সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনসারা দেশে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্ক সংকেততরুণদের শারীরিক, মানসিক ও নৈতিক বিকাশে ঘটাবে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’- সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসকসাতক্ষীরায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ পানি এবং স্যানিটেশন নিশ্চিতে জনসচেতনতামূলক পটগান সাতক্ষীরায় মহিলা দোকানীকে হত্যাসাতক্ষীরায় আইনজীবীর জমি দখলচেষ্টা : হামলায় আহত ৩সাতক্ষীরায় আম ক্যালেন্ডার ঘোষণাবজ্রপাতে সারা দেশে ১২ জনের মৃত্যুকালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টির সতর্কবার্তা আবহাওয়া অধিদপ্তরেররদেবহাটায় আটক ভারতীয় রেনু পোনা ইছামতি নদীতে অবমুক্ত

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট সাতক্ষীরা জেলা শাখার ৫ নেতৃবৃন্দকে কেন্দ্রীয় কমিটির বিভিন্ন পদে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বিধান বিহারী গোস্বামী ও মহাসচিব এ্যাড গোবিন্দ চন্দ্র প্রামণিক স্বাক্ষরিত পত্রে ওই ৫জন নেতৃবৃন্দকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। দায়িত্ব প্রাপ্ত নেতৃবৃন্দ হলেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি প্রাণ দাশ ও সাধারণ সম্পাদক মিহির কান্তি সরকারকে কেন্দ্রীয় সহ-সম্পাদক এবং বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট সাতক্ষীরা জেলা শাখার সমন্বয়কারী অমৃত সানা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সন্দ্বিপ বর্মন, সদস্য দিপংকার বিশ^াস কে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মনোনীত করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক : জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে করা মামলায় দৈনিক ভোরের পাতার সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোশাররফ হোসেন শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশান-২ নম্বর এলাকা থেকে এরতেজা হাসানকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের ভাই সাইফুল ইসলামের একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ১ জানুয়ারি রাজধানীর খিলক্ষেত থানায় এ মামলা দায়ের হয়। মামলায় এজাহারনামীয় অন্য তিন আসামি হলেন- আবু ইউসুফ আব্দুল্লাহ, রিয়াজুল আলম ও সেলিম মুন্সী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক: জমি জালিয়াতির অভিযোগে ভোরের পাতার সম্পাদক কাজী এরতেজা হাসান জজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশান-২ নম্বর এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু ইউসুফ জানিয়েছেন।

পিবিআই জানায়, কাজী এরতেজা হাসানের বিরুদ্ধে রাজধানীর খিলক্ষেত থানায় জমি জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে মামলা রয়েছে। ওই মামলার বাদী আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ভূইয়ার ভাই সাইফুল ইসলাম। গত ১ জানুয়ারি দায়ের করা এই মামলায় আরও তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। তাঁরা হলেন আবু ইউসুফ আব্দুল্লাহ, রিয়াজুল আলম ও সেলিম মুন্সী।

মামলায় বলা হয়েছে, ঢাকার দক্ষিণখানে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আশিয়ান গ্রুপের কাছ থেকে জমি কেনা নিয়ে জালিয়াতি করেন এরতেজা ও তাঁর সহযোগীরা। জমির দামের পুরো টাকা না দিয়ে জালিয়াতি করে রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করার অভিযোগ আনা হয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে। সূত্র: প্রথমআলো

0 মন্তব্য
1 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর: সহকর্মীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া, জুয়া থেকে অর্থ আদায়, আওয়ামী লীগ নেতাকে বেআইনি আটকসহ বিভিন্ন অপরাধে পুলিশের এক অতিরিক্ত ডিআইজি ও তিন পুলিশ সুপারকে (এসপি) দণ্ড দিয়েছে সরকার।

অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় সরকারি চাকরি বিধি অনুযায়ী দণ্ড হিসেবে পুলিশের তিন কর্মকর্তাকে তিরস্কার ও এক কর্মকর্তার বেতন বৃদ্ধি স্থগিত করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরপাত্তা বিভাগ সম্প্রতি এ সংক্রান্ত পৃথক চারটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

ঊর্ধ্বতন এ চার পুলিশ কর্মকর্তা হলেন- পুলিশ সদর দপ্তরে (সাময়িক বরখাস্ত) সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিআইজি (এর আগে চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত পুলিশ সুপার (বর্তমানে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) কাজী মো. ফজলুল করিম, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. মিজানুর রহমান ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পু্লিশের (ডিএমপি) উপ-কমিশনার (যশোরের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) মো. সালাউদ্দিন শিকদার।

কার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ

অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন:

পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন (বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত) পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত রয়েছেন। এর আগে তিনি চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি ছিলেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি অধীনস্থ এক এসআইয়ের স্ত্রীসহ একাধিক নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়ান। এছাড়া প্রায় রাতেই মদ্যপান করে বাসায় ফিরতেন। অভিযোগকারী মিসেস নওশিনের (ছদ্মনাম) জানান, তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং যৌতুকের দাবি করেছেন সাখাওয়াত হোসেন। এ অভিযোগে পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে চারটি মামলা হয়েছে।

এসব অভিযোগ সম্পর্কে জানতে গত বছর সাখাওয়াত হোসেনকে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে কারণ দর্শানো হয়। পরে ডিআইজি পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা তদন্ত করে জানতে পারেন, একাধিক নারীর সঙ্গে পরকীয়া, অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও প্রায় রাতেই মদ্যপান অবস্থায় বাসায় ফিরতেন সাখাওয়াত হোসেন।

এছাড়া নিজের স্ত্রীকে তালাক দিয়ে এসআইয়ের স্ত্রীকে বিয়ে করারও প্রমাণ পাওয়া গেছে। এতে পুলিশ বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। পরে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধি অনুযায়ী তাকে তিরস্কার দণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ফজলুল করিম:

২০০৮ সালের ২০ মার্চ ডিএমপির পিএসআই অলিউল হোসেন চৌধুরী (বর্তমানে বরখাস্ত) তার অন্যান্য সহযোগীসহ প্রাইভেটকারে মহাখালী টার্মিনাল ফাঁড়ির সামনে থেকে রিপন নামে একজনকে গাড়িতে তোলেন। এসময় তাকে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে চোখ বেঁধে ফেলা হয়। পরে তার কাছ থেকে ৮৬ হাজার সৌদি রিয়াল, মোবাইলফোন ও পাসপোর্ট ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

এই ঘটনায় ভুক্তভোগী রিপন বাদী হয়ে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় মামলা করেন। মামলা তদন্তকালে পিএসআই আলীউল হোসেনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ায় তৎকালীন ডিএমপির ডিসিপ্লিন বিভাগের ডিসি ফজলুল করিম পিআরবি-৭৪১ বিধি মোতাবেক পিএসআইয়ের বিরুদ্ধে বিভাগীয় কার্যক্রম শেষ করে তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতির আদেশ দেন।

তবে ডিএমপিতে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (অধস্তন কর্মকর্তাদের শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০০৬ কার্যকর থাকা সত্ত্বেও ডিসি ফজলুল করিম পিআরবি বিধি-৭৪১ মোতাবেক পিএসআইয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

পরবর্তীসময়ে পিএসআই আলীউল হোসেন ঢাকার প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা করলে আদালত ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে আলীউলের চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ দেন। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হলে ২০১৯ সালে আদালত তা খারিজ করে দেন।

এদিকে তৎকালীন ডিসি ফজলুল করিমের উদাসীনতা, খামখেয়ালিপূর্ণ কর্মকাণ্ড, সরকারি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে চরম অবহেলার অভিযোগে চলতি বছরের জুলাইয়ে তাকে কারণ দর্শানো হয়। ৩১ সেপ্টেম্বর তিনি কারণ দর্শানোর জবাব দাখিলপূর্বক ব্যক্তিগত শুনানির আবেদন জানান।

তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৩০ অক্টোবর তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলায় ব্যক্তিগত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। সব তথ্য প্রমাণ যাচাই-বাছাই শেষে ২০১৮ এর ৩(খ) বিধি অনুযায়ী অসদাচরণের অভিযোগে এসপি ফজলুল করিমকে তিরস্কার দণ্ড দেওয়া হয়।

জিএমপির ডিসি মিজানুর রহমান:

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশে (জিএমপি) কর্মরত উপ-কমিশনার (ডিসি) মিজানুর রহমান দিনাজপুরে অতিরিক্ত পুলিশ থাকাকালে একটি বিকাশ নম্বর চালু করেন। সেই নম্বরে তিনি স্থানীয় জুয়াড়িদের কাছ থেকে চাঁদা নিতেন।

২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মিজানুর রহমানের ওই বিকাশ নম্বরে ১১ লাখ ৯০০ টাকা জমা পড়ে। এরমধ্যে ক্যাশআউট করে তুলে নেওয়া হয় সাড়ে নয় লাখ টাকা। বিষয়টি পুলিশ সদর দপ্তর অবহিত হলে মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়।

এসময় তদন্ত কর্মকর্তা জানতে পারেন, জুয়াড়িরা প্রতি মাসে মিজানুর রহমানকে বিকাশের মাধ্যমে ঘুসের টাকা দিতেন। ওই বিকাশ নম্বরটি সবসময় বন্ধ রাখা হতো। শুধু টাকা উত্তোলনের সময় চালু করা হতো।

তদন্তকালে বিকাশ নম্বরটি তার নয় বলে দাবি করেন এসপি মিজানুর রহমান। তবে বিকাশ নম্বরটি ব্যবহার করে বিমানের টিকিট কেটেছিলেন মিজানুর। এরপরই প্রমাণিত হয় বিকাশ নম্বরটি মিজানুর নিজেই ব্যবহার করতেন।

অসদাচরণ ও দুর্নীতিপরায়ণ কর্মকর্তা প্রমাণিত হওয়ায় জিএমপির এই ডিসিকে আগামী এক বছরের জন্য বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি স্থগিত করা হয়েছে। তার স্থগিত বেতন বৃদ্ধি ভবিষ্যতে মূল বেতনের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে না।

ডিএমপির ডিসি সালাউদ্দিন:

ডিএমপির বর্তমান উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. সালাউদ্দিন শিকদার ২০১১ সালে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সেসময় যশোর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সাদা পোশাকে তিনজন পুলিশ সদস্য অজ্ঞাতনামা একজন নারীর সঙ্গে আপত্তিকর মেলা-মেশার সময় স্থানীয়দের সঙ্গে পুলিশের হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়।

এই ঘটনার সময় যশোর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান বিপুকে আটক করা হয়। পরে তাকে ডিবি কার্যালয়ে ১৫/১৬ ঘণ্টা অবৈধভাবে আটক রেখে শারীরিক নির্যাতন করে পু্লিশ।

প্রথমে ঘটনা ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। ঘটনার পরদিন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বাড়িতে ভাঙচুরের পর যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ উঠে তৎকালীন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বর্তমানে ডিএমপির ডিসি) সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশ সদর দপ্তরে আবেদন করা হয়। প্রাসঙ্গিক দলিলপত্রাদি এবং অপরাধের প্রকৃতি ও মাত্রা বিবেচনায় সরকারি কর্মচারি বিধি অনুযায়ী তাকে তিরস্কার দণ্ড দেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর: আগামী ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে দেশব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে আগেই স্থানীয় প্রশাসনকে জানাতে হবে।

মঙ্গলবার (১ নভেম্বর) সচিবালয়ে মহান বিজয় দিবস-২০২২ উদযাপনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নেওয়া জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নকালে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণসহ সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ সংক্রান্ত সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সভায় নেওয়া অন্যান্য সিদ্ধান্ত তুলে ধরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সড়কপথে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাওয়া-আসার সময় নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা নির্বিঘ্নে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে নিরাপদে প্রত্যাবর্তন করতে পারে সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কূটনীতিকদের জাতীয় স্মৃতিসৌধে আসা-যাওয়ার পথে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা থাকবে। পর্যাপ্ত সংখ্যক সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে সব স্থানে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ঢাকা থেকে সাভার স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত রাস্তায় তোরণ নির্মাণ সীমিত রাখা ও ওভারহেড তোরণ নির্মাণ না করার জন্য সিদ্ধান্ত হয়েছে। রাস্তাঘাট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সজ্জিত করা হবে। বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনে মেট্রোপলিটন এলাকা, জেলা সদর উপজেলা পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

এছাড়া মহান বিজয় দিবসের দিন জেলখানা, হাসপাতাল, এতিমখানা ও বৃদ্ধাশ্রমগুলোতে উন্নত মানের খাবার দেওয়া হবে। সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও সম্মিলিত বাহিনীর কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানসহ প্রয়োজনীয় স্থানে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের অ্যাম্বুলেন্স, উদ্ধার সরঞ্জাম ও অগ্নি নির্বাপণ গাড়ি থাকবে।

ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য স্থানে বিজয় দিবস উদযাপনে বিশেষ নিরাপত্তা কার্যক্রম নেওয়া হবে। সারাদেশে গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করা হবে।

কোভিড-১৯ প্রতিরোধে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানস্থলে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করার অনুরোধ করা হচ্ছে। মাস্ক পরে অনুষ্ঠানে যেতে হবে। সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে ও প্রয়োজনবোধে অন্যান্য অনুষ্ঠানে প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থা রাখতে হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সভায় জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব, বাংলাদেশ পুলিশের আইজি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানরা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় উপজেলা পর্যায়ে বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা ও জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সাতক্ষীরা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষ অফিসের আয়োজনে মঙ্গলবার বিকালে সদর উপজেলার ডিজিটাল হল রুমে এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ জাহিদুর রহমানের সভাপতিতে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যলয়ের প্রধান শিক্ষক সমরেশ কুমার সরকার, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কহিনুর বেগম, উপজেলা মাধ্যমিক সহকারি শিক্ষা অফিসার আবুল হোসেন, উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার সানজিদা খাতুনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটা উপজেলার সখিপুর ইউনিয়নের মাঝ সখিপুর গ্রামে মেয়ের ডিভোর্সকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের দ্বারা এক মহিলাকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় আহত ঐ মহিলাকে সখিপুরস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এবিষয়ে ঐ আহত মহিলা বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। জানা গেছে, সখিপুর ইউনিয়নের মাঝ সখিপুর গ্রামের তপন মন্ডলের স্ত্রী সনেকা মন্ডলের থানায় দেয়া অভিযোগ মতে জানা যায়, সনেকা মন্ডলের কন্য তৃপ্তি মন্ডলকে যশোর জেলার অভয়নগর থানার শিবনগর গ্রামের শিবপদ বিশ্বাসের ছেলে জয়দেব বিশ্বাসের সাথে বিয়ে দেয়ার পর থেকে সাংসারিক অশান্তি লেগে ছিল।

যার কারনে গত ৩০ অক্টোবর, ২২ ইং তারিখে আমার কন্যার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। এই বিবাহ বিচ্ছেদকে কেন্দ্র করে ৩০ অক্টোবর, ২২ ইং তারিখ রাত ৮টার দিকে মাঝ সখিপুর গ্রামের ধীরেন্দ্র মন্ডলের ২ ছেলে সুমন বিশ্বাস ও মহিম বিশ্বাস, গোবিন্দ মন্ডলের ছেলে প্রবীর মন্ডল ও রবিন মন্ডলের ছেলে শংকর মন্ডল সংঘবদ্ধভাবে লাঠিসোটা নিয়ে অতর্কিত তাদের পরিবারের সদস্যদের উপর হামলা চালায়।

এতে বাদীসহ তার স্বামী আহত হয়। পরে বাদীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ ওবায়দুল্লাহ জানান, অভিযোগ মতে তদন্তপূর্বক যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। মঙ্গলবার ১ নভেম্বর, ২২ ইং তারিখে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটা থানা পুলিশের পৃথক পৃথক অভিযানে ২৭ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী রুবেল ও অপর এক মাদক ব্যবসায়ী আটক হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে দেবহাটা থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়েরপূর্বক বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামানের দিক নির্দেশনায় এবং দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ ওবায়দুল্লাহর নেতৃত্বে দেবহাটা থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযান পরিচালনাকালে ইং ৩১/১০/২২ তারিখ, এসআই হাফিজুর রহমান সংগীয় ফোর্সসহ দেবহাটা থানার পারুলিয়া বাজার এলাকা থেকে ১২(বার) বোতল ফেনসিডিলসহ দক্ষিন পারুলিয়া গ্রামের মৃত নুর মোহাম্মাদ মোল্যার ছেলে রুবেল মোল্যা (৩০) কে গ্রেফতার করেন এবং অপর এক অভিযানে ইং ০১/১১/২২ তারিখ এসআই শেখ গোলাম আজম ও এএসআই শামীম হোসেন সংগীয় ফোর্সসহ দেবহাটা থানার বহেরা এলাকা থেকে ১৫ (পনের) বোতল ফেন্সিডিলসহ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আলিপুর (তালবাড়িয়া) গ্রামের মৃত মোবারক সরদারের ছেলে জহিরুল সরদার (৩০) কে গ্রেফতার করেন। এবিষয়ে পুলিশ বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় পৃথক পৃধক দুটি মামলা দায়ের করেছে।

আসামীদেরকে ইং ০১/১১/২০২২ তারিখ বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। দেবহাটা থানার ওসি শেখ ওবায়দুল্লাহ জানান, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান আগেও ছিল এবং বর্তমানে আছে আর এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। ওসি মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নিয়ে কাজ করা হচ্ছে উল্লেখ করে জানান, যে বা যারা মাদক ব্যবসা বা সেবন করবে কাউকেও ছাড় দেয়া হবেনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest