সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

photo-1495618585কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ১০ নং হবিরবাড়ি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আলমগীর কবিরকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। ধর্ষণের মামলা হওয়ার পর ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ প্রথমে ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্তি করে পরে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করে।

গতকাল মঙ্গলবার রাতে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. রকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক সরকার মো. সব্যসাচী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ময়মনসিংহ জেলা শাখার এক জরুরি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভালুকা উপজেলার ১০ নং হবিরবাড়ী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে এবং সভাপতি আলমগীর কবিরকে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১১ জানুয়ারি ময়মনসিংহের মুসলিম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষার্থীকে জোর করে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে আলমগীর আর তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তরা ওই শিক্ষার্থীকে মাইক্রোবাসে করে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে রেখে যায়। পরে ওই কলেজছাত্রীর এক বান্ধবী তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

ঘটনার প্রায় চার মাস পর ধর্ষিতার পিতা বাদী হয়ে ১৫ মে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Jubokমোস্তফা কামাল : সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নে গাবুরা নিজামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ছাত্রীদের অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা চলাকালিন সময় হঠাৎ বিষ ক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ২০ ছাত্রী গুরুতর অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। এ সময় ছাত্রীদের সমস্ত শরীর ফুলে ওঠে এবং প্রচন্ড চুলকানী শুরু হয়। দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। গতকাল বুধবার সকাল ১০টার দিকে পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগ মুহুর্ত্বে এ ঘটনা ঘটে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাওলানা সিহাব উদ্দীন সহ স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আলী আযম টিটু বলেন, স্থানীয় বখাটেরা এ কান্ড ঘটিয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় সবুজ ও মফিজুল নামে দুই বখাটে কে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। শ্যামনগর থানার ওসি সৈয়দ মান্নান আলী সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, জড়িতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দোষ স্বীকার করেছেন। এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1495614383দেশের যেকোনো প্রতিষ্ঠানের চেয়ে বিচারবিভাগ ১০০ ভাগ ভালো এবং বিচারবিভাগের প্রতি দেশের ৯০ ভাগের বেশি মানুষের আস্থা আছে বলে মন্তব্য করেছেন আপিল বিভাগ। তবে এ নিয়ে নিজের অসন্তোষ্টির কথা জানিয়েছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল।

আজ বুধবার ষোড়শ সংবিধান অবৈধ করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল শুনানিতে এ যুক্তিতর্কের অবতারণা হয়।

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে সাত বিচারপতির বেঞ্চে এ শুনানি চলছে। আজ সকাল ৯ টা ৯ মিনিটের দিকে শুনানি শুরু হয়।

অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেছেন। এখন রিটকারী আইনজীবী মনজিল মোরসেদ তাঁর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করছেন।

শুনানির একপর্যায়ে আদালতের ভাবমূর্তি বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম মন্তব্য করেন। তিনি আদালতকে উদ্দেশ করে বলেন, কোর্টে যা হচ্ছে তা নিয়ে বিচারপ্রার্থী ও জনগণের একটা গণশুনানি নেন।

তখন প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘বর্তমানে বিচারবিভাগের প্রতি মানুষের আস্থা ৯০ ভাগের বেশি। চৌকি আদালত থেকে শুরু করে উচ্চ আদালত পর্যন্ত। আমি বাঁশখালীর চৌকি আদালতে গিয়েছি। ওখানে যতজন বিচারপ্রার্থী আসে, ডিসি অফিসেও এত আসে না। বাংলাদেশের যেকোনো প্রতিষ্ঠানের চেয়ে বিচার বিভাগ ১০০ গুণ ভালো। আপনারা তো প্রধান বিচারপতিকে পঙ্গু করে রাখার……।’

তখন অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘আই এম নট টোটালি হ্যাপি।’

এ সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘প্রধান বিচারপতি চেয়েছেন, যাদের লেখাপড়া আছে, যোগ্যতা আছে, তাদের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিতে। কিন্তু দেড় বছরেও নিয়োগ হয়নি। আপনারা যেটা চাচ্ছেন, আপনিও জানেন, সবাই জানে।’

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘মার্শাল ল’-তে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল করা হয়েছে। এটা সংবিধানের বড় লজ্জা। সেখানে রিলিজিয়াস (রাষ্ট্রধর্ম) বিষয়টাও আছে।’

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘ওখানে কম্প্রোমাইজ করলে এখানে নয় কেন?’

শুনানির একপর্যায়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘সমস্ত পাণ্ডিত্য আমাদের, আপনাদের। কিন্তু বাহাত্তরের সংবিধানে হাত দিতে পারেন না। যোগ করা যেতে পারে।’

আপিল বিভাগ বলেন, ‘জুডিশিয়াল ইমপ্রুভমেন্ট থাকবে না? জুডিশিয়াল রিভিউ থাকবে না? উঠিয়ে দেন। সংবিধানের এ টু জেড আমরা ব্যাখ্যা করব জনগণের অধিকার প্রশ্নে, বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রশ্নে।’

শুনানির একপর্যায়ে প্রধান বিচারপতি ইংল্যান্ডের জুডিশিয়ারি নিয়ে একটি লেখা অ্যাটর্নি জেনারেলকে পড়তে দেন। পড়া শেষে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আপনি যে লিখিত যুক্তি দিয়েছেন, এ লেখা অনুসারে সেটি না জেনেই ইংল্যান্ডের ব্যাপারে দিয়েছেন। পৃথিবীতে একমাত্র সভ্য দেশ ইংল্যান্ড, যেখানে অলিখিত সংবিধান পালনে চুল পরিমাণ এদিক-সেদিক হয়নি। ব্রেক্সিটে হেরে প্রধানমন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কী চেতনা, কী মানসিকতা!’

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘আমি আপনার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করছি। ইংল্যান্ড বিদেশিদের লুণ্ঠন করেছে। তাদের সভ্য বলতে পারেন না।’

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘লুণ্ঠন অন্য জিনিস। আমেরিকাও লুণ্ঠন করছে।’

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘তাদের (ইংল্যান্ড) আইনের শাসন ডেভেলপ করেছে- এটা বলতে পারেন।’

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘ইয়েস, তারা তাদের নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে পেরেছে।’

এ সময় অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘অন্যদের লুণ্ঠন করে নিজের নাগরিকদের সুরক্ষা দিয়েছে।’

এর আগে গত ৮, ৯ এবং ২১, ২২ ও ২৩ মে এ মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। গত ৮ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় আপিল শুনানিতে সহায়তার জন্য ১২ জন আইনজীবীকে আদালতের বন্ধু (অ্যামিকাস কিউরি) হিসেবে নিয়োগ দিয়ে তাঁদের লিখিত বক্তব্য আদালতে জমা দিতে বলেন আপিল বিভাগ।

অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত ১২ আইনজীবী হচ্ছেন—বিচারপতি টি এইচ খান, ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার রফিক-উল হক, ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম, এ এফ হাসান আরিফ, ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, এ জে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ, ফিদা এম কামাল, ব্যারিস্টার আজমালুল হক কিউসি, আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া ও এম আই ফারুকী।

বিচারপতি অপসারণের ক্ষমতা সংসদের কাছে ফিরিয়ে আনতে ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী পাস করা হয়। পরে ওই বছরের ২২ সেপ্টেম্বর গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।

পরে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ওই বছরের ৫ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের নয়জন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।

এ আবেদনের ওপর প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট ওই সংশোধনী কেন অবৈধ, বাতিল ও সংবিধান পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন।

এ রুলের ওপর শুনানি শেষে গত ৫ মে আদালত সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকের মতামতের ভিত্তিতে ১৬তম সংশোধনী অবৈধ বলে রায় দেন। তিন বিচারকের মধ্যে একজন রিট আবেদনটি খারিজ করেন।

এর মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠদের মতামতের ভিত্তিতে রায় প্রকাশিত হয় গত বছরের ১১ আগস্ট এবং রিট খারিজ করে দেওয়া বিচারকের রায় প্রকাশিত হয় ৮ সেপ্টেম্বর। দুটি মিলে মোট ২৯০ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে পরে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে। ওই আপিলের ওপর শুনানি চলছে।

হাইকোর্টের রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আইনসভার কাছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা রয়েছে। দেশের সংবিধানেও শুরুতে এই বিধান ছিল। তবে সেটি ইতিহাসের দুর্ঘটনা মাত্র।

রায়ে আরো বলা হয়, কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর ৬৩ শতাংশের অ্যাডহক ট্রাইব্যুনাল বা ডিসিপ্লিনারি কাউন্সিলরের মাধ্যমে বিচারপতি অপসারণের বিধান রয়েছে।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের বিধানটি তুলে দিয়ে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী পাস হয়। ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ৯৬ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন এনে বিচারকের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে পুনরায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়, যেটি ১৯৭২ সালের সংবিধানেও ছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1495614999কোনো আগুন ছাড়াই কেবল রোদের তাপে রান্না হচ্ছে মাংস। বিজ্ঞানের কেরামতিতে এই আপাত অসম্ভব কাজটিই করে দেখালেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের যুবক সৌম্য সেন।

পেশায় সৌম্য পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক। কলকাতার একটি স্কুলে পড়ান তিনি। আর এই স্কুলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে একটি প্রেশারকুকারে করে ৩৫ মিনিটে কেবল রোদের তাপে মাংস রান্না করে চমক সৃষ্টি করেছেন তিনি।

সৌম্য এই মাংস রান্নার সরঞ্জাম ছিল একটি বাতিল ডিশ অ্যান্টেনা। তার ওপর প্রেশার কুকার রেখে মুরগির মাংস রান্না করে ফেললেন তিনি। আর এই কাণ্ড দেখে অবাক হয়েছেন উপস্থিত সবাই।

সৌম্যের রান্না করা এই মাংস খেয়েছে তাঁর ১৫ জন শিক্ষার্থী। আর খাওয়ার পর সবারই প্রশংসা স্যারের রান্নার হাত দারুণ!

ভারতের সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে সৌম্য জানান, এবারই প্রথম নয়। এর আগেও ২০১৪ সালে বাঁকুড়ার রাধানগর গ্রামের একটি স্কুলে পাঠদানের সময় তিনি একই প্রক্রিয়ায় মাংস রান্না করেছিলেন। সেই রান্নার প্রক্রিয়া তিনি আপলোড করেছিলেন ইউটিউবেও।

সৌম্য জানান, বাজারের সাধারণ সৌরচুল্লিতে কেবল পানি গরম, নিদেনপক্ষে ডিম সেদ্ধ করা যায়। কিন্তু তিনি বিশেষ প্রক্রিয়ায় বাতিল ডিস এন্টেনা ব্যবহার করে তাপমাত্রা অনেক গুণ বাড়ানোর প্রক্রিয়া উদ্ভাবন করেছেন।

পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক সৌম্যের আরো জানিয়েছেন, তাঁর উদ্ভাবিত এই সৌরচুল্লি ১৩০ ডিগ্রির মতো তাপ উৎপাদন করতে পারে। যাতে চমৎকারভাবে সূর্যের তাপে রান্না করা যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

3মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘বিশেষ এলাকার উন্নয়নের জন্য উন্নয়ন সহায়তা (পার্বত্য চট্রগ্রাম ব্যতীত)’ কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র -নৃগোষ্ঠীভূক্ত ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তি এবং চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার দুপুরে সদর উপজেলা মিলনায়তনে সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে  সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে এ সহায়তার চেক বিতরণ করেন সাতক্ষীরা ০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. রোকনুজ্জামান, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে প্রাথমকি পর্যায়ে ৮৪ জন, মাধ্যমিক পর্যায়ের ২৪জন, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ২জন এবং  ¯œাতক পর্যায়ে ২জন শিক্ষার্থীর মাঝে ৪লক্ষ টাকার শিক্ষাবৃত্তি এবং ব্লাড ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত ফিংড়ী ইউনিয়নের ৩ বছরের শিশু নিরঞ্জন দাসকে  ৫০ হাজার টাকার অনুদানের চেক প্রদান করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান অসলে, অধ্যক্ষ ফজলুর রহমান, মোস্তাফিজুর রহমান, মো. বজলুর রহমান, আব্দুল মজিদ, শহিদুল ইসলাম, ইউপি সদস্য এস এম রেজাউল ইসলাম, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাস্টার মফিজুর রহমান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা ০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি’র ঐচ্ছিক তহবিলের অনুদানের চেক বিতরণ এবং মসজিদ ও হিন্দু ধর্মীয় উপসানলয়ের জন্য আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার দুপুরে সদর উপজেলা মিলনায়তনে সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে  সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে এ সহায়তার চেক বিতরণ করেন সাতক্ষীরা ০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।
এসময় তিনি বলেন, “বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। কোন ভাবেই দেশের উন্নয়নের অব্যাহত গতি রোধ করা যাবেনা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ও জাতির ভাগ্য উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান সরকার গ্রামীণ জনপদের উন্নয়ন ও পিছিয়ে পড়া মানুষদের এগিয়ে নিতে নানামুখি কর্ম পরিকল্পনা হাতে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।’ মীর মোস্তাক আহমেদ রবি আরো বলেন, ‘আওয়ামী লীগ দেশের জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছে। এ জন্যই আওয়ামী লীগ আন্তরিকভাবে দেশের উন্নয়ন চায়। দেশকে উন্নত করা আওয়ামী লীগের দায়িত্ব। আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোন দল এ উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে পারবে না।”  বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. রোকনুজ্জামান, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন প্রমুখ। এসময় ঐচ্ছিক তহবিল সংসদ সদস্য তার নির্বাচনী এলাকা সদর উপজেলায় ৬০ জনকে ২লক্ষ ৪০ হাজার টাকা এবং ১১টি মসজিদে ২লক্ষ ৩০ হাজার ও ৩টি মন্দিরে ৪০ হাজার টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান অসলে, অধ্যক্ষ ফজলুর রহমান, মোস্তাফিজুর রহমান, মো. বজলুর রহমান, আব্দুল মজিদ, শহিদুল ইসলাম, ইউপি সদস্য এস এম রেজাউল ইসলাম, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাস্টার মফিজুর রহমান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Tala Picture (24.05.17).psdসেলিম হায়দার : তালায় হাইড্রোকেফালাস রোগে আক্রান্ত হাসান বাবুর চিকিৎসার জন্য তার পরিবারের কাছে মধুমতি ব্যাংক’র সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচির আওতায় প্রদত্ত অনুদানের ১ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করেছে।

তালা প্রেসক্লাবে মঙ্গলবার সকালে প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক প্রভাষক প্রণব ঘোষ বাবলুর সভাপতিত্বে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফরিদ হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন তালা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান হাফিজুর রহমান, মধুমতি ব্যাংকের খুলনা শাখার ম্যানেজার কাইয়ুম জামান, সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম মনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন তালা প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা এম. এ হাকিম, তালা  প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব আব্দুল জব্বার, যুগ্ন-আহ্বায়ক এম. এ ফয়সাল, গাজী জাহিদুর রহমান, সরদার মশিয়ার রহমান, প্রেসক্লাবের সদস্য নজরুল ইসলাম, তপন চক্রবতী, সেলিম হায়দার, জিএম খলিলুর রহমান লিথু, ইলিয়াস হোসেন, শফিকুল ইসলাম শফি, কাজী আরিফুল হক ভুলু, রোকনুজ্জামান টিপু, আকবর হোসেন, আজমল হোসেন জুয়েল প্রমুখ।
উল্লেখ্য, তালা উপজেলা লাউতাড়া গ্রামের রজব আলীর মেয়ে শারমিন আক্তারের পুত্র হাসান বাবুর (২০মাস) হাইড্রোকেফালাস রোগে আক্রান্ত হয়। বর্তমানে ঢাকা নিউরো সায়েন্সেস হাসপাতালে’র  সার্জারী বিভাগের ডাক্তার একরামুল ইসলামের এ কাছে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একাধিক জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় শিশুটির রোগের খবর প্রকাশিত হয়। উক্ত খবরটি মধুমতি ব্যাংকের ব্যবস্থপনা পরিচালক ব্যারেষ্টার ফজলে নুর তাপস, এমপির দৃষ্টিগোচর হলে তিনি ছেলেটির চিকিৎসার জন্য মধুমতি ব্যাংকের সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচির আওতায় ১লাখ টাকার অনুদান দেয়ার ঘোষনা দেন।
তার ফলশ্রুতিতে মঙ্গলবার সকালে তালা প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনায় উক্ত চেক শিশু হাসান বাবুর মা শারমিন আক্তার’র হাতে হস্তান্তর করা হয় ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

nirob4_575912321বাবা হলেন মডেল ও অভিনেতা নিরব। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টা ২০ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে নিরবের স্ত্রী ঋদ্ধির অস্ত্রোপচার করা হয়। নিরব তার মেয়ের নাম রেখেছেন সুহাইমা হোসেন যুওয়াইনাহ্।

আজ বুধবার সকালে নিরব বলেন, ‘গতকাল আমি “রৌদ্রছায়া” ছবির শুটিং করছিলাম। বাসা থেকে খবর আসে ঋদ্ধির অবস্থা ভালো নয়। দ্রুত বাসায় পৌঁছে রাতেই ঋদ্ধিকে হাসপাতালে নিয়ে যাই।’

বাবা হওয়ার পর নিরব তার অনুভূতি জানান এভাবে, ‘ঋদ্ধি পরির মতো এক মেয়ে জন্ম দিয়েছে। দোয়া করেছিলাম আমাদের যেন মেয়ে হয়। তাই বেশি খুশি লাগছে।’

নিরবের স্ত্রী এখন ইউনাইটেড হাসপাতালের গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. হাসিনা আফরোজের তত্ত্বাবধানে আছেন। ডাক্তার জানিয়েছেন, মেয়ে ও মা দুজনই সুস্থ আছেন। শিগগিরই তারা বাসায় ফিরতে পারবেন।

২০১৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় অনেকটা নীরবে ঘরোয়াভাবে বিয়ে করেন মডেল ও চিত্রনায়ক নিরব। তার স্ত্রী কাসফিয়া তাহের চৌধুরী ঋদ্ধি স্থপতি। বিয়ের পর নিরব বলেছিলেন, ‘দীর্ঘ ১০ মাস আমাদের প্রেম। পরিবারে সবার ছোট আমি। অনেক দিন থেকেই মা বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। তাই শেষ পর্যন্ত বিয়েটা সেরেই ফেললাম।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest