এস এ’ ইমিগ্রেশন ও রিফিউজি প্রোটেকশন অ্যাক্ট এর ৩৪ (১) (এফ) ধারা মোতাবেক কানাডায় প্রবেশের অযোগ্য।

ইমিগ্রেশন ডিভিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ফেডারেল কোর্টে জুডিশিয়াল রিভিউর আবেদন করেন ‘এস এ’। ফেডারেল কোর্টের বিচারক জে, ফদারগিল  আবেদনটি খারিজ করে দিয়ে রিভিউ আবেদনের নিষ্পত্তি করেন। একই সঙ্গে ফেডারেল কোর্টের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগের আবেদনটিও তিনি নাকচ করে দেন।

রিভিউ আবেদন নিষ্পত্তি করতে গিয়ে বিচারক বলেন, ইমিগ্রেশন ডিভিশনের পর্যালোচনায় আমি কোনো ভুল খুঁজে পাইনি। কানাডার আইনে সন্ত্রাসের বিস্তৃত যে সংজ্ঞা দেয়া আছে তার বিবেচনায়, বিএনপির হরতাল ডাকার উদ্দেশ্য এবং ইচ্ছা, হরতালে যে সন্ত্রাস এবং স্বাভাবিক জীবনের বিঘ্ন ঘটেছে এবং এই কাজের (হরতালের) ফলে সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে বিএনপির সচেতনতা বিবেচনায় নিয়ে ইমিগ্রেশন ডিভিশন যুক্তিসঙ্গতভাবেই উপসংহারে পৌঁছেছেন যে বিএনপি হচ্ছে একটি সংগঠন, যেটি সন্ত্রাসে লিপ্ত ছিলো, আছে বা সন্ত্রাসে লিপ্ত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_2118383226_1495599037.jpg.pagespeed.ic.5khS25AJCRআজ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শেষ হচ্ছে বাংলাদেশের আয়ারল্যান্ড অভিযান। আগেই ব্ল্যাকক্যাপদের চ্যাম্পিয়নশিপ নিশ্চিত হওয়ায় এটি দুদলের জন্যই নিয়ম রক্ষার ম্যাচ। ডাবলিনের ক্লনটার্ফ ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বাংলাদেশ সময় বিকেল পৌনে ৪টায় শুরু হবে ম্যাচটি।

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ড তাদের শেষ ম্যাচটি জিতে ইতিমধ্যে সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে। বৃষ্টির কারণে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচটি ভেস্তে যায়। দ্বিতীয় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে যায় টাইগাররা। তৃতীয় ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে জয় তুলে নেয়। আজ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয় পেলেও সিরিজ জিততে পারবে না বাংলাদেশ।

তারপরও এই ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই ম্যাচে জয় পেলে বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট বাড়বে। বাংলাদেশ রেটিং পয়েন্টের দিক দিয়ে ছুঁয়ে ফেলতে পারবে শ্রীলঙ্কাকে।

শেষ ম্যাচে এক মোসাদ্দেক ছাড়া জ্বলে উঠতে পারেননি কোন ব্যাটসম্যান। তবে কিউইদের বিপক্ষে ওই হার ছাড়া ইউরোপ সফরটা এখন পর্যন্ত বেশ ভালোই কেটেছে মাশরাফির দলের।

টুর্নামেন্টে ঘুরে দাঁড়ানোর রসদটাও পেয়েছে ঠিক আগের ম্যাচ থেকে। আয়ারল্যান্ডকে আট উইকেটের বড় ব্যবধানে হারায় বাংলাদেশ।

ওয়ানডে ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত আটটি জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এই আটটি জয়ই এসেছে বাংলাদেশের মাটিতে। বিদেশের মাটিতে নিউজিল্যান্ডকে এখনও হারাতে পারেনি টাইগাররা। তাই এই সিরিজে কিউইদের হারাতে পারলে সেটি বাংলাদেশের জন্য ভালো একটি অর্জন হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1470464455নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১১ জন, কলারোয়া থানা ০৫ জন,তালা থানা ০৪ জন, কালিগঞ্জ থানা ০৪ জন, শ্যামনগর থানা ০৪ জন, আশাশুনি থানা ০২ জন, দেবহাটা থানা ০২ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০৩ জনকে গ্রেফতার করা হয় ।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশর বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ed7a0a3642b904e8cb79b966941723e3-592478b68348aজৈষ্ঠ্যের তীব্র তাপদাহে ওষ্ঠাগত নাগরিক জীবন। অতিষ্ঠ সারাদেশের মানুষ। সবার মনে প্রশ্ন কেন বৃষ্টি নামে না? কবে নামবে বৃষ্টি? তবে প্রত্যাশা যতই থাকুক জনমনে, সবাইকে হতাশ করে আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, এ সপ্তাহে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনাই নেই। ব্যতিক্রম হতে পারে কেবল চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মেহেরপুর, নওগাঁ ও এর আশেপাশের এলাকাগুলো। এসব অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে দমকা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি।
আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য মতে, আজ মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল যশোরে ৩৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ঢাকার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নিলফামারীর ডিমলায় হলেও ব্যবধান খুব বেশি নয়, সেখানেও ছিল আজ ৩১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের রোদ পোড়া গরম।

কেন এসময় বৃষ্টি নেই এই প্রশ্নটি করা হয় আবহাওয়াবিদ  আফতাব উদ্দিনের কাছে। তিনি বলেন, সাধারণত বৃষ্টি হয় তখনই, যখন বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয়ে মেঘ সৃষ্টি করে। সেই মেঘ ভারি হয়ে আকাশ ঝেঁপে বৃষ্টি নামায়। বাংলাদেশের বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হতে হলে পশ্চিম দিক থেকে আসা লঘুচাপটির বাইরের অংশকে (পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ) অনেক বেশি সক্রিয় থাকতে হয়। কিন্তু, বর্তমানে সে রকম পরিস্থিতি নেই। তাই আমাদের অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই।

আফতাব উদ্দিন বলেন, আগামী তিন চার দিনের মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট অঞ্চল ছাড়া অন্য কোথাও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তিন চার দিন পর হালকা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে, তখন তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসবে। আগামী মাসের শুরুতে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, তখন তাপমাত্রা কমে আসবে।

এদিকে প্রচণ্ড গরমে নাভিশ্বাস উঠে গেছে নাগরিক জীবনে। যদিও আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য মতে, সারাদেশে বইছে মৃদু তাপদাহ—যা কিনা বিগত দু’বছরের তুলনায় কম। এ প্রসঙ্গে আবহাওয়াবিদ আফতাব উদ্দিন বলেন,  এপ্রিল-মে মাসে স্বাভাবিক নিয়মেই তাপমাত্রা বেশি থাকে।

তাপদাহের মাত্রা নির্ধারণের পদ্ধতিও বাতলে দেন তিনি। তাপমাত্রা যদি ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকে তাকে বলে মৃদু তাপদাহ, আর ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে সেটি মাঝারি তাপদাহ। এর ওপরে অর্থাৎ ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে তাপমাত্রা উঠলে সেটিকে বলে তীব্র তাপদাহ।

আফতাব উদ্দিন জানান, বর্তমানে বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি, তাই অস্বস্তিবোধ বেশি হচ্ছে। গত দুই বছরের এই সময়ের তাপমাত্রা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ২০১৫ ও ২০১৬ সালেও তাপমাত্রা গড়ে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠেছিল। এবছরের তাপমাত্রা এখনও ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest