শুরুতেই সরল প্রশ্ন, ‘আয়নাবাজি’র সিক্যুয়েল করছেন না? মানে প্রশ্নটির অন্তর্নিহিত ভাব এমন ছিল, সুপটারহিট ছবিটির সিক্যুয়েল চলতি বছরের মধ্যেই মুক্তি দেওয়া উচিত!
অতি আকাঙ্ক্ষা নিয়ে করা এমন প্রশ্নের বিপরীতে জনাব শরাফাত করিম আয়না তথা চঞ্চল চৌধুরীর উত্তর একেবারেই শীতল ও নির্মোহ।
বললেন, ‘‘না, ‘আয়নাবাজি’র সিক্যুয়েল হবে না। যেমন হয়নি ‘মনপুরা’র। আমার অভিজ্ঞতা বলে, এই ছবিগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা নিজেদের কাজকে নিজেরা প্রচণ্ড সম্মান করেন। ফলে ‘আয়নাবাজি’র চলমান জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে এটির কিস্তি নির্মাণের কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই আমি জানি।’’
তাহলে!
চঞ্চল চমকে দিয়ে বললেন, ‘‘তাহলে আর কী! এখন আমি রাত-দিন নতুন আরেকটি ছবিতে ডুবে আছি। আমার নতুন ছবির নাম ‘দেবী’। নিশ্চয়ই জানেন, এটি নন্দিত সাহিত্যিক-নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে ছবিটি সরকারি অনুদানও পেয়েছে।’’
চঞ্চল চৌধুরী এমন তথ্য দিয়েছেন আরও এক মাস আগেই। তবে এই ছবির অন্যতম মুখ এবং প্রযোজক জয়া আহসান তখন অনুরোধের সুরেই বলেছেন, পুরো ছবির সূচি চূড়ান্ত না করে সংবাদটি আগাম প্রকাশ করতে চাইছেন না তিনি।
অতঃপর আজ, বুধবার (১৫ মার্চ) জয়া আহসান ‘দেবী’র খবর চূড়ান্তভাবে জানালেন। বললেন, ‘দেবী’ চলচ্চিত্রে চঞ্চল অভিনয় করছেন হুমায়ূন আহমেদের অনবদ্য সৃষ্টি মিসির আলি চরিত্রে। আর তিনি থাকছেন রানু চরিত্রে।
যারা উপন্যাসটি পড়েছেন- তারা নিশ্চইয় এতক্ষণে ধরে ফেলেছেন চরিত্র দুটির ধার।
প্রসঙ্গত, এবারই প্রথম কোনও চলচ্চিত্রে জয়া ও চঞ্চল চৌধুরী অভিনয় করছেন একসঙ্গে।
জয়া বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ‘দেবী’তে তার (রানু) স্বামী আনিসের চরিত্রে অভিনয় করছেন নির্মাতা অনিমেষ আইচ।
এদিকে উপন্যাস থেকে চলচ্চিত্র নির্মাণের অনুমতি প্রসঙ্গে জয়া বলেন, ‘হুমায়ূন আহমেদের পরিবারের পক্ষ থেকে অনুমোদন ও সরকারের অনুদান প্রাপ্তির পর থেকেই আমরা এটি নির্মাণের প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছি। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে এটির শুটিং শুরু হচ্ছে।’
জয়া আরও বলেন, ‘‘আশা করছি দারুণ কিছু হবে। আমরা শতভাগ চেষ্টা করবো শ্রদ্ধেয় হুমায়ূন স্যারের মূল উপন্যাসের বিষয়টি ধরে রাখতে। আর এটি নির্মাণ করছেন ‘আয়নাবাজি’র সংলাপ-চিত্রনাট্যকার অনম বিশ্বাস। তার ওপর আমাদের শতভাগ আস্থা রয়েছে।’’
সরকারি অনুদানের পাশাপাশি ছবিটির প্রযোজক হিসেবে আছেন জয়া আহসান। তার ‘সি তে সিনেমা’ ব্যানার থেকে এটি নির্মিত হচ্ছে।
‘দেবী’র অন্যান্য চরিত্রে আরও অভিনয় করছেন শবনম ফারিয়া, ইরেশ যাকের প্রমুখ।

বিনোদন ডেস্ক : এবার দক্ষিণ ভারতের ছবিতে দেখা যাবে বলিউডের আলোচিত অভিনেত্রী সানি লিওনকে। বেশ কয়েকটি ছবির জন্য অফার এসেছে তার কাছে, যোগাযোগ করছেন দক্ষিণ ভারতের পরিচালকরাও। এমনটাই জানা গেছে ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে।
অপেক্ষার পালা বুঝি আরেকটু ঘুচলো। গতকাল মঙ্গলবার মুক্তি পেয়েছে ‘বেগম জান’ ছবির প্রথম ট্রেলার। পোস্টারের মতো এখানেও বিদ্যা বালানের উপস্থিতিটাই সবচেয়ে বেশি। ২ মিনিট ৫৫ সেকেন্ডের এ ট্রেলারে তাকে একজন সাহসী আর দাপুটে নারী হিসেবে দেখা গে
স্কোরবোর্ডে শ্রীলঙ্কার নামের পাশে ৭০ রান, উইকেট ৪টি। বাংলাদেশের শততম টেস্টের প্রথম সেশনে এরচেয়ে স্বস্তি কি হতে পারে।
ইতিহাসের প্রাপ্ত তথ্যাদি থেকে জানা যায়, যশোর, বুড়ন, সমতট, ব্যাঘ্রতট, বাগড়ি প্রভৃতি নামে নানা সময়ে এলাকাটিকে চিহিুত করা হয়েছে। আর সুলতান দাউদ খান কররানীর পতনের পর বিক্রামাদিত্য ও ভ্রাতা বসন্ত রায় স¤্রাট আকবরের বশ্যতা স্বীকার করে। এবং তারা ১৫৭৭ খ্রিস্টাব্দে স¤্রাট আকবরের কাছ থেকে যশোর রাজ্যের সনদ নিয়েছিলেন। অত:পর বর্তমান কালিগঞ্জ উপজেলার বসন্তপুরে এসে রাজ প্রাসাদ গড়ে তুলেছিলেন। ঐ সময়ে বসন্ত রায় বঙ্গের বিভিন্ন জায়গা থেকে আতœীয়-স্বজনকে এখানে এনে যশোর সমাজ নামে এলাকা তৈরি করেছিলেন। আর রাজা প্রতাপাদিত্যের পতনের পর তাঁর বিশাল সৈন্য বাহিনীর এক অংশ শ্যামনগর – কালিগঞ্জ এলাকায় বসবাস শুরু করেছিলেন। পাঠান বিদ্রোহ দমনের জন্য মুঘলদের পক্ষে সামান্ত রাজা প্রতাপাদিত্য ১৫৯৩ খ্রিস্টাব্দে উড়িষ্যা অভিযান শেষ করে যশোর হয়ে বর্তমানে শ্যামনগর উপজেলার গোপালপুরে এসে গোবিন্দ দেবের মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন এবং সে মন্দিরের সেবাইত বল্লাভট্টাচার্যকে নিযুক্ত করেন। ১৬৬৭ খ্রিষ্ট্রাব্দে ইসলাম প্রচারের লক্ষ্যে হযরত শেখ মুহাম্মাদ শাহ ওরফে দরগাহ শাহ নামে এক ব্যক্তি বাগদাদ থেকে সস্ত্রীক নিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে বর্তমান আশাশুনি উপজেলার দরগাপুরে সংসার জীবন শুরু করে। তারপর তাঁরই নামানুসারে গ্রামটির নামকরণ করা হয় দরগাপুর। মুঘল রাজত্বের অন্তিমকালে ১৭২৭ খ্রিস্টাব্দে রাজকীয় চার্টারের বলে প্রেসিডেন্সী শহরের সৃষ্টি হয়েছিল। অত:পর ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে নদীয়ার জমিদার মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের মৃত্যুর পর তাঁর অধিকৃত জমিদারী পরগনাগুলো যখন নিলামে ওঠে তখন তাঁরই এক কর্মচারী বিষ্ণরাম চক্রবর্তী বুড়ন পরগনা নিলামে কিনে নেন। এবং পরে তিনি সাতঘরিয়া বা সাতক্ষীরায় এসে বসবাস শুরু করেন। তার আচার-আচারণ ও কর্মদক্ষতার কারণে ব্রিটিশরা তাকে রায় চৌধুরী উপাধি দিয়েছিলেন। ঐ সময়ে তাঁর বংশধরেরা সাত ঘরিয়ার আশে-পাশে জমি ক্রয়ের মাধ্যমে বসবাস শুরু করে। লর্ড ডালহৌসী (১৮৪৮-১৮৫৬) খ্রিস্টাব্দে বৃটিশ ভারতের গভর্ণর জেনারেল হয়ে আসার পর তিনি সমগ্র বৃটিশ ভারতকে বিভিন্ন মহাকুমায় বিভক্ত করেন। তখন নীল বিদ্রোহ দমন ও স্থানীয় শাসন শক্তিশালী করার লক্ষ্যে যশোর জেলায় কয়েকটি মহাকুমা করার প্রয়োজন হয়েছিল। অত:পর ১৮৫১ সালে সাতক্ষীরাকে যশোর জেলার চতুর্থ মহাকুমা হিসেবে সৃষ্টি করা হয়েছিল। আর এ মহাকুমার প্রধান কার্যালয় কলারোয়াতে স্থাপিত হয়েছিল। জানা যায়, পাবনা জেলার অধিবাসী নবাব আব্দুল লতিফ খান সাতক্ষীরা মহাকুমার প্রথম মহাকুমা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করেছিলেন। তিনি সাতক্ষীরা মহাকুমার ম্যাজিস্ট্রেট থাকাকালীন এ জনপদে নীল চাষীদের প্রতি অত্যাচার, জুলুম এবং শোষণের প্রতিকারের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে বৃটিশ সরকারের কাছে আবেদন করেছিলেন। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ নিমাই চন্দ্র মন্ডল বলেন, এ অঞ্চলে ইংরেজ বিরোধী গণ আন্দোলন শুরু হলে কলারোয়া উপজেলার পিছলাপোল গ্রামের মওদুদ বরকন্দাজ নামে এক কৃষক নেতা এ এলাকায় নীল চাষকে কেন্দ্র করে নীল কুঠিয়ালদের অত্যাচারের প্রতিবাদ করেছিলেন। ১৮৫২ -১৮৫৩ সালে সাতক্ষীরা মহাকুমা স্থাপিত হলেও ১৮৬১ সালে সাতক্ষীরা মহাকুমা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছিল। এবং তৎকালীন সাতক্ষীরার জমিদারদের প্রচেষ্ঠায় মহাকুমার প্রধান কার্যালয় কলারোয়া থেকে মহাকুমা কার্যালয় সাতক্ষীরাতে স্থানান্তরিত করেছিলেন। এবং সাতক্ষীরাকে মহাকুমা করে তা যশোর জেলার এবং ১৮৬৩ সালে চব্বিশ পরগনার অধীনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। অত:পর জেলা শহর আইন অনুসারে শহর কমিটি গঠনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আর এই আইনের বলে ১৮৬৭ সালে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টাউন কমিটির আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল। জানা যায়, এখানে বহু আগে কয়েক ঘর জমিদার বসবাস শুরু করেছিলেন। আর এখানে গ্যাসের আলো, উন্নত রাস্তাঘাট ও বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা সহ নগর জীবনের সকল সুযোগ-সুবিধা থাকায় এই এলাকার নামকরণ টাউন কমিটির নামানুসারে টাউনশ্রীপুর করা হয়েছিল। আর পরবর্তীতে টাউন কমিটির নাম পরিবর্তিত হয়ে পৌরসভায় রুপান্তরিত হয়। এবং এটিই প্রথম প্রতিষ্ঠিত পৌরসভা। যার নামকরণ করা হয়েছিল টাউনশ্রীপুর পৌরসভা। আর এ পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান হলেন ফনীভূষণ সরদার। অত:পর ১৮৬৯ সালে সাতক্ষীরা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আর এ পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান হলেন প্রাণনাথ রায় চৌধুরী। এবং আরও পরে ১৮৮২ সালে খুলনা জেলার সাথে সাতক্ষীরা সম্পৃক্ত হয়েছিল। ১৮৮৫ সালে লোকাল সেলফ গভমেন্ট আইন অনুযায়ী ১৮৮৬ সালে তদানীন্তন খুলনা জেলায় প্রথম জেলা বোর্ড গঠিত হয়েছিল। অত:পর সাতক্ষীরা মহাকুমা পর্যায়ে লোকাল বোর্ড সৃষ্টি হয়েছিল। আর প্রশাসনিক সুবিধার জন্য এলাকাকে মহাকুমা বা জেলা যাই বলা হোক না কেন, এর ইতিহাস অতি প্রাচীন? প্রাচীন এই জনপদে মহাকালের সাক্ষী হয়ে যে সকল মহাকুমা বা জেলা প্রশাসকগণ উন্নয়নের জন্য কাজ করে গিয়েছিলেন এবং বর্তমানে সুষ্ঠ, নিরপেক্ষ ভাবে অবদান রেখে অনন্য ভুমিকা পালন করেছেন, তা সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে জানানোর জন্য এই পত্রিকায় আজকের লেখা।
ডেস্ক: কালোযাদুর কথা শুনলেই আমাদের চোখে ভুতুড়ে পরিবেশের ছবি ভেসে ওঠে। দীর্ঘদিন থেকে মানুষ নিজের ইচ্ছা পূরণ করার জন্য এই বিদ্যার ব্যবহার করে আসছে। এই বিদ্যা কতটুকু ফলপ্রসু তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও এর উপরে অনেকেরই অগাধ আস্থা। কিন্তু তন্ত্র-মন্ত্রে ব্যবহৃত পণ্যের বাজার কোথায় সেটি জানেন কি?
নিজস্ব প্রতিবেদক : ৯ বোতল ফেন্সিডিলসহ আবুল কাশেম নামের এক ব্যক্তিকে পুলিশ আটক করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল বেলা ১টায় বাকাল মেডিকেল কলেজের সামনে। সে আলিপুর পাচানি এলাকার আবুল খায়েরের ছেলে। মাদক বিক্রি হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সাতক্ষীরা ইটাগাছা ফাড়ির এসআই বিল্লাল হোসেনসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাকে আটক করে। এঘটনায় একটি মামলা হয়েছে।
লাইফস্টাইল ডেস্ক: মুহূর্তের মধ্যেই গোপন দুর্বলতা থেকে শুরু করে গাঁটে ব্যথা, হাঁটু ব্যথা, ঠাণ্ডা, ফ্লু, সর্দি ও ত্বকের সমস্যার সমাধান করতে মাত্র দু’তিন ফোটা তেল নাভিতে ঢেলে দেখুন কী হয়! যাদুর মতো অনেক রোগ কমে যায় এবং এতে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই।