সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় কমিউনিটি শিশুদের জন্মদিন উদযাপনআশাশুনিতে ৮শ লিটার পেট্রোল জব্দ: ১০হাজার টাকা জরিমানাসাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেলMassimizza le tue vincite con i bonus del casinò online Winnitaকালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ঘের মালিকের মৃত্যুআর্ন্তজাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবসে ৮ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনFaire une pause stratégique : comment la fonction « cool‑off » transforme les tournois de casino en ligne en moments de jeu responsable

শ্যামনগর প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে প্রতারণার অভিযোগে স্বঘোষিত ভূমিহীন নেতাকে আটক করেছে শ্যামনগর থানা পুলিশ। আটককৃত ব্যক্তি হলেন, শ্যামনগর পৌরসভার নকিপুর গ্রামের ছকিমুদ্দীন গাজীর ছেলে মোকছেদ আলী গাজী (৫৫)। এজেহার সূত্রে জানাজায়, মোকছেদ আলী নিজেকে ভূমিহীন নেতা ও শ্যামনগর উপজেলা কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত ও বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য পরিচয় দিয়ে এবং বিভিন্ন সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত এই মর্মে এলাকার সাধারণ মানুষকে ভুল বুঝিয়ে খাস জমি পাওয়ে দেওয়া নাম করে টাকা তোলেন। কিন্তু মাসের পরে মাস, বছরের পর বছর হয়ে গেলেও তারা জমি না পেয়ে টাকা ফেরত চেয়েও টাকা ফেরত না পেয়ে শ্যামনগর থানায় মামলা করেন।

মোকছেদ ও পাতাড়াখোলা গ্রামের আব্দুল করিম এর স্ত্রী জাহানারা খাতুন সহ ৪/৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে মামলা করেন শ্যামনগর উপজেলা ডুমুরিয়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের স্ত্রী আনোয়ারা খাতুম (৪৩)। ভুক্তভোগীরা থানায় হাজির হয়ে ভূমিহীন নেতা মোকছেদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলা নং -৪। মোকছেদ শ্যামনগর সদরে ট্রাক টার্মিনাল সংলগ্ন রাস্তার পূর্ব পাশে ‘ভূমিহীন উন্নয়ন সংস্থা” নামীয় অফিস স্থাপন করে বিগত ইং-২০২০ সাল হতে জাহানারা সহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনের সাথে পরস্পর যোগসাজসে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী শ্যামনগর থানা এলাকার বিভিন্ন গ্রামে যেয়ে, বিশেষ করে সহজ সরল নিরীহ মহিলাদের সরকারী খাস জমি চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত সহ দলিল করে দিবে বলে মিষ্টি মিষ্টি কথায় ভুলিয়ে জন প্রতি ৬০ হাজার টাকা করে দাবী করে। এবং বলে যে, প্রথমে জন প্রতি ১০ টাকা দিলে তাদের নামে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত এর প্রপোজাল হবে। পরবর্তীতে বাঁকী টাকা প্রাপ্তির পর স্ব-স্ব নামে ১০ কাঠা থেকে দেড় বিঘা জমির দলিল করে দিবে এবং সরকারী ঘর পাইয়ে দিবে।

গত ইং-০৩/০৩/২০২০ তারিখ হতে ইং-০৭/০৭/২০২০ তারিখের মধ্যে মোকছেদ এর অফিস, ভূমিহীন উন্নয়ন সংস্থায় এসে আনোয়ারা ২৬ হাজার, ছফুরা ২১ হাজার, নাছিরুন ৩৫ হাজার, জেসমিন ৩৭ হাজার, রাবেয়া ২১ হাজার, ফিরোজা ২১ হাজার, পূর্নিমা ২১ হাজার, প্রভাষ ২১ হাজার, শাফিরুন ২১ হাজার, ইসমাইল ২১ হাজার, জাহানারা ১১ হাজার, জয়নাব ২১ হাজার, হালিমা ২১ হাজার, ফতেমা ১১ হাজার, আম্বিয়া ১১ হাজার , হালিমা ১১ হাজার , সুফিয়া ১২ হাজার, শাজিদা ১১ হাজার, জবেদা ২১ হাজার, মিনা ১১ হাজার, ২০। আছমা ২১ হাজার টাকা। সর্বমোট ৪ লক্ষ ৭ হাজার টাকা।

আরও জানাজায়, শ্যামনগর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মহিলাদের সরকারী খাস জমি বন্দোবস্ত দলিল করে দিবে বলে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারনামূলক ভাবে আত্মসাৎ করেছে। মোকছেদ সহ তার সহযোগীদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা অফিসের ঝামেলা আছে, খুব তাড়াতাড়ি তোমরা আমাদের কথামত সরকারী খাস জমির চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত পেয়ে যাবে এতে কোন সন্দেহ নাই। এভাবে তার সহযোগীরা একেক সময় একেক ধরনের কথাবার্তা বলে তালবাহনা করতে থাকে। সর্ব শেষ ২ রা জুন ২০২৪ তারিখ বিকাল অনুমান ০৪ টার সময় ১নং মোকছেদ এর বাড়ীতে যেয়ে জাহানারা খাতুনকে পেয়ে উল্লেখিত সকলে তাদের টাকা ফেরৎ চাইলে তারা পূর্বের ন্যায় তালবাহনা করে তাড়িয়ে দেয় এবং বলে যে, এব্যাপারে বাড়াবাড়ি করলে প্রয়োজনে তোদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করব। জেল হাজত খাটাবো, শ্যামনগর সদরে পেলে মেরে হাত-পা ভেঙ্গে দিবো ইত্যাদি বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি সহ হুমকি ধামকি দেয়।

শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ সত্যতা নিশ্চিত করেন বলেন, তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিএম আলাউদ্দীন আশাশুনি ব্যুরো:
প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় রেমাল এর তান্ডবে আশাশুনি উপজেলার ১০ নং বৈকরঝুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ঘরের টিনসেড তছনছ হয়েগেছে। কক্ষ সংকটে স্কুলের মাঠে খোলা আকাশের নিচে ক্লাস পরিচালনা করতে বাধ্য হচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

এলাকার স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বৈকরঝুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ৩৫০ জন। পড়ালেখার মানও যথেষ্ট উন্নত। নিয়মিত ক্লাস পরিচালনাসহ শিক্ষার মান উন্নয়নে পরিচালনা কমিটি ও শিক্ষকবৃন্দ নানা ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় রেমাল এর তান্ডবে স্কুলের একটি ভবনের টিনসেড তছনছ হয়ে যাওয়ায় সেখানে ক্লাস পরিচালনা বন্ধ করে দিতে হয়েছে। ভবনটিতে ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস বসতো। টিনসেড তছনছের পর থেকে বাধ্য হয়ে ৩য় শ্রেণির ৬১ জন ছাত্রছাত্রী ও প্রাক-প্রাথমিকের ৩০ জন ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে স্কুলের মাঠে খোলা আকাশের নিচে ক্লাস নিতে হচ্ছে। যা অতীব অমানবিক এবং বর্ষা মৌসুম আসলে ক্লাস বন্ধ হয়ে যাবে। কেননা স্কুলের মাঠ বর্ষার সময় নিমজ্জিত হয়ে যায়। তখন বর্ষা হলে যেমন ক্লাস করানো সম্ভব নয়, তেমনি নিমজ্জিত মাঠে খোলা আকাশের নিচে ক্লাসও বন্ধ হয়ে যাবে।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাকিলা খাতুন জানান, স্কুলের পুরাতন ভবনটি নিলামে বিক্রয়ের পর ২০২০ সালে সয়েল টেস্ট করা হয়েছিল। তখন একটি নতুন ভবন অনুমোদন হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিনেও নতুন ভবন নির্মানের কোন লক্ষণ পরিলক্ষিত হচ্ছেনা। কবে নাগাদ নতুন ভবন হবে সেটি বলাও মুসকিল। তাই বর্ষা মৌসুমে বিদ্যালয়টির ক্লাস পরিচালনা ভেস্তে যেতে পারে। এনিয়ে শিক্ষক, পরিচালনা কমিটি, অভিভাবকরা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। তাদের দাবী বিদ্যালয়ের জন্য নতুন ভবন নির্মানের কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। সাথে সাথে দ্রুততার সাথে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের টিনসেড সংস্কারে জোর আবেদন জানানো হয়েছে।

এব্যাপারে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও ক্লাস্টার অফিসার মোঃ শাহজাহান আলী জানান, টিনসেড উড়ে যাওয়ায় মেরামতের জন্য বরাদ্দ চেয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। বরাদ্দ আসলে টিনসেড সংস্কার করে পাঠদানের উপযোগি করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিশেষ প্রতিনিধি

শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত এক শত  পরিবারের মাঝে চেকের মাধ্যমে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। ফাউন্ডেশন ফর সোসিও- ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (FSDI) এর আয়োজনে শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসনের  পক্ষ থেকে গত ইং ২ জুন রবিবার বেলা ১১:০০ ঘটিকার সময় শ্যামনগর উপজেলা পরিষদ হলরুমে উক্ত চেক বিতরণ করা হয়।

উক চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে  নগদ অর্থ সহ চেক বিতরণ করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ূন কবির।

 উক্ত চেক বিতরন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন  শ্যামনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদুজ্জামান সাইদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নজিবুল আলম , সহকারী কমিশনার ভুমি আব্দুল্লাহ আল রিফাত, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহিনুল ইসলাম, কাশিমাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুজ্জামান আনিছ, সহ  সন্মানিত গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সুশীল সমাজের মানুষেরা। এসময় রিমেলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত  একশত পরিবারের মাঝে প্রত্যেককে দুই হাজার টাকা করে অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়।

ছবি:শ্যামনগরে ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত একশত পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক  মোহাম্মদ হুমায়ূন কবির

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)’র চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদারের নির্দেশনা ও খুলনা বিভাগের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ জিয়াউর রহমানের তত্ত্বাবধানে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাসকল্পে ও যাত্রী, চালক, পথচারীদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও বিআরটিএ’র উদ্যোগে মোটযানের উপর ধারাবাহিক ভাবে মোবাইল কোর্ট অব্যহত রয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় রোববার বিকালে সাতক্ষীরা শহরের অদূরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে মোটরযানের উপর মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো ও সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর বিভিন্ন ধারা ভঙ্গের কারনে ৩ টি মামলার বিপরীতে ১ হাজার ২ শত’ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

এ সময় উক্ত মোবাইল কোর্টে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার এস এম আকাশ, বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের মেকানিক্যাল এ্যাসিস্ট্যান্ট মোঃ ওবায়দুর রহমান, অফিস সহকারী শেখ আশিকুর রহমান সহ সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স।

মোবাইল কোর্টের অভিযানের বিষয়ে সাতক্ষীরা বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি:) কে এম মাহবুব কবির বলেন, বিআরটিএ চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ও বিআরটিএ খুলনা বিভাগীয় পরিচালক (ইঞ্জি:) মোঃ জিয়াউর রহমানের নির্দেশনায় খুলনা বিভাগের প্রত্যেকটি সার্কেলের আওতাধীন জেলা গুলোতে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং বিভিন্ন শ্রেনি পেশার মানুষের মধ্যে সড়কে চলাচলের উপর সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ধারাবাহিক ভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত রাখা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন আমরা শুধু যানবাহনের উপর মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে মামলা ও জরিমানা করছি না এর পাশাপাশি সড়কে শৃঙ্খলা, দূর্ঘটনা হ্রাসকল্পে ও চালক পথচারীদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। এছাড়া সরকার ইতিমধ্যে দ্বিতীয় ধাপে যে সকল মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স টোকেন ও রুট পারমিট এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন নেই তাদেরকে জরিমানা ব্যাতীত মূল কর ফিস দিয়ে কাগজ পত্র হালনাগাদ করার জন্য আগামী ৩০ জুন’২৪ পর্যন্ত সময় বর্ধিত করেছে। এ সময়ের পরে যেসকল যানবাহনের কাগজ পত্র খেলাপি এবং চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন থাকবে না সে সকল যানবাহন ও চালকদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও), শিল্প মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এবং জেলা প্রশাসক, সাতক্ষীরা ও জাতীয় ক্ষুদ্র, কুটির শিল্প সমিতি, বাংলাদেশ (নাসিব) সাতক্ষীরা এবং বিসিক, সাতক্ষীরা এর সহযোগীতায় ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও) এর জনবলের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দেশব্যাপী উৎপাদনশীলতা বিষয় অবহিতকরণ (১ম সংশোষিত) শীর্ষক প্রকল্পের
০৫ দিন ব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন হয়েছে। গত ২৯ মে বিনেরপোতায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সেন্টার (টিটিসি) তে শুরু হওয়া কর্মশালাটি ০২ জুন শেষ হয়।

নাসিব, সাতক্ষীরার সভাপতি জিএম নাজমুস সাকিব এর সভাপতিত্বে রবিবার উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালার শেষ দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ সরোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিসিক শিল্প নগরী, সাতক্ষীরা এর ডি. এম গৌরব দাস এবং টিটিসির অধ্যক্ষ কে এম মিজানুর রহমান।

উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশন(এনপিও) এর গবেষণা কর্মকর্তা রিপন সাহা এবং সৈয়দ জায়েদ উল ইসলাম, পরিসংখ্যান তথ্য অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা এস এম নাইমুর রহমান।

উল্লেখ্য, উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সমন্বয়ে মোট ৯০(নব্বই) জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেন।

উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় নিজের জীবন মানে উন্নয়ন এবং স্মার্ট বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন উদ্যোক্তা তৈরিসহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক ক্ষেত্রের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য ঠিক রেখে ব্যাবসাকে লাভজনকভাবে দির্ঘস্থায়ী করার বিভিন্ন কৌশল শেখানো হয়।

এছাড়া প্রধান অতিথির বক্তব্যে সরোয়ার হোসেন বলেন, প্রোডাক্টিভিটির প্রশিক্ষণ আমি নিজেও করেছি। এটা নিজ পরিবার থেকে শুরু করে ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠানসহ সর্বক্ষেত্রে উনয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সে কারণে আপনারা যারা এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করলেন সবাই নিজ জায়গায় এই প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে নিজের এবং দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আশা রাখি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হসপিটালে প্রায় মাসব্যাপী ফেলোশিপ শেষে দেশে ফিরছেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. মাহমুদুল হাসান (পলাশ)।

রবিবার (২ জুন) দিবাগত রাতে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি বিমানে তিনি ঢাকায় ফিরছেন।

সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক স্পাইন ও অর্থোপেডিক সার্জারির আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘এও স্পাইন’ এর এ ফেলোশিপ সফলভাবে সম্পন্ন করায় ডা. পলাশ সংস্থাটির অ্যাম্বাসেডর মনোনীত হয়েছেন। একইসাথে তিনি সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হসপিটাল এর অ্যালামনাইয়ের স্বীকৃতি পেয়েছেন।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে স্পাইন সার্জারি ইউনিট প্রতিষ্ঠা করতে চান ডা. পলাশ। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল রোগীরাও যাতে স্পাইন সার্জারির মতো ব্যয়বহুল চিকিৎসা পায়, সেজন্য সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বতন্ত্র স্পাইন ইউনিট প্রতিষ্ঠা করতে চাই।

এ বিষয়ে তিনি সাতক্ষীরার সকল সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, মেডিকেল কলেজ অধ্যক্ষ, পরিচালক এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতা এবং সাতক্ষীরাবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

ডা. মো. মাহমুদুল হাসান (পলাশ) দক্ষিণবঙ্গের একমাত্র স্পাইন সার্জন। বর্তমানে তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজে সহকারী অধ্যাপক (স্পাইন সার্জারি) সংযুক্তিতে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে শিক্ষকতা করছেন।

এর আগে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে এই শিক্ষক ভারতের দিল্লিতে দশ দিনের একটি ফেলোশিপ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এ ছাড়াও, তিনি মেলবোর্ন, মুম্বাই, গুজরাট, চেন্নাই ও আসাম থেকেও মেরুদন্ডের চিকিৎসার ওপর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। দেশি-বিদেশি গবেষণা জার্নালে তার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রকাশনা রয়েছে। তিনি নিয়মিত বিভিন্ন কনফারেন্সে বক্তৃতা ও অংশগ্রহণ করে আসছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় অস্বাস্থকর পরিবেশে সেমাই ও চানাচুর তৈরি করার অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সাথে সেমাই ব্যবসায়ীকে ২ কারাদ- প্রদান করে ভ্রাম্যমান আদালত।

জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা এন এস আইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে রোববার দুপুরে সাতক্ষীরার মেঝমিয়ার মোড় এবং পুরাতন সাতক্ষীরা ঘোষপাড়ায় অভিযান চালিয়ে এ দ- প্রদান করেন ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত জাহান।

জানা গেছে, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা এন এস আইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত জাহানের নেতৃত্বে দুপুর ১টার দিকে ভ্রাম্যমান আদালত সাতক্ষীরা সদরের চালতেতলা মেঝ মিয়ার মোড়ের মেসার্স মামুন এন্ড ব্রাদার্স নামক সেমাই কারখানায় অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় কারখানার মালিক মোঃ জিয়াউল হককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা ও ০২ (দুই) মাসের কারাদ- প্রদান করা হয়।

পরে দুপুর ২টার দিকে পুরাতন সাতক্ষীরা ঘোষপাড়ায় ইভা এন্টারপ্রাইজ নামক চানাচুর কারখানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় কারখানার মালিক শেখ আব্দুস সামাদকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা স্বাস্থ্যবিধি মেনে খাদ্যদ্রব্য প্রস্তুত করার ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত দুটি প্রতিষ্ঠানের সকল কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

০২.০৬.২০২৪

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় জাতীয় ভিটামিন এ-প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২৪ এর উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার ( ১ জুন) সকাল সাড়ে ৯ টায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের আয়োজনে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন করা হয়।

এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডাঃ মো. আব্দুস সালাম, ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সরোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আতিকুল ইসলাম। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদর হাসপাতালের আরএমও ডাঃ ফয়সাল আহমেদ, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ জয়ন্ত সরকার, সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার পুলক চক্রবর্তী, সিভিল সার্জন অফিসের স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক ( ভারপ্রাপ্ত) আবুল কাশেমসহ বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মকর্তাবৃন্দ।

এসময় অতিথিরা বলেন , ভিটামিন ‘এ’ শুধুমাত্র অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব থেকে শিশুদের রক্ষা করে তাই নয়, ভিটামিন এ শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও শিশুর মৃত্যু ঝুঁকি কমায়। আগামী প্রজন্মকে সুস্থ ও সবলভাবে গড়ে তুলতে এ ভিটামিন কাজ করবে।

উল্লেখ্য এবার সাতক্ষীরা জেলায় ৭ টি উপজেলা, ২ টি পৌর সভায় ১৯৪১টি কেন্দ্রে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ২৭৬৫৬ জন শিশুকে নীল রংয়ের ভিটামিন ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ লাখ ৩০ হাজার ৯১৫জন শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ মাত্রা নির্ধারণ করা হয়। জেলায় মোট ২ লাখ ৫৮ হাজার ৫শত ৭১ জন শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস খাওয়ানো লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয় । ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর কাজে সহায়তা করেছ ৪৮৮০ জন স্বাস্থ্য কর্মী। এর মধ্যে সরকারি স্বাস্থ্য কর্মী ১০১৩ জন ও বেসরকারি ৩৮৬৭ জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest