সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় প্রাথমিক ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার: জনরোষে অভিযুক্ত নারীর মৃত্যুআশাশুনিতে গাঁজাসহ ব্যবসায়ী গ্রেফতারদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের নতুন প্রেস মিনিস্টার সাতক্ষীরার সন্তান সাইদুর রহমানসাতক্ষীরা কুখরালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃত্তিপ্রাপ্ত ৪ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় মৎস্যঘের থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার: পরিবারের দাবি হত্যাসাতক্ষীরায় ফাইনাল খেলা দেখে ফেরার পর আর্জেন্টিনা সমর্থকের মৃত্যুসাতক্ষীরায় বেসরকারি ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান: তিন প্রতিষ্ঠানে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানাশহীদ জায়েদার ২৮ তম সাহাদৎ বার্ষিকী উপলক্ষে জেলা ভূমিহীন সমিতির প্রস্তুতি সভাশ্যামনগরে মিথ্যা ধর্ষণের মামলার অভিযোগ জেল হাজতে দুই যুবকসাতক্ষীরায় সড়কের জমি দখল করে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার অভিযোগ

Coxsbazar-DCকক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের অর্থ-আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় কক্সবাজারের সাবেক জেলা প্রশাসক মো. রুহুল আমিনকে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন আদালত।

উচ্চ আদালতের নির্দেশে সোমবার দুপুরে কক্সবাজার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক মো. তৌফিক আজিজ এ আদেশ দেন বলে জানান দুদক কক্সবাজারের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. সিরাজ উল্লাহ।

তিনি জানান, অর্থ-আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের দায়ের করা মামলায় কক্সবাজারের সাবেক জেলা প্রশাসক মো. রুহুল আমিন ৬ সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হলে উচ্চ আদালত দু’সপ্তাহের মধ্যে তাকে নিন্ম আদালতে আত্ম-সমর্পণের নির্দেশ দেন।

কিন্তু রুহুল আমিন উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে ৩ সপ্তাহ পর নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করায় বিচারক এ আদেশ দেন বলে জানান সিরাজ।

সিরাজ উল্লাহ বলেন, মহেশখালীতে ৩৬ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভূমি অধিগ্রহণের জন্য ২০১৪ সালের নভেম্বরে ক্ষতিগ্রস্তদের জমির বিপরীতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় ২৩৭ কোটি টাকা। এসব ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য অনিয়মের মাধ্যমে ২৫টি অস্তিত্বহীন চিংড়ি ঘেরের বিপরীতে ৩৬ জনের একটি সিন্ডিকেট অন্তত ৪৬ কোটি ২৪ লাখ ৩ হাজার ৩২০ টাকা আত্মসাতের অপকৌশলের আশ্রয় নেন।

তিনি বলেন, ‘এর মধ্যে ১৯ কোটি ৮২ লাখ ৮ হাজার ৩১৫ টাকা কথিত ক্ষতিগ্রস্তদের নামে ভুয়া চেকের মাধ্যমে তোলা হয়। এছাড়া আরও ২৬ কোটি ৩১ লাখ ৯৫ হাজার ৫ টাকা চেকের মাধ্যমে উত্তোলনের প্রক্রিয়ায় ছিল। এসব টাকা তোলার জন্য চক্রটি ৫টি চেকও ইস্যু করেছিল।’

সিরাজ জানান, এ নিয়ে আদালতের কাছে অভিযোগ করা হলে ৫টি চেকের বিপরীতে ক্ষতিপূরণের নির্ধারিত ২৬ কোটি ৩১ লাখ ৯৫ হাজার ৫ টাকা উত্তোলনের কাজ আটকে দেয়া হয়। প্রাথমিক তদন্তে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে নিজেরা বাঁচতে চিংড়ি ঘেরের মালিকানা দাবি করে ক্ষতিপূরণের টাকা উত্তোলনকারী বিরুদ্ধে ২০টি মামলা করেন সেই সময়কার ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা (এলএও) মাহবুবর রহমান।

‘মামলাগুলো তদন্ত করতে গিয়ে ২০টি মামলাকে একটি মামলায় একীভূত করা হয়। পরে মামলাগুলোর অভিযোগপত্র তদন্ত আদালতের কাছে জমা দেয় দুদক। মামলায় কক্সবাজারের সাবেক জেলা প্রশাসক মো. রুহুল আমিন, সাবেক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জাফর আলম, ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা (এলএও) মাহবুবর রহমান এবং ভূমি অধিগ্রহণ শাখার প্রধান হিসাব কর্মকর্তা আবুল কাশেম মজুমদারসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশীটে অভিযোগ তোলা হয় বলে জানান পাবলিক প্রসিকিউটর।

এর আগে দুদকের এ মামলায় পৃথকভাবে আদালত কক্সবাজারের সাবেক জেলা প্রশাসক জাফর আলম, ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা (এলএও) মাহবুবর রহমান ও ভূমি অধিগ্রহণ শাখার প্রধান হিসাব কর্মকর্তা আবুল কাশেম মজুমদারসহ আরও ৪ জনকে জেল হাজতে পাঠিয়েছিলেন বলে জানান আইনজীবী সিরাজ উল্লাহ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Tala Pic 22.05.17তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : তালায় বে-সরকারী সংস্থা জাগরনী  চক্র ফাউন্ডেশন’র বাস্তবায়নে ও  ইউনিসেফ’র অর্থায়নে ঝরে পড়া শিশুদের শিক্ষাদানের জন্য  উপজেলায় ৭৮টি এবিএল স্কুলের কার্যক্রম চলছে। সোমবার (২২ মে) সকালে তালা উপজেলার নওয়াপাড়া এবিএল স্কুলের কার্যক্রম ও লেখাপড়ার মান পরিদর্শনে আসেন ইউনিসেফের একটি প্রতিনিধি দল।
এসময়  প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব ছিলেন ইউনিসেফ কো-ফাউন্ডার কেয়ার অব ফাউন্ডেশন টেশা কাটরিনা পেজ, পাটরিজিয়া সোপিয়া-জার্মান,  এমএস ভিরা-জার্মান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ইউনিসেফ এডুকেশন হেড পাওয়ান কুচিটা, ইউনিসেফের এডুকেশন স্পেশালিষ্ট ইকবাল হোসেন, ইউনিসেফ প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম, ইউনিসেফ’র খুলনা হেড ফিল্ড অফিসার মোঃ কপিলউদ্দিন, ইউনিসেফ এডুকেশন অফিসার মোঃ তানভিরুল ইসলাম, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের প্রকল্প পরিচালক সেলিম চৌধুরী, প্রজেক্ট ডিরেক্টর ফিরোজ রহমান, জেলা কো-অর্ডিনেটর বদরুল আলম, উপজেলা কো-অর্ডিনেটর নাজমা খাতুন প্রমুখ ।

এসময় প্রতিনিধি দলটি এবিএল পরিদর্শন শেষে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং  এবিএল স্কুলের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে শিক্ষার গুনগত মান অব্যহত রাখতে অভিভাবকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1d598544f3977f9574520e43589a6fef-5922c9bce379cসাতক্ষীরার দুই ক্রিকেটার সৌম্য ও মোস্তাফিজে ভর করে বাংলাদেশ সদ্য জয় পেয়েছে আইরিশদের বিরুদ্ধে। ত্রিদেশীয় সিরিজে চেনা ছন্দে ফিরেছেন মোস্তাফিজুর রহমান। বাংলাদেশের তথা সাতক্ষীরার এ বাঁহাতি পেসার দুই ম্যাচে বল হাতে নিয়ে জাদু দেখিয়েছেন। যার স্বীকৃতি পেলেন আইসিসির কাছ থেকে। ‘দ্য ফিজ’ ক্যারিয়ার সেরা র‌্যাংকিংয়ে জায়গা পেয়েছেন সোমবার।
আইসিসি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বোলিং র‌্যাংকিংয়ে ১৮ নম্বরে উঠে এসেছেন মোস্তাফিজ। ৫৮৩ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে তিনি ১৩ ধাপ ওপরে উঠেছেন। আয়ারল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন জাতির সিরিজে মোস্তাফিজ ৬ উইকেট নিয়েছেন। সিরিজের শেষ ম্যাচে আগামী বুধবার নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।
আইরিশদের বিপক্ষে প্রতিযোগিতার প্রথম ম্যাচে বোলিং করার সুযোগ পান নি মোস্তাফিজ। কারণ বাংলাদেশের ইনিংসের মাঝপথে বৃষ্টি শুরু হলে পরিত্যক্ত হয় ম্যাচ। দ্বিতীয় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২ উইকেট নেন ৩৩ রান দিয়ে। ৯ ওভারের একটি দিয়েছিলেনে মেডেন। যদিও ব্যাটিং ব্যর্থতায় ম্যাচটি হেরে যায় বাংলাদেশ। আর সর্বশেষ ম্যাচে বাংলাদেশের ৮ উইকেটের জয়ে অন্যতম অবদান ছিল মোস্তাফিজের। আয়ারল্যান্ডকে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে ১৮১ রানে গুটিয়ে দিতে ৯ ওভারে ২৩ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। ম্যাচসেরার পুরস্কারও জেতেনে মোস্তাফিজ।

ব্যাটসম্যানদের র‌্যাংকিংয়েও বাংলাদেশের জন্য সুখবর দিয়েছে আইসিসি। ত্রিদেশীয় সিরিজের গত দুই ম্যাচে নিউজিল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন সৌম্য সরকার। কিউইদের বিপক্ষে ৬১ রানের পর আয়ারল্যান্ডকে হারাতে ৮৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন এ ওপেনার। র‌্যাংকিংয়ে ৭ ধাপ উন্নতি হয়েছে তার। এখন তিনি ২৭ নম্বরে।

অলরাউন্ডার র‌্যাংকিংয়ে যথারীতি শীর্ষে আছেন সাকিব আল হাসান। সূত্র- আইসিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

66fff1c1d0dfa3229b048e9b04eefa02-আগামী চার দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, ‘টাওয়ার ভেঙে যাওয়া, ১০টি পাওয়ার প্ল্যান্ট রক্ষণাবেক্ষণে থাকা ও গ্যাসের স্বল্পতার কারণে চাহিদামতো বিদ্যুৎ দেওয়া যাচ্ছে না। আগামী চার দিনের মধ্যে রক্ষণাবেক্ষণে থাকা বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো উৎপাদনে আসবে। এতে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে।’
সোমবার সচিবালয়ে বিদ্যুতের উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার সার্বিক কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা সভা শেষে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এসব কথা বলেন।
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা উচিত। লোড ম্যানেজমেন্টে লোডশেডিং সমানুপাতিক হারে করতে হবে।’ গ্রাহক ভোগান্তি কমাতে পাওয়ার সিস্টেম মাস্টার প্ল্যানের আওতায় অ্যাকশন প্ল্যান নির্ধাণের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘প্রতিটি বিতরণ সংস্থার ডিমান্ড (চাহিদা) অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন করা প্রয়োজন। লোডশেডিং করতে হলে আগেই গ্রাহকদের জনাতে হবে।’
রোজার সময় সার্বিক পরিস্থিতি উন্নত করতে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার এবং মন্ত্রণালয় থেকে এসব কাজ পর্যবেক্ষণ করার নির্দেশনা দেন প্রতিমন্ত্রী। এছাড়া, উন্নত ডিমান্ড ম্যানেজমেন্ট নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে গ্রাহকদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করতে বিতরণ সংস্থাগুলোকে আহ্বান জানান তিনি।

সভায় সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণে থাকা বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো পর্যবেক্ষণ করার জন্য যুগ্ম সচিব শেখ ফয়েজুল আমীন এবং এলএনডিসি বিতরণ সংস্থাগুলোকে কিভাবে, কী পরিমাণ বিদ্যুৎ দিচ্ছে তা পর্যবেক্ষণ করার জন্য যুগ্ম সচিব এ কে এম হুমায়ুন কবীরকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

e5c7a76253fb871fa3d28d8fd2ead03f-5922c1319b194সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত আরব-ইসলামিক-আমেরিকান শীর্ষ সম্মেলনে ইরানবিরোধী অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ।

রবিবার (২১ মে) অনুষ্ঠিত এ শীর্ষ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, সন্ত্রাসবাদবিরোধী সৌদি জোটের ৪১টি রাষ্ট্রসহ ৫৫টি দেশের শীর্ষ ও উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এ সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার (২০ মে) রিয়াদে পৌঁছান।

সম্মেলন শেষে যৌথ বিবৃতিতে ইরানের উদ্দেশে বলা হয়, ইরান সরকার মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। এসময় অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ইরানের নাক গলানোর প্রচেষ্টার নিন্দা জানানো হয়।

যৌথ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সম্মেলনে অংশ নেওয়া দেশগুলো এ অঞ্চলের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এসব দেশ ইরানের ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘২০১৫ সালের মার্চে বাংলাদেশ দীর্ঘদিনের নীতি থেকে সরে এসে ইয়েমেনে সৌদি সামরিক অভিযানকে সর্বান্তকরণে সমর্থন করে। রিয়াদের শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন দেখে ধারণা করা হয়েছিল, ইরানবিরোধী বক্তব্য এখানে প্রাধান্য পাবে এবং সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশই ইরানের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে।’

এ শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের উপস্থিতি ইরানবিরোধী অবস্থান বলে প্রতীয়মান হয় কিনা, জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রতিটি দেশের নিজস্ব জাতীয় স্বার্থ আছে এবং বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘মুসলিম বিশ্বের অত্যন্ত প্রভাবশালী একটি দেশ সৌদি আরব। দেশটিতে প্রায় ২০ লাখ বাংলাদেশি কর্মরত।’ বর্তমান প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মতের মিল বাংলাদেশকে আরও সুবিধাজনক অবস্থানে নিয়ে যাবে বলে মনে করেন তিনি।

বিষয়টি ব্যাখা করতে গিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী নীতির প্রতি বাংলাদেশের সমর্থনমূলক মনোভাব ঢাকাকে এ দু’টি দেশের কাছাকাছি নিয়ে যাবে।’

২০১৪ সালের নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সমালোচনা করেছিল। তবে আগামী জাতীয় নির্বাচনের ফলাফলে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিবাচক মনোভাব চাইবে সরকার।

বাংলাদেশকে সামরিক সহযোগিতা দিতে হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সবসময় জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে সামরিক সহযোগিতা দিয়ে এসেছে। কিন্তু এখন সেই অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। আমাদের প্রকাশ্য অবস্থান হচ্ছে—পবিত্র শহর মক্কা বা মদিনা হামলার শিকার হলে বাংলাদেশ সৈন্য পাঠাতে প্রস্তুত।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সৌদি আরবে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত আব্দুল মোমেন চৌধুরী বলেন, ‘সৌদি আরবকে অসন্তুষ্ট করলে বাংলাদেশের জন্য অনেক অসুবিধা তৈরি হবে।’ ১৯৯০ সালের উদাহারণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘কুয়েত যুদ্ধে সৌদি আরবকে সমর্থন দেয়নি ইয়েমেন এবং সে কারণে কয়েক দিনের ব্যবধানে ১০ লাখ ইয়েমেনি শ্রমিককে সৌদি আরব থেকে বিতারিত করা হয়।’

সাবেক এই রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নির্বাচনি প্রচারের সময় থেকেই ইরানের বিরোধিতা করে আসছিলেন এবং সৌদি আরবের সঙ্গে মিলে সেটি একটি বর্ধিত রূপ পেয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি ছোট রাষ্ট্র। তাই জাতীয় স্বার্থকে মাথায় রেখেই আমাদের কূটনীতি চালাতে হবে। যেমন, সৌদি আরব বা ইরান কেউ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়নি। ফলে ঢাকার পক্ষে এদের কারও বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়াটা কঠিন।’

বর্ষীয়ান এই কূটনীতিক বলেন, ‘সৌদি আরবের এই জোট ইরানবিরোধী একটি রূপ নিয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি এ প্রচেষ্টাকে সমর্থন দেওয়ার সামিল।’ পরবর্তী সময়ে যেন দু’পক্ষের কারও প্রতিই পক্ষপাতিত্ব না করতে হয়, সেজন্য এখন থেকেই বাংলাদেশের আগ্রাসী কূটনীতি অবলম্বন করা উচিত বলে মত দেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

bf517aa174dbc3e6f32ac27a426d55cf-59229e2a4f22cলিবিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে বিমানবাহিনীর একটি ঘাঁটিতে হামলায় ১৪১ জন নিহত হয়েছেন। ‘লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি’র দাবি,  নিহতদের অধিকাংশই তাদের গোষ্ঠীর অনুগত সেনা। স্থানীয় বিদ্রোহী নেতা খলিফা হাফতার লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির শীর্ষ ব্যক্তি।
মার্কিন হস্তক্ষেপে লিবিয়ার সমাজতন্ত্রপন্থী শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফি নিহত হওয়ার পাঁচ বছর পরেও থেমে থেমে সে দেশে লড়াই চলছে। এক দিকে রয়েছে জাতিসংঘ সমর্থিত সরকারের বাহিনী। অন্য দিকে বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
বিদ্রোহী নেতা খলিফা হাফতারের মুখপাত্র দাবি করেছেন, শনিবার বারাক আল-শাতি বিমান বাহিনীর ঘাঁটিতে অতর্কিতে হামলা চালায় সরকারের অনুগত বাহিনী। তখন কুচকাওয়াজ থেকে ফিরছিলেন বিদ্রোহী সেনার বেশ কিছু সদস্য। তাদের অনেকে নিরস্ত্রও ছিলেন। এ হামলায় ওই ঘাঁটিতে কাজ করেন এমন কিছু স্থানীয় বাসিন্দাও নিহত হয়েছেন।
বিদ্রোহী নেতা খলিফা হাফতারের ‘লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি’ জাতিসংঘ সমর্থিত সরকারের কর্তৃত্ব স্বীকার করে না। পূর্ব লিবিয়ায় ঘাঁটি গেঁড়ে থাকা বিদ্রোহী ‘সরকারের’ মদত রয়েছে তাদের পিছনে। সম্প্রতি আবুধাবিতে দু’পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা হয়েছে। তার মধ্যেই বারাক আল-শাতিতে হামলার নিন্দায় সরব হয়েছে বিশ্বও।
জাতিসংঘের বিশেষ দূত মার্টিন কবলার ও লিবিয়ায় ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত পিটার মিলেট দোণীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
পূর্ব লিবিয়ার বিদ্রোহী ‘সরকার’ জানিয়েছে, এই হামলায় আবুধাবির শান্তি সমঝোতা লঙ্ঘিত হয়েছে। তাই পাল্টা ব্যবস্থা নিতে নিজেদের বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন তারা। দক্ষিণ লিবিয়ায় সব বিরোধী মিলিশিয়াকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে।

কূটনীতিকরা বলছেন, দক্ষিণ লিবিয়ার প্রধান শহর সেওয়ায় ‘থার্ড ফোর্স’-এর একটি বিমানবাহিনী ঘাঁটিতে এক মাস আগে হাফতারের বাহিনী হামলা চালিয়েছিল। তার বদলা নিতেই এ হামলা চালানো হয়ে থাকতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

WP_20170521_22_00_22_Pro (Large)
নিজস্ব প্রতিবেদক: বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ ছাড়া ব্যাটারি ও ইঞ্জিনচালিত মোটর ভ্যান, নসিমন , করিমন, আলমসাধু আটকের অভিযানের প্রতিবাদ, ভূমিহীন ও মৎস্যজীবীদের মধ্যে সরকারি খাস জমি ও জলমহল ইজারা প্রদান, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের সামনে শিক্ষার পরিবেশ বিঘœকারি বাইপাস সড়কের সংযোগ ও পশ্চিম পাশে ট্রাক টার্মিনাল বন্ধসহ ১০দফা দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সোমবার সকাল ১০ টায় জেলা নাগরিক কমিটি সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি পালন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর এক স্মারকলিপি প্রদান করে। মানববন্ধন কর্মসূচি চলাকালে সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক আনিসুর রহিমের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমাণ্ডের সভাপতি মোশারফ হোসেন মশু, জেলা নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আবুল কালাম আজাদ, নাগরিক কমিটির সদস্য আনোয়ার জাহিদ তপন, সাবেক অধ্যক্ষ আশেক-ই এলাহী, জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খালিদুর রহমান, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সাতক্ষীরা জেলা শাখার সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য জেলা রিক্সা-ভ্যান শ্রমিক ঐক্য সমন্বয় পরিষদের আহবায়ক অ্যাড. ফাহিমুল হক কিসলু, গণফোরমের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাংগঠণিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের একাংশের সভাপতি সুধাংশু শেখর সরকার, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমাণ্ডের সাধারণ সম্পাদক লায়লা পারভিন সেজুতি, স্বদেশ এর নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল বাসদের একাংশের সমন্বায়ক নিত্যানন্দ সরকার, রিক্সা ভ্যান শ্রমিক নেতা রেজাউল ইসলাম, মোমিন হাওলাদার, হাবিবুর রহমান মিলন প্রমুখ। বক্তারা বলেন, গত ১৫ মে থেকে প্রশাসনের উদ্যোগে ব্যাটারি ও ইঞ্জিনচালিত ভ্যানসহ বিভিন্ন ধরণের যানবাহন আটক করে তাদের রুটি রুজির পথ বন্ধ করে দিয়েছে। কর্মহীন হয়ে তারা মানবেতর জীবন যাপন করছে। এ ছাড়া স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ সকলকে আগের ভাড়ার তুলনায় তিনগুন খরচ করে পায়ে চালিত ভ্যান, ইজিবাইক বা ইজিবাইকে করে গন্তব্যস্থলে পৌঁছাতে হচ্ছে। অনেক সময় শহরের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ওইসব যানবাহন যেতে অপারগতা প্রকাশ করায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। তাই ব্যাটারি চালিত ভ্যান, ইঞ্জিন চালিত ভ্যান, নসিমন, করিমনসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে বিকল্প যানবাহন ও বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। গত এক সপ্তাহে পুলিশের অভিযানে আটককৃত ওইসব যানবাহন তাদের প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে। এ ছাড়া পৌরসভার বাইরে ওইসব যানবাহন চলাচলের উপর কোন নিষেধাজ্ঞা না রাখার আহবান জানান বক্তারা। তবে যানবাহন ধরার পর ছেড়ে দেওয়ার জন্য পুলিশের ব্যাপক অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ করা হয়। বিদ্যুতের তীব্র লোডশেডিং এর প্রতিকারের আবেদন জানান বক্তারা। দুপুর ১২টায় মানববন্ধন শেষে অ্যাড. ফাহিমুল হক কিসলুর নেতৃত্বে একটি মিছিল সাতক্ষীরা কালেক্টরেট অফিসে যাওয়ার সময় সদর থানার সামনে পুলিশ তা আটকে দেয়। একপর্যায়ে নাগরিক কমিটির নেতৃবৃন্দ সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর এক স্মারকলিপি পেশ করেন। এ সময় জেলা প্রশাসক বিদ্যুতের সমস্যা শুধুমাত্র সাতক্ষীরার সমস্যা নয়,একটি বৃহত্তর সমস্যা উল্লেখ করে সমস্যা সমধানে কি কি কাজ করা হচ্ছে তার ব্যাখ্যা দেন। সাতক্ষীরাকে পরিচ্ছন্ন রাখতে সুন্দর করে গড়ে তুলতে ব্যাটারি ভ্যানের পরিবর্তে রিক্সা প্রচলনে উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। নাভারন থেকে মুন্সিগঞ্জ পর্যন্ত রেললাইন নির্মানের কাজ, ২০১০ সালে যেভাবে বাইপাস সড়কের নক্সা করা হয়েছিল সেভাবেই কাজ চলছে বলে জানান। তবে প্রয়োজনে বাইপাস সড়কের নক্সার পরিবর্তন আনতে স্থানীয় সাংসদের নিয়ে উদ্যোগ নেওয়ার কথা তুলে ধরেন। তবে সাতক্ষীরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, ভোমরা বন্দরকে পূর্ণাঙ্গবন্দরে রুপান্তর ও সকল ধরণের পণ্য এ বন্দর দিয়ে আমদানি ও রপ্তানির বিষয়টি আলোচিত হয়। সুন্দরবনকে ঘিরে পর্যটন শিল্পের বিকাশ, জলাবদ্ধতা দূরীকরণে বেতনা, প্রাণসায়র, মরিচ্চাপ, সাপমারা, লাবণ্যবতীসহ সকল নদী ও খাল খনন করে জোয়ার ভাটা চালুর স্বপক্ষে যশোরের ঠিকাদারদের আধিপত্য থাকায় কিছুটা সমস্যার কথা তুলে ধরেন জেলা প্রশাসক। এ ছাড়া জেলার খারাপ হয়ে যাওয়া রাস্তাঘাট মেরামত ও মেডিকেল কলেজ পূর্ণাঙ্গ রুপে চালু করার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে বলে জেলা প্রশাসক উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে অবহিত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

New Image2 copy

ডেক্স রিপোর্ট: ঢাকার শাহবাগে জয়ন্তী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে অংশগ্রহণ করেন সাতক্ষীরা ছেলে সন্তান কামরুজ্জামান সোহাগ। ‘আলোকিত মানুষ হব, সুন্দর পৃথিবী গড়ব’ শ্লোগানের মধ্যদিয়ে রবিবার শাহবাগে পাবলিক লাইব্রেরীর ভিআইপি সেমিনার হলে রবীন্দ্র- নজরুল জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষ্যে এ আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী সাংস্কৃতিক জোটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি মোশাররফ হোসেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিৃসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরার কলারোয়ার কৃতি সন্তান কামরুজ্জামান সোহাগ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest