সর্বশেষ সংবাদ-
সুন্দরবনে মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে বাঘের আক্রমণে মৌয়াল আহততালায় খালে মাছ ধরতে এসে বৃদ্ধের মৃত্যুদেবহাটার সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের মৃত্যুসাতক্ষীরা কম্পিউটার সমিতির নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর ও সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার কালিগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যার অভিযোগে চাঞ্চল্যদেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যু

ন্যাটোর সদস্য পদ আর চাই না, যুদ্ধবিরতি চাই: ইউক্রেন

বিদেশের খবর: ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, যুদ্ধবিরতি, রুশ সেনা প্রত্যাহার এবং ইউক্রেনের নিরাপত্তার গ্যারান্টির বিনিময়ে সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্যপদ না চাওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে তিনি আলোচনা করতে প্রস্তুত। খবর আলজাজিরার।

সোমবার রাতে ইউক্রেনীয় টেলিভিশন চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, ‘এটি সবার জন্য একটি আপস। কারণ পশ্চিমা দেশগুলো জানে না তারা ন্যাটোর বিষয়ে আমাদের সঙ্গে কী করবে, ইউক্রেন নিরাপত্তার গ্যারান্টি চায় এবং রাশিয়াও চায় না (পূর্ব ইউরোপে) ন্যাটোর আরও সম্প্রসারণ হোক’।

সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি বলেন, তিনি আর ন্যাটোর সদস্য হতে ইচ্ছুক নন। তিনি বুঝে গেছেন, ইউক্রেনকে গ্রহণ করতে ন্যাটো প্রস্তুত নয়। তার ভাষায়, ‘আমি এমন একটা দেশের প্রেসিডেন্ট থাকতে চাই না, যারা হাঁটু গেড়ে ভিক্ষা চায়। তিনি বুঝেছেন যে, ন্যাটো রাশিয়াকে ক্ষুব্ধ করবে না। তারা এই বিতর্কিত বিষয়ের মধ্যে ঢুকতে ভয় পাচ্ছে।

জেলেনস্কি আরও বলেছেন, যুদ্ধবিরতি হলে এবং নিরাপত্তার গ্যারান্টি প্রদানের প্রক্রিয়া সামনের দিকে এগিয়ে গেলে ক্রিমিয়া এবং রাশিয়ার-সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দখলে থাকা পূর্ব ডনবাস অঞ্চল নিয়েও আলোচনায় বসতে প্রস্তুত কিয়েভ।

এর আগে গত রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে জেলেনস্কি বলেছিলেন, তিনি বিশ্বাস করেন রাশিয়ার আগ্রাসনের সমাপ্তি আলোচনায় ব্যর্থ হওয়া মানে ‘তৃতীয় একটি বিশ্বযুদ্ধ’ বেঁধে যাওয়া। তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করতে প্রস্তুত। আলোচনাই যুদ্ধ বন্ধ করার একমাত্র উপায়।

টানা ২৭ দিন ধরে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে রাশিয়া। জল, স্থল ও আকাশপথে চালানো রুশ সেনাদের জোরদার হামলায় ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে পূর্ব ইউরোপের এই দেশটি। যুদ্ধ বন্ধে মস্কো-কিয়েভ আলোচনা অব্যাহত রাখলেও এখন পর্যন্ত ইতিবাচক কোনো ফল আসেনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ওবায়দুল কাদেরকে গোনার টাইম নাই এমপি একরামুলের!

রাজনীতির খবর: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে ‘গোনার টাইম নাই’ বলে মন্তব্য করেছেন নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘আমি একজন মেম্বার অব পার্লামেন্ট। কাদের মিয়ারে গোনার আমার টাইম নাই। হেতে (সে) যেইরকম এমপি, আমিও সেইরকম এমপি। এই কাদের নিজের ভাইয়ের বিচার করতে পারে না, হেতে আবার মানুষের বিচার কী কইরব।’

মঙ্গলবার (২২ মার্চ) দুপুরে নোয়াখালী সদর উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজানের বাড়িতে এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে একরামুল করিম চৌধুরী বলেন, আপনাদের গায়ের গন্ধ আমি পেয়েছি। আপনাদের থেকে কেউ আমাকে আলাদা করতে পারবে না। আগামী এক বছরের মধ্যে এই এলাকার (কালাদরাপ ইউনিয়ন) সব রাস্তাঘাট পাকা করব।

তিনি আরও বলেন, মানুষকে ভালোবাসতে দলের প্রয়োজন হয় না। আমি আপনাদের মন থেকে ভালোবাসি। আপনাদের কাছে একটা দাবি জানাচ্ছি, আমি মারা গেলে আপনারা সবাই আমার জানাজায় আসবেন। আপনাদের সকলের দোয়ায় আমি হয়তো জান্নাতে যেতে পারি।

জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহিনকে উদ্দেশ্য করে একরামুল করিম চৌধুরী বলেন, সে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছ থেকে টাকা দাবি করেছে। মানুষের জায়গা দখল করে আজ বড় লোক হয়েছে। সে একটা চোর। এই টাকা জমিয়ে সে ইতালিতে মদের দোকান দিয়েছে। শাহিনের এক ভাই জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থায় (এনএসআই) কাজ করে। ভাইকে দিয়ে সে আমার নামে বিভিন্ন রিপোর্ট করায়। মানুষ জেগে উঠলে এসব এনএসআইয়ের রিপোর্টের চাপে কাজ হবে না।

এ প্রসঙ্গে শিহাব উদ্দিন শাহিন বলেন, তিনি (একরামুল করিম) প্রতিদিন মিথ্যা ও বানোয়াট বক্তব্য দিচ্ছেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আমাদের নোয়াখালী তথা সারা বাংলাদেশের গর্ব। উনি এভাবে মন্ত্রী মহোদয় এবং আমাকে নিয়ে কথা বলতে পারেন না। আমি তার বক্তব্যের নিন্দা জানাই।

প্রসঙ্গত, নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২১ সালের সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে একরামুল করিম চৌধুরীকে বাদ দিয়ে ৮৭ সদস্যের নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে আহ্বায়ক করা হয় এ এইচ এম খায়রুল আনম চৌধুরীকে। আর দুই যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয় অ্যাডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহিন এবং নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র সহিদ উল্লাহ খানকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বায়ুর দেশ

দেশের খবর: বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বায়ুর দেশের তালিকায় ১১৭ দেশের মধ্যে শীর্ষে বাংলাদেশের নাম উঠে এসেছে। আর ৬ হাজার ৪৭৫টি শহরের মধ্যে বায়ু দূষণে ঢাকার অবস্থান ২৮তম।

মঙ্গলবার (২২ মার্চ) প্রকাশিত ‘বিশ্বের বায়ুর মান প্রতিবেদন-২০২১’ শীর্ষক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য। প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘আইকিউএয়ার’।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে একটি দেশও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রত্যাশিত বায়ুমান বজায় রাখতে পারেনি; আর দূষণের মাত্রার বিচারে সবার উপরে রয়েছে বাংলাদেশের নাম।

আইকিউ এয়ারের প্রতিবেদন বলছে, সমীক্ষার প্রায় সাড়ে ৬ হাজার শহরের মধ্যে মাত্র ৩ দশমিক ৪ শতাংশ শহরের বাতাসে ২০২১ সালে ডব্লিউএইচও প্রত্যাশিত বায়ুমান পাওয়া গেছে। আর ৯৩টি শহরে পিএম২.৫ এর মাত্রা ছিল ওই গ্রহণযোগ্য মাত্রার ১০ গুণ বেশি।

বাংলাদেশের বাতাসে পিএম২.৫ এর গড় পরিমাণ ছিল ৭৬ দশমিক ৯ মাইক্রোগ্রাম, যা সমীক্ষার ১১৭টি দেশ ও অঞ্চলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। এই হিসেবে গতবছর বিশ্বে বাংলাদেশের বাতাসই ছিল সবচেয়ে দূষিত।

সাতটি দেশে এই পরিমাণ ছিল ৫০ মাইক্রোগ্রামের বেশি, যার মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার দুই দেশ পাকিস্তান তালিকার তৃতীয় (৬৬ দশমিক ৮ মাইক্রোগ্রাম) এবং ভারত তালিকার পঞ্চম (৫৮ দশমিক ১ মাইক্রোগ্রাম) অবস্থানে রয়েছে।

আইকিউ এয়ার ২০১৮ সাল থেকে এই প্রতিবেদন প্রকাশ আসছে এবং প্রতিবারই বাংলাদেশ দূষিত দেশের তালিকায় প্রথম দিকে থাকছে।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, সবচেয়ে দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় বাংলাদেশের ঢাকার অবস্থান ২৮তম। ঢাকায় দূষণ তুলনামূলক কম হওয়ার বড় কারণ ছিল গতবছর এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে মহামারীর লকডাউন।

রাজধানী শহরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দূষিত বায়ুর শহর নয়াদিল্লি (ভারত)। দূষিত বায়ুর শীর্ষ ১০ রাজধানী শহরের মধ্যে নয়াদিল্লির পরে রয়েছে ঢাকা (বাংলাদেশ), এনজামেনা (চাদ), দুশানবে (তাজিকিস্তান), মাসকট (ওমান), কাঠমান্ডু (নেপাল), মানামা (বাহরাইন), বাগদাদ (ইরাক), বিশকেক (কিরগিজস্তান) ও তাশখন্দ (উজবেকিস্তান)।

আইকিউ এয়ারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সবচেয়ে দূষিত ৫০টি শহরের মধ্যে ৪৬টিই মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বায়ুদূষণ এখন বিশ্বের বৃহত্তম পরিবেশগত স্বাস্থ্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত।

বায়ুদূষণের কারণে বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর প্রায় ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়। হাঁপানি, ক্যানসার, হৃদরোগ, ফুসফুসের অসুখসহ অনেক রোগের কারণ বায়ুদূষণ। এ রোগ বৃদ্ধির জন্যও বায়ুদূষণ দায়ী। বায়ুদূষণের দৈনিক অর্থনৈতিক ক্ষতি প্রায় ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা মোট বিশ্ব উৎপাদনের ৩ থেকে ৪ শতাংশ। বায়ুদূষণ তাদেরই বেশি প্রভাবিত করে, যারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় প্রতিপক্ষের হামলায় এক গৃহবধু আহত
 দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় এক সংখ্যালঘু গৃহবধু আহত হয়েছে। আহত গৃহবধুকে সখিপুরস্থ দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আহত ঐ গৃহবধুর স্বামী উপজেলার ঘোনাপাড়া গ্রামের হাজারী লাল বিশ^াসের ছেলে সুকুমার বিশ^াস বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ মতে জানা গেছে, ঘোনাপাড়া সার্ব্বজনীন কালীমাতা মন্দিরের জমিতে সজনে, নারিকেল গাছসহ বিভিন্ন প্রকারের ফলফলাদী গাছ আছে। মঙ্গলবার ২২ মার্চ, ২২ ইং তারিখ দুপুর ১ টা ৩০ মিনিটের দিকে উপজেলার ঘোনাপাড়া গ্রামের কালিপদ সরকারের ছেলে পিন্টু সরকার, একই গ্রামের মৃত নিরাপদ সরকারের ছেলে কালিপদ সরকার, মৃত সুনীল স্বর্নকারের ছেলে মদুসুদন সরকার ও গোবিন্দ সরকার, মৃত সুষেন সরকারের ছেলে নীল কুমার সরকার, মৃত সাধন সরকারের ছেলে সুকুমার সরকার ও দেবকুমার সরকার, মৃত যোগীন্দ্রনাথ সরকারের ছেলে গোপাল সরকার ও নওয়াপাড়া গ্রামের মৃত নেছার আলী গাজীর ছেলে মনিরুল ইসলাম বিভিন্ন লাঠিসোটা নিয়ে বিবাদীরা মন্দিরের সজনে গাছের ডাল কাটতে থাকে।
উক্ত গাছের ডাল কাটাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট গোলযোগকে কেন্দ্র করে বিবাদীরা বাদীর বসত বাড়ির উঠানে বাদীকে বেধড়ক মারপিট করতে থাকে। এসময় বাদীর স্ত্রী লক্ষী রানী (৩০) ও ছেলে জয়দেব বিশ^াস (১৭) ঠেকাতে গেলে বিবাদীরা তাদেরকেও মারপিট করে। এসময় লক্ষী রানীর পরিধেয় বস্ত্র ছিড়ে যায় এবং তার কানে থাকা ৮ আনা ওজনের স্বর্নের দুল হারিয়ে যায়। এ ঘটনায় আহত লক্ষী রানীকে সখিপুরস্থ দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। দেবহাটা থানার ওসি শেখ ওবায়দুল্লাহ জানিয়েছেন, অভিযোগটি তদন্তপূর্বক যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় সীমান্তের সকল দোকান রাত ৮ টার মধ্যে বন্ধ : আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত 
দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটায় আইন শৃঙ্খলা, চোরাচালান নিরোধ, সন্ত্রাস ও নাশকতা, মানব পাচার প্রতিরোধ, যৌতুক ও বাল্যবিবাহ নিরোধ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির মাসিক সভায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যে গুলো বাস্তবায়নেও কঠোর অবস্থানে থাকবে প্রশাসন।
 মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় উপজেলা সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে উপজেলার আইন শৃঙ্খলা ও চোরাচালান নিরোধে সিমান্তের এক কিলোমিটারের মধ্যে সকল দোকান রাত ৮ টায় বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। এছাড়া দেবহাটা বাজারের প্রধান সড়কে বালু না রাখা,
সকল প্রকার অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধ করা এবং আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মুল্য তালিকা না টানালে ভ্রাম্যমান আদালতে বিভিন্ন শাস্তির সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।
সঠিক ভাবে পরীক্ষা নিরিক্ষা ছাড়া কোন বাজারজাত স্থান থেকে গলদা রেনু না ধরার জন্য বিজিবিকে নির্দেশও দেওয়া হয় সভায়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মুজিবর রহমান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ ওবায়দুল্লাহ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান সবুজ,
মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জিএম স্পর্শ। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুর রব লিটু, কুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আছাদুল হক, পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন সাহেব আলী, দেবহাটা সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুল, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার অধীর কুমার গাইন, মহিলা বিষয়ক অফিসার নাসরিন জাহান প্রমুখ।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় যুদ্ধাপরাধ: খালেক মণ্ডল ও রোকনের রায় বৃহস্পতিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক: একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের মামলায় সাতক্ষীরার জামায়াত নেতা সাবেক এমপি আব্দুল খালেক মণ্ডল ও খান রোকনুজ্জামানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় বৃহস্পতিবার।

বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সেদিন এ মামলার রায় ঘোষণা করবে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় সাতক্ষীরা এলাকায় হত্যা, ধর্ষণ, অপহরণ, আটকে রেখে নির্যাতনের মত মানবতাবিরোধী অপরাধের ছয়টি অভিযোগ রয়েছে ওই দুই আসামির বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার মামলাটি কার্যতালিকায় এলে ট্রাইব্যুনাল রায় ঘোষণার জন্য ২৪ মার্চ তারিখ নির্ধারণ করে দেয় বলে প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন জানান।

রেজিয়া সুলতানা চমনই রাষ্ট্রপক্ষে এ মামলা পরিচালনা করেন। খালেক মণ্ডলের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আব্দুস সোবহান তরফদার। আর পলাতক আসামি খান রোকনুজ্জামানের পক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্র নিয়োজিত আইনজীবী গাজী এম এইচ তামিম।

চূড়ান্ত যুক্তিতর্কে প্রসিকিউশন দুই আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চায়। অন্যদিকে আসামিপক্ষ অভিযোগ থেকে আসামিদের খালাস চেয়ে যুক্তি দেয়।

প্রসিকিউশন ও আসামিক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করে গত বছরের ২১ নভেম্বর মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছিল আদালত।

প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন বলেন, মামলাটি ২০১৫ সালের। পরে ২০১৮ সালের ৫ মার্চ অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন ট্রাইব্যুনাল। সে সময় আসামি ছিল চারজন।

তাদের মধ্যে আব্দুল্লাহ আল বাকী এবং জহিরুল ইসলাম ওরফে টিক্কা খান নামের দুই আসামি বিচারাধীন অবস্থায় মারা যান।

বাকি দুই আসামির মধ্যে সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমির ও সাতক্ষীরা সদর আসনের সাবেক এমপি আব্দুল খালেক মণ্ডলকে তদন্তের সময়ই গ্রেপ্তার করা হয়। আর সাতক্ষীরার নবজীবন এনজিওর সাবেক নির্বাহী পরিচালক একাত্তরের কসাই হিসেবে পরিচিত খান রোকনুজ্জামান এখনও পলাতক।

বিচার পরিক্রমা :

মুক্তিযুদ্ধের সময় পাঁচ ব্যক্তিকে জবাই ও বেয়োনেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যার অভিযোগে সাতক্ষীরা সদর আসনে জামায়াতের সাবেক সাংসদ আব্দুল খালেক মণ্ডলসহ নয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৯ সালের ২ জুলাই মামলা দায়ের হয়।

মামলা করেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শিমুলবাড়িয়া গ্রামের শহীদ রুস্তম আলী গাজীর ছেলে নজরুল ইসলাম গাজী; পরে মামলাটি আন্তর্জাতিক ট্রাইব‌্যুনালে পাঠানো হয়।

২০১৫ সালের ১৬ জুন ভোরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার খলিলনগর মহিলা মাদ্রাসায় বৈঠকের সময় জামায়াত নেতা খালেক মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

সাতক্ষীরায় হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি মামলার মধ্যে শহীদ মোস্তফা গাজী হত্যা মামলায় সাবেক এই জনপ্রতিনিধিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এর পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা যুদ্ধাপরাধীদের বিষয়ে জানতে ২০১৫ সালের ৭ অগাস্ট তদন্তে নামে, যা চলে ২০১৭ সালে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেক মণ্ডল, রোকনুজ্জামান, আব্দুল্লাহ আল বাকী এবং জহিরুল ইসলাম ওরফে টিক্কার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দেয় ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

সেখানে মোট ৩৩ জনকে সাক্ষী করা হয়েছিল, যাদের মধ্যে ১৭ জনের সাক্ষ্য শুনেছে ট্রাইব্যুনাল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাশিমাড়ীতে ৩২তম ওরছে পাঞ্জেতন ও সুন্নি মহা সম্মেলন
নিজস্ব প্রতিনিধি:
শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ী ইউনিয়নের দক্ষিণ গোবিন্দপুর মরহুম হাজী আব্দুল ঢালীর বাড়ি প্রাঙ্গণে ৩২ তম ওরছে পাক পাঞ্জেতন ও সুন্নী মহা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শ্যামনগর আহলে-সুন্নাত-ওয়াল-জামাতের প্রচারণায় মঙ্গলবার (২২মার্চ) আসর হতে মধ্যরাত পর্যন্ত এই ওরছে পাক পাঞ্জেতন ও সুন্নী মহা সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন শংকরকাটি মসজিদের পেশ ইমাম আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুল বারী।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-৪ সংসদ সদস্য এসএম জগলুল হায়দার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম আতাউল হক দোলন, শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী ওয়াহিদ মোর্শেদ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম আবুল হোসেন, ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক খোকন সানা, আওয়ামীলীগ নেতা সানাউল্লাহ সরদার সহ উপজেলা ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এতে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য পেশ করেন ঢাকার উত্তরার আশকোনা জামে মসজিদের খতিব পীর সাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাফেজ অলি উল্যাহ আশেকী, দ্বিতীয় বক্তা ছিলেন কালিগঞ্জ থানা জামে মসজিদের খতিব হযরত মাওলানা আশরাফুল ইসলাম আজিজী প্রমুখ।
সম্মেলন পরিচালনা করেন মাওলানা আব্দুল আজিজ ফেরদৌসী।
এতে সুমিষ্ট কণ্ঠে হামদ ও নাত পরিবেশন করেন হাফেজ হারুন অর রশিদ (বাদশা)।
সমগ্র অনুষ্ঠানটির সার্বিক সহযোগিতা ও বাস্তবায়নে ছিলেন কাশিমাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব শমসের আলী ঢালী।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আ: করিম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ‘সততা স্টোর’ উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা আ: করিম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ‘সততা স্টোর’ উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে দুর্নীতি দমন কমিশনের আয়োজনে বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় প্রীতিলতা ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিতা কেটে সততা স্টোরের শুভ উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজা রশীদ। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শেখ নুরুল হকের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন দুর্নীতি দমন কমিশন খুলনার উপ পরিচালক মো. আব্দুল ওয়াদুদ, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এসএম আব্দুল্লাহ আল মামুন,

সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাহিদুর রহমান, বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎসায়ী সদস্য জ্যোৎ¯œা আরা, শিক্ষক আমিনুর রহমান উল্লাস, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি জিয়াউদ্দিন আহমেদ, সহ সভাপতি মুর্শিদা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন, সদস্য ডা. আবুল কালাম বাবলা, মো. আব্দুর রব ওয়ার্ছী, শেখ মোসফিকুর রহমান মিল্টন, অধ্যক্ষ রেজাউল করিম,

সাকিবুর রহমান বাবলা প্রমুখ।
আলোচনা সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসরিন খান লিপি।
বক্তারা বলেন, সততা স্টোরের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দের পণ্য ক্রয়ের পর ক্যাশবাক্সে নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ করবে। এখানে কোন বিক্রয় কর্মী থাকবে না। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূল্যবোধ ও সততার বিকাশ ঘটবে। এ বিদ্যালয়ের সততা স্টোরে শিক্ষার্থীদের জন্য খাতা, অফসেট কাগজ, রাবার, পেন্সিল, কলম, ফাইল, বিস্কুট, চিপস্, চকলেট, পানীয়সহ প্রয়োজনীয় সকল প্রকার পণ্য পাওয়া যাবে। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সহকারী শিক্ষক মো. ফরহাদ হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest