c8eb31661886693e1c400d4fb3d05421-58782ff0ed76cঅনন্য এক মাইলফলকে পৌঁছালেন সাকিব আল হাসান। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজেই তুলে নিয়েছিলেন ১৫০-এর বেশি উইকেট। শুধু প্রয়োজন ছিল ৭১ রানের। শুক্রবার কিউইদের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে এই রান তুলে নিয়ে বিশ্বের ১৪তম ক্রিকেটার হিসেবে বল হাতে ১৫০ উইকেট এবং ব্যাট হাতে ৩০০০ রান করার অনন্য মাইলফলকটি স্পর্শ করেছেন তিনি।

এর আগে ক্রিকেটের এই এলিট ক্লাবে ঢুকতে পেরেছেন মাত্র ১৩ ক্রিকেটার। তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন-গ্যারি সোবার্স (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), ইমরান খান (পাকিস্তান), ইয়ান বোথাম (ইংল্যান্ড), কপিল দেব, রবি শাস্ত্রী (ভারত), ক্রিস কেয়ার্নস, ড্যানিয়েল ভেট্টোরি (নিউজিল্যান্ড), শেন ওয়ার্ন (অস্ট্রেলিয়া), চামিন্দা ভাস (শ্রীলঙ্কা)।

অন্যদিকে বাংলাদেশের তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে ৩ হাজারি ক্লাবের সদস্যভুক্ত হলেন সাকিব আল হাসান। সাকিবের আগে বাংলাদেশের এই সংস্করণে কেবলমাত্র দুইজন ক্রিকেটার রয়েছেন। তামিম ইকবাল (৩৪০৫) ও হাবিবুল বাশার (৩০২৬)। তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়েলিংটন টেস্টে এই মাইলফলকে পৌঁছালেন সাকিব। ৪৫ টেস্টে ৮৩ ইনিংসে এসে সাকিব তিন হাজারি ক্লাবের সদস্য হলেন।

কিউইদের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শুরু হওয়ার আগে সাকিবের রান ছিল ২৯২৯। ৭১ রান পেছনে থেকে সাকিব বৃহস্পতিবার মাঠে নামেন। প্রথম দিন ৫ রানে অপরাজিত থাকা সাকিব দ্বিতীয় দিনে পৌঁছে যান এই মাইলফলকে। মিচেল স্যান্টনারের বলে থার্ড পয়েন্টে বলটি ঠেলে দিয়ে ১ রান তুলে এই মাইলফলকে পৌঁছান সাকিব।

এদিকে বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে টেস্টে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক সাকিব। তার উইকেট সংখ্যা ১৫৯টি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি মোহাম্মদ রফিক। ৩৩ ম্যাচ খেলে তার উইকেট সংখ্যা ১০০। সেরা পাঁচ উইকেট শিকারের তালিকাতে সাকিব ছাড়া বর্তমান দলের আর কেউই নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

e1e96c224e0b230e0dafb78862001033-58783a25a9a08নারায়ণগঞ্জে চাঞ্চল্যকর সাত খুন মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আগামী ১৬ জানুয়ারি। এ মামলায় গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে যেসব আসামি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য তিনজন হলেন- র‌্যাবের চাকরিচ্যুত ও অবসরে পাঠানো সেনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল তারেক সাঈদ, মেজর আরিফ হোসেন ও লে. কমান্ডার এমএম রানা। মূলত এ তিনজনই শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সাত খুনের সঙ্গে জড়িত।
এ তিনজনই সাত খুন নিয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এদের মধ্যে আরিফ হোসেন ২০১৪ সালের ৪ জুন ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দেন।
তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কে এম মহিউদ্দিন।

আরিফ হোসেনের জবানবন্দির চুম্বক অংশ তুলে ধরা হলো:
২০১৪ সালের মার্চে আদমজীনগরে অবস্থিত র‌্যাব-১১ এর হেডকোয়ার্টারে আমাদের কনফারেন্স ছিল। ওই কনফারেন্সে সিও লে. কর্নেল তারেক সাঈদ কাউন্সিলর নজরুলকে গ্রেফতারের জন্য আমাকে বলেন। একাজে আমাকে সাহায্য করতে লে. কমান্ডার রানাকে নির্দেশ দেন। আমরা নজরুলকে ধরার জন্য তার প্রতিপক্ষ অপর কাউন্সিলর নূর হোসেনকে সোর্স হিসেবে ব্যবহার করি।
২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে নূর হোসেন আমাকে ফোন করে বলেন, নজরুল আজকে (২৭ এপ্রিল ) নারায়ণগঞ্জ কোর্টে হাজিরা দিতে এসেছে। আমি ওই সংবাদটি সিও তারেক সাঈদকে জানাই। তিনি তখনই নজরুলকে ধরার জন্য আমাকে ও রানাকে অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন। আমি অভিযানের বিষয়ে কমান্ডার রানার সঙ্গে কথা বলি।এরপর আমার নীল রংয়ের মাইক্রোবাসে টিমসহ কোর্টের উদ্দেশ্যে বের হই। আমার টিমের সদস্যরা- হাবিলদার এমদাদ, এসআই পুর্নেন্দু বালা, নায়েক দেলোয়ার (ড্রাইভার),বেলাল, হীরা, নাজিম, সিপাহী তৈয়ব, সৈনিক আলীম, আলামিন, মহিউদ্দিন,কনস্টেবল শিহাব একত্রে আনুমানিক বেলা ১১টায় কোর্টের বাইরের গেটে উপস্থিত হই।
নজরুলের গতিবিধি নজরদারি করতে আমি হাবিলদার এমদাদ, নায়েক বেলাল, সিপাহী তৈয়বকে কোর্টের ভেতরে পাঠাই। আমরা কোর্টের বাইরে রাস্তার পশ্চিম পাশে অপেক্ষা করছিলাম। বেলা সোয়া ১১টার দিকে একটি সিলভার কালারের মাইক্রোবাসে করে রানার টিমের ৭/৮ জন সদস্য আমাদের সঙ্গে যোগ দেন। ওই সময় তিনি মাইক্রোবাসে ছিলেন না। আনুমানিক বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রানা নিজের গাড়িতে করে এসে গাড়ি ছেড়ে দেন এবং আমার মাইক্রোতে এসে বসেন।
আমি তাকে (রানা) জানাই, নজরুলের সঙ্গে তার ১৫/১৬ জন সহযোগী আছে। রানা সিনিয়র হওয়ার কারণে তখন তিনি অপারেশন কমান্ডার হয়ে যান এবং তিনি যেভাবে প্ল্যান করেন সেভাবেই কাজ হয়। ওই সময় কমান্ডার রানা প্ল্যান করেন, রুটিন পেট্রোল টিমের সদস্যদের দিয়ে ফতুল্লা স্টেডিয়াম এলাকায় সিটি করপোরেশনের গেটের কাছে ফাঁকা এলাকায় নজরুলের গাড়িটি থামানো হবে।
জবানবন্দিতে আরিফ জানান, আনুমানিক দুপুর ১টার দিকে নজরুল একটি সাদা প্রাইভেটকারে করে কোর্ট থেকে বের হয়ে সাইনবোর্ডের দিকে যায়। তখন আমি ও রানা আমাদের মাইক্রোবাস দুটি নিয়ে নজরুলের গাড়ির পিছু পিছু যাই। রানা ওই সময় নজরুলের গাড়ির বর্ণনা দিয়ে পেট্রোল টিমকে ওই গাড়িটি থামাতে বলে। আনুমানিক দেড়টার দিকে পেট্রোল টিম চেকপোস্ট বসিয়ে সিটি করপোরেশনের গেটের কাছে নজরুলের গাড়িটি থামায়। তখন আমরা নজরুলের গাড়ি থেকে নজরুলসহ পাঁচজনকে বের করে আমার মাইক্রোবাসে তুলি।
এ সময় আমাদের পেছনে একটি অ্যাশ কালারের প্রাইভেটকার থেকে একজন নেমে চিৎকার করতে থাকেন। তখন রানা ওই লোক ও তার ড্রাইভারকে তার মাইক্রোবাসে তোলেন। আমি ওই পাঁচজনকে মাইক্রোবাসে তুলে কাঁচপুরের দিকে রওনা দেই এবং রানাকে বলি আমার গাড়িটিকে ফলো করার জন্য। আনুমানিক ১টা ৫০ মিনিটের দিকে আমি তারাবো নামক এলাকায় পৌঁছাই। ২/৩ মিনিটের মধ্যেই রানার গাড়িটিও সেখানে পৌঁছায়। পরে আমি সিওকে রিপোর্ট করি, নজরুলসহ সাত জনকে আটক করা হয়েছে।
জবাবে সিও বলেন, কোনও প্রত্যক্ষদর্শী রাখা যাবে না। সাতজনকেই গুম করে ফেলো। তার আদেশে আমি আমার ক্যাম্পের বেলালকে সাত সেট ইটের বস্তা তৈরি করার জন্য বলে মাইক্রোবাস দুটি নিয়ে নরসিংদীর দিকে চলে যাই। আনুমানিক আড়াইটার দিকে আমি নরসিংদী র‌্যাব ক্যাম্পের কাছাকাছি পৌঁছাই। ওই সময় নরসিংদী ক্যাম্প কমান্ডার সুরুজকে ফোন করে তার সঙ্গে ক্যাম্পের বাইরে দেখা করি। পরে আনুমানিক বিকাল চারটার দিকে আমি শিবপুর উপজেলার দিকে একটি নির্জন জায়গায় অপেক্ষা করতে থাকি।
আনুমানিক রাত ৮টার দিকে নারায়ণগঞ্জে যাওয়ার জন্য সিওকে জানাই। রাস্তায় পুলিশের কড়া নজরদারি থাকার কারণে সিও আমাদের জন্য ট্রাক পাঠাবেন বলে জানান। সিও বলেন, তোমরা ওই ট্রাকে করে আসামিদের নিয়ে এসো।
আমি সিওকে বলি, ট্রাক আসতে অনেক দেরি হবে, আমরা মাইক্রোবাস নিয়ে নারায়ণগঞ্জে চলে আসছি।
রাত আনুমানিক ৯টার দিকে আমরা নরসিংদীর বেলানগর পৌঁছাই। সেখানে সৈনিক মহিউদ্দিনকে সাতটি সাকসা (চেতনানাশক ইনজেকশন) এবং একটি সিরিঞ্জ কিনে আনতে বলি। রাত সাড়ে ১০টার দিকে কাঁচপুরে পৌঁছে একটি পরিত্যক্ত পেট্রোল পাম্পে অপেক্ষা করতে থাকি। এরপর সিওকে ফোন করে জানাই,রাস্তায় পুলিশের কড়া নজরদারি চলছে। এ অবস্থায় নারায়ণগঞ্জ শহরে ঢোকা ডিফিকাল্ট। তাই রানা যেন ট্রলারটি কাঁচপুর ব্রিজের নিচে পাঠিয়ে দেন। কিছুক্ষণ পর রানা ফোন করে আমাকে জানান, কাঁচপুর ব্রিজের নিচেই ট্রলার থাকবে।
আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে আরিফ বলেন, আমি তখন নূর হোসেনকে ফোন করে জানাই, কাঁচপুর ব্রিজের নিচে যেন কোনও মানুষের জটলা না থাকে। রাত ১১টার দিকে আমি মাইক্রোবাস দুটিসহ কাঁচপুর ব্রিজের নিচে বিআইডব্লিউটিএ’র ঘাটে পৌঁছাই। রাত সাড়ে ১১টার দিকে বেলালকে ফোন করে ইটের প্যাকেটগুলো কাঁচপুর ব্রিজের নিচে নিয়ে আসতে বলি।
রাত আনুমানিক ১২টার দিকে একটি সাদা মিতসুবিশি মাইক্রোবাসে করে হাবিলদার এমদাদ, নায়েক বেলাল, সৈনিক আরিফ, সৈনিক তাজুল ইটের প্যাকেটগুলো নিয়ে বিআইডব্লিউটিএ’র ঘাটে আসেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে রানার ট্রলারটি কাঁচপুর ব্রিজের নিচে আসে। আমি সিওকে চূড়ান্ত রিপোর্ট দিয়ে বলি, সাত জনকে গুম করার বিষয়ে আমি প্রস্তুত। ওই সময় সিও আমাকে বলেন, ওকে গো অ্যাহেড।
আরিফ বলেন, তার (সিও) আদেশ পেয়ে আমি নায়েক হিরা, সিপাহী তৈয়ব মাইক্রোবাসে থাকা সাতজনকে সাকসা ইনজেকশন পুশ করতে বলি। ইনজেকশন পুশ করার পর নায়েক বেলাল, হীরা, সিপাহী তৈয়ব, এসআই পুর্নেন্দু বালা, সৈনিক আলামিন, তাজুল, কনস্টেবল শিহাব ও সৈনিক আলীম এই আট জন মিলে আটককৃত সাত জনের মুখে পলিথিন প্যাঁচিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে । এরপর আমি সবার মৃতদেহ ট্রলারে লোড করতে বলি। আমার টিমসহ ট্রলারে উঠি এবং রানার টিম ও গাড়িগুলো ফেরত পাঠাই।
আমরা রাত আড়াইটার দিকে ট্রলার নিয়ে মেঘনা নদীর মোহনায় পৌঁছাই। সেখানে পৌঁছানোর পর আমার টিমের সদস্যরা প্রতিটি মৃতদেহের সঙ্গে এক সেট ইটের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলে দেয়। পরে সেখান থেকে ফেরত আসার সময় তৎকালীন র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি অপস) কর্নেল জিয়াউল আহসান আমাকে ফোন করেন। তার ফোন না ধরে সিওকে ফোন করে বলি,এডিজি জিয়াউল কেন আমাকে ফোন করছেন? তখন সিও আমাকে বলেন, আমি তার সঙ্গে কথা বলে তোমাকে জানাচ্ছি।
কিছুক্ষণ পর সিও আমাকে ফোন করে জানান, এডিসি আমাকে ও আমার টিমের সদস্যদেরকে তার অফিসে যেতে বলেছেন। রাত অনুমান সাড়ে তিনটার দিকে আমি ট্রলারে করে নারায়ণগঞ্জ ঘাটে এসে পৌঁছাই। সেখানে গিয়ে সিও সাঈদের সঙ্গে কথা বলে আমি র‌্যাব হেডকোয়ার্টারের উদ্দেশ্যে রওনা দেই।
রাত চারটার দিকে আমি এডিজির অফিসে পৌঁছাই। এডিজি জিয়াউল আমাকে জিজ্ঞাসা করেন, নজরুল কোথায়? তার প্রশ্ন শুনে আমি একটু অবাক হই। তারপর বলি, নজরুল কোথায় আমাকে জিজ্ঞাসা করছেন কেন? তিনি আবারও আমাকে একই প্রশ্ন করেন। আমি তাকে বলি, আমি যা করি সিও’র আদেশে করি। এ বিষয়ে যা জিজ্ঞাসা করার আপনি তাকে করেন। তারপর এডিজি সিওকে ফোন দিয়ে আমার সঙ্গে কথা বলান।
তখন সিও আমাকে বলেন, এডিজি কেন এমন করছে তা বুঝতে পারছি না। তুমি তাকে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে আসো। পরে আমি সমস্ত ঘটনা এডিজিকে জানাই।
২৯ এপ্রিল আমি ও সিও দুপুর দেড়টার দিকে র‌্যাবের হেডকোর্য়াটারে পৌঁছানোর পর এডিজি জিয়াউল আমার কাছে জানতে চান,লাশগুলো কী করেছি।
উত্তরে আমি বলি,লাশগুলো মেঘনাতে ফেলে দিয়েছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

0108bd3c774672cb98d5dcbd48cba5be-587845a4e5cd2দ্বিতীয় দিনের চা বিরতির আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের রান ৪ উইকেটে ৩৯১। সাকিব ১২৪, মুশফিক ১২২ রানে অপরাজিত ছিলেন। পঞ্চম উইকেট জুটিতে তারা যোগ করেছেন ২৩১ রান।

টেস্টের প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশ দলের পক্ষে সংবাদসম্মেলনে আসা তামিম ইকবাল বলেছিলেন, ‘শুক্রবারের প্রথম সেশনটা গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম সেশনে যে ভালো করবে, সেই গিয়ে বসবে টেস্টের চালকের আসনে।’ শুক্রবার সকালে যখন মমিনুল কোনও রান যোগ করার আগে আউট হয়ে গেলেন, তখন মনে করা হচ্ছিল চালকের আসনে কিউইরা বসে গেল কিনা। কিন্তু তা সত্য হতে দেননি সাকিব-মুশফিক। দুজনেই এর মাঝে তাদের টেস্ট ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি পূরণ করে ফেলেছেন। শুধু প্রথম সেশন না। প্রথম-দ্বিতীয় , দুই সেশনেই কিউই বোলারদের শাসন করেছেন সাকিব-মুশফিক।

দ্বিতীয় দিনের চা বিরতির আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের রান ৪ উইকেটে ৩৯১। সাকিব ১২৪, মুশফিক ১২২ রানে অপরাজিত ছিলেন। পঞ্চম উইকেট জুটিতে দুজনের রান ২৩১। কিন্তু বাংলাদেশ কী এখনও ম্যাচের চালকের আসনে বসতে পেরেছে? এটা এখনও বলা মুশকিল। বেসিন রিজার্ভের এই মাঠের উইকেট দ্বিতীয় দিন থেকে ব্যাটসম্যানদের সহায়তা দেয়। কাজেই বাংলাদেশের চালকের আসন নিশ্চিত করতে চাইলে এই জুটিকে আরও অনেক দূর যেতে হবে। কারণ এ জুটির পরে যারা উইকেটে আসবেন, তারা সেট হতে পারবেন, সেই নিশ্চয়তা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে অনেকে দিতে পারেন না!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক: তালা থানা পুলিশের হাতে আটক হবার ১ ঘন্টার মধ্যেই থানা হাযতের তালা খুলে রুবেল (২৭) নামের এক আসামি পালিয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে রুবেল হাযত থেকে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর থেকে তাকে ফের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে। এরআগে তালা সদরের মালোপাড়ার এক গৃহবধুর ঘরের মধ্য থেকে অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগে পুলিশ তাকে আটক করে। আটক হওয়া রুবেল তালার বারুইহাটি গ্রামের মো. তাজউদ্দীনের ছেলে। তার বিরুদ্ধে ২০১০ সালে শিশু আরাফাত হত্যা মামলা রয়েছে। এছাড়া বিগদ বছর সে তালা মালোপাড়ার নিমাই হালদারের ছেলে দেবাস হালদারের ঘরে বোমা রেখে তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো চেষ্টা করে। একারণে তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। সূত্রে জানাগেছে, রুবেল দীর্ঘদিন ধরে দিপঙ্কর হালদারের স্ত্রীর সাথে অনৈতিক সম্পর্ক চালিয়ে আসছে। এঘটনায় বাঁধাদিলে রুবেল হুমকি প্রদান করতো। এমনকি দিপঙ্করের খালাতো ভাই দেবাস ওই অনৈতিক কাজের জোর বাঁধা দিলে রুবেল কৌশলে দেবাসের ঘরে বোমা রেখে আসে। পরে পুলিশ দিয়ে দেবাসকে ফাঁসাতে যেয়ে উল্টো রুবেল ফেঁসে যায। এছাড়া একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২০১০ সালে রুবেল আরাফাত নামের এক শিশুকে খুন করে। ওই মামলায় দীর্ঘদিন জেল খেটে সে বাড়িতে আসে। তালার মালোপাড়ার একাধিক ব্যক্তি জানান, অনৈতিক সম্পর্কের জের ধরে প্রতিনিয়ত দিপঙ্করের বাড়িতে তার স্ত্রীর এখানে রুবেল আসে ও রাত্রি যাপন করে। বুধবার রাতেও সে ওই মহিলার ঘরে আসে এবং বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত ঘরের মধ্যে অবস্থান করে। এবিষয়টি পাশের বাড়ির মহিলারা জানতে পেরে থানা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে রুবেলকে দিপঙ্করের ঘর থেকে গ্রেফতার করে। তবে ওই গৃহবধু সে সময় ঘরের মধ্যে ছিলনা। এদিকে, আটক হবার ১ ঘন্টার মধ্যেই দুপুর ২টার দিকে থানা হাযতের তালা খুলে রুবেল পালিয়ে যায়। এবিষয়টি জানার পর থেকে থানার সকল অফিসার এবং কনস্টেবল বিভিন্ন অঞ্চলে রুবেলকে পুনরায় গ্রেফতারের জন্য অভিযান শুরু করে। যা রাত পর্যন্ত (বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা)  অব্যাহত থাকলেও তাকে গ্রেফতার করা যায়নি। তবে রুবেলের সাথে অন্য কোনও আসামি পালিয়ে গেছে কিনা বা সেসময় হাযতে আর কোনও আসামি ছিল কিনা সে সম্পর্কে থানার কোনও সূত্র থেকে জানা যায়নি। এবিষয়ে জানতে চাইলে তালা থানার ওসি মো. হাসান হাফিজুর বলেন, আসলে রুবেল কোন আসামি না। ওই রুবেলের এক মহিলার সাথে সম্পর্ক রয়েছে। সে সূত্র ধরে স্থানীয় তাকে আটক করে মারপিট করে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে নিয়ে থানায় রাখে। পরবর্তীতে সে পুলিশকে কিছু না জানিয়ে চলে যায়। তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ জমা না পড়ায় আমরা কোন পদক্ষেপ নিতে পারিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিনেদন ডেস্ক: আকাশ কত দূরে’ সিনেমায় জুটি হয়ে অভিনয় করেছিলেন ফারিয়া শাহিন ও মুস্তাফা প্রকাশ। সিনেমার সেই জুটি এবার একসঙ্গে একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করলেন। বৃহস্পতিবার থেকে ঢাকার তেজগাঁওয়ের কোক স্টুডিওতে একটি ইলেকট্রনিক পণ্যের এই বিজ্ঞাপনচিত্রের শুটিং শুরু হয়েছে। ২০১৪ মুক্তি পায় ‘আকাশ কত দূরে’ সিনেমা। সেই ছবিতে জুটি হয়ে অভিনয়ের পর তাঁরা দুজন খুব একটা কাজ করেননি। ফারিয়া ও প্রকাশ জুটির এই বিজ্ঞাপনচিত্রের পরিচালক রনি ভৌমিক। নতুন করে আবারও একসঙ্গে জুটি হয়ে অভিনয় করতে পেরে খুশি ফারিয়া। তিনি বলেন, ‘আমরা দুজন একসঙ্গে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলাম। দুজনের অনেক স্মৃতি আছে। দীর্ঘদিন পর আবার দেখা হলো দুজনের। ভালো লাগছে।’ ‘আকাশ কত দূরে’ ছবিতে দুজন রোমান্টিক চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। ফারিয়া বলেন, ‘দুজনের ছবির প্রেম যেন নতুন করে আবার বিজ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে পর্দায় দেখা যাবে।’ বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন ফারিয়া। তাঁর মতে, বিজ্ঞাপনচিত্রের শুটিং দ্রুত শেষ হয়, কিন্তু এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে দর্শকের কাছাকাছি থাকা যায়। কারণ টেলিভিশন চ্যানেলে এসব বারবার দেখানো হয়।’ এক বছর ধরে মালয়েশিয়ার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে মিডিয়া মার্কেটিংয়ের ওপর পড়াশোনা করছেন ফারিয়া। গত বছরের নভেম্বরে ছুটি কাটাতে দেশে এসেছেন তিনি। আবার ফিরে যাওয়ার সময় হয়েছে তাঁর। ফারিয়ার জানান, যাওয়ার আগে সম্ভবত এটাই হবে তাঁর শেষ কাজ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: সৌদি আরবে নারীদের জীবন কাটাতে হয় নিয়মের নানা বেড়াজালের মধ্যে। এই দেশটিতেই সব প্রথা ভেঙে ভিন্ন রকম জীবন কাটান রাজকুমারী আমিরাহ আল তাউইল। রাজকুমারী আমিরাহর জন্ম ১৯৮৩ সালের ৬ নভেম্বর, সৌদি আরবের রিয়াদে। বেড়ে উঠেছেন সেখানেই। তবে তিনি শুধু ছবির সুন্দর রাজকুমারী হয়েই বেঁচে থাকতে চাননি। আত্মনিয়োগ করেছেন নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়ন অর্জনে। ইতিমধ্যে জনসেবামূলক কাজ করে নজর কেড়েছেন তিনি। যে দেশে নারীদের কঠোরভাবে পর্দা করতে হয়, সেখানে তিনি পশ্চিমা পোশাকে ঘুরে বেড়ান। তৈরি করেছেন নিজস্ব স্টাইল। রূপকথার রাজকুমারীর জীবনে যেমন রাজকুমার এসে জীবন বদলে দেয়; আমিরাহর জীবনেও তেমনটাই হয়েছে। মাত্র ১৮ বছর বয়সে তিনি প্রেমে পড়েন প্রিন্স আলওয়ালেদ বিন তালালের। তাঁদের বয়সের ব্যবধান ছিল ৩২ বছর। আর আলওয়ালেদ তত দিনে দুবার বিয়ে করে ফেলেছেন। কিন্তু কিছুই বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। ২০০১ সালে বিয়ে করেন তাঁরা।

স্বামী প্রিন্স আলওয়ালেদ বিন তালালের সঙ্গে প্রিন্সেস আমিরাহ।বিয়ের পর আমিরাহ শুধু প্রিন্স আলওয়ালেদের স্ত্রী হিসেবে থাকতে চাননি। তিনি আলওয়ালেদ বিন তালাল ফাউন্ডেশনসের ভাইস চেয়ারপারসন হন। আর তখন থেকেই তিনি পাদ-প্রদীপের আলোতে আসতে শুরু করেন। দাবি তোলেন নারীদের অধিকারের। পাশে দাঁড়িয়েছেন দরিদ্র, নারী ও শিশুদের। তিনি এখন পরিচিত মানবতাবাদী, উদ্যোক্তা, ফ্যাশন আইকন, সুবক্তা ও টাইম এন্টারটেইনমেন্ট হোল্ডিংয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে। তাঁর প্রতিষ্ঠান তরুণকেন্দ্রিক গণমাধ্যম ও প্রযুক্তিশিল্পে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে, যা সৌদি সমাজ পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া তিনি তাসামি সোশ্যাল ইনিশিয়েটিভস সেন্টারের সভানেত্রী ও অন্যতম উদ্যোক্তা। প্রতিষ্ঠানটি সৌদি আরবজুড়ে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজ করে থাকে।

সৌদি নারীদের বোরকা পরা বাধ্যতামূলক হলেও প্রিন্সেস অামিরাহ পশ্চিমা পোশাকই পরেন।আল আরাবিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাজকুমারী আমিরাহ সৌদি নারীর স্বাধীনতার ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের শক্তির কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সৌদি নারীরা বাস্তব জগতে নিজের মনের কথাগুলো বলার সুযোগ পায় না। সেই কথাগুলো বলার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম একটি উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম, যেখানে নারীরা সমান সুযোগ পায় নিজেকে প্রকাশ করার। তবে এখানেও নারীকে নানা বিপত্তির মুখোমুখি হতে হয়, বিশেষ করে বিতর্কিত ব্যক্তিরা যখন নারীর বিরুদ্ধে ক্রমাগত আপত্তিকর কথা বলে যান। কিন্তু এরপরও কোনো দাবির পক্ষে জনমত গড়ে তোলার জন্য নারীদের ভালো প্ল্যাটফর্ম এটি।

প্রথাবিরোধী সৌদি রাজকুমারী আমিরাহ।তবে নিজের জীবনে একটি ভয়াবহ পরিস্থিতিতে পড়ে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটাতে হয় আমিরাহকে। স্বামী পাশে থাকলেও তাঁর চলাফেরা-কর্মকাণ্ড নিয়ে আপত্তি তুলেছিল শ্বশুরবাড়ির লোকজন। তাঁর দেবর প্রকাশ্যে স্বামীকে হুমকি দিয়েছিলেন, স্ত্রীকে (আমিরাহ) সামলাতে না পারলে কঠিন ঝামেলায় পড়তে হবে। এই পরিস্থিতিতে তাঁরা বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটান, ২০১৩ সালে। তবে সাবেক স্বামীর সঙ্গে সুসম্পর্ক আছে বলে দাবি তাঁর।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

picture-tala
তালা প্রতিনিধি: বৃহস্পতিবার সকালে তালা মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার সুষ্ঠু পরিবেশকে সমুন্নত রাখতে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে অত্র কলেজের উদ্যেগে এক মতবিনিময় সভা সংশ্লিষ্ট কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। তালা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, তালা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসান হাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন তালা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মোঃ মঞ্জুরুল হাসান মাসুদ। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুর রহমান। এছাড়া সভায় কলেজের উপাধ্যক্ষ শেখ সফিকুল ইসলাম, কলেজের বাংলা বিভাগের শিক্ষিকা প্রভাষক নিলুফার বানু ও ছাত্রীদের মধ্যে ধৃতি মন্ডল বক্তব্য রাখেন। সভার প্রধান অতিথি তালা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসান হাফিজুর রহমান বলেন আজকের শিক্ষার্থীরা আগামী দিনের দেশ ও জাতির চালিকা শক্তি। সুতরাং তাদেরকে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ভবিষ্যত জাতি পরিচালনায় দক্ষতার স্বাক্ষর রাখতে হবে। তিনি বলেন, লেখাপড়ার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে তথা আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার জন্য সকল ধরনের সহায়তা প্রদান করা হবে। তিনি বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ সহ ইভটিজিং বন্ধে পুলিশকে সহযোগিতার অনুরোধ জানান। মতবিনিময় সভায় অত্র কলেজের শিক্ষকমন্ডলী, কর্মচারীগণ সহ ছাত্রীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

12-01-17
পাইকগাছা ব্যুরো: খুলনা জেলা পরিষদের ১২ নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত সদস্য আব্দুল মান্নান গাজীকে পাইকগাছার সোলাদানা ইউনিয়নবাসীসহ সোলাদানা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে গণসংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে চারবান্ধা শ্মশান কালিমন্দির চত্ত্বরে ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি মোহসীনুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, আ’লীগনেতা আকতারুজ্জামান সুজা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুনছুর আলী গাজী, কুমুদ রঞ্জন ঢালী, আমিনুল ইসলাম,পঞ্চানন সানা, বিমল সরদার, সায়েদ আলী মোড়ল কালাই, শাহাবুদ্দীন শাহীন, শিবপদ মন্ডল, রোউফ উদ্দীন, নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest