সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও পুষ্টি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও হৃদপিণ্ডকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এগুলো রক্ত সঞ্চালনকে ব্যাহত করে এবং জটিল শারীরিক সমস্যা তৈরি করে।উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগে এড়িয়ে যাওয়া ভালো এমন কিছু খাবারের নাম জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলদি ফুড টিম।
১. লবণ : বেশি মাত্রায় লবণ খাওয়া উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এটি রক্তের সঞ্চালনে ব্যাঘাত ঘটায় । পাশাপাশি মস্তিষ্ক, কিডনি ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
২. ফ্র্যাঞ্চ ফ্রাই : আপনি কি জানেন ফ্র্যাঞ্চ ফ্রাইয়ে সাধারণত ২৭০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম ও ১৯ গ্রাম চর্বি থাকে? বেশি সোডিয়াম খাওয়া ওজন বাড়ায়, হৃদপিণ্ডের ক্ষতি করে।
৩. পিৎজা : গ্রোসারি ম্যানুফ্যাকচার অ্যাসোসিয়েশনের মতে, পিৎজা সোডিয়ামে ভরপুর। এটি শরীরের ক্ষতি করে। বিশেষ করে গরুর মাংসের পিৎজা।
৪. প্রক্রিয়াজাত মাংস : প্রক্রিয়াজাত যেকোনো মাংস হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে এই খাবার এড়িয়ে চলুন।
৫. লাল মাংস :জাংক ফুড ও ট্রান্স-ফ্যাট জাতীয় খাবারের মতোই লাল মাংস শিরাকে বিকল করে এবং হৃদরোগ তৈরি করে।
৬. চিনি : চিনি, বিশেষ করে কৃত্রিম চিনি উচ্চ রক্তচাপ ও বিভিন্ন হৃদপিণ্ডজনিত সমস্যা তৈরি করে।

নিজস্ব প্রতিবেদক: মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০১৭ উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরিতে সুন্দর হাতের লেখা, চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকালে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির ব্যবস্থাপনায় এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর আব্দুল হামিদ, ড. দিলারা বেগম, অধ্যক্ষ আনিছুর রহিম, প্রভাষক অমল কৃষ্ণ সরদার, মো. কাবিদুল ইসলাম, মো. রশিদ হাসান খান চৌধুরী, মো. আমিনুল হক খোকন, তৃপ্তি মোহন মল্লিক প্রমুখ।
নজরুল ইসলাম রাজু : পাটকেলঘাটাসহ আশ পাশের এলাকাগুলোতে আমের ভাল ফলনের আশায় মুকুলের পরিচর্যায় কর্মব্যস্ত হয়ে পড়েছে প্রত্যন্ত অঞ্চলের আমচাষীসহ গাছ মালিকেরা। আমের মুকুলে কীটনাশক ঔষধ প্রয়োগ করছেন তারা। কুয়াশার কারণে আমের ভালো ফলন হতে বিমুখ হতে পারেন এমন আশঙ্কায় আগেভাগেই গাছ মালিকরা পরিচর্যায় নেমে পড়েছে।
নলতা প্রতিনিধি : প্রতিবন্ধিরা সমাজের বোঝা নয়। উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের মানবসম্পদে পরিণত করা সম্ভব। প্রতিবন্ধিদের সমাজের মূল¯্রােতে অন্তর্ভুক্ত করতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে তাদেরকে এগিয়ে নেয়া সম্ভাব হলে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে। তারা সমাজের বোঝা হয়ে থাকবে না। প্রতিবন্ধিদের দিকে সবসময় আমাদের হাসি মুখে তাকাতে হবে। প্রতিবন্ধিরা আমাদের অলিম্পিক জয় করে এনে দিয়েছে। তাদেরকে সুশিক্ষায় শিক্ষত করে দেশের সম্পদে রূপান্তরিত করতে হবে। আর এই দায়িত্ব সরকারের একার নয়, বে-সরকারি প্রতিষ্ঠানও তাদের পাশে এসে সম্মিলিত উদ্যেগ গ্রহন করবে। তারই ধারাবাহিকতায় কালিগঞ্জ উপজেলার নলতায় প্রতিবন্ধিদের উন্নয়নে এমজেএফ কাজ করে যাচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ভূগোল বিভাগের গৌরব অর্জন ও নজরকাড়া সাফল্য অর্জন করেছে রুমানা ইয়াসমিন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪ সালের অনার্স ৪র্থ বর্ষের চূড়ান্ত ফলাফলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধা তালিকায় ১ম স্থান অধিকার করেছেন শিক্ষার্থী সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ভূগোল বিভাগের রুমানা ইয়াসমিন। রুমানা ইয়াসমিন ভূগোল বিভাগ থেকে অংশ নিয়ে ১ম বর্ষে জিপিএ ৩.৭১, দ্বিতীয় বর্ষে জিপিএ ৩.৫২, ৩য় বর্ষে জিপিএ ৩.৬৯ এবং চতুর্থ বর্ষে জিপিএ ৩.৮২ পেয়ে মোট সিজিপিএ ৩.৭১ পায়। সে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঘোনা ইউনিয়নের মো. অলিউল ইসলাম ও রাজিয়া বেগমের একমাত্র কন্যা। তার পিতা একজন সফল কৃষক ও মাতা গৃহীনি। ২০১৪ সালে ভূগোল বিভাগ থেকে মোট ২৯ জন শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেয়। পাশের হার এবং সি.জি.পি.এ অনুসারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত ৪র্থ বর্ষের ফলাফলে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ভূগোল বিভাগ ১ম স্থান অর্জন করেছে।

