নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার ইতিহাসের সবচেয়ে নৃশংস খুনী এম আব্দুল্লাহিল বাকী সদর উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের বুলারাটী গ্রামে ১৯১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্র হিসেবে প্রচণ্ড মেধাবী হলেও তরুণ বয়স থেকেই হিংস্রতার জন্য কুখ্যাতি ছিল বাকীর।
মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার আসামি বাকি ১৯৬৪ সালে তৎকালীন সাতক্ষীরা মহকুমার আলিপুর ইউনিয়ন কাউন্সিলের প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
মুসলিম লীগ নেতা হিসেবে দাপট ছিল বাকির। এভাবে টানা ২৪ বছর একই ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট অথবা চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৭৮ সালে সাতক্ষীরা মহকুমার ৭৮টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সমন্বয়ে গঠিত চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি ছিলেন তিনি। এরপর কো-অপারেটিভ ব্যাংকের চেয়ারম্যান হন আবদুল্লাহেল বাকি।
আবদুল্লাহেল বাকির বাবা হাজি জমিরুদ্দিন। তাঁরা দুই ভাই ও দুই বোন। তাঁরা হলেন আবদুল্লাহেল বাকি, আহলে হাদীস নেতা ড. আসাদুল্লাহ আল গালিব, জামিলা খাতুন ও হালিমা খাতুন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আবদুল্লাহেল বাকির দুই স্ত্রীর প্রথম জন টরি বেগম মারা গেছেন। এখন বেঁচে আছেন ছোট স্ত্রী সাজেদা খাতুন। তাঁর নয় মেয়ে ও তিন ছেলে এবং ৬৪ নাতি-নাতনি রয়েছেন। মেয়েরা হলেন লতিফা খাতুন, তৈয়বা খাতুন, হেনা খাতুন, মিনা খাতুন, আছিয়া খাতুন, সালমা খাতুন, তাহমিনা খাতুন ও মৌহসেনা খাতুন। অপর মেয়ে নাজমা খাতুন মারা গেছেন। বাকির তিন ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল বেসিক ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। মেজ ছেলে মোস্তাজারুর রহমান বাবুল সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যাপক এবং ছোট ছেলে মোস্তাফিরুর রহমান হাবুল একজন মুদি ব্যবসায়ী। আবদুল্লাহেল বাকি খুলনায় তাঁর বড় ছেলের বাসায় থাকতেন। পাঁচ দিন আগে তাঁকে গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরার আলিপুর ইউনিয়নের বুলারাটিতে নিয়ে আসা হয়।
একাত্তরে আবদুল্লাহেল বাকির নাম শুনলে মানুষ আতঙ্কিত হয়ে উঠত। সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে মাত্র ২০০ গজ দূরে সুলতানপুর বড়বাজারমুখী সড়কের পূর্ব পাশ ঘেঁষে ছিল রাজাকার বাকির টর্চারিং সেন্টার। বর্তমানে সেটি অগ্রণী ব্যাংক। এভারগ্রিন ট্রেডের দোতলায় এ ভবনটি ছিল ডায়মন্ড কোম্পানির স্টার হোটেল হিসেবে পরিচিত। এর পরিচালক ছিলেন অবাঙালি মুসা খান।
সাতক্ষীরার বিশিষ্ট কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সাতক্ষীরার ত্রাস আবদুল্লাহেল বাকি তাঁর দোসরদের নিয়ে ‘পাকিস্তানের শত্রু নিধন’-এর লক্ষ্যে গড়ে তোলেন এ টর্চার সেল। এখানে ধরে আনা কথিত কাফেরদের বেতলাঠি ও মুগুর দিয়ে আঘাত করা ছাড়াও ছুরি ও ব্লেড দিয়ে দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চিরে লবণ দেওয়া হতো। গরম পানিতে চুবিয়ে ধরা হতো। ঝুলিয়ে মারা হতো বেত। কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়ে মজা দেখতেন বাকিসহ তাঁর সহযোগীরা। কয়েক দিনের নির্যাতনের পর কোনো স্বীকারোক্তি না পাওয়া গেলে বাঙালি সন্তানদের নিয়ে যাওয়া হতো পাকিস্তানি সেনাদের কাছে। এরপর মাহমুদপুর অথবা বিনেরপোতায় নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হতো তাদের। টর্চার সেলে নেওয়া পুষ্পকাটী গ্রামের তরুণ ছাত্র আনসার আলীকে হত্যা করেন বাকী। আনসার হত্যার অভিযোগেও বাকীর বিচার চলছে।
মুক্তিযোদ্ধারা জানান, বাকির টর্চার সেলের দুই ঘাতক কসাই ছিলেন শহরের নবজীবন এনজিওর খান রোকনুজ্জামান ও পলাশপোল হাইস্কুলের প্রয়াত শিক্ষক কবির আহমেদ। তাঁরা আনসারের লাশ নিয়ে পরিবারের হাতে পৌঁছে দিয়ে বলেছিলেন, ‘পাকিস্তান সরকারের বিরোধিতার এটাই ফল। দেবহাটার ঘলঘলিয়ার তরুণ ছাত্র খলিলুর রহমানকে ডায়মন্ড টর্চার সেলে এক সপ্তাহ নির্যাতন চালিয়ে যশোর সেনাক্যাম্পে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেখান থেকে খলিলুর রহমান পালিয়ে বাাঁচেন।
সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুরের আওয়ামী লীগ নেতা মো. নজরুল ইসলামকে গাড়ির চাকায় বেঁধে টেনে আনা হয় বাকির টর্চার সেলে। কয়েক দিনের নিপীড়নের পর ঘাতকরা নজরুলকে বাঁকাল খালের ধারে ছুড়ে ফেলে দেয়। দুদিন পর সাতক্ষীরা থানার ওসি তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে দিলেও তিনি একই হাসপাতালে ভর্তি হওয়া একজন পাকিস্তানি সৈনিককে দেখে আতঙ্কে সরে পড়েন। বাকির নেতৃত্বে আলিপুরের মাহমুদপুরে ছিল আরো একটি কিলিং সেন্টার (হত্যার জায়গা)। শহরের স্টার ডায়মন্ড হোটেলে নির্যাতন করে কিছু উদ্ধারে ব্যর্থ হলে কথিত কাফেরদের পাঠানো হতো মাহমুদপুরে। সাড়ে চার দশক পর আজও এ অঞ্চলে কথিত আছে ‘কী ছিল কপালের ফের, যাব টাকি সোদপুর, গেলাম কিনা মাহমুদপুর’। মুক্তিযুদ্ধকালে সেখানে রোজ ২০ থেকে ৫০টি পর্যন্ত লাশ ফেলা হতো বলে এলাকাবাসী জানায়। ১৯৭১-এর ৩০ নভেম্বর আলিপুর পুষ্পকাটী এলাকায় কয়েকশ’মুক্তিযোদ্ধা অবস্থান নেন। এ খবর পেয়ে পাকিস্তানি বাহিনী খুলনা অভিমুখে পলায়ন শুরু করতেই আতঙ্কিত বাকি, খালেক, খান রোকনুজ্জামান, কবির আহমেদ ও জহুরুল ইসলামসহ অন্যরা পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে পলায়ন করেন। তাঁদের মধ্যে রাজাকার খালেক ওরফে মওলানা আবদুল খালেক মণ্ডল যুদ্ধাপরাধ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে আছেন। রাজাকার কবির আহমেদ মারা গেছেন। এ ছাড়া খান রোকনুজ্জামান ও জহুরুল ইসলামসহ অন্যরা এই মুহূর্তে পালিয়ে আছেন।

এস এম আহমাদ উল্ল্যাহ বাচ্ছু : কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর উপজেলা এলাকার সাধারণ মানুষদের প্রলোভন ও ভবিষ্যতে মোটা অংকের টাকা পাওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা আত্বসাৎ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীর শ্যামনগর উপজেলা ইনচার্জ কনিকা পালের বিরুদ্ধে। সে শ্যামনগর উপজেলার নকিপুর গ্রামের মৃত সুশীল চন্দ্র পালের মেয়ে। এলাকার শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ ভূক্তভোগীদের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কনিকা পাল বিভিন্ন সময় সরলমনা মানুষদের ভুল বুঝিয়ে মেয়াদপুর্তি ডিপোজিট পরিকল্প গ্রহণ, প্রতি মাসে লাখ প্রতি ২ হাজার টাকা লভ্যাংশ, ও এক বছর মেয়াদে জমাকৃত আসল টাকা ফেরত দেয়ার শর্তে ষ্ট্যাম্পে চুক্তিপত্রের মাধ্যমে গ্রাহকদের পলিসি করান, যা প্রচলিত বীমা আইন ও নীতিমালার পরিপন্থী। পলিসির গ্রাহকরা খবর নিয়ে জানতে পারেন বীমা পলিসি নবায়নের জাল রশিদ প্রদানের মাধ্যমে তিনি লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে ভারতে চলে গেছেন। গ্রাহকবৃন্দ বিষয়টি সর্ম্পকে ভালভাবে জানতে ও প্রতিকারের আশায় মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীর জেলাসহ প্রধান কার্যালয়ে যোগাযোগ করে। সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষ জানায় উপজেলা ইনচার্জ কনিকা পালের উপস্থিতি ছাড়া কোন ব্যবস্থা গ্রহণ সম্ভব নয়। এদিকে কনিকা পালের বিরুদ্ধে শ্যামনগর উপজেলার ভেটখালী গ্রামের মৃত পন্ডিত চন্দ্র মন্ডলের ছেলে অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক সন্তোষ কুমার মন্ডল, বড়-ভেটখালী গ্রামের মৃত হারান চন্দ্র মাঝির ছেলে অনিল চন্দ্র মাঝিসহ বেশ কয়েক জনের নিকট থেকে ব্যাক্তিস্বার্থ ও প্রতারণার মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে আতœসাৎ করেছেন এই মর্মে মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোঃ লিঃ এর মাকেটিং এন্ড প্রশাসন বিভাগের পরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীরা। এছাড়া নির্ভরযোগ্য সূত্র আরো জানায়, কনিকা পালের বিরুদ্ধে মেঘনা লাইফ ইন্স্যু কোম্পানী কর্তৃপক্ষ ২০ লাখ টাকা আতœসাৎ করার অভিযোগে সাতক্ষীরা আদালতে মামলাও দায়ের করেছেন। মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কর্তৃপক্ষ কানিকার গ্রাহকদের আত্মসাৎকৃত টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার শর্তে তাকে পুনরায় চাকুরীতে বহাল করেন। দিকে সুচতুর কনিকা পাল কোম্পানীর টাকা নয় ছয় করে ২০১২ সালে দিকে ভারতে পাড়ি জমিয়ে ২০১৬ সালে প্রথম দিকে তার এক নিকট আত্মীয়ার ম্যাধ্যমে কোম্পানীর উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে পূনরায় চাকুরীতে যোগদান করেছেন। কর্মস্থলে ফিরেই তিনি অভিযোগকারী গ্রাহকদের সাথে খারাপ আচরণ, হুমকি ধামকীসহ নানা ধরনের ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। বীমা গ্রাহকদের জমাকৃত টাকা আতœসাৎ করার বিষয়ে ইনচার্জ কনিকা পালের কাছে জানতে চাইলে তিনি মুঠো ফোনে সাংবাদিকদের জানান, আমার বিরুদ্ধে কোন প্রকার অভিযোগ আছে সেটা আমার জানা নেই। প্রকৃত পক্ষে এলাকায় কিছু ব্যাক্তি ও আমার অফিসের সহকর্মীরা সামাজে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে। অর্থ আতœসাৎ এর কোন বিষয় আমার অফিসে ঘটনা ঘটেনি। শারিরীক অসুস্থ্যতার কারনে চিকিৎসার জন্য দীর্ঘ দিন ভারতে অবস্থান করায় গ্রাহকবৃন্দ আমাকে নিয়ে এমন খবর প্রচার করছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : সোহরাওয়ার্দী কাপ জাতীয় অনুর্দ্ধ-১৮ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০১৭ এর ফাইনালে ঝিনাইদহা জেলা দলকে ২-০ গোলে হারিয়ে খুলনা বিভাগীয় অপরাজিত গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে সাতক্ষীরা জেলা দল। শনিবার বিকালে গোপালগঞ্জ স্টেডিয়ামে ঝিনাইদহা জেলা দলকে হারিয়ে ২-০ গোলে হারিয়ে বিভাগীয় অপরাজিত গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সব ক’টি দলকে হারিয়েছে। দলের পক্ষে ইয়াছিন আলী সাগর-১টি ও হাবিবুর ১টি গোল করে। ফলে সাতক্ষীরা জেলা দল খুলনা বিভাগীয় অপরাজিত গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। জাতীয় অনুর্দ্ধ-১৮ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০১৭ এর ফাইনালে ঝিনাইদহা জেলা দলকে ২-০ গোলে হারিয়ে খুলনা বিভাগীয় অপরাজিত গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করায় শুভেচ্ছা জানিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জেলা প্রশাসক ও জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের প্রধান উপদেষ্টা আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন সোহরাওয়ার্দী কাপ জাতীয় অনুর্দ্ধ-১৮ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০১৭ এ অংশগ্রহণকারী জেলা দলের সকল খেলোয়াড়, কোচ ও টিম ম্যানেজারসহ জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের কর্মকর্তা এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এ সময় তিনি আরো আমরা বিদেশী খেলোয়াড়দের পরিহার করে দেশী খেলোয়াড়দের সুযোগ দেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে জেলার সকল ভালো খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ভালো খেলোয়াড় সৃষ্টি করতে চাই। সে লক্ষ্যে জেলায় অনুর্দ্ধ-১৮ ফুটবল টুর্র্নামেন্টের জন্য বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে টিম গঠন করেছি বলেই আমরা সব ক’টি দলকে হারিয়ে আজ বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। আর নয় বিদেশী খেলোয়াড়। এখন আমরা দেশীয় খেলোয়াড় তৈরির লক্ষ্যে এ সব খেলোয়াড়দের কোচিং এর ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। এ বিজয় শুধু আমার একার নয়। এ বিজয় সাতক্ষীরাবাসীর। তাই এ বিজয়কে আমি সাতক্ষীরাবাসীর জন্য উৎসর্গ করলাম। এছাড়াও সাতক্ষীরা জেলা দলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার মো. আলতাফ হোসেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এ.কে.এম আনিছুর রহমান, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম খান, ট্রেজারার শেখ মাসুদ আলীসহ জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের কর্মকর্তা এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার নেতৃবৃন্দ। জেলা দলের টিমের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির খান বাপ্পি, টিম ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন স.ম সেলিম রেজা। জেলা দলের হয়ে খেলছেন জাহাঙ্গীর, মোস্তাফিজুর, মামুন, সাইফুল, রাশেদ, মনিরুল, পারভেজ, বাবলু, বাপ্পি, সুমন, স¤্রাট, জাহিদ, সাইমুন, হাবিবুর, মিয়ারাজ ও ইদ্রিস।
আমির হোসেন খান চৌধুরী/হাসান হাদী: মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল কর্তৃক গ্রেফতারি পরোয়ানার পলাতক আসামি সাতক্ষীরার কুখ্যাত রাজাকার এম. আবদুল্লাহিল বাকি(১০৩)-কে গ্রেফতার করায় সাতক্ষীরা শহরে আনন্দ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছে মুক্তিযেদ্ধা-জনতা। রাজকার বাকী গ্রেফতারের খবর পেয়ে মুক্তিযোদ্ধা জনতার একটি বিক্ষোভ মিছিল শনিবার রাত ৯টার দিকে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহিদ নাজমুল সরণিস্থ রেড ক্রিসেন্ট কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে। মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ সরকারের সভাপতিত্বে ও স্বপন কুমার শীলের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ইনামুল হক বিশ্বাস, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হাসান উল ইসলাম ও অতিরিক্তি পিপি এড. ফাহিমুল হক কিসলু।
ডেস্ক রিপোর্ট : আজ ১৯ মার্চ রোববার, “তুমি আমার আকাশ থেকে সরাও তোমার ছায়া, তুমি বাংলা ছাড়ো”Ñপ্রখ্যাত ‘বাংলা ছাড়ো’ কবিতার জনক, তালার কৃতি সন্তান, খ্যাতিমান কবি, সাহিত্যিক ও সাংবাদিক সিকান্দার আবু জাফরের ৯৮তম জন্মদিন। এ উপলক্ষ্যে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও কবির পৈত্রিক ভিটা উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামে আলোচনা সভা ও কবির কবর জিয়ারতসহ নানান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া, কবির নিজ গ্রাম উপজেলার তেঁতুলিয়ায় কবি সিকান্দার আবু জাফর স্মরণে সিকান্দার মেলার উদ্বোধন করা হবে। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমির আয়োজনে মাসব্যাপী সিকান্দার মেলা চলবে।
আমির হোসেন খান চৌধুরী/হাসান হাদী: মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল কর্তৃক গ্রেফতারি পরোয়ানার পলাতক আসামি সাতক্ষীরার কুখ্যাত রাজাকার এম. আবদুল্লাহিল বাকি(১০৩)কে অবশষে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ কিছুক্ষণ আগে তাকে তার নিজ বাসভবন সদর উপজেলার আলীপুরের বুলারাটী থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন মোল্লা বাকীকে গ্রেফতারের বিষয়টি ডেইলি সাতক্ষীরাকে নিশ্চিত করেছেন।