ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরা তালা উপজেলার গাছা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অফিস সহকারী কাম চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগ প্রদানে ব্যাপক অনিয়ম ও দূনিতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় গতকাল সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করা হয়েছে। আবেদনে বলা হয় অত্র স্কুল কমিটির সদস্যরা কোন রকম নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে বিদ্যালয়ের সভাপতির ছেলেকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। ইতিমধ্যে তারা প্রার্থীর কাছ থেকে ৫-৬ লাখ টাকা নিয়ে দফারফা করছে। নিয়োগ বন্ধ ও মেধা তালিকার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়ার জন্য। গাছা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের অবিভাবক সদস্য বিকাশ চন্দ্র সরকার জানান, সম্প্রতি বিদ্যালয়ের এক অফিস সহকারী কাম চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগ প্রদানের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদান করা হয়। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ১৭ জন প্রার্থী উক্ত পদের জন্য আবেদন করেন। বিস্বস্থ সুত্রে জানতে পারলাম আবেদন কারীদের মধ্যে অমর কুমার মন্ডল, পিতা- সুশান্ত কুমার মন্ডল, গ্রাম-বাগডাঙ্গা, উপজেলা-তালা, জেলা-সাতক্ষীরা তাকে ওই পদে নিয়োগ প্রদান করা হবে। নিয়োগ প্রদান করতে নিয়োগ বোর্ডের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা ৫-৬ লাখ টাকা আর্থিক লেনদেন করেছেন এমন খবর স্থানীয়ভাবে প্রচার হয়েছে। যাকে নিয়োগ দেয়ার জন্য চুড়ান্ত করা হচ্ছে সেই অমর কুমার মন্ডলের বাবা গাছা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বর্তমানে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ইতিমধ্যে ২৩/১১/২০১৬ তারিখে তালা বি দে সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ প্রদানের জন্য পাতানো একটি নিয়োগ বোর্ড করার সিদ্ধান্ত করা হয়েছে। আর্থিক সুবিধা নিয়ে বিশেষ ব্যক্তিকে নিয়োগ দেয়া হলে আইন শৃংখলা অবনতি হতে পারে। একই সাথে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ব্যহত হবে এবং বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সদস্যদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রথিন্দ্রের সাথে কথা যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, অর্থ নিয়ে নিয়োগের কোন বিষয় আমার জানা নেই। তবে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নেতৃবৃন্দ ঐক্যমত পোষন করেছেন যিনি পরীক্ষায় প্রথম হবেন তাকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

স্থানীয় একটি চিকিৎসালয়ে ভর্তি করানো হয়। সেখান থেকে অবস্থার অবন্নতি হলে তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় হাসপাতালের কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। চিকিৎসক জানান,হার্ডএ্যার্টাক করার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এদিকে দুপুর দুইটার দিকে মরহুমের কর্মস্থল সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এক হৃদয় বিদারক পরিবেশের মধ্য দিয়ে প্রথম জানাযা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। নামাজের ইমামতি করেন,প্রতিষ্ঠানটির হেড ,মুফতি আখতারুজ্জামান। এর আগে জানাযা পূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন,মরহুমের একমাত্র ছেলে,ছাব্বির আহম্মদ, অধ্যক্ষ মুহাদ্দিস মোস্তফা শামসুজ্জামান, প্রতিষ্ঠানটির গর্ভঃসদস্য জেলা ওলামা লীগের সভাপতি নাজমুল হাসান বকুল,মুহাদ্দিস সিরাজুল ইসলাম সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। মরহুমের দ্বিতীয় নামাজের জানাযা অনুষ্ঠিত হয় বিকাল ৪টায় তার গ্রামের বাড়িতে। পরে বাবা মায়ের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্মন্ন করা হয়। বাংলাদেশ মসজিদ মিশনের সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সেক্রেটারী মাওলানা মুস্তাফিজুর রহমান, প্রতিষ্ঠানটির কর্মরত শিক্ষকবৃন্দ মরহুমের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়ে বিবৃত্তি দিয়েছে। এক শোক বর্তায় প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুহাদ্দিস মোস্তফা শামসুজ্জামান জানান,তার মৃত্যুতে জাতি একজন আলেম কে হারাল। প্রতিষ্ঠানটি একজন বিজ্ঞশিক্ষক হারালো। আমরা তার রুহের মাগফিরাত কামনা করি। একই সাথে শোক সন্তাপ্ত পরিবারের প্রতি জানায় গভীর সমবেদনা।
অনলাইন ডেস্ক: একটি পা দিয়েই চলছে রাসেল মৃধার জীবন সংগ্রাম। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাকে দমাতে পারেনি। তাই অভাব অনটনের সংসারে শারীরিক প্রতিবন্ধী ছেলেকে পড়ালেখা করাতে হাল ছাড়েনি রাসেলের বাবা-মা। লেখাপড়ার প্রতি প্রবল আগ্রহ আর মনের জোরে এবার বাম পায়ে কলম ধরেই ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে শারীরিক প্রতিবন্ধী রাসেল মৃধা। সে সিংড়া পৌর এলাকার শোলাকুড়া মহল্লার কৃষক আবদুুর রহিম মৃধার ছেলে।