পাইকগাছা ব্যুরো : পাইকগাছায় হাচিমপুর গ্রামে কপোতাক্ষ নদের পাশে ১০ একর জমির উপর নির্মিত ইট ভাটা বিরোধকে কেন্দ্র করে আদালতে মামলা দায়ের। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে আইন শৃংখলা রক্ষার্থে ওসি পাইকগাছাকে নির্দেশ দিয়েছে। অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার দেবদুয়ার গ্রমের মৃত. আব্দুল হামিদ খানের পুত্র শাহাবুদ্দীন খান একই এলাকার আপন মামাত ভাই মৃত রউফ খানের পুত্র রুহুল আমিন কান ইটভাটা দেখাশুনা করে আসছে। একই এলাকার মৃত হাবিবুর রহমান খানের পুত্র আজম খান ও তার ভাইয়েরা চক্রান্ত পূর্বক উক্ত ইটভাটা জবর দখল করতে পারে। ইতোপূর্বে নালিশী ইট ভাটা নিয়ে পাইকগাছা থানা সহ আদালতে মামলা মোকদ্দমা হয়েছে। গত ৩০ জানুয়ারি সন্ধ্যায় আজম খান সহ তার লোকজন উক্ত ভাটা দখলের চেষ্টা করে। এরই ধারাবাহিকতায় পুনরায় দখল করতে পারে অভিযোগ এনে শাহাবুদ্দিন খান বাদী হয়ে পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে এম.আর- ১৮/১৭ নং মামলা দায়ের করলে বিজ্ঞ আদালত আইন-শৃংখলা রক্ষার স্বার্থে ওসি, পাইকগাছাকে নির্দেশ প্রদান করেছেন। এদিকে আজম খানের পক্ষে ইট ভাটার পরিচালক মৃত কালাম খানের পুত্র ছালাম খান বলেন, খুলনা জেলা যুগ্ম জজ ৪র্থ আদালত রুহুল আমিন খানের বিরুদ্ধে ইট ভাটায় প্রবেশ না করতে এবং আমাদের শান্তিপূর্ণ ভোগ দখলে বিঘœ সৃষ্টি না করতে মামলা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অন্তবর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পাইকগাছা ব্যুরো : পাইকগাছায় মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভূক্ত না করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ দাখিল। এলাকায় আলোচনা সমালোচনার ঝড়। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি এলাকার সচেতন মহলের।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পাইকগাছা উপজেলার ধামরাইল গ্রামের মৃত আব্দুর রউফের পুত্র মৃত মীর আব্দুল কুদ্দুস যুদ্ধকালীন সময়ে পাকিস্তানি শান্তি কমিটির সদস্য ছিল। সে কখনও মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে কোথাও ট্রেনিং বা কোন ক্যাম্পে অবস্থান এমনকি কোথায় যুদ্ধ না করে মুক্তিযোদ্ধাদের বিপরীতে অবস্থান ছিল। ধামরাইল গ্রামের মৃত মীর শাহাজানস আলীর পুত্র মীর হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর এবং জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল ও জেলা প্রশাসক এর নিকট অনুলিপি অভিযোগে বলেন, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা মৃত মীর আব্দুল কুদ্দুসের স্ত্রী তাসলিমা বেগম অনলাইনের মাধ্যমে তার স্বামীর নাম মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভূক্তির চেষ্টা করছে। এমনকি টাকার বিনিময়ে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ সংগ্রহ করেছে। এলাকার সচেতন মহল আবেদনটি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শেখ শরিফুল ইসলাম : সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে একুশে ফেব্র“য়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মার্তৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে আগাম প্রস্তুতি ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের হলরুমে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দীনের সভাপতিত্বে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে জেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দদের একুশে ফেব্র“য়ারির দিবসটি উদযাপনের বিষয়ের উপরে কর্মসুচির দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) এএফএম এহতেশামুল হক, জেলার বিশেষ শাখার সহকারী পুলিশ সুপার ইয়াছিন আলী, সহকারী কমিশনার দিবাশিষ সরকার, সহকারী কমিশনার এনডিসি আবু সাঈদ,জেলা তথ্য অফিসার শাহনেওয়াজ করিম, সাতক্ষীরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোদাচ্ছের আলী, জেল সুপার আবু জায়েদ, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী বিজন কুমার কর্মকার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ অহিদুল আলম, পৌর কাউন্সিলর কাজী ফিরোজ হাসান, জেলা পরিবার পরিকল্পনার উপ পরিচালক ড. রওশন আরা জামান প্রমুখ। এছাড়া হেনরি সরদার, বিশ্বজিৎ সাধু, শামীমা পারভীন রতœা, আবু আফফান রোজ বাবুসহ জেলা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তাবৃন্দ প্রস্তুতিমূলক আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর প্রতিনিধি : উপজেলার ৭৫ নং নকিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রবিবার সকাল ১০ ঘটিকায় ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে ইউনিসেফ এর অর্থায়নে দরিদ্র ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে স্কুল ইউনিফর্ম ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে অংশগ্রহণ করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি ও ৩ নং সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এড. জহুরুল হায়দার বাবু। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সভাপতি রেজওয়ানুল আজাদ নিপুন সহ ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ। অনুষ্ঠানে পনের জন শিক্ষার্থীকে স্কুল ড্রেস এবং ১১০ জন শিক্ষার্থীকে খাতা কলম বিতরণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় নাসিমবিল্লাহ নামের এক শিশুকে তার বিমাতা ভাই গলা টিপে হত্যা করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার বেলা ১১টার দিকে কলারোয়া উপজেলার কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের আটুলিয়া গ্রামে। নিহত নাছিম বিল্লাহ (০৬) আটুলিয়া গ্রামের হাসেম আলী গাজির ছেলে। এ ঘটনায় দুপুরে  সাতক্ষীরা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মেরিনা আক্তার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ঘটনায় সৎ মা হামিদা খাতুনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে হত্যাকারী সৎ ভাই রাসেল পালিয়ে গেছে। এলাকাবাসি ও নিহতের খালা নাসরিন সুলতানা জানান, বিগত ৫ বছর আগে আটুলিয়া গ্রামের হাসেম আলী তার বড় বউ হামিদা খাতুনকে তালাক দেয়। হামিদার এই ঘরে রাসেল ও লামিয়া নামের দুটি সন্তান রয়েছে। ্হামিদা তাদের নিয়ে অন্যত্র চলে যায়। কিছুদিন পর হামিদা অন্য জায়গায় বিয়ে করে ঘর সংসার করে আসছিল। সম্প্রতি রাসেল প্রায় সময় তার ছোট মা নাছিমা খাতুনের কাছে বেড়াতে যায় এবং দুই ২/১ দিন থাকার পর আবার চলে আসে। রাসেল তার মায়ের নিকট যাওয়া-আসার পর থেকে প্রায় সময় খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে তার ছোট মায়ের (সৎ মা নাছিমার) সাথে গোলযোগ করে এবং অশ্রব্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং নাসিমকে মেরে ফেলার হুমকী দেয়। এরই জের ধরে ছোট মা নাছিমা খাতুন বাড়ির পাশ্ববর্তী পটলের খেতে গেলে রাসেল তার সৎ ভাই নাসিমকে ঘরের ভিতরে ঢুকিয়ে গলা টিপে হত্যা করে দরজায় তালা মেরে পালিয়ে যায়। পরে বেলা ১২ টার দিকে নাছিমের মা পটলের ক্ষেত থেকে ফিরে ছেলেকে খুঁজতে থাকে। কিন্তু কোথাও খুঁজে না পেয়ে ঘরের তালা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে দেখতে পায় তার ছেলেকে গলাটিপে হত্যা করে কাপড় রাখার আলনা পেছনে লুকিয়ে রেখেছে। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিযৈ শিশুটির লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। নিহত শিশুটির মা নাছিমা খাতুন জানান, রাসেলের মায়ের ষড়যন্ত্রে আমার ছেলেকে রাসেল এভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় রাসেল ও তার মা হামিদা খাতুরের বিচার দাবি করেন তিনি। খোরদো পুলিশ ফাঁিড়র ইনচার্জ হাসানুজ্জামান হাসান জানান,লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত ) আখতারুজ্জামান জানান, খবর পেয়েই সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় সৎ মা হামিদা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তবে এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা দায়েরর প্রস্তুতি চলছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে জামায়াত-শিবিরের ২ কর্মীসহ ৩৮ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা থেকে রোববার দুপুর পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৯ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৮ জন, তালা থানা ৩ জন, কালিগঞ্জ থানা ৩ জন, শ্যামনগর থানা ১ জন, আশাশুনি থানা ২ জন, দেবহাটা থানা ১ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ১ জনকে আটক করা হয়। সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তের বিপরীতে ভারতের তারালী বিএসএফ ক্যাম্পে আটক তিন বাংলাদেশীকে ফেরত দিয়েছে বিএসএফ। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে উপজেলা কাকডাঙ্গা সীমান্তের মেইন পিলার ১৩/৩ সাব পিলার  ৩ এর নিকট পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের হস্তান্তর করা হয়। হস্তান্তরকৃতরা হলেন, বরিশাল জেলার ইন্দরকানি উপজেলা সদরের মোক্তার আলী মোল্যার ছেলে জাকির মোল্যা (৪০),খুলনা জেলার পাইকগাছা  উপজেলার কেণা খালি গ্রামের মৃত বল্লোবের  স্ত্রী সলক (৬৫) একই জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার বনিধোয়াকোলা গ্রামের মৃত কার্তিক মন্ডলের ছেলে সোনা মন্ডল (৪৫)। কলারোয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী কাকডাঙ্গা বিওপি’র ন্যান্স নায়েক মোখলেছুর রহমান জানান, গত শনিবার ভোরে উক্ত ব্যক্তিরা কলারোয়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে তারালী বিএসএফ ক্যাম্প এলাকায় ঘোরাফেরা করছিল। এ সময় ওই ক্যাম্পের টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদেরকে আটক করে  উপজেলার কাকডাঙ্গা বিওপিতে পত্র প্রেরন করেন। শনিবার সন্ধ্যায় ওই সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফ তাদেরকে হস্তান্তর করে।  পরে তাদের থানা পুলিশে সোর্পদ করা হয়। এ ব্যাপারে কলারোয়া থানায় একটি মামলা হয়েছে বলে থানার ওসি তদন্ত আখতারুজ্জামান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

bgb-bsfনিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তের বিপরীতে ভারতের তারালী বিএসএফ ক্যাম্পে আটক তিন বাংলাদেশীকে ফেরত দিয়েছে বিএসএফ। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে উপজেলা কাকডাঙ্গা সীমান্তের মেইন পিলার ১৩/৩ সাব পিলার ৩ এর নিকট পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের  হস্তান্তর করা হয়।
হস্তান্তরকৃতরা হলেন, বরিশাল জেলার ইন্দরকানি উপজেলা সদরের মোক্তার আলী মোল্যার ছেলে জাকির মোল্যা (৪০), খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার কেণা খালি গ্রামের মৃত বল্লোবের  স্ত্রী সলক (৬৫) একই জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার বনিধোয়াকোলা গ্রামের মৃত কার্তিক মন্ডলের ছেলে সোনা মন্ডল (৪৫)।
কলারোয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী কাকডাঙ্গা বিওপি’র ন্যান্স নায়েক মোখলেছুর রহমান জানান, গত শনিবার ভোরে উক্ত ব্যক্তিরা কলারোয়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে তারালী বিএসএফ ক্যাম্প এলাকায় ঘোরাফেরা করছিল। এ সময় ওই ক্যাম্পের টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদেরকে আটক করে উপজেলার কাকডাঙ্গা বিওপিতে পত্র প্রেরন করেন। শনিবার সন্ধ্যায় ওই সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফ তাদেরকে হস্তান্তর করে। পরে তাদের থানা পুলিশে সোর্পদ করা হয়।
এ ব্যাপারে কলারোয়া থানায় একটি মামলা হয়েছে বলে থানার ওসি তদন্ত আখতারুজ্জামান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest