সর্বশেষ সংবাদ-

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : অষ্ট্রেলিয়া থেকে সম্প্রচারিত বাংলা টিভি চ্যানেল বিএমএফ টেলিভিশন।
৪র্থ তম প্রতিষ্টাবার্ষিকী উপলক্ষে সারাদেশের সাংবাদিকদের নিয়ে বর্ষে পদার্পন
মিলমেলা১৯.১১-২০২২ ইং গত শনিবার দুপুর ১২.৩০মিনিটে ঢাকা গুলসান ১ জব্বার কমপ্লেক্সের ৭ম তলায় এই অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সাংবাদিক মিলমেলার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা টিভি চ্যানেল বিএমএফ টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রোটারিয়ান জহুরুল ইসলাম

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় মিডিয়া ব্যক্তিত্ব সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা,শ্রম মন্ত্রনালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব সৈয়দ আহম্মেদ, নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন বংগবন্ধু গবেষণা কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক প্রফেসর ড. আনোয়ারুল করীম, বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযুদ্ধ লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সভাপতি শেখ ইলিয়াছ উর রহমান, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম, পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন এর ওসি কাজী আনোয়ার হোসেন, সি আই ডির ওসি কানিজ ফাতেমা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শহিদুজ্জামান শিপন।
এছাড়া আরোও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সকল বিভাগ, জেলা ও উপজেলা থেকে আগত ব্যুরো প্রধান, স্টাপ-রিপোর্টার,জেলা প্রতিনিধি,বিশেষ প্রতিনিধি,উপজেলা প্রতিনিধি সহ প্রমূখ

এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরয়ান থেকে তেলোওয়াত করেন সোহেল রানা।

উল্লেখ্য যে, বাংলা টিভি চ্যানেল বিএমএফ টেলিভিশনের ৪র্থ তম প্রতিষ্টাবার্ষিকীতে নিয়মিত
সঠিক সংবাদ পরিবেশন করে সর্বোচ্চ মফস্বলের নিউজে অবদান রাখায় চ্যানেলটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রোটারিয়ান জহুরুল ইসলাম

বিএমএফ টেলিভিশন পরিবারের পক্ষ থেকে সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি সোহারাফ হোসেন সৌরাভ সহ আরোও অনেকেই সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
আলোচনা সভা ও স্বারক প্রদান শেষে মধ্যহ্ন ভোজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত করা হয়

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি প্রতিনিধি:
আশাশুনির কাকবাসিয়া বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য নির্বাচনে অনিয়মের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার সকালে কাকবাসিয়া বাজার সড়কে স্কুলের অভিভাবক ও সচেতন এলাকাবাসী এ মানববন্ধন করে। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ১ নং ওয়ার্ড মেম্বর এটিএম গাজী, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য আঞ্জুয়ারা খাতুন, সাবেক মেম্বর রেজাউল করিম, সমাজ সেবক রেজাউল ইসলাম, প্রাক্তন ছাত্র আরিফুর রহমান সোহাগ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন- কোন অভিজ্ঞতা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়াই পারভীন সুলতানা থার্ড ক্লাস থাকা সত্ত্বেও সার্টিফিকেট জাল জালিয়াতি করে তার স্বামী মোঃ শাহাবুদ্দীন এর সহায়তায় দলীয় প্রভাব খাটিয়ে স্কুলের অন্যান্য ম্যানেজিং কমিটির কোন সদস্যকে তোয়াক্কা না করে অবৈধ বোর্ড গঠন করে সহকারি প্রধান শিক্ষিকা হিসাবে নিয়োগ পায়। এর প্রতিবাদে অবিভাবক মোঃ রেজাউল করিম বাদী হয়ে পারভীন সুলতানার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় বিজ্ঞ দেওয়ানী আদালতে ১৩৫/২০০২ নং মামলা দায়ের করেন।

উক্ত মামলায় প্রধান শিক্ষককে অবৈধ এবং অযোগ্য ঘোষনা করেন। পারভীন সুলতানা এই মামলার রায়ের বিরুদ্ধে দেওয়ানী আপিল ২৬/১১ নং মামলা দায়ের করেন, বিজ্ঞ আদালত তার আপিল খারিজ করেন। এরপর তিনি উক্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত জেলা জজ ২নং আদালতে মিস ০৩ /২০১৭ নং মামলা দায়ের করে অদ্যবধি অত্র প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি প্রধান শিক্ষক অনিয়ম, দূর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ছাড়া স্বাভাবিক ভাবে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত করছেন না।

স্কুলে কিছু শূন্য পদ আছে, সেখানে নিয়োগ বানিজ্য করার লক্ষ্যে নিজের ছেলেকে দাতা সদস্য বানানোর জন্য সম্পুর্ন গোপন করে পত্রিকায় প্রকাশ করে এবং ওই দিনের আমাদের এলাকার সমস্ত পত্রিকাগুলো একাই ক্রয় করে যাতে কেউ দাতা সদস্য হিসেবে আবেদন না করতে পারে। সম্পূর্ণ অসদুপায় অবলম্বন করে তার নিজের ছেলে ইয়ামিন কে দাতা সদস্য তৈরি করেছেন। আমাদের ০১ নং ওয়ার্ডের মহিলা সদস্যা মোছাঃ আনজুয়ারার স্বামী মোঃ শামছুর রহমান দাতা হওয়ার জন্য স্কুলে গিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার নিকট কয়েকবার খোজখবর নেন, কিন্তু তিনি এই দাতা হওয়ার বিষয় টি সম্পূর্ণ গোপন করেন। গত ০৫ নভেম্বর জানতে পেরেছি আমাদের স্কুলের দাতা সদস্য করা হয়েছে অবৈধভাবে নিয়োগকৃত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার ছেলে মোঃ ইয়ামিনকে। অবৈধ পন্থায় গঠিত কাকবাসিয়া বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য পদটি বাতিল করে সকলের উপস্থিতিতে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় যাতে দাতা সদস্য গঠিত হয় সে বিষয়ে বক্তারা প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এদিকে অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মানববন্ধনের পর দুপুর ১টায় স্কুলের ভেতর ছাত্র ছাত্রী, শিক্ষক-কর্মচারী মিলে স্কুলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করে মানববন্ধন করেন বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
 দেবহাটা  প্রতিনিধি:  দেবহাটা উপজেলার পল্লীতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের মারপিটের ঘটনায় স্কুল শিক্ষিকা আহত হয়েছে। এ ঘটনায় ঐ স্কুল শিক্ষিকাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে এবং আহত শিক্ষিকার স্বামী বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। আহত স্কুল শিক্ষিকার নাম রেখা রানী।
তিনি শরৎ চন্দ্র বৈরাগীর স্ত্রী। শরৎচন্দ্র বৈরাগীর দেবহাটা থানায় লিখিত অভিযোগ মতে জানা গেছে, বাদীর বসত বাড়ির পার্শ্ববর্তী লোকদের সাথে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। সেই ঘটনার সূত্র ধরে শনিবার সকালে রীতা রানী (৩২), স্বামী- তপন চন্দ্র মন্ডল, ধনে রানী (১৬), পিতা- তপন চন্দ্র মন্ডল, কৃষ্ট পদ সরকার (৫৮), পিতা- মৃত অভিলাষ সরকার, বাসুদেব সরকার (৬২), পিতা- মৃত অভিলাষ সরকার গ্ৰাম কামকাটিয়া ও চালতেতলা গ্রামের রুহুল আমিন (৪২) একত্রে মিলে বাদীর স্ত্রী রেখা রানীকে বিবাদীদের বাড়ির ভিতরে ঢুকিয়ে গলা চেপে হত্যার উদ্দ্যেশে মারপিট করে। তারা সংঘবদ্ধভাবে লাঠি সোটা নিয়ে অতর্কিত তাদের পরিবারের সদস্যদের উপর হামলা চালায়।
এতে রেখা রানীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ ওবায়দুল্লাহ জানান, অভিযোগ মতে তদন্তপূর্বক যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এ ঘটনার পরবর্তীতে শনিবার রাতে হাসপাতালে ভর্তি থাকাকালীন বিবাদীরা আবারো আহত রেখা রানী ও তার ছেলের উপরে হাসপাতালের মধ্যেই মারপিট করে ও রেখা রানীর ছেলের মোবাইল ফোন কেড়ে নেই। পরবর্তীতে দেবহাটা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের হতদরিদ্রদের দেয় চাউলের ডিলারের বিরুদ্ধে ভোক্তাদের দেয় চাউলে ওজনে কম দেয়া ও তাদের সাথে অশ্রাব্য ভাষা ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে ডিলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে শিবপুর ইউনিয়নের ৫ টি ওয়ার্ড থেকে প্রায় সহস্রাধিক ব্যক্তি স্বাক্ষর করেছেন। শিবপুর ইউনিয়নের ওই চাউলের ডিলারের নাম কাজী হাবিবুর রহমান। তিনি নেবাখালী গ্রামের মৃত. কাজী খলিলুর রশিদের ছেলে।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, শিবপুর ইউনিয়নের হত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য বর্তমান খাদ্যবান্ধব সরকারের দেয়া চাউলের ডিলার কাজী হাবিবুর রহমান তার প্রতিষ্ঠানে চাউল নিতে আসা অত্র ইউনিয়নের ৪, ৬, ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের দরিদ্র মানুষ দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর তিনি চাল বিতরণ শুরু করলেও বিভিন্ন অজুহাতে তিনি অশ্রাব্য ভাষা প্রয়োগ করেন। তার কথার প্রতিবাদ করলে সেদিন ওই প্রতিবাদকারীকে চাউল পেতে অসহনীয় বেগ পোহাতে হয়। শুনতে হয় কটুবাক্য। এমনকি সরকারের দেয়া চাউল নিয়েও তিনি অশ্রাব্য ভাষা ব্যবহার করেন। তবে, ওই ডিলারের বিরুদ্ধে চাউল নিতে আসা অনেকে গুরুতর অভিযোগ এনে বলেন, তার কাছ থেকে ৩০ কেজি চাউল নেওয়ার পর বাড়ীতে এসে মাপজোঁক করার পরে অনেকে ২/৩ কেজি চাউল কম পেয়েছে। তাছাড়া, ডিলার হাবিবুর রহমান চাউল বিতরনকালে যে সব ভাষা প্রয়োগ করেন তা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার পর্যায়ে পড়ে বলে অনেকে জানান।
অভিযোগের পক্ষে স্বাক্ষরকারী অনেকের সাথে কথা বলে সত্যতা মিলেছে। ডিলারের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী এলাকাবাসীর পক্ষে মো. ইউনুস আলী বলেন, তিনি চাউলের ওজন কম দেন। ৩০ কেজি চাল দিলে মেপে ২৭ কেজি পাওয়া যায়। তিনি যে ভাষা দরিদ্র মানুষের ব্যবহার করেন তা এতো বেশী খারাপ যে সে ভাষা মুখে আনাও পাপ। গোদাঘাটা গ্রামের অভিযোগকারী রেহেনা খাতুন বলেন, ওখান থেকে চাউল আনার পর মেপে দেখিনি তবে অনেকের সাথে তিনি খারাপ ব্যবহার করেন। একই এলাকার আহম্মদ আলী বলেন, তার ভাষা খুব খারাপ। হাজী মানুষের ভাষা এতো খারাপ তা আমি আগে অন্য কারোর দেখিনি। তবে চাউলের ওজনে কম দেয় কিনা মেপে দেখিনি। আলমগীর হোসেন বলেন, আমার চাউলে ওজনে কম পাইনি তবে তার ভাষা ভালোনা। আফসার আলী বলেন, ১৫ টাকা কেজি দরে চাউল কিনে মেপে দেখিনি। তবে তার আচরণগত দিক খুব খারাপ। আমাকে একদিন গালি দিয়েছিল। অধিকাংশ মানুষের সাথে তিনি টক টক কথা বলেন। উক্ত বিষয়ে জানার জন্য শিবপুরের ডিলার হাবিবুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, এই ইউনিয়নে আমি আগেও চাউলের ডিলার ছিলাম। একটি চক্র তাদের অসৎ উদ্দেশ্য সফল করতে এলাকার কিছু মানুষ দিয়ে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করিয়েছে। তবে ওই অভিযোগে যাদের স্বাক্ষর নেয়া হয়েছে বলে দাবী করা হচ্ছে তা প্রকৃত ব্যক্তির স্বাক্ষর না। নকল স্বাক্ষর। আমার বিরুদ্ধে যে অবিযোগ আনা হচ্ছে তা মিথ্যা। এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিবপুর ইউনিয়নের একজন প্রবীণ শিক্ষক বলেন, যে ব্যক্তি দরিদ্র মানুষের সাথে খারাপ আচরণ করে তার ডিলারশিপ বাতিল করা দরকার।
জনবান্ধব-উন্নয়নমুখী সরকারের দেয়া দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য প্রদেয় চাউল নিয়ে ডিলার কাজী হাবিবুর রহমান যে কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন তা সরকারের জন্য হুমকিস্বরুপ। স্থানীয় সচেতন মহল শিবপুর ইউনিয়নের ডিলার কাজী হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে জরুরী ভিত্তিতে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করত: তার ডিলারশিপ বাতিলের জন্য উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা তুজ জোহরার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, এধরনের কোন অভিযোগ আমার হাতে আসেনি। আপনার মাধ্যমে প্রথম জানতে পারলাম। তারপরও তদন্তের জন্য খাদ্যকর্মকর্তাকে বলছি। সত্যতা পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সাতক্ষীরা সদরের ফুডইন্সপেক্টর আব্দুল বাসিত বলেন ইউনও মহোদয় তদন্তের জন্য উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্তের কাজ চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা জেলার তিন সংগঠনের আয়োজনে দুর্নীতির প্রতিবাদে ও ভুমিদসু্যুদের হাত থেকে খাস জমি উদ্ধারসহ ভুমিহীনদের পুনঃ বাসনের আদায়ের দাবিতে পথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার বিকেলে সাতক্ষীরা কালীগঞ্জ সড়কের শহরের তুফান কোম্পানি মোড়স্থ জেলা ভুমিহীন সমিতি, জেলা নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটি এবং বাংলাদেশ দলিত পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ যৌথ আয়োজনে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সাতক্ষীরা জেলা ভুমিহীন সমিতির সভাপতি কওছার আলীর সভাপতিত্বে পথসভায় বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরার প্রত্যেক সরকারী অফিসে কিছু সংশ্লিষ্ট দুনীতিবাজ ও সরকারী কর্মকর্তারা উন্নয়নের নামে সরকারী বরাদ্দ টাকা লুটপাট করে দুধের সর খেয়ে চলে যাচ্ছে।

মুজিববর্ষ ঘর ভুমিহীনদের দেওয়ার নামে প্রকৃত ভুমিহীনদের ঘর না দিয়ে স্বজনপ্রীতি করে টাকার বিনিময়ে ঘর দেওয়া হয়েছে। সাতক্ষীরায় শত শত খাস জমি ভুমিদস্যুরা করে খাচ্ছে। কিন্তু প্রশাসন সেদিকে নজর না দিয়ে সরকারী টাকা লুটপাট করার জন্য ভুমিহীনদের জন্য জমি কিনছে। তাই ভুমিদস্যুদের হাত থেকে খাস জমি উদ্ধার করে ভুমিহীনদের পুনঃ বাসন করতে হবে। প্রাণ সায়ের খাল ও বেতনানদী, মরিচাপ নদী খননের দুনীতি হয়েছে। সঠিক ভাবে খনন করা হয়নি। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আর এমও আহমেদ আল মারুফ, রেডিও টেকনোলজিস মেডিকেল অফিসার আব্দুল হালিম, , টেকনোলজি (প্যাথোলিজ) মেডিকেল হাসপাতাল গিলে খাচ্ছে।

তাদের দুনীতির কারনে স্বাস্থ্যসেবায় রোগীরা বঞ্চিত হচ্ছে। হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তারদের অবহেলায় কাতরাতে কাতরাতে রোগী মারা যায়। ডাক্তাররা ঔষধ কোম্পানির লোকজনের সাথে মিটিং ব্যস্ত থাকেন। তাদের রোগী দেখার সময় থাকে না। রোগীরা ঔষধ পায় না। হাসপাতালে ব্যয়ের নামে ভাউচার করে লুটপাট করে খাচ্ছে। তাই অবিলম্বে হাসপাতালের দুনীতি বন্ধ করতে হবে। রোগীদের নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা দিতে হবে। মেডিকেল হাসপাতালে আরএমও আহমেদ আল মারুফ গোপনে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে স্বেচ্ছাসেবক জনবল নিচ্ছেন।

জেলার বিভিন্ন স্থানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ঘনবসতি এলাকায় অবৈধ ভাবে ইটভাটা গড়ে উঠার কারনে পরিবেশ দূষিত সহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। জেলার বিভিন্ন স্থানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ঘনবসতি এলাকায় অবৈধ ভাবে ইটভাটা বন্ধ করতে হবে।
বক্তব্য রাখেন, জেলা ভুমিহীন সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ, জেলা নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সভাপতি আদিত্য মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, সাংবাদিক সেলিম হোসেন, বাংলাদেশ দলিত পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি গৌরপদ দাস, ভুমিহীনের সহ সভাপতি শেখ শওকত আলী, হাফিজুর রহমান, শাহাজান আলী ছোট বাবু, ইউসুফ আলী, রিয়াজুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, শাহানারা খাতুন রিনা, সাহিদা খাতুন, দলিত সদস্য বিশ্বজিত, চায়না মন্ডল প্রমূখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৫৮ তম জন্মবার্ষিকীতে সাতক্ষীরা মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২০ নভেম্বর রোববার বিকাল বাদ সাতক্ষীরার কামালনগর এলাকায় অনুষ্ঠিত মিলাদ দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী সদস্য সচিব আব্দুল আলিম জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, পৌর বিএনপির আহবায়ক শের আলী, সদর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম, সদস্য সচিব পৌর মেয়র তাসকিন আহমেদ চিশতী, সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব নূরে আলম সিদ্দিকী,

জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুস সামাদ জেলা য়ুবদলের সভাপতি আবু জাহিদ ডাবলু জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন লিটন, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এইচ আর মুকুল জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক সিকদার জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম,জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট কামরুজ্জামান ভুট্টো জেলা যুুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক কাউন্সিলর শফিকুল আলম বাবু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আনারুল ইসলাম,

জেলা মৎস্যজীবী দলের যুগ্ন আহবায়ক মাহমুদুল ইসলাম, ছাত্রনেতা রাকিবুল ইসলাম রাকিব, মির্জা অর্ঘ্য, ওহিদুল লাবিব, সর্বস্তরের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আগামী দিনের রাষ্ট্রনায়ক দেশনায়ক তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে বিশেষ দোয়া মোনাজত করেন নেতৃবৃন্দ।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তালা প্রতিনিধি ::
দক্ষিণ খুলনার বাণিজ্য নগরী কপিলমুনি-তালার কানাইদিয়া কপোতাক্ষ নদের উপর অনতিবিলম্বে ব্রীজ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (২০ নভেম্বর)  সকাল ১০ টায় তালার জালালপুর ইউনিয়ন বাসীর আয়োজনে কানাইদিয়া খেয়াঘাট প্রান্তে দুই ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের জনসাধারণ অংশগ্রহণ করেন ।

মানববন্ধন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ইউপি সদস্য শেখ আনারুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম. মফিদুল হক লিটু। মাষ্টার আজিজুর রহমানের পরিচালনায় মানববন্ধনে  বক্তব্য রাখেন আনন্দ কুমার পাল, ইউপি সদস্য আমজাদ হোসেন, মাওলানা আব্দুস সোবহান, হাফেজ রফিকুল ইসলাম প্রমূখ।

এসময় বক্তারা বলেন, দীর্ঘ দিনের প্রাণের দাবি তালার কানাইদিয়া কপিলমুনি সংযোগ সেতু চাই। জালালুপুরের ১০ টি গ্রামের কৃষকের শস্য বিক্রি হয় কপিলমুনি, এ অঞ্চলের অনেক ছেলে মেয়ে কপিলমুনি স্কুলে লেখা পড়া করে, জরুরি অবস্থায় রোগীদের কপিলমুনি হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়, কিন্ত এই নড়বড়ে বাঁশের সেতু দিয়ে নিয়ে যাওয়া খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। ব্রীজটি এখন সময়ের দাবি হয়ে পড়েছে। বক্তারা ব্রীজটি দ্রুত নির্মাণের দাবিতে সংসদ সদস্য, প্রধানমন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শেখ শাকিল : স্নাতকে (বিএ) অসাধারণ ফলাফলের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ – প্রিন্সিপাল খালেদা হাবিব স্বর্ণপদকে ভূষিত হয়েছেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কুশখালী ইউনিয়নের উত্তর কুশখালী গ্রামের মো. আলমামুন হোসেন।

শনিবার (১৯ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এর মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মো. আব্দুল হামিদ এর কাছ থেকে এ স্বর্ণপদক গ্রহণ করেন তিনি।

অনুভুতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি বলেন, আব্বু ও আম্মুর খুবই ইচ্ছে ছিলো বড় ভাইয়াকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানোর। কিন্তু ভাইয়া তাদের স্বপ্নকে পূরণ করতে পারেনি। সেদিন মনে হয়েছিলো, ইশ! আব্বু-আম্মুর স্বপ্নকে যদি সবকিছুর বিনিময়ে হলেও পূরণ করতে পারতাম! অবশেষে ঢাবিতে চান্স পেয়ে গেলাম, সেদিন আমার আব্বু- আম্মুর মতো খুশি আর কেউ হয়নি।নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে ভাগ্যবান ব্যক্তি মনে হয়েছিলো তাদের ইচ্ছে পূরণ করতে পারায়। আমি আমার এই কৃতিত্ব আব্বু-আম্মুকে উৎসর্গ করতে চাই।

আলমামুন হোসেন ২০১৪ সালে কুশখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও ২০১৬ সালে সাতানী ভাদড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে  উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ভর্তি পরীক্ষায় তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে পড়ার সুযোগ পান। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হন।

মো. আলমামুন হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে ২০২০ সালে স্নাতকে সর্বোচ্চ ফলাফল  অর্জন করেন। তাছাড়া লেখক হিসেবে কবিতা ও ছোটগল্পে তিনি অসাধারণ দক্ষতার ছাপ রেখেছেন।

তার লেখা কবিতা ও গল্প বর্তমান সময়ে অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে এবং জাতীয় পত্রিকাসহ ভারতের কয়েকটি  পত্রিকাতেও তার লেখা নিয়মিত ছাপা হচ্ছে। তাছাড়া বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত সাহিত্য সংগঠন ‘দুর্জয় বাংলা’ এর এডমিন ও অন্যান্য সাহিত্য সংগঠনের সাথেও তিনি যুক্ত ছিলেন।

ছাত্রজীবনে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে সূর্যসেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন। আলমামুন হোসেন তার নিজ জেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন অব সাতক্ষীরা (ডুসাস) এর  সহ-সভাপতি হিসেবে বর্তমান দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি সূর্যসেন হলের বাংলা বিভাগের সংগঠন ‘সূর্য বাংলা সাহিত্য ও সংঘ’ এর সহ সভাপতি ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest