Apon-jewelers-gulshanআপন জুয়েলার্স থেকে আটক করা সাড়ে ১৩ মণ সোনার কোনও বৈধ কাগজপত্র এর মালিক দেখাতে না পারায় তা অনুষ্ঠানিকভাবে জব্দের সিদ্ধান্ত নিয়েছে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতর। আজ রবিবার (৪ জুন) সকাল ৯ টায় সংশ্লিষ্ট সবার উপস্থিতিতে এই সোনা জব্দ করা হবে। তবে কোনও গ্রাহক যদি সোনা বা সোনার অলঙ্কার জমা রাখার কাগজপত্র দেখাতে পারেন, তাদের গচ্ছিত সম্পদও আজ ফেরত দেওয়া হবে।

শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেছেন, ‘আমরা র‌্যাব ও পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছি। কাল (রবিবার) একদিনেই সব কাজ সেরে ফেলবো।’

তিনি আরও জানান, এসব সোনা-হীরা ঢাকা কাস্টম হাউসের শুল্ক গুদামের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়া হবে। এরপর আইনি প্রক্রিয়ায় জব্দকৃত সোনা ও হীরা শুল্ক আইন অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা হবে। শুল্ক গোয়েন্দার ৫টি দল আজ সকাল থেকে এই জব্দ ও স্থানান্তর প্রক্রিয়া তদারকি করবেন।

উল্লেখ্য, গত ১৪ ও ১৫ মে শুল্ক গোয়েন্দারা আপন জুয়েলার্সের গুলশান ডিসিসি মার্কেট, গুলশান এভিনিউ, উত্তরা, সীমান্ত স্কয়ার ও মৌচাকের ৫টি শোরুমে অভিযান চালিয়ে প্রায় সাড়ে ১৩ মণ সোনা ও ৪২৭ গ্রাম হীরা সাময়িকভাবে আটক করে। এসব সোনা ও হীরার ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও ব্যাখ্যা দিতে পারেনি আপন জুয়েলার্সের মালিকপক্ষ। এগুলো পরে আইনানুগভাবে প্রতিষ্ঠানের জিম্মায় দেওয়া হয়। এরপর আত্মপক্ষ সমর্থনে আপন জুয়েলার্স কর্তৃপক্ষকে ৩ বার শুনানির সুযোগ দিলেও তারা এসব সোনা-হীরার কোনও প্রকার বৈধ কাগজ দেখাতে পারেনি। তবে আপন জুয়েলার্সের মালিকপক্ষের দেওয়া ১৮২ জনের তালিকার মধ্যে ৮৫ জন প্রকৃত গ্রাহককে মেরামতের জন্য জমা রাখা প্রায় ২.৩ কেজি স্বর্ণালঙ্কার অক্ষত অবস্থায় ফেরত দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

4f78de0d9062c026c9f5f5b0918bf20a-593327b2d125dকেউ পারেনি, আগে চারটি দল টানা দ্বিতীয় ফাইনাল খেলেও চ্যাম্পিয়নস লিগে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে সফল হয়নি। রিয়াল মাদ্রিদ সেটা করে দেখাল। জুভেন্টাসের বিপক্ষে কার্ডিফ ফাইনালে ইতিহাস গড়ল রিয়াল। শনিবার ৪-১ গোলে জিতে টানা দ্বিতীয় ও ১২তম চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জিতল তারা।

এর আগে এসি মিলান, আয়াক্স, জুভেন্টাস ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড টানা দ্বিতীয় ফাইনালে উঠেও শিরোপা হাতে নিতে পারেনি। ইতিহাস তাই ছিল রিয়ালের বিপক্ষে। কিন্তু দুর্দান্ত রক্ষণভাগের বিপক্ষে সেরা আক্রমণভাগ সেই ইতিহাসকে উল্টে দিয়ে নতুন ইতিহাস গড়ল।
শুরুটা কিন্তু রিয়ালের বিপক্ষেই ছিল। মাত্র ৬ মিনিটে গনসালো হিগুয়েইন ‍দুইবার ও মিরালেম পিজানিচ কঠিন পরীক্ষা নেন রিয়াল গোলরক্ষক কেইলর নাভাসের। প্রত্যেকবার জুভেন্টাসের এ প্রচেষ্টাকে সহজে ব্যর্থ করেছেন কোস্টারিকান গোলরক্ষক। বিশ্বের সেরা রক্ষণভাগের দল প্রথম ১৫ মিনিট আক্রমণভাগেও ছিল ক্ষুরধার। কিন্তু হঠাৎ করে ভেঙে পড়ে ইতালিয়ান আক্রমণভাগ, আর কাউন্টার অ্যাটাকে সুযোগ পেয়ে যায় রিয়াল। ২০ মিনিটে দানি কারভাহালের সঙ্গে ওয়ান-টু-ওয়ান পাসে সফল হন রোনালদো। তার নিচু শটটি খুব চেষ্টা করেও থামাতে পারেননি গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি বুফন।

২৬ মিনিটে ইস্কো ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ পেয়েও সফল হননি। বরং পরের মিনিটে চমৎকার গোলে সমতায় ফেরে জুভেন্টাস। সান্দ্রোর দূরপাল্লার ক্রসে বল পান হিগুয়েইন। আর্জেন্টাইন তারকার চতুর পাস বুক দিয়ে ঠেকিয়ে ওভারহেড কিকে নাভাসকে পরাস্ত করেন মারিও মানজুকিচ। ৩০ মিনিটে একইভাবে গোলের চেষ্টা করে বুফনের কাছে প্রতিহত হন রোনালদো। প্রথমার্ধের বাকি সময় দুই দল আর কোনও গোলের দেখা পায়নি।

৫৮ মিনিটে সান্দ্রোর বাধায় রোনালদো ২-১ করতে পারেননি। তিন মিনিট পরই অবশ্য এগিয়ে যায় রিয়াল। জুভেন্টাসের ডিবক্স থেকে একটি ক্রস ফিরে এলে ৩০ গজ দূর থেকে শট নেন কাসেমিরো। সামি খেদিরার গায়ে আলতো স্পর্শ করে বল গতিপথ পাল্টে গোলপোস্টের বাঁপ্রান্ত দিয়ে কোনাকুনি হয়ে ঢুকে যায় জালে। বুফন অসহায় ছিলেন। ভুগতে থাকা জুভেন্টাসের ফেরার শেষ আশাটুকুও জলে ভেস্তে যায় ৬৪ মিনিটে। ডান উইং থেকে মোডরিচের ক্রসে পোস্টের খুব কাছ থেকে ৩-১ করেন রোনালদো। পেশাদার ক্যারিয়ারে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটি ছিল তার ৬০০তম গোল।

৭৩ মিনিটে হ্যাটট্রিক করার বেশ কাছে ছিলেন রোনালদো। মার্সেলোর পাসে পাওয়া বলে একটু বেশিই জোরে শট নেওয়ায় ক্রসবার দিয়ে চলে যায় আরেকটি সুবর্ণ সুযোগ। শেষ ৮ মিনিট জুভেন্টাসকে একজন কম নিয়ে খেলতে হয়েছে। সের্হিয়ো রামোসকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন হুয়ান কুয়াদরাদো। ১০ জনের জুভেন্টাস আরও ভেঙে পড়ে। ৯০ মিনিটে রোনালদোর ফ্রিকিক প্রতিপক্ষের রক্ষণদেয়ালে লেগে ফিরে গেলে মার্সেলোর নিখুঁত পাসে দলের চতুর্থ গোল করেন আসেনসিও।

ফাইনালে রোনালদোর ইতিহাস: ইউরোপের সবচেয়ে বড় প্রতিযোগিতায় সবচেয়ে বেশি ফাইনালে গোল করার তালিকায় দুই নম্বরে উঠে এলেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। এনিয়ে তিনটি চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে লক্ষ্যভেদ করেছেন পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড। দুটি ভিন্ন আসরের ফাইনালে গোল করা লিওনেল মেসিকে পেছনে ফেলেছেন ব্যালন ডি’অরজয়ী।

ইউরোপিয়ান কাপ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ হিসাবে আনলে এ তালিকায় রোনালদোর উপরে কেবল রিয়ালের আরেক লিজেন্ড আলফ্রেদো দি স্তেফানো। ১৯৫৬ থেকে ১৯৬০ সালে টানা ৫টি ইউরোপিয়ান কাপজয়ের পথে ফাইনালে গোল করেছিলেন তিনি।

২০০৮ সালে চেলসির বিপক্ষে প্রথম ফাইনাল গোল করেছিলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের রোনালদো। ৬ বছর পর অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ের ৪-১ গোলের জয়ে লক্ষ্যভেদ করেন রিয়াল ফরোয়ার্ড।

মানজুকিচের মাইলফলক: 

অসাধারণ এক স্ট্রাইকে সমতা ফেরানো গোলে সম্মানজনক এক ক্লাবে জায়গা পেলেন মারিও মানজুকিচ। দুটি ভিন্ন ক্লাবের জার্সিতে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে গোল করা তৃতীয় খেলোয়াড় হলেন এ ক্রোয়েশিয়ান।

২০১৩ সালের ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখের জার্সিতে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের জালে বল জড়ান মানজুকিচ। তার আগে এ কীর্তি অর্জন করেছেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো (ম্যানইউ ২০০৮, রিয়াল ২০১৪ ও ২০১৭) এবং ভেলিভোর ভাসোভিচ (পার্টিজান ১৯৬৬, আয়াক্স ১৯৬৯)।

৫০০ গোলের ক্লাবে রিয়াল: প্রথম দল হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগে ৫০০তম গোলের মাইলফলকে রিয়াল। টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি গোলের তালিকায় অনেক আগেই বার্সেলোনা (৪৫৯) ও বায়ার্ন মিউনিখকে (৪১৫)  পেছনে ফেলেছিল সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর ক্লাব। এ মৌসুমে রোনালদোর প্রথম গোলে ৫০০’র ক্লাবে ঢুকে গেল রিয়াল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

6EzjnE_imnranওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ের এক নম্বর দল হিসেবে বড়সড় জয় পাওয়াটা দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য তেমন একটা চমকের না। তবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মত আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই জয় দক্ষিণ আফ্রিকা দলের আত্মবিশ্বাস এর মাত্রাটা আরো বাড়িয়ে দিল। শনিবার ওভালে বি-গ্রুপের প্রথম ম্যাচে শ্রীলংকাকে ৯৬ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে প্রোটিয়ারা।

হাশিম আমলার ২৫তম ওয়ানডে সেঞ্চুরিতে ছয় উইকেটে ২৯৯ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে ইমরান তাহিরের লেগ স্পিনের মন্ত্রে কাবু হয়ে ৪১.৩ ওভারে মাত্র ২০৩ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলংকা।

ইংল্যান্ডের পেস বান্ধব কন্ডিশনেও রীতিমতো জাদু দেখালেন তাহির। ৮.৩ ওভারে মাত্র ২৭ রানে চার উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন এই লেগ-স্পিনার। এছাড়া ক্রিস মরিস দুটি এবং রাবাদা ও মরকেল একটি করে উইকেট নেন।

শ্রীলংকার শুরুটা অবশ্য দারুণ ছিল। পাওয়ার প্লের প্রথম দশ ওভারে এক উইকেটে ৮৭ তুলে ফেলেছিল তারা। ১৮তম ওভারে তাহির আক্রমণে আসতেই বদলে যায় চিত্রপাট। দুই ওপেনার ডিকভেলা (৪১) ও উপুল থারাঙ্গা (৫৭) ছাড়া শ্রীলংকার পক্ষে বলার মতো রান পেয়েছেন শুধু কুশাল পেরেরা (৪৪*)।

এ ম্যাচের ক্যাচলাইন ছিল এবি ডি ভিলিয়ার্স বনাম লাসিথ মালিঙ্গা দ্বৈরথ। কিন্তু প্রথম ম্যাচে দু’জনই ব্যর্থ। দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক ডি ভিলিয়ার্স চার বলে মাত্র চার রান করেই সাজঘরে ফেরেন। অন্যদিকে শ্রীলংকার বোলিং আক্রমণের নেতা মালিঙ্গা ১০ ওভারে ৫৭ রান দিয়ে ছিলেন উইকেটশূন্য।

অধিনায়ক ঝড় তুলতে না পারলেও মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন আমলা। রানআউটে কাটা পড়ার আগে ১১৫ বলে ১০৩ রান করেন প্রোটিয়া ওপেনার। ক’দিন আগে বিরাট কোহলির কাছ থেকে দ্রুততম সাত হাজার রানের রেকর্ড কেড়ে নিয়েছেন তিনি। শনিবার কোহলির (১৬২ ইনিংসে) দ্রুততম ২৫ ওয়ানডে সেঞ্চুরির রেকর্ডটিও নিজের করে নিলেন আমলা (১৫১ ইনিংসে)।

দলকে বড় স্কোর এনে দিতে বড় অবদান ফাফ ডু প্লেসি ও আমলার ১৪৫ রানের দ্বিতীয় উইকেট জুটি। ডু প্লেসি করেছেন ৭০ বলে ৭৫ রান। শেষ ১০ ওভারে ৭৮ ও শেষ পাঁচ ওভারে ৪৪ রান দক্ষিণ আফ্রিকা। মাঝে তালগোল পাকিয়ে না ফেললে সংগ্রহটা আরও বড় হতে পারত। শেষদিকে মাত্র ২০ বলে অপরাজিত ৩৮ করেন জেপি ডুমিনি। এছাড়া ক্রিস মরিসের ব্যাট থেকে আসে ২০ রান। ৫৪ রানে দুই উইকেট নিয়ে শ্রীলংকার সবচেয়ে সফল বোলার নুয়ান প্রদীপ। এছাড়া সুরঙ্গা লাকমাল ও সেকুগে প্রসন্ন একটি করে উইকেট নেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

দক্ষিণ আফ্রিকা: ২৯৯/৬, ৫০ ওভারে (হাশিম আমলা ১০৩, ডি কক ২৩, ডু প্লেসি ৭৫, ডি ভিলিয়ার্স ৪, ডেভিড মিলার ১৮, জেপি ডুমিনি ৩৮*, ক্রিস মরিস ২০,ওয়েইন পারনেল ৭*। লাসিথ মালিঙ্গা ০/৫৭, সুরঙ্গা লাকমাল ১/৫১, নুয়ান প্রদীপ ২/৫৪, গুনারত্নে ০/৬৪, সেকুগে প্রসন্ন ১/৭২)।

শ্রীলংকা: ২০৩/১০, ৪১.৩ ওভারে (ডিকভেলা ৪১, উপুল থারাঙ্গা ৫৭, কুশাল মেন্ডিস ১১, দিনেশ চান্দিমাল ১২, কাপুগেদারা ০, কুশাল পেরেরা ৪৪*, গুনারতেœ ৪, প্রসন্ন ১৩, সুরঙ্গালাকমাল ০, মালিঙ্গা ১, নুয়ান প্রদীপ ৫। রাবাদা ১/৪৬, পারনেল ০/৫৪, মরনে মরকেল ১/৩১, মরিস ২/৩২, তাহির ৪/২৭, জেপি ডুমিনি ০/৭)।

ফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ৯৬ রানে জয়ী।

ম্যান অব দ্য ম্যাচ: ইমরান তাহির (দক্ষিণ আফ্রিকা)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

________ ________নিজস্ব প্রতিবেদক : সম্প্রতি ঝড়ে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর দাখিল মাদরাসার ক্লাসরুমের টিনের চাল উড়ে যাওয়ায় খোলা আকাশের নিচে পাঠদান করতে বাধ্য হচ্ছেন শিক্ষকরা। শিক্ষার্থীরাও মাদারাসা চত্বরে খোলা আকাশের নিচে ক্লাস করছে। এমনই চিত্র দেখা গেলো ওই প্রতিষ্ঠানে।
জানা গেছে- অতিসম্প্রতি বয়ে যাওয়া ঝড়ে মাদরাসাটির জরাজীর্ণ ৫টি ক্লাসরুমের টিনের ছাউনি উড়ে যায়। এতে শিক্ষা কার্যক্রম বিঘ্নিত হয়। তবে সেটাকে পুশিয়ে নিতে মাদারসার খোলা চত্বরে আকাশের নিচেই পাঠদান অব্যাহত রেখেছেন শিক্ষকরা। ওই মাদরাসার অপর একটি ছাদের বিল্ডিং-এ প্রশাসনিক অফিস ও ক্লাসরুম থাকলেও তা সকল শ্রেণির জন্য অত্যন্ত অপ্রতুল। আর তাই শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে খোলা আকাশের নিচে চেয়ার-বেঞ্চ বসিয়ে-ই পাঠদান চলছে।
এ প্রতিষ্ঠানে ১ম শ্রেণি থেকে ১০ম (দাখিল) শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৩’শ শিক্ষার্থী রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির সংষ্কারের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সাংসদ, ইউএনও, শিক্ষা অফিসসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে আবেদন করেছেন মাদরাসার সুপার মাসুম বিল্লাহ।
জরাজীর্ণ এ মাদরাসাটি দ্রুত সংষ্কারের জন্য ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি ও চন্দনপুর ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

___-____নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘শীল-পাটা-নোড়া’- এ নামগুলো অনেকের কাছে পরিচিত আবার অনেকের কাছে কিছুটা অপরিচিত। হ্যা, অপরিচিত এ কারণে যে- বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে এগুলোর ব্যবহার কমে যাচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজনে। স্থানীয় ভাষায় ‘শীল-পাটা-নোড়া’ ছিল রান্নার অন্যতম প্রধান সরঞ্জাম।
যে কোন পরিবারের রান্না-বান্নার জন্য মসলা অপরিহার্য। আর সেই মসলা প্রস্তুত করণের জন্য ‘শীল, পাটা কিংবা নোড়া’র ব্যবহার ছিল অবসম্ভাবী। ‘ছিল’ কথাটিরও তাৎপর্য আছে। বর্তমানে মসলা তৈরির জন্য অনেকেই আর এ ‘শীল-পাটা-নোড়া’ ব্যবহার করেন না। বাজার থেকে প্যাকেটজাত রেডিমেট মসলা পাওয়া যাচ্ছে, কিংবা আধুনিকতার ছোয়ায় ব্যালেন্ডার মেশিনেও মসলা তৈরি করছেন গৃহিনী ও রাধুনীরা।
রান্না-বান্নার ক্ষেত্রে যেকোন বাটা বা বাটনার ক্ষেত্রে এ ‘শীল-পাটা-নোড়া’র ব্যবহার ছিল গ্রাম্যঞ্চল থেকে শুরু করে শহুরেও। আদা, রসুন, পেয়াজ, লবঙ্গ, এলাচ, দালচিনি (দারুচিনি), গরম মসলা, সরিষাসহ সকল মসলা ও ঘেটকলসহ বিভিন্ন সবজিও বাটার জন্য ‘শীল ও নোড়া’য় হাত বুলাতে হতো। সাধারণত পাথরের তৈরি এ ‘শীল-নোড়া’র ঘর্ষণে মসলা হতো মিহি আর চমৎকার স্বাদপূর্ণ। সেক্ষেত্রে ‘শীল-নোড়া’য় ছোট ছোট গর্ত করে ‘ধার কাটানো’ থাকতো। মসলা তৈরি লক্ষ্যে ‘শীল ও নোড়া’য় ঘর্ষণে যখন সেই ‘ধার’ ক্ষয়ে যেতো তখন কয়েক মাস পর পর ওই ‘শীল-পাটা-নোড়া’য় ‘ধার কাটানো’ হতো। আর পেশায় নিয়োজিত ছিলো এক শ্রেণির মানুষ। তারা বাড়ি বাড়ি ঘুরে ‘শীলের ধার কাটাবেনৃনোড়ার ধার কাটাবেনৃ’ বলে চিৎকার করে কাজ ‘শীল-নোড়া’য় ‘ধার কাটিয়ে’ তাদের পেশার স্বপক্ষে আয়-রোজগার করতেন। ‘শীল-পাটা-নোড়া’কাটানো কারিগররা নিপুন হাতে লোহার ছেনি-হাতুড়ি দিয়ে গৃহস্থলির ‘শীল-নোড়া’র ‘ধার কাটাতেন’ চশমা পড়ে, চোখ বুজে, চোখে কাপড় বেধে কিংবা খালি চোখেও।
বর্তমানে বিশ্বায়নের আধুনিক যুগে অধিকাংশ গৃহবধূরা রান্নার ক্ষেত্রে মসলা বাটেন বা মিহি করেন ব্যালেন্ডার মেশিনে কিংবা বাজার থেকে কেনা প্যাকেটজাত মসলা দিয়ে। ফলে কমে এসেছে ‘শীল-পাটা-নোড়া’র ব্যবহার।
কয়েক বছর আগেও এমন চিত্র সচারচার দেখা মিললেও এখন তেমনটা আর দেখা মেলে না। তবু এ পেশার ‘কিছু মানুষ’ তাদের পেশা ছাড়েন নি। অনেক গৃহিনী কিংবা রাধুনিরাও ‘শীল-পাটা-নোড়া’র ব্যবহার ছাড়েন নি। ভবিষ্যতে হয়তো বা আর এই কারিগরদের দেখা মিলবে না, খুজে পাওয়া যাবে না ‘শীল-পাটা-নোড়া’ও। আজকের শিশুদেরও ভবিষ্যতে হয়তো এগুলো সম্বন্ধে অজানা থাকতে পারে। হয়তো স্মৃতি হয়ে বেঁচে থাকবে আজকের এই ‘শীল-পাটা-নোড়া’ ও এর কারিগররা। তবে কালের বিবর্তনে যতই মিলিয়ে যাক না কেন এগুলো ধরে রাখারও চেষ্টাও থাকবে অনেকের। এমনটাই প্রত্যাশা আমাদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

43_455x600দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটার সম্রাট বিকেএসপিতে চান্স পেয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান(বিকেএসপি)তে খেলার সুযোগ হয়েছে ক্ষুদে ক্রিকেটার দেবহাটার মাঘরী গ্রামের কৃতি সন্তান আহম্মেদ ইবনে জুবায়ের সম্রাট। সে দেবহাটা রিপোটার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক “দৈনিক কালের চিত্রের” দেবহাটা ব্যুরো প্রধান আব্দুর রব লিটু ও আমেনা খাতুন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ইংরেজী শিক্ষিকা আকলিমা খাতুনের পুত্র। সে দেবহাটা বিবিএমপি মডেল হাই স্কুলের সপ্তম শ্রেনীর ছাত্র হওয়ায় পড়াশুনার পাশাপাশি পারুলিয়া কম্পিউটার সোর্স ক্রিকেট একাডেমিতে নিয়মিত অনুশীলন করত। সম্প্রতি সাতক্ষীরা জেলা ক্রিড়া সংস্থার মাধ্যমে বিকেএসপি’র যাচাই-বাছাইয়ে বাম হাতি মিডিয়াম প্রেসার হিসাবে চট্টগ্রাম বিকেএসপিতে সুযোগ পেয়েছে। তার উজ্বল ভবিষতের জন্য সে সকলের দোয়া প্রার্থী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

666আমি শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, পিতা- মৃত: ডা: শেখ জিয়াউর রহমান, সাং- সুলতানপুর, থানা ও জেলা- সাতক্ষীরা, সহ- সম্পাদক, দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি, সাতক্ষীরা আহছানিয়া মিশন, দৈনিক পত্রদূত ২২ বর্ষ ১২৬ সংখ্যা শনিবার ৩রা জুন’ ১৭ নামক সংবাদপত্রের ১ম পৃষ্ঠার ৪/৫নং কলামের “সংবাদ পত্রে প্রকাশিত সংবাদে মীর মাহমুদ হাসান লাকী’র ব্যাখ্যা ও কিছু কথা” নামক মুদ্রিত ও প্রকাশিত সংবাদে আমাকে জড়ীভূত করিয়া যে বক্তব্য প্রদান করা হইয়াছে উহা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ষড়যন্ত্রমূলক ও উদ্দেশ্যে প্রণোদিত বিধায় আমি উক্তরূপ প্রকাশিত বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করিতেছি।
গত ইং ৩/৬/১৭ তারিখের সংবাদপত্রে প্রকাশিত ব্যাখ্যায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মাহমুদ হাসান লাকী সাতক্ষীরা আহছানিয়া মিশনের দোকানের পূর্বের লীজ গ্রহীতার সাথে ১৫০/- টাকা মূল্যের দুটি নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে পজেশন হস্তান্তর নামা সম্পাদন করিয়াছেন এবং তিনি গত ইং ২১/১/১৭ তারিখে সাতক্ষীরা আহছানিয়া মিশন থেকে দোকান ঘরের চুড়ান্ত পজেশন গ্রহণ করেন। পাশাপাশি আমি সম্পাদিত পজেশন হস্তান্তর নামায় স্বাক্ষী আছি মর্মে উল্লেখ করিয়াছেন। কিন্তু উল্লেখ্য ১৭,০০,০০০ (সতের লক্ষ) টাকা ডীড সম্পাদনকালে আমার উপস্থিতিতে আদৌ লেনদেন হয় নাই হেতু আমি উক্ত টাকা গুণিয়া লইয়াছি মর্মে কথিত বক্তব্য প্রকৃত সত্যের পরিপন্থীসহ আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করিবার অপপ্রয়াস হইতেছে মাত্র।
উল্লেখ্য যে, আহছানিয়া মিশনের পক্ষে দোকানঘর ভাড়া সংক্রান্ত একটি উপ কমিটি আছে এবং উক্ত উপ কমিটির আমি একজন সদস্য হইতেছি। কিন্তু গ ইং ২১/০১/১৭ তারিখের সম্পাদিত দোকানঘর ভাড়া চুক্তিপত্রকালে আমি আদৌ উপস্থিত ছিলাম না।
পরবর্তীতে গত ইং- ২১/০১/১৭ তারিখের সম্পাদিত চুক্তিপত্রের ৫ ও ১০ নং শর্তে উল্লেখ্য বিষয়টি সম্পূর্ণ পেশীশক্তি বলে উপেক্ষা করত: আহছানিয়া মিশনের যথাযথ কর্তৃপক্ষের কোন প্রকার অনুমোদন ব্যতিরেকেই ভাড়া নেওয়া দোকানঘরটির ইচ্ছামত পরিবর্তন/পরিবর্ধন করিবার স্বার্থে উক্ত দোকানঘর ভাঙিয়া শার্টার ৩টা, ক্লাসিকাল গেট, ২টা জালানার ২টা গ্রীলও বাইল ও আনুমানিক ৩,০০০ (তিন হাজার) ইটসহ অন্যান্য সরঞ্জামাদি (যাহা আহছানিয়া মিশনের নিজস্ব সম্পত্তি) বিক্রয় করিলে এবং তাহার অযাচিত কার্যের ফলে দোকানঘর ছাদ ভাংগিয়া পড়িলে উক্ত বিষয়ে আহছানিয়া মিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ অবগত হইয়া উক্ত মীর মাহমুদ হাসান লাকীকে চুক্তির ৫ ও ১০নং শর্তাবলী এবং একই সাথে ৯নং কলামে বর্ণিত শর্তাবলী লংঘনের কথা বলায় তিনি ক্ষিপ্ত হইয়া বলেন, “আমি বর্তমানে সংসদ সদস্য, সাতক্ষীরা-২ এর আপন ভাই, আমার কাছে কৈফিয়ৎ চাইতে এসেছিস, তোদের মজা দেখাব”- ইত্যাদি মর্মে আস্ফালন এবং হুমকি প্রদর্শন পূর্বক উপস্থিত মিশনের কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করিয়া অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকিবার এক পর্যায়ে আমি আমার পত্রিকা অফিসে আসিবার পথে লোক সমাগম দেখিয়া উক্ত দোকানঘরের পার্শ্বে যাই এবং লাকীর অগ্নিমূর্ত্তিসহ উল্লেখ্যরূপ হুমকি ও আস্ফালনমূলক বক্তব্য স্বকানে শ্রবণ করিয়া কোনরূপ মন্তব্য ব্যতিরেকেই আমার অফিসে চলিয়া আসি।
পরবর্তীতে উক্ত মীর মাহমুদ হাসান লাকীসহ তাহার দলবল আমাকে সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট অফিসের সামনে পাইয়া কেন সেদিন লাকীর পক্ষালম্বল গ্রহণ করি নাই মর্মে জিজ্ঞাসাবাদে আমি কোন উত্তর দেওয়ার পূর্বেই আমাকে আক্রমণ করিতে উদ্যত হইলে আমি প্রাণ ভয়ে দ্রুত আসিয়া আমার পত্রিকা অফিসে প্রবেশ করিলে পিছু পিছু লাকীসহ তার দলবল ও পত্রিকা অফিসের অনধিকার প্রবেশ পূর্বক ক্ষমতার দাপট ও ত্রাস সৃষ্টি করিয়া লাকী তাহার হাতে থাকা পিস্তল পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোঃ হাফিজুর রহমানের মাথায় ঠেকিয়ে মৃত্যুভয়ে ভীত করে এবং ময়নুল ইসলাম হাফিজুর রহমানের গলা চাপিয়া শ্বাসরোধ করার চেষ্টা করিয়া অফিসে থাকা সকলকে টু শব্দটি করিতে নিষেধ করে এবং তাহার হুকুমে অন্যান্যরা অফিসে থাকা বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল ভাংচুর করিয়া দেড় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন করে।
এতদস্বত্ত্বে¡ও বর্ণিত প্রকৃত সত্য গোপন করত: নিজ কৃত ও সংঘটিত অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার অসৎ উদ্দেশ্যে আমাকে জড়ীভূত করিয়া গত ইং ৩/৬/১৭ তারিখে যে ষড়যন্ত্রমূলক ও উদ্দেশ্যেমূলক বক্তব্য পত্রিকায় প্রকাশ করিয়াছে উহার তীব্র প্রতিবাদ জানাইতেছি।

শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু
সহ-সম্পাদক দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা
সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ শ্রমিকলীগ, সাতক্ষীরা জেলা শাখা ও সিনিয়র সহ-সভাপতি সাতক্ষীরা আহছানিয়া মিশন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

IMG_3368শ্যামনগর ব্যুরো : সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা  যোগিন্দ্রনগর ছোট কুপট গ্রামের নারী লোভী শাহিনুর ইসলাম (৩৫) পরকীয়া প্রেমে মত্ত হয়ে স্ত্রী ময়না খাতুনের (২৪) বাম হাতের কবজী, গোপণাঙ্গ কর্তন এবং দুটি চোখ নষ্ট করে দিয়েছে। পাষ- শাহিনুর ছোট কুপট গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস গাজীর পুত্র। মারাতœক আহত স্ত্রী ময়না খাতুন জানান, তার স্বামীর সাথে ১ ছেলে ও ১ মেয়ে নিয়ে ভারতে কাজ কর্ম করে অতিকষ্টে দিনযাপন করতেন। অথচ তার স্বামী প্রায়ই যৌতুকের জন্য দফায় দফায় তার কাছ থেকে টাকা নিত। এ টাকা খরচের খাত হিসেবে স্বামীকে সন্দেহ করতে থাকে তার স্ত্রী ময়না। একদিন এক হিন্দু মহিলার সাথে উলঙ্গ অবস্থায় তার স্বামীকে হাতে নাতে ধরে ফেলে। স্বামীকে বুঝানোর পরও সে ওই অনৈতিক কাজ করতে থাকে এবং মদ গাজায় মত্ত থাকে। পরবর্তীতে এ কাজে বাধা দেওয়ায় তার স্বামী শাহিনুর তার ২ হাত পা বেঁধে প্রথমে লোহার শিক দিয়ে খুচিয়ে চোখ ২টি নষ্ট করে দেয়, তারপর কাতারী দিয়ে কুপিয়ে বাম হাতের কবজী কর্তন করে এবং শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে রক্তাক্ত জখম করে। অবশ্য চিকিৎসক বলছেন একটি চোখ নষ্ট হয়েছে। এসময় তার চিৎকারে স্থানীয়রা ময়না খাতুনকে উদ্ধার করে কলকাতায় হাসপাতালে ভর্তি করে। ময়না খাতুন কে গত ২ জুন বাংলাদেশের তার গ্রামের বাড়ীতে নিয়ে আসলে শত শত নারী পুরুষ তাকে দেখতে ভিড় জমায় এবং পাষান্ড স্বামীকে তিরষ্কার করতে থাকে। তার এধরণের কাজে স্বামীকে উৎসাহ দিতে শাহিনুরের ভাই জহিরুল ইসলাম ও তার মা সাহায্য করে বলে ময়না খাতুন জানান। ময়নার প্রতি এ ধরণের অত্যাচার জাহিলিয়াতের যুগকেও হার মানায় বলে স্থানীয়রা জানান। তার ২ সন্তানকে পাষান্ড স্বামী শাহিনুর ভারতে আটকে রেখে আত্মগোপনে থাকায় এ ব্যাপারে তার ভাষ্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। বর্তমানে ময়না খাতুন শ্যামনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest