যুক্তরাষ্ট্র আর নর্থ কোরিয়ার মধ্যে পাল্টাপাল্টি আক্রমণের হুমকিতে অনেকেই আশঙ্কা করছেন আরেকটি যুদ্ধের। প্রশ্ন উঠেছে: এবারের যুদ্ধেও কি নর্থ কোরিয়াকে সমর্থথ দেবে বিশ্বের দ্বিতীয় পরাক্রমশালী রাষ্ট্র চীন? নাকি চীন দুর্বল থাকবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি? এমন প্রশ্নও রয়েছে অনেকের মনে।
অতীত ব্যাখ্যা করতে গেলে দেখা যায় নর্থ কোরিয়ার একমাত্র কূটনৈতিক মিত্রের নাম চীন। আর এই চীন অনেক অনেক বছর যাবত নর্থ কোরিয়াকে সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে এসেছে। বিভিন্ন যুদ্ধের ময়দানে চীনকেই সবার আগে পাশে পেয়েছে নর্থ কোরিয়া।
এর আগে ১৯৪৯ সালে নিজেদের গৃহযুদ্ধ শেষ করে চীন। এর পরই ১৯৫০-৫৩ সালের দিকে কোরিয়ার যুদ্ধে উত্তরকে সহযোগিতা প্রদান করে তারা। নতুন সেই কমিউনিস্ট রাষ্ট্র লাখ লাখ মানুষ হারায়।
শুরুতেই নর্থ ও সাউথ কোরিয়ার ঝামেলায় চীন হস্তক্ষেপ করতে চায়নি। কিন্তু যখন ডগলাস ম্যাকআর্থারের জাতিসংঘের সেনারা নর্থ কোরিয়াকে পরাজিত করে ফেলে এবং নর্থে পাল্টা আক্রমণ চালায় তখন সহযোগিতার হাত বাড়ায় চীন। ইউএন সেনারা এই আক্রমণের সময় চীন সীমান্তের দিকেই ছিল। কিন্তু হুট করেই চীন সাউথকে আক্রমণ করে তাদেরকে সেই সীমারেখার দিকে নিয়ে যায় যে সীমারেখা দুই ভাগে কোরিয়াকে বিভক্ত করেছে।
১৯৫০-৫৩র যুদ্ধতেই প্রথম নর্থ কোরিয়ার প্রতি প্রথম সহযোগিতার হাত বাড়ায়নি চীন, এর আগে ১৫৯০ দশকের দিকেও প্রায় একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। ১৫৯২ সালের দিকে জাপান কোরিয়ার বুসানে আক্রমণ করে বসে এবং প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা শুরু করে। সেই সময় চীন কোরিয়াকে রক্ষা করে আক্রমণকারীদের পেছনে সরায় এবং পিয়ংইয়ংকে মুক্ত করে। ১৫৯৩ সালে জাপানিজ সৈন্য তুলে নেওয়ার মধ্যে দিয়ে শেষ হয় এই যুদ্ধ।
১৫৯৭ সালে আবারো জাপানের আক্রমণের শিকার হয় কোরিয়া। সেই সময়ও চীনের সহযোগিতায় এই আক্রমণ প্রতিহত করতে সক্ষম হয় তারা। এরপরের প্রায় ৩০০ বছর যাবত কোরিয়া চীনের এই সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞভাব প্রকাশ করে। কোরিয়াই চীনের ‘অভিভাবকত্বধীন (ট্রিবিউটারি)’ প্রথম রাজ্য ছিলো। অন্যদিক থেকে মিত্র হিসেবে চীনই ছিলো কোরিয়ার প্রতি পশ্চিম ও জাপানীজ ঔপনিবেশিক আচরণের বিরোধী।
১৮৯৪ সালে জাপান আবারও কোরিয়াকে আক্রমণ করে বসে, এবার ১৮৯৪-৯৫ এর সিনো-জাপানিজ যুদ্ধের অংশ হিসেবে। এবারও চীনা সৈন্যরা পিয়ংইয়ংয়ের পক্ষেই দাঁড়ায়। কিন্তু এবার তারা হেরে যায়। ১৯১০ সালে কোরিয়া তাদের স্বাধীনতা হারিয়ে ফেলে। সেটা জাপানের উপনিবেশে চলে যায়। এরপর প্রায় ২৫ বছর সেনা শাসনে থাকে তারা যা ধীরে ধীরে আরো বিষাক্ত করে তোলে জাপান ও কোরিয়ার সম্পর্ক।
এসব অতীত ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, ভালো যাচ্ছিল চীন ও নর্থ কোরিয়ার সম্পর্ক। ১৫৯৩, ১৮৯৪ এবং ১৯৫১ সালের এসব ঘটনা তুলে ধরে দুই দেশের সম্পর্কের কথা। যদিও এখন নর্থ কোরিয়া পুরোপুরি চীনের আশ্রিত রাজ্য নয়, কিন্তু নর্থ কোরিয়ার পুরো ইতিহাস চীনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। ফলে চীনের প্রভাব থেকে তার আলাদা হয়ে পড়াটা অসম্ভব।
তবে এবার নর্থ কোরিয়ার মাথার উপর থেকে যেন সহযোগিতার হাত সরছে চীনের। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ফ্লোরিডা সামিটের কয়েকদিন আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, চীন যদি নর্থ কোরিয়াকে ঠিকঠাক না করে তাহলে আমরা করবো।
জবাবে এসব সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান চেয়ে এসেছে চীন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এক ফোনালাপেও শি জিনপিং শান্তিপূর্ণ সমাধানের কথা বলেন। কিন্তু ফ্লোরিডা সামিটের ঠিক পরেই সিরিয়ায় বিমান হামলা চালিয়ে নিজের অঙ্গীকার থেকে সরে আসেন ট্রাম্প।
বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষই মনে করে মূল সমস্যাটা তৈরি করছে নর্থ কোরিয়া। পারমানবিক ক্ষেপনাস্ত্র উৎক্ষেপন, জাল বিদেশী মুদ্রা তৈরি করা, মাদক তৈরি করা এবং নিজের দেশের লোককে দেশের বাইরে মেরে ফেলার অভিযোগও রয়েছে দেশটির বিরুদ্ধে।
এসব কিছুর পরও চীনই একমাত্র নর্থ কোরিয়ার কূটনৈতিক মিত্র ছিল। কিন্তু সেই সম্পর্কটাও অনেক বেশি কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে বর্তমান সময়ে। এমন এক সমস্যা সৃষ্টিকারী সঙ্গীর সঙ্গে কিভাবে সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণ করবে চীন? যদিও শুরু থেকেই এই দুই দেশের সম্পর্কের গভীরতা যতটা বোঝা যায় তার থেকেও অনেক বেশি ছিল।
আর এখন ধীরে ধীরে নর্থ কোরিয়া চীনের অনেক বড় বোঝার কারণও হয়ে উঠছে। ফলে চীনও যে শেষ পর্যন্ত তার ধৈর্য হারাবে না তা বলা যাচ্ছে না। গত ফেব্রুয়ারিতেই চীন নর্থ কোরিয়া থেকে কয়লা আমদানি বন্ধ করেছে।
এরই মধ্যে শোনা গেছে প্রায় ১৫০,০০০ সেনাকে কোরিয়ার কাছাকাছি নিজেদের বর্ডারে পাঠিয়েছে চীন। অবশ্য এটা বানোয়াট তথ্য হিসেবেই জবাব দিয়েছে বেইজিং। গত শুক্রবার আবার কোন ব্যাখ্যা না দিয়েই হুট করেই পিয়ংইয়ং ও বেইজিংয়ের মধ্যেকার ফ্লাইটও প্রত্যাহার করে চীন।
নর্থ কোরিয়ার সঙ্গে চীনের সম্পর্কের ব্যাপারে আরেকটু বুঝে শুনে হয়তো চীন পা ফেলতে চাইবে কারণ, এখনও চীনে নর্থ কোরিয়ার কয়েক হাজার উদ্বাস্তু রয়েছে। কেউ কেউ কিমের অত্যাচারের জ্বালায় এসেছেন আবার কেউ এসেছেন কাজের খোঁজে। যদি আবার যুদ্ধ জড়িয়ে পড়ে নর্থ কোরিয়া তাহলে চীনে যে পরিমাণ কোরিয়ান ছুটে যাবে সেটা নিয়েও ভাবার বিষয় আছে চীনের।
নর্থ কোরিয়াকে আবারো বিশ্বের দিকে ফিরিয়ে আনতে এখন সবাই চীনের দিকেই তাকিয়ে আছে। কানাডার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফ্রিল্যান্ড ক্রিস্টিয়া বলেন, কেবল চীনের সঙ্গেই একটি ভালো সম্পর্ক রয়েছে কোরিয়ান নেতা কিম-জং উনের। এর আগে শি জিনপিংয়ের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণকেও অনেকে দেখছেন খুবই ইতিবাচকভাবে। এসব ঘটনা দেখেই চীনও এই দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে ভাবছে বলে মনে করছেন অনেকে।
এই সপ্তাহেও চীন সিরিয়া নিয়ে প্রস্তাবে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থেকেছে। এর আগে এই ব্যাপারে ভেটো দেয় রাশিয়াও। তার মানে রাশিয়ার সঙ্গে মোটামুটি একমত চীন। সেটাও কিছু পর্যবেক্ষককে অবাক করে দিয়েছে।
চীনের পত্রিকা গ্লোবাল টাইমসের একটি সম্পাদকীয় থেকে জানা যায় তাদের বক্তব্য। সেখানে তারা বলছে, পিয়ংইয়ংকে অবশ্যই তাদের পারমাণবিক উচ্চাশাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। তা না হলে নর্থ কোরিয়ায় চীনের তেল পাঠানো নিয়ন্ত্রণ করা হবে। নর্থ কোরিয়ার প্রতি চীনের এই ধরনের হুমকি এই প্রথম। এর আগে প্রায় একদশক চীন তাদের মিত্র নর্থ কোরিয়ার সঙ্গে চীনের তেলের চালানের ব্যাপারে কাউকে কোন বক্তব্যও দিতে দেয়নি।
এসবই নতুন করে ভাবাচ্ছে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের।

সরকার ও বিদ্রোহী বাহিনীর মধ্যে চুক্তি অনুযায়ী আটকেপড়া লোকজনদের সরিয়ে নেয়ার সময় শনিবার বাসের বহরে বোমা হামলা চালানো হয়। শিশুদের চিপস দিয়ে আকৃষ্ট করে এই হামলা চালানো হয়েছে সিরিয়ায়। শনিবারের এই বোমা হামলায় নিহত ১২৬ জনের ৬৮ জনই শিশু। এ যেনো শিশু হত্যার এক ‘মহাউৎসব’।
না, ভারত-অস্ট্রেলিয়ার বারুদে লড়াই হয়নি। তবে দুই অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও স্টিভেন স্মিথ মুখোমুখি হয়েছিলেন ভিন্ন জার্সিতে। যেখানে জয় হয়েছে অস্ট্রেলীয় অধিনায়কের। আইপিএলে নিজেদের পঞ্চম ম্যাচে কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে হারিয়েছে তার দল রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্ট।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ৩৩৯ জন খেলোয়াড়কে পুরস্কৃত করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গত ছয় মাসে যারা কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন এমন খেলোয়াড়দেরই পুরস্কৃত করা হয়।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে ১৭ এপ্রিল এক অবিস্মরণীয় দিন। এদিন ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা ও পাকিস্তান হানাদার বাহিনীকে বিতাড়িত করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত ও নির্দেশিত পথে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় অর্জনের লক্ষ্যে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ সরকার গঠন করা হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক : সরকরিভাবে বন্দোবস্তকৃত চিংড়ি ঘেরে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও জখমের ঘটনায় মামলা না নিয়ে আটককৃত হামলাকারিকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। রোববার দুপুর একটার দিকে সাতক্ষীরার ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক মোঃ নাসিরউদ্দিন তাকে ছেড়ে দেন। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিরঞ্জন মিস্ত্রি জানান, ১৯৮১ সালে তার বাবা তারক চন্দ্র মিস্ত্রী ধুলিহর মৌজার যুগিপোতা গ্রামে এক একর ১৬ শতক জমি বন্দোবস্ত নেন। ১৯৯২ সালে সাবেক ইউপি সদস্য ভৈরব সরকার আলিয়াতির মাধ্যমে ওই জমি থেকে তার বাবাকে উচ্ছেদ করেন। বাবার নেওয়া বন্দোবস্তের ৩৬ বছরের টাকা পরিশোধ করে গত বছরের ১৮ অক্টোবর ওই জমি তার নামে বন্দোবস্ত দেওয়া হয় বাংলা ১৩২৩ সনের ৩০ চৈত্র পর্যন্ত। ১৪২৪ সালের বন্দোবস্ত নেওয়ার জন্য তিনি গত বৃহষ্পতিবার সদর সহকারি ভূমি কমিশানারের অফিসে আবেদন করেন। গত ৩০ চৈত্র তার বন্দোবস্তের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরপরই তিনি নব্য আওয়ামী লীগ নেতা ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান সানা ওরফে বাবু সানার সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্য সানাপাড়ার এরফান, ইসমাইল, তুল্লুক, সাইফুলদের সঙ্গে নিয়ে শনিবার সকাল ৯টার দিকে তার মাছের ঘেরে হামলা চালায়। চিংড়ি ঘেরের বাসা ভাঙচুর ও মাছ ও মাছ ধরার সরঞ্জাম লুটপাটে বাধা দেওয়ায় তিনিসহ তার স্ত্রী অনিমা রানী মিস্ত্রী, অশ্বিনী কুমার মিস্ত্রী ও বউদি সন্ধ্যা রানী মিস্ত্রীকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করা হয়। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তির চেষ্টা করায় ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদকে মারতে মারতে বেতনা নদীর বেড়িবাঁধের উপরে নিয়ে যায় হামলাকারিরা। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে শনিবার সকাল ১০টায় হামলাকারি দিবস সরকারকে আটক করে। ইউপি চেয়ারম্যান শনিবার বিকেলে হাসপাতালে গেলে তার সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের হাতে তাকেসহ নিরঞ্জন মিস্ত্রী পরিবারের চারজন জখম হয়েছে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে হাসপাতাল চত্বরে আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল হামিদের সঙ্গে চেয়ারম্যানের হাতাহাতি হয়। হামলার বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে রোববার তাদের বিরুদ্ধে সবিতা সরকারকে দিয়ে কাল্পনিক হামলা ও মারপিটের অভিযোগ করানো হয়। বয়ারবাতান গ্রামের কাঁকড়া ব্যবসায়ি ভৈরব সরকার জানান, অশ্বিনী মিস্ত্রী তার ভগ্নিপতি। তাদের উপর হামলার খবর পেয়ে তিনি শনিবার হাসপাতালে ও থানায় যান। সঞ্জয় মিস্ত্রীর অভিযোগটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশ মত ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তা উপপরিদর্শক নাসিরউদ্দিনের কাছে শনিবার রাত ১০ টার দিকে নিয়ে যান। এ সময় ওই পুলিশ কর্মকর্তা আহসানডাঙার উদ্দেশ্যে রওনা হলে তিনি ওই কাগজটি পিওন অশোক দাসের কাছে দিয়ে যান। যদিও রোববার সকাল ১০ টায় তাকে ফাঁড়িতে ডেকে এনে গাজা ও ধর্ষণের মামলা দেওয়ার নামে তিন ঘণ্টা আটক রাখেন উপ-পরিদর্শক নাসিরউদ্দিন। পরে আটককৃত হামলাকারি দিবস সরকারকে ছেড়ে দেওয়ার শর্তে ইউপি সদস্য তপন শীলের মধ্যস্ততায় দুপুর একটার দিকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ভৈরব সরকার অভিযোগ করে বলেন, পরিকল্পিতভাবে তাকে সবিতার মামলায় গ্রেফতারের ভয় দেখিয়ে দিবস সরকারকে ছাড়ানোর জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে পরামর্শ করেই তাকে তিন ঘণ্টা আটক রাখা হয়। উপপরিদর্শক নাসিরউদ্দিন হামলাকারি সাবেক ইউপি সদস্য ভৈরব সরকারের কাছ থেকে মোটা অংকের আথিক সুবিধা নিয়ে নির্যাতিতদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। সাতক্ষীরা সদর সহকারি (ভূমি) কমিশনারের খাস জমি সংক্রান্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান, ৩০ চৈত্র বন্দোবস্তের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নিরঞ্জন মিস্ত্রী আবারো আবেদন করেছেন।
শ্যামনগর ব্যুরো : শ্যামনগরের রমজান নগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ১টি স্থগিত কেন্দ্রের ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নে ইউপি মেম্বর পদে ৯ নং ওয়ার্ডের উপ-নির্বাচনে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৬ এপ্রিল নির্বাচনে রমজান নগর ইউপি চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া প্রতীকের শেখ আল মামুন ৩৪ ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী ধানের শীষের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আকবর আলী। ২০১৬ সালে ইউপি নির্বাচনে নানান অভিযোগে এ ভোট কেন্দ্রের ভোট স্থগিত হয়। এ দিকে বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নে ইউপি মেম্বর পদে ৯ নং ওয়ার্ডের উপ-নির্বাচনে স্বপন কুমার হালদার মোরগ প্রতীকে ৫৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সত্য ভূষণ বিশ্বাস ফুটবল প্রতীকে ৩৫১ ভোট পান। এ কেন্দ্রে মোট ১০৯৪ ভোটারের মধ্যে ৮৯৭ ভোট পোল হয় এবং ৭টি ভোট বাতিল হয়। নির্বাচন উৎসব মূখর পরিবেশে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হয়েছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় বৈশাখী মেলাকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে বাঙালির প্রাণের উৎসব বৈশাখী মেলা প্রাঙ্গণে জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে এ খেলার উদ্বোধন করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এ. কে. এম আনিছুর রহমান। এসময় আখড়াখোলা ও আগরদাঁড়ীর লাঠিয়াল খেলোয়ারদের সমন্বয়ে এ খেলা প্রদর্শন করা হয়। খেলায় নেতৃত্ব দেন দলনেতা মো. আব্দুল বারী। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার ট্রেজারার শাহ্ আলম সানু, নির্বাহী সদস্য সৈয়দ হায়দার আলী তোতা, আ. ম আক্তারুজ্জামান মুকুল, জয়নাল আবদীন জোসি, কামরুজ্জামান কাজী, হাফিজুর রহমান বিটু, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য সচিব মোশফিকুর রহমান মিল্টন প্রমুখ।