সর্বশেষ সংবাদ-
ঈদ উল আযহা উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শো, ও পরিবহণ কাউন্টারে মনিটারিংকালিগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি সোহরাব হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তালায় গাঁজা সেবনের সময় আটক দিদার মোড়ল : ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ডসাতক্ষীরায় পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অবহিতকরণসাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃক শহরের ফুটপাত থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া ফল ও নগদ টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলনদেবহাটায় ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড বিধবা নারীর মাটির ঘর: মানবেতর জীবনজাতীয় প্রতিভা অন্বেষণে মূকাভিনয়ে দেশসেরা সাতক্ষীরার জান্নাতনারী ও যুব নেতৃত্বের অংশগ্রহণে জলবায়ু সহনশীলতা ও সুরক্ষা বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকপদোন্নতি পেয়ে যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার হলেন আকরামুলচিকিৎসকের উপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

6dab77463d0b36620d0801f3f9bf695eঅপ্রতিম : তৃণমূলে অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসনের উদ্যোগ নিয়েছে আওয়ামী লীগ। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে মাথায় রেখে আজ রবিবার (২৩ এপ্রিল) থেকে জেলা ও থানায় বিরাজমান কোন্দল নিরসনে মিশন শুরু হচ্ছে ক্ষমতাসীনদের। আগামী ২৫ এপ্রিল মঙ্গলবার ডাক পড়েছে সাতক্ষীরা জেলা আ.লীগের শীর্ষ নেতাদের।
এর অংশ হিসেবে বৈঠক করবেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। কোন্দলের কারণ কি তা চিহ্নিত করে সমস্যা সমাধানে নির্দেশনা দেবেন তিনি। বছরজুড়ে ধারাবাহিকভাবে কোন্দলপূর্ণ সব জেলার সঙ্গে আলোচনায় বসবে দলটি।

সাতক্ষীরা জেলা আ.লীগের একাধিক শীর্ষ নেতা এবং কেন্দ্রের একজন গুরুত্বপূর্ণ সম্পাদক ডেইলি সাতক্ষীরাকে জানিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা আ.লীগের সভাপতি মুনসুর আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম ছাড়াও সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী প্রফেসর ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি, মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এমপি ও এস এম জগলুল হায়দার এমপি উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের সাথে বৈঠকে।

গত ১৯ এপ্রিল রাজধানীর ধানমণ্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সম্পাদকমণ্ডলীর এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে কোন্দল নিরসনের এই মিশন কতটা সুফল বয়ে নিয়ে আসবে তা নিয়ে কেন্দ্রীয় ও তৃণমূলের নেতারা সন্দিহান।আওয়ামী লীগের নীতি-নির্ধারণী সূত্রগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সুফল নিয়ে সভাপতিমণ্ডলী ও সম্পাদকমণ্ডলীর অন্তত ছয় জন নেতা বলেন, ‘কোন্দল নিরসনে জেলার নেতাদের সঙ্গে বসে আমরা আলোচনা করবো। বিদ্যমান সমস্যা কি তা চিহ্নিত করার চেষ্টা থাকবে। তবে সুফল আসবে কিনা তা এখনই বলা যাবে না।’
এরই অংশ হিসেবে রবিবার চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার নেতাদের ঢাকায় তলব করা হয়েছে। এদিন বিকাল ৫টায় সাধারণ সম্পাদকসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত আরও তিনটি জেলার নেতাদের ঢাকায় ডেকে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ২৪ এপ্রিল যশোর, ২৫ এপ্রিল সাতক্ষীরা ও ২৭ এপ্রিল নীলফামারী জেলার নেতাদের ঢাকায় ডাকা হয়েছে।
জানা গেছে, দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিরোধ মীমাংসা করতে কোন্দলপূর্ণ জেলার দায়িত্বশীল সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সংশ্লিষ্ট থানার নেতাদের সঙ্গেও কথা বলবেন।
তবে বিরোধ মীমাংসায় সাধারণ সম্পাদক নয়, দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে বসতে চান তৃণমূলের নেতারা। তাহলেই সত্যিকার অর্থে বিরোধ মীমাংসা সম্ভব বলে মনে করেন তারা। চুয়াডাঙ্গা, নীলফামারী ও সাতক্ষীরার দায়িত্বশীল তিন নেতার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। তারা নিজেদের জেলার বিরোধের কথা স্বীকার করে বলেছেন, ‘মীমাংসার জন্য সভাপতিকে হস্তক্ষেপ করতে হবে।’
এ আলোচনার মাধ্যমে কোন্দল নিরসন কতখানি সম্ভব হবে তা নিশ্চিত নন সাতক্ষীরা জেলার সভাপতি মনসুর আহমেদ। তিনি বলেন,‘কোন্দল মীমাংসায় সবাইকে ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে একমত হতে হবে। তাহলেই সুফল আসতে পারে।’
অন্যদিকে সাতক্ষীরা জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম বলছেন, ‌‍”দেশকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছেন, তাতে করে দলে এখন কোন্দলের কোন সুযোগ নেই। বরং সুস্থ প্রতিযোগিতা থাকতে হবে নেতৃত্বের মধ্যে। যাতে করে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভিশন-২০২১ বাস্তবায়নে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল সকলেই ভূমিকা রাখতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

bea253972ec69db7fdc4869d024df490-58fc5df4123aaমাদ্রিদের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে এল ক্লাসিকো খেলবে দুই স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদ। এমন ম্যাচের আগে পরিসংখ্যান, তথ্য-উপাত্ত ঘেঁটে দেখছেন সবাই। হওয়াটাই স্বাভাবিক, কারণ দুই ক্লাবের এই ময়দানী লড়াইয়ে লুকিয়ে আছে  ১১৫ বছরের ইতিহাস। সেই দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বীদের কিছু চমকপ্রদ তথ্য পাঠকদের সামনে তুলে ধরা হলো-
১. প্রতিদ্বন্দ্বিতার ১১৫ বছর
দুই জায়ান্টের ময়দানী লড়াইয়ের শুরুটা হয়েছিল ১৩ মে, ১৯০২ সালে। করোনেশন কাপের ম্যাচে বার্সার জয়টা ছিল ৩-১ ব্যবধানে। তবে লস ব্লাঙ্কোসরা লিগের প্রথম ক্লাসিকো জেতে ১৯২৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি। ওই ম্যাচ তাদের জয়ের ব্যবধান ছিল ২-১, তবে কাতালানরাও ফিরতি ম্যাচে জিতে ১-১ ব্যবধানে।
২. এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ স্কোরার মেসি, রয়েছে ২১ গোল
ক্লাসিকোতে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ স্কোরার লিওনেল মেসি। ৩৩ ম্যাচে তার গোল সংখ্যা ২১, যার ১৪টিই লা লিগায়। ডি স্তেফানো করেছিলেন ১৮ গোল। যা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর চেয়ে দুই গোল বেশি। আরও চমকপ্রদ তথ্য হলো গত ৬ ম্যাচে গোলও পাননি বার্সা তারকা।

৩. এল ক্লাসিকোতে সবচেয়ে বেশি খেলেছেন ম্যানুয়েল সানচিস
রিয়ালের হয়ে ৪৩টি ম্যাচে খেলেছেন ডিফেন্ডার সানচিস। বর্তমানে খেলা তারকাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি খেলেছেন আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা। ৩৪টি ম্যাচে খেলেছেন বার্সার হয়ে। সার্হিও রামোস ও মেসির চেয়ে এক গোল বেশি।
৪. মাদ্রিদে খেলা সবচেয়ে বড় হারের ব্যবধান ৮-২
১৯৩৪-৩৫ মৌসুমে ক্লাসিকোতে মাদ্রিদে সবচেয়ে বড় হারের ব্যবধান ছিল ৮-২। লা লিগায় ১৯৩৪-৩৫ মৌসুমে রিয়ালের সবচেয়ে বড় জয়ের ব্যবধান ছিল সেটাই। ১৯৭৩-৭৪ মৌসুমে বার্সার জয়ের ব্যবধান ছিল ৫-০।
৫. ১৫ বছরে নেই গোল শূন্য ম্যাচ
গত ১৫ বছর ধরেই উত্তেজনাপূর্ণ দুই ক্লাবের লড়াইয়ে ছিল না গোল শূন্য কোনও ম্যাচ। সবশেষ ২০০২ সালের ২৩ নভেম্বর গোল শূন্য ড্র করেছিল দুই দল।

৬. দুই দল, যেখানে খেলে ১৪ দেশের তারকা
রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা- বিশ্বের অন্যতম দুই নামজাদা ক্লাব হিসেবেই চেনে সবাই। যেখানে ইউরোপ-আমেরিকা অঞ্চল থেকে খেলে ১৪ দেশের ফুটবলার! মার্কা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লবণাক্ত জমিতে বোরো ধানের ফলন বৃদ্ধিকরণ কৃষক সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন প্রফেসর ড. মো. আব্দুল কাদের।

লবণাক্ত জমিতে বোরো ধানের ফলন বৃদ্ধিকরণ কৃষক সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন প্রফেসর ড. মো. আব্দুল কাদের।

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : ‘শেখ হাসিনার নির্দেশ, জলবায়ু সহিষ্ণু বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে বিনেরপোতা কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উপকেন্দ্র হলরুমে বিনা উপকেন্দ্র সাতক্ষীরার বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আল আরাফাত তপুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. মো. আব্দুল কাদের। বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট (ডিসিসিটি), পরিবশে ও বন মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উপকেন্দ্র ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ ব্যবস্থাপনায় এ কৃষি সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সাতক্ষীরার উপ পরিচালক কৃষিবিদ কাজী আব্দুল মান্নান, বিনা উপকেন্দ্র সাতক্ষীরা প্রকল্প পরিচালক ড. মো. শহিদুল ইসলাম, সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আমজাদ হোসেন প্রমুখ। কৃষক সমাবেশে লবণাক্ত এলাকায় স্লোপিং বেড রোপন পদ্ধতি এবং জিপসাম ও সিলিকন প্রয়োগের মাধ্যমে বোরো ধানের ফলন বৃদ্ধি করণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। পরমাণু কৃষি গবেষণার মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন সহনশীল জাত/প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও বিভিন্ন পরিবেশ অঞ্চলে অভিযোজন প্রকল্পের আওতায় এ কৃষক সমাবেশে শতাধিক কৃষক-কৃষাণি উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিনা উপকেন্দ্র সাতক্ষীরার সহকারী বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আলমগীর কবির।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মধুর অজানা শক্তি

কর্তৃক Daily Satkhira

jqwzkj_moduমধু চিকিৎসা বিজ্ঞান একটি অন্যতম উপাদান। মুধুকে বলা হয় সর্বরোগের ওষুধ। স্বাস্থ্য সুরক্ষা, চিকিৎসা, সৌন্দর্য চর্চা- মধুর ব্যবহার সবখানে। আসুন জেনে নিই মধুর উপকারিতা সম্পর্কে-

ওজন কমায় মধু
প্রতিদিন সকালে মধু খেলে শরীরের বাড়তি ওজন কমে। বিশেষ করে যদি সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানিতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খাওয়া হয়, তাহলে ওজন কমে কিছুদিনের মধ্যেই। এছাড়া প্রতিদিন নিয়মিত মধু খেলে পাকস্থলী পরিষ্কার থাকে, শরীরের বিষাক্ত উপাদান বের হয়ে যায়।

মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়
ঘুমানোর আগে এক চামচ মধু খেলে তা মস্তিষ্কের কাজ সঠিক ভাবে চালাতে খুব সাহায্য করে। এতে মস্তিষ্কের শক্তি তথা বুদ্ধি বাড়ে। যেকোনো কাজে মস্তিষ্ক আগের চেয়ে বেশি সক্রিয় হয়। যাদের মাথা খাটিয়ে কাজ করতে হয়, তাদের জন্য মধু এনে দেয় নতুন উদ্যম ও সৃষ্টিশীলতা।

আয়ু বৃদ্ধি করে
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, নিয়মিত যারা মধু ও সুষম খাবারে অভ্যস্ত, তারা তুলনামূলক বেশি কর্মক্ষম।

শক্তি বাড়াতে মধু
মধুতে আছে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক চিনি। এই প্রাকৃতিক চিনি শরীরে শক্তি যোগায় এবং শরীরকে কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। বিশেষ করে যাদের মিষ্টির প্রতি ঝোক রয়েছে, তারা অন্য মিষ্টি খাবারের বদলে মধু খেতে পারেন।

হৃৎপিণ্ডের সমস্যার ঝুঁকি হ্রাস করতে মধু
মধুর সাথে দারচিনি গুঁড়া মিশিয়ে খেলে তা রক্তনালীর বিভিন্ন সমস্যা দূর করে। রক্তনালী পরিষ্কার করতে সাহায্য করে এবং রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দেয়। মধু ও দারচিনির এই মিশ্রণ নিয়মিত খেলে হৃদরোগের ঝুকি অনেকাংশে কমে যায়।

ব্যথা নিরাময়ে
শরীরের জোড়ায় জোড়ায় ব্যথা থাকলে তা থেকে দ্রুত মুক্তি মেলে মধু খাওয়ার মাধ্যমে। যে অবাঞ্ছিত রসের কারণে বাতের জন্ম, সেই রস অপসারাণে মধু বিশেষ ভূমিকা রাখে। ফলে বাতের ব্যাথা সেরে যায়।

হজমে সাহায্য করে
মধু পেটের অম্লীয়ভাব কমিয়ে হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। হজমের সমস্যা অনেকাংশে দূর করার জন্য প্রতিবার ভারী খাবারের আগে এক চামচ মধু খেয়ে নিন। ভালো ফলের জন্য প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক চামচ মধু খেতে পারেন।

রক্ত পরিষ্কার করে
এক গ্লাস হালকা গরম পানির সাথে এক বা দুই চামচ মধু এবং এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খেতে পারেন। এটা রক্ত ও রক্তনালী পরিষ্কার করে।

হাঁপানি রোধে
আধা গ্রাম গুঁড়া গোলমরিচের সাথে সমপরিমাণ মধু এবং আদা মিশিয়ে দিনে অন্তত তিন বার খেলে হাঁপানির সমস্যা অনেকটা দূর হয়।

গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে মুক্তি
হজম সমস্যার সমাধানেও কাজ করে মধু। একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন তিন বেলা দুই চামচ করে মধু বেশ উপকারী। এতে করে গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে মুক্তি মেলে সহজেই।

ত্বক নমনীয় করে
মধু হিউম্যাকটেন্ট যৌগে সমৃদ্ধ। এই যৌগটি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার কাজ করে এবং ত্বকের উপরিভাগের ইলাস্টিসিটি বজায় রাখে। হিউম্যাকটেন্ট যৌগটি ত্বককে নমনীয় করতেও সাহায্য করে। ফলে ত্বক থাকে দীর্ঘদিন বার্ধক্যের ছাপ মুক্ত।

কাশি নিরাময়ে
দীর্ঘমেয়াদী হোক আর স্বল্পমেয়াদী হোক, যাদের খুসখুসে কাশির সমস্যা আছে, তারা প্রতিদিন এক চামচ আদার রসের সাথে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেয়ে নিতে পারেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

akqnro_8ভেঙ্গে গেছে সুনামগঞ্জের শনির হাওরের বাঁধ। পানি ঢুকছে সাহেব নগর ও ঝালখালি পয়েন্ট দিয়ে। আজ সকালে হটাৎ করে বাঁধ ভেঙ্গে শনি হাওরের ভেতরে পানি ঢুকতে থাকে।

এ দিকে সচিবালয়ে বেসরকারি একটি গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে পানিসম্পদ মন্ত্রী জানিয়েছেন, বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কারের দুর্নীতি আছে। তানাহলে বাঁধা এত দ্রুত ভাঙ্গা সম্ভব নয়।
বিস্তারিত আসছে….

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

4545445নজরুল ইসলাম রাজু : স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা দিয়েছিলেন রক্ত। দিয়েছিলেন জীবন। পাকহানাদার বাহিনী নির্মম নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করেছিলো ৭৯ জন নিরস্ত্র বাঙালিকে। হত্যার পর তাদেরকে একই কবরে মাটি চাপা দিয়েছিলো হানাদাররা। কালের সাক্ষী বাঙালি জাতির অমর স্মৃতি পাটকেলঘাটার পারকুমিরা গণকবরটি আজও অরক্ষিত রয়েছে।
১৯৭১ সালের ২৩ এপ্রিল শুক্রবার। পাকহানাদার বাহিনী নির্মম নির্যাতন চালিয়ে একসাথে ৭৯ জন নিরস্ত্র বাঙালিকে হত্যা করেছিলো সেদিন। ইতিমধ্যে স্বাধীনতা অর্জনের ৪৬ বছর পদার্পণ করেছে। কিন্তু স্বাধীনতা যুদ্ধের অমর স্মৃতি রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা হয়নি আজও। অরক্ষিত রয়ে গেছে পারকুমিরার গণকবরটি।
স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকহানাদার বাহিনীর নির্যাতনের কথা আজও আবাল-বৃদ্ধ-বণিতার মুখে মুখে। যে উদ্দেশ্যে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল, সে উদ্দেশ্য আজ সফলতার মুখ দেখছে। মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শক্তি রাজাকার গোষ্ঠী বাংলার মাটি থেকে অনেকটাই আজ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে বা যাচ্ছে। আজ ৭১-এর রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের সূর্যসন্তান হিসেবে বর্তমান প্রজন্ম গর্বিতভাবে সম্মান করে। বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে চলেছে। তবে তপ্ত বুলেটের আঘাতে রক্তে লটিত শহিদদের স্মৃতি কেন রক্ষণাবেক্ষণ হচ্ছে না এটি সাধারণ জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্যমতে, স্বাধীনতা যুদ্ধে ৭৯ শহিদের গণকবর রক্ষণাবেক্ষণ না হলে ধীরে ধীরে নিশ্চি‎হ্ন হয়ে যাবে জায়গাটি। তবে ১৯৯২ সালে ২৪ মে বঙ্গবন্ধু কন্যা বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বধ্যভূমিতে পা রেখে শহিদদের প্রতি বিন¤্র শ্রদ্ধা শেষে একটি স্মৃতিফলক উন্মোচন করেন। সেই ফলকটিও আজ বিবর্ণ হয়ে অনেকটাই বিলীনের পথে। তালা উপজেলা মক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মফিজউদ্দীন জানান, পাকহানাদার বাহিনী পরিকল্পিত ভাবে হামলা করে ৭৯ জনকে গণহত্যা করে। তাদের গণকবরটি আজও রক্ষিত হয়নি। তবে সম্প্রতি ঢাকায় গিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করা হয়েছে। তালা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ নূরুল ইসলাম জানান, তার বাবা ও বড় ভাই মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। ১৯৭১ সালের ২৩ এপ্রিল পরিকল্পিত ভাবে তার বাবা-ভাই ও চাচা-চাচাতো ভাই ৭৯ জন নিরস্ত্র বাঙালিকে পারকুমিরায় হত্যা করা হয়। তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সস্তান হিসেবে গণকবরটি রক্ষণাবেক্ষণে আন্তরিকতার অভাব নেই। ইতিমধ্যে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী দপ্তরের আওতায় (এলজিইডি) প্রায় কোটি টাকা মূল্যে স্মৃতিসৌধের অনুমোদন হলেও মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ে টাকা না থাকায় বাস্তবায়নে হচ্ছে না। মুক্তিযোদ্ধা পুত্র শেখ টিপু সুলতান বলেন, আমার আব্বা শেখ হায়দার আলীকে গাছের সাথে বেধে গায়ে আগুন লাগিয়ে দেয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

8888কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জ উপজেলার কুশুলিয়া ইউনিয়নের দারুস সুন্নাত দাখিল মাদ্রাসার (ভারপ্রাপ্ত) সুপার ও ইউনিয়ন বিবাহ রেজিস্ট্রার মাও: আজিজুল হকের পরকীয়ার অভিযোগে এলাকায় তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে তিনি দুই স্ত্রী নিয়ে সংসার করলেও প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ার কারণে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিছেন। উপজেলার মনোহারপুর গ্রামের মৃত ছফেদ আলীর ছেলে মাও: আজিজুল হক কুশুলিয়া দারুস সুন্নাত দাখিল মাদ্রায়ায় সহকারী শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৪ সালে তিনি (ভারপ্রাপ্ত) সুপারের দায়িত্ব পালনের পাশপাশি  ইউনিয়ন বিবাহ রেজিষ্টার হিসাবে এলাকায় বিয়ে পড়িয়ে থাকেন। ঐ মাদ্রাসার অধ্যায়নরত ৭ম শ্রেণির দুই শিক্ষার্থীর পিতা শাহাজান মোড়ল বিদেশ (বাহারাইনে) থাকার সুবাদে তাদের মায়ের সাথে অবৈধ পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন মাদ্রাসা সুপার। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে গ্রামবাসী ও অভিভাবক মহলের মাঝে মাদ্রাসা সুপারের অনৈতিক কর্মকা-ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে মাদ্রাসা সুপার ও প্রবাসীর স্ত্রীর মোবাইলে পরকীয়ার কথপোকথন সকলের মোবাইলে শোনা যাচ্ছে। এলাকার শিক্ষানুরাগী ও সচেতন মহল হীন কর্মকা-ের প্রতিবাদ ও মাদ্রাসা শিক্ষকের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এ ঘটনায় মাদ্রাসা সুপার নিজের কর্মস্থল মাদ্রাসায় আসাও বন্ধ করে দিয়েছেন। পরকীয়ার বিষয়ে সম্পর্কে মাদ্রাসা সুপার মাও: আজিজুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি চক্রান্তের শিকার। তবে ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক ভাবে জানাজানি হওয়ায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আমাকে শোকজ করেছে। যার জবাব আমি সঠিক সময়ের মধ্যেই দিয়ে দেব। পত্রিকায় নিউজ করে আমার আর কিইবা ক্ষতি করবেন। পারলে আমার ছবি দিয়ে পোস্টার তৈরি করে দেয়ালে দেয়ালে মেরে দিন। কুশুলিয়া দারুস সুন্নাত মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কাজী মোফ্ফাখারুল ইসলাম নিলুর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছি। ইতিমধ্যে তাকে শোকজ করা হয়েছে, দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

77777প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা আইনজীবী সমিতির নব-নির্বাচিত সভাপতি এড. শাহ্ আলম ও সাধারণ সম্পাদক এড. ওসমান গণিকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা ল স্টুডেন্টস ফোরামের পক্ষ থেকে সাতক্ষীরা আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে এ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ল স্টুডেন্টস ফোরামের সভাপতি নাজমুল হকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কাজী শাহাব উদ্দীন সাজুর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সংবর্ধিত অতিথি সভাপতি এড. শাহ্ আলম, সাধারণ সম্পাদক এড. ওসমান গণি। এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন ল স্টুডেন্টস ফোরামের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুর রব পলাশ, আলমগীর কবির সুমন, যুগ্ম সম্পাদক বুশরা তাহসিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, কোষাধ্যক্ষ নুর আলী, সোহেলী আক্তার, শহীদুল ইসলাম পিন্টু, শেখ মোখলেছুর রহমান, হেলেন সওদাগার, ফিরোজা খাতুন সুমা, বাবলুর রহমান, সালাউদ্দীন সাকিল, দেবাশীষ চক্রবর্তী, কৃষ্ণ চক্রবর্তী, বজলুর রহমান হাওলাদার, মনোয়ারা মিলি প্রমুখ। এসময় বক্তারা বলেন, আইন পেশা একটি মহৎ পেশা। এ পেশার মাধ্যমে সমাজের অসহায়, দুঃস্থ্য ও গরিব মানুষদের সেবা করা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest