সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শনব্রহ্মরাজপুরে ভেজাল দুধ তৈরির দায়ে জরিমানা – ৬ মাসের কারাদণ্ড

সাতক্ষীরায় হত্যা মামলার বাদী ও স্বাক্ষীদের পরিকল্পিত মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরায় হত্যা মামলা থেকে রক্ষা পেতে মামলার বাদী ও স্বাক্ষীদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে ও বিভিন্ন ষড়যন্ত্র থেকে রেহাই পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার বিকালে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, সদর উপজেলার কৈখালী গ্রামের মৃত এছেম সরদারের পুত্র ইমান হোসেন।

তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, জমি জমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আমার মেঝ ভাই ইউপি সদস্য আলী হোসেনের সাথে বড় ভাই আনছার আলীর দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে গত ৯ জুন মেঝ ভাই আলী হোসেন, তার পুত্র জুলফিকার আলী, জুয়েল ও রুবেল মৎস্যঘেরের মধ্যে একা পেয়ে আমার বড় ভাই আনছার আলীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও লাঠিসোটা দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করে। এ সময় তার ডাক চিৎকারে আমি, ভাইপো আমজেদ হোসেনসহ স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে বড় ভাইকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ভর্তি করা হলে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় খুলনা মেডিকেলে প্রেরণ করা হয়।

গত ১২ জুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় বড় ভাই আনছার আলী মৃত্যু বরণ করেন। এঘটনায় আমার ভাইপো নিহত বড় ভাইয়ের পুত্র আমজেদ হোসেন বাদী হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর থেকে মেঝ ভাই আলী হোসেন পালিয়ে যান। এদিকে, হত্যা মামলার হাত থেকে রক্ষা পেতে আলী হোসেনের স্ত্রী নাছিমা খাতুন গভীর রাতে নিজেদের মৎস্যঘেরে বিষ প্রয়োগ করে আমাকেসহ নিহত বড় ভাইয়ের পুত্রসহ মামলার স্বাক্ষীদের বিরুদ্দে মিথ্যা মামলা দেওয়ার পায়তারা করেন। থানায় অভিযোগ জমা দিলেও এ ঘটনার কোন সত্যতা না পেয়ে পুলিশ কোন মামলা নেননি। তবে, বড়ভাই আনছার আলী হত্যা মামলায় বর্তমানে প্রধান আসামী জুয়েল, মেঝ ভাই আলী হোসেনসহ ৪জন আসামী কারাগারে রয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, বড় ভাইকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ায় এবং মামলার স্বাক্ষী হওয়ায় আমার মেঝ ভাইসহ তার পুত্ররা আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। আমাকে বিভিন্নভাবে ফাঁসাতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন।

আমাকেসহ নিহত বড় ভাইয়ের পুত্রসহ মামলার স্বাক্ষীদের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির উদ্দেশ্যে একেরপর এক চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছেন নাছিমা খাতুন। স্বামীর পরামর্শ অনুযায়ী মৎস্যঘেরে বিষ প্রয়োগ করেও আমাদের ফাঁসাতে না পেরে আলী হোসেনের স্ত্রী নাছিমা খাতুন, পুত্র বধু মুক্তা সুলতানা রানী ও সুমী সীমানায় নির্মিত প্রাচীর ভাংচুর করে। যা মসজিদের মুসুল্লীরা দেখে হতবাগ হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে ওই বিষয়টিকে পুঁজি করে সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমাকে জড়িয়ে ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশন করিয়েছে। অথচ উক্ত প্রাচীর আমার নির্মিত এবং আমার সীমানায়। শুধুমাত্র বড়ভাইকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া এবং মামলার স্বাক্ষী হওয়ায় আমার বিরুদ্ধে এধরনের চক্রান্ত করা হচ্ছে। তবে, এসব মিথ্যা চক্রান্তের ঘটনায় আমরা জড়িত না থাকায় পুলিশ আমাদের কোন ধরনের হয়রানি করেননি। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি এ সময় তার মেঝ ভাইয়ের পরিবারের সদস্যদের চক্রান্ত থেকে রেহাই পেতে এবং তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাটকেলঘাটায় কিশোর গ্যাং এর হামলায় সাংবাদিক পুত্র আহত

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় কিশোর গ্যাং এর হামলায় সাংবাদিক পুত্র গুরুতর আহত হয়েছে। ২৬ জুলাই বিকাল পাটকেলঘাটার কুমিরা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এঘটনা ঘটে।

আহত শেখ হাসান শাহরিয়ার (১৭) কুমিরা বাজারমোড় গ্রামের সাংবাদিক হাসান গফুর এর পুত্র। সে কুমিরা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

আহত শেখ হাসান শাহরিয়ার এর বরাত দিয়ে পিতা সাংবাদিক হাসান গফুর জানান, ২৬ জুলাই বিকাল ৫টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে বসে ছিলো। এসময় কুমিরার কায়েম খোলা গ্রামের দিপান গাইনের পুত্র প্রশান্ত গাইন নয়ন(১৮) ও একই গ্রামের ফরিচান মন্ডলের পুত্র বিজন (১৯)সহ কয়েকজন কিশোর গ্যাং এর সদস্যরা শেখ হাসান শাহরিয়ার এর পাশে গিয়ে বসে সিগেরেটের ধোঁয়া তার মুখের দিতে থাকে। এতে প্রতিবাদ করায় পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক প্রথমে নয়ন ইট দিয়ে শেখ হাসান শাহরিয়ার এর মাথায় আঘাত করে। পরে লাঠি ও লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ী মারপিট করে। এছাড়া নয়ন একটি ধারালো দা নিয়ে শেখ হাসান শাহরিয়ার এর উপর হামলার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা এগিয়ে তাকে রক্ত্যাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। এছাড়া হামলার সময় শেখ হাসান শাহরিয়ার এর কাছে থাকা স্মার্ট মোবাইল ফোন ও গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়।

এসময় স্থানীয়রা মারাত্মাক আহত অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এতে তার মাথায়, হাতে এবং পিঠে মারাত্মক রক্ত্যাক্ত জখম হয়। এঘটনায় প্রতিকার চেয়ে পাটকেলঘাটা থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন সাংবাদিক হাসান গফুর।
এলাকাবাসী জানান, উক্ত নয়নের নেতৃত্বে সম্প্রতি অত্র এলাকায় একটি কিশোর গ্যাং গড়ে উঠেছে। তারা প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ওই মোড়ে আড্ডা দেয়। তারা নেশা করে বিভিন্ন মানুষকে মান অপমান মারপিট করাসহ নানাভাবে অতীষ্ট করে তুলেছে। এলাকাবাসী অবিলম্বে ওই কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের গ্রেফতার পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে নির্বাচিত ইউপি সদস্যদের ক্রয়কৃত সম্পত্তি দখল চ্যুত করতে মিথ্যা নাটক সাজিয়ে হয়রানি

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার আশাশুনির আনুলিয়ায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের উস্কানিতে নির্বাচিত ইউপি সদস্যদের ক্রয়কৃত সম্পত্তি দখল চ্যুত করতে কাফনের কাপড় পরে অনশনের নামে মিথ্যা নাটক সাজিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, আনুলিয়া ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের মৃত শামছুর রহমান সানার পুত্র ও ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ভুক্তভোগী মামুন ইকবাল শহিদুল।
তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, রাজাপুর মৌজায় আছিয়া খাতুনের নিকট হতে ১৯৯৫ সালে আবু সাঈদ সানা ৪ শতক জমি ক্রয় করে ভোগ দখল করে আসছিলেন।

পরবর্তীতে আবু সাঈদের নিকট থেকে আমি ৩ শতক জমি ক্রয় করি। এছাড়া ২০২০ সালে আইয়ুব আলীর আপন সেঝ ভাই শামছুর গাইনের নিকট থেকে পৃথক দুটি দলিলে আরো ৪ শতক জমি ক্রয় করে মিউটেশন করি।

উক্ত মোট ৭ শতক জমি ক্রয় করার পর স্ব-স্ব মালিকের কাছ থেকে দখল বুঝে নিয়ে নিজে ভোগদখল করে আসছি। উক্ত জমির মধ্যে তিন শতকের উপরে আমি একটি টিন সেড ঘর নির্মান করি। এরপর আইয়ুব আলী গাজী উক্ত সম্পত্তি নিয়ে আদালতে আমানতের একটি মামলা দায়ের করে। যার বিচারিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। যেহেতু তিন শতক জমি নিয়ে আদালতে মামলা রয়েছে সে কারনে আমি বাকী ৪ শতক জমির উপর নির্মান কাজ শুরু করি। কাজ শুরুর পর এক পর্যায়ে মৃত. উজির আলী গাইনের পুত্র আইয়ুব আলী গাইন বাধা প্রদান করে। ইতিমধ্যে সেখানে ছাদ পর্যন্ত নির্মান কাজও সম্পন্ন হয়েছে। এ নিয়ে আইয়ুব আলী সাতক্ষীরা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করে। পরবর্তীতে আদালত ভূমিকর্মকর্তাকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলেন।

ভূমি কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর আদালত আমাদের পক্ষে রায় দিয়ে মামলা নিস্পত্তি করেন। যার স্মারক নং- ১৮৮৪সা অতি:জেলা,ম্যাজি:, সাতক্ষীরা। বর্তমানে ছাদের ঢালাই দেওয়ার প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। কিন্তু বিগত ইউপি নির্বাচনে আমার প্রতিপক্ষদের উস্কানি পেয়ে আইয়ুব আলী আমার ছাদের ঢালাই দিতে দিচ্ছে না। বিভিন্ন দপ্তরে আমার বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা ভিত্তিহীন অভিযোগ দায়ের করে হয়রানি করে যাচ্ছে। আইনগতভাবে কোথাও সে টিকতে না পেরে সম্প্রতি সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে হাজির হয়ে মিথ্যা ভিত্তিহীন তথ্য উপস্থাপন করে একটি সংবাদ সম্মেলন করে। এরপর ওই কুচক্রী মহলের কুপরামর্শে গায়ে কাফড়ের কাপড় জড়িয়ে অনশনের মিথ্যা নাটক সাজিয়েছে। আইয়ুব আলী-গং গত সোমবার ও মঙ্গলবার দুই দিনে মাত্র ১ ঘন্টা করে অনশনের নামে বসে আবার উঠে চলে যায় । তবে সাংবাদিকদের যাওয়ার খবর পেলে আবারো সেখানে বসে যান। যা গ্রামবাসী সকলেই অবগত আছেন। গ্রামের অধিকাংশ মানুষ আমার পক্ষে রয়েছে। তারা প্রকৃত ঘটনা জানেন। তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে। শুধুমাত্র আমাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করতে এবং সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে এধরনের জঘন্য মিথ্যাচার করে কাফনের কাপড় পরে অনশনের মিথ্যা নাটক সাজিয়েছে ওই নাটকবাজ আইয়ুব-গং। অথচ এলাকায় আমার যথেস্ট সুনাম রয়েছে। আমি বিপুল ভোটে নির্বাচিত ইউপি সদস্য। আমার সুনাম ও জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার প্রতিপক্ষের ইন্ধনে আইয়ুব আলী এধরনের অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি এ সময় নাটকবাজ আইয়ুব আলীর বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণসহ তার ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে যাতে তিনি নির্মান কাজ সম্পন্ন করতে পারেন সে বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভূমিহীন নেত্রী শহীদ জায়েদার ২৪ তম শাহাদত বার্ষিকীতে সাতক্ষীরায় শোকসভাও র‌্যালি

নিজস্ব প্রতিনিধি :
ভূমিহীন নেত্রী শহীদ জায়েদার ২৪ তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে জেলা ভূমিহীন সমিতির আয়োজনে শোক, র‌্যালি ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার সকাল ১০ সাতক্ষীরা শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক থেকে একটি শোক র‌্যালি শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপুর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শেষ হয়।
পরে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরীতে অনুষ্ঠিত শোক সভায় সভাপতিত্ব করেন, জেলা ভূমিহীন সমিতির সভাপতি মো: কওছার আলী।
জেলা ভূমিহীন সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি আনিছুর রহিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সিনিয়র সাংবাদিক প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিনিধি কল্যাণ ব্যানার্জি, বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার কাজেম আলী,সিপিবি’র জেলা শাখার সভাপতি আবুল হোসেন, গণফোরামের সভাপতি আলীনুর খান বাবুল। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা ভূমিহীন সমিতির সহ-সভাপতি মফিজুর রহমান, শেখ শওকাত আলী, শেখ হাফিজুর রহমান, মোছা: নাজমা খাতুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সেলিম, মহিলা সম্পাদিক নাজমা আক্তার নদী,

সহ-সম্পাদিকা শাহানারা খাতুন ঋণা, মহিলা নেত্রী শাহিদা আক্তার ময়না, জেলা ভূমিহীন সমিতির অর্থ সম্পাদক কাজী আব্দুল আলিম, সদর উপজেলা ভূমিহীন সমিতির মো: ইউসুফ আলী সরদার, সাধারণ সম্পাদক মীর আশিক ইকবাল বাপ্পি, আগরদাড়ী ইউনিয়ন ভূমিহীন সমিতির সভাপতি সাংবাদিক সেলিম হোসেন, লাবসা ইউনিয়ন ভূমিহীন সমিতির সভাপতি শেখ রিয়াজুল ইসলাম, নোড়ারচক ভূমিহীন সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক আমজাদ হোসেন জিয়াদ আলী, সদর উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন প্রমুখ। এছাড়া বাদ যোহর শহরের বিভিন্ন মসজিদের দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

বক্তারা বলেন, শহীদ জায়েদার আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ভুমিহীনদের ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবীতে সাতক্ষীরা জেলা ভূমিহীন সমিতি আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। ভুমিহীনদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শহীদ সাইফুল্লাহ লস্কর নিজের জীবনের কথা চিন্তা না করে খাস জমিতে ভুমিহীনদের অধিকার আদায়ের জন্য জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত লড়াই করে গেছেন। প্রায়ত এড. আব্দুর রহিম, আশরাফুল আলম টুটুল, এ্যাড. ফিরোজ আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের, কাজী কামাল ছট্টু, কদুরত ই খুদা, আব্দুর রশিদ, নারী নেত্রী জহিরুনসহ অনেকেই ভুমিহীন আন্দোলনকে বেগবান করার জন্য তথা নিজেদের জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেছেন। তাদের অসমাপ্ত কাজ গুলো শেষ করার জন্য তাদের স্বপ্নকে বাস্তবায়নের জন্য আজকের স্মরনসভা থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে ভূমিহীনদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা ও ভূমিহীনদের ৮ দফা দাবি আদায়ের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জব ফেয়ার এর উদ্বোধন
একরামুজামান জনিঃ কারিতাস খুলনা অঞ্চলের আওতায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জার্মান কর্পোরেশনের অর্থায়নে এবং সাতক্ষীরা পৌরসভার সার্বিক সহযোগিতায় জব ফেয়ার অনুষ্টিত হয়েছে।(২৬ জুলাই) মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় সুলতানপুর ক্যাথলিক মিশন মিলনায়তনে প্রকল্পের কারিতাস সাতক্ষীরা, কারিতাস খুলনা অঞ্চলের অধিনে অনুষ্টিত হয়।
উক্ত সেমিনার অনুষ্ঠানে আঞ্চলিক পরিচালক কারিতাস খুলনা অঞ্চল মি: দাউদ জীবন দাস প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সমাজসেবা ডিডি সন্তোস কুমার নাথ, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ডিরেক্টর সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ সৈয়দ শাহিনুর আলী,ডিডি মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এ,কে,এম শফিউল আযম,
সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ সভাপতি নাছিম ফারুক খান মিঠু, ম্যানেজার সিটিএসপি, কারিতাস সেন্ট্রাল অফিস নোয়েল গোনছালবেছ, এ্যাডভাইজার জিআইজেড রতন মানিক সরকার , টিম লিডার জিএফএ কনসালটিং গ্রুপ এ্যালস্টার মেচিন ,
ডেপুটি টিম লিডার জিএফএ কনসালটিং গ্রুপ
হাবিবুর রহমান , ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ মারুফ আহমেদ, মহিলা কাউন্সিলর অনিমা রানী মন্ডল, রাবেয়া পারভীন কাউন্সিলর প্রিন্সিপাল টিটিসি একেএম মিজানুর রহমান, বুনন হস্তশিল্প গ্রুপের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মো: মামুন হাসান,  ব্যাবস্থাপনা পরিচালক জি
এম নুরুল ইসলাম রনি,রনি প্লাইউড এন্ড ডোর ইন্ডাষ্ট্রিজ, ও অন্যান্য কর্মকর্তা বৃন্দ। শুরুতে ফিতা কেটে জব ফেয়ার এর ষ্টল উদ্বোধন করেন, এর পর সকল অতিথিদ্বয় এর  উপস্থিতিতে একে একে ১৫ টি ষ্টল পরিদর্শন করেন এবং উপস্থিত সকলকে উৎসাহ প্রদান করেন।
দ্বিতীয় পর্যায় জব সেমিনারে অংশগ্রহন করেন। উক্ত  সেমিনারে বক্তরা বলেন জব ফেয়ারের মাধ্যমে সাতক্ষীরায় এক নতুন অধ্যায় উন্মোচিত হলো যার ফলে প্রশিক্ষিত অনেক ছেলে মেয়েরা কাজের সুযোগ পাবে এবং কোথায় কোথায় চাকরির সুযোগ আছে সে বিষয়গুলো সকলে জানতে পারবে। অতিথিদ্বয় এর মুক্ত আলোচনায় প্রশিক্ষনার্থিদের কাজের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা ও সুযোগ সুবিধা নিয়ে মুক্ত আলোচনা হয় যা থেকে বেরিয়ে আসে সাতক্ষীরা সিটিতে কল-কারখানা ইন্ডাষ্ট্রিজ এর স্বল্পতা থাকায় কাজের সুযোগ পর্যাপ্ত নাই তবুও যে সুযোগ রয়েছে তা যেন প্রশিক্ষনার্থিরা গ্রহন করতে পারে সে দিক সকলে সজাগ দৃষ্টি রাখার প্রত্যায় ব্যাক্ত করেন এবং শেষে বুনন গ্রুপ সাতক্ষীরার ব্যাবস্থাপনা পরিচালক ২০ জন প্রশিক্ষন গ্রহনকারীদের মাঝে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে কাফনের কাপড় পরে দ্বিতীয় দিনের ন্যায় অনশন কর্মসুচি

আসাদুজ্জামান ঃ সাতক্ষীরার আশাশুনিতে জমি ফিরে পাওয়ার দাবিতে কাফনের কাপড় পরে দ্বিতীয় দিনের ন্যায় অনশন কর্মসুচি পালন করেছে স্থানীয় জমির মালিকরা।

আইউব গাইনের নেতৃত্বে ৫টি পবিারের সদস্যরা মঙ্গলবার সকাল থেকে আশাশুনি উপজেলার রাজাপুর গ্রামে দখলকৃত জমিতে স্থানীয় ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম কর্তৃক নির্মাণধীন কাজ বন্ধের দাবিতে এ অনশন পালন করছেন। এর আগে একই দাবিতে সোমবার তারা কাফনের কাপড় পরে সেখানে অনশন পালন করেন।
রাজাপুর গ্রামের আইউব আলি গাইন জানান, রাজাপুর মৌজায় এসএ ১১ ও আর এস ২৬৬ খতিয়ানে ২৮৪ ও ২৮৮ দাগে ৫৬ শতক জমির পৈত্রিক মালিক তিনিসহ উজির আলীগাইন, শামছুর গাইনসহ ৬ জন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম উক্ত তিনটি দাগসহ মোট ৫ টি দাগের মধ্যে ৩ শতক ও তার ভাই ছাইদ ২ শতক জমি শামছুর গাইনের কাছ থেকে ক্রয় করেন। এই জমি নিয়ে তিনি (আয়ুব আলী) টাকা আমানত করলে বিজ্ঞ আদালত স্থগিতাদেশ দেন। অথচ সেই আদেশ অমান্য করে শহিদুল ইসলাম ওই জমিতে দোকান নির্মাণ কাজ শুরু করেছেন। দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা অনশন চালিয়ে যাবেন বলে সাংবাদিকদের তিনি আরো জানান।
আশাশুনি সদর থানার ওসি মমিনুল হক জানান,আদালতের আদেশ অনুযায়ী দুপক্ষকে ডেকে বিষয়টি সমাধান করা হবে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় যুবদলের ৯টি ইউনিয়নের আহবায়ক কমিটি গঠন

তালা প্রতিনিধি :

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের তালা উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সোববার (২৫ জুলাই) রাতে তালা উপজেলার যুবদলের আহবায়ক মির্জা আতিয়ার রহমান, সদস্য সচিব শেখ মোস্তফা হোসেন মন্টু ও সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক খালিদ আহমেদ এর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

১নং ধানদিয়া ইউনিয়নের ৩১সদস্যের কমিটিতে আহবায়ক হয়েছেন জি,এম সাইফুল ইসলাম, ১নং যুগ্ম আহবায়ক মো.এরশাদ শেখ, সদস্য সচিব মো. লিয়াকত আলী, ২নং নগরঘাটা ইউনিয়নের ৩১সদস্যের কমিটিতে আহবায়ক হয়েছেন এরশাদ হোসেন মিলন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মো.মহব্বত হোসেন, সদস্য সচিব মাসুম বিল্লাহ বাচ্চু, ৪নং কুমিরা ইউনিয়নের ৩১সদস্যের কমিটিতে আহবায়ক হয়েছেন মো.সেলিম উদ্দীন বিশ^াস, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মো. বাবলুর রহমান,

সদস্য সচিব নূরুল ইসলাম মন্টু, ৫নং তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের ৩১সদস্যের কমিটিতে আহবায়ক হয়েছেন এম এম জাহাঙ্গীর আলম সবুজ, ১নং যুগ্ম আহবায়ক মো. আকরামুল ইসলাম, সদস্য সচিব ওলিউর রহমান,

৬নং তালা সদর ইউনিয়নের ৩১সদস্যের কমিটিতে আহবায়ক হয়েছেন মো. সাজু আহম্মেদ, ১নং যুগ্ম আহবায়ক মো.শাহিনুর ইসলাম ও সদস্য সচিব মো.কামরুল সরদার,৮নং মাগুরা ইউনিয়নের ৩১সদস্যের কমিটিতে আহবায়ক হয়েছেন শাহী উদ্দিন গাজী শাহিন, ১নং যুগ্ম আহবায়ক আসাদুল শেখ আসাদ, সদস্য সচিব সরোজিৎ কুমার সরকার, ৯নং খলিশখালী ইউনিয়নের ৩১সদস্যের কমিটিতে আহবায়ক হয়েছেন মেহেদী হাসান, ১নং যুগ্ম আহবায়ক মো. আজিবর রহমান গাজী, সদস্য সচিব মো. রিপন মোল্লা, ১০নং খেশরা ইউনিয়নের ৩১সদস্যের কমিটিতে আহবায়ক হয়েছেন মো. রফিকুল ইসলাম, ১নং যুগ্ম আহবায়ক মো. আব্দুল্লাহ শেখ, সদস্য সচিব মো. নাদিম হোসেন, ১১নং জালালপুর ইউনিয়নের ৩১সদস্যের কমিটিতে আহবায়ক হয়েছেন মো. মাসুদ রানা, ১নং যুগ্ম আহবায়ক মেহেদি হাসান, সদস্য সচিব মো. মনিরুজ্জামান মনির ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর ৬ বছর সশ্রম কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ মৃত্যু ঘটিতে পারে জেনেও স্ত্রীর বুকে ও পিঠে লাথি মারার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত করে এক ব্যক্তির ছয় বছর সশ্রম কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো দুই মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক বিশ্বনাথ মণ্ডল এ আদেশ দেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামীর নাম নুরুল ইসলাম। তিনি সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী গ্রামের হাািমজউদ্দিনের ছেলে।
মামলার বিবরনে জানা যায়, কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী গ্রামের আরশাদ আলীর মেয়ে শাহানার খাতুনের সঙ্গে একই গ্রামের হামিজউদ্দিনের ছেলে নুরুল ইসলামের ১৯৯২ সালে বিয়ে হয়। নুরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী থাকায় দ্বিতীয় স্ত্রী শাহানারকে সে প্রায়ই মারপিট করতো। ২০০১ সালের ১২ নভেম্বর রাত নয়টার দিকে এক সের চাল কেনার জন্য শাহানারা খাতুন তার স্বামীর কাছে টাকা চাইলে বচসার একপর্যায়ে তার বুকে ও পিঠে লাথি মেরে জখম করেন।

রাত সাড়ে ১১ টার দিকে গ্রাম ডাক্তার ফজর আলী এসে শাহানারা মারা গেছে বলে জানান। খবর পেয়ে আরশাদ আলী রাত ১২টার দিকে নুরুল ইসলামের বাড়িতে এসে শাহানারাকে মেঝেতে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।

এ সময় স্থানীয়রা নুরুল ইসলামকে আটক করে পরদিন সকালে পুলিশে খবর দেন। এ ঘটনায় শাহানার খাতুনের বাবা আরশাদ আলী বাদি হয়ে জামাতা নুরুল ইসলামের নাম উল্লেখ করে পরদিন থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা কালিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক নুরুল আমিন ২০০২ সালের ২৬ মে নুরুল ইসলামের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

সাফাই সাক্ষ্য প্রদানকালে নিহতের মেয়ে মৌসুমী আক্তার বেবী তার মাকে বাবা লাথি মেরে হত্যা করেছে বলে জানায়।
মামলার নথি ও ১৭ জন সাক্ষীর জেরা ও জবানবিন্দ পর্যালোচনা শেষে আসামী নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মৃত্যু ঘটিতে পারে জানিয়াও স্ত্রীর বুকে ও পিঠে লাথি মারার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে ফৌজদারি দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায় ৬ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেন।

কারাদণ্ডাদেশ শুনে কাঠগোড়ায় উপস্থিত নুরুল ইসলাম বলেন, তাকে বিনা দোষে সাজা দেওয়া হলো। আল্লাহ এর বিচার করবেন।
আসামীপক্ষের আইনজীবী অ্যাড. হাবিবুর রহমান বলেন, এ রায়ের বিরুদ্ধে তিনি উচ্চ আদালতে যাবেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাড. ফাহিমুল হক কিসলু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest