সর্বশেষ সংবাদ-

বিএম আলাউদ্দীন আশাশুনি ব‍্যুরো:
আশাশুনি উপজেলার মধ্য চাপড়ায় মূল নদী বাদ দিয়ে ডিএস, এসএ ও আরএস রেকর্ডীয় জমির উপর নিয়ে নদী খননের কার্যক্রম বন্ধের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে চাপড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে ভাঙ্গন কবলিত সড়কে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

এলাকাবাসীর আয়োজনে মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, নদী ভাঙ্গন কবলিতদের মধ্যে আয়ুব আলী সরদার, রফিকুল ইসলাম, আজহারুল ইসলাম, আফজাল হোসেন, মমতাজ বেগম ও হেলেনা খাতুন। বক্তাগণ বলেন, আরএস নকশায় প্রবাহমান নদী বিদ্যমান ও সরকারী খাস জমি থাকার পরও অজ্ঞাত কারনে আমাদের ডিএস খতিয়ান, এসএ ও আরএস খতিয়ানের রেকর্ডীয় সমতল জমির মাঝখান বরাবর বর্তমান নদী খনন নকশা চূড়ান্ত করায় নদীর দুই তীরে আমাদের রেকর্ডীয় জমি বাদ পড়ায় আমরা শত শত পরিবার ক্ষতির সম্মুখীন হবো। ইতিপূর্বে আমাদের বাপ-দাদার আমলে জমি ও ভিটেবাড়ী বাংতে ভাংতে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বহু পরিবার বসতবাড়ি, জমি হারিয়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছে। বর্তমানে ১৫০-২০০ পরিবার তাদের শেষ সম্বল রেকর্ডীয় জমিতে বসবাস করছে এবং ছোট ছোট মৎস্য ঘেরে মাছ চাষ করে কোন রকমে সংসার নির্বাহ করছে।

খেটে খাওয়া দীনমজুর শ্রেণির অসহায় পরিবারের সদস্যরা সেখানে বসবাস করছে। অথচ নদী খনন নীতিমালা বর্হিভূত প্রবাহমান নদী স্রোত অনুসরন কিম্বা মূল নদীর নকশা মোতাবেক সীমানা চিহ্নত না করে লাল পতাকা টানানো হয়েছে। মূল নদীর স্থান দিয়ে খনন না করে নদী খননের দূরত্ব কমাতে সাধারণ জনগনের ডিএস, এসএ ও আরএস খতিয়ানের দাগের উপর নদী খননের লক্ষ্যে রেকর্ডীয় জমির উপরে লাল পতাকা টানানোয় রেকর্ডীয় মালিকেদের মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে দেখা দিয়েছে। নিয়ম বহির্ভুত খনন কাজ করা হলে কবর স্থান, ঘর বাড়ী, মৎস্য ঘের সহ জনসাধারনের মারাত্মক ক্ষতি হবে।

ডিএস রেকর্ডে ৮০০ থেকে ১১০০ ফুট পর্যন্ত নদী ছিল। সেখানে খনন না করে আমাদের রেকর্ডীয় জমির উপর দিয়ে নদী খননের পায়তারা করা হচ্ছে। বক্তাগণ বলেন, এব্যাপারে প্রতিকার প্রার্থণা করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত আবেদন করা হয়েছে। তারা নদী খনন নীতিমালা অনুসরণ করে ডিএস, এসএ ও আরএস রেকর্ডীয় মালিকের রেকর্ডীয় জমি এবং ঘরবাড়িসহ সকল সম্পদ রক্ষায় ন্যায়সঙ্গত আইনানুগ নদী খননের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবী জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি ব‍্যুরো:
আশাশুনিতে জলবায়ু পরিবর্তন এবং অভ্যন্তরীণ অভিবাসন/বাস্তুচ্যুতি শীর্ষক এ্যাডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০.৩০ টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ এ্যাডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘কারিতাস বাংলাদেশ’ খুলনা অঞ্চলের ডিআরআর এন্ড সিসিএ প্রজেক্টের আওতায় আয়োজিত এ্যাডভোকেসী সভায় সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কৃষ্ণা রায়।

সভায় মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে মূল আলোচনা উপস্থাপন ও অংশ গ্রহনকারীদের মতামত গ্রহন করেন, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ইনস্টিটিউট অব ডিজিস্টার ম্যানেজমেন্ট এর সহকারী অধ্যাপক ড. মোঃ ইসমাইল হোসেন। সভায় উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ এস এম এনামুল ইসলাম, পিআইও আমিরুল ইসলাম, দৈনিক প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার কল্যান ব্যানার্জী, আশাশুনি প্রেস ক্লাব সভাপতি জি এম আল ফারুক, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জি এম মুজিবুর রহমান, সেক্রেটারী এসকে হাসান, সাবেক সেক্রেটারী সমীর রায়, রিপোর্টার্স ক্লাব সভাপতি রাবিদ মাহমুদ চঞ্চল, সাধারণ সম্পাদক বিএম আলাউদ্দীন, সাংগঠনিক সম্পাদক লিংকন আসলাম, সদস্য এস এম শরিফুল ইসলাম শরীফ ও আবু সালেহ, মাসুম বিল্রাহসহ সাতক্ষীরা, কয়রা উপজেলার কামাল হোসেন সহ সাংবাদিকবৃন্দ এবং প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান হাজী আবু দাউদ ঢালী, প্রকল্প সমন্বয়কারী পবিত্র কুমার মন্ডল,

মিল কো-অর্ডিনেটর মোঃ ইব্রাহিম হোসেন, চাকলার ভুক্তভোগি পরিবারের সদস্য মোসলেমা খাতুন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সভায় নদী ভাঙ্গন, প্রচুর লবণাক্ততা, টেকসই বেড়ীবাঁধের অভাব, বনায়ন ধ্বংস, কাজের অভাব, প্রয়োজনের তুলনায়ন অধিক সম্পদ ক্রয়, সংস্কার বিহীন প্লাবিত রাস্তা, মৌসুমী আয়ের উপর অত্যাধিক আস্থা, দীর্ঘ মেয়াদী সুপরিকল্পনার অভাব, অপরিকল্পিত পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় স্লুইস গেটের অভাব, দুর্বল সরকারি পরিকল্পনা, অনুন্নত শিক্ষা, সাগরমুখী ও ইটের ভাটার আয়ের উপর নির্ভরতা ও যুগোপযোগি প্রশিক্ষণের অভাব এলাকার মানুষের বাস্তুচ্যুত হওয়ার কারণ হিসাবে উপস্থিত সকলের কথোপকথনের মাধ্যমে বেরিয়ে আসে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা (সাতক্ষীরা): “দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারুণ্যের একতা, গড়বে আগামীর শুদ্ধতা” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেবহাটায় ৯ ডিসেম্বর ২৪ ইং সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় আন্তর্জাতিক দূর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত হয়েছে।

শুরুতে উপজেলা গেটের সামনে মানববন্ধন ও পরবর্তীতে দেবহাটা উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি সাবেক প্রধান শিক্ষক এনামুল হক বাবলুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন দূর্নীতি দমন কমিশন খুলনার উপ-সহকারী পরিচালক আশিকুর রহমান।

উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারন সম্পাদক প্রভাষক চন্দ্রকান্ত মল্লিকের সঞ্চালনায় সভায় উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, পারুলিয়া বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম, উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মোছাঃ মুনতাহা, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর কে বাপ্পা, সিনিয়র সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান কাজল, সাংগঠনিক সম্পাদক কে.এম রেজাউল করিম, বিভিন্ন এনজিও কর্মী সহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন। সভায় দূর্নীতি প্রতিরোধে করনীয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি ব‍্যুরো:
আশাশুনিতে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস’ ২০২৪ পালিত হয়েছে।
সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা পরিষদের সামনে রোডে দুর্নীতি বিরোধী মানববন্ধন শেষে উপজেলা পরিষদ হলরুমে আলোচনা সভায় সম্মিলিত হয়। খুলনা দুর্নীতি দমন কমিশন সাজেকা, আশাশুনি উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার কৃষ্ণা রায়।

‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারুণ্যের একতা: গড়বে আগামীর শুদ্ধতা’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি চিত্তরঞ্জন ঘোষের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, দুর্নীতি দমন কমিশন, খুলনার উপ-সহকারী পরিচালক মোঃ মহসীন আলী, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলাম, নবাগত প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম,

উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা আরিফা খাতুন। শুরুতেই পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন শারমিন সুলতানা ও গীতা পাঠ করেন লোপা বসু। উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য রোকনুজ্জামানের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আজাদুল ইসলাম, সদস্য এইচ মমতাজ হেলেন ও জিএম মামুন হাসান। আলোচনায় বক্তাগন আগামী দিনে সকল পর্যায়ে দুর্নীতি প্রতিরোধে সকল শ্রেণী পেশার মানুষের উদ্বুদ্ধ করতে উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির কর্মকর্তা ও সদস্যদের বিভিন্ন কর্মসূচী হাতে নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা শহরের নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সংকট ও সমাধানে করণীয় বিষয়ক এক সংলাপে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নাগরিকরা। সংলাপে উঠে আসে পৌরসভার বস্তি এলাকাগুলোতে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। আবাসন মানুষের মৌলিক অধিকার হওয়া সত্ত্বেও এই জনগোষ্ঠীর জন্য এখনো কার্যকর কোনো পরিকল্পনা নেওয়া হয়নি।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক আয়োজিত সংলাপে অংশ নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ এসব কথা বলেন।

সংলাপে ধারণাপত্র পাঠ করেন বারসিক কর্মকর্তা গাজী মাহিদা মিজান।

এতে বলা হয়, সাতক্ষীরা পৌরসভায় ৪৭টি বস্তি রয়েছে। যেখানে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ বসবাস করে। যা পৌর এলাকার মোট জনসংখ্যার ৩৫ শতাংশ। এই জনগোষ্ঠীর বেশিরভাগই বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবে সর্বস্বান্ত হয়ে গ্রাম থেকে শহরের বস্তিতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। এতে তাদেরকেও যেমন নানা সংকটের মধ্যদিয়ে জীবনযাপন করতে হচ্ছে, তেমনি কোনো পরিকল্পনা না থাকায় সংকট আরও বাড়ছে।

সংলাপে বক্তারা বলেন, বস্তিগুলোতে পয়নিষ্কাশন ব্যবস্থা অপ্রতুল, নেই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কোন সঠিক পরিকল্পনা। বস্তিতে প্রতিটি টয়লেট একাধিক পরিবার ব্যবহার করে, যা কোনভাবেই স্বাস্থ্যসম্মত নয়। পরিবেশ অত্যন্ত অপরিচ্ছন্ন ও ঘিঞ্জি।

সংলাপে অংশগ্রহণকারীরা নগরের নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য নিরাপদ, পরিবেশবান্ধব ও দুর্যোগসহনশীল বাসস্থান নিশ্চিতকরণ, বস্তির শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, দরিদ্রদের বিনামূল্যে চিকিৎসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রদান, দুর্যোগ ঝুঁকি মোকাবেলায় বিশেষ ঝুঁকি ভাতা ও প্রণোদনা প্রদান এবং সবার জন্য বাসযোগ্য নগর পরিকল্পনা গ্রহণের প্রস্তাব করেন।

সংলাপে সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক আজাদ হোসেন বেলালের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক এসএম বিপ্লব হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, পরিবেশ কর্মী অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, মানবাধিকার কর্মী অধ্যাপক পবিত্র মোহন দাস, স্বদেশ পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত, নাগরিক নেতা আলী নূর খান বাবুল, উদীচীর সভাপতি শেখ সিদ্দিকুর রহমান, ভূমিহীন নেতা আব্দুস সামাদ, সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, সাংবাদিক মিজানুর রহমান, গোলাম সরোয়ার, বস্তিবাসীদের মধ্যে রাজারবাগান ঋষিপাড়ার কুমারেশ সরদার, ইসলামপুরের ইসরাফিল হোসেন, আতির বাগানের আশরাফ আলী, কাজীপাড়ার এরশাদ আলী, ইটাগাছার খাদিজা খাতুন ও মুহিনুর ইসলাম, শিক্ষা, সংস্কৃতি বৈচিত্র্য রক্ষা টিমের সদস্য হৃদয় মন্ডল প্রমুখ। #

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বাংলাদেশের স্বাধীণতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরায় প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আমার বাংলাদেশ(এবি পার্টি) এর আয়োজনে সোমবার বিকাল ৪টায় সাতক্ষীরা নিউ মার্কেট চত্বরে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক মনঞ্জুরুল কবির রিপন।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, এবি পার্টি সাতক্ষীরা জেলার আহবায়ক ভিপি আব্দুল কাদের।
বক্তব্য রাখেন, পার্টির সদর থানার সভাপতি ডা: জি এম সালাউদ্দিন শাকিল, পার্টির সদস্য ভ‚মিহীন নেতা আব্দুস সাত্তারসহ অন্যরা। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন পার্টির জেলা সদস্য সচিব মো: আলমগীর হুসাইন।
বক্তারা বলেন, আপনারা দীর্ঘদিন বাংলাদেশের উন্নয়নের নামে দেশকে ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে পৌছে দিয়েছেন।

৫ আগস্ট ছাত্রজনতার রক্তের বিনিময়ে নতুন করে বাংলাদেশটাকে গঠন করার স্বপ্ন দেখছি। মানুষের সেই স্বপ্ন ভঙ্গের কারন হবে না। যদি আপনারা উস্কানি দিয়ে দেশকে আবারো অশান্ত করার পায়তারা করেন। এরপরিনতি কিন্তু ভালো হবে না। বাংলাদেশের মানুষ দাঁতভাঙ্গা জবাব দিবে। বক্তারা হুশিয়ারি প্রদান করে বলেন বাংলাদেশের স্বাধীণতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের কোন ছাড় দেওয়া হবে না।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তালা প্রতিনিধিঃ চাঁদাবাজি অভিযোগে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খেরশা ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম লাল্টুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (৮ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তাকে খেরশা বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া চেয়ারম্যান হরিহরনগর গ্রামের আবু বক্করের ছেলে। তিনি খেরশা ইউপি চেয়ারম্যান হিসাবে দ্বায়িক্ত পালন করছেন।

স্থানীয়রা জানায়, সন্ধ্যর দিকে তালা থানা পুলিশ তাকে ইউনিয়ন পরিষদের পাশে থেকে তাকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপরে তাকে চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

তালা থানার ভারপ্রাপ্তকর্মকর্তা (ওসি) মো.শাহিনুর রহমান জানান, গ্রেপ্তারকৃত ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদবাজির মামলা রয়েছে। সোমবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক ট্যাংকলরী ( দাহ্য পদার্থ বহনকারী ব্যতীত) ট্রাক্টর ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজিঃ নং খুলনা- ৭৬৪) এর ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ৮ টা হতে শুরু হয়ে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত নারিকেল তলাস্থ কার্যালয়ে বিরতিহীনভাবে এ ভােট অনুষ্ঠিত হয়। ১৬৭১ জন ভোটারের মধ্যে ৮৪৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচনে সভাপতি পদে হরিণ প্রতিক নিয়ে মো. আমিনুর রহমান ৪৬৪ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী গোলাম মোস্তফা বাঘ প্রতিকে পেয়েছেন ২৭০ ভোট। সহ-সভাপতি পদে রেজাউল ইসলাম রেজা খেজুর গাছ প্রতিকে ৪৬৭ ভোট জয়লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোস্তাফিজ বাইসাইকেল প্রতিকে পেয়েছেন ২১০ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে আনারস প্রতিকে মজনু সরদার ৬৪৭ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ওয়াহিদুজ্জামান আহাদ ছাতা প্রতিকে পেয়েছেন ৩৩ ভোট।

সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে আব্দুল গফফার গরুর গাড়ী প্রতিকে ৩৫৫ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. আব্দুল সালাম মাছ প্রতিকে ৩২৩ ভোট পেয়েছেন। সাংগঠনিক সম্পাদক
এরশাদ আলী সানা প্রজাপতি প্রতিকে ৩১৫ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বাবলু রহমান কলস প্রতিক ৩০৫ ভোট পেয়েছেন।

সড়ক সম্পাদক পদে মো. ইকবাল হোসেন বাস প্রতিক ৩৫৩ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মামুন কবির শাপলা প্রতিক ৩৩১ ভোট পেয়েছেন।
কোষাধ্যক্ষ পদে মো. কালাম হোসেন টেবিল ঘড়ি প্রতিকে ৩৩৬ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শাহাজান শেখ ফুটবল প্রতিকে ২৮৩ ভোট পেয়েছেন।

অফিস সম্পাদক পদে আব্দুর রশিদ হাতপাখার প্রতিকে ৪০৯ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. আহাদ আলী পেয়েছেন ২০২ ভোট পেয়েছেন।

কার্যকরী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ বিল্লাল হোসেন, মো. আল-আমিন, মো. ফরহাদ হোসেন, মোঃ জোহর আলী, সুশংকর কুমার দাস, বিল্লাল মিয়া, মোঃ মনিরুল ইসলাম, মোঃ শাকিল হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest