ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি কালিগঞ্জ : কালিগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি শনিবার থেকে। ইতোমধ্যে অনলাইনের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যগণ আবেদনপত্র জমা দেয়া শুরু করেছেন, উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই বাছাই করা হবে। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কালিগঞ্জ উপজেলা কমান্ড সূত্রে জানা যায়, সর্বশেষ তালিকা অনুযায়ী উপজেলায় ৪৫৬ জন মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক তালিকা নিশ্চিতকরণের জন্য সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সম্প্রতি বিভিন্ন উপজেলায় নতুন করে যাচাই বাছাই কমিটি গঠন করা হয়েছে। কালিগঞ্জ উপজেলায় কমিটি গঠনের লক্ষ্যে সাবেক সংসদ সদস্য একে ফজলুল হককে সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসানকে সদস্যসচিব করে ৭ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটির অন্যান্যরা হলেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কালিগঞ্জ উপজেলা কমান্ডের কমান্ডার ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্জ্ব শেখ ওয়াহেদুজ্জামান, ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল হাকিম, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর শেখ আবুল হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী সরদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার। এই কমিটি ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে কালিগঞ্জ উপজেলা এলাকায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা চুড়ান্তকরণের লক্ষ্যে যাচাই বাছাই করবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান :  সাতক্ষীরা জেলার একটি প্রসিদ্ধ ফলের নাম কুল। এ জেলার নাম করণে গানিতিক ভাবে যে সাতটি জিনিস প্রসিদ্ধ তার মধ্যে কুল একটি অন্যতম ফল। জেলার প্রসিদ্ধ সাতটি জিনিস হল, কুল, ওল, আম, ঘোল, সন্দেশ, মাদুর ও গাছের কলম। আর তাই সাতক্ষীরা জেলায় বানিজ্যিক ভাবে চাষ করা হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতের কুল। জেলার চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকা ও চট্রগামসহ বিভিন্ন জেলাতে সরবরাহ করা হচ্ছে এই কুল। চলতি মৌসুমে জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক হারে কুল চাষ করা হয়েছে। এবার উৎপাদনও বাম্পার হয়েছে বলে জানান চাষীরা। সল্প সময়ের অধিক লাভজনক এ ফসলটি চাষে কৃষকদের মধ্যে খুবই আগ্রহ বাড়ছে বলে জানান জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর। সাতক্ষীরার বাউ, নারিকেল,গাব, বিলেতি ও আপেলকুলসহ বিভিন্ন প্রকার কুলের সুনাম রয়েছে দেশে বিদেশে। বর্তমানে  হাইব্রীড এ সব কুল বানিজ্যিক ভিত্তিতে চাষ শুরু হওয়ায় ও লাভজনক বেশী  হওয়ায় জেলায় এর চাষ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। স্বল্প খরচ ও ঝুকি কম থাকায়  জেলার বেকার যুবসমাজ ও চাষীদের একটি বিরাট অংশ এ কুল চাষের দিকে ঝুকে পড়েছে। কুল চাষ করে এ জেলার অনেকেই তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটিয়ে দুর করেছে বেকারত্ব ,সৃষ্টি করেছে নুতন কর্মসংস্থানের। সাতক্ষীরার বাউ, নারিকেল, বিলেতিসহ বিভিন্ন প্রজাতের কুল দির্ঘদিন ধরে তার ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। দেশে বিদেশে দিন দিন এর চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলায় এর চাষ ও বৃদ্ধি পাচ্ছে। গতবছর এ জেলায়  সর্বমোট ৪৯০ হেক্টর জমিতে ৩ হাজার ৪৩০ মে.টন বিভিন্ন প্রজাতের কুল উৎপাদন হয়েছে। কুল উৎপাদন হয়েছিল হেক্টর প্রতি ৭ টন। চলতি বছরে এ জেলায় ৫’ শ হেক্টর জমিতে কুল চাষ হয়েছে । এবারে  হেক্টর প্রতি সাড়ে সাত থেকে আট টন কুল উৎপাদনের সম্ভবনা রয়েছে বলে মনে করেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। কুল চাষ করে এ জেলার বহু বেকার যুবক ও চাষীরা তাদের বেকারত্ব দুর করে নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটিয়েছে। স্বাবলম্বী হয়েছে অনেক পরিবার। কুল মৌসুমে এখান থেকে প্রতিদিন শতাধিক মন কুল ঢাকা বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চলে যায়। অত্যান্ত সু’স্বাদু এ মৌসুমী ফলটি দেশে বিদেশে সুখ্যাতি অর্জন করেছে। জেলায় সাধারণত: বাউ, নারিকেল,গাব, বিলেতি ও আপেল কুলের চাষ বেশী হয়। কুল চাষ করেই জেলার সহশ্রাধিক পরিবার তাদের জীবিকা নির্বাহ করে। ব্যক্তিগত উদ্যোগেই চাষীরা তাদের জামিতে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কুল চাষ করে থাকে। তবে সুষ্ঠু বিপণন ব্যাবস্থা না থাকায় কুল চাষীরা তাদের উৎপদিত কুলের ন্যায্য মুল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তারা। সরকারীভাবে জেলা কৃষি সম্প্রসারন অফিস থেকে তেমন কোন সহযোগিতা না পাওয়ায় চাষীরা কুল চাষে কিছুটা হলেও পিছিয়ে পড়ছে বলে কুল চাষীরা অভিযোগ করেছেন। তবে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে উজ্জল সম্ভাবনাময়ী মৌসুমী এ ফলের চাষ করে একদিকে যেমন এলাকায় নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হতে পারে তেমনি দেশের আভ্যন্তরীন চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের কুল চাষী আইয়ুব হোসেন জানান, পরীক্ষামুল ভাবে প্রথমে এক বিঘা জমিতে বাউকুল চাষ করেন। পরিক্ষামুলক হলেও প্রথম বছরে সব খরচ বাদ দিয়ে তার ৬৫ হাজার টাকা লাভ হয়। কৃষক আইয়ুব হোসেন আরো জানান, ফসলটি লাভজনক হওয়ায় অন্যান্য ফসল উৎপাদন কমিয়ে দিয়ে ৫ বিঘার একটি বাগান করে তাতে বাউকুল চাষ করছেন গত তিন বছর যাবত। এতে তার প্রতি মৌসুমে সাড়ে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা লাভ হয়। সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কাজী আব্দুল মান্নান জানান,  সাতক্ষীরার মাটি কুল চাষের জন্য উপযোগী। স্বল্প খরচে অধিক লাভজনক এ ফসলটি চাষে এ জেলার কৃষকদের মধ্যে খুবই আগ্রহ বাড়ছে।  তিনি আরো জানান, চলতি মৌসুমে এ জেলায় ৫’ শ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন প্রজাতের কুল উৎপাদন হয়েছে। এর মধ্যে সাতক্ষীরা সদর, কলারোয়া ও তালা উপজেলায় সবচেয়ে বেশী কুল চাষ হয়েছে। আগামী বছর কুল চাষ এ জেলায় আরো বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আরো জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর প্রতিনিধি : শ্যামনগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সেচ্ছাসেবী সংগঠন সুন্দরবন স্টুডেন্টস সলিডারিটি টিম (এস এস এস টি) এর বার্ষিক পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকাল ৪ টায় শ্যামনগর সরকারি হাসপাতাল সংলগ্ন এস এস এস টির কার্যালয়ে পরিকল্পনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত বার্ষিক পরিকল্পনা সভায় উপস্থিত ছিলেন অত্র সংগঠনের সভাপতি মোঃ মারুফ হোসেন মিলন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আল ইমরান, প্রচার সম্পাদক বিজয় কৃষ্ণ মন্ডল, ইশ্বরীপুর ইউনিট সভাপতি জগবন্ধু কয়াল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা উত্তমা মন্ডল, ভূরুলিয়া ইউনিট সভাপতি মোঃ রেজাউল করিম, সাধারণ সম্পাদক আল আমিন, এস এস এস টির সদস্য আবু মুসা, প্রসেনজিৎ মন্ডল, আব্দুল কাদের, মাছুদুর রহমান, প্রকাশ মন্ডল প্রমুখ। উক্ত বার্ষিক পরিকল্পনা সভা থেকে আগামী এক বছরের জন্য সর্বমোট ২২ টি পরিকল্পনা গৃহীত হয়। পরিকল্পনা গুলোর মধ্যে পরিবেশ রক্ষার বিষয়, শিক্ষা বিষয়, সাংস্কৃতিক চর্চা, এবং অত্র সংগঠনের সাংগঠনিক বিষয় ছিল বিশেষ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। উল্লেখ্য ২০০৯ সাল থেকে সুন্দরবন স্টুডেন্টস সলিডারিটি টিম শ্যামনগরে বিভিন্ন সেচ্ছাসেবামূলক কাজ করে আসছে। ইতোমধ্যে সংগঠনটি সেচ্ছাসেবী কর্মকান্ডের জন্য দেশে এবং বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসুচির আওতায় ১ম পর্যায়ে গৃহীত প্রকল্প সমুহের উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার সকালে সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সদরের আলিপুর ইউনিয়নে আগুনপুর এলাকায় প্রধান অতিথি হিসেবে বাঁকালের আগুনপুর খালের মাটি কাটা এ প্রকল্পের কাজ উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন। ২০১৬-২০১৭ অর্থ-বছরে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসুচি (ইজিপিপি) ১ম পর্যায়ে আগুনপুর পরিতোষের বাড়ী হতে পীচের রাস্তা পর্যন্ত পুনঃ নির্মাণ এবং ডিসি ইকো পার্কের মাটি ভরাট প্রকল্পে আলিপুর ইউনিয়নে ৯৬ হাজার ৬শ ফুট মািটর কাজ ৫ লক্ষ ৫২ হাজার টাকা বরাদ্ধকৃত অর্থে ৬৯ জন অতিদরিদ্র শ্রমিক দিনপ্রতি ২শ টাকা হারে ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে প্রদান করা হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজল, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো জালাল উদ্দিন, আলিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান ছোট ও প্রকল্প কমিটির চেয়ারম্যান ইউপি সদস্য আতাউর রহমান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা পৌরসভার ড্রেন ও রাস্তা সোলিং উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার সকালে পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের কামালনগর এলাকায় এ উন্নয়ন মূলক কাজটি প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি। শহরের কামালনগর ডাবলুর বাড়ি থেকে আধুনিক ফার্নিচার পর্যন্ত ৪০ মিটার পাকা ড্রেনসহ রাস্তা সলিং রাস্তার কাজ প্রায় ২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে পৌরসভার অর্থায়নে এ নির্মাণ কাজ করা হচ্ছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শফিকুল আলম বাবুসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

003নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরায় অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচীর আওতায় ১ম পর্যায়ে গৃহীত প্রকল্প সমুহের উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার সকালে সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সদরের আলিপুর ইউনিয়নে আগুনপুর এলাকায় প্রধান অতিথি হিসেবে বাঁকালের আগুনপুর খালের মাটি কাটা এ প্রকল্পের কাজ উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন।
২০১৬-২০১৭ অর্থ-বছরে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি) ১ম পর্যায়ে আগুনপুর পরিতোষের বাড়ি হতে পীচের রাস্তা পর্যন্ত পুনঃনির্মাণ এবং ডিসি ইকো পার্কের মাটি ভরাট প্রকল্পে আলিপুর ইউনিয়নে ৯৬ হাজার ৬শ ফুট মাটির কাজ ৫ লক্ষ ৫২ হাজার টাকা বরাদ্ধকৃত অর্থে ৬৯ জন অতিদরিদ্র শ্রমিক দিনপ্রতি ২শ টাকা হারে ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে প্রদান করা হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজল, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো জালাল উদ্দিন, আলিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান ছোট ও প্রকল্প কমিটির চেয়ারম্যান ইউপি সদস্য আতাউর রহমান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

002নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা পৌরসভার ড্রেন ও রাস্তা সলিং উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার সকালে পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের কামালনগর এলাকায় এ উন্নয়নমূলক কাজটি প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি।
শহরের কামালনগর ডাবলুর বাড়ি থেকে আধুনিক ফার্নিচার পর্যন্ত ৪০ মিটার পাকা ড্রেনসহ রাস্তা সিলিং কাজ প্রায় ২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে পৌরসভার অর্থায়নে এ নির্মাণ কাজ করা হচ্ছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শফিকুল আলম বাবুসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest