
ডেস্ক রিপোর্ট : ভোমরার পদ্ম শাখরা খাটালে গরু ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে কোটি কোটি টাকার মালিক বনেগেছে আওয়ামীলীগ নেতা শহীদুল। কালো টাকা ও দলীয় প্রভাবের কারণে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে শহীদুল। কে রুখবে তাকে। ইতোমধ্যে ঢাকায় আলিশান বাড়ি, দামী পিস্তল ও দামী গাড়ির মালিক হয়েছেন তিনি।
সূত্র জানায়, খাটাল মালিক শহীদুল ব্যবসায়ীদের উপর নির্যাতন চালিয়ে কালো টাকার পাহাড় গড়ছেন। তবে এ বিষয়ে একাধিক অভিযোগ থাকারও পর কারো যেন নজর নেই এদিকে। সীমান্ত এলাকার ব্যবসায়ী ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, ভোমরার পদ্ম শাখরার গরু খাটাল থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। সাতক্ষীরা ৩৮ বিজিবি’র অধিনায়ক কর্তৃক নির্ধারিত টাকার পরিবর্তে খাটাল মালিকরা আদায় করছেন অতিরিক্ত টাকা। এ অতিরিক্ত টাকা গুনতে গিয়ে নি:শ্ব হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। গরু ব্যবসায়ীদের এ ধরনের অভিযোগের ভিত্তিতে পদ্মশাখরা এলাকায় সরেজমিনে ঘুরে জানাগেছে, বর্তমান সাতক্ষীরা ৩৮ বিজিবি’র অধিনায়ক লে:কর্ণের আরমান ভারত থেকে আসার গরুর খাটাল খরচ নির্ধারণ করেছেন ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা। কিন্তু পদ্মশাখরার খাটাল মালিক জেলা আওয়ামীলীগ নেতা হাড়দ্দহা এলাকার বাদেল গাজীর ছেলে শহীদুল ইসলাম। তিনি বিজিবি’র অধিনায়কের নির্দেশ অমান্য করে গরুর মালিক থেকে কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছেন। সূত্র জানায় তিনি গরুপ্রতি ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকার পরিবর্তে ২৫০০ থেকে ২৬০০ টাকা আদায় করছেন। আর এসব টাকা আদায় করার জন্য তিনি কয়েক জন ব্যক্তিকে নিয়োগও দিয়েছেন। তাদের মধ্যে পদ্ম শাখরা গ্রামের রশিদের ছেলে জাকির ও মুনসুর আলীর ছেলে মন্টু সহ কয়েজন। তারা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক এসব টাকা আদায় করে থাকেন। টাকা দিতে অস্বীকার করলে মারপিটও করেন তারা। প্রতিদিন এই খাটালে ৩০০/৪০০ পিচ গরু করিডোরের মাধ্যমে ছাড় করা হয়। এতে প্রায় ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা আদায় হয় ওই খাটালে। যার ৪০ % নেন খাটাল মালিক(শহীদুল), ৩০% নেন ঢাকা প্রবাসীর পকেটে আর বাকী ৩০% যায় খাটালে কর্মরতদের পকেটে।
খাটাল মালিক শহীদুল স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ার তার বিরুদ্ধে সরাসরি মুখ খুলতে সাহস পায় না অনেকে। এছাড়া খাটাল মালিক শহীদুল ইসলাম রাজনৈতিক পরিচয় দিয়ে উর্দ্ধতন মহলের কাছ থেকে সুবিধা নিয়ে থাকেন। ব্যবসায়ীরা ক্ষোভের সাথে জানান, এধরনের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে ইতোমধ্যে আমরা কয়েকটি দপ্তরে অভিযোগও করেছি। কিন্তু অভিযোগ করে তেমন কোন লাভ হয়নি। বরং খাটাল মালিক শহিদুল ও তার লোকজন ব্যবসায়ীদের অতিষ্ঠ করে তুলছেন।
অপর দিকে শহীদুল খাটাল ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। ইতোমধ্যে তিনি ৮০ লক্ষ টাকা দিয়ে ঢাকায় আলিশান বাড়ি(ফ্লাট) কিনেছেন। নিজের নিরাপত্তার নাম করে সাড়ে ৪ লাখ টাকা দামের পিস্তল কিনেছেন। এছাড়া প্রতি বছর পরিবার পরিজন নিয়ে ভারত ভ্রমণ করেন তিনি। যা অত্যন্ত ব্যয় বহুল। এসব টাকার যোগাড় করতে শহীদুল খাটাল ছাড়াও সীমান্ত এলাকায় যুব সমাজকে ব্যবহার করে ইয়াবা, গাজাসহ বিভিন্ন মাদক দ্রব্যের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। তার কবলে পড়ে যুব সমাজ আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। অবিলম্বে শহীদুলে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

নিজস্ব প্রতিবেদক: মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০১৭ উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরিতে সুন্দর হাতের লেখা, চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকালে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির ব্যবস্থাপনায় এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর আব্দুল হামিদ, ড. দিলারা বেগম, অধ্যক্ষ আনিছুর রহিম, প্রভাষক অমল কৃষ্ণ সরদার, মো. কাবিদুল ইসলাম, মো. রশিদ হাসান খান চৌধুরী, মো. আমিনুল হক খোকন, তৃপ্তি মোহন মল্লিক প্রমুখ।
নজরুল ইসলাম রাজু : পাটকেলঘাটাসহ আশ পাশের এলাকাগুলোতে আমের ভাল ফলনের আশায় মুকুলের পরিচর্যায় কর্মব্যস্ত হয়ে পড়েছে প্রত্যন্ত অঞ্চলের আমচাষীসহ গাছ মালিকেরা। আমের মুকুলে কীটনাশক ঔষধ প্রয়োগ করছেন তারা। কুয়াশার কারণে আমের ভালো ফলন হতে বিমুখ হতে পারেন এমন আশঙ্কায় আগেভাগেই গাছ মালিকরা পরিচর্যায় নেমে পড়েছে।
নলতা প্রতিনিধি : প্রতিবন্ধিরা সমাজের বোঝা নয়। উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের মানবসম্পদে পরিণত করা সম্ভব। প্রতিবন্ধিদের সমাজের মূল¯্রােতে অন্তর্ভুক্ত করতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে তাদেরকে এগিয়ে নেয়া সম্ভাব হলে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে। তারা সমাজের বোঝা হয়ে থাকবে না। প্রতিবন্ধিদের দিকে সবসময় আমাদের হাসি মুখে তাকাতে হবে। প্রতিবন্ধিরা আমাদের অলিম্পিক জয় করে এনে দিয়েছে। তাদেরকে সুশিক্ষায় শিক্ষত করে দেশের সম্পদে রূপান্তরিত করতে হবে। আর এই দায়িত্ব সরকারের একার নয়, বে-সরকারি প্রতিষ্ঠানও তাদের পাশে এসে সম্মিলিত উদ্যেগ গ্রহন করবে। তারই ধারাবাহিকতায় কালিগঞ্জ উপজেলার নলতায় প্রতিবন্ধিদের উন্নয়নে এমজেএফ কাজ করে যাচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ভূগোল বিভাগের গৌরব অর্জন ও নজরকাড়া সাফল্য অর্জন করেছে রুমানা ইয়াসমিন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪ সালের অনার্স ৪র্থ বর্ষের চূড়ান্ত ফলাফলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধা তালিকায় ১ম স্থান অধিকার করেছেন শিক্ষার্থী সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ভূগোল বিভাগের রুমানা ইয়াসমিন। রুমানা ইয়াসমিন ভূগোল বিভাগ থেকে অংশ নিয়ে ১ম বর্ষে জিপিএ ৩.৭১, দ্বিতীয় বর্ষে জিপিএ ৩.৫২, ৩য় বর্ষে জিপিএ ৩.৬৯ এবং চতুর্থ বর্ষে জিপিএ ৩.৮২ পেয়ে মোট সিজিপিএ ৩.৭১ পায়। সে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঘোনা ইউনিয়নের মো. অলিউল ইসলাম ও রাজিয়া বেগমের একমাত্র কন্যা। তার পিতা একজন সফল কৃষক ও মাতা গৃহীনি। ২০১৪ সালে ভূগোল বিভাগ থেকে মোট ২৯ জন শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেয়। পাশের হার এবং সি.জি.পি.এ অনুসারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত ৪র্থ বর্ষের ফলাফলে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ভূগোল বিভাগ ১ম স্থান অর্জন করেছে।