নাজমুল হক, পাটকেলঘাটা: পাটকেলঘাটার সেনপুর বাজারে বিদ্যুৎ না থাকায় এলাকাবাসী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তালা উপজেলার সেনপুর বাজারটি এখন বেশ জমজমাট হয়েছে। এখানে অল্প দিনের মধ্যেই প্রায় শতাধিক দোকানপাঠ গড়ে উঠেছে। কিছু দিন আগে এতাদাঞ্চলের সর্ববৃহৎ গরুহাট স্থাপন হওয়ায় দুর-দুরান্ত থেকে হাজারো ক্রেতা বিক্রেতার সমাগম ঘটে বাজারটিতে। সকাল থেকে অধিক রাত পর্যন্ত বাজারের লোকারণ্যে কেনা বেচা চলতে থাকে। কিন্তু দুঃখের বিষয় বাজারটিতে কোন বিদ্যুৎ এর সুবিধা না থাকায় নিরাপত্তহীনতায় ভুগছে এখানকার ক্রেতা বিক্রেতারা। জীবন রক্ষাকারী গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ ফ্রিজ না থাকায় রাখতে পারছে না ফার্মেসীগুলো। বাজারের বিশিষ্ট্য ব্যবসায়ী বাবলুর রহমান, শিক্ষক মিজানুর রহমান ও স্থানীয় বাসিন্দা সাইকুল ইসলাম জানান, বাজারটিতে অনেকেই মিল কলকারখানা তৈরীর উদ্দ্যোগ নিয়েও বিদ্যুৎ না থাকার কারণে উদ্দ্যোক্তারা পিছিয়ে যাচ্ছেন। বাজারটিতে দ্রুত বিদ্যুৎ সুবিধা পাইবার জন্য জোরদাবী জানান স্থানীয়রা। প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়ন সম্পর্কে বাজারটির এ বেহালদশার বিষয়ে সাতক্ষীরা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার রবীন্দ্রনাথ দাসের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন- বাজার কমিটির পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে আমার কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। আগামী জুন-২০১৮ এর মধ্যে প্রধান মন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী তালা উপজেলার প্রতিটি ঘরে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া হবে। তবে দ্রুত বাজারটিতে বিদ্যুৎ সেবা পেতে হলে আনুমানিক ৪/৫ লক্ষ টাকা খরচ করলে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া সম্ভব বলে তিনি জানান।

আইরিন অন্না, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে: ‘আজকে ক্যাম্পাস ছুটি হয়ে গেছে। মাকে ফোন করে বলার কথা ছিল- মা সাড়ে এগারোটায় বাস। আমি আসছি। এর বদলে আজকে মাকে ফোন দিয়ে আমার ক্যান্সার হওয়ার খবরটা দিলাম। হায় জীবন!” — ৬ তারিখ এটা ছিল অর্কর ফেসবুক স্ট্যাটাস। বিধবা মাকে এতদিন খবরটা দেয়ার সাহস পাননি তিনি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (৪৪ তম আবর্তন) দ্বিতীয় বর্ষের ফার্মেসি বিভাগের ছাত্র সেন্টু রঞ্জন দাশ অর্ক সুনামগঞ্জের সাদামাটা ঘরের ছেলে। বাবা মারা গেছে কয়েক বছর আগে। নিজের পড়ালেখার খরচ নিজে চালান, পারলে মাকেও সাহায্য করেন সংসার চালাতো।


