নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের অন্যতম সহ-সভাপতি, ফিংড়ী ইউনিয়নের বার বার নির্বাচিত সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবুল খায়ের সরদারকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত।
শুক্রবার তাকে দেখতে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটের সিসিইউতে যান বিশিষ্ট সাংবাদিক দৈনিক প্রথম আলোর স্টার্ফ রিপোটার কল্যাণ ব্যানার্জি, দৈনিক আজকের সাতক্ষীরার সম্পাদক মহসিন হোসেন বাবলু, সাতক্ষীরা রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য সচিব ও ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, দৈনিক আজকের সাতক্ষীরার সহ সম্পাদক শেখ তহিদুর রহমান ডাবলুু, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক, ডেইলি সাতক্ষীরার ব্যাবস্থাপক হাসান হাদি ।
এসময় তারা মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের সরদারের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার খোজ খবর নেন ও তার দ্রুত আরগ্য কামনা করেন।

বুধহাটা প্রতিনিধি : আশাশুনির বুধহাটা ইউনিয়নের কুঁন্দুড়িয়া-জর্দ্দা নদী পারাপারের সাঁকোর মুখের রাস্তা অবমুক্ত করনের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসি।
নিজস্ব প্রতিবেদক : পৌর ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার বিকালে শহরের পলাশপোল (চায়না বাংলা শপিং সেন্টারের বিপরীতে) ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতির নিজস্ব কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সরদার কালাম : এ দুর্ভোগের শেষ কোথায়, আর কতকাল আমাদের এ দুর্ভোগ পোহাতে হবে, এ গলিমুখ রাস্তা দিয়ে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে শুরু করে নিম্নস্তরের কর্মচারীরা প্রতিদিন যাতায়াত করে থাকেন এবং বসবাস করে স্থানীয় জনবসতি।বসবাস করছে ব্যবসায়ী মহল, চলাচল করে এই রাস্তার দু’ধারের গলিমুখ দিয়ে যেতে হয় একদিকে অবস্থিত খোরদো বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, খোরদো সালেহা হক গার্লস স্কুল, খোরদো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীসহ খোরদো ক্যম্প এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিনিয়ত চলাচল! অপর গলিমুখ দিয়ে যেতে হয় খোরদো বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, তরকারি পট্টি, মাছ পট্টি, মাংস পট্টি, চাউল পট্টিসহ সকল কাঁচা পাঁকা মালের পাইকারি ও খুচরা দোকান পাঠে স্থায়ী ও অস্থায়ী জনসাধারণের চলাচল! এই রাস্তার দু’ধারে অবস্থিত গলিমুখ যদি এভাবেই পড়ে থাকে এবং বেশ কিছু দিন বৃষ্টি নামতে থাকে তাহলে খুব তাড়াতাড়ি রাস্তা ভেদ করে দুই গলিমুখ এক হয়ে রাস্তা বন্ধ হয়ে যাবে এবং কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত খোরদো চাকলা বর্ডার গার্ড ব্রিজ ও রাস্তায় চলাচলে জনদুর্ভোগের সম্মুখীন হতে হবে। তারপরও কি এ রাস্তার দু’ধারের গলিমুখ সংস্কার হবে না? প্রশ্ন রেখে কথাগুলো বললেন স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুল হামিদ,আব্দুল আলিমসহ স্থানীয় বসবাসরত বাসিন্দা আনিসুর রহমান,শহিদুল ইসলামসহ স্থায়ী ও অস্থায়ী বসবাসরত জনগণ ও চলতি পথিক। জানা যায়,খোরদো চাকলা বর্ডার গার্ড ব্রিজ থেকে মাত্র ৮০ থেকে ১০০ গজের দুরত্ব এই দুটি গলিমুখ।দীর্ঘদিন ধরে মরণফাঁদে পরিণত হয়ে রয়েছে এই গলিমুখ দুটি। এই গলিমুখ ভাঙ্গনে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় ভুক্তভোগীদের! অনেক ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে আবাল বৃদ্ধ এবং সাইকেল মটর সাইকেলসহ অন্যান্য যান্ত্রিক জিনিস পত্র উঠা-নামা করাতে হয়। অনেক সময় অবস্থিত রবি টাওয়ারের বিভিন্ন্য উপকরণ নিয়ে ভোগান্তি পায় কতৃপক্ষ। বৃষ্টির পানি নামতেই ভাঙ্গনের ফলে নানান দুর্ভোগ পোহাতে হয়। গলিমুখ রাস্তা ভেঙে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই গলিমুখ রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়। তারপরও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হয় পথচারীদের। উপরল্লেক্ষিত সকল প্রতিষ্ঠানে যেতে যে কোনো স্থান থেকে এ গলিমুখসহ রাস্তার ভুমিকা অনেকগুন বহন করে। এত জনগুরুত্বপূর্ণ হওয়ার পরও দীর্ঘদিন যাবৎ গলিমুখ দুটির রাস্তাটি জরাজীর্ণ হয়ে থাকলেও এটি সংস্কারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো নজর নেই। স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুল হামিদসহ অন্যান্যরা বলেন, রাস্তাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করে থাকেন। একটু বৃষ্টি হলেই আমার দোকানের ভিতরে পানি ঢুকে পড়ে গলিমুখ রাস্তা ভাঙ্গনের কারনে।সেই সাথে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে রোডক্রসিং বৈদ্যুতিক তারের জীবন নাশক ভয়াবহ হুমকির মুখে! এতে একদিকে আমরা ব্যবসায়ীরাও ভোগান্তির শিকার হই। অপরদিকে পথচারীরাও দুর্ভোগে পড়েন।দুর্ভোগে পড়তে হয় যানবাহন চালকেদেরকে!ঐ একই খোরদো বাজার কেন্দ্রিক বসবাসরত দেয়াড়া ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম মিলনকে এবিষয়ে অবহিত করলে তিনি বলেন, এই গলিমুখ রাস্তাটি নিঃসন্দেহে জনগুরুত্বপূর্ণ। এ রাস্তা মেরামতের জন্য আমরা চেষ্টা করছি!আমি নিজেও এব্যাপারে পরিষদে আলোচনা করবো এবং ইউনিয়ানের সংস্কারমুলক কোনো বাজেট আসলে এটি সংস্কারের চেষ্টা করবো বলে সন্তষ্টজনক কথা জানান ঐ এলাকার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের। তার পরেও কেন হচ্ছে না তা বোধগম্য নয় বলে আলোচনা করে ভুক্তভোগীরা।
ধুলিহর প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুরে পল্লী বিদ্যুতের বকেয়া বিলের কারন দেখিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের নামে উৎকোচ আদায়ের চেষ্টাকালে এক কর্মকর্তা লাঞ্চিত হয়েছে। এ ঘটনাকে ওই কর্মকর্তা ভিন্নখাতে প্রবাহের চেষ্টা চালাচ্ছে। এ নিয়ে রীতিমত পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। জানা যায়, ব্রহ্মরাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ অভিযোগ কেন্দ্রের মাঠ কর্মী নাঈম ইসলাম বৃহস্পতিবার সকালে পোশাক ছাড়াই সাদা পোশাকে স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের দালাল উমরাপাড়া গ্রামের নুর আলী কারিকরের পুত্র শফিকুল ইসলামকে সাথে নিয়ে কালেরডাঙ্গা গ্রামের কয়েক বাড়িতে বকেয়া বিলের কারন দেখিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে যায়। এ সময় বিল পরিশোধ থাকা স্বত্বেও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ভয় দেখিয়ে অনেক গ্রাহকের কাছ থেকে উৎকোচ গ্রহন করে। এদের মধ্যে কালেরডাঙ্গা গ্রামের বাবর আলী সরদারের স্ত্রী নাছিমা খাতুনের নিকট থেকে পাঁচশত টাকা, হবিবর রহমানের স্ত্রী সালমা খাতুনের নিকট থেকে পাঁচশত টাকা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ভয় দেখিয়ে উৎকোচ গ্রহন করে বলে এ প্রতিবেদকের কাছে অভিযোগ করে। তবে ওইসব গ্রাহকরা জানায়, তাদের সবার বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ থাকার পরও ঝামেলা এড়াতে ভয়ে টাকা দিয়েছি। একইভাবে কালেরডাঙ্গা গ্রামের ব্যাংক কর্মকর্তা মৃত হায়দার আলীর পুত্র ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক অলিউর রহমান সুমনের বাড়িতে এক মাসের বিদ্যুৎ বিল বকেয়ার খাড়া মিথ্যা অভিযোগ তুলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে যায়। এ সময় সুমন বাড়িতে না থাকায় তার স্ত্রী রুনা সব বিল পরিশোধ মর্মে তাদেরকে জানালেও কর্নপাত না করে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করে। একাধিকবার অনুরোধ জানালে মাঠ কর্মী নাঈম ইসলাম দালাল শফিকুল ইসলামের মাধ্যমে এক হাজার টাকা ঘুষ দাবী করে। ঘুষ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে শুরু হয় উভয়ের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়। একপর্যায়ে সুমনের স্ত্রী রুনাকে নাঈম ইসলাম অশ্রাব্য ভাষায় গালি-গালাজ করতে থাকলে পাশের বাড়ির লোকজন ছুটে আসলে অবস্থা বেগতিক দেখে তারা পালানোর চেষ্টা করে। পালাতে গিয়ে নাঈম ইসলাম পড়ে গিয়ে কিছুটা আহত হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে চলে এসে কর্তব্য কাজে বাঁধা দান ও তার উপর হামলা হয়েছে বলে সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে অভিযোগ করে। খবর পেয়ে সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনার পরপরই পল্লী বিদ্যুতের লোকজন দালাল শফিকুল ইসলামকে সাথে নিয়ে সুমনের বাড়ির বৈদ্যুতিক মিটারটি জোরপূর্বক খুলে নিয়ে এসেছে বলে জানা গেছে। এদিকে আসল ঘটনা ধামা-চাপা দিয়ে একজন নিরীহ মানুষকে হয়রানীর চেষ্টায় পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকদের মাঝে দারুন ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে মিথ্যা হামলার ঘটনা সাজিয়ে সুমনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছে। সুমন জানায়, আমার সব বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ রয়েছে। বাক-বিতন্ডা ছাড়া কিছুই হয়নি। অথচ থানায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমাকে হয়রানী করার চেষ্টা চলছে। অপরদিকে ব্রহ্মরাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ অভিযোগ কেন্দ্রের মাঠ কর্মী নাঈম ইসলাম জানায়, উৎকোচ গ্রহনের অভিযোগটি সঠিক নয়। ইউনিফর্ম ছাড়া দায়িত্ব পালন করা যায় কিনা এমন প্রশ্নেরও কোন সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি। তবে বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর তিনি সরাসরি এড়িয়ে যান। সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি (তদন্ত) আবুল হাশেম অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার প্রথিতযশা সাংবাদিক আবদুল মোতালেব একটি অদর্শের নাম, একটি স্মরণীয় নাম। আবদুল মোতালেব একটি অনুকরনীয় দৃষ্টান্ত, আমাদের চলার পথের এক আলোকরশ্মির নাম আবদুল মোতালেব। প্রয়াত এই সাংবাদিক তার কর্মের মধ্য দিয়ে চিরঞ্জীব হয়ে থাকবেন। তাকে স্মরণে রেখেই আমাদের পথচলা । প্রয়াত এই গুনী সাংবাদিক আবদুল মোতালেব তার জীবদ্দশায় যে সমাজকর্ম করে গেছেন তার মধ্যেই তিনি বেঁচে থাকবেন। তার আদর্শ ও চলার পথ অনুসরন করে নতুন প্রজন্মকে শিক্ষা গ্রহন করতে হবে।
আসাদুজ্জামান : প্রায় দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাতক্ষীরা কালিগঞ্জ থেকে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থার এক কর্মকর্তাকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃত ওই কর্মকর্তার নাম নাজমুল হাসান মিন্টু। শুক্রবার দুপুরে কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের তার নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।
খন্দকার আনিসুর রহমান আনিস : ব্যাপক অনিয়মের পর এলাকাবাসীর চাপের মূখে যেনতেন করে তৈরী করা রাস্তার ইট তুলে নিয়ে পুনরায় সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। পুনরায় শুরু করেছে অনিয়ম। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মাছখোলা ব্রীজ সংলগ্ন দুই পাড়ের মোট ৫‘শ’ মিটার রাস্তায় হয় এ অনিময়।