সর্বশেষ সংবাদ-

অনলাইন ডেস্ক : পেশাদার সাংবাদিকদের সবচেয়ে বড় সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নির্বাচনে সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন মুরসালীন নোমানী। এছাড়া সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন মাইনুল হাসান সোহেল।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এর আগে সেগুনবাগিচায় ডিআরইউ কার্যালয়ে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই ডিআরইউ প্রাঙ্গণে বিরাজ করে সাজসাজ রব। এবার নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে পোস্টার, ব্যানার লাগানো বিরত থাকলেও শেষ মুহূর্তে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের রাস্তায় সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে ভোট চান প্রার্থী ও তাদের সমর্থকেরা।

কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন-২৩ এ সভাপতি পদে নোমানী পেয়েছেন ৬৩৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কবির আহমেদ খান পেয়েছেন ৫৪৩ ভোট। এছাড়া আরেক প্রার্থী নজরুল ইসলাম মিঠু পেয়েছেন ২৬৪ ভোট।

সাধারণ সম্পাদকের একটি পদের জন্য প্রার্থী ছিলেন ছয়জন। এর মধ্যে বিজয়ী সোহেল পেয়েছেন ৪২২ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মহিউদ্দিন পেয়েছেন ৩৮৩ ভোট। একই পদে আফজাল বারী ৫৫ ভোট, আরাফাত ৭২ ভোট, জামিউল আহসান সিপু ২৪৭ ভোট ও শেখ মুহাম্মদ জামাল হোসাইন (শেখ জামিল) পেয়েছেন ২৬০ ভোট।

এছাড়া সহ-সভাপতি একটি পদের বিপরীতে দীপু সারোয়ার ৮২৩ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। এই পদে গ্যালমান শফি পেয়েছেন ৫৯১ ভোট।

যুগ্ম সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন মঈনুল আহসান। এ পদে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন- ফারুক খান, কামাল মোশারেফ, নয়ন মুরাদ ও পবন আহমেদ।

অর্থসম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন সাখাওয়াত হোসেন সুমন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জাকির হোসাইন।

সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন সাইফুল ইসলাম। এ পদে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আবদুল হাই তুহিন। দপ্তর সম্পাদক হয়েছেন কাওসার আজম। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন রফিক রাফি। নারী বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মরিয়ম মনি (সেঁজুতি)। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন রোজিনা রোজী।

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন কামাল উদ্দিন সুমন। এ পদে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মেজবাহ উল্লাহ শিমুল। তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদকের পদে তোফাজ্জল হোসেন রুবেল বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন মো. রাশিম (রাশিম মোল্লা)। ক্রীড়া সম্পাদক পদে মাহবুবুর রহমান বিজয়ী হয়েছেন। এ পদে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মো. রকিবুল ইসলাম মানিক। আপ্যায়ন সম্পাদক পদে একমাত্র প্রার্থী মোহাম্মদ নঈমুদ্দীন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়াও কল্যাণ সম্পাদক পদে তানভীর আহমেদ নির্বাচিত হয়েছেন। এ পদে প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জাহাঙ্গীর কিরণ।

অন্যদিকে কার্যনির্বাহী সদস্যের সাতটি পদের জন্য প্রার্থী ছিলেন নয়জন। এরমধ্যে এক নম্বর সদস্য হয়েছেন মনিরুল ইসলাম মিল্লাত (মনির মিল্লাত)। দ্বিতীয় হয়েছেন ইসমাঈল হোসাইন রাসেল (রাসেল আহমেদ) এবং তৃতীয় মহসিন বেপারী। অন্য সদস্যরা যথাক্রমে মোজাম্মেল হক তুহিন, কিরণ সেখ, এস এম মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন) এবং মো. ইব্রাহিম আলী (আলী ইব্রাহিম)।

কার্যনির্বাহী কমিটির এ নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল এক হাজার ৭৪৪ জন। এরমধ্যে ভোট দিয়েছেন এক হাজার ৪৫৭ জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
সাতক্ষীরায় যুব সম্প্রীতি মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩০শে নভেম্বর- বুধবার দিনব্যাপী বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা সিডো, সাতক্ষীরার বাস্তবায়নে একশনএইড বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় যুব-তরূনদের অংশগ্রহনে ক্যাথলিক চার্চ মিশনে যুব সম্প্রীতি মেল া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দিনব্যাপি মেলায় ৫টি স্টল যুব নারী, যুব পুরুষ, মুন্ড সম্প্রদায়, যুব প্রতিবন্ধি, সিডো, মৃৎশিল্প, পিঠা, হস্ত শিল্প, ভাজা সহ বিভিন্ন স্টল দেয়া হয়।

উক্ত মেলায় যুব তরুন-নারীদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের খেলাধূলা অনুষ্ঠিত হয়।
রশি টানাটানি, চামসে মার্বেল দৌড়, বালিশ পাচিং সহ বিভিন্ন খেলা ধূলার আয়োজন করা হয়্ খেলা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। মেলার বিশেষ আকষন নাটক মঞ্চ জীবন বৃত্তে পরাজয় ও বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা হয়। উপস্থিত ছিলেন একশানএইড ডেনমার্ক প্রতিনিধি মানন মারি ফক্সি লি ফ্লর, এম/এস একশনএইড ডেনমার্ক, হাইফা আওয়াড, এম/এস একশনএইড ডেনমার্ক মো: নাজমুল আহসান, ইয়ং পিপলস ম্যানেজার, একশনএইড বাংলাদেশ, মো: ইকবাল হোসেন, পার্টনারশিপ এন্ড প্রোগ্রাম ম্যানেজার, একশনএইড বাংলাদেশ, মো; আরিফ সিদ্দিকী, ইয়ূথ হাব কো-অর্ডিনেটর এন্ড মোবিলাইজেশণ, একশনএইড বাংলাদেশ।
আর ও উপস্থিত ছিলেন পৌরসভা, ফিংড়ী, ব্রক্ষরাজপুর, তালা উপজেলার ধানদিয়া, ও নগরঘাটা থেকে যুব সংঘের ২০০ শতাধিক যুব তরূন-তরূনী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
জলবায়ু পরিবর্তন জনিত অংশগ্রহণ মূলক বিপদাপন্নতা নির্ণয় এবং করণীয় শীর্ষক এ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১০ টায় একশানএইড, বাংলাদেশ সহযোগিতায় ও সিডো সংস্থা’র বাস্তবায়নে একশান ফর ট্রান্সফরমেশন (এফরটি) প্রকল্পের আওতায় সাতক্ষীরা ক্যাথলিয়াক চার্চে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, সিডো সংস্থার নির্বাহী পরিচালক শ্যামল কুমার বিশ^াস।

প্রধান অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা ত্রাণ ও পূর্নবাসন কর্মকর্তা আব্দুল বাছেত।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইয়ারুল হক। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কাউন্সিলর অনীমা রানী ম-ল, সাংবাদিক এম. বেলাল হোসাইন, ব্রহ্মরাজপুর ইউপি সচিব আমিনুর রহমান, ইউপি মেম্বর নুরুল হুদা, গ্রাউস এর অডিট অফিসার শংকর চন্দ্র মন্ডল। সভায় প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ের গবেষণা মূলক রিপোর্ট উপস্থাপন করেন, মৃনাল কুমার সরকার। প্রকল্প সম্পর্কিত তথ্য উপস্থাপন করেন একশানএইড এর ইন্সপেটরি অফিসার জিসান মাহমুদ।
সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন প্রোজেক্ট কো-অডিনেটর তৌহিদুজ্জামান এবং ইয়ূথ হ্যাভের সদস্য মাসুদ রানা।
সভায় বক্তারা বলেন, যুব সমাজকে বাদ দিয়ে দেশের উন্নয়ন সম্ভব হবে না। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারনে দেশে বিভিন্ন সংকট তৈরি হচ্ছে। অনেকে জীবিকা হারাচ্ছে। মাইগ্রেট হয়ে জীবিকার তাগিদে শহরের চলে আসছে। বস্তিসহ বিভিন্ন স্থানে বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছে এবং ওই সব পরিবারের যুবরা ভিন্নপথ বেছে নিচ্ছে। এসব যুবদের বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বাজার বিশ্লেষণ, চাহিদা নিরুপণ, বাজার লিংকেজ, উপকরণ সরবরাহকারী, বাজার কমিটি ও ব্যবসায়ী সমাজের সাথে প্রশিক্ষনার্থীদের সমন্বয় করা একান্ত জরুরী। প্রশিক্ষণ ও ঋণ পরবর্তীসময়ে বেশি বেশি করে সুপারভিশন ও মনিটরিং করা যাতে করে প্রশিক্ষনার্থীরা প্রাপ্ত প্রশিক্ষণ উপর ভিত্তি করে মূলধন তাদের ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করতে পারে এবং তাদের কর্মদক্ষতা আরো বেশি বৃদ্ধি করতে পারে। প্রশিক্ষণ প্রাপ্তদের কাউন্সিলিং বা মেন্টরিং করে উপযুক্ত কমে নিযুক্ত করার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন কমিটিতে কিছু যুবদের সুযোগ করে দিতে হবে ফলে যুবরা এলাকায় বেশি বেশি করে বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে প্রচার করতে পারবে। সামাজের পিছিয়ে পড়াদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণে অংশ্রগহণের সুযোগ করে দিতে হবে। যুবরা চাকুরী চাওয়ার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে এবং আরো অধিক বেকার মানুষকে চাকুরী প্রদান করতে পারবে বলে বিশ^াস করা যায়।

যুবদের জন্য সরকারি পর্যায়ে অনলাইন প্লাটফরম তৈরি করা যাতে তারা অন লাইনে তাদের পণ্যের বাজার ধরতে পারবে এবং বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ প্রদানকালীন সময়ে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : শীত যত বাড়ছে, খেজুরের গুড়ের চাহিদাও বাড়ছে। তাই সাতক্ষীরার বিভিন্ন উপজেলায় খেজুর রস সংগ্রহ ও রস থেকে গুড় তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন গাছিরা।

আবহমান গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য শীত মৌসুমে গ্রামাঞ্চলের ঘরে ঘরে খেজুর রস ও গুড় দিয়ে তৈরি হয় নানান রকমের বাহারি পিঠাপুলি ও পায়েস। তাই বানিজ্যিক ভাবেও খেজুরের রস সংগ্রহ ও গুড় তৈরি করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন গাছিরা।

গাছিরা জানায়, সারা বছর অবহেলিত খেজুর গাছগুলোকে ঝুড়ে নতুন রূপ দেন তারা। প্রতিদিন বিকেলে খেজুর গাছের সাদা অংশ পরিষ্কার করে ছোট-বড় মাটির হাড়ি বেঁধে রাখা হয়। এর রস সংগ্রহ করে গুড় তৈরি ও নানা শীতকালীন পিঠা তৈরির ধুম পড়ে। এখানকার খেজুরের গুড় ও পাটালির বিভাগীয় শহরসহ জেলার বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে নলেন গুড়ের সন্দেশ ও প্যাড়া মিষ্টি দেশজুড়ে বিখ্যাত। তাছাড়া পাটালি ও লালি গুড় তৈরি করা হয়।

জানা গেছে, ভারত সীমান্তবর্তী সাতক্ষীরা জেলার সদর, কলরােয়া ও তালা উপজেলায় খেজুর গাছের সংখ্য বেশি। সাতক্ষীরার কলরােয়া উপজেলা থেকে আসা গাছিরা মৌসুমের শুরুতেই মালিকদের কাছ থেকে খেজুর গাছ চুক্তিতে নিয়ে নেয়। এসব খেজুর গাছ থেকে রস আহরণ ও গুড় তৈরি করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন তারা।

সাতক্ষীরার তালা উপজেলা থেকে আসা খেজুর রস সংগ্রহকারী তেঁতুলিয়া গ্রামের গাছি ইয়াছিন আলী, গণেশ শীল ও কলাাগাছী গ্রামের কেনাগাছী জানায়, প্রতি বছরের মতো এবারো সাতক্ষীরা, কলরােয়া ও তালা উপজেলার বিভন্ন এলাকায় তারা খেজুর গাছ লিজ নিয়েছেন।

তারা বলেন, শীতের পুরো ৪ মাস এসব খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ করে গুড় উৎপাদন করবেন। দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে এভাবেই খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহের মাধ্যমে চুলার আঁচে পাটালি ও লালি গুড় তৈরি করে থাকেন।

তারা আরও বলেন, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এ বছর চিনির বাজার চড়া হওয়ায় গুড়ের বাজারেও কিছুটা চাপ পড়েছে। তাই এ বছর কিছুটা বেশী লাভের আশা করছি আমরা।

তালার বারইপারাই খেজুর গুড় তৈরী দেখতে আসা ইদ্রিস মিয়া বলেন, শীতকাল মানেই মা, দাদী কিংবা নানীর হাতে তৈরি পিঠা খাওয়ার ধুম। আর শীতকাল মানেই মিষ্টি রোদে বসে খেজুর রসের সাথে মুড়ি ভিজিয়ে খাওয়ার আনন্দই আলাদা।

গুড় বিক্রেতা লিয়াকত আলী জানায়, শীত মৌসুমের শুরু থেকেই খেজুর রস থেকে তৈরি পাটালি গুড় ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা এবং লালি গুড় ২০০ থেকে ২৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রয় হচ্ছে। বাজারে খেজুর গুড়ের চাহিদা বেশি।

এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ড. মোঃ জামাল উদ্দীন বলেন, খেজুর গাছ পরিবেশ বান্ধব ও স্থান সাশ্রয়ী একটি বৃক্ষ প্রজাতি। এ প্রজাতি দুর্যোগ প্রতিরোধী বিরূপ প্রাকৃতিক পরিবেশেও টিকে থাকতে পারে। খেজুর রস ও গুড় বিক্রি করে খামারিরা আর্থিক লাভবান ও স্বাবলম্বী হওয়ার দৃষ্টান্ত বেশ সুপ্রাচীন। গ্রামীণ অর্থনীতি এবং মৌসুমি কর্মসংস্থানে খেজুর গাছের অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে।

বিশেষ করে শীতকালে বাংলাদেশের সর্বত্রই খেজুর রস, খেজুর গুড় বাঙালি সংস্কৃতিতে রসঘন আমেজ লক্ষ করা যায়। বাংলাদেশের মাটি ও কোমল প্রকৃতি হওয়ায় খেজুর গাছ বেড়ে ওঠার জন্য বেশ উপযোগী। রাস্তা, বাঁধ, পুকুর পাড় এমনকি খেতের আইল এবং আবাদি জমিতে এ বৃক্ষ বেশ ভালো জন্মে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা প্রতিনিধি :
দেবহাটা তথা সাতক্ষীরার অন্যতম রপ্তানীকারন প্রতিষ্ঠান সিমরা এগ্রো পরিদর্শন করেছেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ও পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান।

বুধবার ৩০ নভেম্বর দুপুর ১ টার সময় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা সাতক্ষীরার অন্যতম এই রপ্তানীকারন প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেন। কয়েক বছর আগে দেবহাটার চাদপুর গ্রামের ব্যবসায়ী শেখ তাহেরুল ইসলাম তাহের এই এলাকার মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে এবং তথা দেশের কল্যানের উদ্দ্যেশ্যে এই রপ্তানীকারন প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত করেন।

ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠানটি তাদের তৈরীকৃত বিভিন্ন প্রকারের মালামাল যেমন ফায়া মুড়ি, ফায়া তেজপাতা, সিমরা শুকনো ঝাল, সাদা চিড়া, লাল চিড়া, মটর বুট, পাচফোড়ন, ইসুবগুলের ভুসি, বিউন চাল, বিভিন্ন প্রকারের আচার, সরিষার তেল ও কুকিজ বিষ্কুট ইউরোপের ৮টি দেশে রপ্তানী করছে।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ও সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান উক্ত রপ্তানী কার্য্যক্রম, মালামাল প্রস্তুতের স্থানসহ সিমরা এগ্রোর সার্বিক দিক পরিদর্শনে আসেন। এসময় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সাথে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) সজীব খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম ও অপস) আতিকুল ইসলাম, দেবহাটা উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ¦ মুজিবর রহমান, দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী, দেবহাটা থানার ওসি শেখ ওবায়দুল্লাহ, দেবহাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি,

সাতক্ষীরার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটদের মধ্যে বাপ্পী দত্ত, মহিউদ্দীন আহম্মেদ, তানভির হোসেন, আলামিন হোসেন ও সজিব তালুকদারসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অতিথিবৃন্দকে সিমরা এগ্রোতে স্বাগত জানান সিমরা এগ্রোর পরিচালক ও প্রতিষ্ঠাতা শেখ তাহেরুল ইসলাম তাহের। পরে অতিথিবৃন্দ সিমরা এগ্রোর মালামাল প্রস্তুত করা, প্যাকেটজাত করা ও রপ্তানী প্রক্রিয়ার বিভিন্ন কার্য্যক্রম পরিদর্শন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিজস্ব প্রতিনিধি : আগামী ২ ডিসেম্বর ২০২২ বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (খুলনা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ) সুব্রত পাল ( সিআইপি) সাতক্ষীরায় আগমন ও শহীদ শেখ ফজলুল হক মনি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সফল করার লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আয়োজনে বুধবার (৩০ নভেম্বর ) সকাল সাড়ে ১০টায় সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট হল রুমে সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শেখ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রস্ততি সভায় বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি মোঃ জাহিদ হোসেন, মোঃ গোলাম কিবরিয়া বাবু, সাবেক জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জাহিদ হোসেন বাপ্পি প্রমুখ।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কলারোয়ায় উপজেলা যুবলীগ নেতা সঞ্জয় কুমার সাহা প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অর্পন গাইন অপু, দপ্তর সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, শিবপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোঃ আবুল কাশেম, আলিপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মহিবুল্লাহ সরদার, ঝাওডাঙ্গা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোঃ আব্দুর রশিদ সহ সদর উপজেলা যুবলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
শহীদ শেখ ফজলুল হক মনি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সফল করার লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভায় বিভিন্ন উপ কমিটি গঠন করা হয়েছে। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মোঃ ময়নুল ইসলাম
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান ঃ “ বিনামূল্যে অক্সিজেন সিলিন্ডার গ্রহন করুন, জীবন বাঁচাতে সহায়তা করুন” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় এসএসসি-৯৩ ব্যাচের উদ্যোগে ২৯টি অক্সিজেন সিলিন্ডারসহ বিভিন্ন উপকরন ৪টি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের কাছে বিনামূল্যে বিতরন করা হয়েছে।

সেবা মূলক বন্ধু সংগঠন সাতক্ষীরা-৯৩ এর আয়োজনে এবং জেলা প্রশাসন ও সিভিল সার্জন সাতক্ষীরার সহযোগিতায় বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে জেলার দুটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও দুটি বেসরকারী হাসপাতালে উক্ত সিলিন্ডারসহ বিভিন্ন উপকরন বিতরন করেন, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ রেজা রশিদ।

এ সময় সেখানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ফরহাদ জামিল, আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ দীপঙ্কর কুমার বিশ^াস, সাতক্ষীরা শিশুহাসপাতালের সাধারন সম্পাদক মালেহুজ্জামান খাঁন, ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের কো-অর্ডিনেটর শাহিন আহমেদ প্রমুখ ।

প্রধান অতিথি এসময় সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রতিনিধির হাতে ৮টি অক্সিজেন সিলিন্ডার, ৬টি ফলোমিটার, ৩টি ট্রলি, শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রতিনিধির কাছে ৮ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার, ৬টি ফলোমিটার, ৩টি ট্রলি, ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের প্রতিনিধির কাছে ৮ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার, ৮ টি ফলোমিটার, ৩টি ট্রলি এবং সাতক্ষীরা শিশু হাসপাতালের প্রতিনিধির কাছে ৫ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার, ৫ টি ফলোমিটার, ৩টি ট্রলি বিতরন করেন।

অক্সিজেন সিলিন্ডার বিতরন অনুষ্ঠানে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা-৯৩ এর বন্ধু মোফাজ্জেল হোসেন, হাবিবুল্লাহ, আসাদুজ্জামান, সিরাজুল ইসলাম, হাসানুজ্জামান, কামররুজ্জামান, শোভন, শাহিন, আব্দুল হালিম, বখতিয়ার রহমান বকুল, মাসুদ বাবু, সাব্বির হোসেন, নাসির, কাদের, আসাদ শেখ, আবু সুফিয়ান, শাহিন, জিল্লুর, রাকিব, সাইদ, সাব্বির, কাইয়ুম, তৌফিকসহ অর্ধশতাধিক বন্ধুরা।

প্রধান অতিথি এ সময় বলেন, করোনা মহামারী যখন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছিল তখন সাতক্ষীরা-৯৩ যেভাবে অসহায় মানুষের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে অক্সিজেনসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সামগ্রী বিতরন করেছেন তা খুবই প্রশংসনীয়। তিনি এ সময় সেবা মূলক বন্ধু সংগঠন এসএসসি ৯৩ ব্যাচের অক্সিজেন সিলিন্ডারসহ বিভিন্ন উপকরন বিনামূল্যে বিতরনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আলী ইমামের প্রয়াণ উপলক্ষে এক স্মরণ সভা সাতক্ষীরা ম্যানগ্রোভ সভা করে অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে আলী ইমামের জীবন ও সাহিত্য সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কবি আবুল হোসেন আজাদ, কবি ও সম্পাদক পল্টু বাসার, কবি সুলতান মাহমুদ রতন, বিশিষ্ট ছড়াকার আহমেদ সাব্বির, তরুণ লেখক সাদ্দাম হোসেন ও হিমাদ্রি হাবিব, অনুষ্ঠান সঞ্চালনা ও ভিডিও চিত্র প্র্রদর্শন করেন কথা শিল্পী বাবলু ভঞ্জ চৌধুরী। খ্যাতিমান শিশুসাহিত্যিক আখতার হুসেন এবং সুজন বড়ুয়া ঢাকা থেকে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে আলী ইমামের জীবন ও সাহিত্য সম্পর্কে আলোচনা করেন।

কবিতা পাঠ করেন কবি সায়েম ফেরদাউস মিতুল, তরুণ লেখক সাদ্দাম হোসেন ও হিমাদ্রি হাবিব। এছাড়া অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কবি শুভ্র আহমেদ, কবি নুরুজ্জামান সাহেব, সৌহার্দ সিরাজ, আবু কাজী, তৃপ্তি মোহন মল্লিক, মন্ময় মনির। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest