নিজস্ব প্রতিনিধি : গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে শাহাদাত বরণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচির আলোকে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আয়োজনে শোক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা বিএনপির আয়োজনে সোমবার বিকাল ৫ টায় শহরের আমতলা মোড় থেকে র‌্যালী শুরু করে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে আমতলা মোড়ে এসেই শেষ হয়।

উক্ত র‌্যালীতে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব আব্দুল আলীম চেয়ারম্যান, যুগ্ম আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, পৌর বিএনপির আহবায়ক মোঃ শের আলী, আশাশুনি উপজেলা বিএনপির আহবায়ক হেদায়েতুল ইসলাম, দেবহাটা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব নুরে আলম সিদ্দিকী, আশাশুনি উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মশিউল হুদা তুহিন, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুস সামাদ, জেলা যুবদলের সভাপতি আবু জাহিদ ডাবলু,

জেলা কৃষকদলের আহবায়ক সালাউদ্দিন লিটন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের দলের সাধারণ সম্পাদক এড. কামরুজ্জামান ভুট্টো, জেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম, জেলা যুবদলের সহ সভাপতি হাসান শাহরিয়া রিপন, সাংগঠনিক সম্পাদক কাউন্সিলর শফিকুল আলম বাবু, জেলা মৎস্যজীবী দলের যুগ্ম আহবায়ক মাহমুদুল ইসলাম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আনারুল ইসলাম, জেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহবায়ক শামিম কবির সুমন, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইয়াসিন আলী, মনিরুজ্জামান মনি, এম এ রাজ্জাক, সাইফুল ইসলাম বাবলু, মতিনুর রহমান কচি, আশরাফ হোসেন, নাসির হোসেন, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব মাসুম রানা সবুজ, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ সেলিম, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক অর্ঘ, পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক আয়ুুব হোসেন, সদস্য সচিব শাহিন, পৌর বিএনপি নেতা ইসমাইল বাবু, জহুরুল ইসলাম, ওলিউল ইসলাম, সাবেক কাউন্সিলর শাহিনুর রহমান, ওজিয়ার রহমান, কামরুজ্জামান পলাশ, নেসারুল, নাসির উদ্দিন বাবু, দাউদ, আলতাব হোসেন, মাহমুদুল, বকুল, ফেরদৌস, নবাবজান, মাহমুদ আলী, মেহেদী হাসান প্রমূখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মো: নজরুল ইসলামের সাথে কালিগঞ্জ উপজেলার ১২ টি ইউপির চেয়ারম্যান ও মেম্বরদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৯ অক্টোবার) বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদের অডিটোরিয়ামে উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাষ্টার নরিম আলী মুন্সী’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মো: নজরুল ইসলাম।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও তারালী ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হোসেন ছোট এর পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিঃ সহ সভাপতি সাঈদ মেহেদী, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ নাজমুল ইসলাম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান দিপালী রানী ঘোষ,
কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য রফিকুল ইসলাম, দৈনিক পত্রদূত পত্রিকার সম্পাদক ও জেলা আ’লীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক লায়লা পারভীন সেঁজুতি, চেয়ারম্যান যথাক্রমে সাফিয়া পারভীন, জাহাঙ্গীর আলম, মোজামেল হক মোজাম, গোবিন্দ মন্ডল, শেখ আবুল কাশেম মোঃ আব্দুল্লাহ, আজিজুর রহমান, এনামুল হোসেন ছোট, নাজমুল হাসান নাঈম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাকিম, গাজী শওকত হোসেন, আলিম আল রাজী টোকন ও ফেরদৌস মোড়ল প্রমুখ।এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এসএম শওকত হোসেন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুর রশিদ, জনসংখ্যা স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. সুব্রত ঘোষ, জেলা পরিষদ সদস্য প্রার্থী আল ফেরদাউস আলফা, শেখ ফিরোজ কবীর কাজল, যুব মহিলালীগের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সিমা সিদ্দিকী, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারজানা পারভীন পাখি প্রমুখ।

এসময় কালিগঞ্জের ১২টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য ও সংরক্ষিত আসনের সদস্যসহ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও বিভিন্ন অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, গনমাধ্যমকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আসন্ন ১৭ অক্টোবর জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব নজরুল ইসলামকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করার লক্ষে ভোটাররা মোটরসাইকেল প্রতিকে ভোট দেওয়ার জন্য প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় অবৈধভাবে সম্পত্তি দখল করতে না পেরে স্ত্রীকে দিয়ে পরিকল্পিত মিথ্যা মামলায় হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে।

রবিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এই মিথ্যা মামলার হাত থেকে রক্ষা পেতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সদর উপজেলার আখড়াখোলা গ্রামের মৃত রওশন দালালের পুত্র ভুক্তভোগী আনোয়ার হোসেন।

তিনি তার লিখিত বক্তব্যে এ সময় বলেন, আমি বিগত ১৯৭৮ সালের আখড়াখোলা মৌজায়
এস এ মালিক গুরুচরন এর নিকট থেকে ৯ জানুয়ারী ১৯৭৮ সালে ২৫৮ নং দলিলে,নিতাই এর নিকট থেকে ১০৮১ নং কোবলা দলিলে এবং ২৪ ফেব্রুয়ারী ১৯৭৮ তারিখে রফিকুল ইসলাম এর নিকট থেকে ৮৮৪৫ নং কোবলা দলিলে সর্ব মোট ২১ শতক সম্পত্তি
ক্রয় করি। এরপর থেকে দীর্ঘদিন যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছিলাম।
সম্প্রতি একই এলাকার মৃত মহিউদ্দীন আহম্মেদের পুত্র শরফুদ্দীন আহম্মদ গং
জাল জালিয়াতির মাধ্যমে উক্ত সম্পত্তি অবৈধ দখলের চেষ্টা করে। অথচ আমাদের
পক্ষের সকল বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। এ বিষয়ে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
আদালতে একটি মামলাও দায়ের করি। মামলাটি পিবিআইতে তদন্তাধীন রয়েছে। সুচতুর
শরফুদ্দীন আহম্মেদ এই সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করতে না পেরে সে তার নিজের
স্ত্রী সোনিয়া খাতুনকে বাদী করে আমাদের বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত মিথ্যা
মামলা সাজিয়ে আমলী আদালত ১নং এ মামলা দায়ের করে। সেখানে আমার এবং আমার
পুত্রের বিরুদ্ধে জঘন্য মিথ্যাচার করা হয়েছে। উক্ত মামলায় যাদের স্বাক্ষী করা হয়েছে সে সকল স্বাক্ষীরাও এঘটনার কিছুই জানে না। স্বাক্ষীরা আমাদের জানিয়েছে তারা কিছুই জানে না। শরফুদ্দিন তাদের সাথে কথা না বলেই তাদের নাম দিয়েছে। প্রকৃতপক্ষে মামলায় উল্লেখিত তারিখে ও সময়ে আমার সাথে ওই নারীর কোন কথা কাটাকাটিও হয়নি। তবে বাদী সোনিয়া খাতুনের স্বামী আমার
ক্ষেতের বেড়াকাটা নিয়ে তর্কবিতর্ক হয়েছিল। এছাড়া আর কোন ধরনের ঘটনাই
ঘটেনি। সঠিকভাবে তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে। এঘটনায় সাতক্ষীরা
ডিবি পুলিশ ইতিমধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। সেখানে ডিবি পুলিশের
তদন্তকারী কর্মকর্তা উল্লেখ করেছেন, আমার সাথে শরফুদ্দিনের জমিজমা বিরোধ
রয়েছে। এটা নিয়ে বাদীর স্বামী শরফুদ্দিনের সাথে তর্কবিতর্ক হয়েছে। কিন্তু
বাদীকে শ্লীলতাহানির ঘটনার কোন প্রমান পুলিশ পায়নি।

তিনি আরো বলেন, পিতা-পুত্র একসাথে কোন নারীর শ্লীলতাহানি করতে পারে এমন ঘটনা আমাদের জানা নেই। শুধুমাত্র আমাকে পরিকল্পিতভাবে হয়রানি করে আমাদের দীর্ঘদিনের ভোগদখলকৃত সম্পত্তি অবৈধভাবে সম্পত্তির দখল নিতেই এধরনের জঘন্য চক্রান্ত করা হয়েছে। আমি উক্ত মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

তিনি এ সময় পাল্টা প্রশ্ন করে বলেন, মানুষ কতটা নিকৃষ্ট হলে নিজ স্বার্থ উদ্ধারের জন্য নিজের স্ত্রীকে দিয়ে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করতে পারে ? এই মিথ্যা কাল্পনিক মামলাটিই তার প্রমান। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি এ সময় সঠিক তদন্তপূর্বক এই পরিকল্পিত মিথ্যা মামলার দায় থেকে তাকে ও তার পুত্রকে অব্যাহতি প্রদানের
জন্য সাতক্ষীরার পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ
কামনা করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা দেবহাটা উপজেলার দীর্ঘ সময় পার হলেও ভাগ্যের উন্নয়ন হয়নি কুলিয়ার লাবান্যবর্তী খালের ব্রিজটির। একযুগেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও উন্নয়ন অভাবে বেহাল দশায় দুই উপজেলার সীমান্তে আবস্থিত লাবণ্যবতী খালের উপর নির্মিত যোগাযোগের একমাত্র সাঁকোর।

দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ও সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়ন সীমানা দিয়ে বয়ে চলেছে এই লাবণ্যবর্তী। সাঁকোটি দুই উপজেলার হাজারো মানুষের যোগাযোগের এক মাত্র মাধ্যম হলেও উন্নয়নের মাথাব্যাথা নেই কারোও।

স্থানীয় সূত্রে প্রকাশ পায় দুই হাজার সালের পূর্বে নির্মাণ করা হয়েছে সাঁকোটি। কালের বিবর্তনে লোহার তৈরী সাঁকোটি বাঁশ ও কাঠের সাঁকোয় পরিণত হয়েছে। দুপাড়ের মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় কর্মক্ষেত্রে ছুটে চলেছে আপন গতিতে। ইত্যেপুর্বের অযোগ্য অবস্থায় চলাচল করতে গিয়ে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ পানিতে পড়ে যাওয়ার ঘটনা রয়েছে। তাছাড়া কুলিয়াসহ আশেপাশের এলাকার একমাত্র চলাচলের মাধ্যম হলেও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করে আশানুরুপ ফল পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় নির্বচনের পূর্বে সাঁকোর হালচিত্র পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিলেও পরিবর্তনের দেখামেলেনি। জনবহুল সাঁকোটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়লে কুলিয়া,শ্রীরামপুর চৌবাড়িয়া, বৈচনা, কুলাটি, হারদ্দা,কোমরপুরসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষের ভোগান্তির শেষ থাকবে না। এছাড়া সাঁকোটি চলাচলের অযেগ্য হয়ে পড়লে ব্যাবহত হবে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা কার্যক্রম। তাছাড়া হঠাৎ অসুস্থ ব্যক্তি এবং গর্ভবর্তী মায়েদের ৪-৫ কিলোমিটার অতিরিক্ত রাস্তা পাড়িদিয়ে আসতে হবে। যা এদের জন্য মারত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া জানা গেছে, সাঁকোর পাশে অবস্থিত ইউনাইটেড মডেল কলেজের অধ্যক্ষ’র তত্বাবধানে ইতোপূর্বে বহু বার সংস্কার কাজ করা হয়েছে। তার প্রচেষ্টায় বিভিন্ন সময়ে জেলা, দুই উপজেলা প্রশাসন পরিদর্শন করেছেন। দুঃখের বিষয় হলেও সত্য যে কোনকিছুতে পরিবর্তন ঘটেনি সাঁকোটির।

ভোমরা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নেছারুল্লাহ-আল-মামুন জানান, ১৯৯৫ সালে নির্মিত এই কাঠের সেতুটি মরণ ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভাঙাচোরা ও জরাজীর্ণ অবয়ব নিয়ে এই কাঠের সেতুটি প্রায় ৩ বছর অতিক্রম করলেও মেরামতের উদ্যোগ নেয়নি কর্তৃপক্ষ। ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। সেতুটির অধিকাংশ অংশ ভেঙে পড়ার পাশাপাশি পুরোটাই নিচের দিকে বাঁকা হয়ে ঝুঁকে পড়েছে।

শ্রীরামপুর গ্রামের বাসিন্দা আরিজুল ইসলামসহ স্থানীয়রা বলেন, কয়েক বছর ধরে এই সেতুটি ভেঙে পড়ে আছে। কয়েকটি গ্রামের মানুষের যাতায়াতে অনেক কষ্ট হয়, এই সেতুটির ওপর দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শ্রীরামপুর বাজারে সাধারণ মানুষ ও স্কুল-কলেজের বাচ্চারা যাতায়াত করে। আমরা বাচ্চা-কাচ্চা নিয়ে যাতায়াত করতে পারি না।

অতি দ্রুত সেতুটি সংস্কার করে পথচলা সুগম করার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সেতুটি দিয়ে চলাচলকারী শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : বিএসএফ এর গুলিতে এক চোরাকারবারির মৃত্যু হয়েছে। রবিবার ভোর তিনটার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার খৈতলা সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে। তবে বিএসএফ গুলি করার কথা অস্বীকার করেছে।

নিহতের নাম আবু হাসান (২৭)। তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার দক্ষিণ কুশখালি গ্রামের মক্তব মোড়ের হায়দার আলীর ছেলে ও এক সন্তানের জনক।

কুশখালি গ্রামের হায়দার আলী জানান, শনিবার রাত ১০ টার দিকে তার কাছে কিছু টাকা চায়। কাছে টাকা না থাকার কথা বলায় সে পার্শ্ববর্তী বাজারে চায়ের দোকানে যাচ্ছে বলে চলে যায়। খৈতলা সীমান্তের শূন্য রেখায় ভারতীয় দুবলী ক্যাম্পের বিএসএফ হাসানকে গুলি করে ফেলে রেখে গেছে মর্মে তিনি রবিবার ভোর ৫টার দিকে মোবাইলে খবর পান। স্থানীয়রা তাকে রবিবার ভোর ৬টা ১০ মিনিটে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক তাকে খুলনা ৫০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন। সেখান থেকে এম্বুলেন্সে খুলনায় নিয়ে যাওয়ার পথে সকাল৭ টা ২০ মিনিটে ডুমুরিয়া নামক স্থানে হাসান মারা যায়।

তবে নিহত হাসানের শ্বশুর সদর উপজেলার ঘোনা মোল্লাপাড়ার সাইফুল ইসলাম জানান, তার জামাতা ভারতীয় চোরাই পণ্য আনা নেওয়ার জন্য পাসিংম্যান হিসেব কাজ করতো। তার বিরুদ্ধে ৫টি মাদকের মামলাও রয়েছে। পাঁচ মাসের এক সন্তানের জনক সে। এক সপ্তাহ আগে তাকে পুলিশে ধরার পর ছেড়েও দিয়েছিল। শনিবার রাতে সে ভারতীয় পণ্য বাংলাদেশে আনার জন্য পাসিং ম্যানের দায়িত্ব পালন করতে সীমান্তে অবস্থান করছিল। দুবলী ক্যাম্পের বিএসএফ তাকে গুলি করেছে মর্মে তিনি জেনেছেন।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ আশরাফুল ইসলাম জানান, হাসানের পেটের ডান দিকে গুলিবিদ্ধ হয়। তবে খুলনায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়েছে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি’র অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল আল মাহমুদ জানান, সীমান্তে গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসানের মৃত্যুর ব্যপারে বিএসএফ এর কাছে জানতে চাইলে তারা অস্বীকার করেছে। তবে বিজিবি ও বিএসএফ এর মধ্যে ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক কয়েক কিছুক্ষণ পর কালিয়ানি শূন্য রেখায় শুরু হবে। তবে নিহত হাসান অবৈধপথে আনা ভারতীয় পণ্য পাসিং এর কাজ করতো বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে
সাতক্ষীরা সদরের লাবসা ইউনিয়নের লাবসা ফুটবল মাঠে এমপি রবি ফুটবল
টুর্নামেন্ট ২০২২ এর জাঁকজমকপূর্ণ দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৮ অক্টোবর) বিকাল ৩টায় সাতক্ষীরা সদরের লাবসা
ফুটবল মাঠে বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এমপির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ২য় কোয়ার্টার ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে খেলার
উদ্বোধন করে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি
রবি বলেন, “খেলাধুলা মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে।

তাই উন্নত জাতি ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার বিকল্প নেই। দেশকে মাদকমুক্ত ও সমাজকে অবক্ষয় থেকে রক্ষা করতে, খেলাই একমাত্র মাধ্যম যা মাদক থেকে দূরে রাখতে পারে যুব সমাজকে তাই খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই।
এলাকার তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াল ছোবল থেকে যুব সমাজকে দূরে রাখতে ও
মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সবাইকে খেলাধুলায় আরও বেশি করে সম্পৃক্ত করতে এই
টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে।”
এমপি রবি ফুটবল টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনাল খেলায় বিশেষ
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মকসুমুল
হাকিম, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী আকতার হোসেন, সাতক্ষীরা
পৌরসভার প্যানেল মেয়র কাজী ফিরোজ হাসান, জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম
সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান শাহিন, মীর তাজুল ইসলাম রিপন, সদর উপজেলা
ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর বিন সেলিম যাদু, সদর উপজেলা আওয়ামী
লীগের সহ-সভাপতি সরদার নজরুল ইসলাম, এমপি রবি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২২ এর
সমন্বয়কারি বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ কাজী কামরুজ্জামান খোকন, আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন
আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান হবি, আগরদাঁড়ী ইউপি চেয়ারম্যান
কবির হোসেন মিলন, লাবসা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড. শেখ মুস্তাফিজুর রহমান শাহনওয়াজ, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি কাজী হাশিম
উদ্দিন হিমেল, সাধারণ সম্পাদক মো. সুমন হোসেন, জেলা ফুবল এসোসিয়েশনের
ট্রেজারার শেখ মাসুদ আলী, সদর উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি মো. গোলাম
কিবরিয়া বাবু, লাবসা ইউনিয়ন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আব্দুল আশিম,
মীর হাবিবুর রহমান বিটু, জেলা মৎস্যজীবী লীগের আহবায়ক মীর শাহিন, যুগ্ম
আহবায়ক শেখ তৌহিদ হাসান, যুবলীগ নেতা জুয়েল, আবুল বাসার প্রমুখ। এমপি রবি
ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২২ এর দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে অংশ নেয় লাবসা
ইউনিয়ন বনাম আগরদাঁড়ী ইউনিয়ন। খেলার প্রথমার্ধে ১টি গোল করে এগিয়ে থাকে
আগরদাঁড়ী ইউনিয়ন। দ্বিতীয়ার্ধের খেলায় লাবসা ইউনিয়ন দল ১টি গোল করে খেলায়
সমতা আনে। এর পর কোন দলই আর গোলের দেখা পায়নি। ফলে খেলা রুপ নেয়
টাইবেকারে। টাইবেকারে ৪-২ গোলে লাবসা ইউনিয়নকে হারিয়ে আগরদাঁড়ী ইউনিয়ন দল
জয়লাভ করে এবং সেমিফাইনালে খেলার গৌরব অর্জন করে। খেলা পরিচালনা করেন
রেফারীমো. নাসির উদ্দিন, সহকারি রেফারী ছিলেন মো. আব্দুল গফ্ফার ও
নাজমুল। শনিবার দুপুর ২টার আগেই লাবসা ফুটবল মাঠ দর্শকে কানায় কানায় ভরে
যায়। হাজার হাজার দর্শক এমপি রবি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২২ এর দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনাল খেলাটি উপভোগ করেন। আগামী ৯ অক্টোবর রবিবার ধুলিহর ইউনিয়নের কোমরপুর ফুটবল মাঠে এমপি রবি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২২ এর তৃতীয়
কোয়ার্টার ফাইনাল খেলায় অংশ নেবে দেশী ও বিদেশী বাঁছাইকৃত খেলোয়াড়দের
সমন্বয়ে ভোমরা ইউনিয়ন বনাম দেশী ও বিদেশী বাঁছাইকৃত খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে
ঘোনা ইউনিয়ন। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্স।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তালা অফিস :
আগামী ১৭ অক্টোবর ২২ সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলামের সমর্থনে সাতক্ষীরা তালা উপজেলার সকল নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সাথে নির্বাচনী মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৮ অক্টোবর) সকালে তালা শিল্পকলা একাডেমি হলরুমে এ নির্বাচনী মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপিতত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ নুরুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম।

মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মুজিবুর রহমান,বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য রফিকুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান বাবু,তালা উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান সরদার মশিয়ার রহমান, খলিলনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রনব ঘোষ বাবলু,তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সরদার জাকির হোসেন, জাললপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এম মফিদুল হক লিটু প্রমূখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য, সদস্যারা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, ১৭ ই অক্টোবর নির্বাচনে জয়লাভ করলে জেলা পরিষদের সকল বরাদ্দ ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার ও মহিলা মেম্বার, কাউন্সিলরদের সঙ্গে নিয়ে উন্নয়নমূলক কাজ করা হবে। আমাকে ভোট দিয়ে জয়লাভ করা হলে আমার চেম্বার সব সময় উন্মুক্ত থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলা সদরে মুক্তিযোদ্ধা হলরুমে জাতীয়পার্টির প্রতিনিধি ও কর্মী সভা এ্যাডঃ মুহাঃ আব্দুর রশিদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্টিত হয়।

জাতীয়পার্টির শ্যামনগর উপজেলার সভাপতি এ্যাডঃ মুহাঃ আব্দুর রশিদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জাতীয়পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী জননেতা সৈয়দ দিদার বখত্। সাধারন সম্পাদক এম,কামরুজ্জামান এর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন লেঃ কঃ সাব্বির আহমেদ,

কেন্দ্রীয় জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ্ব মুহাঃ আব্দুস সাত্তার মোড়ল, সাতক্ষীরা জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আলহাজ্ব মুহাঃ আজাহার হোসেন, জেলা জাতীয় পার্টির সহ- সভাপতি তালা উপজেলা সভাপতি এস,এম নজরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মোঃ আনোয়ার জাহিদ তপন, কলারোয়া উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মোঃ মশিউর রহমান, জাতীয় পার্টির তালা উপজেলা শাখার সহ- সভাপতি সাংবাদিক এস,এম জাহাঙ্গীর হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক বি,এম বাবলুর রহমান, এম,ডি আরশাফ আলী, জাতীয় পার্টির নেতা মোঃ রবিউল ইসলাম, মোঃ জিল্লর রহমান, বুড়িগোয়ালিনি ইউনিয়ন জাপার সভাপতি মোঃ রুহুল আমিন, সাংবাদিক মুহাঃ আবু সাঈদ, সাংবাদিক সামিউল ইসলাম মন্টি, যুবসংহতীর সভাপতি মুহাঃ আব্দুল কাদের প্রমুখ।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন. দেশে সুশাসন উন্নয়ন ও অধিকার ফিরেপেতে জী,এম কাদের এর নেতৃত্বে লাঙ্গল প্রতিক কে বিজয়ী করুন।

বিশেষ অতিথি লেঃ কঃ অবঃ মিহাঃ সাব্বির আহমেদ বলেন আগত জাতীয় সংসদ নির্বাচন জিএম কাদের এর নেতৃত্বে জাতীয়পার্টি ঐক্যবদ্ধ।

সভায় বক্তরা বলেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধুর সিদ্ধান্ত ও সম্মেলনের মাধ্যমে চেয়ারম্যান জি,এম কাদের সাহেব এর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ জাতীয় পার্টি। দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করতে এবং দলের প্রার্থী বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ্ব মুহাঃ আব্দুস সাত্তার মোড়ল কে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে দলকে গতিশীল করতে অঙ্গিকার করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest